× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The bank can pay interest on the deposit
hear-news
player
google_news print-icon

আমানতে ইচ্ছেমতো সুদ দিতে পারবে ব্যাংক

আমানতে-ইচ্ছেমতো-সুদ-দিতে-পারবে-ব্যাংক
চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে ব্যাংকের আমানতের ওপর সুদ হারে বেঁধে দেয়া সীমারেখা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতের সুদ হার নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারবে।

ব্যাংকের আমানতের ওপর সুদ হারে বেঁধে দেয়া সীমারেখা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমানতের সুদ হার নিজেরাই নির্ধারণ করতে পারবে। অর্থাৎ গ্রাহককে ইচ্ছেমতো হারে সুদ দিতে পারবে প্রতিষ্ঠান।

রোববার চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরের শেষ ছয় মাসের জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে এ কথা বলা হয়েছে। মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

আমানতে সুদের সীমা পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়েছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, ‘এখন থেকে ব্যাংকগুলো সামর্থ্য অনুযায়ী আমানতের সুদ দেবে।’

আমানত কমে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে গভর্নর বলেন, ‘আমানত কমেনি, আমানতের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আগে আমানতের প্রবৃদ্ধি অনেক ছিল। এখন সেটা ৮ শতাংশে নেমে গেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ ব্যক্তি আমানত। এই আমানত ঠিকই আছে। কমেছে সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানত।

ভোক্তা ঋণে সুদ হার ১২ শতাংশ

নতুন মুদ্রানীতিতে ভোক্তা ঋণের সুদ হার বাড়ানোরও ঘোষণা দেয়া হয়েছে মুদ্রা নীতিতে। ভোক্তা ঋণে সুদ হার ৩ শতাংশ বাড়িয়ে ১২ শতাংশ করা হয়েছে। তবে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া সব ধরনের ঋণের সুদ আগের মতোই ৯ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ভোক্তা ঋণের ক্ষেত্রে সুদ হার ৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বর্তমানে ব্যাংকের সব ধরনের ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশে বেঁধে রাখা হয়েছে। এখন সেখানে ভোক্তা ঋণের সুদ হার বাড়িয়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত করতে পারবে ব্যাংকগুলো।

তবে শিল্পঋণসহ অন্যান্য ঋণের ক্ষেত্রে সুদ হার বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, অন্যান্য ঋণের বেঁধে দেয়া সুদ হার তুলে নেয়ার বিষয়টি বিবেচনাধীন থাকবে।

ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশ রেখে নীতি সুদ হার বৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে গর্ভনর বলেন, ‘আমরা একটা ভালো সময়ের জন্য অপেক্ষা করছি। যখন ইকোনমিক অবস্থা ভালো হবে তখন আস্তে আস্তে ঋণের সুদ হার তুলে নেয়া হবে। এখন ৯ শতাংশ সীমা তুলে দিলে ১৮ শতাংশ সুদে কে বিনিয়োগ করবে?’

২০২০ সালের এপ্রিল মাসে আমানত-ঋণের সুদ হার নিদির্ষ্ট করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন ঠিক হয় ক্রেডিট কার্ড ছাড়া যেকোনো ঋণের সর্বোচ্চ সুদ হার হবে ৯ শতাংশ, আর আমানতের সর্বোচ্চ সুদ হার হবে ৬ শতাংশ।

করোনা শুরুর আগে দেশের প্রায় সব বেসরকারি ব্যাংক আমানতের তীব্র সংকটে ছিল। তখন বেশি সুদের অফার দিয়ে অন্য ব্যাংকের গ্রাহককে নিজ প্রতিষ্ঠানের দখলে নেয়ার প্রতিযোগিতায় ছিলেন ব্যাংকাররা।

কিন্তু করোনোর প্রাদুর্ভাবের শুরুতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতি হারালে ঋণের চাহিদা যায় কমে। বিনিয়োগ-খরায় দেশের মুদ্রাবাজারে তৈরি হয় অলস তারল্যের পাহাড়।

এমন পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষায় উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

২০২১ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার দিয়ে জানায়, ‘মেয়াদি আমানতে সুদ হার আগের তিন মাসের গড় মূল্যস্ফীতির কম থাকা চলবে না।’

বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি যেখানে উঠেছে, তাতে ব্যাংকগুলোকে আমানতের সুদ হারও বাড়াতে হয়। সবশেষ মূল্যস্ফীতির যে তথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরো দিয়েছে সেখানে দেখা গেছে, গত বছরের ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। কিন্তু ঋণের সুদ নির্দিষ্ট থাকায় ঋণ ও আমানতের সুদের মধ্যে সমন্বয় করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। এ জন্য ব্যাংকগুলো ঋণ ও আমানতের সুদ হার তুলে নেয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল।

আরও পড়ুন:
মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে নীতি সুদহার বৃদ্ধি
আইএমএফের শর্ত মেনে মুদ্রানীতি ঘোষণা রোববার
বছরে দুইবার মুদ্রানীতি আবার
ব্যাংকঋণের সুদের সীমা ৯ শতাংশ উঠে যাবে?
মহামারি সামাল দিতে এবারও সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
34 48 growth in premium collection for Zenith Islami Life

প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮% প্রবৃদ্ধি জেনিথ ইসলামী লাইফের

প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮% প্রবৃদ্ধি জেনিথ ইসলামী লাইফের জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ব্যানার। ছবি: সংগৃহীত
হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গত বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ।

গত বছর প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি জীবনবিমা কোম্পানি জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের।

কোম্পানিটি ব্যবস্থাপনা খাতে আগের বছরের চেয়ে ২.৬৭ শতাংশ কম ব্যয় করেছে।

বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (আইডিআরএ) জেনিথের জমা দেয়া হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গত বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ।

কোম্পানিটি এককালীন ও গ্রুপ বিমা ছাড়া প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ১৮ কোটি ২ লাখ টাকার, যা আগের বছরে ছিল ১৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ২০২২ সালে কোম্পানিটির প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বা ৩৩.৬৮ শতাংশ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Daraj will lay off people in South Asia including Bangladesh

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় লোক ছাঁটাই করবে দারাজ

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় লোক ছাঁটাই করবে দারাজ দারাজের লোগো
‘বর্তমান বাজার বাস্তবতা’ বিবেচনায় দারাজের সিইও কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের কথা সোমবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন । পরে তার লেখা সেই চিঠি প্ল্যাটফর্মটির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।

চীনা ই-কমার্স জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান আলিবাবার মালিকানাধীন অনলাইন বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ১১ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।

দারাজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিয়ার্ক মিক্কেলসেনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘বর্তমান বাজার বাস্তবতা’ বিবেচনায় দারাজের সিইও কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের কথা সোমবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন । পরে তার লেখা সেই চিঠি প্ল্যাটফর্মটির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে মিক্কেলসেন ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, উচ্চ কর এবং দারাজের আঞ্চলিক বাজারগুলোতে সরকারি ভর্তুকি প্রত্যাহারের মতো বিষয় কঠিন বাজার পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দারাজের আঞ্চলিক প্রায় ৩ হাজার কর্মী রয়েছে। দারাজের এই সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে কর্মরত অন্তত ১০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের মুখে পড়বেন বলে জানিয়েছেন বিয়ার্ক মিক্কেলসেন।

২০২১ সালে দারাজ জানায়, তাদের গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটি ও কর্মীর সংখ্যা ১০ হাজার। গত দুই বছরে কোম্পানিটি পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে।

আরও পড়ুন:
দারাজ অ্যাপে প্রতিদিন বিপিএল দেখছেন ১০ লাখ মানুষ
দারাজ অ্যাপে বিপিএল দেখার সুযোগ
দারাজ সেল ক্যাম্পেইন ‘১১.১১’ শুরু ১১ নভেম্বর
আট বছরে দারাজ
‘কিপ ইট রিয়েল’ থিমে শুরু রিয়েলমি ফ্যান ফেস্ট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
13 thousand crores owed by the government to 5 mobile companies

৫ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়া ১৩ হাজার কোটি টাকা

৫ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়া ১৩ হাজার কোটি টাকা
রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে সরকারের পাওনা এক হাজার ৬৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বন্ধ হয়ে যাওয়া একটিসহ দেশের পাঁচ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়ার পরিমাণ ১৩ হাজার ৪০৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

জাতীয় সংসদে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম সরওয়ার জাহানের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার এ তথ্য জানান মোস্তফা জব্বার। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৫ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ৭২৯ কোটি ২৩ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। বাংলালিংক ডিজিটালের কাছে ২০২১ সালের নিলামে বরাদ্দকৃত তরঙ্গের দ্বিতীয় কিস্তি এবং ২০২২ সালের তরঙ্গ নিলামের ডাউন পেমেন্ট বাবদ ২৭৩ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার ২৯২ টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে সরকারের পাওনা এক হাজার ৬৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বলেও জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, টেলিটকের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে এক হাজার ৫৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা থ্রিজি স্পেকট্রাম অ্যাসাইনমেন্ট ফি বাবদ। স্পেকট্রাম চার্জ বাবদ ২৭ কোটি ১৫ লাখ, রেভিনিউ শেয়ার বাবদ ৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ও এসওএফ বাবদ ৪৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা ১২৮ কোটি ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোহম্মদ হাবিব হাসানের প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডাক ও টেলিযোগ বিভাগের আওতাধীন বিটিআরসি কর্তৃক গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইস্যূকৃত বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা কলসেন্টার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৭৯টি। অপারেশনাল কল সেন্টারের সংখ্যা ৬৮ টি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কল সেন্টার ৪৫ টি, অভ্যন্তরীন কল সেন্টারের সংখ্যা ২৩ টি।

ডাক অধিদপ্তরের প্রচলিত অর্থে কোনো কল সেন্টার নেই বলে জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ডাকঘরসমূহকে কল সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। সকল ডাকঘরে এ ধরনের কল সেন্টার তৈরির জন্য পর্যাপ্ত ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন। এছাড়াও ডাক বিভাগের প্রতিটি ইউনিটের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার নাম ও টেলিফোন নম্বর ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভারতের সঙ্গে আইপি ট্রানজিট লিজ প্রদান সংক্রান্ত একটি চুক্তি ২০১৫ সালের ৬ জুন স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী দেশটির পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলির জন্য প্রাথমিক অবস্থায় ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ বাংলাদেশ হতে লিজ প্রদান করা হয়। বিএসসিসিএল বর্তমানে ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি বিএসএনএলকে ত্রিপুরায়য় ২০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করছে।

আরও পড়ুন:
গেম খেলায় বাধা দেয়ায় লাঠির আঘাত, বৃদ্ধের মৃত্যু
সাইবার হামলার শিকার মোবাইলফোন অপারেটর: পলক
মোবাইলের আইএমইআই বদলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের কারখানা 
পারিশার ফোনটি ৪ হাজারে বিক্রি
৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IMF loan Revenue should be increased by Tk 2 lakh 34 thousand crore

আইএমএফের ঋণ: রাজস্ব বাড়াতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা

আইএমএফের ঋণ: রাজস্ব বাড়াতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে আইএমএফ-এর ঋণ ও সংস্কারের শর্ত নিয়ে কথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার ও মানসিকতার বদল করা না গেলে আইএমএফের শর্ত মেনে রাজস্ব খাতের সংস্কার বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তবে এর বিকল্পও নেই। বড় ধরনের সংস্কার না হলে আসন্ন কিস্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা অতীতে হয়েছে।’

রাজস্ব খাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ করতে আগামী অর্থবছর থেকেই ধাপে ধাপে বাড়াতে হবে রাজস্ব আয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে হবে।

আইএমএমের ঋণ কর্মসূচির সবশেষ বছর অর্থাৎ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ বিলিয়ন টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হবে বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)।

সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। এ সময় রাজস্ব খাতে আইএমএফের শর্ত মেনে সরকারের যেসব সংস্কার করতে হবে, সে ব্যাপারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা পরিচালক এম এ রাজ্জাক।

পিআরআই বলছে, আইএমএফের ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে রাজস্ব আয় বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না পাওয়া গেলেও বাজেটের আগে ধাপে ধাপে তা আসবে। তবে আইএমএফের চাপে নয়; বরং নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতেই এই সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করে সংস্থাটি।

মূল প্রবন্ধে এম এ রাজ্জাক বলেন, আইএমএফ-এর শর্ত মেনে ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থবছরে বাজেটের মূল রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ হাজার কোটি টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে হবে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫০ বিলিয়ন বা ৬৫ হাজার কোটি টাকা আয় করতে হবে।

এর পরের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুনে সমাপ্ত বছরে বর্তমান বছরের লক্ষ্যমাত্রা থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে হবে ১ হাজার ৩৮৩ বিলিয়ন টাকা বা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

আইএমএমের ঋণ কর্মসূচির সর্বশেষ বছর অর্থাৎ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ বিলিয়ন টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরের বাজেটে এনবিআরকে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে।

পিআরআই গবেষণা পরিচালক আরও বলেন, রাজস্ব খাতের ক্ষেত্রে আইএমএফের সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জের হবে। তবে এটা অসম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের সদিচ্ছার পাশাপাশি রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে।

এম এ রাজ্জাক জানান, আইএমএফ বলেছে আমাদের এই মুহূর্তে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বাড়াতে হবে। বর্তমানে তাদের হিসাবে এটা ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। শর্ত অনুযায়ী জিডিপিতে করের অবদান সাত দশমিক ৮ থেকে ২০২৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক তিন শতাংশ, ২০২৫ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৬ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এটা ম্যানেজ করা টাফ।

গত ৩-৪ বছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১০ থেকে ১৩ ভাগের মধ্যে থাকছে। এজন্য রাজস্ব আদায় ১৮ শতাংশ বাড়াতে হবে। এ বছরের বাজেটে সরকারের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে। এটা কম হওয়ার ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আমরা পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয় করতে পারছি না।

আইএমএফ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি বন্ধের কথা বলেছে। এ বছর প্রবৃদ্ধির যে প্রাক্কলন করা হয়েছিল সেটা আইএমএফ কমিয়ে দিয়েছে।

এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার ও মানসিকতার বদল করা না গেলে আইএমএফের শর্ত মেনে রাজস্ব খাতের সংস্কার বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করেন পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, ‘এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা খুবই কঠিন। তবে এর কোনো বিকল্প নেই। বড় ধরনের সংস্কার সম্পন্ন না হলে আসন্ন কিস্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা অতীতে হয়েছে। সংস্কার না হলে অর্জিত তো হবেই না বরং ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কমে যেতে পারে। গত ৫ বছরে প্রতি বছর একটু একটু করে এটা কমেছে।’

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘অন্য দেশে কর হার বাড়িয়ে এটা আদায় সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশে কর হার এমনিতেই বেশি। এজন্য এটা আদায় করতে কষ্ট করতে হবে। এখানে সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।’

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ
আইএমএফের ঋণ অনুমোদন স্বস্তির: ঢাকা চেম্বার
বাংলাদেশ যা চেয়েছিল, আইএমএফ দিচ্ছে তারও বেশি
৪৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন দিল আইএমএফ
ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে: আইএমএফ ডিএমডি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Adanis electricity will come in early March

আদানির বিদ্যুৎ আসবে মার্চের শুরুতেই

আদানির বিদ্যুৎ আসবে মার্চের শুরুতেই ফাইল ছবি
নসরুল হামিদ বলেন, আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কমিশনিং হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

ভারতীয় শিল্পগ্রুপ আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রোববার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে এ কথা জানিয়েছেন।

নসরুল হামিদ বলেন, আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কমিশনিং হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

তিনি বলেন, আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। আমরা প্রতিযোগিতামুলক বাজার দরেই বিদ্যুৎ পাব। এ নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই। মার্চে প্রথম ইউনিট থেকে আসবে ৭৫০ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে এপ্রিল মাসে।

ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসার কথা আগামী ২৬ মার্চ। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে জানানোও হয়। তবে এখন প্রায় এক মাস এগিয়ে এনে ২৮ ফেব্রুয়ারি আনার কথা বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসছে সেচ ও গীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। আমাদের বেশকিছু কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। রামপাল এসেছে, এসএস পাওয়ার আসবে, বরিশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসবে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নিয়েছি, সেচ মৌসুম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি শুরু হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাবে। স্পর্ট মার্কেট থেকে ৮ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
গ্যাসের নতুন দর ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর না করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি নাকচ করে দেন তিনি।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সারসংক্ষেপে বলা হয়, আদানি গ্রুপের গোড্ডা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন (সিওডি বা কমার্শিয়াল অপারেশন ডেট) ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ ঠিক করা হয়েছে।

এরই মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পুঁজিবাজার বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ আদানির শেয়ারবাজারে বাজারে কারসাজি এবং অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতির বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে আদানি গ্রুপের শেয়ার মার্কেট থেকে ১১০ বিলিয়ন ডলার হারানোর তথ্য দেয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

আরও পড়ুন:
আসছে কয়লা, ফের উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
পল্লী বিদ্যুৎ রিচার্জ কার্ডে ২৪০ ডিজিট, ভোগান্তি
১৯ দিন পর আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Per capita income decreased to 2793 dollars

মাথাপিছু আয় কমে ২৭৯৩ ডলার

মাথাপিছু আয় কমে ২৭৯৩ ডলার টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ছবি: নিউজবাংলা
মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার কারণ জানতে চাইলে বিবিএসের মহাপরিচালক মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই বছরের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। গত অর্থবছরের শেষের চার মাসের বেশি সময় (২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) গেছে উত্তাল যুদ্ধের মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সেই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে।

চূড়ান্ত হিসাবে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কমে ২ হাজার ৭৯৩ ডলারে নেমে এসেছে। সাময়িক হিসাবে এই আয় ছিল ২ হাজার ৮২৪ ডলার। মাথাপিছু আয় কমার পাশাপাশি মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধিও কমে ৭ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চূড়ান্ত এই হিসাব রোববার প্রকাশ করেছে। গত বছরের ১০ মে সাময়িক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২১-২২ অর্থবছর শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ৩০ জুন। সাত মাসের বেশি সময় পার হওয়ার পর রোববার জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়সহ ওই অর্থবছরের অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করলো পরিসংখ্যান ব্যুরো।

মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার কারণ জানতে চাইলে বিবিএসের মহাপরিচালক মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই বছরের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। গত অর্থবছরের শেষের চার মাসের বেশি সময় (২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) গেছে উত্তাল যুদ্ধের মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সেই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। বিনিয়োগ কমেছে। সব মিলিয়েই জিডিপি প্রবৃদ্ধি খানিকটা কমেছে। এর ফলে মাথাপিছু আয়ও ৩১ ডলার কমে গেছে।’

তবে বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে এই প্রবৃদ্ধি ‘খুবই ভালো’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৭ দশমিক ১০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এটাই প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। জিডিপির এই তথ্য হিসাবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের এদিক-সেদিক করা হয়নি। সারা দেশ থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে, সেটাই প্রকাশ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অর্থনৈতিক সংকটেও বাড়ল মাথাপিছু আয়
এক বছরে মাথাপিছু আয়ে যোগ প্রায় ২২ হাজার টাকা
মাথাপিছু আয় ২৫৯১ ডলার
অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় হবে ২৭৮৫ ডলার
নতুন হিসাবে অর্থনীতি আরও বড়, মাথাপিছু আয়ও বেশি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Made in Bangladesh should go ahead Prime Minister

‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত ‘বিনিয়োগ ভবন’ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ (বাঁয়ে) অতিথিরা। ছবি: পিএমও
স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এই স্লোগান সামনে নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। কাজেই আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক এবং বাংলাদেশ কারও ওপর নির্ভরশীল থাকবে না; আত্মনির্ভরশীল হবে, আত্মমর্যাদাশীল হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের এটাই লক্ষ্য।”

স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার দুপুরে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন। বর্তমানে রাজস্ব বোর্ড দেশের মোট রাজস্বের ৮৬ শতাংশের বেশি আহরণ করছে।

সরকারের লক্ষ্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ি তুলতে চাই। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট ইকনোমি। স্মার্ট ইকনোমি গঠনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ, এটাই আমাদের লক্ষ্য, যেটা ১৯৪১ সালে আমরা করতে চাই।

‘২০৪১ সালের মধ্যে আমরা এটা অর্জন করতে চাই। কাজেই সেই লক্ষ্য সামনে নিয়েই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।’

এনবিআরের নানা কার্যক্রম নিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, চোরাচালান দমনের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা প্রদানে ভূমিকা রাখছে বোর্ড।

উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়া বাংলাদেশের করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। কাজেই এই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, বাণিজ্য সহজিকীকরণের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানিমুখী ভারী শিল্প বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান (করতে হবে)।’

স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এই স্লোগান সামনে নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। কাজেই আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক এবং বাংলাদেশ কারও ওপর নির্ভরশীল থাকবে না; আত্মনির্ভরশীল হবে, আত্মমর্যাদাশীল হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের এটাই লক্ষ্য।”

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
অনির্বাচিত সরকার এলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়: প্রধানমন্ত্রী
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী
রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান

মন্তব্য

p
উপরে