× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Export earnings are coming in higher than expected
hear-news
player
google_news print-icon

প্রত্যাশার চেয়েও রপ্তানি আয় বেশি আসছে: ফারুক

প্রত্যাশার-চেয়েও-রপ্তানি-আয়-বেশি-আসছে-ফারুক
বিজিএমইএ সভাপতি ও জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান। ছবি: নিউজবাংলা
বিস্ময়কর হলো এই কঠিন বিশ্ব পরিস্থিতিতে শেষ দুই মাসে, অর্থাৎ নভেম্বর-ডিসেম্বর দুই মাসেই ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। নভেম্বর মাসে এসেছে ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। আর ডিসেম্বরে এসেছে আরও বেশি ৫ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশে এর আগে কখনোই কোনো একক মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় আসেনি: ফারুক হাসান

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি ও জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান বলেছেন, নানা বাধাবিপত্তি ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ২০২২ সালে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে রপ্তানি। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে রপ্তানিতে উল্লম্ফন সবাইকে অবাক করে দিয়েছে। এই রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করে ঘুরে দাঁড়িয়ে করোনাভাইরাস মহামারির আগের অবস্থায় ফিরে যাবে দেশের অর্থনীতি। গত বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এ আশার কথা শুনিয়েছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন নিউজবাংলার বিজনেস এডিটর আবদুর রহিম হারমাছি

সবাইকে অবাক করে দিয়ে পণ্য রপ্তানিতে চমকের পর চমক দেখিয়ে চলেছে বাংলাদেশ নভেম্বরের পর ডিসেম্বরেও পণ্য রপ্তানি থেকে বিলিয়ন ডলারের বেশি বিদেশি মুদ্রা দেশে এসেছে আগামী দিনগুলো কেমন যাবে?

এটা খুশির খবর যে, দুই-আড়াই বছরের করোনা মহামারির ধকল কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় তছনছ হয়ে যাওয়া বিশ্ব অর্থনীতিতেও রপ্তানি আয়ের ইতিবাচক ধারা আমরা অব্যাহত রাখতে পেরেছি। ২০২১-২২ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৫২ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকেই এসেছিল ৪২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। শতাংশ হিসাবে মোট রপ্তানির ৮২ শতাংশই এসেছিল পোশাক খাত থেকে। আর চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) ২৭ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলারের বিদেশি মুদ্রা দেশে এসেছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বেড়েছে ১০ দশমিক ৫৮ শতাংশ। এই ছয় মাসে মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশের বেশি এসেছে পোশাক থেকে।

বিস্ময়কর হলো এই কঠিন বিশ্ব পরিস্থিতিতে শেষ দুই মাসে, অর্থাৎ নভেম্বর-ডিসেম্বর দুই মাসেই ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি আয় দেশে এসেছে। নভেম্বর মাসে এসেছে ৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। আর ডিসেম্বরে এসেছে আরও বেশি ৫ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশে এর আগে কখনোই কোনো একক মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় আসেনি। সামগ্রিকভাবে বলা যায়, নানা বাধাবিপত্তি ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বিদায়ী ২০২২ সালে রপ্তানি ভালো হয়েছে। আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে।

নভেম্বর মাসে আমাদের রপ্তানি আয়ে রেকর্ড হয়। ডিসেম্বর মাসে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড হয়। গত বছর (২০২২ সাল) তৈরি পোশাক খাত থেকে এসেছে ৪৫ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার, যেটা আগের বছর ছিল ৩৫ বিলিয়ন ডলারের মতো। ১০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি বেড়েছে এক বছরে। এর কারণ আমরা করোনা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য অনেক কাজ করেছি; বিভিন্ন বাজারে গিয়েছি। আমাদের বড় বাজারগুলোতে গিয়েছি। এমার্জিং মার্কেটেও গিয়েছি।

রপ্তানি ধরে রাখতে পেরেছি, এর বড় কারণ হচ্ছে আমাদের কাঁচামালের দাম কিন্তু বেড়ে গেছে। তুলা, কাপড়, কেমিক্যাল সবকিছুর দাম বেড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ফ্রেইট কস্ট বা কনটেইনার কস্ট কিন্তু অনেক বেড়েছে। ফলে আমাদের গার্মেন্টেসে ইউনিট প্রাইস অনেক বেড়েছে। পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে আমাদের রপ্তানির পরিমাণ বেড়েছে। এ ছাড়া ভ্যালু অ্যাডেড অনেক প্রোডাক্টের অর্ডার নিতে পেরেছি। বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছি। ফলে বাংলাদেশ এখন দামি পণ্যের অর্ডারও পাচ্ছে। আগে বাংলাদেশে ১৫ ডলারের জ্যাকেট হতো। এখন বায়াররা আমাদের এখানে ৩০-৪০ ডলারের জ্যাকেট অর্ডার করছে। আমরা নতুন মার্কেটগুলোতে ঢুকতে পেরেছি; বেশি দামি পণ্য রপ্তানি করতে পেরেছি। আবার পণ্যের দাম বেড়েছে। সব মিলিয়ে রপ্তানি বেড়েছে।

তাহলে কী আশা করা যায়, রপ্তানি আয়ের ওপর ভর করেই ঘুরে দাঁড়াবে বাংলাদেশের অর্থনীতি?

২০২৩ সালে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মূল্যস্ফীতি। আমাদের পোশাকের প্রধান দুই বাজার আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে ঋণের সুদের হার অনেক বেড়েছে; মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমেছে। এখন শীত চলছে। এ সময় জ্বালানি খরচ অনেক বেশি। খাদ্যের খরচ বেড়েছে। ঋণের টাকা ফেরত দেয়ার পর তাদের কাছে আর টাকা থাকছে না, যেটা দিয়ে তারা কাপড় কিনবে। তাই আগামী দিনগুলো ভালো যাবে, এটা বলা যাচ্ছে না।

গত নভেম্বর-ডিসেম্বরের রপ্তানি আয়ের উল্লম্ফনের তথ্যে সার্বিকভাবে রপ্তানি বাণিজ্যে রমরমা অবস্থা চলছে, এটা বিচার করলে কিন্তু ঠিক হবে না। গত কয়েক মাস ধরে আমাদের অর্ডার কমছে। পণ্যের দাম বেড়েছে, কিন্তু পরিমাণ কমেছে। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে কমেছে। চলতি জানুয়ারি মাস, আগামী ফেব্রুয়ারি-মার্চে আমাদের রপ্তানি কমে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। আমাদের কারখানায় অর্ডার কম আছে এখন। ক্রেতারা এখন অনেক অর্ডার হোল্ড করছে। কারণ তারা সন্দিহান যে, সামনে কী হয়।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) কিছুদিন আগে বলেছে, ২০২৩ সালে পুরো বিশ্বের ৩ ভাগের এক ভাগ মন্দায় চলে যাবে। এটা খুবই বিপজ্জনক, সেটার লক্ষণ আমরা ইতোমধ্যেই দেখতে পাচ্ছি। সুতরাং আমাদের এখন যে জিনিসটা করতে হবে, সেটা হলো বাজারটা ধরে রাখা। ২০২১ থেকে ২২ সালে বাজার বড় হয়েছে; আমরা মার্কেটের দখল বাড়াতে পেরেছি। ২০২৩ সালে বাজার কিন্তু আর বড় হবে না; উল্টো ছোট হয়ে যাবে। আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের শেয়ারটাকে ধরে রাখার জন্য, কিন্তু যেহেতু পুরো বাজার ছোট হয়ে যাবে, সেহেতু আমাদের বাজার ছোট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চেষ্টা করছি বাজার বাড়াতে।

আমাদের এখন সবার সাপোর্ট দরকার। আমরা যে চাকরিগুলো তৈরি করেছি বিগত বছরগুলোতে, এমনকি সংকটের মধ্যে ২০২২ সালেও কিন্তু আমরা নতুন অনেক মানুষকে চাকরি দিয়েছি। এই চাকরিগুলোকে ধরে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছি, কিন্তু এটা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন চাকরি তৈরি করা অসম্ভব; বরং বর্তমান চাকরিগুলো ধরে রাখার জন্য আমাদের সব ধরনের কাজ করতে হবে। আর এর জন্য সবার সহযোগিতা দরকার।

সরকারের করছাড়, ক্রেতাদের সাপোর্ট, একই সঙ্গে শ্রমিক নেতাদের সহযোগিতা দরকার। এই কঠিন সময়ে কীভাবে এই খাতকে টিকিয়ে রাখা যায়, কীভাবে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারি, সেই কাজটা করে যাচ্ছি। ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাস ভালো যাবে না। এরপর যুদ্ধের ওপর ডিপেন্ড করছে কী হবে। আগামী কয়েকটি মাস পর বোঝা যাবে, কী হবে, তবে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, এই সমস্যা কিন্তু শুধু আমাদের নয়, সারা পৃথিবীতেই একই সমস্যা।

এ ছাড়া এটা নির্বাচনের বছর। ২০২৪ সালের জানুয়ারির প্রথমেই দেশে জাতীয় নির্বাচন হবে। সে জন্য ২০২৩ সালটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা এবং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি এখন কোনো সমস্যা হয়, দেশে যদি রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়, হরতাল-অবরোধ-জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়, তাহলে কিন্তু এখান থেকে আমাদের বায়াররা চলে যাবে; রপ্তানি খাত ধাক্কা খাবে।

২০২২ সালটা বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের জন্য ভালো বছর ছিল না। বৈদেশিক মুদ্রার ওপরে চাপ আছে। ২০২৩ সালেও এই চাপ থাকবে। চাপ কমাতে হলে আমাদের প্রচুর সাপোর্ট দরকার। মনে রাখতে হবে, রপ্তানি আয় থেকে বিদেশি মুদ্রা দেশে না আসলে রিজার্ভ আরও কমে যাবে; অর্থনীতি আরও চাপের মধ্যে পড়বে। রাজনৈতিক নেতাদের এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে বিচার-বিশ্লেষণ করে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।

গত এক বছরে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম ২৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে এতে রপ্তানিকারকরা কতটা লাভবান হয়েছেন?

এ কথা আমি অকপটে স্বীকার করছি, ডলারের দাম বাড়াতে আমাদের লাভ হচ্ছে। দেরিতে হলেও এটা হয়েছে। অন্যান্য দেশে কিন্তু আরও আগেই তাদের মুদ্রা ডিভ্যালুয়েশন করেছিল। আমাদের প্রধান প্রতিযোগী চীন, ভারত, ভিয়েতনামও করেছিল, কিন্তু আমরা অনেক দেরিতে এই কাজটা করেছি। এই যে রপ্তানি আয়ে উল্লম্ফনের কথা বলা হচ্ছে, তাতে ডলারের দাম বৃদ্ধির অবশ্যই অবদান আছে। বিশ্ব প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রেখেই সবকিছু তুলনা করতে হবে।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেল চালু হয়েছে বিদায়ী বছরে দুটি মেগা প্রকল্প দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলবে?

অবশ্যই বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। খুশির খবর হচ্ছে পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এরই মধ্যে অবদান রাখা শুরু করেছে। মেট্রোরেলও কাজ করবে এখানে। একদিকে এই দুটি বড় প্রকল্প বিশ্ব অঙ্গনে আমাদের ভাবমূর্তি বা ইমেজ অনেক ইমপ্রুভ করেছে। অন্যদিকে অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে, তবে তাড়াতাড়ি আমাদের অন্যান্য মেগা প্রকল্পগুলো শেষ করতে হবে। যেমন: বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্প দ্রুত শেষ করতে হবে। এটা অনেক দিন ধরে আটকে আছে। এ প্রকল্পের কাজ ঠিকমতো না হওয়ার কারণে অর্থনীতিতে উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে।

আমি সরাসরি প্রতিদিন যোগাযোগ রাখছি। আশা করছি এটা জুনের মধ্যে শেষ হবে। এরপর ঢাকা-চিটাগাং রোডের কাজগুলো করতে হবে। ঢাকা এয়ারপোর্টের থার্ড টার্মিনালের কাজগুলো চলতি বছরের অক্টোবরে শেষ হবে বলে আশা করছি। কর্ণফুলীতে বঙ্গবন্ধু ট্যানেল আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চালু হওয়ার কথা। এগুলোর সব ইতিবাচক বলে মনে করি। প্রকল্পগুলোতে সারা বিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি আরও ভালো হবে। পাশাপাশি বস্ত্র খাত এটার দ্বারা উপকৃত হবে।

বাজারে এখনও ডলার সংকট চলছে অনেক ব্যবসায়ী অভিযোগ করছেন, তারা পণ্য আমদানির জন্য এলসি খুলতে প্রয়োজনীয় ডলার পাচ্ছেন না পোশাক শিল্প মালিকরা কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছেন?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে আমরা চাপে আছি। সেই কারণে সরকার একটু কড়াকড়ি করেছে। গার্মেন্টসের ক্ষেত্রে যেহেতু আমরা কাঁচামাল আমদানি করি, এর ভিত্তিতে কিন্তু রপ্তানি করছি। ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলছি, ইমপোর্ট করছি। কাঁচামাল আমদানিতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশও চাপের মধ্যে পড়েছে। এতে সরকার বা অন্য কারও কোনো দোষ নেই। আমরা তো চোখের সামনে দেখছি, সরকার সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে। অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে কৃচ্ছসাধন করছে; নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে আমরা ভালো আছি। শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের কথা না হয় বাদই দিলাম। ইউরোপের অনেক বড় বড় দেশের চেয়েও ভালো আছি আমরা। ২০২৩ সালে যে চ্যালেঞ্জগুলো সামনে আছে, সেগুলো যদি সবাই মিলে মোকাবিলা করতে পারি, তাহলে করোনার আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারব। আর এতে অবশ্য তৈরি পোশাকশিল্প বড় অবদান রাখবে বলে মনে করি।

মূল্যস্ফীতির চাপে পোশাক শ্রমিকরা কষ্টে আছেন তারা যে বেতন পাচ্ছেন, এই চড়া বাজারে তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি বা অন্য কোনো সহায়তার বিষয়ে ভাবছেন কী?

আমাদের শ্রমিকদের বছরে মিনিমাম একবার করে ইনক্রিমেন্ট হচ্ছে। কারও কারও দুবার বেতন বাড়ছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন কারখানায় কম দামে পণ্য দেয়ার চেষ্টা করছি। অনেক কারখানার পাশে টিসিবির ট্রাক দাঁড়িয়ে থাকে। সেখান থেকে কম দামে পণ্য কিনতে পারছেন শ্রমিকরা। অনেক কারখানার মালিক নিজ উদ্যোগে কম দামে প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করেছেন। আমরা চেষ্টা করছি প্রতিটা কারখানায় এটা চালু করতে।

রেশনের জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করেছি। টিসিবি আমাদের কারখানার কাছে চাল-ডাল বিক্রি করছে কম দামে। আমরা চাচ্ছি রেশনিংয়ের মাধ্যমে শ্রমিকদের পণ্য দিতে। আশা করি সরকার সেটা করবেন। কারখানাগুলোকে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর জন্য বলছি।

শোনা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং চীনে নতুন করে কোভিড পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় দেশ থেকে অনেক অর্ডার বাংলাদেশে আসছে ভিয়েতনাম মিয়ানমার থেকেও কিছু অর্ডার আসছে সব মিলিয়ে আগামী দিন কেমন যাবে?

বলা খুব কঠিন। এ কথা ঠিক যে, চীন-ভিয়েতনাম থেকে কিছু অর্ডার আগেও এসেছিল, এখনও আসছে, কিন্তু বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে অর্ডার ভালো হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আর আমরা আমাদের দক্ষতা কতটা বাড়াতে পারি সেটা দেখার বিষয়। এ সময় কী কাজ করছি সেটার ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ইউনিয়ন লিডার এগুলোর ওপর অর্ডার নির্ভর করে। গত দুই বছরে যেভাবে বিনিয়োগ করেছি, শ্রমিকদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছি, নতুন যন্ত্র কিনেছি, কমপ্লায়েন্সে বিনিয়োগ করেছি, এগুলোর ফলাফল ইতিবাচকভাবে ক্রেতাদের কাছে পাব আশা করি। সব স্টেকহেল্ডার, ট্রেড ইউনিয়ন লিডাররা এ সময় আমাদের সঙ্গে থাকবেন বলে আশা করছি।

কিছুদিন আগে বিজিএমইএর পক্ষ থেকে আপনি ঘোষণা দিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়ের মাইলফলক অর্জিত হবে? বর্তমান প্রেক্ষাপটে সেই লক্ষ্য কী অর্জিত হবে?

আমরা নতুন পণ্য ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার অর্জন করা সম্ভব হবে যদি সবার সহযোগিতা পাই। ২০২৩ সালের কয়েক মাস যুদ্ধের কারণে, অন্যান্য কারণে এই মুহূর্তে অর্জন করা কঠিন মনে হচ্ছে। আশা করি সমস্যা কেটে যাবে। এখান থেকে বের হয়ে আসব। পৃথিবী বের হয়ে আসবে। যে চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েছি, সেগুলোকে সুযোগে রূপান্তর করব। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য পূরণ করব।

আরও পড়ুন:
রপ্তানিতে ইতিহাস গড়ে ১ মাসে ৫ বিলিয়নের বেশি আয়
মহাসড়কে রপ্তানিপণ্য চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ
নবমবারের মতো রপ্তানি ট্রফি পেল এনভয় টেক্সটাইলস
রপ্তানি ট্রফি পেল ৭১ প্রতিষ্ঠান
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Lok Sabha heated over Adani issue

আদানি ইস্যুতে উত্তপ্ত লোকসভা

আদানি ইস্যুতে উত্তপ্ত লোকসভা আদানি গ্রুপের কর্ণধার গৌতম আদানি। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হিনডেনবার্গ রিসার্চ-এর প্রতিবেদনে আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। লোকসভার অধিবেশনে এই অভিযোগ তদন্তের জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি অথবা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে একটি প্যানেল গঠনের দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা।

ভারতের শীর্ষস্থানীয় ধনী ব্যবসায়ী গৌতম আদানির বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ এনে প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন।

বিরোধী রাজনৈতিক দলের এমপিরা এই অভিযোগের ব্যাপারে তদন্তের দাবি জানিয়ে সংসদের অধিবেশন শুক্রবারও দ্বিতীয় দিনের মতো ভণ্ডুল করে দিয়েছেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

অনেকের অভিযোগ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে গৌতম আদানি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিপুল ধন-সম্পদের মালিক হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হিনডেনবার্গ রিসার্চ নামের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির প্রতিবেদনে গত সপ্তাহে গৌতম আদানির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজারে কারসাজি ও আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগ ওঠার পর থেকেই আদানি গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে।

অবশ্য আদানি গ্রুপের পক্ষ থেকে সব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

ভারতীয় সংসদ লোকসভায় শুক্রবার সকালের অধিবেশনে বিরোধী নেতারা অভিযোগের তদন্ত দাবি করলে উভয় কক্ষের অধিবেশন মুলতবি হয়ে যায়।

আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ তদন্তের জন্য যৌথ সংসদীয় কমিটি অথবা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে একটি প্যানেল গঠনের দাবি জানায় বিরোধীরা।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজারে নজরদারিতে আদানির তিন প্রতিষ্ঠান
ইসরায়েলের বন্দর হাইফা কিনল আদানি গ্রুপ
বিশ্বের শীর্ষ ধনীর পাঁচেও নেই আদানি
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির
ভারতের আদানি এখন বিশ্বের তৃতীয় ধনী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh received the first installment of the IMF loan

আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ

আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ
বিশ্ব আর্থিক খাতের অন্যতম প্রধান মোড়ল এই সংস্থার কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ ঋণ চেয়েছিল, সবাইকে অবাক করে দিয়ে গত সোমবার সংস্থাটি তার চেয়েও বেশি ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইএমএফ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে ছাড় করা হবে বলে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। মাত্র দুই দিনের মাথায় সেই ঋণের প্রথম কিস্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে জমা হলো, বেড়ে গেলো বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক রিজার্ভ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বহুল প্রতিক্ষিত ৪৭০ কোটি (৪.৭০ বিলিয়ন) ডলার ঋণের প্রথম কিস্তি ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম কিস্তির এই অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভে যোগ হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক। এর ফলে রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে বলে জানান তিনি।

মেজবাউল হক বলেন, ‘আমরা আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি পেয়েছি। প্রথম বারে আমরা ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেয়েছি। এর পরের বাকি ৪২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার আমরা সমান ছয়টি কিস্তিতে পাবো। প্রতি কিস্তিতে আসবে ৭০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, তবে পরের কিস্তি কবে আসবে এখন সেটা বলা যাচ্ছে না।’

বিশ্ব আর্থিক খাতের অন্যতম প্রধান মোড়ল এই সংস্থার কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ ঋণ চেয়েছিল, সবাইকে অবাক করে দিয়ে গত সোমবার সংস্থাটি তার চেয়েও বেশি ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইএমএফ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে ছাড় করা হবে বলে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। মাত্র দুই দিনের মাথায় সেই ঋণের প্রথম কিস্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে জমা হলো, বেড়ে গেলো বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক রিজার্ভ।

দুই বছরের করোনা মহামারি ও এক বছরের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কার বড় চাপ সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে বাংলাদেশ গত বছরের জুলাই মাসে ৪৫০ কোটি (৪.৫ বিলিয়ন) ডলার ঋণ চেয়েছিল, আইএমএম তার চেয়েও ২০ কোটি ডলার বেশি অর্থাৎ ৪৭০ কোটি (৪.৭০ বিলিয়ন) ডলার দেয়। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদর দপ্তরে এই ঋণ অনুমোদন করে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ।

গত মঙ্গলবার আইএমএফের ওয়েবসাইটে এই ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার তাৎক্ষণিকভাবে ছাড় করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আইএমএফ। ২ দশমিক ২ শতাংশ সুদে নেয়া এই ঋণ আসবে সাত কিস্তিতে। শেষ কিস্তি আসবে ২০২৬ সালে।

৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ পেতে ও চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার কয়েক মাস ধরেই সংস্কার কর্মসূচি পরিচালনা করছে। চলতি জানুয়ারিতে যখন আইএমএফের ডিএমডি অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন এসব সংস্কারে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। মৌলিক এসব সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিও আইএমএফের ডিএমডি গুরুত্বারোপ করেন তখন।

আইএমএফও তাদের বিবৃতিতে বলেছে, করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল বাংলাদেশ, কিন্তু যুদ্ধের কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাতে বৈদেশিক বাণিজ্যে চলতি হিসাব ভারসাম্যে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, টাকার মান কমে গেছে এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। সাম্প্রতিক এই অর্থনৈতিক জটিলতাগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ একগুচ্ছ সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরি করতে হলে তাতৎক্ষণিক এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিগুলোকেও আমলে নিতে হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Eastern Housing Youth Welfare Associations Fun Trip

ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির আনন্দ ভ্রমণ

ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির আনন্দ ভ্রমণ গত ২৬ থেকে ২৯ জানুয়ারি কক্সবাজার ভ্রমণ করেন ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির সদস্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
আনন্দ ভ্রমণের আহ্বায়ক ছিলেন জহির স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (জেডএসআরএম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলহাজ মো. হুমায়ুন কবির।

কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণ করেছে ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতি।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে গিয়ে গত ২৬ থেকে ২৯ জানুয়ারি এ ভ্রমণ করেন সমিতির সদস্যরা।

আনন্দ ভ্রমণের আহ্বায়ক ছিলেন জহির স্টিল অ্যান্ড রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (জেডএসআরএম) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলহাজ মো. হুমায়ুন কবির।

আনন্দ ভ্রমণের সদস্য সচিব ছিলেন ইস্টার্ন হাউজিং যুব কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদুল সরকার।

আরও পড়ুন:
ইস্টার্ন হাউজিংয়ের সব প্রকল্প বন্ধ চান মেয়র আতিক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Remittances of 195 million 89 million dollars in January

জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স

জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স
বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার হালনাগাদ তথ্যে জানায়, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ১ হাজার ২৪৫ কোটি ২১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে তা ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পালে জোর হাওয়া লেগেছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এটা এক বছর আগে একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ বলছে, সব মিলিয়ে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১ হাজার ২৪৫ কোটি ২১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে তা ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ১৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রবাসীরা ১৭০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন, যা ছিল চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার। অক্টোবর ও নভেম্বরে এসেছিল যথাক্রমে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ও ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে অবশ্য ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে।

জানুয়ারিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪ কোটি ২২ লাখ ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৬৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। আর ৯টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৭০ লাখ ৮০ লাখ ডলার।

ক্যালেন্ডার বছরের হিসাবে ২০২২ সালে ২ হাজার ১২৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। প্রবাসীরা ২০২১ সালে ২ হাজার ২০৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন।

মার্চের শেষ দিকে রমজান মাস শুরু হবে। রোজা ও ঈদ সামনে রেখে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারক, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, ব্যাংকের চেয়ে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় এবং বেশি টাকা পাওয়ায় মাঝে কয়েক মাস প্রবাসীরা অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানোয় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কমে গিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক হুন্ডির বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়তে শুরু করেছে।

অর্থনীতিতে চাপ সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিল। অবশ্য আইএমএফ তার চেয়েও ২০ কোটি ডলার বেশি দেবে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদর দপ্তরে এই ঋণ অনুমোদন করেছে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে জমা হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে।

আরও পড়ুন:
২০ দিনে ১৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
রেমিট্যান্সে ফের সুবাতাস, ১৩ দিনেই ৯৩ কোটি ডলার
নতুন বছরেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা
রেমিট্যান্সে সৌদিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
কঠিন সময়ে রপ্তানির চমক, রেকর্ড গড়ল ডিসেম্বর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trade fair Walton won the best innovation and stall award

বাণিজ্য মেলা: সেরা ইনোভেশন ও স্টলের পুরস্কার পেল ওয়ালটন

বাণিজ্য মেলা: সেরা ইনোভেশন ও স্টলের পুরস্কার পেল ওয়ালটন বাণিজ্য মেলায় সেরা ইনোভেশন পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা নিলু। ছবি: সংগৃহীত
মেলায় অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারের পরিবেশবান্ধব টেকসই স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শন করে সেরা ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে ওয়ালটন। একই সঙ্গে এবারের বাণিজ্য মেলাতে ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরিতে সেরা প্রিমিয়ার স্টলের পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন। 

শেষ হলো মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘ডিআইটিএফ’-এর ২৭তম আসর। বরাবরের মতো মেলার এই আসরেও দর্শনার্থীদের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল ওয়ালটনের দৃষ্টিনন্দন ও শৈল্পিক ডিজাইনের স্টল।

মেলায় অত্যাধুনিক ও উদ্ভাবনী ফিচারের পরিবেশবান্ধব টেকসই স্মার্ট প্রযুক্তিপণ্য প্রদর্শন করে সেরা ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছে ওয়ালটন। একই সঙ্গে এবারের বাণিজ্য মেলাতে ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরিতে সেরা প্রিমিয়ার স্টলের পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশি সুপার ব্র্যান্ড ওয়ালটন।

২৭তম বাণিজ্য মেলায় ১৪টি ক্যাটাগরিতে ৪৭টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথমবারের মতো এ বছর বাণিজ্য মেলায় ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড চালু করে আয়োজক সংস্থা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। এ ক্যাটাগরিতে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন।

বাণিজ্য মেলা: সেরা ইনোভেশন ও স্টলের পুরস্কার পেল ওয়ালটন
ইলেকট্রনিক্স ক্যাটাগরিতে সেরা প্রিমিয়ার স্টল পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ডিআইটিএফ-২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সেরা ইনোভেশন ও সেরা ইলেকট্রনিক্স স্টল ক্যাটাগরিতে ওয়ালটনকে প্রথম পুরস্কার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অ্যান্ড কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ বাবু।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইপিবি’র ভাইস-চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান।

অতিথিদের কাছ থেকে সেরা ইনোভেশন এবং সেরা ইলেকট্রনিক্স স্টলের পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইভা রিজওয়ানা নিলু ও মো. হুমায়ুন কবীর।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trade Fair 2nd Best Bengal Polymers at Premier Pavilion

বাণিজ্য মেলা: প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়নে দ্বিতীয় সেরা ‘বেঙ্গল পলিমার’

বাণিজ্য মেলা: প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়নে দ্বিতীয় সেরা ‘বেঙ্গল পলিমার’ বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছ থেকে বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন হেড অফ মার্কেটিং জোহেব আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মঙ্গলবার ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বেঙ্গল পলিমার কর্তৃপক্ষের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় সেরার পুরস্কার পেয়েছে বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস্ লিমিটেড। প্যাভিলিয়ন ডিজাইনে আধুনিকতা ও নতুনত্বের জন্য এই পুরস্কার দেয়া হয়।

রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মঙ্গলবার ২৭তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৩ এর সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে বেঙ্গল পলিমার কর্তৃপক্ষের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর পক্ষ থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন হেড অফ মার্কেটিং জোহেব আহমেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়নগুলোর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IMF loan approval eased Dhaka Chamber

আইএমএফের ঋণ অনুমোদন স্বস্তির: ঢাকা চেম্বার

আইএমএফের ঋণ অনুমোদন স্বস্তির: ঢাকা চেম্বার আইএমএফের ভবনে সংস্থাটির লোগো। ফাইল ছবি
ডিসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তার বলেন, ‘আইএমএফ বাংলাদেশকে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও পলিসি সংস্কারের শর্তারোপ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আর্থিক খাত, নীতি কাঠামো, জ্বালানি খাত, সরকারি অর্থব্যবস্থা, স্থানীয় রাজস্ব বৃদ্ধি, জলবায়ু স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ইত্যাদি।’

বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ সুবিধা অনুমোদনের বিষয়টিকে অর্থনীতির জন্য স্বস্তিকর হিসেবে দেখছে ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ব্যারিস্টার মো. সামীর সাত্তারকে উদ্ধৃত করে বুধবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘আইএমএফের পক্ষ থেকে ঋণপ্রাপ্তির অনুমোদন বাংলাদেশের ঋণপ্রাপ্তির যোগ্যতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ।’

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ বাংলাদেশকে ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে কিছু প্রাতিষ্ঠানিক ও পলিসি সংস্কারের শর্তারোপ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আর্থিক খাত, নীতি কাঠামো, জ্বালানি খাত, সরকারি অর্থব্যবস্থা, স্থানীয় রাজস্ব বৃদ্ধি, জলবায়ু স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ইত্যাদি।’

আইএমএফের সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘কারণ এই ঋণ সুবিধা বাংলাদেশকে বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

‘এই ঋণপ্রাপ্তিতে তাৎক্ষণিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবে, যা আমাদের অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে। এমনকি সরকার আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার কঠোর শর্তাবলী প্রত্যাহারের বিষয়ে বিবেচনা করার সুযোগ পাবে। আসন্ন রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনা করে ঋণটি অবশ্যই ব্যবসায়ীদের স্বস্তি দেবে।’

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করেছে। আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে কিছু প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকঘোষিত সাম্প্রতিক মুদ্রানীতিতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সুশাসন নিশ্চিত করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঋণের সুদহারের সীমা শিথিল করা হয়েছে এবং বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা আনতে ক্রমান্বয়ে বাজারভিত্তিক এবং একক বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার চালু করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি নতুন আয়কর আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়েছে, যার অন্যতম লক্ষ্য হলো করজাল বাড়ানো, যাতে করে দেশীয় রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি করা যায়। পাশাপাশি নতুন আয়কর আইন অটোমেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে, যার ফলে বিদেশি বিনিয়াগ আকৃষ্ট হবে।

বৈশ্বিক কারণে অর্থনীতিতে চাপ সামলাতে আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ ঋণ চেয়েছিল সংস্থাটি তার চেয়েও বেশি ঋণ দিচ্ছে।

সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি (৪.৫ বিলিয়ন) ডলার চেয়েছিল, আইএমএম তার চেয়ে ২০ কোটি ডলার বেশি অর্থাৎ ৪৭০ কোটি ডলার দেবে।

স্থানীয় সময় সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদরদপ্তরে সংকটকালে বাংলাদেশের বহুল প্রত্যাশিত এই ঋণের প্রস্তাব অনুমোদন করে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ। মঙ্গলবার দুপুরে আইএমএফের ওয়েবসাইটে ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিস্তারিত জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ‍ঋণ চূড়ান্ত ৩১ জানুয়ারি, আশা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ঋণ-আলোচনা চূড়ান্ত করতে আইএমএফ ডিএমডি ঢাকায়
বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি বেসরকারি খাতের জন্য চ্যালেঞ্জিং: ডিসিসিআই
মেয়র তাপসের সঙ্গে ডিসিসিআই নেতাদের সাক্ষাৎ
বিশ্বের ৩৫তম বড় অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে