× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The price of vegetables has skyrocketed
google_news print-icon

‘আকাশ ছুঁয়েছে’ সবজির দাম

আকাশ-ছুঁয়েছে-সবজির-দাম
ফাইল ছবি
ঢাকার সবজি সরবরাহের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী ও পাইকারি বিক্রেতারা জানান, আগাম জাতের শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

সারা দেশে শরৎকালের শেষের দিকের বৃষ্টিতে ফসলের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানী ঢাকার কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দাম আকাশছোঁয়া।

শুক্রবার প্রতি কেজি সবজির দাম ২০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। খবর ইউএনবির

ঢাকার সবজি সরবরাহের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী ও পাইকারি বিক্রেতারা জানান, আগাম জাতের শীতকালীন সবজি বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।

এর ফলে ঢাকা, নরসিংদী, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, বগুড়া, যশোর ও কুষ্টিয়ার আশপাশের সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব স্থান থেকে রাজধানীতে বেশিরভাগ সবজি সরবরাহ করা হয়।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী শুক্কুর আলী জানান, তার দোকানে সাধারণত ৬ থেকে ৭টি সবজি বোঝাই ট্রাক আসে। সেখান থেকেই প্রতিদিন খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করা হয়। তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের পর সবজি বোঝাই ট্রাকের সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ থেকে ৪টিতে।

সরবরাহের এই ঘাটতির কারণে পাইকারি ও খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিম বেশি বিক্রি হচ্ছে। এ অবস্থায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে এখনও পর্যাপ্ত সবজি আসেনি, যার কারণে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। তবে শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে এই দাম কমে যাবে।

প্রতি কেজি বেগুন ১২০ টাকা, লম্বা বেগুন ৯০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২২০ থেকে ২৫০ টাকায়, শিম প্রতি কেজি ২০০ টাকা, টমেটো ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া আলু ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি, করলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি, উচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, ঢেঁড়স ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি, শসা ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি, ঝিঙ্গে ৮০ টাকা কেজি, কচু ৮০ থেকে ৯০ কেজি, মূলা ৮০ টাকা কেজি, কাঁচা পেঁপে ৩০ টাকা কেজি, ফ্রেঞ্চ বিন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি, কুমড়া (মাঝারি সাইজ) ১০০-১৫০ টাকা, ফুলকপি ৫০ থেকে ৫৫ টাকা পিস, ধুন্দল ৭০ থেকে ১০০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ধনে পাতা ৫০০ টাকা কেজি, ক্যাপসিকাম (লাল) ৬০০ টাকা কেজি এবং ক্যাপসিকাম (সবুজ) ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি।
দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা, আমদানি করা পেঁয়াজ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। আমদানি করা রসুনের দামও বেড়েছে। আমদানি করা রসুন প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং দেশি রসুন ২৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা আদা প্রতি কেজি ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকায়। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত আদা মানের ভিত্তিতে বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়।

লাল মসুর ডালের দাম বেশি থাকায় প্রতি কেজি লাল মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা এবং আমদানি করা মসুর ডাল (মোটা জাত) বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে।

রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের পাঁচ লিটার টিনজাত সয়াবিন তেল ৮৬০ টাকা, আলগা সুপার পাম অয়েল ১৬০ টাকা, চিনি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, গুড় ১৭০ থেকে ২০০ টাকা এবং চিড়া ১২০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মোটা চাল ৫২ থেকে ৫৬ টাকা, পাইজাম ৬০ থেকে ৬৪ টাকা, নাজিরশাইল ব্র্যান্ডের চাল ৭২ থেকে ৮০ টাকা, মিনিকেট ৬৬ থেকে ৬৮ টাকা, কাটারি ভোগ ৯০ টাকা, পোলাও চাল ১৪০ থেকে ১৫৫ টাকা এবং কালিজিরা ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শুক্রবার ঢাকার কাঁচাবাজারে আটা প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮৫ টাকা এবং দুই কেজির প্যাকেট ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সরকারের ইলিশ ধরা নিষিদ্ধের খবরে মাছের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ৮০ টাকা বেড়েছে। অন্যান্য মাছের মধ্যে- পুটি প্রতি কেজি ৪০০ টাকা, জীবন্ত পুটি ৫০০ টাকা কেজি, খলিসা ৪০০ টাকা কেজি, চাপিলা ৫০০ টাকা কেজি, চাষের কই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি, ফলি চান্দা (রূপচাদা) ১৪০০ টাকা কেজি, চান্দা ছোট ৪০০ টাকা কেজি, শোল ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি, বাইম ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি, মেনি ৫০০ টাকা কেজি, বোয়াল ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি।

কাইট্টা মাছ ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি, কোরাল মাছ ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি, নদীর পাঙ্গাস ৭০০ টাকা কেজি, চাষ করা পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি, রাজপুটি ৪৫০ টাকা কেজি।
তেলাপিয়া কেজি ২৪০ টাকা, রুহিত ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি, মাঝারি সাইজের কার্প (কাতল) প্রতি কেজি ৩০০-৩২০ টাকা, বড় সাইজের কাতল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি, স্থানীয় জাতের শিং মাছ প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, কোরাল ৬০০ টাকা কেজি, গলদা চিংড়ি ৮০০-১০০০ টাকা কেজি এবং চিংড়ি ৫০০-৬০০ টাকা কেজি।

গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, মাটন ১১৫০ থেকে ১১৮০ টাকায়। মাঝারি আকারের দেশি মোরগ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং মুরগি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম (ফার্ম) প্রতি ডজন ১৬০ টাকা, ডিম (স্থানীয়) ৭০ টাকা এবং ডিম (হাঁস) ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি জোড়া কবুতর বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sugar price increased by Tk 20 per kg

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল ফাইল ছবি
নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

রমজান মাস সামনে রেখে এক লাফে কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো হলো চিনির দাম।

নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসএফআইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে এর থেকে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছিল।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of chicken is increasing

মুরগির দাম বাড়ছে

মুরগির দাম বাড়ছে ফাইল ছবি
গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা।

পবিত্র রমজান সামনে রেখে এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা।

গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা। খবর ইউএনবির

সোনালি মোরগের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেখানে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদিও গত বছরের মতো ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়েনি। তবে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো মুরগির দামও বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪৫ দিন আগে প্রতিটি ব্রয়লার মুরগি (১ দিন বয়সী) প্রায় ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম সাধারণত প্রতি পিস ৩০ টাকা। এই বাড়তি দামের কারণে খামারে নতুন বাচ্চার সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন চাষিরা।

এ কারণে বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দাম বাড়ছে। গতবারের মতো এবারও শবে বরাত ও রমজানের আগে যাতে বাজারে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজরদারি করতে হবে বলে মনে করছেন মুরগি ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, সব ধরনের মুরগির দাম বাড়ছে। মাংস ও ডিমের দাম বাড়লে সরবরাহ কম থাকায় মুরগির দামও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, ১ দিন বয়সী একটি বাচ্চার দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় উঠলে ব্যবস্থা নিতে হয়। চাষের খরচ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।

বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রথমেই মুরগির বাচ্চা, ডিম ও মুরগির খাদ্য সরবরাহে অস্থিরতা দূর করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে খামারের মুরগির উৎপাদন ছিল ৩১ কোটি ৯৭ লাখ পিস।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ অর্থবছরে ক্রমান্বয়ে মুরগির উৎপাদন বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগ পর্যন্ত দেশে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। এরপর থেকে মুরগির বাজার ওঠানামা করছে। কখনো চাষিরা লোকসান দিচ্ছেন, আবার অনেক সময় ক্রেতাদের বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে।

গত বছর রমজানের ঠিক আগে মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম নির্ধারণের জন্য সরকার বড় চারটি মুরগি উৎপাদককে ডেকেছিল। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তে বাজারে মুরগির দাম কমানো হয়।

আরও পড়ুন:
ডিম, মুরগিতে ‘১৫ দিনে ৫১৮ কোটি টাকা লোপাট’
ডিম-মুরগির বাজার চড়া যে কারণে
সোনালি মুরগির দামে সুখবর
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Heros two new motorcycles in the country market

দেশের বাজারে হিরোর নতুন দুই মোটরসাইকেল

দেশের বাজারে হিরোর নতুন দুই মোটরসাইকেল বাইক দুটির প্রি-বুকিং শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ছবি: সংগৃহীত
আগ্রহী গ্রাহকরা ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করতে পারবেন কারিজমা এক্সএমআর। অন্যদিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করা যাবে থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি। এগুলো ডেলিভারি দেয়া শুরু হবে মার্চ থেকে।

প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বহুল আলোচিত নতুন দুইটি মোটরসাইকেল বাংলাদেশের বাজারে এনেছে হিরো মোটর করপোরেশন লিমিটেড।

এ দুই মডেল হলো ‘কারিজমা এক্সএমআর’ ও ‘থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি’।

বাইক দুটির প্রি-বুকিং শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি।

ইতালির মিলানের ইআইসিএমএ মোটর শো ও ভারতে উন্মোচন হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশে আসে বাইক দুটি।

আগ্রহী গ্রাহকরা ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করতে পারবেন কারিজমা এক্সএমআর। অন্যদিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করা যাবে থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি। এগুলো ডেলিভারি দেয়া শুরু হবে মার্চ থেকে।

থ্রিলার ১৬০আর ফোরভির মূল্য ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯০ টাকা, কিন্তু উদ্বোধনী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৯০ টাকা।

অন্যদিকে কারিজমা এক্সএমআরের মূল্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টাকা। প্রথম ২১০ জন ক্রেতার জন্য দাম রাখা হবে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

আরও পড়ুন:
ব্রিজের পিলারে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
পর্যবেক্ষকদের সমালোচনায় হিরো আলম
ক্রিকহিরোসে যুক্ত হলো কুবির ক্রীড়াক্ষেত্র
সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ফের ভোটে হিরো আলম
হিরো আলমের প্রার্থিতা ফিরল, লড়বেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের হয়ে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Why is the price of onion on fire in Benapole?

বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন

বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন বেনাপোলে এক সপ্তাহ আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে। ফাইল ছবি
বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

যশোরের শার্শার বেনাপোলসহ সব হাটবাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। গত দুদিন ধরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে।

এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে। যার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

তারা বলছেন, বেসরকারি পর্যায়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় পেঁয়াজের মোকামগুলো থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মজুতকারীরা এ সব এলাকার সব পেঁয়াজ কিনে মজুত করছেন। যার কারণে ওই এলাকার হাটবাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে যশোরের শার্শার বাজারগুলোতে পেঁয়াজের মূল্য দুদিনের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, রমজানকে সামনে রেখে বেশি লাভের আশায় মজুতদাররা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন, তবে ভোক্তারা বলছেন এসব ব্যবসায়ীদের অজুহাত ছাড়া কিছুই না।

বেনাপোলসহ শার্শার বাজারে আজ সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি ১১০ টাকা ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের শার্শার সব বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গতকাল ও আজ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে এ সব খুচরা বাজারে ৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে।

এ উপজেলার বেনাপোল বাজারের পেঁয়াজের খুচরা ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, ‘আজ সকালে এলাকার আড়ত থেকে পাইকারি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরে কিনেছি। আর বিক্রি করছি ১২০ টাকা।’

উপজেলার নাভারন বাজারের আড়তগুলোয় পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়।

শার্শা বাজারের আড়তদার সুরুজ মিয়া জানান, তিনি রোববার সকালে পাইকারি দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। আজ সোমবারও সেভাবে বিক্রি করছেন। তবে গত দুইদিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে না আসলে পেঁয়াজের দাম কমবে না।’

আড়তদার আব্দুর রহমান জানান, চৌগাছা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, মেহেরপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ি ও পাবনা মোকাম থেকে ব্যাপারীরা পেঁয়াজ এনে বিক্রি করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার হঠাৎ করেই ওই সব মোকাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় মজুতদাররা পেঁয়াজ কিনে মজুত করেন। ফলে মোকামগুলোতে পেঁয়াজের বড় রকমের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে ঢাকা ও দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীরা বাজারে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার জন্য এসব করছেন।’

বন্দর নগরী বেনাপোলের পেঁয়াজ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম জানান, অনেকদিন থেকেই বেসরকারি পর্যায়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। এখন সরকারি পর্যায়ে টিসিবির পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আগে বেনাপোল বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যেত। এখন বন্দরে কোনো পেঁয়াজ নেই। বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি না হওয়া পর্যন্ত পেঁয়াজের সংকট মিটবে না।

আজ সকালে বাজারে পেঁয়াজ কিনতে যাওয়া সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘গত দুইদিন আগেও দেশি পেঁয়াজ বাজারে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। দু একদিনের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ১২০ দরে বিক্রি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এরপরও সরকারি নজরদারির সংস্থাগুলো যদি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে রোজায় হয়ত ২০০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হতে পারে।’

বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

আরও পড়ুন:
আড়তভর্তি পেঁয়াজ, ক্রেতার অভাবে পচনের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
মাইকিং করে ৮৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি
বন্দরে আটকে থাকায় পচন ধরেছে টিসিবির পেঁয়াজে
গুদামের পেঁয়াজ কীভাবে উধাও, জানার চেষ্টায় ভোক্তা অধিকার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কেজিতে ৪০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The government wants to buy one and a half lakh tons of onion sugar from India
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত থেকে দেড় লাখ টন পেঁয়াজ চিনি কিনতে চায় সরকার

ভারত থেকে দেড় লাখ টন পেঁয়াজ চিনি কিনতে চায় সরকার গুদামে রাখা পেঁয়াজ ও দোকানে রাখা চিনি। কোলাজ: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানের আগে তারা ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটি উন্নীত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং এক লক্ষ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।’

রমজানের আগে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য আরও বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ ও চিনি প্রস্তুত রাখতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ভারতে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

গত ২৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছিলেন, রমজানে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আমদানি করা হবে।

তিনি বলেছিলেন, ‘রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ভারত থেকে ২০ হাজার টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার টন চিনি আমদানি করা হবে। এ ছাড়া ব্রাজিলসহ অন্য দেশ থেকে তেল ও চিনি আসছে।’

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা আমাদের ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর অনেক পণ্যের ব্যাপারে নির্ভরশীল। বিশেষ করে পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং কিছু মসলাজাতীয় ভোগ্যপণ্যসহ আমরা অনেক কিছুর ওপর ভারতের ওপর নির্ভরশীল।

‘আমি ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব পীযূষ গয়ালের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি এবং তাকে বলেছি যে, বাংলাদেশের জন্য এই ভোগ্যপণ্যগুলোর জন্য ছয়টি পণ্যের জন্য যাতে একটি বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। অর্থাৎ কমপক্ষে এইটুকু আমরা তাদের কাছ থেকে ইমপোর্ট করতে পারব। প্রয়োজনে বেশিও করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘রমজানের আগে তারা ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

‘আমি সেটি উন্নীত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং এক লক্ষ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। হি হ্যাস টেইকেন সিরিয়াস নোট অফ দ্যাট (তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন)।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন
বিএনপির কর্মসূচি মানে বন্ধ হওয়া পুরনো গাড়ি স্টার্ট দেয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পেঁয়াজের দাম বাড়ছেই
নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপির সুইসাইডাল ডিসিশন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা ভারতের রাষ্ট্রপতির

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The Prime Minister emphasized on the expansion of the market for export products

রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মতৎপর একদল কর্মী। ছবি: সংগৃহীত
বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দকে শেখ হাসিনা বলেন, বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পণ্যের উৎপাদনও বহুমুখী করতে হবে। উৎপাদিত পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতেও বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পণ্যের উৎপাদনও বহুমুখী করতে হবে। উৎপাদিত পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) একটি প্রতিনিধি দল রোববার সকালে গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে সরকার প্রধান একথা বলেন। এ সময় উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের বিশেষ মনোযোগ দেয়ার জন্য তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

রপ্তানি পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রোববার গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ। ছবি: বাসস

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি কে এম শাখাওয়াত মুন ওই বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জানান, বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবসা-বাণিজ্য, রপ্তানি ও সাম্প্রতিক বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত করেন।

তারা বৈশ্বিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট কিছু সমস্যার উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন ও যত দ্রুত সম্ভব তা সমাধানের আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, সাবেক সভাপতি ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি, সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শিদী, শফিউল ইসলাম ও সিদ্দিকুর রহমানসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতা।

আরও পড়ুন:
নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীকে মেলিন্ডা গেটসের অভিনন্দন
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
মিয়ানমার সীমান্তে সশস্ত্র বাহিনী ও বিজিবিকে ধৈর্য ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জর্জিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার

মন্তব্য

p
উপরে