× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Private employees can take advance money against salary
hear-news
player
google_news print-icon
বাংলাদেশ ফাইন্যান্স-এসএম ফিনটেক চুক্তি

বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতনের বিপরীতে নিতে পারবেন অগ্রিম অর্থ

বেসরকারি-চাকরিজীবীরা-বেতনের-বিপরীতে-নিতে-পারবেন-অগ্রিম-অর্থ
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ও এসএম ফিনটেকের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
সোমবার দুপুরে রাজধানীর দিলকুশায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের প্রধান কার্যালয়ে সহযোগিতা চুক্তিটি স্বাক্ষর হয় বাংলাদেশ ফাইন্যান্স এবং এসএম ফিনটেকের। চুক্তির ফলে এসএম ফিনটেক তার নিবন্ধিত সদস্যদের মধ্যে বেতনের বিপরীতে আর্থিক সেবা দেবে। যা সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স।

জরুরি প্রয়োজনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের বেতনের বিপরীতে অগ্রিম আর্থিক সেবা পেতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ও এসএম ফিনটেক একটি চুক্তি করেছে। আর্থিক সেবাটি সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স আর কারিগরী সহযোগিতায় থাকবে এসএম ফিনটেক। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে থাকবে ‘মাইনে’ নামে অ্যাপভিত্তিক প্লাটফর্ম।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর দিলকুশায় বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স ও এসএম ফিনটেকের মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তির ফলে এসএম ফিনটেক তার নিবন্ধিত সদস্যদের মধ্যে বেতনের বিপরীতে আর্থিক সেবা দেবে। যা সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স।

এতে মাসের যে কোনো সময়ে জরুরি প্রয়োজনে কারও টাকা লাগলে দাদন ব্যবসায়ী বা কারবারীর কাছ থেকে চড়া সুদে টাকা ধার নেয়ার দরকার হবে না। তার পরিবর্তে মাসের ঠিক যে কয়দিন কাজ করেছেন তার পারিশ্রমিক অগ্রিম পেয়ে যাবেন তিনি।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পক্ষে সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার হামিদ।

কায়সার হামিদ বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে গ্রাহকদের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে এই চুক্তি সহযোগিতা করবে; পাশাপাশি ব্যাপক সংখ্যক গ্রাহককে ব্যাংকিং এর আওতায় আনার মাধ্যমে সময় ও খরচ সাশ্রয় হবে।

এসএম ফিনটেকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফ সিকদার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি বলেন, এই চুক্তির ফলে আর্থিক সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের হয়রানি ও দীর্ঘসূত্রিতা লাঘব করতে চান তারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের গ্রুপ সিএফও মো. সাজ্জাদুর রহমান ভুঁইয়া, হেড অফ সাসটেইন্যাবল ফাইন্যান্স মোহাম্মদ কোহিনুর হোসেন, চিফ রিস্ক অফিসার সুমন কুমার কুন্ডুসহ অন্যরা।

আরও পড়ুন:
১০ কোটি টাকার বেশি ঋণ দিতে পারবে না ন্যাশনাল ব্যাংক
সংকট মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন বন্ধ ছোট বিষয়: বিশ্বব্যাংক এমডি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank received 2 awards in Global Economics

গ্লোবাল ইকোনমিক্সের ২ পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক

গ্লোবাল ইকোনমিক্সের ২ পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক পুরস্কার হাতে এনআরবিসি চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দুবাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে তুলে দেয়া হয়।

উদ্ভাবনী সেবা ও দ্রুত সময়ে সর্বোত্তম সেবার প্রসারে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন দি গ্লোবাল ইকোনমিক্স।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ সময় ব্যাংকের পরিচালক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ নাজিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া এবং আইসিটি বিভাগের প্রধান ও সিটিও দিদারুল হক মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সহজ শর্ত ও স্বল্প সুদে ঋণ দিতে ২০২১ সালের মার্চে বিশেষ ক্ষুদ্র ঋণ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। খুব অল্প সময়ে সারা বাংলাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষুদ্র ঋণ পেয়েছেন। এই সেবার দ্রুত প্রসারের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক-২০২২’ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া হাতের মুঠোয় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা সহজে প্রদানের লক্ষ্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০১৯ সালে ‘এনআরবিসি প্লানেট অ্যাপ’ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। উদ্ভাবনী এই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কিউআর কোড ব্যবহার করে কার্ড ও চেক ছাড়া টাকা উত্তোলনের সুবিধা চালু করা হয়।

এছাড়া এই অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা স্থানান্তর, মোবাইল ব্যাংকিং, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার বিল প্রদান, মোবাইল রিচার্জ, ব্যালান্স অনুসন্ধানসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা রাত-দিন যেকোনো স্থানে বসে গ্রহণ করা যায়।

সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালের কর্মকাণ্ডকে মূল্যায়ন করে ‘বার্ষিক গ্লোবাল ইকোনমিক্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ শীর্ষক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এনআরবিসি ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে দি গ্লোবাল ইকোনমিক্স লিমিটেড।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, ‘প্রবাসীদের স্বপ্নের এই ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খুব সহজে সব মানুষের দুয়ারে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া। এজন্য তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি।

‘প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ যারা ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত থেকেছে তাদের জন্য চালু করেছি ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প। এতে বিনা জামানতে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে ঘরে বসেই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এসব ভালো কাজের আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
১৫ আগস্ট স্মরণে এনআরবিসি ব্যাংকের ‘১৫’ উদ্যোগ
উদ্যোক্তা হতে স্বল্পসুদে ঋণ দেবে এনআরবিসি ব্যাংক
যুবকদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে এনআরবিসি
পুবাইলের মিরের বাজারে এনআরবিসি ব্যাংক
এনআরবিসি ব্যাংকের পাঁচ উপশাখার কার্যক্রম শুরু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Departmental conference and exchange of views of Sonali Bank in Noakhali

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় সম্মেলন ও মতবিনিময়

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় সম্মেলন ও মতবিনিময় শনিবার নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ ও জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ও ব্যবসায়িক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজারস অফিস, নোয়াখালীর আওতাধীন প্রিন্সিপাল অফিস, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর এবং নোয়াখালী ও ফেনী করপোরেট শাখার প্রধান এবং এসব প্রিন্সিপাল অফিসের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকরা অংশ নেন।

শনিবার নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ ও জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।

সভাপতিত্ব করেন জেনারেল ম্যানেজারস অফিস, নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান।

সভার শুরুতে নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্জিত ব্যবসায়িক চিত্র উপস্থাপন করেন। এরপর জেনারেল ম্যানেজারস অফিসের আওতাধীন অঞ্চল প্রধানরা ও করপোরেট শাখার প্রধানরা পর্যায়ক্রমে তাদের ব্যবসায়িক চিত্র তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন:
সোনালী ব্যাংকে বিশেষ সেবাদান কাউন্টার
রাজশাহীতে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন
সোনালী ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির চুক্তি
সোনালী ব্যাংকের শীতবস্ত্র বিতরণ
সোনালী ব্যাংকের রেকর্ড ২৫০৩ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
ABB Buffeda warns banks to collect remittances at higher rates

বাড়তি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে সতর্কতা 

বাড়তি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে সতর্কতা 
ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, কিছু ব্যাংক নির্ধারিত ১০৭ টাকার চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। সভায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সভার পর এ বিষয়ে একটি চিঠি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওদেরকে দেয়া হয়েছে।

রেমিট্যান্স ডলার প্রতি ১০৭ টাকা। নির্ধারিত এ দরের অতিরিক্ত টাকা দিয়ে রেমিট্যান্স সংগ্রহ না করতে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

বাফেদা চেয়ারম্যান আফজাল করিম ও এবিবি চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্র বলছে, চলতি জানুয়ারি মাসের ১৮ তারিখে এবিবি ও বাফেদার সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে কয়েকটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিযোগ করেন যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক নির্ধারিত ডলার প্রতি ১০৭ টাকার বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। এতে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে ডলারের বাজার। ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের এ রকম অভিযোগের পর সভায় ব্যাংকগুলোকে এমনটা না করার জন্য সতর্ক করেছে বাফেদা ও এবিবি।

সভায় উপস্থিত ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, কিছু ব্যাংক নির্ধারিত ১০৭ টাকার চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। সভায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সভার পর এ বিষয়ে একটি চিঠি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওদেরকে দেয়া হয়েছে।

১৯ তারিখে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, বাফেদা ও এবিবির বৈঠকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ ডলার প্রতি ১০৭ টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সে অনুযায়ী সব ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে দেশের কয়েকটি ব্যাংক বাফেদা-এবিবির নির্ধারিত দরের চেয়ে অতিরিক্ত দরে রেমিট্যাস সংগ্রহ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরবর্তীতে কোনোভাবেই অনুমোদন দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
ডলার সংকটে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নভঙ্গ
জানুয়ারি থেকে ডলার সংকট থাকবে না: গভর্নর
বস্তায় নয়, এখন ঘুষ লেনদেন ডলারে: হাইকোর্ট
রেমিট্যান্স পাঠাতে চার্জ লাগবে না প্রবাসীদের
ডলারসংকটে বিপাকে পোশাক রপ্তানিকারকরা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bureau Bangladesh will raise Tk 150 crore from bonds

বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা তুলবে ব্যুরো বাংলাদেশ

বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা তুলবে ব্যুরো বাংলাদেশ
এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের দাম হবে ১০ লাখ টাকা এবং মেয়াদ ২ বছর। প্রতি লটের দাম হবে ৪০ লাখ টাকা। বন্ড ছেড়ে তোলা অর্থ দিয়ে এসএমই ঋণ কার্যক্রম চালাবে প্রতিষ্ঠানটি।

বেসরকারি ঋণদাতা সংস্থা ব্যুরো বাংলাদেশকে বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার বিএসইসি’র নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের দাম হবে ১০ লাখ টাকা এবং মেয়াদ ২ বছর। আর প্রতি লটের দাম হবে ৪০ লাখ টাকা। বন্ড ছেড়ে তোলা অর্থ দিয়ে এসএমই ঋণ কার্যক্রম চালাবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা এ বন্ড কিনতে পারবে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, সংগঠন, ট্রাস্ট ও স্বায়ত্তশাসিত করপোরেশনগুলো এবং বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা।

বন্ডটি ছাড়তে জামানত রাখা হয়নি। এটি শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না।

এটি হবে জিরো কুপন বন্ড। এটি ৮ শতাংশ ডিসকাউন্টে বাজারে ছাড়া হবে।

বন্ডটি হবে ফুললি রিডিমেবল অর্থাৎ মেয়াদ শেষে এটার পুরো টাকা সুদসহ ফেরত দেয়া হবে।

বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছে সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। আর অ্যারেঞ্জার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
List of top 20 loan defaulters in parliament

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদকে জানান, শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির মোট ঋণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকাই খেলাপি। এই ২০ জনসহ দেশে মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৫।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকাই খেলাপি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য উপস্থাপন করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সরকারি দলের সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যাও সংসদকে জানিয়েছেন। তার উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৫।

অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির মধ্যে সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৫২৯ কোটি টাকা। রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৭ কোটি টাকা। এদের পুরোটাই খেলাপি ঋণ। রাইজিং স্টিল কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৪২ কোটি টাকা, যাদের খেলাপি ঋণ ৯৯০ কোটি টাকা।

মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৯৬৫ কোটি টাকা। তাদের পুরোটাই খেলাপি। রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ সমান, ৮৭৩ কোটি টাকা। ক্রিসেন্ট লেদারস প্রডাক্ট লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমান ৮৫৫ কোটি টাকা।

কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেমস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমান ৮১১ কোটি টাকা। সাদ মুসা ফেব্রিক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৭৭৬ কোটি টাকা খেলাপি।

বি আর স্পিনিং মিলস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২১ কোটি টাকা। এস.এ অয়েল রিফাইনারী লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৭২ কোটি টাকা। তাদের খেলাপির পরিমাণ ৭০৩ কোটি টাকা। মাইশা প্রপ্রাটি ডেভোলমেন্ট লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৮৬ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ৬৬৩ কোটি টাকা। রেডিয়াম কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৭৭০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬৬০ কোটি টাকা খেলাপি।

সামান্নাজ সুপার অয়েল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩০ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৫১ কোটি টাকা। মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৪৭ কোটি টাকা। আশিয়ান এডুকেশন লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৫৩ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ ৬৩৫ কোটি টাকা। এস.এম স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৮৮ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৩০ কোটি টাকা।

এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৭২ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬২৩ কোটি টাকা। এহসান স্টিল রি-রোলিং লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬২৪ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ ৫৯০ কোটি টাকা এবং সিদ্দিকী ট্রেডার্স-এর ঋণের স্থিতি ৬৭০ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৪১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু
সংসদে এনআইডি স্বরাষ্ট্রে রাখার ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইন’ বিল পাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Import of goods will be normalized in two months Governor

পণ্য আমদানি দু-এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে: গভর্নর

পণ্য আমদানি দু-এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে: গভর্নর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে বৈঠক করেন ডিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
ডিসিসিআই নেতাদের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিতে এলসি মার্জিন ন্যূনতম করাসহ বেশ কিছু নীতিগত পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এলসি খোলা নিয়ে বিরাজমান পরিস্থিতি দু-এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

রোজার মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির ঋণপত্র বা এলসি নিষ্পত্তিতে পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সঙ্গে দেখা করে ডিসিসিআইয়ের পরিচালনা পর্ষদের নবনির্বাচিত নেতারা এ আহবান জানান। এ সময় গভর্নর তাদের আশ্বাস দেন, এলসি খোলা নিয়ে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা আগামী দু-এক মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সভাপতি সামীর সাত্তারের নেতৃত্বে সংগঠনটির ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি এস এম গোলাম ফারুক আলমগীর, সহসভাপতি মো. জুনায়েদ ইবনে আলীসহ বেশ কয়েকজন পর্ষদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

ডিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয় বৈঠকে সামীর সাত্তার বলেন, ‘রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের জোগান নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ করে এ সহায়তা করতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক।’

জবাবে গভর্নর জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিতে এলসি মার্জিন ন্যূনতম করাসহ বেশ কিছু নীতিগত পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোজার কথা বিবেচনায় নিয়ে গত বছরের ১১ ডিসেম্বর আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলায় নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়ে সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ওই সার্কুলারে বলা হয়, ‘রোজার মাসে ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি ও খেজুরের দাম সহনীয় রাখতে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতের লক্ষ্যে এসব পণ্যে নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশনা দেয়া হলো।’

কিন্তু ডলার সংকটের কারণে এসব পণ্য আমদানির জন্য এলসি খুলতে গিয়ে ব্যাংক থেকে বার বার ফিরে আসছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে এলসি খোলায় যাতে কোনো সমস্যায় পড়তে না হয় এজন্য জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ব্যাংকগুলোকে ডলার সহায়তার কথা বলেন তারা।

গভর্নরের বরাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থনীতিতে এখন তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ রয়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সুদহার বৃদ্ধি ও চীনের বর্তমান করোনা পরিস্থিতি। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও এই তিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি বেশ স্থিতিশীল।

রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিগত অবস্থান তুলে ধরে আবদুর রউফ চৌধুরী বলেন, প্রবাসী আয় পাঠাতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমাদানের বিধান শিথিল করা হয়েছে। স্থানীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মাশুল মওকুফ ও রেমিট্যান্স আহরণে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসকে (এমএফএস) সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও বাড়বে।

বৈঠকে মুদ্রানীতিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান ঢাকা চেম্বারের সভাপতি সামীর সাত্তার। তিনি বলেন, ‘এবারের মুদ্রানীতিতে উল্লিখিত সহায়ক নীতি ও নির্দেশিকা দেশের বেসরকারি খাতের পাশাপাশি আর্থিক খাতকে ঘুরে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।’

সামীর সাত্তার কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) এবং আমদানি বিকল্প শিল্পের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্প অব্যাহত রাখার উদ্যোগকেও স্বাগত জানান। সেইসঙ্গে দেশের সিএমএসএমই খাতের স্বার্থে ঋণ সহায়তা প্রাপ্তি এবং ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেয়ার প্রক্রিয়া সহজ করাসহ প্রয়োজনীয় সংষ্কারের আহবান জানান।

আরও পড়ুন:
দাম কম-বেশি দেখিয়ে আমদানি বন্ধ হলে অর্থ পাচার বন্ধ হবে: গভর্নর
জ্যোতিষীদের মতো কথা নয়: ড. আতিউর
গভর্নরের সাফ কথা, ঋণের সুদহার বাড়বে না
দুর্বল ১০ ব্যাংককে সবল করার উদ্যোগ
নতুন গভর্নরের তিন অগ্রাধিকার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The central bank sells 50 billion dollars in one day

একদিনে ৫ কোটি ডলার বিক্রি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

একদিনে ৫ কোটি ডলার বিক্রি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের
বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অস্থির ডলারের বাজার সুস্থির করতে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের সাত মাস (জুলাই-জানুয়ারি) না পেরোতেই ৮৫০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এর আগে পুরো অর্থবছরেও রিজার্ভ থেকে এত ডলার কখনোই বিক্রি হয়নি।

রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের কাছে সোমবার ৫ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাড়ার পরও রিজার্ভ ৩২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। দিনশেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার।

বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিতে নতুন রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অস্থির ডলারের বাজার সুস্থির করতে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের সাত মাস (জুলাই-জানুয়ারি) না পেরোতেই ৮৫০ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এর আগে পুরো অর্থবছরেও রিজার্ভ থেকে এত ডলার কখনোই বিক্রি হয়নি।

২০২১-২২ অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ৭৬২ কোটি ডলার বিক্রি করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তার আগের অর্থবছরে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বাজার থেকে উল্টো প্রায় ৮০০ কোটি ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ যে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল, তাতে বাজার থেকে ডলার কেনার অবদান ছিল বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর। আবার এখন যে রিজার্ভ কমছে, তাতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি একটি বড় কারণ বলে মনে করছেন এই অর্থনীতিবিদ।

করোনা মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে দেশে আমদানি বাড়তে শুরু করে; লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে অর্থনীতির এই সূচক। তাতে বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যায়, বাড়তে থাকে দাম। সেই চাহিদা মেটাতে ডলার বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০২১-২২ অর্থবছরের পুরো সময় ধরে চলে এই বিক্রি। রিজার্ভ থেকে ডলার বাজারে না ছাড়লে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম আরও বেড়ে যাবে- এ বিবেচনায় ডলার বিক্রি অব্যাহত রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। শেষ পর্যন্ত ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার বিক্রির মধ্য দিয়ে অর্থবছর শেষ হয়।

গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরেও রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি অব্যাহত রাখে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগে সব ব্যাংকের কাছে প্রয়োজনীয় ডলার বিক্রি করলেও গত তিন মাস ধরে শুধু সরকারি কেনাকাটা ও জ্বালানি তেল, স্যারসহ অন্যান্য অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির জন্য এলসি বা ঋণপত্র খুলতে রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের কাছে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। বেসরকারি ব্যাংকগুলো আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার থেকে ডলার কিনে আমদানি খরচ মেটাচ্ছে।

কিন্তু এরই মধ্যে ডলারের দাম ৮৫ টাকা থেকে বাড়তে বাড়তে ১০৬/১০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শতকরা হিসাবে বেড়েছে ২৫ শতাংশের বেশি। খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দর ১২০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এখনও ১১১/১১২ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি ১০০ টাকায়

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির দর আরও ১ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন ১০০ টাকা দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করা হয়েছে। সোমবার এই দরেই রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের কাছে ৫ কোটি ডলার বিক্রি করা হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের এক কর্মকর্তা।

তবে সব ব্যাংক এই দরে ডলার পাচ্ছে না। সরকারের প্রয়োজনীয় আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য শুধু রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংকের কাছে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অন্য ব্যাংকগুলোকে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার থেকে ডলার কিনে আমদানি কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এদিন আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০৭ টাকা। এক বছর আগে রিজার্ভ থেকে ৮৬ টাকা দরে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন অবশ্য, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর পাশাশি বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কাছেও ডলার বিক্রি করা হতো।

সব ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী ডলার বিক্রি করলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সঞ্চিত রিজার্ভ আরও কমে যাবে। সেজন্য সরকারের প্রয়োজনেই এখন শুধু রিজার্ভ থেকে ডলার ছাড়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির রেট বাড়িয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারের সঙ্গে অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করছে। অর্থাৎ বর্তমানে আন্তব্যাংক লেনদেনের গড় দরের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেলিং রেট সমান করতে চাইছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে জন্য এই দর বাড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সেলিং রেট আন্তব্যাংকের সঙ্গে এক দরে নিয়ে এলে সামস্টিক অর্থনীতির জন্য ভালো হবে বলে আমি মনে করি।’

আন্তব্যাংক ও গ্রাহক পর্যায়ে সব ব্যাংকেই বর্তমানে ভাসমান বিনিময় দর অনুসরণ করছে। তবে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির ক্ষেত্রে নিজেদের নির্ধারিত আলাদা ‘দর’ অনুসরণ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যাকে বলা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সেলিং রেট’। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক যে দামে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করত সেটিকে ‘ইন্টারব্যাংক এক্সচেঞ্জ রেট’ বা ‘আন্তব্যাংক লেনদেন দর’ নামে অভিহিত করা হতো।

রিজার্ভ আরও কমার শঙ্কা

বাংলাদেশ ব্যাংক যদি বাজারকে ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার নির্ধারণ করতে না দেয় এবং ঋণের ওপর ৯ শতাংশ সুদের হারের সীমা তুলে না নেয়, তাহলে রিজার্ভ আরও কমে যেতে পারে বলে মনে করছেন আহসান মনসুর। তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে অবস্থান নিয়েছে, তা এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও প্রকট করবে। বাজারভিত্তিক এক্সচেঞ্জ রেট চালু না করলে বাজারে বিপুল পরিমাণ ডলার বিনিয়োগ ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।’

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলে (আইএমএফ) গুরুত্বপর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসা এই অর্থনীতিবিদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘গত ১০ মাসে উচ্চ মূল্যস্ফীতি সত্ত্বেও ঋণগ্রহীতা ও জনগণের একটি অংশের মধ্যে পণ্যভোগের চাহিদা এখনো বেশি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আমদানি কিছুটা কমে যাওয়ায় চাহিদা বেড়েছে। কিন্তু বাজারভিত্তিক এক্সচেঞ্জের অনুমতি দেয়া হলে স্থানীয় মুদ্রার আরও অবমূল্যায়ন হবে, যা চাহিদা কমাতে সহায়ক হবে।’

আরও পড়ুন:
জানুয়ারি থেকে ডলার সংকট থাকবে না: গভর্নর
বস্তায় নয়, এখন ঘুষ লেনদেন ডলারে: হাইকোর্ট
রেমিট্যান্স পাঠাতে চার্জ লাগবে না প্রবাসীদের
ডলারসংকটে বিপাকে পোশাক রপ্তানিকারকরা
৪ মাসেই ৫ বিলিয়ন বিক্রি, তারপরও ডলার নেই ব্যাংকে

মন্তব্য

p
উপরে