× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The cause of the stock market crash was lack of investment education
google_news print-icon

পুঁজিবাজার ধসের কারণ ছিল বিনিয়োগ শিক্ষার অভাব

পুঁজিবাজার-ধসের-কারণ-ছিল-বিনিয়োগ-শিক্ষার-অভাব
ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোর ‘বিনিয়োগ শিক্ষা ও পুঁজিবাজার’ বিষয়ক সেমিনারে আলোচকরা/ ছবি: নিউজবাংলা
অতীতে পুঁজিবাজার ধসের মূল কারণ ছিল বিনিয়োগ শিক্ষার অভাব। তাই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত ছাড়াও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ধরনের শিক্ষাকে অনলাইনভিত্তিক করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অতীতে পুঁজিবাজার ধসের মূল কারণ ছিল বিনিয়োগ শিক্ষার অভাব। তাই পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত ছাড়াও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ধরনের শিক্ষাকে অনলাইনভিত্তিক করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার (৬ জানুয়ারি) অর্থসূচক ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো-২০২৩ এর এক সেমিনারে বক্তারা বিনিয়োগ শিক্ষা বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সেমিনারের বিষয় ছিল ‘বিনিয়োগ শিক্ষা ও পুঁজিবাজার’।

অর্থ ও বাণিজ্য বিষয়ক নিউজ পোর্টাল অর্থসূচক ডট কম পঞ্চমবারের মতো এই মেলার আয়োজন করেছে। বৃহস্পতিবার তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

শুক্রবারের সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম সাদিকুল ইসলাম।

সেশন চেয়ার ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেটসের (বিএএসএম) মহাপরিচালক (ডিজি) তৌফিক আহমেদ চৌধুরী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএএসএমের ফ্যাকাল্টি রিজভী আহমেদ।

অপরদিকে প্যানেল আলোচক ছিলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহবুল আলম, গ্রীণ ডেল্টা সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়াফী শফিক মেহনাজ খান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিন।

সেমিনারে কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বিনিয়োগ শিক্ষা দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক গ্যাপ রয়েছে। তবে আস্থার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি নেই। অভাব ও আস্থার ঘাটতি থাকলে বর্তমানেও অনেক বিনিয়োগ আসতো না। ব্যাংকগুলোতেও এখন নতুন নতুন প্রজেক্টের অফার আসে। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে দেশের পুঁজিবাজার ও অর্থনীতি এগিয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিনিয়োগ শিক্ষাকে অর্থায়ন শিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এই শিক্ষা বয়স ও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ ধরনের শিক্ষাকে অনলাইনভিত্তিক করা উচিত।’

‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এই শিক্ষার পদ্ধতি সঠিকভাবে এগিয়ে দেয়া উচিত। তাদের পুঁজিবাজারে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার। করোনার সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অনলাইন হয়েছিল। সেরকমভাবে বিনিয়োগ শিক্ষাকেও অনলাইন করানো উচিত। এ ছাড়া তথ্যের প্রবাহ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

সেমিনারে অধ্যাপক এম সাদিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিনিয়োগ শিক্ষার অভাব সবখানে আছে। দেশের অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলো যেন টাকা নিয়ে পালাতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পুঁজিবাজারের স্বল্প মূলধনী কোম্পানিগুলো নিয়ে ভাবতে হবে। কারণ এসব কোম্পানিতে শেয়ার কারসারজির পরিমাণ বেশি হয়।’

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিএএসএমের ফ্যাকাল্টি রিজভী আহমেদ বলেন, ‘বিনিয়োগ শিক্ষা নিয়ে যারা চিন্তা করেছে, তারাই লাভবান হয়েছে। অতীতের পুঁজিবাজার ধসের মূল কারণ ছিল বিনিয়োগ শিক্ষার অভাব।’

তিনি আরও বলেন, ‘মূল্যস্ফীতিসহ অন্যান্য বিষয়ের প্রভাব পুঁজিবাজারে কীভাবে পড়ে সেটাও জানতে হবে। বিনিয়োগ শিক্ষার অনেক উপকারিতা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি হলে পুঁজিবাজারে কী ধরনের প্রভাব পড়ে এ বিষয়ে জানতে হবে। উন্নত দেশে বিনিয়োগ শিক্ষা নিয়ে জানাশোনা লোকজনই পুঁজিবাজারে আসে। যে সব দেশের মানুষ গণিতে ভালো তারা বিনিয়োগ শিক্ষা বেশি বুঝে।’

রিজভী আহমেদ আরও বলেন, ‘জমানো সব টাকা দিয়ে শেয়ার কেনা উচিত না। প্রতি মাসে অল্প করে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা উচিত। এভাবে বিনিয়োগ করলে প্রাপ্ত শিক্ষা পুঁজিবাজারে কাজে লাগানো যাবে।’

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম বলেন, ‘বিনিয়োগ শিক্ষার ধারণা থাকলে নিজেই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা সম্ভব। আর যদি কেউ রিস্ক নিতে না চায়, তাহলে মিউচ্যুয়াল ফান্ড, বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারে। এছাড়া কিছু না বুঝলে তখন কোনো প্রতিষ্ঠানের সাহায্য নেয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকের পাশাপাশি পুঁজিবাজার থেকেও অর্থ সংগ্রহ করা যায়। সে বিষয়ে অনেকেই জানেন না। বর্তমানে অনেক কিছুই ডিজিটালাইজড হয়েছে। আগামীতে যাদের বাজার সম্পর্কে ধারণা থাকবে, তারাই পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করবে।’

গ্রীন ডেল্টা সিকিউরিটিজের এমডি ওয়াফী শফিক মিনহাজ খান, ‘এই খাত স্রোতের সঙ্গে চলছে। অধিকাংশ মানুষের শিক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না। ব্রোকারেজ হাউজগুলো আইটেম দিতে না পারলে তারা খারাপ হয়ে যায়। কারণ বিনিয়োগকারীরা আগেই এভাবে শিখে আসছে। তাই তারা এরকম আচরণ করছে।’

তিনি বলেন, ‘এই অবস্থা থেকে উত্তরণে বিনিয়োগ শিক্ষার প্রয়োজন। বিএসইসি, ডিএসই ও সিএসসই একসঙ্গে কাজ করছে। এছাড়া বিএএসএম আমাদের অনেক কোর্সের অফার করছে।’

ওয়াফী শফিক মিনহাজ খান বলেন, ‘পাশের দেশ ভারতে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনেক জনপ্রিয়তা। সেই তুলনায় আমরা এগোতে পারিনি। আমরা সবাই একসঙ্গে মিলে ইন্টারেস্টিং পদ্ধতিতে বিনিয়োগ শিক্ষা দিতে পারলে অনেক ভালো হবে। অন্য মানুষের কথা শুনেই বিনিয়োগ করা উচিত না। এ ধরনের সেমিনারসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি নিয়ে কাজ করা উচিত।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আল- আমিন বলেন, ‘শেয়ার কারসাজির সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাও জড়িত থাকেন। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ শিক্ষা থাকাটা খুবই দরকার। এক্ষেত্রে বর্তমানে বিএসইসি বেশকিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এরপরেও অনলাইন মিডিয়াগুলোতে সচেতনতা বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে। এ ছাড়া নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে মিলে কাজ করলে এসব সমস্যার সমাধান হবে।’

এবারের এক্সপোতে বিএসইসি, সিডিবিএল, বিআইসিএম, বিএএসএম, আইসিএবি, আইসিএমএবি, আইসিএসবি, ব্রোকারহাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, লিস্টেড কোম্পানি, সম্পদ ব্যবস্থাপনাসহ ৩৫টির বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। তিন দিনের এক্সপোতে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠানের বাইরে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

এসব সেমিনারে বিএসইসি, ডিএসই ও সিএসইর শীর্ষ কর্মকর্তা, খ্যাতনামা স্টক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংকার, অ্যাসেট ম্যানেজার, শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট, চার্টার্ড ফিন্যান্সিয়াল এনালিস্টরা অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন:
বিও খোলায় পদ্মা ব্যাংক সিকিউরিটিজের বড় ছাড়
রপ্তানি বেড়েছে, ঘুরে দাঁড়াবে পুঁজিবাজারও: এক্সপোতে আশা
‘পুঁজিবাজার ভালো করতে’ বিএসইসির উদ্যোগের ‘প্রভাব নেই’
৩০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ইফাদ অটোস
পুঁজিবাজারকে ভালো করতে হবে, ‘সবাইকে’ ডেকে নিয়ে বিএসইসি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The government withdrew from the decision to increase the price of sugar

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার

চিনির মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো সরকার প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা‍ই থাকছে। ফাইল ছবি
এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

পবিত্র রমজানের আগমন ও মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে চিনির দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সরকার তার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। খবর ইউএনবির

এতে বলা হয়, প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ১৪০ টাকা আগের মূল্যের ভিত্তিতেই বিক্রি করা হবে।

এর আগে সকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি) চিনি উৎপাদনকারী রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোর কেজিতে ২০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১৬০ টাকা নির্ধারণ করে দেয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএসএফআইসির উৎপাদিত চিনির আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাজারমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
চিনির দাম কেজিতে ২০ টাকা বাড়ল
নেত্রকোণায় মজুত করা ৪৯৯ বস্তা ভারতীয় চিনি জব্দ
চোরাই পথে আসা ভারতীয় চিনি ঢুকছে সিলেটের বাজারে
চিনি ও সয়াবিন তেলের দাম কমল ৫ টাকা
চিনির দাম বাড়ানো অযৌক্তিক: ক্যাব

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton Services champion Ansar Bahini in both categories of wrestling

ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তির উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার বাহিনী

ওয়ালটন সার্ভিসেস কুস্তির উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন আনসার বাহিনী
শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ওই প্রতিযোগিতার উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ অ্যামেচার রেসলিং ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ‘ওয়ালটন উন্মুক্ত ১২তম জাতীয় সার্ভিসেস (পুরুষ ও মহিলা) কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪’ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।

শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ওই প্রতিযোগিতার উভয় বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

পুরুষ বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণির পাঁচটিতে স্বর্ণ, ৩টিতে রৌপ্য ও ২টিতে ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। ৩টি স্বর্ণ, ৩টি রৌপ্য ও ৪টি ব্রোঞ্জসহ ১০টি পদক জিতে রানার্স-আপ হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আর ২টি স্বর্ণ, ৪টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ০৯টি পদক জিতে তৃতীয় হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

এদিকে নারী বিভাগের ১০টি ওজন শ্রেণি থেকে ৭টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি ব্রোঞ্জসহ মোট ১০টি পদক জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় আনসার। আর রানার্স-আপ হওয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পায় ২টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্যসহ মোট ৮টি পদক। তৃতীয় হওয়া বাংলাদেশ পুলিশ পেয়েছে ১টি স্বর্ণ, ১টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ মোট ৫টি পদক।

পুরুষ বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জুয়েল (৭৪ কেজি ওজন শ্রেণি)। মহিলা বিভাগে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ আনসার দলের রোজিনা (৭৬ কেজি ওজন শ্রেণি)।

টুর্নামেন্টের উভয় বিভাগের চ্যাম্পিয়ন, রানার্স-আপ ও তৃতীয় হওয়া দলকে ট্রফি দেওয়া হয়। সেরা খেলোয়াড় হওয়া দুজনই পেয়েছেন ৫ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ পুরস্কার। এছাড়া প্রতিযোগিতায় পদকপ্রাপ্ত খেলোয়াড়দের ওয়ালটনের পক্ষ থেকে হোম অ্যাপ্লায়েন্স পুরস্কার প্রদান করা হয়।

প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন ও সিনিয়র ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মেহরাব হোসেন আসিফ।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এমএ কুদ্দুস খান, সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান পালোয়ান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান বাচ্চু ও মেসবাহ উদ্দিন আজাদ প্রমুখ।

এবারের এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আনসার, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও তিতাস গ্যাসের পক্ষে ১৫০ জন মহিলা ও পুরুষ কুস্তিগীর অংশ নেন। পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগে ১০টি করে মোট ২০টি ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পুরুষ বিভাগের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫৭ কেজি, ৬১ কেজি, ৬৫ কেজি, ৭০ কেজি, ৭৪ কেজি, ৭৯ কেজি, ৮৬ কেজি, ৯২ কেজি, ৯৭ কেজি ও ১২৫ কেজি। মহিলাদের ওজন শ্রেণিগুলো ছিল- ৫০ কেজি, ৫৩ কেজি, ৫৫ কেজি, ৫৭ কেজি, ৫৯ কেজি, ৬২ কেজি, ৬৫ কেজি, ৬৮ কেজি, ৭২ কেজি ও ৭৬ কেজি।

অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এফ.এম. ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন) বলেন, দীর্ঘদিন যাবত খেলাধুলাসহ সব ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে উৎসাহিত ও সহযোগিতা করে আসছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। খেলাধুলার এসব প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের অংশগ্রহণ থাকবে সবসময়।

ওয়ালটনের মার্কেটিং এন্ড কমিউনিকেশন বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রবিউল ইসলাম মিলটন বলেন, যেকোনো প্রতিযোগিতায় প্রতিভাবান মুখগুলো সামনে উঠে আসে। এই কুস্তি প্রতিযোগিতাও এর ব্যতিক্রম কিছু নয়। প্রতিযোগিতামুখর এই ইভেন্ট অত্যন্ত সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় ওয়ালটনের উপস্থিতি ওয়ালটনকে সম্মানিত করেছে।

উল্লেখ্য, কুস্তি প্রতিযোগিতা-২০২৪ এর ইভেন্ট পার্টনার ছিল দেশের জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল। আর মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল অনলাইনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রাইজিংবিডি.কম। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bashundhara MD received lifetime honor

‘ট্রাব স্মার্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীর

‘ট্রাব স্মার্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীর। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ও কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

আবাসন ও জুয়েলারি শিল্পে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গ্লোবাল ব্র্যান্ডস ‘ট্রাব স্মার্ট পারফরম্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ পেয়েছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর।

রাজধানীর একটি হোটেলে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বুধবার তাকে এ পুরস্কার দেয়।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির পক্ষ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পরিচালক ও কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

অনুষ্ঠানে সংগীতে অবদান রাখায় বরেণ্য রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, সংস্কৃতিতে অবদান রাখায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মনি, মানবকল্যাণে পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মহিউদ্দীন মহারাজ, রম্য রচনায় আবু হেনা মোরশেদ জামান, সফল উদ্যোক্তা হিসেবে পান-সুপারির স্বত্বাধিকারী কণা রেজাসহ বিভিন্ন খাতে অবদান রাখা গুণীজনকে সম্মাননা দেয়া হয়।

ওই সময় নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, ‘মাতৃভাষার লড়াই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত। মাতৃভাষার জন্য আন্দোলন শুরু করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মাতৃভাষা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

‘জাতির পিতা সংবিধানেও সেটি উল্লেখ করেন। সেই ভাষা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সব ভাষা এবং সংস্কৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক থাকবে, তবে নিজের ভাষা-সংস্কৃতি ভোলা যাবে না।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Commemoration of language martyrs with great respect and love in Vienna

ভিয়েনায় পরম শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ

ভিয়েনায় পরম শ্রদ্ধা-ভালবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ শহিদদের স্মরণে ভিয়েনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একুশে আমাদেরকে ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং মাথা নত না করতে শিখিয়েছে। একুশ আমাদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক। একুশের চেতনায়ই আজ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’

অসাম্প্রদায়িক চেতনায় আবারও নিজেদের শাণিত করে পরম শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় ভাষাশহিদদের স্মরণ করলেন অস্ট্রিয়ার প্রবাসী বাঙালিরা।

দেশটির রাজধানী ভিয়েনার হেলবেগটাসে অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের নিজস্ব কার্যালয়ে বুধবার বিকেলে অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।

পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের পর শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম। সঞ্চালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান শ্যামল।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি, অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রিয়া বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি রবিন মোহাম্মদ আলী, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শ্রী রুহী দাস সাহা, শফিকুর রহমান বাবুল, মনোয়ার পারভেজ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব খান শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম কাঞ্চন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জহির তুহিন।

অনুষ্ঠানে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘একুশে আমাদেরকে ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় থাকতে এবং মাথা নত না করতে শিখিয়েছে। একুশ আমাদের ঐক্য ও শক্তির প্রতীক। একুশের চেতনায়ই আজ এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।’

খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ‘এই একুশে বরকত, সালাম, জব্বার, রফিকরা ভাষার দাবিতে রক্ত দিয়েছিল। একুশ আমাদেরকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছে।’

বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাঙালির উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে অমর একুশের গান, মুক্তিযুদ্ধের গান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।

আরও পড়ুন:
মাতৃভাষা দিবসে ইংরেজি ব‌্যানারে শোভাযাত্রা, বরিশালে তোলপাড়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Onion price is decreasing in Chittagong

চট্টগ্রামে কমছে পেঁয়াজের দাম

চট্টগ্রামে কমছে পেঁয়াজের দাম ফাইল ছবি
সোমবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশসহ ছয় দেশের জন্য নমনীয় করে ভারত। এরপর দেশটির থেকে পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে দাম পড়তির দিকে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামে কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম। পাইকারি ও খুচরা উভয় বাজারেই দাম কমছে।

মঙ্গলবার এক দিনেই কেজিতে কমেছে ১৫ টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দাম আরও কমতে পারে।

সোমবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশসহ ছয় দেশের জন্য নমনীয় করে ভারত। এরপর দেশটির থেকে পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ কারণে দাম পড়তির দিকে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশের অন্যতম বৃহৎ ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি আড়তই পেঁয়াজে ভর্তি। সেখানে পাইকারিতে কেজি প্রতি ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে।

মঙ্গলবার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি, যা আগের দিন বিক্রি হয়েছিল ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। অন্যদিকে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়, যা আগেরদিন বিক্রি হয় ১০০ টাকার ওপরে।

নগরীর রিয়াজুদ্দিন বাজার, কাজির দেউরি বাজার, চকবাজার, টেরিবাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা দোকানেও পেঁয়াজের দাম কমেছে। খুচরা মূল্যে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, দেশি পেঁয়াজ ১০০ টাকা এবং মেহেরপুরের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায়, যা আগের দিনের চাইতে প্রত্যেকটিতেই কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা করে কম।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আড়তদাররা দাম নির্ধারণ করেন না। আমদানিকারকরা যে দাম বলেন, সে দামেই বিক্রি করেন। দাম বাড়া-কমায় আমাদের কোনো হাত নেই।’

তিনি বলেন, ‘গত দুদিন থেকে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানির ঘোষণা দেয়ার পর বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। দাম আরও কমতে পারে।’

ভারত থেকে আমদানি শুরু হলে দাম কমতে থাকবে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে সীমিত আকারে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে ভারত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
13 organizations and 5 individuals were honored by ISAB in fire safety

অগ্নি নিরাপত্তায় ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে ইসাবের সম্মাননা

অগ্নি নিরাপত্তায় ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে ইসাবের সম্মাননা নির্বাচিত ব্যক্তিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
গত ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর কো-পার্টনার হিসেবে ছিল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। এছাড়া অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে ছিল এফইবিওএবি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অগ্নিঝুঁকি কমিয়ে এনে দেশে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার, অগ্নি-সুরক্ষা নিশ্চিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং অগ্নি সুরক্ষা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রত্যয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘নবম আন্তর্জাতিক ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো ২০২৪’।

প্রদর্শনীর শেষদিন আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি সুরক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করায় ১৩টি প্রতিষ্ঠান ও অগ্নিনির্বাপণ ও দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য ৫ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করে ইলেকট্রনিক্স সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ইসাব)।

সোমবার রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অগ্নি নিরাপত্তা সামগ্রী ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এত অগ্নিকাণ্ডের পরও দেশের শিল্পগুলো ঘুরে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে ৪৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করেছি, যারা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলে আসার আগেই আগুন নেভাতে ভূমিকা রাখতে পারবেন। পূর্ব অভিজ্ঞতা নিয়ে এখনকার ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আরও বেশি সতর্ক। আমাদের সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয়া ও সিভিল ডিফেন্সের উন্নতি করা।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘ফায়ার সেফটি নিশ্চিতে আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। ভবন নির্মাণের সময় অবশ্যই বিল্ডিং কোড মানতে হবে। সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার জরুরি।’

এ সময় মানুষের জীবনের মূল্যায়ন করার জন্য হলেও ফায়ার সেফটি নিয়ে সচেতন হতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

স্বাগত বক্তব্যে ইসাব সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতি বলেন, ‘এই প্রদর্শনীতে ৩০টি দেশের শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। ৩ দিনের এ প্রদর্শনীতে ১৫ হাজারেরও বেশি দেশি-বিদেশি দর্শনার্থীর আগমন এবং সেমিনারগুলোতে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

অগ্নি নিরাপত্তায় ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে ইসাবের সম্মাননা

জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোতে অত্যাধুনিক অগ্নি সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহারে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে আয়োজিত এই প্রদর্শনী আয়োজনের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের নানা সুযোগের কথা তুলে ধরে তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘দেশকে উন্নত করতে হলে আমাদের সকল নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্নি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্মাণ ব্যয়ের ২ শতাংশ এ খাতে খরচ করতে হবে।’

সার্ক চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘উন্নত বাংলাদেশে গড়তে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে অবশ্যই অগ্নি নিরাপত্তায় গুরুত্ব দিতে হবে। এইচএসবিসির ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ নবম ভোক্তা বাজারে পরিণত হবে। অন্যান্য খাতের মতো ফায়ার সেফটি খাতেও অনেক বড় ভোক্তা রয়েছে আমাদের। কাজেই এখন সময় এসেছে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদন করার।’

শুধু বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে দেশেই ফায়ার সেফটি পণ্য উৎপাদনের জন্য এ খাতের সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

অগ্নি নিরাপত্তায় ১৩ প্রতিষ্ঠান ও ৫ ব্যক্তিকে ইসাবের সম্মাননা

এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক এগিয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তা পণ্যের ক্ষেত্রে শুধু বিদেশি পণ্যের উপর নির্ভরশীল না হয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশেই পণ্য উৎপাদন করতে হবে।’

ইসাবের সেক্রেটারি জেনারেল জাকির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের গুরুত্ব অনেক। কারণ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা এককভাবে করা যাবে না।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ইসাবের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম শাহজাহান সাজু, প্রচার সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসাবের সহ-সভাপতি মো. মতিন খান, মোহাম্মদ ফয়সাল মাহমুদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. মনজুর আলম, এম মাহমুদুর রশিদ, যুগ্ম মহাসচিব মো. মাহমুদ-ই-খোদা, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহাবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মো. নূর-নবী, পরিচালক মো. ওয়াহিদ উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মো. আল-ইমরান হোসেন, মেজর মোহাম্মদ আশিক কামাল, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন যারা

আবাসিক, শিল্প, বাণিজ্যিক ভবনে বিল্ডিং কোড মেনে চলা ও অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য ‘ইসাব সেফটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে মোট ১৩টি প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে আবাসিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে র‌্যানকন আর্টিস্টি রেসিডেন্সেস, দ্বিতীয় শেলটেক রুবিনুর এবং তৃতীয় হয়েছে কনকর্ড শাপলা।

বাণিজ্যিক ভবন ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে যথাক্রমে শান্তা ফোরাম, কনকর্ড এমকে হেরিটেজ এবং বিজিএমইএ।

শিল্প ভবন (তৈরি পোশাক) ক্যাটাগরির তিনটি পর্যায়েই যৌথভাবে ৬টি প্রতিষ্ঠান বিজয়ী হয়েছে। এর মধ্যে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে গ্ল্যামার ড্রেসেস লিমিটেড এবং ডিজাইনটেক্স নিটওয়্যার লিমিটেড, দ্বিতীয় হয়েছে তাসনিয়া ফ্রেব্রিক্স লিমিটেড ও এসকিউ বিরিচিনা লিমিটেড এবং তৃতীয় হয়েছে স্টারলিং ডেনিমস লিমিটেড ও সিল্কেন সুইং লিমিটেড।

এছাড়াও শিল্প ভবনের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছে বিএম কন্টেইনার ডিপো লিমিটেড।

সম্মানে ভূষিত যেসব ব্যক্তি

এদিকে অগ্নি নির্বাপন ও উদ্ধারকাজে সাহসী ভূমিকার জন্য ফায়ার সার্ভিসের ৫ ব্যক্তিকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে ইসাব।

তারা হলেন- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফয়সালুর রহমান, মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম, সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন সরকার, ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. জহিরুল ইসলাম এবং ফায়ার ফাইটার আলহাজ মিয়া।

গত ১৭ থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই প্রদর্শনীর কো-পার্টনার হিসেবে ছিল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। এছাড়া অ্যাসোসিয়েট পার্টনার হিসেবে ছিল এফইবিওএবি, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রদর্শনীতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে এফবিসিসিআই।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Suspicious transactions have increased by 6457 in a year in the country

দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪.৫৭%

দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪.৫৭% বিএফআইইউ মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে সংবাদ সম্মেলনে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন তুলে ধরে। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের প্রধান মাসুদ বিশ্বাস বলেন, ‘মানি লন্ডারিংয়ের ৮০ শতাংশ হ‌য় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক সহযো‌গিতা না করলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা ক‌ঠিন। কারণ একবার মানি লন্ডারিং হ‌য়ে গেলে তা ফেরত আনা যায় না।’

দেশের আর্থিক খাতে সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) ও সন্দেহজনক কার্যক্রম ব্যাপক হারে বেড়েছে। গত অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে ১৪ হাজার ১০৬টি, যা আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৮ হাজার ৫৭১টি। আর তার আগের অর্থবছরে ছিল ৫ হাজার ২৮০টি। সে হিসাবে দেশে এক বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে ৬৪ দশ‌মিক ৫৭ শতাংশ বা ৫ হাজার ৫৩৫টি।

অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের কেন্দ্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) ২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে এই প্রতিবেদনের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএফআইইউর প্রধান মাসুদ বিশ্বাস।

সংবাদ সম্মেলনে জানা‌নো হয়, সব সন্দেহজনক লেনদেন (এসটিআর) অপরাধ নয়। লেন‌দেন সন্দেহজনক হ‌লে বিএফআইইউ তদন্ত করে। এরপর কো‌নো অপরা‌ধের তথ্য-প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরু‌দ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।

মাসুদ বিশ্বাস বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের ৮০ শতাংশ হ‌য় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক সহযো‌গিতা না করলে এটা নিয়ন্ত্রণ করা ক‌ঠিন। কারণ একবার মানি লন্ডারিং হ‌য়ে গেলে তা ফেরত আনা যায় না।’

পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা ও সহযোগিতার জন্য ১০ দে‌শের স‌ঙ্গে এমওইউ’র প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিএফআইইউ প্রধান বলেন, ‘বিএফআইইউর তথ্যের ভিত্তিতে অর্থ পাচারের মামলা হয়েছে ৫৯টি। এর ম‌ধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করেছে ৪৭টি। এছাড়া সিআই‌ডি ১০টি ও এন‌বিআরের বিশেষ সেল দুটি মামলা করেছে। সেসব মামলা এখনও নিষ্পত্তি হয়‌নি।’

বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো অর্থবছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৮০৯টি সন্দেহজনক লেনদেনের রিপোর্ট জমা দিয়েছে ব্যাংকগুলো। তার আগের অর্থবছরে তারা জমা দিয়েছিল ৭ হাজার ৯৯৯টি রিপোর্ট। আর্থিক প্র‌তিষ্ঠা‌নগু‌লো জমা দেয় ১২১টি রিপোর্ট। আর ৯০০ রি‌পোর্ট জমা দিয়েছে এক্সচেঞ্জ হাউজগুলো।

বিএফআইইউ’র নির্বাহী প‌রিচালক র‌ফিকুল ইসলাম, বৈ‌দে‌শিক মুদ্রা ও নী‌তি বিভা‌গের প‌রিচালক সা‌রোয়ার হো‌সেন ও অতি‌রিক্ত প‌রিচালক কামাল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
অবৈধ লেনদেন রোধে একযোগে কাজ করার আহ্বান
ইউএফএস এমডিসহ ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ
পাচারের টাকা ফেরাতে ১০ দেশের সঙ্গে চুক্তি চায় বিএফআইইউ
বিচারকের প্রশ্নবাণে জেরবার বিএফআইইউ প্রধান
বিএফআইইউ প্রধান মাসুদ বিশ্বাসকে হাইকোর্টে তলব

মন্তব্য

p
উপরে