× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
MasterCard Excellence Award received by Islami Bank
google_news print-icon

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল ইসলামী ব্যাংক

মাস্টারকার্ড-এক্সিলেন্স-অ্যাওয়ার্ড-পেল-ইসলামী-ব্যাংক
রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মদ কামালউদ্দীন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের নিকট থেকে মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মদ কামালউদ্দীন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের নিকট থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৩-এ ‘এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড প্রিপেইড বিজনেস (ডমেস্টিক) ২০২২-২০২৩’ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছে। সম্প্রতি

রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আবুল ফায়েজ মুহাম্মদ কামালউদ্দীন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানের নিকট থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেইভ, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শরাফত উল্লাহ্ খান, ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজিম উদ্দীন তালুকদার ও মোহাম্মদ মানজুরুল হক, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. ওসমান গণি ও আ ন ম তাওহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
157 farmers got loans of more than crore rupees

১৫২ কৃষক পেলেন কোটি টাকার বেশি ঋণ

১৫২ কৃষক পেলেন কোটি টাকার বেশি ঋণ দিনাজপুরে ১৫২ কৃষক পেলেন এক কোটি ১৬ লাখ টাকার ঋণ। ছবি: নিউজবাংলা
সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, ‘দিনাজপুর একটি কৃষি প্রধান জেলা। এই জেলার বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য উৎপাদন করা হয়। পাশাপাশি এই জেলার মাটি ভুট্টা আবাদের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এই জেলার কৃষকদের পাশে আমরা দাঁড়িয়েছি।’

দিনাজপুরের খানসামায় ১৫২ জন ভুট্টা চাষিকে প্রায় এক কোটি ১৬ লাখ টাকার ঋণ দিয়েছে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালডিহি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভুট্টা চাষি ও কৃষি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে খানসামা উপজেলার ১৫২ জন কৃষকের মাঝে এক কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান বলেন, ‘দিনাজপুর একটি কৃষি প্রধান জেলা। এই জেলার বিভিন্ন ধরনের খাদ্যশস্য উৎপাদন করা হয়। পাশাপাশি এই জেলার মাটি ভুট্টা আবাদের জন্য খুবই উপযোগী। তাই এই জেলার কৃষকদের পাশে আমরা দাঁড়িয়েছি।

‘ভুট্টা চাষ করার জন্য স্বল্প সুদে কৃষকদের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে আমরা এই এলাকার কৃষকদের মাঝে ঋণ বিতরণ করেছি। ঋণগ্রহিতারা সময়মতো ঋণের টাকা ফেরত দিয়েছে। তাই আমরা এবার আরও বেশি ঋণ প্রদান করছি।’

তিনি জানান, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক গ্রামের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে। ঋণ বিতরণ কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন:
কৃষিকাজের ফাঁকে ইংরেজি চর্চা মুন্ডা সম্প্রদায়ের কৃষকের
নওগাঁয় সেচমূল্য নিয়েও পানি না দেয়ার অভিযোগ কৃষকদের
বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ মিলবে ১১০ কোটি ডলার, ৫ চুক্তি
শেরপুরে অসময়ে তরমুজ চাষ, কৃষকের ভাগ্য বদলের আশা
মহাসড়কে সবজি ঢেলে প্রতিবাদ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank Tribute to Central Shaheed Minar

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ইসলামী ব্যাংকের শ্রদ্ধা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে বুধবার ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এফসিএমএ। ওই সময় অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মাকসুদুর রহমান ও আবু সাঈদ মো. ইদ্রিসসহ ব্যাংকের নির্বাহী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বাণিজ্য মেলায় ইসলামী ব্যাংকের প্রিমিয়ার স্টল উদ্বোধন
ইসলামী ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন শুরু
ইসলামী ব্যাংকের ১২ উপশাখার উদ্বোধন
পোলট্রি ও মৎস্য প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ইসলামী ব্যাংকের ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
What Yunus Center said in response to Grameen Banks complaint

গ্রামীণ ব্যাংকের অভিযোগের জবাবে যা বলল ইউনূস সেন্টার

গ্রামীণ ব্যাংকের অভিযোগের জবাবে যা বলল ইউনূস সেন্টার
‘গ্রামীণ ব্যাংক ব্যতীত ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২৮ ধারা অনুসারে গঠিত, যাদের কোনো ধরনের মালিকানা থাকে না। প্রফেসর ইউনূস, কোনো বোর্ড সদস্য বা গ্রামীণ ব্যাংক এগুলোর মালিক নন। এগুলোর কোনো মালিক নেই। স্পন্সর সদস্যদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই কোম্পানিগুলো গঠন করা হয়েছে।’

গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান এ কে এম সাইফুল মজিদ শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস, গ্রামীণ কল্যাণ, গ্রামীণ টেলিকমসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। ‘তার বক্তব্যের প্রতিবাদ ও সঠিক তথ্য উল্লেখ করে’ নিজেদের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে ইউনূস সেন্টার।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউনূস সেন্টার গ্রামীণ ব্যাংক চেয়ারম্যানের ওই বক্তব্য তুলে ধরে নিজেদের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা দিয়েছে।

১. গ্রামীণ ব্যাংকের কোনো প্রতিষ্ঠানে ড. ইউনূসের মালিকানা নেই। তিনি শুধু একজন পূর্ণকালীন কর্মকর্তা ছিলেন।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই বার বার বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলেছেন যে গ্রামীণ ব্যাংকসহ তার সৃষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানে তার কোনো শেয়ার বা মালিকানা নেই। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস তার সৃষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে কখনও কোনো অর্থ বা সম্মানী নেননি। তিনি শুধু গ্রামীণ ব্যাংকে থাকাকালীন ব্যাংকের বেতন স্কেল অনুযায়ী বেতন নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গ্রামীণ ব্যাংক ব্যতীত তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিগুলো কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২৮ ধারা অনুসারে গঠিত, যাদের কোনো ধরনের মালিকানা থাকে না। প্রফেসর ইউনূস, কোনো বোর্ড সদস্য বা গ্রামীণ ব্যাংক এগুলোর মালিক নন। এগুলোর কোনো মালিক নেই। স্পন্সর সদস্যদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এই কোম্পানিগুলো গঠন করা হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক এই নট ফর প্রফিট কোম্পানিগুলোর কোনোটিরই মালিক নয়।

২. পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গ্রামীণ টেলিকম ও গ্রামীণ কল্যাণের চেয়ারম্যান পদ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সরানো হয়েছে।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ টেলিকম কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর ২৮ ধারা অনুযায়ী গঠিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যাদের পৃথক আইনগত ও হিসাবগত সত্তা রয়েছে। গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ টেলিকমের জন্মলগ্ন থেকে তিনি প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান পদে নিয়োজিত আছেন। প্রতিষ্ঠান দুটির শুরুতে তাদের আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশনে তাদের বোর্ডে চেয়ারম্যান ও কতিপয় বোর্ড সদস্য মনোনয়ন দেয়ার ক্ষমতা গ্রামীণ ব্যাংকের ছিল।

পরবর্তীতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিষ্ঠান দুটি পরিচালনার সুবিধার্থে কোম্পানি আইনের ২০ ধারা মোতাবেক গ্রামীণ কল্যাণের তৃতীয় অতিরিক্ত সাধারণ সভায় (২০১০ সালের ৮ মে অনুষ্ঠিত) গ্রামীণ কল্যাণের আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশনের ৪৮ অনুচ্ছেদ ও ৩২ (৩) অনুচ্ছেদ সংশোধন করে তা ২০১১ সালের ২৫ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

এছাড়া গ্রামীণ টেলিকমের দ্বিতীয় অতিরিক্ত সাধারণ সভায় (২০১৯ সালের ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত) গ্রামীণ টেলিকমের আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশনের ৫১ অনুচ্ছেদ ও ৩৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশনের ধারাগুলো সংশোধন করা হয়।

তাই গ্রামীণ ব্যাংক এখন প্রতিষ্ঠান দুটির চেয়ারম্যান বা বোর্ড সদস্য মনোনয়ন দিতে পারে না। যে সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল সেখানে গ্রামীণ ব্যাংকের মনোনীত প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে রেজুলেশনে আগের মনোনয়ন করা পরিচালকরাও সই করেন।

কোম্পানিগুলোর আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশন অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংক কোনো পক্ষ নয় এবং এগুলোতে গ্রামীণ ব্যাংকের কোনো মালিকানাও নেই। কোম্পানি আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোম্পানিগুলোর আর্টিকেলস অফ অ্যাসোসিয়েশন পরিবর্তন বা সংশোধন হওয়ায় গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সভায় কোম্পানি দুটির চেয়ারম্যান মনোনয়নের কোনো আইনগত এখতিয়ার গ্রামীণ ব্যাংকের নেই।

৩. মানি লন্ডারিংয়ের আলামত পেয়েছি। এর মধ্যেও অনেক তথ্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অনুসন্ধান শেষ হওয়ার আগে কাউকে দোষী করছি না।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

গ্রামীণ ব্যাংকে বরাবরের মতো দেশের প্রথিতযশা ও খ্যাতিমান অডিটর রহমান রহমান হক, হোদা ভাসী চৌধুরী অ্যান্ড কো., একনাবীন, এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে বার্ষিক অডিট করা হয়েছে। তারা কোনো সময় এই প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে এমন কোনো মন্তব্য করেনি।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক টিম এবং সরকার গঠিত কমিটি ও কমিশন এ ধরনের কোনো অনিয়ম খুঁজে পায়নি। তাছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের শুরু থেকে প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কর্মকালীন সময়ে গ্রামীণ ব্যাংক বোর্ড পরিচালিত হয়েছে সমাজের শ্রদ্ধাভাজন ও বিদগ্ধ ব্যক্তিদের দ্বারা, যারা সবাই সরকার নিযুক্ত ছিলেন।

তারা হলেন- ক. প্রফেসর ইকবাল মাহমুদ, ভাইস চ্যান্সেলর, বুয়েট; খ. ড. মো. কায়সার হোসাইন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; গ. ড. হারুনুর রশিদ, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি, অর্থ মন্ত্রণালয়; ঘ. ড. আকবর আলী খান, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি, অর্থ মন্ত্রণালয়; ঙ. প্রফেসর রেহমান সোবহান, এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ; চ. তবারক হোসেন, সেক্রেটারি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

কাজেই মানি লন্ডারিংয়ের মতো অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীনই শুধু নয়, হাস্যকর এবং মানহানিকরও।

৪. টেলিকম ভবনসহ সবকিছু গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা দিয়ে করা হয়েছে। এর বাইরে কিছু হলে সেটি আইনগত অপরাধ।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

টেলিকম ভবনসহ সবকিছু গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা দিয়ে করা হয়েছে বলে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন। গ্রামীণ ব্যাংকের টাকা দিয়ে টেলিকম ভবন বা অন্য কোনো স্থাপনা বা কোনো প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা হয়নি।

৫. গ্রামীণ কল্যাণ কীভাবে সৃষ্টি হলো?

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

১৯৯১ সালে টাঙ্গাইলের শাহাজাহানপুর শাখার রত্নপুর গ্রামে ও ঘাটাইল শাখার বনপুর গ্রামে এক বছরব্যাপী দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের ওপর একটি গবেষণা করা হয়। এই গবেষণায় মূলত দুটি বিষয় উঠে আসে।

যারা পাঁচ বছর ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ নিয়ে কাজ করছে তাদের ৪৮ শতাংশ দারিদ্র্য্সীমা অতিক্রম করেছে, ২৫ শতাংশ ব্রেকইভেনে আছে এবং ২৭ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নীচে রয়ে গেছে। এই ২৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে থেকে যাওয়ার মূল কারণ হলো স্বাস্থ্যগত সমস্যা।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস তখনই এ সমস্যা সমাধানে গ্রামীণ ট্রাস্টের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে পরীক্ষামূলকভাবে রুরাল হেলথ প্রোগ্রামের (আরএইচপি) আওতায় আটটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করেন। আরএইচপি সফল হওয়ায় তিনি সামাজিক ব্যবসার তত্ত্বে দেশের প্রচলিত নিয়ম মেনে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ কল্যাণ সৃষ্টি করেন।

দারিদ্র্য নিরসনের জন্য স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলো সমাধানের লক্ষ্যে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য ও কর্মীদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার মাধ্যমে উপরোল্লিখিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ১৯৯৬ সালে কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ২৮ ধারা মোতাবেক ‘গ্রামীণ কল্যাণ’ নামে একটি নট ফর প্রফিট কোম্পানি (লিমিটেড বাই গ্যারান্টি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৯৫ সালের আগ পর্যন্ত ড. ইউনূসের উদ্যোগে গ্রামীণ ব্যাংক বিভিন্ন দাতা ও ঋণদানকারী সংস্থা থেকে সফট লোন ও অনুদান গ্রহণ করে। এর মধ্যে রয়েছে উল্লেখযোগ্য আইএফএডি, এনওআরএডি, কানাডিয়ান সিআইডিএ, সুইডিশ সিআইডিএ, কেএফডাব্লিউ, জিটিজেড ইত্যাদি।

দাতা সংস্থাগুলো তাদের প্রজেক্ট ডকুমেন্টে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে যে গ্রামীণ ব্যাংক ঋণ হিসেবে প্রদানের জন্য দাতা সংস্থার কাছ থেকে যে অর্থ গ্রহণ করবে তার দুই শতাংশ টাকা দিয়ে একটি স্বতন্ত্র তহবিল গঠন করবে, যার নাম হবে সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড (এসএএফ)।

অর্থাৎ, শর্ত মোতাবেক দুই শতাংশ হারে দাতা সংস্থাগুলো প্রদত্ত অর্থের ওপর সুদ ধার্য করে তা ব্যাংকের ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে এসএএফ সৃষ্টি করতে হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯০ সালে এসএএফ নামক তহবিল গঠন করা হয়। দাতা সংস্থাগুলোর শর্ত মোতাবেক সুদ প্রদান বাবদ এসএএফ-এ ৫৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা জমা হয়।

দাতা সংস্থাদের পরামর্শ ছিল, এই ফান্ড থেকে সদস্য ও কর্মীদের নানামুখী কল্যাণের জন্য ব্যয় করতে হবে।

এই এসএএফ ফান্ড থেকে নানামুখী কল্যাণকর কাজ সম্পাদনের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক এবং গ্রামীণ কল্যাণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তি মোতাবেক গ্রামীণ ব্যাংক এসএএফ ফান্ড গ্রামীণ কল্যাণে হস্তান্তর হয়।

হস্তান্তরের পর গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৩ সাল পর্যন্ত একইভাবে সুদ প্রদান করে। যার ফলে এসএএফ ফান্ডের আকার দাঁড়ায় ৬৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা গ্রামীণ কল্যাণ তার স্বাস্থ্য কর্মসূচিসহ বিভিন্ন কল্যাণমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রহণ করে।

পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য ও কর্মীদের কল্যাণের জন্য গ্রামীণ ব্যাংক কিছু কল্যাণমুখী কর্মসূচি শুরু করে, যা গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে গ্রামীণ কল্যাণের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

এই সুনির্দিষ্ট কর্মসূচিগুলো হলো- ক. গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য সন্তানদেরকে প্রদত্ত উচ্চশিক্ষা ঋণে সুদ সহায়তা দেয়া; খ. গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য সন্তানদের ছাত্র বৃত্তি প্রদান করা; গ. গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের আপদকালীন তহবিলে ঘাটতি পূরণে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা; ঘ. গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের চিকিৎসা ঋণে সুদ সহায়তা দেয়া এবং ঙ. গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের মোটরসাইকেল ও গৃহস্থালি ঋণে সুদ সহায়তা দেয়া।

উল্লেখ্য, গ্রামীণ কল্যাণ সৃষ্টির পর থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য সন্তানদের শিক্ষা ঋণের সুদ সহায়তা বাবদ ২৯২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত ভালো ফলাফল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সের জন্য ৭১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা, আপদকালীন তহবিলের (গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যদের মৃত্যুতে তাদের পরিবারকে সহায়তা প্রদানের জন্য) ঘাটতি পূরণের জন্য ২৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিকিৎসা সুদ সহায়তা বাবদ ১ কোটি ৯৬ লাখ টাকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গৃহস্থালি সামগ্রী ক্রয় ও মোটরসাইকেল ক্রয়ে সুদ সহায়তা বাবদ ১৬১ কোটি ৯৭ লাখ টাকাসহ সর্বমোট ৫৫৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা গ্রামীণ ব্যাংককে দিয়েছে। কর্মসূচিগুলো চলমান আছে।

এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণ তার অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে গ্রামীণ ক্যালোডোনিয়ান নার্সিং কলেজের দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য গৃহীত শিক্ষা ঋণের বিপরীতে সুদ ভর্তুকি দেয়া ছাড়াও ঋণ গ্যারান্টি দিয়ে থাকে।

এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণ বাংলাদেশে ১৪৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনা করে আসছে, যার মাধ্যমে প্রতি বছর সাত লাখেরও বেশি মানুষ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করছে।

৬. গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠা করতে গিয়েও ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ২৪ কোটি টাকা অনুদান নিয়েছেন।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

গ্রামীণ টেলিকম প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে নরওয়েজিয়ান দূতাবাস থেকে এনওআরএডি ফান্ড নামে ১৯ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়েছে। এ ছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের এসএএফ থেকে ৩০ কোটি টাকা ১১ শতাংশ হারে সুদে ঋণ গ্রহণের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। উক্ত ঋণ চুক্তির আওতায় ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করা হয়।

১৯৯৭ সালে এসএএফ ঋণ চুক্তিটি গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ড সিদ্ধান্তের আলোকে গ্রামীণ কল্যাণের নামে ঋণ চুক্তি হয়। গ্রামীণ কল্যাণ থেকে ইক্যুইটি খাতে বিনিয়োগের জন্য নেয়া ঋণের পরিমাণ ৫৩ কোটি ২৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৪১ টাকা, যা মোট বিনিয়োগের ৪২ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

এই বিনিয়োগে সহায়তা করার জন্য গ্রামীণ টেলিকম গ্রামীণ কল্যাণকে ২ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকা দিয়েছে। এছাড়া পল্লীফোন কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৪৬৮ কোটি টাকা দিয়েছে এবং প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকা দিয়ে আসছে।

যেহেতু গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে ঋণ চুক্তিটি গ্রামীণ কল্যাণে হস্তান্তর করা হয়েছে, তাই এ বাবদ গ্রামীণ ব্যাংকে কোনো অর্থ দেয়ার প্রযোজ্যতা নেই।

৭. গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৪৪৭ কোটি টাকা নিয়েছেন।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

এসএএফ ফান্ড গঠন ও উক্ত ফান্ড দ্বারা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য দাতা সংস্থা থেকে প্রদত্ত অর্থের দুই শতাংশ গ্রামীণ কল্যাণকে দেয়ার ক্ষেত্রে হিসাব সংক্রান্ত বিষয় যুক্তিযুক্ত করার জন্য ৩৪৭ কোটি টাকা গ্রামীণ ব্যাংক থেকে গ্রামীণ কল্যাণের নিজস্ব বুক অফ অ্যাকাউন্টসে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যেখানে বাস্তবে কোনো ব্যাংকিং ট্রানজেকশন বা কোনোরকম আর্থিক লেনদেন হয়নি। বিষয়টি গ্রামীণ কল্যাণ ও গ্রামীণ ব্যাংকের হিসাব বইয়ে প্রতিফলিত আছে।

৮. প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত গ্রামীণ ব্যাংকের বিভিন্ন খতিয়ান ধ্বংস ও বিলুপ্ত করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কে এম সাইফুল মজিদ।

ইউনূস সেন্টারের বক্তব্য:

গ্রামীণ ব্যাংকে বরাবরের মতো দেশের প্রথিতযশা ও খ্যাতিমান অডিটর রহমান রহমান হক, হোদা ভাসী চৌধুরী অ্যান্ড কো:, একনাবীন, এ কাশেম অ্যান্ড কোম্পানি বার্ষিক অডিট করেছে। তারা কোনো সময় এই প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র, দলিল-দস্তাবেজ পাওয়া যায়নি বা বিলুপ্ত করা হয়েছে- এমন কোনো মন্তব্য করেনি।

এছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক টিম এবং সরকার গঠিত কমিটি এ ধরনের কোনো নথিপত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে অবজারভেশন দেয়নি।

ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে চলে আসার পর গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটি এ প্রসঙ্গে কোনো অভিযোগ আনেনি। ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৩ বছর আগেই গ্রামীণ ব্যাংক ছেড়ে আসার সময় তার দায়িত্বভার যথাযথভাবে হস্তান্তর করে এসেছেন।

আরও পড়ুন:
ড. ইউনূসের অভিযোগের জবাবে যা বলল গ্রামীণ ব্যাংক
গ্রামীণ ব্যাংক আমাদের প্রতিষ্ঠান জবরদখল করেছে: ড. ইউনূস
ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমকে দিতে হবে ৫০ কোটি টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A remittance of Tk 12600 crore came on 16th February

ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

ফেব্রুয়ারির ১৬ দিনে এসেছে ১২,৬০০ কোটি টাকার রেমিট্যান্স গ্রাফিকস: নিউজবাংলা
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ দিনে দেশে গড়ে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে সাত কোটি ১৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫০ ডলার। আগের বছর একই সময়ে তা ছিল পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৪২৮ ডলার।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১৪ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার। প্রতি ডলার ১০৯ দশমিক ৫০ পয়সা হারে দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ হাজার ৫৯২ কোটি ২৮ লাখ ১০ হাজার টাকা।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ দিনে দেশে গড়ে প্রতিদিন রেমিট্যান্স এসেছে সাত কোটি ১৮ লাখ ৭৩ হাজার ৭৫০ ডলার। আগের বছর একই সময়ে গড়ে দিনে প্রবাসী আয় ‌এসেছিল পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৪২৮ ডলার।

এর আগে গত জানুয়ারিতে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় এসেছে সাত কোটি ৩১ হাজার ৬৬৬ ডলার। ডিসেম্বর মাসেও রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারা অনেকটা এমনই ছিল।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় আসে দেশে। এরপর সরকার রেমিট্যান্সে প্রণোদনা বাড়ায়। পাশাপাশি নির্ধারিত হারের অতিরিক্ত দামে প্রবাসী আয় না কেনার নির্দেশনা তুলে নেয়। এরপর থেকে প্রবাসী আয় বাড়তে থাকে।

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স কেনায় ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ থেকে ১২৫ টাকা দরে পর্যন্ত ডলার কেনা যাচ্ছে। এ কারণে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হয়েছেন প্রবাসীরা। আর তার ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে রেমিট্যান্স প্রবাহে।

২০২৩ সাল ও তার আগের বছরে যে হারে মানুষ কাজ নিয়ে বিদেশে গেছেন, সে অনুপাতে রেমিট্যান্স বাড়েনি। হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো ও অর্থ পাচারের কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে রেমিট্যান্স না পাঠানোয় এমন অবস্থা তৈরি হয়।

আরও পড়ুন:
জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স আয় ৭ মাসে সর্বোচ্চ, ২.১০ বিলিয়ন ডলার
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড
রেমিট্যান্সে গতি, ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে: বিশ্বব্যাংক
নভেম্বরে এলো ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The central bank has started taka dollar exchange with commercial banks

বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে টাকা-ডলার বিনিময় চালু করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে টাকা-ডলার বিনিময় চালু করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত ডলারের বিপরীতে তাৎক্ষণিক অর্থ পাবে। আবার নির্দিষ্ট সময় পর টাকা ফেরত দিয়ে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ ডলার নিতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন সাত দিন থেকে সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য ডলার ও টাকা বিনিময় চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, নতুন পদ্ধতি অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর উদ্বৃত্ত ডলার থাকলে তারা এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রেখে সমপরিমাণ অর্থ ঋণ নিতে পারবে। এ পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্যিক ব্যাংক উভয় পক্ষই লাভবান হবে।

এই চুক্তির আওতায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত ডলারের বিপরীতে তাৎক্ষণিক অর্থ পাবে। আবার নির্দিষ্ট সময় পর টাকা ফেরত দিয়ে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সমপরিমাণ ডলার নিতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো নিজেদের প্রয়োজনে একে অপরের সঙ্গে ডলার ও অর্থ আদান-প্রদান করে থাকে। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বিনিময় সুবিধা চালু হলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার আওতায় সর্বনিম্ন ৫০ মিলিয়ন ডলার বা সমপরিমাণ অর্থ বিনিময় করা যাবে।

মুদ্রা বিনিময়ের সুবিধা নিতে আগ্রহী ব্যাংকগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চুক্তি থাকবে।

ওই চুক্তি অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যেদিন বাংলাদেশ ব্যাংকে ডলার জমা দেবে, সেদিন তারা ওই দিনের ডলারের বিনিময় হারের সমপরিমাণ অর্থ পাবে। একইভাবে নির্দিষ্ট সময় পর ব্যাংকগুলো টাকা জমা দিয়ে ডলার তুলে নিতে পারবে।

আরও পড়ুন:
নীতি সুদহার ২৫ পয়েন্ট বাড়িয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা
বাংলাদেশ ব্যাংকে ডিজিটাল স্বাক্ষর বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
রপ্তানি আয় ৫.৩১ বিলিয়ন, তবু আগের ডিসেম্বরের চেয়ে কম
আইএমএফের ঋণের শর্ত পূরণে ব্যাংক থেকে ডলার কিনছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
যেকোনো সুদহারে ব্যাংক আমানত সংগ্রহ করা যাবে: বাংলাদেশ ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Signing of agreement between Sonali Bank and Southeast Bank

সোনালী ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর

সোনালী ব্যাংক ও সাউথইস্ট ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর চুক্তিপত্র হস্তান্তর করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম ও সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর নুরুদ্দিন মো. সাদেক হোসাইন। ছবি: সংগৃহীত
‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে’ ব্যবহার করে সাউথইস্ট ব্যাংকের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘টেলিক্যাশ’ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং পোর্টালের মাধ্যমে গ্রাহকদের চালান, ইউটিলিটি বিল, সর্বজনীন পেনশনের কিস্তি এবং বিভিন্ন সেবার বিপরীতে নির্ধারিত ফি-চার্জ অনলাইনে পরিশোধে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

সোনালী ব্যাংক পিএলসির নিজস্ব সফটওয়্যার ‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে’তে যুক্ত হয়েছে সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি।

‘সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে’ ব্যবহার করে সাউথইস্ট ব্যাংকের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ‘টেলিক্যাশ’ এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং পোর্টালের মাধ্যমে গ্রাহকদের চালান, ইউটিলিটি বিল, সর্বজনীন পেনশনের কিস্তি ও বিভিন্ন সেবার বিপরীতে নির্ধারিত ফি-চার্জ অনলাইনে পরিশোধে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

সোমবার সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর শেষে চুক্তিপত্র হস্তান্তর করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর নুরুদ্দিন মো. সাদেক হোসাইন।

সোনালী ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুভাষ চন্দ্র দাস এবং সাউথইস্ট ব্যাংকের পক্ষে ম্যানেজিং ডিরেক্টর নুরুদ্দিন মো. সাদেক হোসাইন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সোনালী ব্যাংক পিএলসির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরবৃন্দ, জেনারেল ম্যানেজারবৃন্দ এবং সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

আরও পড়ুন:
সোনালী ব্যাংকে অত্যাধুনিক সিসিটিভি সিস্টেম চালু
আস্থা, সেবায় শীর্ষে থাকতে চায় সোনালী ব্যাংক: আফজাল করিম
সোনালী ব্যাংকের আরও ২০টি শাখা মডেল শাখায় রূপান্তর
সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা অনুষ্ঠিত
শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নে সোনালী ব্যাংকের অংশীজন সভা ও গণশুনানি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Minimum age of bank managers is 30 not more than 3 in a family

৩০ বছর বয়সের আগে ব্যাংক পরিচালক নয়

৩০ বছর বয়সের আগে ব্যাংক পরিচালক নয়
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একটি ব্যাংকের পরিচালক সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ২০ জন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন তিনজন। তবে ২০ জনের কম পরিচালক থাকলে দুজনের বেশি স্বতন্ত্র পরিচালক থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে এক পরিবার থেকে তিনজনের বেশি সদস্য পরিচালক হতে পারবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

‘ব্যাংক কোম্পানি আইন’ অনুযায়ী পরিচালকদের দায়িত্ব নির্ধারণ করে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠনসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকিং খাতে গতিশীলতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। খবর ইউএনবির

প্রজ্ঞাপনটি শিগরিগরই বাস্তবায়নের জন্য সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, একটি ব্যাংকের পরিচালক সংখ্যা হবে সর্বোচ্চ ২০ জন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন তিনজন। তবে ২০ জনের কম পরিচালক থাকলে দুজনের বেশি স্বতন্ত্র পরিচালক থাকতে পারবেন না। একই সঙ্গে এক পরিবার থেকে তিনজনের বেশি সদস্য পরিচালক হতে পারবেন না বলেও প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।

এতে বলা হয়, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ন্যূনতম বয়স হতে হবে ৩০ বছর এবং ১০ বছরের ব্যবসা ব্যবস্থাপনা বা পেশাগত অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোতে সুশাসন নিশ্চিত করতে এ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য উপযুক্ত ও পেশাগত দিক থেকে যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালিত হয় মূলত আমানতকারীদের টাকায়। এক্ষেত্রে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা অপরিহার্য। এ কারণে একটি ব্যাংক কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের দায়িত্ব অন্যান্য কোম্পানির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে ২০২৩ সালে ব্যাংক-কোম্পানি আইনে সংশোধনী আনা হয়।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত
দুর্বল ব্যাংককে সবল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার পক্ষে অর্থমন্ত্রী
খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল ৬৩% বেড়েছে

মন্তব্য

p
উপরে