× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The economy will move forward if the stress is handled Finance Minister
google_news print-icon

চাপ সামলে অর্থনীতি এগিয়ে যাবে: অর্থমন্ত্রী

চাপ-সামলে-অর্থনীতি-এগিয়ে-যাবে-অর্থমন্ত্রী
গত বছরের ৯ জুন জাতীয় সংসদে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। প্রথা অনুযায়ী পরের দিন ১০ জুন বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে প্রস্তাবিত বাজেটের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আয়, প্রবাস আয় এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ ইত্যাদি মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক। আমদানি-রপ্তানি আয় উভয় ক্ষেত্রেই ধনাত্মক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। চলমান অর্থবছরে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে আশা করছি।’

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ‘দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক। চলমান অর্থবছরে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।’

বৈরী পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যাবে বলে আশার কথা শুনিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে চলতি ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন তুলে ধরে এ কথা বলেন মুস্তফা কামাল। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী প্রথম প্রান্তিকের বাজেট বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রাজস্ব আয়, রেমিট্যান্স বা প্রবাস আয় এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি, সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি), ব্যাপক মুদ্রা সরবরাহ ইত্যাদি মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকসমূহের অবস্থান সন্তোষজনক। আমদানি-রপ্তানি আয় উভয় ক্ষেত্রেই ধনাত্মক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। চলমান অর্থবছরে সরকারের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে আশা করছি।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে উন্নত বিশ্বের মত বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তবে এসব বৈরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সামনে এগিয়ে যেতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক হয়ে আসা এবং মধ্যবর্তী পণ্য ও মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানি বেড়ে যাওয়ায় আমদানি ব্যয় বিগত অর্থবছরে একই সময়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে বর্তমানে বিলাসদ্রব্যের আমদানি পরিহার করা এবং সরকারের কৃচ্ছ্রসাধনের কারণে আমদানি ব্যয় কমেছে।’

‘গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের তুলনায় চলতি অর্থবছরের একই সময়ে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) ৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম খোলা হয়েছে। বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতি সেপ্টেম্বর ২০২১ এর ৫ দশমিক ৫০ শতাংশের তুলনায় সেপ্টেম্বর ২০২২ সময়ে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ।’

তবে আর মাসওয়ারি (পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট) মূল্যস্ফীতি একই সময়ে ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

‘আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম কমতে থাকায় মূল্যস্ফীতির বর্তমান চাপ চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে’ এমনটা আশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও খুব দ্রুত আগের মতো শক্ত অবস্থানে ফিরবে।’

চলতি অর্থবছর রাজস্ব আহরণ আশানুরূপ হারে বাড়বে উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আর্থিকখাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনাসহ আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগের গতিধারা সমুন্নত রাখতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে।’

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘এতে আশাবাদী হওয়ার পূর্ণ সুযোগ আছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার জুলাই-প্রান্তিকে রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং সরকারি ব্যয় বেড়েছে। রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি কমেছে।’

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির দাম কমতে থাকায় মূল্যস্ফীতির বর্তমান চাপ চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসার আশা প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসপণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ নেওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও খুব দ্রুত আগের মত শক্ত অবস্থানে ফিরবে।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড পরিস্থিতি থেকে অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়ালেও চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী তেল, গ্যাসসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এবং গম, ভোজ্যতেলসহ প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় উন্নত দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি সৃষ্টি হয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নানাবিধ বিরূপ প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা থেকে বাংলাদেশও মুক্ত নয়।’

চলতি অর্থবছর রাজস্ব আহরণ আশানুরূপ হারে বাড়ার প্রত্যাশা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল বলেন, “আর্থিক খাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা কমিয়ে আনাসহ আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা করা এবং কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর মাধ্যমে বিনিয়োগের গতিধারা সমুন্নত রাখতে সরকার সচেষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘একজন অত্যন্ত আশাবাদী মানুষ হিসেবে বলতে চাই, আমাদের অর্থনীতির অন্তনির্হিত শক্তি, বিভিন্ন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অভিঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নেওয়া বাস্তবমুখী পদক্ষেপের ফলে অর্থনীতির প্রত্যাশিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে।’

আরও পড়ুন:
নতুন বছরে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যাশা অর্থমন্ত্রীর
সংশোধিত বাজেটে ‘অতিরিক্ত বরাদ্দ’ নয়
নির্বাচন সামনে রেখে আসছে বড় বাজেট
কঠিন সময়ে নির্বাচনি বাজেট প্রণয়নের কাজ শুরু
ব্যাংক খাতের অবস্থা কোথায় খারাপ, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh GDP growth likely to be 61 in current fiscal year ADB

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.১%: এডিবি

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.১%: এডিবি পরপর দুই অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে এডিবি। ফাইল ছবি
এডিওতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে এডিবি বলেছে, ২০২৪ (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ছয় দশমিক এক শতাংশ পর্যন্ত। ২০২৫ (২০২৪-২৫) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়ে হতে পারে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ছয় দশমিক এক শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।

আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংকটি তাদের এপ্রিলের এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুকে (এডিও) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে।

এডিওতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়ে এডিবি বলেছে, ২০২৪ (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হতে পারে ছয় দশমিক এক শতাংশ পর্যন্ত। ২০২৫ (২০২৪-২৫) অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়ে হতে পারে ছয় দশমিক ছয় শতাংশ।

বাংলাদেশে কোনো বছরের জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের জুন পর্যন্ত ১২ মাসকে এক অর্থবছর ধরা হয়। সে হিসাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ৩০ জুন।

এডিওতে বলা হয়, বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমে যাওয়ার পরও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সস্তা তৈরি পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে। ডলার সংকটের কারণে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা দেশে তৈরি সুতা ও বস্ত্র ব্যবহার করছেন।

মূল্যস্ফীতির বিষয়ে বলা হয়, মূল্যস্ফীতি কমার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার ভোগ বাড়তে পারে। অন্যদিকে ভর্তুকি কম দেয়া এবং কৃচ্ছ্রতার ব্যবস্থাগুলো অব্যাহত রাখায় সরকারি পর্যায়ে ভোগও সামান্য বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন:
৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিল আইএমএফ
চট্টগ্রামবাসীর জীবনমান উন্নয়নে এডিবির ঋণ পাচ্ছে বাংলাদেশ
প্রবৃদ্ধি কমে ৫.৬% হতে পারে: বিশ্ব ব্যাংক
আগামী অর্থবছর বাংলাদেশের জন্য ভালো বছর হবে
রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে ২৬.১ কোটি ডলার দিচ্ছে এডিবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Inflation increased by 1014 percent in March

মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ

মার্চে মূল্যস্ফীতি ৯.৮১ শতাংশ
বিবিএসের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশে।

চলতি বছরের মার্চে দেশে মূল্যস্ফীতি দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে ৯ দশমিক ৮১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। এর আগের মাস ফেব্রুয়ারিতে মূলস্ফীতির এই হার ছিল ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

মঙ্গলবার সবশেষ আর্থিক পরিসংখ্যানে এই তথ্য প্রকাশ করেছে বিবিএস।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশে। আর খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৬৪ শতাংশে। তুলনামূলকভাবে গত ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের ক্ষেত্রে মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ।

গ্রামীণ অঞ্চলের তুলনায় শহরে উচ্চতর মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব পড়েছে। শহর এলাকায় মুদ্রাস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ এবং গ্রামীণ অঞ্চলে ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ। মার্চে শহর এলাকায় খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ এবং গ্রামীণ এলাকায় খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ।

‌আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) সাবেক জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘১৮ মাসেরও বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির সঙ্গে লড়াই করছে দেশ। আর এর বড় বিরূপ প্রভাব পড়ছে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর।’

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পলিসি সুদের হার বৃদ্ধিসহ বেশ কিছু কৌশল বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫৫ শতাংশে।

তবে ড. মনসুর উল্লেখ করেছেন, বিলম্ব এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপগুলো এখনও উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রভাব দেখাতে পারেনি।

ক্রমাগত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির হারের পেছনে একটি অনিয়ন্ত্রিত বাজার ব্যবস্থা এবং নিয়মিত পণ্যের দাম বৃদ্ধিকে প্রাথমিকভাবে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন:
এপ্রিলে মূল্যস্ফীতি ৯.২৪%
‘মূল্যস্ফীতির জন্য যুদ্ধের পাশাপাশি দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা দায়ী’
চার মাস ধরে কমছে মূল্যস্ফীতি
খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি
মূল্যস্ফীতির হিসাবে স্বস্তির আভাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Toll collection of two and a quarter million taka in 8 hours at Padma Bridge

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকা টোল আদায়

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকা টোল আদায় ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৪৫০ টাকা। এ সময় শুধু মাওয়া প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

পদ্মা সেতুতে ৮ ঘণ্টায় পৌনে দুই কোটি টাকার টোল আদায় হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টায় দুই প্রান্ত মিলিয়ে মোট টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৮১ লাখ ৪৫০ টাকা। এ সময় শুধু মাওয়া প্রান্তে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা।

পদ্মা সেতু সাইট অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আমিরুল হায়দার চৌধুরী এ খবর নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মাওয়া প্রান্তে ৭টি বুথ দিয়ে টোল আদায় করা হয়। আট ঘণ্টায় এখান দিয়ে ১৩ হাজার ৮৮৬টি যানবাহন পার হয়েছে। এরমধ্যে মোটরসাইকেল ছিল ৫৮৬১টি। অন্যদিকে, জাজিরা প্রান্ত দিয়ে ৪৮৪৭টি যানবাহন পার হয়েছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেল ছিল মাত্র ৩১৩টি।

মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন করা হয়েছে জানিয়ে এ কর্মকর্তা আরও জানান, সকালে যানবাহনের কিছুটা চাপ থাকলেও সবাই নির্বিঘ্নে সেতু পার হতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন:
ঈদযাত্রায় প্রস্তুত পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ
চাপ নেই ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে
নগরবাসীর ঈদযাত্রা শুরু, বাস টার্মিনালে বাড়ছে চাপ
লঞ্চের অগ্রিম টিকিট বিক্রির চাপ নেই, ফাঁকা সদরঘাট
ঈদযাত্রায় আসনের বেশি যাত্রী নয়, রাস্তায় থামানো যাবে না বাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In the week before Eid remittances of 45 million dollars came

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

ঈদের আগের সপ্তাহে এসেছে সাড়ে ৪৫ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে। এপ্রিলের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ঈদের আগের সপ্তাহে (১ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত) প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৪৫ কোটি ৫৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। রেমিট্যান্সে এই বাড়তি গতির মূল কারণ প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

ব্যাংকাররা বলছেন, গত মার্চ মাসে প্রতি সপ্তাহে ৪০ থেকে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সে হিসাবে, এপ্রিলের প্রথম ৫ দিনে রেমিট্যান্স ভালোই এসেছে। মূলত, প্রবাসীরা ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়-স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠানোর কারণেই বেড়েছে রেমিট্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, টানা দু’মাস রেমিট্যান্স আয়ে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় থাকার পর ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় দর বাড়ার ঘটনায় মার্চে রেমিট্যান্স দুশ’ কোটি ডলারের নিচে নেমে আসে।

মার্চে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১৯৯ কোটি ডলার দেশে পাঠান। ফেব্রুয়ারিতে তা ছিল ২১৬ কোটি ডলার এবং জানুয়ারিতে ২১১ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, আগের বছরের একই মাসের ২০২ কোটি ডলারের তুলনায় গত মার্চে ১ দশমিক ২৪ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে।

ব্যাংক-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসের বেশিরভাগ দিনে ডলারের বিনিময় দর কমে দাঁড়ায় ১১২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১১৩ টাকায়। সে তুলনায় জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ডলারের দর ছিল ১২০ থেকে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

তারা বলছেন, ডলারের দাম কমার এই ঘটনা প্রবাসীদের বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করে। আর তার প্রভাব পড়ে রেমিট্যান্সের সার্বিক চিত্রে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসী আয়ে ইসলামী ব্যাংকের নতুন রেকর্ড
রেমিট্যান্সে গতি, ডিসেম্বরে ২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে
বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে: বিশ্বব্যাংক
নভেম্বরে এলো ২১ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স
বিদেশি মুদ্রায় দেশের ব্যাংকে আমানত রাখার সুযোগ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold increased by Tk 3499 in two days

স্বর্ণের দাম দু’দিনের ব্যবধানে ভরিতে বেড়েছে ৩,৪৯৯ টাকা

স্বর্ণের দাম দু’দিনের ব্যবধানে ভরিতে বেড়েছে ৩,৪৯৯ টাকা
সবশেষ বৃদ্ধির পর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৬ হাজার ২২৮ টাকা ও সনাতন ৮০ হাজার ১৯০ টাকা।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম তিন হাজার ৪৯৯ টাকা বাড়িয়ে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের বাজারে দাম বৃদ্ধির দ্রুততম গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৈশ্বিক এই প্রবণতার ধারাবাহিকতায় সোমবার বিকেল ৪টা থেকে দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাজুস।

এর আগে শ‌নিবার (৬ এপ্রিল) স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। সেদিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এর দু’দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হলো।

সবশেষ বৃদ্ধির পর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ১ লাখ ১৭ হাজার ৫৭৩ টাকা বা প্রতি গ্রামের দাম ১০ হাজার ৮০ টাকা; ২১ ক্যারেট ১ লাখ ১২ হাজার ২০৮ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৬ হাজার ২২৮ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ হাজার ১৯০ টাকা।

স্বর্ণের দাম নির্ধারণে উল্লেখযোগ্য সমন্বয় দেখা গেলেও রুপার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। এর মধ্যে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ২ হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী, প্রতি আউন্স (৩১ দশমিক ১০৩ গ্রাম) স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩২৯ ডলার।

আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির জন্য মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সুদের হার কমানোর প্রত্যাশাকে দায়ী করা হয়েছে। আর সে কারণে স্বর্ণে বিনিয়োগের পরিমাণ দ্রুত বেড়েছে।

বৈশ্বিক আর্থিক বাজার এবং পণ্যের মধ্যে অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক বাংলাদেশে স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণের কৌশলকেও প্রভাবিত করে।

আরও পড়ুন:
বাড়া-কমার খেলায় স্বর্ণের ভরি রেকর্ড ১,১৪,০৭৪ টাকা
কমলো স্বর্ণের দাম
দেশে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ১,১২,৯০৮ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Hirid to buy Walton fridge on Eid festival

ঈদ উৎসবে ওয়ালটন ফ্রিজ কেনার হিড়িক

ঈদ উৎসবে ওয়ালটন ফ্রিজ কেনার হিড়িক রাজধানীর এক ওয়ালটন প্লাজায় ফ্রিজ দেখছেন ক্রেতারা। ছবি: ওয়ালটন

দুয়ারে ঈদুল ফিতর। ঈদে নতুন ফ্রিজ কিনতে ক্রেতারা ছুটছেন ইলেকট্রনিক্সের শোরুমে। বিশেষ করে সেরা দামে সেরা মানের পছন্দের ফ্রিজ কিনতে দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটনের শোরুমে ভিড় করছেন ক্রেতারা। ব্যাপক ক্রেতা সমাগমে দেশব্যাপী ওয়ালটন শোরুমগুলোতে পড়েছে ফ্রিজ কেনার হিড়িক। শোরুমের বিক্রয় প্রতিনিধিরাও এই বাড়তি ক্রেতা সমাগম ভালোভাবেই সামাল দিচ্ছেন।

ওয়ালটন ফ্রিজের সাশ্রয়ী দাম, উচ্চ গুণগত মানের পাশাপাশি সর্বোচ্চ বিক্রয়োত্তর সুবিধা থাকায় ঈদের আগে শোরুমগুলোতে ফ্রিজ বিক্রির উৎসব চলছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বাগেরহাট, বগুড়া, সিলেট, ফেনী, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়োজিত ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার, পরিবেশক ও অঞ্চল প্রধানরা।

তারা জানান, ঈদ উপলক্ষে ‘সেরা পণ্যে সেরা অফার’ স্লোগানে সারা দেশে চলছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। এই সিজনেও ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। ইতোমধ্যে সিজন-২০ এ ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৩ জন ক্রেতা। তাই ঈদ উৎসবে ক্রেতা পছন্দের শীর্ষে রয়েছে ওয়ালটন ফ্রিজ।

ওয়ালটন ফ্রিজের ডেপুটি চিফ বিজনেস অফিসার আনিসুর রহমান মল্লিক জানান, সার্বিক বিবেচনায় এবারের ঈদে ফ্রিজ বিক্রির জন্য সময়টা খুব ভালো যাচ্ছে। ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে আশাতীত। করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইত্যাদি প্রতিক‚লতাকে কাটিয়ে চলতি বছরে ব্যবসায়ে স্বাভাবিক ধারা ফিরে এসেছে। তাই এবছর ঈদকে ঘিরে ফ্রিজের বাজার বেশ চাঙ্গা। প্রতিবছরের মতো এই ঈদেও ফ্রিজের বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য ওয়ালটনের। এরইমধ্যে ঈদে আমাদের ফ্রিজ বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। সার্বিকভাবে বলা চলে ঈদের আগমুহুর্তে দেশব্যাপী ওয়ালটনের শোরুমগুলোতে চলছে ফ্রিজ বিক্রির ধূম।

তিনি বলেন, ‘দেশের সিংহভাগ ক্রেতার আস্থা এখন ওয়ালটন ফ্রিজে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজে অ্যাডভান্সড আইওটি, ব্যাপক বিদ্যুৎসাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির পাশাপাশি বিশ্বের সর্বাধুনিক ফিচারের ব্যবহার। আমরা গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছি। তাই ঈদ উৎসবে পছন্দের ওয়ালটন ফ্রিজ কিনতে শোরুমগুলোতে ক্রেতা ভিড় বেড়েছে ব্যাপকহারে।’

ঈদ বাজারে সকল শ্রেণি, পেশা ও আয়ের ক্রেতাদের জন্য ওয়ালটনের রয়েছে বিভিন্ন ডিজাইনের ৩ শতাধিক মডেলের রেফ্রিজারেটর ও ফ্রিজার। এসব মডেলের সহ¯্রাধিক কালারের ফ্রিজ রয়েছে। এসব ফ্রিজের দাম ১৫ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মধ্যে। আছে জিরো ইন্টারেস্টে ৬ মাসের সহজ কিস্তিসহ সর্বোচ্চ ৩৬ মাসের কিস্তি সুবিধা।

ওয়ালটনের ফ্রিজে ১ বছরের রিপ্লেসমেন্টসহ কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি এবং ৫ বছরের ফ্রি বিক্রয়োত্তর সেবার সুবিধা পাচ্ছেন ক্রেতারা। গ্রাহকদের দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা পৌঁছে দিতে ওয়ালটনের রয়েছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সার্ভিস এক্সপার্টস টিম ও আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এর আওতায় দেশব্যাপী বিস্তৃত ৮০টিরও অধিক সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে গ্রাহকদের সবচেয়ে কম সময়ে সর্বোচ্চ লেভেলের বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Buy Walton TV and get air tickets till Chandrarat

ওয়ালটন টিভি কিনে এয়ার টিকিটের সুযোগ চাঁদরাত পর্যন্ত

ওয়ালটন টিভি কিনে এয়ার টিকিটের সুযোগ চাঁদরাত পর্যন্ত
ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৫ জন ক্রেতা ওয়ালটন টিভি কিনে এয়ার টিকিট ফ্রি পেয়েছেন।

ঈদে ক্রেতাদের বিশেষ উপহার স্বরূপ টেলিভিশন ক্রয়ে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকার এয়ার টিকিট ফ্রি পাওয়ার সুবিধা দিচ্ছে দেশের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৫ জন ক্রেতা ওয়ালটন টিভি কিনে এয়ার টিকিট ফ্রি পেয়েছেন।

ওয়ালটন টিভির ব্র্যান্ড ম্যানেজার খন্দকার আশিকুল হাসান জানান, ঈদ উৎসবে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিম্বা অনলাইন সেলস প্লাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে বেসিক এলইডি বা স্মার্ট টিভি কিনে ক্রেতারা ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা’র এয়ার টিকিট ফ্রি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

চলতি মাসের ১ তারিখ থেকে চাঁদরাত পর্যন্ত অর্থাৎ ঈদুল ফিতরের আগের দিন পর্যন্ত এই সুবিধা পাবেন ক্রেতারা। এরইমধ্যে ঢাকা, গাজীপুর, কালিয়াকৈর, মুন্সীগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর ও শেরপুরে ৩৫ জন গ্রাহক ওয়ালটন টিভি কিনে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা’র এয়ার টিকিট ফ্রি পেয়েছেন। আগামী কয়েকদিনে আরো অসংখ্য ক্রেতা এই সুবিধা পাবেন বলে আশা করছি।

ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার মোস্তফা নাহিদ হোসেন বলেন, টেলিভিশন ক্রেতাদের ঈদের আনন্দ ও বিনোদনকে আরো বাড়িয়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা’র এয়ার টিকিট ফ্রি দেয়ার এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই সুবিধার পাশাপাশি দেশব্যাপী চলমান ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’ এর আওতায় ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ। অর্থাৎ ওয়ালটন টিভি কিনে ক্রেতারা পেতে পারেন নগদ ১০ লাখ টাকা। রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

ওয়ালটন টিভির প্রোডাক্ট ম্যানেজার তানভীর মাহমুদ শুভ জানান, ঈদে বাজারে রয়েছে ওয়ালটনের বিভিন্ন সাইজের ৪৮টি মডেলের টিভি। এর মধ্যে রয়েছে ওয়ালটনের বিভিন্ন সাইজের বেসিক এলইডি টিভিসহ এন্ড্রয়েড-১১ অপারেটিং সিস্টেমের গুগল টিভি, ওয়েবওএস এবং কুলিটা অপারেটিং সিস্টেমর স্মার্ট এলইডি টিভি। বাজারে মাত্র ১৯ হাজার ৯৯০ টাকায় ৩২ ইঞ্চি এবং ৩৩ হাজার ৯’শ টাকায় ওয়ালটনের ৪৩ ইঞ্চি স্মার্ট এলইডি টিভি কিনতে পারছেন ক্রেতারা।

ওয়ালটন টিভি ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্টসহ ৫ বছর পর্যন্ত প্যানেল গ্যারান্টি ও ফ্রি বিক্রয়োত্তর সেবা পাচ্ছেন ক্রেতারা। আইএসও সনদপ্রাপ্ত দেশের সর্ববৃহৎ সার্ভিস ম্যানেজমেন্টের আওতায় দেশব্যাপী বিস্তৃত ৮২টি সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে ওয়ালটন টিভির গ্রাহকদের দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রেস রিলিজ

আরও পড়ুন:
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ৩৩তম মিলিয়নিয়ার হলেন রাজশাহীর মাদ্রাসাশিক্ষক আমিনুল
মার্চে ওয়ালটনের ৫০ লাখ টাকার ফ্যান রপ্তানি ভারতে
ওয়ালটনের নতুন সিরিজের স্মার্টফোন ‘নেক্সজি এন৯’ বাজারে

মন্তব্য

p
উপরে