× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Hearing the price of vegetables brings tears to the eyes
google_news print-icon

‘সবজির দাম শুনলে চোখে পানি চলে আসে’

সবজির-দাম-শুনলে-চোখে-পানি-চলে-আসে
দিনাজপুরের বাজারগুলোতে কাঁচা সবজির দাম বেড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা  
সবজি ব্যবসায়ী কামরুল হাসান বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে দিনাজপুরে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ফসলের ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে। ফলে সবজি বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। তাই দাম এত বৃদ্ধি পেয়েছে।’   

‘দেড় কেজি আলু ৮০ টাকা, এক কেজি বেগুন ৭০ টাকা, এক পোয়া কাঁচামরিচ ৬০ টাকা দিয়ে কিনেছি, কিন্তু বাসা থেকে ২০০ টাকা নিয়ে এসেছি। তিনটি কাঁচাবাজার কিনতেই ২১০ টাকা লাগল। মরিচ যে দোকান থেকে কিনেছি সেখানে ১০ টাকা বাকি রেখেছি। স্ত্রী বলেছে কোনো টাটকা শাক নিতে, কিন্তু সেটিও নিতে পারলাম না। এখন হেঁটে হেঁটে বাড়ি যাব।

‘সবজির বাজারে ঢুকলে চোখ থেকে পানি চলে আসে। আয় হয় এক টাকা, আর খরচ হয় তিন টাকা। তাহলে সংসার কীভাবে চালাব? সবজির দাম যদি এত বেশি হয়, তাহলে তো মাসে এক দিনের জন্যও মাছ ও মাংসের দেখা পাব না।’

দিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজারে শনিবার সকাল ১০টার দিকে এভাবে নিজের অসহায়ত্বের কথাগুলো বলছিলেন শহরের বালুয়াডাঙ্গা অন্ধ হাফেজ মোড়ের বাসিন্দা খায়রুল ইসলাম।

দেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী জেলা দিনাজপুরে বিভিন্ন সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজি প্রতি সবজি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে।

দিনাজপুর শহরের পাইকারি বাহাদুর বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহ আগে আলু প্রকারভেদে ৪০ থেকে ৪২ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ৫২ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বেগুন এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি।

এর বাইরে পটল এক সপ্তাহ আগে ৫৫ টাকা বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬০ থেকে ৬২ টাকা কেজি, ঢেঁড়স এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে ৭০ টাকা, পেঁপে এক সপ্তাহ আগে ২০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে ৩০ টাকা, করলা এক সপ্তাহ আগে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬০ টাকা এবং বরবটি এক সপ্তাহ আগে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

লাউ প্রকারভেদে এক সপ্তাহ আগে প্রতি পিস ৩০ থেকে ৩৫ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঝিঙা এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে ৬০ টাকায়, শসা এক সপ্তাহ আগে ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। এক সপ্তাহ আগে ওই বাজারে কাঁচামরিচ ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও শনিবার সকালে বিক্রি হয় ২৪০ টাকা কেজিতে।

অপর দিকে আগাম শীতকালীন সবজির দামও অনেকের নাগালের বাইরে। টমেটো কেজিপ্রতি ১০০, গাজর কেজিপ্রতি ১০০, ফুলকপি ১০০, বাঁধাকপি ৬০, শিম ১২০ ও মুলা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পান দোকানি খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘ছোট একটি পানের ঘুন্টি (পানের দোকান) আছে আমার। সেখানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেচাবিক্রি হয়। এর মধ্যে দোকানের মাল (পণ্য) কিনতেই ২০০ থেকে ২৫০ টাকা চলে যায়। বাকি টাকা নিয়ে সংসার চালাতে হয়।

‘এখন তো মানুষের পকেটে টাকা নাই। তাই দোকানের বেচাবিক্রি খুব কম হচ্ছে। চারজনের সংসারে প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকার কাঁচাবাজার লেগে যাচ্ছে। সপ্তাহে এক দিন কোনোমতে মাছ বা মাংস খাই, কিন্তু বর্তমানে কাঁচাবাজারে যে আগুন লেগেছে। তাতে মাছ ও মাংস আর পাতে (প্লেটে) উঠবে না।’

বাজার করতে আসা ইজিবাইক চালক আবদুর রশিদ বলেন, ‘সারা দিন ইজিবাইক চালিয়ে যা আয় হয়, তাতে তো বাজার করতেই শেষ হয়ে যায়। কয়েক দিন ধরে কাঁচা শাকসবজির দাম খুবই বেড়েছে। মাছ ও মাংস খাওয়া আগেই ছেড়ে দিয়েছি; এখন শাকসবজি খাওয়াও ছেড়ে দিতে হবে।

‘দিনাজপুর শহরে যাত্রীর চেয়ে ইজিবাইকের সংখ্যা বেশি। ঠিকমতো ভাড়া পাওয়া যায় না। সামান্য আয় দিয়ে কোনোরকমে চলতে হচ্ছে।’

সরবরাহ কম ও বৃষ্টির কারণে সবজির দাম বাড়ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক সবজি ব্যবসায়ী। তাদের একজন কামরুল হাসান বলেন, ‘এক সপ্তাহ ধরে দিনাজপুরে বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ফসলের ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে। ফলে সবজি বাজারে সরবরাহ কম হচ্ছে। তাই দাম এত বেড়েছে।

‘আমরা বেশি দামে সবজি কিনে কয়েক টাকা লাভ করেই বিক্রি করে দিই। কৃষক আমাদের ঠিকভাবে সরবরাহ করলে সবজির দাম অনেক কমে আসবে।’

আরও পড়ুন:
স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া মীমাংসা করতে এসে খুন
দিনাজপুরে বৃষ্টির জন্য নামাজ   
অপরিপক্ব লিচুতে স্বাস্থ্যঝুঁকি
কবিরাজের কাছে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় চারজন নিহত
বাস-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত ৩

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The new price of soybean oil comes into effect on Friday

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার
খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার (১ মার্চ)। এদিন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সয়াবিন তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেদিনই বলা হয়, ১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন এই দর কার্যকর হবে।

সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভোজ্যতেল আমদানির ওপর লিটারে ৫ টাকা শুল্ক কমিয়েছে। অর্থাৎ সরকার লিটারে ৫ টাকা ছাড় দিয়েছে। রমজান সামনে রেখে এখন আপনারাও ৫ টাকা ছাড় দেন।’

সভায় উপস্থিত মিল মালিক ও তেল পরিশোধনকারীরা তা মেনে নেন। সে হিসাবে প্রতি লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমছে ১০ টাকা।

সয়াবিন তেলের দাম কমানো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী টিটু বলেন, ‘রমজানে প্রতি লিটার বোতলের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৬৩ টাকা করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। আগে এর মূল্য ছিল ১৭৩ টাকা এবং তার আগের বছরে ছিল ১৮৫ টাকার মতো।’

তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের সঙ্গে অনেক কিছু সম্পৃক্ত। সেহেতু এতে ভোক্তা পর্যায়ে কিছুটা স্বস্তি আসবে এবং খুচরায় আমরা যৌক্তিক পর্যায়ে দাম কমিয়ে আনব। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খোলা সয়াবিনের সর্বোচ্চ মূল্য থাকবে ১৪৯ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে।’

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আমাদের এটুকু নিশ্চিত করেছেন যে আগামী রমজানে যে পরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বাজারে থাকা দরকার বা মজুদ থাকা দরকার বা পাইপলাইনে থাকা দরকার, তার সবই মোটামুটি পর্যাপ্ত আছে।’

পাম তেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয় জানিয়ে রাখা দরকার, এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম সয়াবিনের থেকে বেশি। সুতরাং এটি যদি আমরা এখন পুনঃনির্ধারণ করতে যাই, তা ভোক্তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যাবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। আমাদের এই ট্যারিফ ১৫ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর আমরা বসে প্রতি মাসে যেমন তেলের দাম আমাদের ট্যারিফ ঠিক করে, প্রতিমাসে আমাদের যারা মিলমালিক আছে তাদের সঙ্গে বসে দাম রেগুলার বেসিসে পুনঃনির্ধারণ করে দেব। কারণ ব্যবসায়ীরা যদি ব্যবসা না করতে পারেন তাহলে পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দেবে।’

প্রসঙ্গত, ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব পণ্য হলো চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুর। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

আরও পড়ুন:
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমল ১০ টাকা, ১ মার্চ থেকে কার্যকর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Fuel oil prices will fluctuate with the world market State Minister

বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী

বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী পেট্রল পাম্পে মোটরসাইকেলে দেয়া হচ্ছে জ্বালানি তেল। ফাইল ছবি
বিদ্যুতের দাম বাড়ার সময় ও জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, ‘এটা আমরা চাচ্ছি মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এটা শুরু হবে এবং পরবর্তী সময়ে হয়তো দুই-তিনবার আমরা এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা অল্প, ধীরে ধীরে যাব এবং আমাদের তেলের ব্যাপারেও মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে অ্যাডজাস্টমেন্ট শুরু হবে। আমাদের ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রির সম্মতিক্রমে আমরা ডায়নামিক প্রাইসিংয়ে (চলতি বাজারে চাহিদার ভিত্তিতে পণ্যের দাম নির্ধারণ) যাচ্ছি।’

চলতি বছরের মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সরকার কেন বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায়, তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে যে, আমরা যে জ্বালানি ব্যবহার করি, সেটার প্রাইসিংয়ের (মূ্ল্যের) ওপর বিদ্যুতের দাম নির্ভর করে এবং আমরা কয়লা যখন…নিয়ে আসছি, সেই সময় ডলারের যে ভ্যালু আর কয়লার যে দাম ছিল, তার থেকে অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। পার (প্রতি) ডলারে প্রায় ৪০ টাকা ডিফারেন্স হয়ে গেছে; মানে বেশি। আমরা ৭০ থেকে ৮০ টাকা ধরে ডলারের ভ্যালু করছিলাম, যখন কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট ছিল।’

ডলার কিনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে জানিয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের (প্রতি ডলার) ভ্যালু ১১০ টাকা; সরকারি। বেসরকারি তো আরও বেশি। সুতরাং এই যে, প্রাইসের মধ্যে যে একটা পার্থক্য, গ্যাপ, এই গ্যাপটাকে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। আমরা প্রাইস ইনক্রিজ (মূল্য বৃদ্ধি) কখন বলব? যদি আমাদের অ্যাট পার প্রাইস ব্রেক ইভেন থেকে প্রাইস আমরা বাড়িয়ে দিই, তাহলে সেটাকে ইনক্রিজ বলা যায়, কিন্তু যখন আমরা জ্বালানির সাথে সমন্বয় করতে চাব, সব দেশেই তা করে।

‘যেকোনো দেশে যান, জ্বালানির প্রাইসিংয়ের ওপর বিদ্যুতের দাম ওঠানামা করে। সুতরাং ওইটার সাথে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। এ ছাড়া উপায় নাই।’

ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম কী পরিমাণ বাড়ানো হবে, তা নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা এখন যে কাজটা করতেছি, খুবই অল্প পরিমাণে, ৩৪ পয়সা পার ইউনিট, একটা নিচের লেভেলে যা আছে। আমাদের লাইফ লাইন গ্রাহক আছে প্রায় এক কোটি ৪০ লক্ষ। তারা (প্রতি ইউনিটে) চার টাকা করে দেয়। আর ওপরের দিকে যারা আছেন, তাদের সাত টাকা করে চার্জ হয়, কিন্তু আমাদের উৎপাদন খরচ পড়ে ১২ টাকায় এভারেজ।

‘সরকার একটা বড় অংশ কিন্তু এখানে ভর্তুকি হিসেবে অ্যাডেড (যুক্ত) হচ্ছে। এই ভর্তুকির পরিমাণ আরও বেশি বাড়ছে বিকজ অফ প্রাইসিং অফ দ্য ডলার (ডলারের বাড়তি মূল্যের কারণে)। ডিফারেন্সটা হয়ে গেছে এবং এই ডিফারেন্সটা হওয়াতে বিরাটভাবে জাম্প করছে গত বছর থেকে।’

বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সময়মতো একটা অ্যাডজাস্টমেন্টে (সমন্বয়) না যাই আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে, আমাদের টার্গেটেড হলো আগামী তিন বছর আমরা এটাকে সমন্বয় করব এবং যাতে কিনা একটা সহনীয় পর্যায় থেকে সমন্বয়টা হয়, সেটার একটা ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আমরা যে যাচ্ছি অল্প অল্প করে ৩৪ পয়সায়। ওপরের লেভেলে হয়তো ৭০ পয়সা, এ রকমভাবে আমরা প্রাইসিংটাকে রিঅ্যাডজাস্টমেন্ট (পুনঃসমন্বয়) করতেছি।’

বিদ্যুতের দাম বাড়ার সময় ও জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, ‘এটা আমরা চাচ্ছি মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এটা শুরু হবে এবং পরবর্তী সময়ে হয়তো দুই-তিনবার আমরা এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা অল্প, ধীরে ধীরে যাব এবং আমাদের তেলের ব্যাপারেও মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে অ্যাডজাস্টমেন্ট শুরু হবে। আমাদের ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রির সম্মতিক্রমে আমরা ডায়নামিক প্রাইসিংয়ে (চলতি বাজারে চাহিদার ভিত্তিতে পণ্যের দাম নির্ধারণ) যাচ্ছি।

‘ডায়নামিক প্রাইসিংও একই অবস্থা। যদি ওয়ার্ল্ড মার্কেটে (বিশ্ববাজার) ক্রুডের (অশোধিত জ্বালানি তেল) দাম বাড়ে, সেটার সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট হবে। যদি ওয়ার্ল্ড মার্কেটে ক্রুডের দাম কমে, সেটার সাথে অ্যাডজাস্টমেন্ট হবে। সুতরাং এখন থেকে বলা যায় যে, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ভর্তুকি থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আমরা প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্টে যাচ্ছি, সমন্বয় করতে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে ১০ নম্বর গ্যাস কূপে তেলের সন্ধান
মৈত্রী পাইপলাইন ফুটো করে তেল চুরি করতে গিয়ে ধরা
এবার ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাত বাড়াচ্ছে জ্বালানির দাম
ডিজেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা আংশিক প্রত্যাহার রাশিয়ার
লিটারে ৫ টাকা কমল সয়াবিন তেলের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of electricity is increasing in the first week of March

দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। ফাইল ছবি
বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সময়মতো একটা অ্যাডজাস্টমেন্টে (সমন্বয়) না যাই আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে, আমাদের টার্গেটেড হলো আগামী তিন বছর আমরা এটাকে সমন্বয় করব এবং যাতে কিনা একটা সহনীয় পর্যায় থেকে সমন্বয়টা হয়, সেটার একটা ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আমরা যে যাচ্ছি অল্প অল্প করে ৩৪ পয়সায়। ওপরের লেভেলে হয়তো ৭০ পয়সা, এ রকমভাবে আমরা প্রাইসিংটাকে রিঅ্যাডজাস্টমেন্ট (পুনঃসমন্বয়) করতেছি।’

জ্বালানির দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, যা কার্যকর হতে পারে আগামী মাসের (মার্চ) প্রথম সপ্তাহে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।

সরকার কেন বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায়, তা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে যে, আমরা যে জ্বালানি ব্যবহার করি, সেটার প্রাইসিংয়ের (মূ্ল্যের) ওপর বিদ্যুতের দাম নির্ভর করে এবং আমরা কয়লা যখন…নিয়ে আসছি, সেই সময় ডলারের যে ভ্যালু আর কয়লার যে দাম ছিল, তার থেকে অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। পার (প্রতি) ডলারে প্রায় ৪০ টাকা ডিফারেন্স হয়ে গেছে; মানে বেশি। আমরা ৭০ থেকে ৮০ টাকা ধরে ডলারের ভ্যালু করছিলাম, যখন কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট ছিল।’

ডলার কিনতে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে জানিয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমাদের (প্রতি ডলার) ভ্যালু ১১০ টাকা; সরকারি। বেসরকারি তো আরও বেশি। সুতরাং এই যে, প্রাইসের মধ্যে যে একটা পার্থক্য, গ্যাপ, এই গ্যাপটাকে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। আমরা প্রাইস ইনক্রিজ (মূল্য বৃদ্ধি) কখন বলব? যদি আমাদের অ্যাট পার প্রাইস ব্রেক ইভেন থেকে প্রাইস আমরা বাড়িয়ে দিই, তাহলে সেটাকে ইনক্রিজ বলা যায়, কিন্তু যখন আমরা জ্বালানির সাথে সমন্বয় করতে চাব, সব দেশেই তা করে।

‘যেকোনো দেশে যান, জ্বালানির প্রাইসিংয়ের ওপর বিদ্যুতের দাম ওঠানামা করে। সুতরাং ওইটার সাথে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। এ ছাড়া উপায় নাই।’

ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম কী পরিমাণ বাড়ানো হবে, তা নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা এখন যে কাজটা করতেছি, খুবই অল্প পরিমাণে, ৩৪ পয়সা পার ইউনিট, একটা নিচের লেভেলে যা আছে। আমাদের লাইফ লাইন গ্রাহক আছে প্রায় এক কোটি ৪০ লক্ষ। তারা (প্রতি ইউনিটে) চার টাকা করে দেয়। আর ওপরের দিকে যারা আছেন, তাদের সাত টাকা করে চার্জ হয়, কিন্তু আমাদের উৎপাদন খরচ পড়ে ১২ টাকায় এভারেজ।

‘সরকার একটা বড় অংশ কিন্তু এখানে ভর্তুকি হিসেবে অ্যাডেড (যুক্ত) হচ্ছে। এই ভর্তুকির পরিমাণ আরও বেশি বাড়ছে বিকজ অফ প্রাইসিং অফ দ্য ডলার (ডলারের বাড়তি মূল্যের কারণে)। ডিফারেন্সটা হয়ে গেছে এবং এই ডিফারেন্সটা হওয়াতে বিরাটভাবে জাম্প করছে গত বছর থেকে।’

বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সময়মতো একটা অ্যাডজাস্টমেন্টে (সমন্বয়) না যাই আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে, আমাদের টার্গেটেড হলো আগামী তিন বছর আমরা এটাকে সমন্বয় করব এবং যাতে কিনা একটা সহনীয় পর্যায় থেকে সমন্বয়টা হয়, সেটার একটা ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। আমরা যে যাচ্ছি অল্প অল্প করে ৩৪ পয়সায়। ওপরের লেভেলে হয়তো ৭০ পয়সা, এ রকমভাবে আমরা প্রাইসিংটাকে রিঅ্যাডজাস্টমেন্ট (পুনঃসমন্বয়) করতেছি।’

কবে থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে তা নিয়ে নসরুল হামিদ বলেন, ‘এটা আমরা চাচ্ছি মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে এটা শুরু হবে এবং পরবর্তী সময়ে হয়তো দুই-তিনবার আমরা এই অ্যাডজাস্টমেন্টটা অল্প, ধীরে ধীরে যাব এবং আমাদের তেলের ব্যাপারেও মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকে অ্যাডজাস্টমেন্ট শুরু হবে। আমাদের ফাইন্যান্স মিনিস্ট্রির সম্মতিক্রমে আমরা ডায়নামিক প্রাইসিংয়ে যাচ্ছি।

‘ডায়নামিক প্রাইসিংও একই অবস্থা। যদি ওয়ার্ল্ড মার্কেটে (বিশ্ববাজার) ক্রুডের (অশোধিত জ্বালানি তেল) দাম বাড়ে, সেটার সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট হবে। যদি ওয়ার্ল্ড মার্কেটে ক্রুডের দাম কমে, সেটার সাথে অ্যাডজাস্টমেন্ট হবে। সুতরাং এখন থেকে বলা যায় যে, বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ভর্তুকি থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য আমরা প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্টে যাচ্ছি, সমন্বয় করতে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
দাবি না মানলে জ্বালানি তেল উত্তোলন পরিবহন বন্ধের হুঁশিয়ারি
কাতার থেকে বাড়তি ১.৮ এমটিপিএ এলএনজি পেতে চুক্তি
‘২ বছর ধরে জ্বালানি তেলে ভর্তুকি নেই’
মন্দার শঙ্কায় জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমেছে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The question is whether there is a lack of buyers in the market

বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের

বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার ব্রিফিংয়ে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরও বাজারে সেগুলোর ঊর্ধ্বগতি কেন, তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চান এক সাংবাদিক। ওই প্রশ্নের উত্তরে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘খাদ্য তো পাচ্ছেনই। একটা লোক না খেয়ে মারা গেছে বাংলাদেশে এত সংকটের মধ্যে? বলেন? বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে?

নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশে না খেয়ে কেউ মারা গেছে কি না এবং বাজারে ক্রেতার সংকট আছে কি না, সে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে শনিবার ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি উল্লিখিত প্রশ্নগুলো করেন।

ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পরও বাজারে সেগুলোর ঊর্ধ্বগতি কেন, তা নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কাছে জানতে চান এক সাংবাদিক।

ওই প্রশ্নের উত্তরে ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘খাদ্য তো পাচ্ছেনই। একটা লোক না খেয়ে মারা গেছে বাংলাদেশে এত সংকটের মধ্যে? বলেন? বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে?

‘গত ঈদের সময় দেখছি, রাত তিনটার সময়ও মানুষ বাজারে কেনাকাটা করছে। পয়সা না থাকলে কিনছে? মানুষের পারচেজিং/বায়িং ক্যাপাসিটি (কেনার সামর্থ্য), পারচেজিং পাওয়ার (ক্রয়ক্ষমতা) বেড়ে গেছে। এটা হলো বাস্তবতা।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি সিন্ডিকেট লালনপালন করেছে, মজুতদারদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে, এ কথা বললে কি ভুল হবে? যারা করছে তারা বিএনপির পুরোনো সিন্ডিকেট।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ছিল ব্যবসায়ী সরকার। আওয়ামী লীগ ব্যবসা করতে আসেনি। এখানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার হাল ছেড়ে দিয়েছে, এ কথা মনে করার কোনো কারণ নেই।

‘বিভিন্নভাবে সরকার পরিকল্পনা নিয়ে যে অশুভ চক্র দ্রব্যমূল্য বাড়িয়ে জনঅসন্তোষের কারণ সৃষ্টি করছে, তাদের কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী নিজেই জোরালোভাবে সেটি বলেছেন।’

বিদ্যুতের দাম সমন্বয় আরেক দফা দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা তো বিদ্যুৎমন্ত্রীই বলছে…এটা আমি কেন বলতে যাব? যেই মন্ত্রী এটা ডিল করেন, তিনিই বলেছেন।

‘সমন্বয়ের বিষয়ে আগেও বলেছেন, এখনও বলছেন। বিদ্যুতে আমাদের ভর্তুকি অনেক বেশি হয়ে গেছে। ভর্তুকি আর বাড়তে দেয়া ঠিক হবে না।’

ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপি দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে দিনে ১৮ ঘণ্টা লোডশেডি এবং সেখানে বিদ্যুতের দাম পাঁচ বছরে তারা ৯ বার বাড়িয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার শতভাগ বিদ্যুৎ দিয়েছে। শেখ হাসিনার সরকারের আমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৯ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে।’

বিএনপি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে এবং এই আন্দোলনে সরকারের পতন হবে, দলটির এক নেতার এমন মন্তব্যের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখন প্রশ্ন হচ্ছে দেশে একটা নির্বাচন হয়ে গেল, তারা নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আন্দোলনের নামে সন্ত্রাসের মহড়া দিয়েছে; আগুন সন্ত্রাস করেছে।

‘আন্দোলনের নামে কত ভয়ংকর ভূমিকায় বিএনপি হতে পারে, সেটা তারা করে দেখিয়েছে বারেবারে। জনগণ সম্পৃক্ত ছিল না বলে অতীতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
কক্সবাজারগামী পর্যটকদের জন্য ‘বিশেষ ট্রেন’
দেশে আন্দোলনের কোনো ইস্যু নেই: কাদের
দেশে উগ্রবাদের জন্ম বিএনপির হাত ধরে: কাদের
বিএনপিকে পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়ার পরামর্শ কাদেরের
বিএনপিকে নিষিদ্ধ করার চিন্তা দলগতভাবে আওয়ামী লীগ করেনি: কাদের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sugar price increased by Tk 20 per kg

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল

চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল ফাইল ছবি
নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

রমজান মাস সামনে রেখে এক লাফে কেজিতে ২০ টাকা বাড়ানো হলো চিনির দাম।

নতুন দর অনুযায়ী সরকারি মিলের চিনির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করেছে চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)।

বৃহস্পতিবার বিএসএফআইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও দেশীয় চিনির বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিএসএফআইসি কর্তৃক উৎপাদিত চিনির বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজারে রোজা উপলক্ষে চিনির বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এখন থেকে করপোরেশনের ৫০ কেজি বস্তাজাত চিনির মিলগেট বিক্রয়মূল্য ১৫০ টাকা (এক কেজি) ও ডিলার পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য ১৫৭ টাকা (এক কেজি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া করপোরেশনের ১ কেজি প্যাকেটজাত চিনির মিলগেট বা করপোরেট সুপারশপ বিক্রয়মূল্য ১৫৫ টাকা ও বিভিন্ন সুপারশপ, চিনি শিল্প ভবনের বেজমেন্টে ও বাজারে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে কেজিপ্রতি ১৪০ টাকা চিনির মূল্য নির্ধারণ করে সংস্থাটি। তবে বাজারে এর থেকে বেশি দামে চিনি বিক্রি হচ্ছিল।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of chicken is increasing

মুরগির দাম বাড়ছে

মুরগির দাম বাড়ছে ফাইল ছবি
গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা।

পবিত্র রমজান সামনে রেখে এক সপ্তাহ আগের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও সোনালি মুরগির দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ৩০ টাকা।

গত রমজানের আগেও রেকর্ড দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে। তখন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা। এক পর্যায়ে তা কেজিতে ২৫০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লারের দাম ছিল ২০০ টাকা। সেখান থেকে বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ২২০ টাকা। খবর ইউএনবির

সোনালি মোরগের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে যেখানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেখানে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদিও গত বছরের মতো ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়েনি। তবে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মতো মুরগির দামও বাড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ৪৫ দিন আগে প্রতিটি ব্রয়লার মুরগি (১ দিন বয়সী) প্রায় ৭০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ব্রয়লার মুরগির দাম সাধারণত প্রতি পিস ৩০ টাকা। এই বাড়তি দামের কারণে খামারে নতুন বাচ্চার সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন চাষিরা।

এ কারণে বাজারে এখন ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কমে গেছে। ফলে দাম বাড়ছে। গতবারের মতো এবারও শবে বরাত ও রমজানের আগে যাতে বাজারে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি না হয়, সেদিকে নজরদারি করতে হবে বলে মনে করছেন মুরগি ব্যবসায়ীরা।

বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, সব ধরনের মুরগির দাম বাড়ছে। মাংস ও ডিমের দাম বাড়লে সরবরাহ কম থাকায় মুরগির দামও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, ১ দিন বয়সী একটি বাচ্চার দাম ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৮০ টাকায় উঠলে ব্যবস্থা নিতে হয়। চাষের খরচ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে।

বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে প্রথমেই মুরগির বাচ্চা, ডিম ও মুরগির খাদ্য সরবরাহে অস্থিরতা দূর করার পরামর্শ দেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে খামারের মুরগির উৎপাদন ছিল ৩১ কোটি ৯৭ লাখ পিস।

সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ অর্থবছরে ক্রমান্বয়ে মুরগির উৎপাদন বেড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আগ পর্যন্ত দেশে ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। এরপর থেকে মুরগির বাজার ওঠানামা করছে। কখনো চাষিরা লোকসান দিচ্ছেন, আবার অনেক সময় ক্রেতাদের বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে।

গত বছর রমজানের ঠিক আগে মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় দাম নির্ধারণের জন্য সরকার বড় চারটি মুরগি উৎপাদককে ডেকেছিল। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তে বাজারে মুরগির দাম কমানো হয়।

আরও পড়ুন:
ডিম, মুরগিতে ‘১৫ দিনে ৫১৮ কোটি টাকা লোপাট’
ডিম-মুরগির বাজার চড়া যে কারণে
সোনালি মুরগির দামে সুখবর
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ মুরগির মাংস-ডিমে ‘সাফল্য’

মন্তব্য

p
উপরে