× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Asia is the main driver of global growth
google_news print-icon

‘বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালক এশিয়া’

বিশ্বব্যাপী-প্রবৃদ্ধির-প্রধান-চালক-এশিয়া
চীনের হাইনান প্রদেশে চার দিনব্যাপী বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া-২০২৩ সম্মেলন শেষে হয়েছে শুক্রবার। ছবি: নিউজবাংলা
চীনের হাইনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া-২০২৩ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। এই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। আগামী দিনে এশিয়া বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে ৭৫ শতাংশ অবদান রাখবে।

বৈশ্বিক অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। এই চ্যালেঞ্জ উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। উদীয়মান ও উন্নয়নশীল এশিয়া বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালক। আগামী দিনে এশিয়া বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে ৭৫ শতাংশ অবদান রাখবে।

চীনের হাইনান প্রদেশে ২৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া ২০২৩-এ বক্তারা এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছিয়ংহাই সিটির বোয়াও টাউনে অনুষ্ঠিত চার দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য সম্মেলনে বিশ্ব নেতারা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতা ও নতুন পদক্ষেপের আহ্বান জানান। একইসঙ্গে বৈশ্বিক সমৃদ্ধিতে চীনের ভূমিকা তুলে ধরা হয়।

এতে ৫০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের দুই সহস্রাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন। এছাড়া ১৭০টিরও বেশি গণমাধ্যমের ১১০০ জনেরও বেশি সাংবাদিক অনুষ্ঠানটি কাভার করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিদেশি অতিথিরা বলেন, ‘বিশ্বের অনির্দিষ্টতা বেড়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন দেশের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে এশিয়া ও বিশ্বের সমৃদ্ধ উন্নয়নে অবদান রাখা। এশিয়ায় প্রধান অর্থনীতি হিসেবে চীন বহু পক্ষবাদ ও আঞ্চলিক সহযোগিতায় অব্যাহতভাবে ভূমিকা রাখবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ থাকলেও সহযোগিতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

এ সময় বিশ্ব নেতারা বিভিন্ন দেশের যৌথভাবে সহযোগিতা জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং আরও শক্তিশালী এশিয়া গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বোয়াও এশিয়া ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল, ‘একটি অনিশ্চিত বিশ্ব: চ্যালেঞ্জসমূহ, উন্নয়নের জন্য সংহতি ও সহযোগিতা’।

‘বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালক এশিয়া’
বোয়াও সম্মেলনে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। ছবি: নিউজবাংলা

ফোরামে যোগ দিয়ে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বলেন, ‘অনিশ্চয়তার বিশ্বে চীনের স্থিতিশীলতা একটি প্রধান ভিত্তি, যা বিশ্ব শান্তি ও উন্নয়নকে রক্ষা করে। এটি অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি বাস্তবসম্মত।

‘বিশ্ব যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ এবং উদ্ভাবন-চালিত উন্নয়ন মেনে চলবে। এটি করার মাধ্যমে চীন কেবল বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন প্রেরণা দেবে না, বরং বিশ্বকে চীনের উন্নয়ন থেকে সুযোগ নিতে সক্ষম করবে।’

কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব থেকে চীনের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রবণতা উল্লেখ করে লি বলেন, ‘মার্চ মাসে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারির তুলনায় মূল সূচকগুলোর ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে। চীনের অর্থনীতির প্রচুর সম্ভাবনা ও প্রাণশক্তি রয়েছে।

‘চীনের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া, স্থিতিশীল ও টেকসই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বেশি অবদান রাখার ব্যাপারে আমাদের আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’

লি কিয়াং উন্নয়নের জন্য শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল পরিবেশ রক্ষা এবং বৈশ্বিক অস্থির অবস্থায় যৌথভাবে চেষ্টা চালানোর আহ্বান জানান। বলেন, ‘এশিয়া ভবিষ্যতে বৃহত্তর উন্নয়ন অর্জন করতে চাইলে অবশ্যই বিশৃঙ্খলা বা যুদ্ধ হবে না। চীন শান্তিপূর্ণ উপায়ে দেশগুলোর মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে এবং যৌথভাবে বিশ্ব শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

‘চীন সব সময় বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করাতে গুরুত্ব দিয়েছে। চীন বাজারে প্রবেশের সুযোগ আরও সহজ করবে, উচ্চমানের মুক্ত বাণিজ্য এলাকার বিশ্বভিত্তিক নেটওয়ার্ক প্রসারিত করবে।’

বৈশ্বিক অর্থনীতি বেশ কিছুদিন ধরেই মহামারি, ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক দ্বন্দ্ব এবং বিশ্বায়ন বিরোধী মনোভাবসহ বেশ কয়েকটি কারণে চাপে রয়েছে। তবে প্রতিটি মেঘের একটি রূপালী আস্তরণ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন।

তিনি বলেন, ‘উদীয়মান ও উন্নয়নশীল এশিয়া বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধির প্রধান চালক। এশিয়া বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে ৭৫ শতাংশ অবদান রাখবে।’

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফ-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিভা বলেন, ‘বাণিজ্য একীকরণের কল্যাণে গত কয়েক বছরে এশিয়ার অর্থনীতির শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। গত তিন বছরে নিম্ন আয়ের অনেক দেশ সমস্যায় পড়েছে৷ খাদ্য নিরাপত্তাসহ অনেক দেশের মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে। এসব দেশকে টেনে তোলার পরিকল্পনা নিতে হবে। সহায়তার মাধ্যমে এসব সমস্যা দূর করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পথে নেবে এশিয়া

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Chamber of Commerce in Thakurgaon complains of harassment to find voters

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের ভোটার খুঁজে পেতে হয়রানির অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের ভোটার খুঁজে পেতে হয়রানির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের হলরুমে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা 
অল্প সময়ে নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন যৌক্তিক কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী বলেন, ‘চেম্বারের মোট ভোটারের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৩৮ জন। এসব ভোটারের মধ্যে অনেকে টিন সার্টিফিকেট ছাড়া রয়েছে। আইন মোতাবেক তারা ভোট দেয়ার কোনো অধিকার রাখে না।’

ঠাকুরগাঁওয়ে চেম্বার অফ কমার্সের নির্বাচনে ভোটারদের একটি অংশকে বেআইনি ও অবৈধ ভোটার দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একটি প্যানেল।

ওই প্যানেলের প্রার্থীদের দাবি, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যাদের নাম রয়েছে, সে তালিকার শত শত ভোটারের কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কিংবা শিল্পকারখানা নেই। একই এলাকায় একই নামে একাধিক ব্যবসায়ী রয়েছেন। চূড়ান্ত তালিকায় ভোটারদের কোনো ছবি না থাকায় ভোটার খুঁজে পেতে বিভিন্ন ক্ষতি ও হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে প্রার্থীদের।

এমন বাস্তবতায় ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনের তিন দিন আগে নির্বাচনের তফসিল পুনর্নির্ধারণের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের কাছে আবেদন করেছে প্যানেলটি।

ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের হলরুমে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এমন আবেদন করেন আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থীরা।

হয়রানির মুখোমুখি হয়ে ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্যানেলের এক প্রার্থী বলেন, ‘আমরা ভোট বর্জন করছি না। আমরা ভোটের মাঠে রয়েছি, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে আমরা যখন ভোটারদের কাছে যাচ্ছি, তখন আমরা হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমরা ভোট চাইতে গিয়ে লক্ষ করেছি, যার কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই, সে চেম্বারের ভোটার হয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ পরিচ্ছন্নতা কর্মী, জুটমিলে কাজ করেন এমন ব্যক্তি। কেউ সেলুনে কাজ করেন, আবার কেউ পরিবহন শ্রমিক।

‘আমরা কোনো পেশাকে ছোট করে দেখছি না, কিন্তু শুধু টিন (ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দিয়ে তো চেম্বারের ভোটার হওয়া যায় না। নিয়মিত আয়কর পরিশোধ করতে হয়। আমাদের মনে হয়েছে এসব শত শত ভোটার বেআইনিভাবে চেম্বারের ভোটার হয়েছে। আমরা এসব ভোটার তালিকা আবারও বিবেচনার কথা বলছি, সংশোধনের কথা বলছি। সেই সাথে ভোটারদের তালিকার সঙ্গে যেন ছবি সংযুক্ত করা হয়, সেই দাবি করছি, যেন আমাদের নির্বাচনি মাঠে কোনো হয়রানির শিকার না হতে হয়।’

ভোটার তালিকা প্রকাশের সময় অবৈধ ভোটারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি কেন—এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্যানেলটির প্রার্থী বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে পহেলা জানুয়ারি-২০২৪, কিন্তু আমরা এ ভোটার তালিকা আবেদন করে পেয়েছি মার্চ মাসের দিকে। কাগজে-কলমে রিটার্নিং কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেছেন পহেলা জানুয়ারি-২০২৪।’

ওই প্রার্থীর অভিযোগ, ‘চূড়ান্ত ভোটার তালিকার ১৭ দিন পরেও ভোটার তালিকায় ভোটারের নাম সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রার্থীরা মনে করছেন, ভুয়া ভোটার তালিকা দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করার চেষ্টা করছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।’

অল্প সময়ে নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন যৌক্তিক কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী বলেন, ‘চেম্বারের মোট ভোটারের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৩৮ জন। এসব ভোটারের মধ্যে অনেকে টিন সার্টিফিকেট ছাড়া রয়েছে। আইন মোতাবেক তারা ভোট দেয়ার কোনো অধিকার রাখে না।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৬ এপ্রিল ভোটের নির্ধারিত দিন হওয়ায় ভোটারদের সমস্যা হবে। কারণ এর মাঝে মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ও পহেলা বৈশাখ থাকায় অনেকের পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকে, যার কারণে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত না থাকার কথা সরাসরি জানিয়েছে।

‘তাই সব দিক বিবেচনা করে আমরা নির্বাচনি তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের আবেদন করছি। আমরা আবারও বলছি, আমরা ভোট বর্জন করছি না।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁওয়ের চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নির্বাচনে আলমগীর-মুরাদ ও সুদাম প্যানেলের প্রার্থী, ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান মিঠু ও ঠাকুরগাঁওয়ে কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও চেম্বার অফ কমার্স নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনের তারিখ ও তফসিল পুনর্নির্ধারণের জন্য আবেদন পেয়েছি।’

ভোটার তালিকা করার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কোনো ত্রুটি নাই। কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকলে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর অভিযোগ দেয়ার একটা সুযোগ ছিল। সে খসড়া তালিকার বিরুদ্ধে আপিল করে আপিল নিষ্পত্তি করার একটা সময় ছিল।

‘উনারা যে অভিযোগ করছে, তা একেবারেই নির্বাচনের শেষ সময়ে। আগে এ অভিযোগ করলে অবশ্যই আমরা সেটা বিবেচনায় নিতাম। নির্ধারিত সময়ে একটি পক্ষ আপিল করেছিল এবং সে অনুযায়ী কাজও করা হয়েছে।’

নির্বাচন পেছানোর সুযোগ আছে কি না জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘ভোট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হবে। এটা আসলে পরিবর্তন করার কোনো সুযোগ নেই।’

আরও পড়ুন:
প্রার্থী যত প্রভাবশালীই হোক, শতভাগ আইন-কানুন মানতে হবে
উপজেলা নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীরা প্রভাব খাটালে তাদেরই মান ক্ষুণ্ণ হবে: ইসি হাবিব
দ্বিতীয় ধাপে ১৬১ উপজেলায় নির্বাচন ২১ মে
জুম্মার নামাজ ও ইফতারে উপজেলা নির্বাচনের প্রচার
ভোট দেখতে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাচ্ছেন সিইসি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mill gate prices of rice varieties on sacks of rice are effective on Sunday

চালের বস্তায় ধানের জাত, মিল গেটের মূল্য লেখা কার্যকর রোববার

চালের বস্তায় ধানের জাত, মিল গেটের মূল্য লেখা কার্যকর রোববার গুদামে রাখা মিনিকেট চালের বস্তা। ফাইল ছবি
বার্তায় জানানো হয়, চালের বস্তায় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও।

চালের বস্তায় ধানের জাত ও মিল গেটের মূল্যের পাশাপাশি উৎপাদনের তারিখ ও প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম লেখার নির্দেশনা কার্যকর হচ্ছে রোববার থেকে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও গণসংযোগ কর্মকর্তা কামাল হোসেন শনিবার এক বার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন।

বার্তায় জানানো হয়, চালের বস্তায় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অবস্থান (জেলা ও উপজেলা) উল্লেখ করতে হবে। থাকবে ওজনের তথ্যও।

এতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সংগ্রহ শাখা থেকে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়। ইতোমধ্যে নির্দেশনার কপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, সকল জেলা প্রশাসক, সকল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, সকল উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

‘খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাইল হোসেন সই করা এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা হঠাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তারা ন্যায্যমূল্যে পছন্দমতো জাতের ধানের চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।’

বার্তায় উল্লেখ করা হয়, ‘এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে নির্দেশনায় কয়েকটি বিষয় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চালের উৎপাদনকারী মিলমালিকদের গুদাম থেকে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। বস্তার ওপর এসব তথ্য কালি দিয়ে লিখতে হবে।

‘চাল উৎপাদনকারী মিল মালিকের সরবরাহ করা সকল প্রকার চালের বস্তা ও প্যাকেটে ওজন (৫০/২৫/১০/৫/১) উল্লেখ থাকতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।’

বার্তায় আরও বলা হয়, ‘এর ব্যত্যয় ঘটলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘আইনটির ধারা-৬-এর অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার সুযোগ রয়েছে। আর ধারা ৭-এর শাস্তি হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ১৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান।’

আরও পড়ুন:
মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ
সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বাড়ল মুরগির দাম
‘ওষুধ কিনতে না পেরে’ পেটে ছুরি ঢুকিয়ে রিকশাচালকের আত্মহত্যা
গুদাম থেকে ২৫০ টন চাল সরানো খাদ্য পরিদর্শক হেফাজতে
নওগাঁয় খুচরা দোকানে সরকারি চাল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Ireland Norway Spain ready to recognize Palestine

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন শুক্রবার ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস (বাঁয়ে) ও স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জনতার উদ্দেশে হাত নাড়ছেন। ছবি: আল জাজিরা।
শুক্রবার ডাবলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ বলেন, ‘ফিলিস্তিনকে শুধু স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণাই নয়, জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে তারা যাতে স্বীকৃতি পায়, সেজন্যও আমাদের অটুট সমর্থন থাকবে।’

স্পেনের পর আয়ারল্যান্ড ও নরওয়েও ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো মানচেজের সঙ্গে বৈঠকের পর পৃথক সংবাদ সম্মেলনে ফিলিস্তিন নিয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে দুই দেশ।

শুক্রবার আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে পেদ্রো সানচেজের সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস বলেন, আয়ারল্যান্ড শিগগিরই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়। তবে ইউরোপের আরও দেশ যদি এ বিষয়ে রাজি থাকে, তাহলে তাদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে এ পদক্ষেপ নেয়া হবে।

আয়ারল্যান্ড সফরের আগে ওইদিন নরওয়েতে যান সানচেজ। সেখানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনিও একই ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন।

স্তোরে বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে ওসলোও (নরওয়ের রাজধানী) প্রস্তুত। আরও যেসব দেশ একইরকম ভাবছে, তাদের সঙ্গে একসঙ্গে এ ঘোষণা দেয়া হবে।

এর আগে গাজা উপত্যকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ফিলিস্তিনকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্বীকৃতি দেয়া প্রয়োজন। এতে ওই অঞ্চলের শান্তি স্থাপন প্রক্রিয়া সত্যিকার অর্থে গতি পাবে।’

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনের সশস্ত্র শাসক গোষ্ঠী হামাস। ওই হামলায় অন্তত এক হাজার ১০০ বেসামরিক ইসরায়েলি নিহত হন।

ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় লাগাতার হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। হামলা শুরুর পর ৯ অক্টোবর গাজায় সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দেয় দখলদার ইসরায়েল। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আগ্রাসনে ক্রমবর্ধমান মৃত্যু, অনাহার ও অবকাঠামোর ক্ষতি মিলিয়ে এই কয়েক মাসে মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে গাজা।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন
মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত হয়েছে গাজা। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ইসরায়েলের এমন অমানবিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরব হতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহল। তারই ধারাবাহিকতায় উপত্যকায় স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এরইমধ্যে শুধু নরওয়ে আয়ারল্যান্ড নয়, স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় ইউরোপের অনেক দেশই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।

গত মাসে মাল্টা ও স্লোভেনিয়াকে সঙ্গে নিয়ে স্পেন ও আয়ারল্যান্ড ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য যৌথভাবে কাজ করার ঘোষণা দেয়। সেসময় তারা জানায়, আমরা প্রস্তত, ‘সঠিক পরিস্থিতিতে’ এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শুক্রবার সানচেজের সঙ্গে বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলনে হ্যারিস বলেন, ‘বিষয়টি ধীরে ধীরে আরও এগিয়ে যাচ্ছে এবং আমরা (স্বীকৃতির) ঘোষণা দেয়ার খুব কাছাকাছি রয়েছি। সবাই মিলে আমরা এর বাস্তবায়ন করব।

‘নিজ দেশের মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের দাবি ফিলিস্তিনের দীর্ঘদিনের। তারাও আয়ারল্যান্ড ও স্পেনের মতো স্বাধীন ও স্বকীয়ভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর মাঝে স্থান করে নেয়ার অধিকার রাখে।’

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন
শুক্রবার ডাবলিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী সাইমন হ্যারিস। ছবি: সংগৃহীত

ওই সংবাদ সম্মেলনে সানচেজ বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের স্বীকৃতি দিতে ইচ্ছুক রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে যৌথভাবে ঘোষণা দেয়া হবে। তবে অবশ্যই ঘোষণার আগে সময়ের উপযুক্ততা বিবেচনা করে হবে।

‘শুধু স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণাই নয়, জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে তারা যাতে স্বীকৃতি পায়, সেজন্যও আমাদের অটুট সমর্থন থাকবে।’

এক পায়ে খাড়া নরওয়ে

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশ না হয়েও ইইউ দেশগুলোর সঙ্গে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে ‘তাৎক্ষণিকভাবে প্রস্তুত’ নরওয়ে।

শুক্রবার শেনজেন অঞ্চলের সদস্য এ দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্তোরে বলেন, ‘তবে আমরা এর জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো দিন-তারিখ ঠিক করিনি। একই মনোভাবের সব দেশের সম্মিলিত কার্যক্রম হিসেবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া হবে।’

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন
শুক্রবার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরে। ছবি: সংগৃহীত

গত বছরের নভেম্বরে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে নিজেদের সংসদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে নরওয়ে।

এর আগে ১৯৯০-এর দশকের শুরুতেও একবার ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি শান্তি আলোচনার আয়োজন করে দেশটি, যা পরবর্তীতে ‘অসলো চুক্তি’তে রূপান্তরিত হয়।

অসলো চুক্তি

অসলোতে ওই আলোচনার জন্য তৎকালীন ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাত ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ইসাক রবিন নোবেল শান্তি পুরষ্কার পান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অসলো চুক্তি-১ স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৫ সালে মিশরের তাবায় অসলো চুক্তি-২ স্বাক্ষরিত হয়।

ওই চুক্তির মাধ্যমে দুপক্ষের মধ্যে যে বোঝাপড়া হয়, তা হলো- ফিলিস্তিনিরা নিজেদের অংশের ভূখণ্ড শাসনের অধিকার পাবে এবং ইসরায়েল প্রথমে পশ্চিম তীরের জেরিকো এবং তারপর গাজা থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করে নেবে। এর পরিবর্তে, ইসরায়েলি রাষ্ট্রের বৈধতা স্বীকার করে নেবে ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (পিএলও)।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন
১৯৯৩ সালে ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনিদের মধ্যে অসলো শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি ছিল দুপক্ষের মধ্যে প্রথম শান্তি চুক্তি। ছবি: বিবিসি

কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটায় ওই সমঝোতা চুক্তি। তখনকার প্রেক্ষাপটে একে বিরাট সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বাস্তবতা হচ্ছে- ওই চুক্তির তিন দশক পর এখন আবার সেই ‘যুদ্ধাবস্থা’ বিরাজ করছে।

২০০৭ সাল থেকে কট্টরপন্থী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস উপত্যকার ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে পরিস্থিতির আবারও অবনতি হতে শুরু করে। হামাস অবশ্য অসলো চুক্তির সময়ই এর বিরোধিতা করেছিল।

সবশেষ ইসরাইলের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে হামাসের আকস্মিক অথচ ব্যাপক হামলার কারণে গত অক্টোবর থেকে উপত্যকায় সব ধরনের ধৈর্যের সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে।

ইসরায়েলের হুঁশিয়ারি

গাজায় চলমান আগ্রাসনের শুরু থেকেই প্রকাশ্যে ইসরায়েলের সমালোচনা করে আসছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী। এ সপ্তাহে আইরিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারিসও নেতানিয়াহুর সেনা আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছেন।

তবে ইউরোপের দেশগুলোর এই কার্যক্রমের কঠোর সমালোচনা করেছে ইসরায়েল।

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত আয়ারল্যান্ড নরওয়ে স্পেন
ইউরোপের দেশগুলোর ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছে ইসরায়েল। ছবিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

এ বিষয়ে আর না এগোতে হুঁশিয়ারি দিয়ে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের এ উদ্যোগ ‘সন্ত্রাসবাদের জন্য একটি পুরস্কার’ হিসেবে গণ্য হবে। সেইসঙ্গে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এ সংঘাত যদিও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব, তার সম্ভাবনাও কমিয়ে দেবে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ ৩৩ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। সেইসঙ্গে আহত হয়েছেন ৭৬ হাজারের অধিক।

সর্বোপরি, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৩৯টিই ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা ও বিবিসি।

আরও পড়ুন:
ইসরায়েলে ইরানের হামলার হুমকি বাস্তব: হোয়াইট হাউস
ইরানের হামলার শঙ্কা, শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসছেন নেতানিয়াহু
২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান
ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে কূটনীতিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh GDP growth likely to be 61 in current fiscal year ADB

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.১%: এডিবি

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.১%: এডিবি পরপর দুই অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি। ফাইল ছবি
এডিওতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে এডিবি বলেছে, ২০২৪ (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ছয় দশমিক এক শতাংশ পর্যন্ত। ২০২৫ (২০২৪-২৫) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়ে হতে পারে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ছয় দশমিক এক শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংকটি তাদের এপ্রিলের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে (এডিও) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।

এডিওতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে এডিবি বলেছে, ২০২৪ (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ছয় দশমিক এক শতাংশ পর্যন্ত। ২০২৫ (২০২৪-২৫) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়ে হতে পারে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ।

বাংলাদেশে কোনো বছরের জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুন পর্যন্ত ১২ মাসকে এক অর্থবছর ধরা হয়। সে হিসাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩০ জুন।

এডিওতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমে যাওয়ার পরও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সস্তা তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা দেশে তৈরি সুতা ও বস্ত্র ব্যবহার করছেন।

মূল্যস্ফীতির বিষয়ে বলা হয়, মূল্যস্ফীতি কমার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ভোগ বাড়তে পারে। অন্যদিকে ভর্তুকি কম দেয়া এবং কৃচ্ছ্রতার ব্যবস্থাগুলো অব্যাহত রাখায় সরকারি পর্যায়ে ভোগও সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিল আইএমএফ
চট্টগ্রামবাসীর জীবনমান উন্নয়নে এডিবির ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ
প্রবৃদ্ধি কমে ৫.৬% হতে পারে: বিশ্ব ব্যাংক
আগামী অর্থবছর বাংলাদেশের জন্য ভালো বছর হবে
রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ২৬.১ কোটি ডলার দিচ্ছে এডিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Inflation increased by 1014 percent in March

মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ

মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ
বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশে।

চলতি বছরের মার্চে দেশে মূল্যস্ফীতি দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে মূলস্ফীতির এই হার ছিল ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

মঙ্গলবার সবশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশে। তুলনামূলকভাবে গত ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

গ্রামীণ অঞ্চলের তুলনায় শহরে উচ্চতর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। শহর এলাকায় মুদ্রাস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মার্চে শহর এলাকায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।

‌আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে দেশ। আর এর বড় বিরূপ প্রভাব পড়ছে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পলিসি সুদের হার বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু কৌশল বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশে।

তবে ড. মনসুর উল্লেখ করেছেন, বিলম্ব এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপগুলো এখনও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রভাব দেখাতে পারেনি।

ক্রমাগত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হারের পেছনে একটি অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পণ্যের দাম বৃদ্ধিকে প্রাথমিকভাবে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন:
এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.২৪%
‘মূল্যস্ফীতির জন্য যুদ্ধের পাশাপাশি দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা দায়ী’
চার মাস ধরে কমছে মূল্যস্ফীতি
খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি
মূল্যস্ফীতির হিসাবে স্বস্তির আভাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Toll collection of two and a quarter million taka in 8 hours at Padma Bridge

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকা টোল আদায়

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকা টোল আদায় ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৪৫০ টাকা। এ সময় শুধু মাওয়া প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকার টোল আদায় হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৪৫০ টাকা। এ সময় শুধু মাওয়া প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরী এ খবর নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মাওয়া প্রান্তে ৭টি বুথ দিয়ে টোল আদায় করা হয়। আট ঘণ্টায় এখান দিয়ে ১৩ হাজার ৮৮৬টি যানবাহন পার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ছিল ৫৮৬১টি। অন্যদিকে, জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ৪৮৪৭টি যানবাহন পার হয়েছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেল ছিল মাত্র ৩১৩টি।

মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন করা হয়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা আরও জানান, সকালে যানবাহনের কিছুটা চাপ থাকলেও সবাই নির্বিঘ্নে সেতু পার হতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন:
ঈদযাত্রায় প্রস্তুত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ
চাপ নেই ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে
নগরবাসীর ঈদযাত্রা শুরু, বাস টার্মিনালে বাড়ছে চাপ
লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রির চাপ নেই, ফাঁকা সদরঘাট
ঈদযাত্রায় আসনের বেশি যাত্রী নয়, রাস্তায় থামানো যাবে না বাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In the week before Eid remittances of 45 million dollars came

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। এপ্রিলের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ঈদের আগের সপ্তাহে (১ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত) প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ব্যাংকাররা বলছেন, গত মার্চ মাসে প্রতি সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সে হিসাবে, এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স ভালোই এসেছে। মূলত, প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণেই বেড়েছে রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, টানা দু’মাস রেমিট্যান্স আয়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার পর ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

মার্চে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯ কোটি ডলার দেশে পাঠান। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আগের বছরের একই মাসের ২০২ কোটি ডলারের তুলনায় গত মার্চে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে।

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসের বেশিরভাগ দিনে ডলারের বিনিময় দর কমে দাঁড়ায় ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১৩ টাকায়। সে তুলনায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডলারের দর ছিল ১২০ থেকে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

তারা বলছেন, ডলারের দাম কমার এই ঘটনা প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে। আর তার প্রভাব পড়ে রেমিট্যান্সের সার্বিক চিত্রে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড
রেমিট্যান্সে গতি, ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে: বিশ্বব্যাংক
নভেম্বরে এলো ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স
বিদেশি মুদ্রায় দেশের ব্যাংকে আমানত রাখার সুযোগ

মন্তব্য

p
উপরে