× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
LPG 12 kg cylinder price increased by Tk 23
google_news print-icon

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৩ টাকা

এলপিজি-১২-কেজির-সিলিন্ডারের-দাম-বাড়ল-২৩-টাকা
দোকানের পাশে এলপিজি সিলিন্ডারভর্তি গাড়ি। ফাইল ছবি
চলতি মাসের প্রথম কর্মদিবস রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ মূল্য ঘোষণা করা হয়, যা কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।

ভোক্তা পর্যায়ে ডিসেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) দাম সমন্বয় করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

চলতি মাসের প্রথম কর্মদিবস রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ মূল্য ঘোষণা করা হয়, যা কার্যকর হবে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে।

প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এলপিজির সমন্বয়কৃত দর ঘোষণা করে বিইআরসি।

সমন্বয়কৃত মূল্য অনুযায়ী, ডিসেম্বরে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হবে ১ হাজার ৪০৪ টাকা, যা নভেম্বরে ছিল ১ হাজার ৩৮১ টাকা। অর্থাৎ রান্নার কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে চলতি মাসে ক্রেতাকে ২৩ টাকা বেশি গুনতে হবে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর তথা মূসকসহ সাড়ে পাঁচ কেজি এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে ৬৪৪ টাকা। এ ছাড়া ১৫ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৭৫৫ টাকা, ২০ কেজির দাম দুই হাজার ৩৪০ টাকা, ২৫ কেজির দাম ২ হাজার ৯২৬ টাকা ও ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৫১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৫৭ টাকা
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম কমল ২৪৪ টাকা
এলপি গ্যাসের দাম কমল ৭৬ টাকা
গোপালগঞ্জে সিলিন্ডারবাহী ট্রাক ছিনতাই
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Ants cannot fly due to lack of money

টাকার অভাবে উড়তে পারছে না ‘পিপীলিকা’

টাকার অভাবে উড়তে পারছে না ‘পিপীলিকা’ বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকার লোগো। ছবি: পিপীলিকা
অর্থ সংকটে ধুঁকছে শাবির সাড়া জাগানো চার উদ্ভাবন। তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিশ্বের একমাত্র বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’। প্লে-স্টোরে থাকলেও নিস্ক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ‘একুশে বাংলা কি-বোর্ড’। ফান্ডিং সংকটে আটকে গেছে দ্রুত ক্যানসার শনাক্তের ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ ডিভাইসটিও। অর্থ ও জনবলের অভাবে এগোতে পারেনি বাংলায় কথা বলা রোবট ‘রিবো’।

২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করে সাড়া ফেলে দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। এই সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেয়া হয় ‘পিপীলিকা’। তবে গত তিন বছর ধরে থমকে আছে এর কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থ সংকটে সার্চ ইঞ্জিনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

কেবল সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’ই নয়, একই অবস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ‘একুশে বাংলা কি-বোর্ড’-এরও। প্লে-স্টোরে অ্যাপটি থাকলেও তা একপ্রকার নিস্ক্রিয়। দ্রুত ক্যানসার শনাক্তের সম্ভাবনাময় ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ ডিভাইসটিও অর্থ সংকটে আটকে গেছে। করোনা মহামারি এবং অর্থ ও জনবলের অভাবে এগোতে পারেনি বাংলায় কথা বলতে পারা রোবট ‘রিবো’।

দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তেত্রিশ বছর আগে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত হয় শাহজালা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কিছু উদ্ভাবন সকলের প্রশংসা কুড়ায়। উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে দ্রুত দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠে পরিণত হয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরেই নেই নতুন কোনো উদ্ভাবন। এমনকি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে থমকে আছে পুরনোগুলোও।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ওপর অ্যাকাডেমিক চাপ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তারা গবেষণা, উদ্ভাবনসহ সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে পারছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকেও এ ব্যাপারে এখন কোনো উৎসাহ দেয়া হয় না।

পিপীলিকা

২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল ১১ জন ডেভেলপার মিলে তৈরি করেন বিশ্বের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকা। পিপীলিকার প্রকল্প পরিচালনায় ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের তৎকালীন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। মুখ্য গবেষক ও টিম লিডার হিসেবে কাজ করেন মো. রুহুল আমীন সজীব।

শাবির আইআইসিটি বিভাগ জানায়, বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’ সংক্রান্ত কিছু সার্ভিস গ্রহণের বিনিময়ে সরকারের এটুআই (অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন) প্রোগ্রাম থেকে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ৮ কিস্তিতে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৬ টাকা দেয়া হয়। শেষ কিস্তির (৯ম কিস্তি) ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৩ টাকা পিপীলিকাকে পরিশোধের আগেই সরকারের এটুআই প্রোগ্রামের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকেই অর্থ সংকটে পিপীলিকা বন্ধ রয়েছে।

আগের মতো ৫-৬ জন পূর্ণকালীন আইটি/সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য মাসিক ৩-৪ লাখ টাকা অনুদান পেলে পিপীলিকার উন্নয়ন কাজ চলমান রাখা যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এই প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে টিম লিডার মো. রুহুল আমীন সজীব বলেন, ‘আমি এখন এই প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত নই।’

শাবির আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রজেক্টের ফান্ডিং আসত সরকারের কাছে থেকে। ২০২০ সাল থেকে আমাদের প্রজেক্ট সংশ্লিষ্ট সবকিছু সঠিক সময়ে পাঠালেও কোনো অর্থ পাইনি। সর্বশেষ আমাদের প্রায় ২২ লাখ টাকা আটকে আছে।’

তিনি বলেন, ‘টাকা ছাড়া তো আমরা গবেষক ও কর্মচারীদের কাজ করাতে পারি না। আমরা যতটুকু সম্ভব দিয়েছি। তবুও তাদের বেশ কিছু টাকা বকেয়া রয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের আর টাকা দেয়া হয়নি। আবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর্থিক সাপোর্ট না পাওয়ায় কারণে বর্তমানে তা বন্ধ আছে। বিষয়টি নিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও এটুআইয়ের পিডিসহ সকলের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি, কিন্তু কাজ হয়নি। আমাদের সব রিসোর্স আছে। সরকারের কাছে থেকে আবার সাপোর্ট পেলে আমরা তা সচল করতে পারব।’

এটুআই প্রোগ্রামের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, “যতটুকু মনে পড়ে ‘পিপীলিকা’ সার্চ ইঞ্জিনটা যেমন প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেই মানের হয়নি। এজন্য ফান্ডিং বন্ধ করা হয়। এ বিষয়ে বর্তমান পিডি ভালো বলতে পারবেন।’

বর্তমান পিডি (যুগ্মসচিব) মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, ‘এটি আমার জানা নাই। এটা আসলে কী অবস্থায় আছে, খোঁজ নিয়ে জানার চেষ্টা করব।’

একুশে বাংলা কি-বোর্ড

কি-বোর্ড নিজেই বুঝে ফেলবে ব্যবহারকারী কী লিখতে চাইছেন- ২০১৮ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এমন কি-বোর্ড কি-বোর্ড উদ্ভাবন করেন শাবি শিক্ষার্থীরা। এর নাম দেয়া হয় ‘একুশে বাংলা কিবোর্ড’।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজনের পাশাপাশি দ্রুত টাইপিং ও স্পর্শ করে লেখার ব্যবস্থা রয়েছে এ কি-বোর্ডে। ফলে টাইপ না জানলেও যে কেউ সহজেই বাংলা টাইপিং শিখতে পারে এর মাধ্যমে।

২০২০ সালে কি-বোর্ডটির উদ্ভাবক তৎকালীন শাবির সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী বিদেশে চলে গেলে সেটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। প্লে-স্টোরে অ্যাপটি থাকলেও নিস্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।

প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমাদের কাছে এই প্রজেক্টের কোনো আপডেট নেই। আমি দেশের বাইরে চলে যাওয়ার পর এ ব্যাপারে আর কোনো কাজ করা হয়নি।’

ননলিনিয়ার অপটিকস

রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার মাধ্যমে ক্যানসার শনাক্তকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবনেও রয়েছে শাবিপ্রবির সাফল্য। অল্প খরচে ও কম সময়ে ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ নামের উদ্ভাবিত এ পদ্ধতিতে রক্তের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিনিটেই ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে দাবি ছিল উদ্ভাবকদের।

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের (হেকেপ) আওতায় শাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সেসময়কার অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হকের নেতৃত্বে একদল গবেষক ক্যানসার শনাক্তকরণের এ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।

গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক ড. শরীফ মো. শরাফ উদ্দিন, মনজ কান্তি বিশ্বাস ও এনামুল হক।

প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফ মো. শরাফ উদ্দিন বলেন, ‘ফান্ডিংসহ অনেক সমস্যা আছে। মূলত ফান্ডিংয়ের জন্য আমরা আটকে গেছি। বিশ্বব্যাংকের একটি প্রজেক্ট শিগগিরিই চালু হবে। সম্ভবত পিডি নিয়োগ হয়ে গেছে। ওটা হলেই আমরাও ফান্ড পেয়ে যাব।

‘বর্তমানে আপগ্রেডের কাজ চলছে। ফান্ডিং পেলে আমরা ক্লিনিক্যালি ব্যবহারের উপযুক্ত করে তুলব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল, কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে এটাকে সর্বসাধারণের ব্যবহাপযোগী করে তোলা। হেকাপের আওতায় কাজটি চলছিল, পরে হিট আসার কথা ছিল। সেভাবে প্রস্তুতিও নিয়েছি আমরা। পরবর্তী প্রজেক্ট পেলে আমরা বাকি কাজ করে ফেলতে পারব।’

প্রকল্পটি একেবারে বন্ধ হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কাজ আমাদের মতো করে চলছে।’

রোবট রিবো

২০১১ সাল থেকে শাবির তৎকালীন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও শিক্ষার্থী নওশাদ সজীব উদ্যোগে ১১ জনের একটি দল রোবট নিয়ে কাজ শুরু করে।

২০১৫ সালে বার্ষিক সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি রোবোসাস্টকে মানবসদৃশ রোবট তৈরির করতে ১ লাখ টাকা অনুদান দেয়। দলটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মানবসদৃশ রোবট তৈরি করে, যার নাম দেয়া হয় ‘রিবো’।

রোবটটি ২৪ ডিগ্রি কোণে স্বাধীনভাবে ঘুরতে, নাচতে, মুখের অঙ্গভঙ্গির প্রকাশ, হ্যান্ডশেক, হাত উপর-নিচে তোলা, বাংলায় কথা বলা, এমনকি নিজের নামও বলতে পারত। বাংলাদেশ ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারত।

রোবটটি তৈরিতে নেতৃত্ব দেয়া শাবির সিএসই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নওশাদ সজীব বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন।

দলের সদস্য মেহেদী হাসান রূপক বলেন, ‘আমরা ঢাকায় প্রোগ্রাম করেছিলাম। সেখানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেছিলেন ফান্ডিং করবেন। আমরা তখন উনাকে একটা আবেদনপত্রও দিয়েছিলাম। পরে করোনা ও জনবল সংকটে আর এগোতে পারিনি। এর মধ্যে আমাদেরও পড়ালেখা শেষ হয়ে যায়।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘এই উদ্ভাবনগুলোর বর্তমান অবস্থার বিষয়ে আমি খোঁজখবর নেব। প্রয়োজনে সরকারের উচ্চ পর্যায়েও আমরা কথা বলব।’

উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কর্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Import export stop at Benapole Petrapole port

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। ফাইল ছবি
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) করিম জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও যেসব ভারতীয় ট্রাক পণ্য বন্দরে আনলোড করে খালি ট্রাক নিয়ে ফিরে যেতে চাইবে তাদের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। এ জন্য চেকপোস্ট কার্গো শাখা খোলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় আজ সকাল থেকে সারা দিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ আছে।

তবে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে আবারও এ পথে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চলবে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান জানান, পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করায় আজ সোমবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের সকল কাজকর্ম বন্ধ থাকবে। সে কারণে এ পথে কোনো আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম হবে না। মঙ্গলবার সকাল থেকে পুনরায় এ পথে আমদানি-রপ্তানি চলবে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান বিশ্বাস জানান, আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) করিম জানান, পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায় বন্দরের পাশাপাশি কাস্টমসের কার্যক্রমের সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রয়েছে।

আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও যেসব ভারতীয় ট্রাক পণ্য বন্দরে আনলোড করে খালি ট্রাক নিয়ে ফিরে যেতে চাইবে তাদের অনুমতি দেয়া হচ্ছে। এ জন্য চেকপোস্ট কার্গো শাখা খোলা রয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ভারতে বাংলাদেশি ট্রাকচালকের মৃত্যু: বেনাপোলে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
বেনাপোল বন্দরে ফের ককটেল
জন্মাষ্টমী: বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
নেতৃত্ব নিয়ে উত্তপ্ত বেনাপোল বন্দর, সংঘর্ষ, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The director of Meghna PET Industries is Zabirs teacher Sheikh Mashriq

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হলেন জবির শিক্ষক শেখ মাশরিক

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হলেন জবির শিক্ষক শেখ মাশরিক ড. শেখ মাশরিক হাসান। ছবি: সংগৃহীত
দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না। এ ছাড়াও কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এমতাবস্থায় নতুন করে চারজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়ে কোম্পানিটি সচল করার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি।

শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কর্তৃক শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শেখ মাশরিক হাসান।

মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালনা পর্ষদে নিয়োগ পাওয়ার ড. শেখ মাশরিক হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেখ মাশরিক হাসান বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন বন্ধ আছে যার ফলে সরকার অভিজ্ঞতা ও পড়াশুনোর ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের দিয়েছে। আমরা আমাদের ম্যানেজমেন্ট ও অভিজ্ঞ লোকবল দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আগের সুনাম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করব এবং প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করাই আমাদের লক্ষ্য।’

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটিতে চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয়।

নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত সচিব অমলেন্দু মুখার্জি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শেখ মাশরিক হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং এমএনএ অ্যাসোসিয়েটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম নুরুল আলম।

২০০১ সালে এ কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। মেঘনা পিইটি শেয়ারবাজারে দুর্বল মানের কোম্পানি হিসেবে জেড শ্রেণিভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড দিতে পারছে না। এ ছাড়াও কোম্পানিটির উৎপাদন কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে। এমতাবস্থায় নতুন করে চারজনকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়ে কোম্পানিটি সচল করার উদ্যোগ নেয় বিএসইসি।

আরও পড়ুন:
ইউজিসির ইনোভেশন শোকেসিংয়ে চ্যাম্পিয়ন জবি
বইমেলায় জবি প্রকাশিত তিন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপাচার্যের
জবির প্রক্টরিয়াল বডিতে বড় রদবদল
জবির দুই অনুষদে নতুন ডিন
শিক্ষার্থীদের মেধা-অবৈতনিক বৃত্তি দেবে জবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Average daily remittances this month are 685 million dollars

চলতি মাসে দিনে গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার

চলতি মাসে দিনে গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার
চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ ডলার।

ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৪ দিনে দেশের প্রবাসী আয় হয়েছে ১৬৫ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে এই রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ হাজার ১০৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড়ে ৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন বলছে, চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৬৪ কোটি ৬১ লাখ ডলার এসেছে। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৭ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৪০ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ লাখ ডলার।

প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১৫৬ কোটি ডলার, মার্চে ২০২ কোটি, এপ্রিলে ১৬৮ কোটি, মে মাসে ১৬৯ কোটি, জুনে ২২০ কোটি, জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি, আগস্টে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ, সেপ্টেম্বর মাসে ১৩৩ কোটি, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি, নভেম্বরে ১৯৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এছাড়া গত বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৯৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স।

২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার। যা ছিল সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।

আরও পড়ুন:
ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আয় ৭ মাসে সর্বোচ্চ, ২.১০ বিলিয়ন ডলার
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Economic growth and development of Bangladesh is an inspiration to many countries World Bank MD

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি ফাইল ছবি
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংকের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড।

বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে রোববার তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে গভীর সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক খাতের সংস্কার প্রয়োজন।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের গল্প অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।’

সফর শেষে এক বিবৃতিতে বিজার্ড বলেন, ‘মুদ্রা ও রাজস্ব নীতিতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার বাংলাদেশকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, আর্থিক খাতের ঝুঁকি হ্রাস করতে এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম করবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন তিনি। খবর ইউএনবির

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রোববার সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: ফোকাস বাংলা

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান এবং তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে দুটি নতুন প্রকল্পে ৬৫ কোটি ডলারের বেশি অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করছে বিশ্বব্যাংক ও সরকার।

তিনি বলেন, ‘অর্থায়নের প্রায় অর্ধেক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় করা হবে এবং অনুদানের শর্তেই তা ব্যয় করা হবে।’

বিজার্ড বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব নিয়ে আমি গর্বিত। দেশটি লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে সহায়তা করেছে। আমরা বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং জলবায়ুর অভিঘাত ও ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা অব্যাহত রাখব এবং একই সঙ্গে কেউ যেন পেছনে পড়ে না থাকে তা নিশ্চিত করব।’

সফরকালে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনার জন্য অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের নেতাদের এবং নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বের বৃহত্তম চলমান আইডিএ কর্মসূচি এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Waltons Gold Trophy win at Dhaka International Trade Fair

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয়

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ওয়ালটনের গোল্ড ট্রফি জয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি। ছবি: ওয়ালটন

শেষ হয়েছে মাসব্যাপী ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৪। এবারের মেলাতেও ইলেকট্রনিক্স পণ্য ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে দেশের ইলেকট্রনিক জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। পেয়েছে প্রথম পুরস্কারের গোল্ড ট্রফি।

মেলায় সুদৃশ্য স্টল নির্মাণ, উদ্ভাবনী ও গুণগতমানের পণ্য প্রদর্শন ইত্যাদি বিবেচনায় ওয়ালটনকে এই পুরস্কার দেয় মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ডিআইটিএফ-২০২৪-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজকে গোল্ড ট্রফি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম (টিটু) এর কাছ থেকে গোল্ড ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালক এবং ওয়ালটন মাইক্রো-টেক কর্পোরেশনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) নিশাত তাসনিম শুচি।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জেষ্ঠ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং ইপিবির ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ালটনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান এবং চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান।

২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বঙ্গবন্ধু টানেলের আদলে দৃষ্টিনন্দন মেগা স্টল স্থাপন করেছিল ওয়ালটন, যেখানে এক ছাদের নিচে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারসমৃদ্ধ স্মার্ট ফ্রিজ, এসি, টিভি, লিফট, ওয়াশিং মেশিন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, ইলেকট্রিক বাইক, হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সেসসহ অসংখ্য ধরণের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্যসামগ্রী প্রদশর্ন করা হয়েছে। মেলায় আগত ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে ওয়ালটনের স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য।

উল্লেখ্য, মেলার উদ্বোধনী দিনে ওয়ালটনের সুদৃশ্য মেগা স্টল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় প্রধানমন্ত্রী ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ খ্যাত ওয়ালটনের পণ্য সামগ্রী ও দেশীয় প্রযুক্তি শিল্পের বিকাশে ওয়ালটনের অগ্রগতি দেখে অভিভূত হন। বিশেষ করে ওয়ালটন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ, স্মার্ট ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনার, টেলিভিশন, লিফট ও এনার্জি সেভিং হোম এ্যাপ্লায়েন্সেস দেখে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসব পণ্য উৎপাদনে বাংলাদেশের অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Team Pharmaceuticals Annual Sales and Marketing Conference 2024 held

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

দেশের সম্ভাবনাময় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের হোটেল সি প্যালেসে তাদের বার্ষিক বিক্রয় ও বিপণন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মাদার কনসার্ন দেশের অন্যতম বড় শিল্প গ্রুপ টিম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ হিল রাকিব।

এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ হিল নকীব, টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের ডিরেক্টর ও সিওও এম এ মনসুর, সেলস এন্ড ডিস্ট্রিবিউশনের ডিরেক্টর মো. আব্দুল ওয়াহাব, মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহাসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ ছাড়া সারা দেশ থেকে টিম ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের সকল আঞ্চলিক প্রতিনিধিরা তাদের স্থানীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

আবদুল্লাহ হিল রাকিব বিগত বছরগুলোতে টিম ফার্মার বিভিন্ন সাফল্য ও চ্যালেঞ্জের কথা স্মরণ করে প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে নিজের পরিকল্পনার কথা আলোকপাত করেন এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবসায়িক সাফল্য ও গুণগত মান ধরে রেখে অংশগ্রহণকারীদের বাজার দখল করার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।

পাশাপাশি বিগত ২০২৩ সালের বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য তিনি সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাধুবাদ জানান।

এরপর প্রতিষ্ঠানের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ২০২৪ সালের জন্য বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণের সুযোগ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করনীয় পরিকল্পনা সম্পর্কে জোর দিয়ে তার বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়াও টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের সিওও এম. এ. মনসুর ২০২৪ সালের জন্য প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সকল প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে তার পরামর্শমুলক বক্তব্য প্রদান করেন।

অন্যদিকে, বিক্রয় ও বিপনন বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল ওয়াহাব তার বক্তব্যে গেলো বছরের চ্যালেঞ্জ এবং আগামী বছরের বিক্রয় পরিকল্পনা আলোচনা করেন।

তাদের এই পরিকল্পনায় সহায়ক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং বিভাগের নির্বাহী পরিচালক দীপক কুমার সাহা ২০২৪ সালে বিপনন বিভাগের কৌশলগুলো সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেন।

এছাড়া টিম ফার্মাসিউটিক্যালসের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাব্যবস্থাপক এম মাসউদ হাসান সামনের বছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে মানবসম্পদ বিভাগের কার্যক্রমের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে বিক্রয় ও বিপনন প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ২০২৩ সালের সেরা পারফরমারদের পুরস্কৃত করা হয়।

সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ঐশীর সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

মন্তব্য

p
উপরে