× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The price of one egg can be 12 rupees imported
google_news print-icon

এক ডিমের দাম ১২ টাকা নির্ধারণ, হতে পারে আমদানি

এক-ডিমের-দাম-১২-টাকা-নির্ধারণ-হতে-পারে-আমদানি
বিক্রির জন্য দোকানে সাজিয়ে রাখা ডিম। ফাইল ছবি
সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের দাম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তিন কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

আলু, ডিম ও দেশি পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

নির্ধারিত দামে বিক্রি না করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় কৃষিপণ্যের দাম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী তিন কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সে অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আলু কেজিতে ভোক্তা পর্যায়ে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা ও কোল্ড স্টোরেজ থেকে ২৬ থেকে ২৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে প্রতি পিস ডিমের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১২ টাকা নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়।

এরপরও দাম নিয়ন্ত্রণে না এলে নীতিগতভাবে ডিম আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এরই মধ্যে চারটি প্রতিষ্ঠান আমদানির আবেদন করেছে।

এ ছাড়া বোতল ও প্যাকেটজাত সয়াবিন তেল ১৬৯ টাকা, খোলা তেল ১৪৯ টাকা, পামতেল ১২৪ টাকা, খোলা চিনি ১২০ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার ও স্থানীয় পর্যায়ে ডিসি ও ইউএনও বাজার মনিটরিং করবেন। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নিলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, ভারতে ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। গড়ে ৫ হাজার টন ইলিশ পাঠানো হতে পারে।

আরও পড়ুন:
'স্বপ্ন'-তে ডিমের ডজন ১৫৫ টাকা
দাম নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনে ডিম আমদানি: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাজারে সিন্ডিকেট বলে কিছু নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী
সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা সম্ভব, তবে জটিলতাও আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
চিনির বাজার মনিটরিংয়ে ভোক্তা অধিকারকে নির্দেশ বাণিজ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The excuse of rain in the vegetable market is the added suffering of the buyer

সবজির বাজারে বৃষ্টির অজুহাত, ক্রেতার বাড়তি ভোগান্তি

সবজির বাজারে বৃষ্টির অজুহাত, ক্রেতার বাড়তি ভোগান্তি ফাইল ছবি।
রাজধানীতে শুক্রবার ভোর থেকেই ছিল ভারী বর্ষণ। জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। আর কাঁচাবাজারে সবজির দাম যেন এদিন সেই ভোগান্তি আরেকটু বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির দোহাই দিয়ে সব সবজির দামই বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা।

রাজধানীতে শুক্রবার ভোর থেকেই ছিল ভারী বর্ষণ। জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন নগরবাসী। আর কাঁচাবাজারে সবজির দাম যেন এদিন সেই ভোগান্তি আরেকটু বাড়িয়ে দিয়েছে। বৃষ্টির অজুহাতে এদিন সবজির দাম আগের দিনের তুলনায় ছিল বেশি।

রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজিই বিক্রি হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি দামে। টমেটো ২০০ টাকা কেজি এবং পেঁয়াজের দাম ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে।

এ ছাড়া প্রতিকেজি গাজর বিক্রি হচ্ছে ১৫০- ১৭০ টাকায়, শসা ৮০-১২০ টাকায়, কাঁচা মরিচ ২৬০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে হঠাৎ করে বেগুনের দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে। লম্বা বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কিছুদিন আগেও ছিল ৮০-১০০ টাকায়। আর সবুজ গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০- ১০০ টাকায়। কালো গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

রাজধানীর মেরাদিয়া হাট বাজার, গোড়ান বাজার, খিলগাঁও রেলগেট কাঁচাবাজারসহ বেশকিছু বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, কাঁকরোল ৮০-৯০ টাকায়, পেঁপে ৫০-৬০ টাকায়, ঢেঁড়স ৭০- ৮০ টাকায়, পটল ৫০-৬০ টাকায়, চিচিঙ্গা ৬০-৮০ টাকা, ধুন্দুল ৬০ টাকা, ঝিঙা ৬০-৮০ টাকা, বরবটি ১০০- ১২০ টাকায়, কচুর লতি ৮০- ১০০ টাকায়, কচুরমুখী ১০০- ১২০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকায়। প্রতিটি লাউ ৭০- ৮০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, ফুলকপি ৮০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা, হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা করে।

সবজির বাজারে দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা দাবি করছেন, বন্যায় ও বৃষ্টির কারণে সবজির উৎপাদন কমে গেছে। অন্যদিকে উচ্চমূল্যের বাজারে নাকাল অবস্থা সাধারণ মানুষের। প্রতিনিয়তই বাজারে এসে হিমশিম খেতে হয় সাধারণ মানুষের।

প্রায় দেড় মাস ধরে কোরবানির ঈদের আগে থেকেই বাজারে পেঁয়াজের দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকায়।

দক্ষিণ বনশ্রীর এলাকার এক মুদি দোকানি জানান, গত সপ্তাহ দেশি পেঁয়াজ ৯৫ থেকে ৯৮ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হয়েছে। তবে এ সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের দাম ১২০ টাকা হয়েছে। এই দাম শুনলে ক্রেতারা তেমন একটা কিনতে চায় না। আর ভারতীয় পেঁয়াজের দাম কম হলেও বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি বাজারে দেশি পেঁয়াজের সঙ্গে নিম্নমানের ভারতীয় পেঁয়াজ মিশিয়ে বিক্রি করছেন অনেকে। ফলে দেশি পেঁয়াজের দামে বিক্রি হচ্ছে কম দামি ভারতীয় পেঁয়াজ। যদি ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে পাওয়া যেত তাহলে দাম হতো সর্বোচ্চ ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে
আলু পেঁয়াজ ডিমের দাম কঠোরভাবে তদারকি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাজারে আগুন, ডিম-সবজি-মাছের দাম বাড়ছেই
ঘোষণার ৫ দিনেও কমেনি সয়াবিন তেলের দাম
ময়মনসিংহে এক মাসে কেজিতে ৮০ টাকা বাড়ল ব্রয়লারের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The governments inflation calculation does not match the market

বাজারের সঙ্গে মিলছে না সরকারের মূল্যস্ফীতির হিসাব

বাজারের সঙ্গে মিলছে না সরকারের মূল্যস্ফীতির হিসাব
অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির যে হিসাব সরকার দিচ্ছে তার চেয়ে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। এদেশের বাজার ব্যবস্থার ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই বলেই যে কোনোভাবে একটি দুষ্ট গোষ্ঠী নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে।’

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামে দিশেহারা মানুষ। বিশেষ করে মধ্যম কিংবা নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে নিত্যপণ্যের দাম এখন আতঙ্কের নামান্তর।

বন্যা-বৃষ্টির অযুহাতে সবজির দাম অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। একশ’ টাকা কেজির নিচে ভালো মানের সবজি পাওয়া দায়। অন্যদিকে ও একধাপ বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আলু, রসুন, আদা, চাল, ডাল, মাংসের দামও।

নিত্যপণ্যের অসহনীয় দামে মানুষ যখন অসহায় হয়ে পড়েছে তখন সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রতিবেদন বলছে- শেষ হওয়া জুন মাসে কমেছে মূল্যস্ফীতি।

রোববার বিবিএসেরর হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, জুন শেষে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭২ শতাংশ। এর আগের মাসে তা ছিলো ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ, ২০২৩ সালের জুন মাসে যে পণ্য বা সেবা কিনতে সাধারণ মানুষের খরচ পড়ত ১০০ টাকা, চলতি বছরের জুনে তা কিনতে পড়বে ১০৯ টাকা ৭২ পয়সা। যদিও সাধারণ মানুষের কাছে খরচ বাড়ার এ হিসাবের কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই।

বিবিএসের হিসাবে সার্বিক মূল্যস্ফীতির সঙ্গে পাল্লা খানিকটা কমেছেও খাদ্য মূল্যস্ফীতিও। জুন শেষে শুধু খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ছিলো ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ। এ নিয়ে টানা তিন মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের উপরে রয়েছে। মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিলো ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। তার আগের মাস এপ্রিলে সূচকটি ছিলো ১০ দশমিক ২২ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী মূল্যস্ফীতি কমিয়ে ৬ দশমিক ৫ শতাংশের ঘরে নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। নতুন বছর শুরু হয়েছে জুলাই মাসের ১ তারিখে। চলতি মাস শেষেও যদি মূল্যস্ফীতি কমে না আসে তাহলে বছর শেষে অর্থমন্ত্রীর দেয়া লক্ষ্যমাত্রা পূরণ কঠিন হয়ে পড়বে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেলে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়ে সবচেয়ে বেশি। অল্প আয় দিয়ে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। বর্তমানে বাজারে গেলেই শোনা যায় গরিব মানুষের হাহাকার। এজন্য বিশ্লেষকরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের ওপর। প্রায় দুই বছর ধরে বেড়েই চলেছে মূল্যস্ফীতি। করোনা মহামারি ও রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে শুরু হয় এই মূল্যস্ফীতি। প্রথম দিকে বিশ্বের প্রায় সব দেশে বাড়তে থাকলেও বেশিরভাগ দেশ নানা কৌশল নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে। তবে বাংলাদেশ এখনও খাদ্যপণ্যের দাম কমিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সফল হতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মূল্যস্ফীতির যে হিসাব সরকার দিচ্ছে তার চেয়ে প্রকৃত মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। এদেশের বাজার ব্যবস্থার ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই বলেই যে কোনোভাবে একটি দুষ্ট গোষ্ঠী নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে।’

‘এই দুষ্ট গোষ্ঠীকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে বাংলাদেশের নিত্যপণ্যের বাজার সহনীয় হবে না, মূল্যস্ফীতিও কমবে না’ যোগ করেন আহসান মনসুর।

এদিকে জুন মাসে খাদ্যবর্হিভূত মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৯ দশমিক ১৫ শতাংশ হয়েছে। বিবিএসের হিসাবে এর আগের মাসে তা ছিলো ৯ দশমিক ১৯ শতাংশ।

বাজারে নিত্যপণ্যের দাম যেমন

বাজারে নিত্যপণ্যের দামে কোনোভাবেই লাগাম পড়ছে না। গেল কয়েকদিন ধরে বেড়েই চলেছে সবজি, পেঁয়াজ, রসুন, চাল, মাছ কিংবা মাংসের দাম।

মিরপুর-৬ নম্বর বাজারে যেন হাত দেয়া যায় না কোনো সবজিতে। টাটকার অযুহাতে এখানে লম্বা বেগুন চাওয়া হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ১২০ টাকা।

এছাড়া টমেটো ২০০, করলা ১২০, বরবটি ১৪০, কাকরোল ১০০-১২০, কাঁচা পেপে ৬০, ঢেঁড়শ ৮০, কচুরমুখী ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। শুধু পটল পাওয়া যাচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ বেশিরভাগ সবজির কেজি এখন ১০০ টাকা ছাড়িয়ে। কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমলেও এখনও ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শুধু মিরপুরের এই বাজারট নয়, রাজধানীর সব বাজারেই নিত্যপণ্যের দামে প্রায় একই চিত্র।

গোল আলুকে এক সময় গরিবের সবজি হিসেবে উল্লেখ করা হতো। সেই আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। পাশাপাশি বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। আমদানি করা পেঁয়াজও এখন বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি। দেশি হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজের কেজি ১১০ টাকা আর দেশি পেঁয়াজ কিনতে গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা।

মাংসের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। গরুর মাংসের দাম ঈদের পরও আর কমেনি। বেড়ে যাওয়া দামেই বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার, কক কিংবা দেশি মুরগি।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরে গরুর মাংস ৭৩০, পেঁয়াজের সেঞ্চুরি
পেঁয়াজ: রোববার কোন জেলায় কত ছিল দাম
ডিসেম্বরেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামবে, আশা অর্থসচিবের
নভেম্বরে কিছুটা কমেছে মূল্যস্ফীতি : বিবিএস
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The bleeding is showing no signs of stopping
বাজার দর

রক্তক্ষরণ হচ্ছে ক্রেতার, বন্ধ হওয়ার আলামত নেই

রক্তক্ষরণ হচ্ছে ক্রেতার, বন্ধ হওয়ার আলামত নেই ছবি: নিউজবাংলা
‘কিছু ব্যবসায়ীর কাছে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। তারা যা খুশি তাই করে যাচ্ছে, দেখার কেউ নাই। এটাই যেন সত্যিকারের মগের মুল্লুক।’

বেসরকারি চাকরিজীবী আনিস রহমান এসেছেন নিত্যপণ্যের বাজারে। শনিবার ছুটির দিনে প্রায় এক ঘন্টা সময় ধরে বাজারের এপাশ থেকে ওপাশে হাঁটাহাটি করছেন। কিন্তু বাজারের ব্যাগ তখনও শূন্য।

মিরপুর-৬ নম্বর বাজারে কথা হলো তার সঙ্গে। জানালেন তার সবচেয়ে অপছন্দের কাজ এখন বাজারে আসা। হাসতে হাসতে বললেন, ‘বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আমাদের খেতে হয়, এটাই বড় সমস্যা! একটা সময় আমার বাজারে আসতে, কিছু কেনাকাটা করতে খুব ভালো লাগতো। আর এখন ভয় নিয়ে বাজারে আসি।’

তবে মুখে হাসি থাকলেও আনিসের পুরো মুখাবয়বে ছিলো স্পষ্টত চাপা ক্ষোভ আর রাজ্যের হতাশা।

‘বাজারে কিচ্ছু কেনা যায় না রে ভাই; মাছ, মাংস, সবজি, মুদি সদাই সব জায়গায় মনে হয় যেন আগুন লাগছে’- বলছিলেন তিনি।

নিত্যপণ্যের বাজারে আসা সব ক্রেতার মুখেই এখন ক্ষোভ আর হতাশা। আনিসের মতো মধ্যম আয়ের মানুষের যখন এমন মানসিক অবস্থা তখন নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্টটা আলাদা করে বলার দরকার পড়ে না। কারণ তাদেরকেও তো একই বাজার থেকে একই দামে পণ্য কিনতে হয়।

কথা হলো মর্জিনা বেগমের সঙ্গে, যিনি ৩০০ টাকা নিয়ে বাজার করতে এসেছেন। বাড়ি বাড়ি ঘুরে বুয়া হিসেবে কাজ করে মাসে চার হাজার টাকা আয় করেন বলে জানালেন তিনি। স্বামী রিকশা চালান। তবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে পায়ে ব্যথা নিয়ে ঘরে বসে আছেন। এখন ধার করে রুম ভাড়ার পাঁচ হাজার টাকা দিতে হচ্ছে।

নিজের আয় দিয়ে শুধু চাল, ডাল আর মাঝে মধ্যে ডিম কিনে খেয়ে বেঁচে আছেন। শেষ কবে মাছ কিনেছেন- এমন প্রশ্নে চোখের কোণে জল দেখা গেলো মর্জিনার। বললেন- ‘বাবারে, যে বাসায় কাম করি হেরা মাঝেমধ্যে মাছ-ভাত খাইতে দ্যায়। সত্যি কথা কইতে কি, মাছ আমরা আর কিনা খাইতে পারি না।’

হিসাব তুলে ধরে মর্জিনা বলেন, ‘তিনশ টাকা লইয়া আইছি। ভাবছিলাম এক ডজন ডিম আর তেল কিনুম। এহন দেহি ডিমের ডজন অনেক বেশি। হের লাইগা দুই আলি ডিম আর তেল কিনতাছি।’

পাল্টা প্রশ্ন করে বললেন, ‘আফনেরা তো সাম্বাদিক; দাম কবে কমবো কন দেহি?’

বাকরুদ্ধ হয়ে হাতের ইশায়ায় বিদায় নিয়ে আসার সময় কানে এলো- ‘যারা আমগোরে এমন কষ্টে রাইখা ব্যবসা কইরা লাখ লাখ টাকা কামাইতাছে আল্লাহ যেনো ওগোর বিচার দুনিয়াতেই করে।’

মর্জিনা বেগমদের মনের এই রক্তক্ষরণ আর আর্তনাদ পৌঁছায় না বড় ব্যবসায়ীদের কানে। বিশ্ববাজারে যেখানে বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম কমে এসেছে সেখানে উল্টো চিত্র বাংলাদেশে। এখনও বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের আমদানি করা নিত্যপণ্য। জানতে চাইলেই বিক্রেতারা দিচ্ছেন সেই পুরনো অযুহাত- ডলারের দাম বেশি অথবা সরকারি ট্যাক্স বেশি।

তবে সম্প্রতি সবজির দাম ছাড়িয়ে গেছে অন্য যেকোনো বছরকে। মিরপুর-৬ নম্বর বাজারে লম্বা বেগুন চাওয়া হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ১২০ টাকা। এছাড়া টমেটো ২০০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, বরবটি ১৪০ টাকা, কাকরোল ১০০-১২০ টাকা, কাঁচা পেপে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৮০ টাকা, কচুর মুখী ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

শুধু পটল পাওয়া যাচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ বেশিরভাগ সবজির কেজি এখন ১০০ টাকা ছাড়িয়ে। কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমলেও এখনও ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এখানে সবজির দাম এতো বেশি কেন জানতে চাইলে এক বিক্রেতা বললেন, ‘এখন বর্ষাকাল। সবজির দাম বেশি হবে।’

এদিকে বাজারে এখনও কমেনি আলুর দাম। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। পাশাপাশি বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। আমদানি করা পেঁয়াজও এখন ৯০ টাকা কেজি। দেশি হাইব্রিড জাতের পেঁয়াজের দাম ১১০ টাকা আর দেশি পেঁয়াজ কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে ১২০ টাকা।

মাংসের বাজারেও প্রায় একই চিত্র। কমেনি গরুর মাংসের দাম। বেড়ে যাওয়া দামেই এখন‌ো বিক্রি হচ্ছে ব্রয়লার, কক কিংবা দেশি মুরগি। ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি। সোনালী ৩২০ টাকা কেজি ও দেশি জাতের মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা কেজি দরে।

মুরগি কিনতে আসা এক ক্রেতা বললেন, ‘কিছু ব্যবসায়ীর কাছে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। তারা যা খুশি তাই করে যাচ্ছে, দেখার কেউ নাই। এটাই যেন সত্যিকারের মগের মুল্লুক।’

আরও পড়ুন:
নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০
মেহেরপুরে গরুর মাংস ৭৩০, পেঁয়াজের সেঞ্চুরি
পেঁয়াজ: রোববার কোন জেলায় কত ছিল দাম
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে
আলু পেঁয়াজ ডিমের দাম কঠোরভাবে তদারকি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Infinix Inbook X2 can be the daily companion of professionals

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২

পেশাদারদের নিত্যসঙ্গী হতে পারে ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২ হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ। ছবি: ইনফিনিক্স
ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

ব্যস্ত এ সময়ে সহজে বহনযোগ্য প্রযুক্তি পণ্য প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। আর কর্মজীবীদের জন্য যেকোনো জায়গায় বসে কাজ করতে পারাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি মাথায় রেখে ইনফিনিক্স নিয়ে এসেছে ইনবুক এক্স২ ল্যাপটপ, যা সহজেই বহন করা যায়।

ইনফিনিক্সের ভাষ্য, সাশ্রয়ী মূল্যের এ ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে কাজ করা যায়।

হালকা ওজনের ইনবুক এক্স২ ১৪.৮ মিলিমিটার পুরু এবং এর ওজন ১.২৪ কেজি। এটি সহজেই ব্যাগে এঁটে যায়। ফলে বহন করা খুবই সহজ।

ল্যাপটপটির ৫০ ওয়াট-আওয়ারের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির ফলে ব্যবহারকারীরা নিশ্চিন্তে দিনভর কাজ করে যেতে পারেন। ফলে চার্জ দেয়া নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হয় না। এ ছাড়া এর ৪৫ ওয়াটের টাইপ-সি চার্জারটি ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে। এতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ব্যাটারি চার্জ করে নেয়া যায়।

আকারে খুব বেশি বড় না হলেও ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২তে আছে ১১তম প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই৫ প্রসেসর। ফলে যেকোনো জায়গায় বসেই অফিসের কাজ অনায়েসেই সেরে নেয়া যাবে।

ইনফিনিক্সের নিজস্ব কুলিং সিস্টেম ‘আইস স্টর্ম ১.০’-এর সাহায্যে প্রসেসর দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। ফলে ডিভাইসটি কোনো ঝামেলা ছাড়াই কার্যকরভাবে চলতে পারে।

দুর্দান্ত ভিজ্যুয়ালের জন্য ল্যাপটপটিতে যুক্ত করা হয়েছে ১০০ শতাংশ এসআরজিবি প্রফেশনাল ডিসপ্লে। এর ১৯২০ x ১০৮০ পিক্সেলের রেজুল্যুশনের ১৪ ইঞ্চি এফএইচডি আইপিএস স্ক্রিনের সাহায্যে চলতি পথেই ভিডিও কনফারেন্সিং, প্রেজেন্টেশন ও কন্টেন্ট ক্রিয়েশনের মতো কাজ করা যায়।

এ ছাড়া লাইভ মিটিং বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের সময় চেহারাকে স্পষ্ট করে তুলতে ইনবুক এক্স২-এর এইচডি ক্যামেরার সঙ্গে আছে ডুয়েল এলইডি ফিল লাইট। ল্যাপটপটির দুই স্তরের স্টিরিও ডিজাইনের সাহায্যে ঘরের ভেতরে ও বাইরে সুন্দরভাবে মিডিয়া উপভোগ করা যায়।

কানেকটিভিটির প্রয়োজন মেটাতে ল্যাপটপটিতে বিভিন্ন ধরনের পোর্ট সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে আছে দুটি টাইপ-সি পোর্ট, দুটি ইউএসবি পোর্ট, এইচডিএমআই, একটি কার্ড স্লট এবং একটি হেডফোন জ্যাক। ফলে কর্মজীবীরা সহজেই ল্যাপটপটিকে বিভিন্ন ডিভাইস ও পেরিফেরালের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন প্রয়োজনমতো।

বহনযোগ্য ল্যাপটপ ইনফিনিক্স ইনবুক এক্স২-এর বাজারমূল্য ৬১ হাজার ৯৯০ টাকা, তবে ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ইনফিনিক্সের এ ল্যাপটপের দাম আরও কমতে পারে, যা সহজে বহনযোগ্য এই ল্যাপটপটিকে আরও সাশ্রয়ী করে তুলবে।

আরও পড়ুন:
সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
There is no mango calendar in Chapainawabganj this time either

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবারও থাকছে না ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবারও থাকছে না ‘ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার’ পরিপক্ব হলেই পাড়া হবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খান বলেন, ‘সবার মতামতের ভিত্তিতেই বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনো ম্যাংগো ক্যালেন্ডার থাকছে না, তবে আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করব, যাতে পরিপক্ব ও নিরাপদ আমই যেন বাজারে ওঠে।’

গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকছে না ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার। অর্থাৎ আম পাড়ার ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত কোনো সময়সূচি অনুসরণ করতে হবে না আমচাষি ও ব্যবসায়ীদের। গাছে আম পরিপক্ব হলেই তা পেড়ে বাজারজাত করবেন ব্যবসায়ীরা।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার মতবিনিময় সভায় আম ব্যবসায়ী, কৃষি বিভাগ ও ফল গবেষকদের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানান জেলা প্রশাসক একেএম গালিভ খান।

এ সময় তিনি বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন থেকে সততার সাথে ভোক্তার কাছে নিরাপদ আম পৌঁছে দেন, তারা পরিপক্ব হলেই গাছ থেকে আম পেড়ে বাজারজাত করেন। সবার মতামতের ভিত্তিতেই বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও কোনো ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার থাকছে না, তবে আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করব, যাতে পরিপক্ব ও নিরাপদ আমই যেন বাজারে ওঠে।’

সভায় আগামী ১০ জুন থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ম্যাঙ্গো স্পেশাল ট্রেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সঙ্গে এবার আমের গুণগত মান ঠিক রাখলে এসি বগি না হলেও, ট্রেনের বগিগুলোতে পানি স্প্রের মাধ্যমে কুলিং সিস্টেম চালু থাকবে বলেও জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
কোরবানির ঈদে গরু আমদানির পরিকল্পনা নেই সরকারের
দাবদাহ বাড়াচ্ছে পানির সংকট, আম-লিচু চাষিদের মাথায় হাত
দাবদাহে ঝরছে আমের গুটি
কাতারের আমিরের ঢাকা ত্যাগ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কাতারের আমির

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The prices of eggs chicken and fish have increased and the vegetable market is still high

ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে, এখনও চড়া সবজির বাজার

ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে, এখনও চড়া সবজির বাজার ফাইল ছবি
শুক্রবার কারওয়ান বাজার, মহাখালী, মালিবাগ ও হাতিরপুলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারে ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে। শাক-সবজি ও অন্যান্য পণ্যের দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে।

শুক্রবার কারওয়ান বাজার, মহাখালী, মালিবাগ ও হাতিরপুলসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, আগের সপ্তাহের তুলনায় ডিম, মুরগি ও মাছের দাম বেড়েছে। খবর ইউএনবির

তীব্র তাপপ্রবাহের সময় সারা দেশে ডিম ও মুরগির দাম বেড়ে যায়।

প্রতি ডজন (১২ পিস) ফার্ম ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গৃহপালিত মুরগির ডিম প্রতি হালি (৪ পিস) ৭৫ থেকে ৮০ টাকা এবং হাঁসের ডিম প্রতি হালি ৭০ থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে গত দুই সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও পাকিস্তানি সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আকার ও মান ভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। এ ছাড়া সোনালি মুরগির দামও বেড়েছে এবং আকার ও মান ভেদে কেজিপ্রতি ৩৪৫ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একইভাবে প্রতি কেজি কক মুরগি ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৬৭০ থেকে ৭৬৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির খাবার ও ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ায় মুরগির দাম বেড়ে গিয়েছে।

মান ভেদে শুক্রবার প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের চেয়ে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৩০ টাকা। আর মান ভেদে খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১১৮০ টাকায়, যা বেড়েছে কেজিতে ৫০ টাকা।

শুক্রবার কারওয়ান বাজার মাছের বাজারে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায়।

অন্যান্য মাছের মধ্যে পুঁটি ও ছোট মাছ প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকা, চাষের কই প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ৩০০ টাকা, ফলি চান্দা (রূঁপচাদা) ১২০০ টাকা, বোয়াল মাছ ৬০০ থেকে ১২০০ টাকা, কোরাল মাছ ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নদীর পাঙ্গাস ৭০০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি, মাঝারি আকারের কার্প (কাতল) ২৫০-৩০০ টাকা কেজি, বড় সাইজের কাতল ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, মাগুর মাছ (শিং) ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে চাষ করা হয়েছে। শিং ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা কেজি এবং চিংড়ি ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় এবার সবজির দাম চড়া কিন্তু স্থিতিশীল রয়েছে। অন্যদিকে দাম বাড়ার জন্য মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার প্রতি কেজি বেগুন, ঢেঁড়স, সজনে, বরবটি, করলাসহ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় অপরিবর্তিত ছিল। অন্যদিকে মৌসুম শেষ হওয়ায় বেড়েছে টমেটোর দাম। ভালো মানের টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

বেগুনসহ অন্যান্য সবজি প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ, চালকুমড়া ও ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মান ভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, আদা ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তরমুজের এই মৌসুমে ফলটির দাম কিছুটা বেড়েছে। আকারভেদে এ ফল ১২০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং আনারস ৩০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পেয়ারা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে (পাকা) ১০০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে আপেল, মাল্টা, কমলা ও নাশপাতি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ৩৪০ টাকায়।

এ ছাড়া চাল, গম, আটা, দুধ, সয়াবিন, সুগন্ধি চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
India has lifted the ban on onion export

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত
ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) প্রতি টন পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য নির্ধারণ করে ৫৫০ ডলার। তারপরও আমদানির পেঁয়াজ আসার পর দেশের বাজারে দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে ভারত। শনিবার দেশটির ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (ডিজিএফটি) থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়।

প্রতিবেশী দেশটিতে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় মহারাষ্ট্র রাজ্যে। চলমান লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মঙ্গলবার। তার দুদিন আগে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর কেন্দ্রীয় সরকারের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিল সরকার।

ভারতের গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া খবর অনুসারে, পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা এখন প্রত্যাহার করা হয়েছে। ডিজিএফটি প্রতি টন পেঁয়াজের ন্যূনতম রপ্তানি মূল্য (এমইপি) নির্ধারণ করেছে ৫৫০ ডলার।

গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত সরকার চলতি ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখে।

রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার প্রায় ৫ মাস পর ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশসহ আরও পাঁচটি দেশকে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ পর্যন্ত ছাড় দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত।

এরপর গত মাসে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, মহারাষ্ট্রের পেঁয়াজ চাষি ও ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরেই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তবে রপ্তানির অনুমতি দিলে অভ্যন্তরীণ বাজারে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিতে পারে উল্লেখ করে সরকার এতোদিন ওই দাবিতে সায় দেয়নি।

এদিকে চলমান লোকসভা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে মহারাষ্ট্রের ১১টি আসনে ভোট হবে ৭ মে মঙ্গলবার। এর ঠিক দুদিন আগে পেঁয়াজ রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হল।

নির্বাচনের পরবর্তী ধাপে ক্ষমতাসীন বিজেপি মহারাষ্ট্রে বাড়তি সুবিধা পেতে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে বলে ভারতের সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে।

দেশের বাজারে দাম কমার প্রত্যাশা

বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম রোজার ঈদের পর থেকেই বাড়তির দিকে। এর মধ্যেই ভারত সরকারের কাছ থেকে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা এল।

বাংলাদেশের বাজারে কয়েকদিন ধরেই খুচরায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে শুক্রবার ক্রেতাদের কাছে দাম চাওয়া হচ্ছিল ৭০ টাকা কেজি। সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে দশ টাকা।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের দাম ছিল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি। শুক্রবার দাম বেড়ে হয়েছে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা কেজি।

ভারত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় সোমবারই দেশে আমদানি করা পেঁয়াজ আসা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আর তাতে করে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে আসবে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শহীদুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পেঁয়াজ আমদানির জন্য আমরা আগে থেকেই আমদানি অনুমতিপত্র (আইপি) নিয়েছিলাম। ঋণপত্র খুলে রেখেছিলাম ডিসেম্বরেই। সেগুলোর মেয়াদ এখনও বহাল আছে। সেই আইপি দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আনতে সর্বোচ্চ দুদিন সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশসহ ৬ দেশে এক লাখ টন পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত
সিরাজগঞ্জে খালাস হচ্ছে ভারতীয় ১৬৫০ টন পেঁয়াজ
ভারত থেকে দর্শনায় পৌঁছেছে পেঁয়াজের প্রথম চালান
ভারত থেকে ১৬৫০ টন পেঁয়াজ আসছে
ভারত থেকে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানি করবে টিসিবি

মন্তব্য

p
উপরে