× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
93 million dollars in remittances within 13 days
google_news print-icon

রেমিট্যান্সে ফের সুবাতাস, ১৩ দিনেই ৯৩ কোটি ডলার

রেমিট্যান্সে-ফের-সুবাতাস-১৩-দিনেই-৯৩-কোটি-ডলার
নতুন বছরের প্রথম মাসের ১৩ দিনে যে হারে রেমিট্যান্স এসেছে, মাসের বাকি ১৮ দিনে সেই হারে আসলে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সের পরিমাণ জুলাই ও আগস্ট মাসের মতো ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ফের সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরের মতো নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতেও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকে উল্লম্ফন দেখা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার রেমিট্যান্স প্রবাহের সাপ্তাহিক যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৩ দিনে (১ থেকে ১৩ জানুয়ারি) প্রায় ৯৩ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতি দিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ১৭০ কোটি (১.৭০ বিলিয়ন) ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। যা ছিল চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার। অক্টোবর ও নভেম্বরে এসেছিল যথাক্রমে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ও ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। হিসাব করে দেখা যায়, এই চার মাসে প্রতি দিন গড়ে ৬ কোটি ডলারের কম রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে অবশ্য ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল।

নতুন বছরের প্রথম মাসের ১৩ দিনে যে হারে রেমিট্যান্স এসেছে, মাসের বাকি ১৮ দিনে সেই হারে আসলে জানুয়ারিতে রেমিট্যান্সের পরিমাণ জুলাই ও আগস্ট মাসের মতো ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এই ১৩ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ১৩ কোটি ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৭৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার। আর নয়টি কেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

ক্যালেন্ডার বছরের হিসাবে ২০২২ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী সোয়া কোটি প্রবাসী ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সব মিলিয়ে ২ হাজার ১২৮ কোটি ৫৪ লাখ (২১.২৮ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই অঙ্ক আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। ২০২১ সালে ২ হাজার ২০৭ কোটি ২৫ লাখ (২২.০৭ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

গত বছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ লোক কাজের জন্য বিভিন্ন দেশে গেছেন। যা আগের বছরের চেয়ে ৮৬ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি। ২০২১ সালে জনশক্তি রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জন। অর্থাৎ আগের বছরের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ মানুষ বিদেশ গেলেও টাকা আসলো কম।

জনশক্তি রপ্তানিকারক, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকের চেয়ে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় একটু বেশি টাকা পাওয়ায় প্রবাসীরা অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানোয় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কমেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স বেশ খানিকটা বেড়েছে। এই মাসে ১৭০ কোটি (১.৭০ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরের চেয়ে বেশি ৪ দশমিক ২৩ শতাংশ।

আগের তিন মাস নভেম্বর, অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে এসেছিল যথাক্রমে ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ, ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ এবং ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। তার আগের দুই মাসেই ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। জুলাই মাসে এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার; আগস্টে আসে ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার।

সব মিলিয়ে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথমার্ধে অর্থাৎ জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ১ হাজার ৪৯ কোটি ৩২ লাখ (১০.৪৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ১০ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসহ নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যেও জনশক্তি রপ্তানিতে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) ২০২২ সালের জনশক্তি রপ্তানি তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, গত বছরে সব মিলিয়ে ১১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ জন লোককে কাজের জন্য বিভিন্ন দেশে গেছেন। এর আগে কোনো বছরেও এত লোক কাজের সন্ধানে বিদেশে যাননি।

জনশক্তি রপ্তানিতে এই উল্লম্ফনে সন্তোষ প্রকাশ করে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সভাপতি আবুল বাশার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই যে আমরা সাড়ে ১১ লাখ লোককে বিদেশে পাঠালাম, এটি একটি বিশাল বড় ঘটনা। এর ফলেই গত কয়েক মাস ধরে রেমিট্যান্স ফের বাড়তে শুরু করেছে। আরও বাড়তো যৈতি অবৈধ হুন্ডি বন্ধ করা যেতো। করোনা মহামারির কারণে সব কিছু বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী অবৈধ হুন্ডি কর্মকাণ্ড বন্ধ ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই ফের হুন্ডি কর্মকাণ্ড চালু হয়েছে। ডলারের বাজারের অস্থিরতার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, ‘২০২২ সালে যারা বিভিন্ন দেশে গেছেন, তারা বেশিরভাগ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। বেতন পাচ্ছেন; দেশে পরিবার-পরিজনের কাছে টাকা পাঠাচ্ছেন। সে হিসাবে রেমিট্যান্সের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু সেটি হচ্ছে না। এটি একটি উদ্বেগের বিষয়।’

আবুল বাশার বলেন, ‘এখানে প্রবাসী ভাই-বোনদের কোনো দোষ আমি দেখি না। তারা প্রতি ডলারে দুই-তিন টাকা বেশি পাচ্ছেন বলেই ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা না পাঠিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে পাঠাচ্ছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক হুন্ডি বন্ধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। হুন্ডি বন্ধে সরকারের কাছে আমার একটা প্রস্তাব আছে। ব্যাংকিং চ্যানেলে বা বৈধপথে টাকা পাঠালে সরকার এখন যে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। তা বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করলে হুন্ডি বন্ধ হবে বলে আমি মনে করি।’

তবে ভিন্ন কথা বলেছেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রণোদনা দিয়ে রেমিট্যান্সের ইতিবাচক ধারা কখনই ধরে রাখা যাবে না। হুন্ডি বন্ধ করতেই তো সরকার প্রথমে ২ শতাংশ, পরে তা আরও বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করেছে। কিন্তু হুন্ডি তো বন্ধ হচ্ছে না; উল্টো আরও বাড়ছে। এখানে যে কাজটি করতে হবে, তা হলো, ডলারের বাজারকে স্থিতিশীল করতে হবে। কার্ব মার্কেট ও ব্যাংকের ডলারের দামের পার্থক্য কমিয়ে আনতে হবে। যত দিন এই পার্থক্য বেশি থাকবে ততো দিন হুন্ডি বন্ধ হবে না।’

আহসান মনসুর বলেন, ‘খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দর এখন ১১১থেকে ১১২ টাকা। ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে ১০৭ টাকা পাওয়া যায়। তার সঙ্গে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা যোগ হয়ে পাওয়া যায় ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আর হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে, যার নামে পাঠান তিনি ১১২ টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন। এ কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বেড়ে গেছে।’

বিএমইটির তথ্যে দেখা যায় ২০২১ সালে বাংলাদেশ থেকে ৬ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জন লোক কাজের সন্ধানে বিভিন্ন দেশে গিয়েছিলেন। তার আগের বছর ২০২০ সালে করোনার কারণে এই সংখ্যা ছিল একেবারেই কম; ২ লাখ ১৭ হাজার ২০৯ জন।

অর্থবছরের হিসাবে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে ২১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১২ শতাংশ কম। ২০২০-২১ অর্থবছরে অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ২৪ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে। যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি।

আরও পড়ুন:
নতুন বছরেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা
রেমিট্যান্সে সৌদিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
কঠিন সময়ে রপ্তানির চমক, রেকর্ড গড়ল ডিসেম্বর
জনশক্তি রপ্তানি দ্বিগুণ, তবু কমল রেমিট্যান্স
রেমিট্যান্স ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
A chance to become a nonstop millionaire by buying Walton products

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর লোগো উন্মোচন করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার। ছবি: ওয়ালটন
এবারের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ উদ্বোধন করেন পরীমনি। লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

‘সেরা পণ্যে সেরা অফার’ স্লোগানো সারা দেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। প্রতিবারের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও ক্রেতাদের জন্য থাকছে বিশেষ চমক।

সিজন-২০ এ ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ শীর্ষক সুবিধা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এর আগেও ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন ৩০ জন ক্রেতা। ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে আবারও এই সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিজন-২০ চলাকালে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক, শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন এবং নির্দিষ্ট মডেলের ফ্যান কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। ১ মার্চ থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরুর পর পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত মিলিয়নিয়ার হওয়ার এই সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী সিজন-২০-এর উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি। পাশাপাশি সিজন-২০ এর লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ
ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: ওয়ালটন

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. তানভীর রহমান, আরিফুল আম্বিয়া, দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), ফিরোজ আলম, আমিন খান, শাহজালাল হোসেন লিমন, তোফায়েল আহমেদ, সোহেল রানা ও মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে সদ্য নিযুক্ত জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি বলেন, ‘ওয়ালটন পণ্য এখন আমাদের সবার ঘরে ঘরে। আমার ঘরেও আছে ওয়ালটন ফ্রিজ সহ নানান পণ্য। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ওয়ালটন পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে ৪০টিরও বেশি দেশে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ওয়ালটন পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘ওয়ালটন শুধু বলার জন্যই বলে না; ওয়ালটন করেও দেখায়। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় ইতোমধ্যে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৩০ জন ক্রেতা। ওয়ালটন এদের জীবন পুরো পাল্টে দিয়েছে। ওয়ালটনের এই উদ্যোগ সত্যিই খুবই প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রমের সঙ্গে এবার আমাকে যুক্ত করায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ।’

অনুষ্ঠানে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তুলে ধরে ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান বলেন, “সারা দেশে ইতোমধ্যে ক্যাম্পেইনের ১৯টি সিজন বেশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের কাছ থেকে পেয়েছি অভূতপূর্ব সাড়া। এরই প্রেক্ষিতে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শুরু করা হয়েছে সিজন-২০। এর আওতায় ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনও শতভাগ সফল হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”

সিজন-২০ চলাকালে ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে পণ্য কেনার পর পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা বা শোরুম ক্রেতাদেরকে উপহার বুঝিয়ে দিবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
How much is the price of electricity increasing in which sector?

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম

কোন খাতে কত বাড়ছে বিদ্যুতের দাম
দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

এক বছরের মাথায় গ্রাহক পর্যায়ে ফের বাড়ছে বিদ্যুতের দাম। সরকারের নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে সাড়ে আট শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। নতুন দর অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গ্রাহককে অতিরিক্ত গুনতে হবে ৭০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের বিল থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর করা হবে।

নির্বাহী আদেশে বিদ্যুতের নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতে ভর্তুকিতে ডলারের তারতম্যটাই মূল বিষয়। গ্যাসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ফলে এবার বিদ্যুতের ভর্তুকি গিয়ে দাঁড়াবে ৪৩ হাজার কোটি টাকায়। সে কারণে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দাম সমন্বয়ে যেতে হবে। আমরা ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে মূল্য সমন্বয়ে যাব।’

নিচের দিকে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ওপরের দিকে ৭০ পয়সা বাড়বে। অর্থাৎ নিচের দিকে ৫ শতাংশ ও ওপরের দিকে দাম বাড়বে সাড়ে ৮ শতাংশের মতো। ফলে মাসশেষে হয়ত ১০০ টাকায় ৫ থেকে ৮ টাকা বাড়তি দিতে হতে পারে।’

প্রতিমন্ত্রী জানান, ডলারের দামের তারতম্যের কারণে বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে, যা আগে ৭ থেকে ৮ টাকা ছিল। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ৭ টাকায় বিক্রি করছে সরকার।

তবে দাম বাড়ালেও সমন্বয়টা বেশি ব্যবহারকারীদের ওপর দিয়ে বেশি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের কারণে জনজীবনে এর প্রভাব কেমন পড়বে- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিশেষজ্ঞদের কথায় মনে হচ্ছে, অত বেশি পরিবর্তন ঘটবে না। খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’

নতুন মূল্য কার্যকরের সময় জানাতে তিনি বলেন, ‘ডায়নামিক প্রাইসে (পরিবর্তিত মূল্যে) তেলের দাম নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে সেটি কার্যকর করা শুরু হবে। আর বিদ্যুতের দাম যেটা বেড়েছে, সেটা ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর হবে।’

নসরুল হামিদ বলেন, ‘আমরা জ্বালানির দাম সমন্বয় করেছি বিদ্যুতে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো যে দামে গ্যাস নিত, সেখানে আমরা ৭০ পয়সার মতো সমন্বয় করেছি। আর তেলের দামও ডায়নামিক প্রাইসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

‘কয়লা, তেল ও গ্যাসসহ জ্বালানি আমরা যে দামে কিনতাম, সেখানে একটা ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। গত বছরে মারাত্মকভাবে এ পরিবর্তন এসেছে, যে কারণে ডলারের সঙ্গে জ্বালানির দাম সমন্বয় করার চিন্তাভাবনা করছিলাম। জ্বালানির ব্যাপারেও একটা ডায়নামিক প্রাইসের দিকে যাচ্ছি, যেটা পয়লা মার্চ থেকে শুরু হবে। কাল-পরশুর মধ্যেই এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ডায়নামিক প্রাইসের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বে যদি জ্বালানির দাম বাড়ে, তাহলে আমাদের দেশেও সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়বে। আবার বিশ্বে যদি কমে, আমাদের দেশেও কমবে।

‘এটা প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে করা হবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ প্রতিদিন এটা করে। যেমন কলকাতার কথা যদি বলি, সেখানে এক লিটার ডিজেলের দাম ১৩৩ টাকা। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম ১০৯ টাকা।’

এভাবে গ্যাসের দামও সরকারকে ডলারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস আমদানি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি তা সারের সঙ্গে যদি মিক্স করি, তাহলে ২৪ টাকার ওপরে পড়ে যায়। সারকে এ গ্যাস দিচ্ছি ১৬ টাকা রেটে, বিদ্যুতকে দিচ্ছি ১৪ টাকা রেটে। যে কারণে গ্যাসের দাম ১৪ টাকা ৭০ পয়সা করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The electricity price hike is effective from February not March

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর

মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

বিদ্যুতের দাম খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ ও পাইকারি পর্যায়ে ৫ দশমিক শূন্য ৭৪ শতাংশ বাড়ছে। আর বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ মার্চ মাস থেকেই গ্রাহকদের বাড়তি বিল দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিষয়ে আজই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী এর আগে মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, মার্চ থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে।

নসরুল হামিদ বলেন, ‘বিদ্যুতের এই দাম বৃদ্ধির পরিমাণ খুবই অল্প। কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের কম আর বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের বেশি দাম দিতে হবে।

‘সব ধরনের গ্রাহকের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৩৪ পয়সা থেকে ৭০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানো হবে। আর শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম প্রতি ইউনিটে ৭৫ পয়সা বাড়বে।’

তিনি জানান, ১ মার্চ থেকে গ্রাহক পর্যায়ে জ্বালানির নতুন মূল্য চালু করা হবে। এর অধীনেই আন্তর্জাতিক বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পেট্রোলিয়ামের দাম বাড়ানো বা কমানো হবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি মাসে গ্রাহকদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে। প্রতিবেশী দেশ ভারত প্রতিদিনই এটি করছে।’

ডলারের দর বৃদ্ধির কারণে সরকারের যে ক্ষতি হয়েছে তা কমিয়ে আনতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘এ বছর কম দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করায় সরকারের ৪৩ হাজার কোটি টাকা লোকসান হবে।

‘বিদ্যুৎ খাতে এখন যে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে তা থেকে বেরিয়ে আসার সরকারি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’

বিপিডিবির ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯৮ হাজার ৬৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৭ হাজার ২৪ মিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ১১ টাকা ৩৩ পয়সা এবং প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিক্রি করতে খরচ হয়েছে ৬ টাকা ৭০ পয়সা। এতে ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে প্রায় ৪ টাকা ৬৩ পয়সা।

এই ভারসাম্যহীনতার কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৪৭ হাজার ৭৮৮ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কারণ বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক উৎস থেকে অতি উচ্চ মূল্যে বিদ্যুৎ কিনেছে সরকার।

বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছ থেকে ৮২ হাজার ৭৭৮ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কিনে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়েছে সরকার। একই সময়ে নিজস্ব কেন্দ্রে ১৩ হাজার ৩০৭ কোটি টাকার বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে।

বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, বিপিডিবির নিজস্ব কেন্দ্রগুলো থেকে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ৭ টাকা ৬৩ পয়সা। সেখানে স্বতন্ত্র বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী বা আইপিপির (বেসরকারি খাত) বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ পড়েছে ১৪ টাকা ৬২ পয়সা। এ ছাড়া রেন্টাল প্ল্যান্টে প্রতি ইউনিটে খরচ হয়েছে ১২ টাকা ৫৩ পয়সা, পাবলিক প্লান্টে ৬ টাকা ৮৫ পয়সা এবং ভারত থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের খরচ ৮ টাকা ৭৭ পয়সা।

প্রসঙ্গত, সরকার বেসরকারি খাত ও ভারত থেকে ডলারে বিদ্যুৎ কিনে থাকে।

আরও পড়ুন:
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The new price of soybean oil comes into effect on Friday

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার
খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

সয়াবিন তেলের নতুন দাম কার্যকর হচ্ছে শুক্রবার (১ মার্চ)। এদিন থেকে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৩ টাকায়। আর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৪৯ টাকায়। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম পড়বে ৮০০ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক টাস্কফোর্সের সভায় সয়াবিন তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়। সেদিনই বলা হয়, ১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন এই দর কার্যকর হবে।

সভায় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভোজ্যতেল আমদানির ওপর লিটারে ৫ টাকা শুল্ক কমিয়েছে। অর্থাৎ সরকার লিটারে ৫ টাকা ছাড় দিয়েছে। রমজান সামনে রেখে এখন আপনারাও ৫ টাকা ছাড় দেন।’

সভায় উপস্থিত মিল মালিক ও তেল পরিশোধনকারীরা তা মেনে নেন। সে হিসাবে প্রতি লিটারে সয়াবিন তেলের দাম কমছে ১০ টাকা।

সয়াবিন তেলের দাম কমানো নিয়ে প্রতিমন্ত্রী টিটু বলেন, ‘রমজানে প্রতি লিটার বোতলের সর্বোচ্চ বাজার মূল্য ১৬৩ টাকা করার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। আগে এর মূল্য ছিল ১৭৩ টাকা এবং তার আগের বছরে ছিল ১৮৫ টাকার মতো।’

তিনি বলেন, ‘ভোজ্যতেলের সঙ্গে অনেক কিছু সম্পৃক্ত। সেহেতু এতে ভোক্তা পর্যায়ে কিছুটা স্বস্তি আসবে এবং খুচরায় আমরা যৌক্তিক পর্যায়ে দাম কমিয়ে আনব। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি খোলা সয়াবিনের সর্বোচ্চ মূল্য থাকবে ১৪৯ টাকা। আর ৫ লিটারের বোতল ৮০০ টাকায় বিক্রি হবে।’

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা আমাদের এটুকু নিশ্চিত করেছেন যে আগামী রমজানে যে পরিমাণ অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বাজারে থাকা দরকার বা মজুদ থাকা দরকার বা পাইপলাইনে থাকা দরকার, তার সবই মোটামুটি পর্যাপ্ত আছে।’

পাম তেলের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি বিষয় জানিয়ে রাখা দরকার, এই প্রথম আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম সয়াবিনের থেকে বেশি। সুতরাং এটি যদি আমরা এখন পুনঃনির্ধারণ করতে যাই, তা ভোক্তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে যাবে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘১ মার্চ থেকে সয়াবিন তেলের নতুন নির্ধারিত দাম কার্যকর হবে। আমাদের এই ট্যারিফ ১৫ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর আমরা বসে প্রতি মাসে যেমন তেলের দাম আমাদের ট্যারিফ ঠিক করে, প্রতিমাসে আমাদের যারা মিলমালিক আছে তাদের সঙ্গে বসে দাম রেগুলার বেসিসে পুনঃনির্ধারণ করে দেব। কারণ ব্যবসায়ীরা যদি ব্যবসা না করতে পারেন তাহলে পণ্য সরবরাহে সংকট দেখা দেবে।’

প্রসঙ্গত, ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয় চারটি পণ্যের শুল্ক কমানোর নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব পণ্য হলো চাল, ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুর। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক কমানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।

আরও পড়ুন:
বাজারে কারসাজির বিরুদ্ধে ইশতেহার অনুযায়ী ব্যবস্থা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাজারে কি ক্রেতার অভাব আছে, প্রশ্ন কাদেরের
সয়াবিন তেলের দাম লিটারে কমল ১০ টাকা, ১ মার্চ থেকে কার্যকর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
TCB is buying 10 million liters of oil and 10 thousand tons of pulses

এক কোটি ১০ লাখ লিটার তেল ও ১০ হাজার টন ডাল কিনছে টিসিবি

এক কোটি ১০ লাখ লিটার তেল ও ১০ হাজার টন ডাল কিনছে টিসিবি ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

ট্রেডিং করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (টিসিবি) তাদের খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কর্মসূচির মাধ্যমে বিক্রির জন্য এক কোটি ১০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল ও ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে।

বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় টিসিবির পক্ষে প্রস্তাবগুলো পেশ করে। প্রস্তাব অনুযায়ী, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড থেকে খোলা দরপত্রের মাধ্যমে ১৭৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল আমদানি করবে টিসিবি। এতে প্রতি লিটারে খরচ হবে ১৬৫ দশমিক ২৫ টাকা।

টিসিবি নাবিল নব ফুড লিমিটেড থেকে প্রতি কেজি ১০৩ দশমিক ০৯ টাকা দরে ৮৩ কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে।

আরও পড়ুন:
টিসিবির সিল তুলে বেশি দামে তেল বিক্রির চেষ্টা, জরিমানা
ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য: জানুয়ারির বিক্রি শুরু
রাজধানীতে সবার জন্য খোলা ট্রাকে আলু-পেঁয়াজ মঙ্গলবার থেকে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The language of womens protest is the curved tip selfie

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি ফেসবুকজুড়ে কপালের টিপ সরিয়ে হচ্ছে প্রতিবাদ। ছবি: সংগৃহীত
অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে নারীদের কপালের বাঁকা টিপের সেলফি। না, এটি কোনো ট্রেন্ড নয়। চলছে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ‘অড ডট সেলফি’।

বাঙালি নারীর সাজসজ্জায় টিপের ব্যবহার কারও অজানা নয়। নারীর চিরাচরিত এই টিপই এবার হয়ে উঠেছে নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষা। ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে রেডিও স্বাধীনের উদ্যোগে চলছে এই অভিনব প্রতিবাদ, যাতে সাড়া দিয়েছেন দেশখ্যাত অভিনয় শিল্পী ও ইনফ্লুয়েন্সাররা।

নারীর প্রতিবাদের ভাষা বাঁকা টিপের সেলফি

মঙ্গলবার ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামে সেলফি পোস্ট করে এই প্রতিবাদ শুরু করেন তারা। কপালের মাঝখান থেকে টিপ একটু সরিয়ে সেলফি তুলে হ্যাশট্যাগ odddotselfie দিয়ে পোস্ট করেন নিজ নিজ প্রোফাইলে। তারা নারীদের আহ্বান জানান সেলফি ও হ্যাশট্যাগসহ প্রতিবাদে যোগ দিতে। এরপর এটি ছড়িয়ে যেতে থাকে সাধারণ মানুষের মাঝেও।

ইনফ্লুয়েন্সাররা বলেন, আমরা নারীরা মন ভালো থাকলে টিপ পরি। এটি আমাদের কালচার। কপালের সেই টিপ সরিয়ে দিয়ে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা এবার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সমাজকর্মী সারা যাকের বলেন, ‘আমাদের দেশের নারীরা প্রতিদিন ঘরে বাইরে নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। কিন্তু সেই অনুপাতে এটা নিয়ে কোনো প্রতিবাদই হচ্ছে না। সবাই মিলে সোচ্চার হওয়ার এখনই সময়। শুধু নিজের জন্য নয়, আশেপাশে কোনো নারীকে নির্যাতিত হতে দেখা মাত্র প্রতিবাদ করা উচিত।’

অপি করিম বলেন, ‘পরিবারে নারীর প্রতি সহিংসতা যেমন বাড়ছে তেমনি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনলাইনে এই হয়রানির মাত্রা বেড়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে না।’

যেকোনো নির্যাতনের শিকার হলে নারীরা বেশিরভাগ সময় তা মুখ বুজে সহ্য করে নেন। কিন্তু নারীর প্রতি সহিংসতা নারীরা মুখ খুললেই বন্ধ হবে। সেই লক্ষ্যেই ‘আমার প্রতিবাদের ভাষা #odddotselfie’ স্লোগানে চলছে এই প্রতিবাদ।

আরও পড়ুন:
সংরক্ষিত নারী আসনে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা
জামানত হারানো প্রার্থীকে সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন জাপার
সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা
অভিনেত্রীদের ফরম কেনা নিয়ে আওয়ামী লীগে ক্ষোভ
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ১৫৪৯ নারী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
All Supreme Court Bar fees are in cash

সুপ্রিম কোর্ট বারের সব ফি নগদ-এ

সুপ্রিম কোর্ট বারের সব ফি নগদ-এ
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এখন থেকে আরো সহজে কোনো ধরনের লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা ছাড়া নগদের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা তাদের যাবতীয় ফি জমা দিতে পারবেন। এর মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেনে যুক্ত হলেন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিতে নগদ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম ও সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুন নুর দুলাল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোমতাজ উদ্দিন ফকির, নগদ লিমিটেডের চিফ এক্সটার্নাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার শেখ শাবাব আহমেদসহ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ ও নগদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে চুক্তির বিষয়ে নগদ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক মো. সাফায়েত আলম বলেন, ‘সরকারের ক্যাশলেস সোসাইটি গঠনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে নগদ কাজ করে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে আমরা সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাথে চুক্তি করেছি। এখন বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্মানিত সদস্যরা চাইলেই মুহূর্তে তাদের যেকোনো ফি নগদের মাধ্যমে যেকোনো জায়গা থেকে প্রদান করতে পারবেন। ফলে একদিকে যেমন সময় সাশ্রয় হবে অপরদিকে ক্যাশলেস লেনদেনও বৃদ্ধি পাবে।’ সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

p
উপরে