× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Onion can be bought at Tk 35 kg on TCB card
google_news print-icon

৩৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ কেনা যাবে টিসিবির কার্ডে

৩৫-টাকা-কেজিতে-পেঁয়াজ-কেনা-যাবে-টিসিবির-কার্ডে-
ফাইল ছবি
টিসিবির কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে সাধারণত চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল বিক্রি করা হয়। কোনো কোনো মাসে চালও বিক্রি করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় খোলাবাজারের তুলনায় কম দামে কার্ডধারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারেন।

দেশে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ঢাকা মহানগরীতে টিসিবির কার্ডধারীদের মধ্যে ৩৫ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে।

ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বাসসের

এতে জানানো হয়, গত কয়েক বছরের আলোকে ও পেঁয়াজের খারাপ মৌসুমের বিবেচনায় সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরীর কার্ডধারী ভোক্তাদের কাছে পেঁয়াজ বিক্রি করা হবে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই কেজি করে পেঁয়াজ কিনতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশে স্বল্প আয়ের এক কোটি পরিবার টিসিবির কার্ডধারী। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরীতে যেসব কার্ডধারী রয়েছেন, তাদেরকে মূলত ভর্তুকি মূল্যে প্রতি মাসে দুই কেজি করে পেঁয়াজ দেয়া হবে।

টিসিবির তথ্য কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির জানান, পেঁয়াজ বিক্রি কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরীর বাইরে দেশের অন্য জায়গায় সম্প্রসারণ করা হবে। তবে সেটি মূলত আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে করা হবে।

টিসিবির কার্ডধারী পরিবারের মধ্যে সাধারণত চিনি, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল বিক্রি করা হয়। কোনো কোনো মাসে চালও বিক্রি করা হয়েছে। এ ব্যবস্থায় খোলাবাজারের তুলনায় কম দামে কার্ডধারীরা নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The question is whether there is a lack of buyers in the market

বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের

বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার ব্রিফিংয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরও বাজারে সেগুলোর ঊর্ধ্বগতি কেন, তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চান এক সাংবাদিক। ওই প্রশ্নের উত্তরে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘খাদ্য তো পাচ্ছেনই। একটা লোক না খেয়ে মারা গেছে বাংলাদেশে এত সংকটের মধ্যে? বলেন? বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে?

নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশে না খেয়ে কেউ মারা গেছে কি না এবং বাজারে ক্রেতার সংকট আছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি উল্লিখিত প্রশ্নগুলো করেন।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরও বাজারে সেগুলোর ঊর্ধ্বগতি কেন, তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চান এক সাংবাদিক।

ওই প্রশ্নের উত্তরে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘খাদ্য তো পাচ্ছেনই। একটা লোক না খেয়ে মারা গেছে বাংলাদেশে এত সংকটের মধ্যে? বলেন? বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে?

‘গত ঈদের সময় দেখছি, রাত তিনটার সময়ও মানুষ বাজারে কেনাকাটা করছে। পয়সা না থাকলে কিনছে? মানুষের পারচেজিং/বায়িং ক্যাপাসিটি (কেনার সামর্থ্য), পারচেজিং পাওয়ার (ক্রয়ক্ষমতা) বেড়ে গেছে। এটা হলো বাস্তবতা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সিন্ডিকেট লালনপালন করেছে, মজুতদারদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে, এ কথা বললে কি ভুল হবে? যারা করছে তারা বিএনপির পুরোনো সিন্ডিকেট।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ছিল ব্যবসায়ী সরকার। আওয়ামী লীগ ব্যবসা করতে আসেনি। এখানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার হাল ছেড়ে দিয়েছে, এ কথা মনে করার কোনো কারণ নেই।

‘বিভিন্নভাবে সরকার পরিকল্পনা নিয়ে যে অশুভ চক্র দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে জনঅসন্তোষের কারণ সৃষ্টি করছে, তাদের কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী নিজেই জোরালোভাবে সেটি বলেছেন।’

বিদ্যুতের দাম সমন্বয় আরেক দফা দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা তো বিদ্যুৎমন্ত্রীই বলছে…এটা আমি কেন বলতে যাব? যেই মন্ত্রী এটা ডিল করেন, তিনিই বলেছেন।

‘সমন্বয়ের বিষয়ে আগেও বলেছেন, এখনও বলছেন। বিদ্যুতে আমাদের ভর্তুকি অনেক বেশি হয়ে গেছে। ভর্তুকি আর বাড়তে দেয়া ঠিক হবে না।’

ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দিনে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডি এবং সেখানে বিদ্যুতের দাম পাঁচ বছরে তারা ৯ বার বাড়িয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’

বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে এবং এই আন্দোলনে সরকারের পতন হবে, দলটির এক নেতার এমন মন্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে দেশে একটা নির্বাচন হয়ে গেল, তারা নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসের মহড়া দিয়েছে; আগুন সন্ত্রাস করেছে।

‘আন্দোলনের নামে কত ভয়ংকর ভূমিকায় বিএনপি হতে পারে, সেটা তারা করে দেখিয়েছে বারেবারে। জনগণ সম্পৃক্ত ছিল না বলে অতীতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কক্সবাজারগামী পর্যটকদের জন্য ‘বিশেষ ট্রেন’
দেশে আন্দোলনের কোনো ইস্যু নেই: কাদের
দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে: কাদের
বিএনপিকে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ কাদেরের
বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা দলগতভাবে আওয়ামী লীগ করেনি: কাদের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sugar price increased by Tk 20 per kg

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল ফাইল ছবি
নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

রমজান মাস সামনে রেখে এক লাফে কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো হলো চিনির দাম।

নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসএফআইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে এর থেকে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছিল।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of chicken is increasing

মুরগির দাম বাড়ছে

মুরগির দাম বাড়ছে ফাইল ছবি
গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা।

পবিত্র রমজান সামনে রেখে এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা।

গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা। খবর ইউএনবির

সোনালি মোরগের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেখানে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদিও গত বছরের মতো ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়েনি। তবে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো মুরগির দামও বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪৫ দিন আগে প্রতিটি ব্রয়লার মুরগি (১ দিন বয়সী) প্রায় ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম সাধারণত প্রতি পিস ৩০ টাকা। এই বাড়তি দামের কারণে খামারে নতুন বাচ্চার সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন চাষিরা।

এ কারণে বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দাম বাড়ছে। গতবারের মতো এবারও শবে বরাত ও রমজানের আগে যাতে বাজারে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজরদারি করতে হবে বলে মনে করছেন মুরগি ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, সব ধরনের মুরগির দাম বাড়ছে। মাংস ও ডিমের দাম বাড়লে সরবরাহ কম থাকায় মুরগির দামও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, ১ দিন বয়সী একটি বাচ্চার দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় উঠলে ব্যবস্থা নিতে হয়। চাষের খরচ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।

বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রথমেই মুরগির বাচ্চা, ডিম ও মুরগির খাদ্য সরবরাহে অস্থিরতা দূর করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে খামারের মুরগির উৎপাদন ছিল ৩১ কোটি ৯৭ লাখ পিস।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ অর্থবছরে ক্রমান্বয়ে মুরগির উৎপাদন বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগ পর্যন্ত দেশে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। এরপর থেকে মুরগির বাজার ওঠানামা করছে। কখনো চাষিরা লোকসান দিচ্ছেন, আবার অনেক সময় ক্রেতাদের বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে।

গত বছর রমজানের ঠিক আগে মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম নির্ধারণের জন্য সরকার বড় চারটি মুরগি উৎপাদককে ডেকেছিল। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তে বাজারে মুরগির দাম কমানো হয়।

আরও পড়ুন:
ডিম, মুরগিতে ‘১৫ দিনে ৫১৮ কোটি টাকা লোপাট’
ডিম-মুরগির বাজার চড়া যে কারণে
সোনালি মুরগির দামে সুখবর
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Heros two new motorcycles in the country market

দেশের বাজারে হিরোর নতুন দুই মোটরসাইকেল

দেশের বাজারে হিরোর নতুন দুই মোটরসাইকেল বাইক দুটির প্রি-বুকিং শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি। ছবি: সংগৃহীত
আগ্রহী গ্রাহকরা ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করতে পারবেন কারিজমা এক্সএমআর। অন্যদিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করা যাবে থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি। এগুলো ডেলিভারি দেয়া শুরু হবে মার্চ থেকে।

প্রিমিয়াম সেগমেন্টের বহুল আলোচিত নতুন দুইটি মোটরসাইকেল বাংলাদেশের বাজারে এনেছে হিরো মোটর করপোরেশন লিমিটেড।

এ দুই মডেল হলো ‘কারিজমা এক্সএমআর’ ও ‘থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি’।

বাইক দুটির প্রি-বুকিং শুরু হয় ১৪ ফেব্রুয়ারি।

ইতালির মিলানের ইআইসিএমএ মোটর শো ও ভারতে উন্মোচন হওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলাদেশে আসে বাইক দুটি।

আগ্রহী গ্রাহকরা ৩০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করতে পারবেন কারিজমা এক্সএমআর। অন্যদিকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে বুক করা যাবে থ্রিলার ১৬০আর ফোরভি। এগুলো ডেলিভারি দেয়া শুরু হবে মার্চ থেকে।

থ্রিলার ১৬০আর ফোরভির মূল্য ২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৯০ টাকা, কিন্তু উদ্বোধনী মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৯৯০ টাকা।

অন্যদিকে কারিজমা এক্সএমআরের মূল্য ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টাকা। প্রথম ২১০ জন ক্রেতার জন্য দাম রাখা হবে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯০ টাকা।

আরও পড়ুন:
ব্রিজের পিলারে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২
পর্যবেক্ষকদের সমালোচনায় হিরো আলম
ক্রিকহিরোসে যুক্ত হলো কুবির ক্রীড়াক্ষেত্র
সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে ফের ভোটে হিরো আলম
হিরো আলমের প্রার্থিতা ফিরল, লড়বেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের হয়ে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Why is the price of onion on fire in Benapole?

বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন

বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন বেনাপোলে এক সপ্তাহ আগে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে। ফাইল ছবি
বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

যশোরের শার্শার বেনাপোলসহ সব হাটবাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪০ টাকা। গত দুদিন ধরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি দরে।

এসব এলাকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম থাকায় সংকট তৈরি হয়েছে। যার কারণে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

তারা বলছেন, বেসরকারি পর্যায়ে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় পেঁয়াজের মোকামগুলো থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মজুতকারীরা এ সব এলাকার সব পেঁয়াজ কিনে মজুত করছেন। যার কারণে ওই এলাকার হাটবাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে যশোরের শার্শার বাজারগুলোতে পেঁয়াজের মূল্য দুদিনের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গেছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, রমজানকে সামনে রেখে বেশি লাভের আশায় মজুতদাররা বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন, তবে ভোক্তারা বলছেন এসব ব্যবসায়ীদের অজুহাত ছাড়া কিছুই না।

বেনাপোলসহ শার্শার বাজারে আজ সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ পাইকারি ১১০ টাকা ও খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের শার্শার সব বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে গতকাল ও আজ ১২০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে এ সব খুচরা বাজারে ৮০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে।

এ উপজেলার বেনাপোল বাজারের পেঁয়াজের খুচরা ব্যবসায়ী শামীম হোসেন বলেন, ‘আজ সকালে এলাকার আড়ত থেকে পাইকারি প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরে কিনেছি। আর বিক্রি করছি ১২০ টাকা।’

উপজেলার নাভারন বাজারের আড়তগুলোয় পেঁয়াজ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়।

শার্শা বাজারের আড়তদার সুরুজ মিয়া জানান, তিনি রোববার সকালে পাইকারি দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি করেছেন। আজ সোমবারও সেভাবে বিক্রি করছেন। তবে গত দুইদিন আগে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকায় বিক্রি করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমদানি করা পেঁয়াজ বাজারে না আসলে পেঁয়াজের দাম কমবে না।’

আড়তদার আব্দুর রহমান জানান, চৌগাছা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, মেহেরপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ি ও পাবনা মোকাম থেকে ব্যাপারীরা পেঁয়াজ এনে বিক্রি করেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার হঠাৎ করেই ওই সব মোকাম থেকে ঢাকাসহ দেশের বড় বড় মজুতদাররা পেঁয়াজ কিনে মজুত করেন। ফলে মোকামগুলোতে পেঁয়াজের বড় রকমের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘রমজানকে সামনে রেখে ঢাকা ও দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীরা বাজারে পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করার জন্য এসব করছেন।’

বন্দর নগরী বেনাপোলের পেঁয়াজ আমদানিকারক রফিকুল ইসলাম জানান, অনেকদিন থেকেই বেসরকারি পর্যায়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। এখন সরকারি পর্যায়ে টিসিবির পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। আগে বেনাপোল বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও আড়তদাররা পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যেত। এখন বন্দরে কোনো পেঁয়াজ নেই। বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি না হওয়া পর্যন্ত পেঁয়াজের সংকট মিটবে না।

আজ সকালে বাজারে পেঁয়াজ কিনতে যাওয়া সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘গত দুইদিন আগেও দেশি পেঁয়াজ বাজারে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। দু একদিনের ব্যবধানে ৩০ থেকে ৪০ টাকা বেড়ে ১২০ দরে বিক্রি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এরপরও সরকারি নজরদারির সংস্থাগুলো যদি এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে রোজায় হয়ত ২০০ টাকায় পেঁয়াজ কিনতে হতে পারে।’

বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা হেমন্ত কুমার সরকার জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি পর্যায়ে আমদানি বন্ধ থাকায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে বাজারে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

আরও পড়ুন:
আড়তভর্তি পেঁয়াজ, ক্রেতার অভাবে পচনের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
মাইকিং করে ৮৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি
বন্দরে আটকে থাকায় পচন ধরেছে টিসিবির পেঁয়াজে
গুদামের পেঁয়াজ কীভাবে উধাও, জানার চেষ্টায় ভোক্তা অধিকার
চাঁপাইনবাবগঞ্জে কেজিতে ৪০ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The government wants to buy one and a half lakh tons of onion sugar from India
সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারত থেকে দেড় লাখ টন পেঁয়াজ চিনি কিনতে চায় সরকার

ভারত থেকে দেড় লাখ টন পেঁয়াজ চিনি কিনতে চায় সরকার গুদামে রাখা পেঁয়াজ ও দোকানে রাখা চিনি। কোলাজ: নিউজবাংলা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানের আগে তারা ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আমি সেটি উন্নীত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং এক লক্ষ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি।’

রমজানের আগে বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য আরও বেশি পরিমাণে পেঁয়াজ ও চিনি প্রস্তুত রাখতে ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

ভারতে প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর শেষে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

গত ২৬ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছিলেন, রমজানে ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আমদানি করা হবে।

তিনি বলেছিলেন, ‘রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ভারত থেকে ২০ হাজার টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার টন চিনি আমদানি করা হবে। এ ছাড়া ব্রাজিলসহ অন্য দেশ থেকে তেল ও চিনি আসছে।’

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা আমাদের ভোগ্যপণ্যের জন্য ভারতের ওপর অনেক পণ্যের ব্যাপারে নির্ভরশীল। বিশেষ করে পেঁয়াজ, চিনি, ডাল এবং কিছু মসলাজাতীয় ভোগ্যপণ্যসহ আমরা অনেক কিছুর ওপর ভারতের ওপর নির্ভরশীল।

‘আমি ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব পীযূষ গয়ালের সাথে এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি এবং তাকে বলেছি যে, বাংলাদেশের জন্য এই ভোগ্যপণ্যগুলোর জন্য ছয়টি পণ্যের জন্য যাতে একটি বিশেষ কোটা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। অর্থাৎ কমপক্ষে এইটুকু আমরা তাদের কাছ থেকে ইমপোর্ট করতে পারব। প্রয়োজনে বেশিও করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘রমজানের আগে তারা ইতিমধ্যেই আমাদের দেশে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনি রপ্তানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

‘আমি সেটি উন্নীত করে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ এবং এক লক্ষ মেট্রিক টন চিনিতে উন্নীত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। হি হ্যাস টেইকেন সিরিয়াস নোট অফ দ্যাট (তিনি বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন)।’

আরও পড়ুন:
বেনাপোলে পেঁয়াজের দামে আগুন কেন
বিএনপির কর্মসূচি মানে বন্ধ হওয়া পুরনো গাড়ি স্টার্ট দেয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পেঁয়াজের দাম বাড়ছেই
নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপির সুইসাইডাল ডিসিশন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা ভারতের রাষ্ট্রপতির

মন্তব্য

p
উপরে