× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Walton received the Bangabandhu Sheikh Mujib Shilpa Award in the Hi Tech category
google_news print-icon

হাই-টেক ক্যাটাগরিতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার’ পেল ওয়ালটন

হাই-টেক-ক্যাটাগরিতে-বঙ্গবন্ধু-শেখ-মুজিব-শিল্প-পুরস্কার-পেল-ওয়ালটন
হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প  -২০২২’-এর প্রথম পুরস্কার পেল ওয়ালটন। ছবি: নিউজবাংলা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে এবং শিল্পখাতে উদ্যোক্তাদের অবদানের স্বীকৃতি, প্রণোদনা তৈরি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার প্রদান করা হয়।

হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প -২০২২’-এর প্রথম পুরস্কার পেলো দেশের গ্লোবাল ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। বার্ষিক টার্নওভার, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদন, স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক দায়িত্ব পালন, নিষ্কন্টক ভূমি ও ভূমির পরিকল্পিত এবং দক্ষ ব্যবহার, পরিবেশ সংরক্ষণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ওয়ালটনকে এই পুরস্কার প্রদান করে শিল্প মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়নে শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনসহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে হাই-টেক ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার- স্বর্ণখচিত ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ভাইস চেয়ারম্যান এস এম শামসুল আলম।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আবদুর রাজ্জাক, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার ও এফবিসিসিআই সভাপতি মো. মাহবুবুল আলম।

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে এবং শিল্পখাতে উদ্যোক্তাদের অবদানের স্বীকৃতি, প্রণোদনা তৈরি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এই পুরস্কার প্রদানের অন্যতম লক্ষ্য হলো বঙ্গবন্ধুর শিল্প পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশে শিল্পায়নের যে সূচনা হয়েছিল সে অবদানকে স্মরণীয় করা ও বাংলাদেশের শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে শিল্পায়নের ক্রমবিকাশকে টেকসই করা।

পাশাপাশি বেসরকারি খাতে পরিবেশবান্ধব শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান তৈরি এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত করা। এছাড়া পণ্য বহুমুখীকরণ, আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিতকরণের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন করা।

অনুষ্ঠানে শিল্পোদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদানকালে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নামে আজকে আমরা পুরস্কার পাচ্ছি। এ জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমাদের শিল্পোদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন হয়তো স্বপ্নই থেকে যেতো। শিল্পখাতে সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার প্রদান একটি মহতী উদ্যোগ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, শিল্পখাতকে রাষ্ট্রকর্তৃক পুরস্কৃতকরণের এই ধারা অব্যাহত থাকবে। এতে শিল্পোদ্যোক্তারা অনুপ্রাণিত হবেন। তাদের মধ্যে সৃজনশীলতার উন্নয়ন ঘটবে। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে সবাই সচেষ্ট হবেন। এর মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।’

তিনি জানান, হাই-টেক ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে প্রথম পুরস্কার প্রদান করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

শিল্প মন্ত্রণালয় নির্বাচিত ১২টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ৩টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে ২টি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে ৩টি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে ১টি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে ১টি এবং হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ২টি প্রতিষ্ঠান।

১ম পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকা ও ২৫ গ্রাম স্বর্ণখচিত ক্রেস্ট, ২য় পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ২ লাখ টাকা ও ২০ গ্রাম স্বর্ণখচিত ক্রেস্ট এবং ৩য় পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা ও ১৫ গ্রাম স্বর্ণখচিত ক্রেস্টসহ সকলকে সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয় এ সময়।

আরও পড়ুন:
চিকিৎসায় নোবেল ঘোষণা বিকেলে
আবারও ওয়ালটনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর মিরাজ
অলরাউন্ডার ফ্রিজ আনছে ওয়ালটন
সেই জুনায়েদের আকাশে ওড়ার স্বপ্ন পূরণ
ভারতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলল ওয়ালটন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Nuclear war if western troops enter Ukraine Putin

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন

ইউক্রেনে পশ্চিমা সেনা এলেই পারমাণবিক যুদ্ধ: পুতিন বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি সতর্কতা উচ্চারণ করেন পুতিন। ছবি: স্কাই নিউজ
গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

ইউক্রেন যুদ্ধে নাক গলানোয় পশ্চিমা দেশগুলোকে সতর্ক করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য দেশগুলো যদি সেনা পাঠায় তাহলে সত্যি সত্যিই একটি পারমাণবিক যুদ্ধের ঝুঁকি রয়েছে। পারমাণবিক অস্ত্র দিয়ে পশ্চিমা যেকোনো নিশানায় আঘাতে সক্ষম মস্কো।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তিনি এ সতর্কতা উচ্চারণ করেন।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ১৯৬২ সালে কিউবায় মিসাইল সংকটের পর থেকে এখন পর্যন্ত মস্কোর সঙ্গে পাশ্চাত্যের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে। কিউবায় পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনকে কেন্দ্র করে তখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

ভাষণে ইউক্রেন যুদ্ধকে ‘রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ সমস্যা’ বলে আখ্যায়িত করেন পুতিন। বলেন, ‘এই যুদ্ধে হস্তক্ষেপ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, সেটা পশ্চিমা নেতারা উপলব্ধি করতে পারছেন না।’

গত সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ ইউক্রেনে ন্যাটো জোটের সেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেন।

তিনি বলেন, ‘ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্য দেশের সেনাদের ইউক্রেনে পাঠানো যেতে পারে।’

তবে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেনসহ অন্যান্য ন্যাটো সদস্য দেশ সঙ্গে সঙ্গে তার সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। ওই কথা ওঠার পর পুতিন আজ এমন হুঁশিয়ারি দিলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদেরও এমন অস্ত্র রয়েছে, যেগুলো পশ্চিমা দেশগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। তাদেরকে অবশ্যই এটা উপলব্ধি করতে হবে। তারা পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি তৈরি করছে, যে যুদ্ধ মানব সভ্যতার অন্ত ঘটাতে পারে। তারা এটা বুঝতে পারছে না?’

আগামী ১৫ থেকে ১৭ মার্চ রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় নিশ্চিতভাবেই পুতিন আগামী ছয় বছরের জন্য পুনর্নির্বাচিত হতে চলেছেন। নির্বাচনের আগে পুতিন তার ভাষণে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আধুনিকীকরণ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনে সেনা পাঠাবে না ন্যাটো
ফাঁদে পড়ে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে ভারতীয়রা
রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের ৩১ হাজার সেনা নিহত: জেলেনস্কি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
US calls for al Aqsa prayers to be allowed in Ramadan

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

রমজানে আল আকসায় নামাজের অনুমতির আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

আসন্ন রমজানে মুসলমানদের আল আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডে নামাজ পড়ার অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

দখলকৃত পশ্চিমতীর থেকে আল আকসায় ফিলিস্তিনীদের নামাজ পড়তে উগ্র ডানপন্থী এক মন্ত্রীর বাধা দেয়ার প্রস্তাবের পর বুধবার যুক্তরাষ্ট্র এ আহ্বান জানিয়েছে বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার সাংবাদিকদের বলেছেন, আগের মতোই শান্তিপূর্ণ মুসল্লিদের রমজানে আল আকসা ব্যবহারের সুযোগ দিতে আমরা ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, এটি শুধু ধর্মীয় স্বাধীনতা দেয়ার বিষয় নয়, এটি তাদের প্রাপ্য এবং তাদের অধিকার আছে। তবে ব্যাপারটি সরাসরি ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পশ্চিমতীর বা বৃহত্তর অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির ব্যাপারটি ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে নয়।

ইসরায়েলে ঢুকে হামাস গত ৭ অক্টোবর আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় টানা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দেশটি।

এ অবস্থায় গাজায় জিম্মি ব্যক্তিদের মুক্তি ও ইরসায়েলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের মুক্তির বিনিময়ে ও গাজায় মানবিক সহায়তায় পাঠানোর শর্তে গত ২৪ নভেম্বর প্রথম দফার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়।

এরপর এই যুদ্ধবিরতি চলে সাত দিন। এই সাত দিনে হামাস ১১০ জনকে এবং ইসরায়েল মুক্তি দিয়েছে ২৪০ জনকে। তবে আন্তর্জাতিক নানা মহলের চেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়েনি। এখন পর্যন্ত গাজায় সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা ৩০ হাজারের মতো।

আরও পড়ুন:
গাজায় বিমান থেকে ত্রাণসামগ্রী ফেলার চিন্তা কানাডার
উত্তর গাজায় দুর্ভিক্ষ আসন্ন: জাতিসংঘ
গাজায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতির আশা বাইডেনের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
7 beheadings in one day in Saudi

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ

সৌদিতে এক দিনে ৭ শিরশ্ছেদ
সৌদি আরবে ২০২২ সালের পর এটাই একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগে একদিনে ৮১ জনের শিরশ্ছেদ করা হয়েছিল, যা সে সময় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তোলে।

সৌদি আরবে একদিনে সাতজনের শিরশ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ভয়েস অফ আমেরিকার খবরের বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সাতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

২০২২ সালের পর এটাই একদিনে দেশটিতে সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ৮১ জনের শিরশ্ছেদ, যা বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় তুলেছিল।

উপসাগরীয় দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সরকারি সৌদি প্রেস এজেন্সি বলেছে, ‘সন্ত্রাসী সংগঠন তৈরি ও এতে অর্থায়ন করার দায়ে ওই সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়নি।’

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের জাতীয়তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রকাশিত নাম-পদবি থেকে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই সৌদি আরবেরই নাগরিক।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় সৌদি আরবে। গত বছর ১৭০ জনের শিরশ্ছেদসহ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। চলতি বছরে দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এ পর্যন্ত সংখ্যাটি দাঁড়িয়েছে ২৯ জন।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ২০২২ সালে অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব, চীন ও ইরান।

গত বছর সৌদিতে যাদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছিল তাদের মধ্যে সন্ত্রাস-সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ৩৩ জন এবং রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে দোষী সাব্যস্ত দুই সেনা সদস্য অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
হত্যার শিকার ২ বাংলাদেশির পরিবারকে ৩০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ সৌদির

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
South Koreas birthrate is at an all time low fueling rising costs

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে, নেপথ্যে খরচ বৃদ্ধি প্রতীকী ছবি
দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সর্বকালের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।

দেশটির সরকার বুধবার এ কথা বলেছে। এ জন্য অবশ্য বিশেষজ্ঞরা সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচসহ নানা বিষয় সামনে এনেছেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, জন্মহার বাড়ানোর নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও দেশটিতে জন্ম হার রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে। বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ আয়ুর দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় জন্মহার সবচেয়ে কম। এই দুয়ের সংমিশ্রণে দক্ষিণ কোরিয়ায় জনসংখ্যাগত এই চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি পরিসংখ্যানের প্রাথমিক তথ্যে বলা হয়েছে, দেশটির প্রজনন হার ২০২৩ সালে ০.৭২ শতাংশে নেমে এসেছে। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় আট শতাংশ কম। যদিও বর্তমানের পাঁচ কোটি ১০ লাখ জনসংখ্যা বজায় রাখতে ২.১ শতাংশ শিশু জন্মের প্রয়োজন।

বর্তমানের এই প্রজনন হার অব্যাহত থাকলে দক্ষিণ কোরিয়ায় ২১০০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা দাঁড়াবে দুই কোটি ৬৮ লাখে। দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৩ সালে দুই লাখ ৩০ হাজার নতুন শিশু জন্ম নিয়েছে। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ১৯ হাজার ২০০ কম।

দক্ষিণ কোরীয় সরকার শিশু জন্মদানে উৎসাহিত করতে হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার খরচ করছে। তবুও ২০২৩ সালে জন্ম নেয়া শিশুর হার ১৯৭০ সালের পর সবচেয়ে কম।

এই প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তান না নেয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সন্তান লালন পালনের উচ্চ খরচ, সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধিসহ ব্যাপক প্রতিযোগিতামূলক একটি সমাজে একটি ভালো বেতনের চাকরির অনিশ্চিয়তা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Economic growth and development of Bangladesh is an inspiration to many countries World Bank MD

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি ফাইল ছবি
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বব্যাংকের দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড।

বাংলাদেশে তার প্রথম সফরে রোববার তিনি বলেন, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে জরুরি ভিত্তিতে গভীর সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক খাতের সংস্কার প্রয়োজন।

‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের গল্প অনেক দেশের জন্য অনুপ্রেরণামূলক।’

সফর শেষে এক বিবৃতিতে বিজার্ড বলেন, ‘মুদ্রা ও রাজস্ব নীতিতে দ্রুত ও সাহসী সংস্কার বাংলাদেশকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, আর্থিক খাতের ঝুঁকি হ্রাস করতে এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সক্ষম করবে।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেশের উন্নয়নের প্রশংসা করেন তিনি। খবর ইউএনবির

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন অনেক দেশের অনুপ্রেরণা: বিশ্বব্যাংক এমডি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রোববার সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অপারেশনস) আন্না বিজার্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। ছবি: ফোকাস বাংলা

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান এবং তাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন মেটাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতিও দেন।

তিনি জানান, এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে দুটি নতুন প্রকল্পে ৬৫ কোটি ডলারের বেশি অর্থায়ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করছে বিশ্বব্যাংক ও সরকার।

তিনি বলেন, ‘অর্থায়নের প্রায় অর্ধেক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য ব্যয় করা হবে এবং অনুদানের শর্তেই তা ব্যয় করা হবে।’

বিজার্ড বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব নিয়ে আমি গর্বিত। দেশটি লাখ লাখ মানুষকে দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে সহায়তা করেছে। আমরা বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাত গড়ে তুলতে, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং জলবায়ুর অভিঘাত ও ভবিষ্যতের সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা অব্যাহত রাখব এবং একই সঙ্গে কেউ যেন পেছনে পড়ে না থাকে তা নিশ্চিত করব।’

সফরকালে তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার নিয়ে আলোচনার জন্য অর্থমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বেসরকারি খাত ও সুশীল সমাজের নেতাদের এবং নারী উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (আইডিএ) অর্থায়নে অনুদান, সুদমুক্ত ঋণ ও রেয়াতি ঋণ আকারে প্রায় ৪১ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বের বৃহত্তম চলমান আইডিএ কর্মসূচি এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Anna Buzzard MD of the World Bank in Dhaka

ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড

ঢাকায় বিশ্বব্যাংকের এমডি আন্না বেজার্ড বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আন্না বেজার্ড। ছবি: সংগৃহীত
একদিনের সফরে বেজার্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) (অপারেশনস) আন্না বেজার্ড শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় এসেছেন। এটি তার প্রথম বাংলাদেশ সফর।

বিশ্বব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, একদিনের সফরে বেজার্ড প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুশীল সমাজ ও বেসরকারি খাতের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এ সফরকালে আন্নার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মার্টিন রাইসার।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের প্রথম উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে ছিল। এরপর আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থাটি বাংলাদেশকে ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, যার অধিকাংশই অনুদান।

বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) সমর্থিত বৃহত্তম চলমান কর্মসূচি রয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New US sanctions against Russia

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ছবি: সিএনএন
ইউক্রেনে যুদ্ধ ও রুশ কারাগারে বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়াকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আরও বেশ কিছু দেশ এ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।

ইউক্রেনে রুশ হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকীর প্রাক্কালে শুক্রবার রাশিয়া সংশ্লিষ্ট পাঁচ শতাধিক পাঁচ শতাধিক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া, যা শেষ হয়নি দুই বছরেও।

ইউক্রেনে যুদ্ধ ও রুশ কারাগারে বিরোধীদলীয় নেতা অ্যালেক্সেই নাভালনির মৃত্যুর ঘটনায় রাশিয়াকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, আরও বেশ কিছু দেশ এ নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে।

রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নও। জবাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর রাশিয়ায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে মস্কো।

নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেছেন, এসব নিষেধাজ্ঞা বিদেশে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং দেশটির অভ্যন্তরে বসবাসকারী জনগণের ওপর নিপীড়ন চালানোয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কঠোর মূল্য প্রদান নিশ্চিত করবে।

বাইডেন বলেন, ‘দুই বছর আগে তিনি (পুতিন) ইউক্রেনকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে চেয়েছিলেন। পুতিনকে যদি নাভালনির মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের জন্য মূল্য দিতে না হয়, তাহলে তিনি তা চালিয়েই যাবেন।’

রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় নাভালনির মৃত্যুর এক সপ্তাহের মাথায় রাশিয়ার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র। নাভালনির মৃত্যুর জন্য রুশ প্রেসিডেন্টের দায় থাকার বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

আরও পড়ুন:
সুপারসনিক বোমারু বিমানে পুতিন
রাশিয়া সংশ্লিষ্ট ৫ শতাধিক লক্ষ্যবস্তুকে নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাষ্ট্র
নাভালনির মরদেহ পেতে পুতিনের হস্তক্ষেপ দাবি মায়ের
নাভালনির মরদেহ কোথায়, বলছে না রাশিয়া

মন্তব্য

p
উপরে