× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Opportunity of loan waiver up to 5 lakh taka
google_news print-icon

৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপনের সুযোগ

৫-লাখ-টাকা-পর্যন্ত-ঋণ-অবলোপনের-সুযোগ
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে কৃষি এবং অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পসহ ক্ষুদ্র অঙ্কের ঋণের মামলার খরচ ঋণের অঙ্কের চেয়ে বেশি হলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপন করতে মামলা করতে হবে না। শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোও এ নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

পাঁচ লাখ টাকার মন্দ মানের খেলাপি ঋণ ব্যাংকগুলো মামলা না করে অবলোপন করে ব্যালান্স শিট বা স্থিতিপত্র থেকে বাদ দিতে পারবে। এতোদিন দুই লাখ টাকার ঋণে মামলা না করে অবলোপনের সুযোগ ছিল।

ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ কমাতে ঋণ অবলোপন (রাইট অফ) নীতিমালায় এই শিথিলতা এনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়।

সার্কুলারে বলা হয়, এখন থেকে কৃষি এবং অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি (সিএমএসএমই) শিল্পসহ ক্ষুদ্র অঙ্কের ঋণের মামলার খরচ যদি ঋণের অঙ্কের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপন করতে মামলা করতে হবে না।

ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোও তাদের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে; যা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালার আলোকে ২০০৩ সাল থেকে ব্যাংকগুলো ঋণ অবলোপন করে আসছে।

ক্ষুদ্র ঋণে মামলার খরচের চেয়ে অনেকাংশে বকেয়া ঋণের পরিমাণ কম হওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ২০১৩ সালে মামলা না করেই ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপনের সুযোগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সেই নীতিমালায় সংশোধনী আনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে বলা হয়, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অবলোপনে মামলা করতে হবে না।

বৃহস্পতিবার নতুন সার্কুলারে এই অঙ্ক বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করা হয়েছে। এতে খেলাপি ঋণ আদায় না হলেও তা কাগজ-কলমে কমবে।

বছরের পর বছর ধরে ব্যাংক ব্যবস্থায় মন্দ মানে শ্রেণিকৃত খেলাপি ঋণ স্থিতিপত্র (ব্যালান্স শিট) থেকে বাদ দেয়াকে ঋণ অবলোপন বা রাইট অফ বলে। যদিও এ ধরনের ঋণগ্রহীতা পুরো টাকা পরিশোধ না করা পর্যন্ত খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস শেষে ব্যাংক খাতের মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হয়েছে এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে অর্থাৎ চলতি বছরের জুন শেষে এ খাতের মোট বিতরণ করা ঋণ ছিল ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপির পরিমাণ ছিল এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৮ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

অর্থাৎ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে নয় হাজার ১৩৯ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যে দেখা যায়, ২০২২ সালের প্রথম প্রান্তিকে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত ঋণ অবলোপন হয়েছিল ৫২৯ কোটি টাকা। সে সময় অবলোপনের মোট স্থিতি ছিল ৫৯ হাজার ৬৩২ কোটি টাকা। একই সময়ে আদায় হয় ১৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা।

এরপর এপ্রিল থেকে জুন প্রান্তিকে মাত্র তিন মাসে ঋণ অবলোপন বেড়েছে ৫৪৪ কোটি টাকার বেশি। জুন প্রান্তিকের হিসাবসহ ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ অবলোপনের স্থিতি ছিল ৬০ হাজার ৪০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো বিভিন্নভাবে ১৭ হাজার ৪১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আদায় করতে পেরেছে। ফলে খেলাপি ঋণ অবলোপনের নিট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৪৩ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা। অবলোপনের কারণে উল্লিখিত অঙ্ক ঋণ আর ব্যাংকের মূল হিসাবে দেখাতে হচ্ছে না।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাস শেষে ব্যাংক খাতের মোট ঋণ ছিল ১৪ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ। অবলোপনকৃত ঋণ বিবেচনায় নিলে ব্যাংকের প্রকৃত খেলাপি ঋণ এখন আরও বেশি।

আরও পড়ুন:
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন ওয়েবসাইট
লুব্রিকেন্ট আমদানিতে এলসি মার্জিন শিথিল
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ব্যবহারেও কড়াকড়ি
পাঁচ মাসে কৃষিতে ঋণ বেড়েছে ১৫.৬৮ শতাংশ
পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ: বাণিজ্যিক ব্যাংককে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছাড়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Trade in local currency will strengthen economies in SAARC countries Governor

সার্কভুক্ত দেশে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: গভর্নর

সার্কভুক্ত দেশে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্যে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: গভর্নর শুক্রবার চট্টগ্রামে রেডিসন ব্লু’র মোহনা হলে সার্ক ফাইন্যান্স সেমিনারে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন করলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমে আসবে। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং বিনিময় ঝুঁকি ও লেনদেন খরচ কমবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেছেন, সার্কভুক্ত দেশে স্থানীয় মুদ্রা বাণিজ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, প্রবৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সার্কের সদস্য দেশগুলোতে স্থানীয় মুদ্রায় বাণিজ্য করলে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

শুক্রবার চট্টগ্রামে রেডিসন ব্লু’র মোহনা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে আয়োজিত ‘স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন: সার্ক দেশগুলোর জন্য সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সার্ক ফাইন্যান্স সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় মুদ্রা চালুর ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা, নীতি উদ্ভাবন এবং কৌশলগত চুক্তির মাধ্যমে আরও স্থিতিস্থাপক এবং সমন্বিত আঞ্চলিক অর্থনীতির পথ প্রশস্ত করা সম্ভব।

আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলার দীর্ঘসময় ধরে আধিপত্য করে আসছে। বাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ লেনদেন এ মুদ্রার মাধ্যমে হয়ে আসছে। কিন্তু ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার আলোকে এবং ভারসাম্যহীনতার ফলে অনেক দেশ একটি একক মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল না থেকে বিকল্প পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে স্থানীয় মুদ্রায় লেনদেন করলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমে আসবে। এতে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং বিনিময় ঝুঁকি ও লেনদেনের খরচ কমবে।

‘নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করলে আমরা আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পারি। স্থানীয় বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সহযোগিতার কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা। সেক্ষেত্রে স্থানীয় মুদ্রার স্থিতিশীলতা ও রূপান্তরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে হবে এবং বাণিজ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন রির্জাভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার চিফ জেনারেল ম্যানেজার আদিত্য গায়হা, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর ড. মো. হাবিবুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক সায়েরা ইউনুস।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও কমার্শিয়াল ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করতে গভর্নরের তাগিদ
সংস্কারে সন্তুষ্ট আইএমএফ, ডিসেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়
বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিংয়ে গভর্নর রউফের অবস্থানের অবনমন
মুডি’স-এর ঋণমান কমানো ভূরাজনৈতিক, এতে কিছু আসে যায় না: গভর্নর
চার বছরের মধ্যে ৭৫ শতাংশ ক্যাশলেস লেনদেন: গভর্নর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank to publish monetary policy online amid exclusion of journalists

সাংবাদিকদের বর্জনের মধ্যে অনলাইনে মুদ্রানীতি প্রকাশ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিকদের বর্জনের মধ্যে অনলাইনে মুদ্রানীতি প্রকাশ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক ফাইল ছবি।
ঐতিহ্যগতভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সংবাদ সম্মেলনে মুদ্রানীতি দিয়ে থাকে। গভর্নর ও প্রধান অর্থনীতিবিদ বিভিন্ন নীতিগত বিষয় ব্যাখ্যা করেন। সাংবাদিকদের বর্জনের মধ্যে এবার সেই ঐতিহ্য ভেঙে জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের মুদ্রানীতি অনলাইনে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের বর্জন এড়াতে মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট-এমপিএস) অনলাইনে প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঐতিহ্যগতভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ সম্মেলনে মূলধারার গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা মুদ্রানীতি নিয়ে আলোচনা করার জন্য উপস্থিত থাকেন। গভর্নর ও প্রধান অর্থনীতিবিদ বিভিন্ন নীতিগত বিষয় ব্যাখ্যা করেন। মুদ্রানীতি এবং ব্যাংকিং খাতের কর্মক্ষমতা সম্পর্কে চ্যালেঞ্জিং নানা প্রশ্নেরও জবাব দেন তারা।

তবে সেই ঐতিহ্য ভেঙে বাংলাদেশ ব্যাংক এখন অনলাইনে হালনাগাদের মাধ্যমে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের মুদ্রানীতি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত। সংবাদ সম্মেলনের পরিবর্তে আগামী ১৮ জুলাই বিকেল ৩টায় মুদ্রানীতি (এমপিএস) অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।

ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক এর আগে মুদ্রানীতি প্রকাশের সম্মেলন কভার করতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার সীমিত করেছিল।

‘আমরা এমন কোনো ব্যবস্থা সমর্থন করি না, যেখানে কর্মকর্তাদের অনুমতি পেলেই কেবল সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করতে পারবেন এবং কথা বলার জন্য একটি সময় নির্ধারণ করে দিতে পারবেন। ইআরএফ এই ব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং আগের মতোই ঝামেলামুক্ত প্রবেশাধিকারের দাবিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাংবাদিকদের অবাধ প্রবেশাধিকারের দাবি পূরণ না করলে ইআরএফ বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুষ্ঠান বর্জন অব্যাহত রাখবে।’

আরও পড়ুন:
ঋণমুক্ত হওয়ার পথ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
রপ্তানি তথ্যে অসঙ্গতির জন্য দায়ী এনবিআর ও ইপিবি
এক বছরে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার
আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Signing of MoU between Rupali Bank and Pension Authority

রূপালী ব্যাংক ও পেনশন কর্তৃপক্ষের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

রূপালী ব্যাংক ও পেনশন কর্তৃপক্ষের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর সম্প্রতি কাকরাইলে পেনশন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে কবিরুল ইজদানী খান ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি কাকরাইলে পেনশন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কবিরুল ইজদানী খান এবং রূপালী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

রূপালী ব্যাংক পিএলসি ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সার্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। এখন থেকে সব স্কিমের মাসিক কিস্তি আদায়সহ দেশে ও বিদেশে এর যাবতীয় প্রচার-প্রচারণায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সহযোগী হিসেবে কাজ করবে রূপালী ব্যাংক।

সম্প্রতি রাজধানীর কাকরাইলে পেনশন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব কবিরুল ইজদানী খান এবং রূপালী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. মুর্শীদুল হক খান, যুগ্ম সচিব এ. কে এম আতিকুল হক, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শরীফ উদ্দিন, ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ কাউসার মোস্তাফিজ ও সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ডিএমডি হলেন ফয়েজ আলম
নতুন অর্থমন্ত্রীকে রূপালী ব্যাংকের অভিনন্দন
নোয়াখালীর কবিরহাটে রূপালী ব্যাংকের এটিএম বুথ উদ্বোধন
রূপালী ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো উদ্বোধন
দুস্থদের মাঝে রূপালী ব্যাংকের খাবার বিতরণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank has eased the way to become debt free

ঋণমুক্ত হওয়ার পথ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঋণমুক্ত হওয়ার পথ সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
ঋণের ন্যূনতম ১০ শতাংশ অর্থ আগে জমার শর্ত দিয়ে ঋণ থেকে প্রস্থান সংক্রান্ত নীতিমালা বা এক্সিট পলিসি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নীতিমালার সুবাদে যে কেউ যেকোনো সময় চাইলে তার ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে খেলাপি থেকে বের হতে পারবেন। ব্যবসা এবং শিল্পঋণের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

ব্যবসায়ী কিংবা খেলাপি উভয়ের জন্যই ব্যাংক ঋণ থেকে মুক্ত হওয়ার নতুন পথ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অবশ্য এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে ঋণের ন্যূনতম ১০ শতাংশ অর্থ আগে জমা দিতে হবে।

এমন শর্ত দিয়ে ঋণ থেকে প্রস্থান সংক্রান্ত নীতিমালা বা এক্সিট পলিসি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার এই নীতিমালার আলোকে নিজস্ব নীতিমালা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এই নীতিমালার ফলে যে কেউ যেকোনো সময় চাইলে তার ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে খেলাপি থেকে বের হতে পারবেন। এছাড়া ব্যবসা ও শিল্প ঋণের ক্ষেত্রেও ব্যাংক থেকে প্রস্থান করা সম্ভব হবে।

তারা বলছেন, অনেকেই নানা কারণে তার ব্যবসা থেকে বেরিয়ে যেতে চান। তবে নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় ব্যাংকঋণ শোধ করতে তারা সমস্যায় পড়েন। ব্যাংকগুলোও অনেক সময় পুরো অর্থ পরিশোধ করতে গ্রাহকদের চাপ দেয়। এতে ঋণ থেকে বের হতে পারেন না গ্রাহক।

নতুন নীতিমালার ফলে ব্যাংকগুলো সুবিধা পাবে। আবার ব্যবসায়ীরাও তাদের সুবিধামতো ব্যবসা গুটিয়ে নিতে পারবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক নীতিমালায় বলেছে, আবেদনপ্রাপ্তির ৬০ দিনের মধ্যে ব্যাংক কর্তৃক তা নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতে আদায়ের সম্ভাবনা খুবই কম এ ধরনের শ্রেণীকৃত ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে অথবা নিয়ন্ত্রণবহিভূর্ত কারণে ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেলে অথবা ঋণগ্রহীতা কর্তৃক প্রকল্প বা ব্যবসা বন্ধ করার ক্ষেত্রে ঋণের প্রস্থান সুবিধা দেয়া যাবে। সেক্ষেত্রে বিদ্যমান ঋণস্থিতির ন্যূনতম ১০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ হলেই এই কার্যক্রম শুরু করা যাবে।

এছাড়া যে ব্যাংক এই সুবিধা দেবে তাদের পরিচালনা পর্ষদ বা নির্বাহী কমিটি দ্বারা এই সুবিধার অনুমোদন নিতে হবে। তবে মূল ঋণ সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও বলেছে, এক্সিট পলিসিতে আবেদনকারী গ্রাহক নতুন করে ঋণের জন্য আবেদন করতে পারবেন না। এছাড়া তার পুরো ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত ঋণের মানের কোনো পরিবর্তন হবে না।

এই সুবিধা নিয়ে তিন বছরের মধ্যে পুরো ঋণ শোধ করতে হবে বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চাইলে এই গ্রাহকরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি হিসেবেও চিহ্নিত হবেন না।

কেন এই সুবিধা দেয়া হবে তারও বর্ণনা দেয়া হয়েছে নীতিমালায়। বলা হয়েছে- ঋণগ্রহীতার ব্যবসা, শিল্প বা প্রকল্প অনেক সময় নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সেই ব্যবসা থেকে গ্রাহকের নগদ প্রবাহ বন্ধ কিংবা কিস্তি পরিশোধ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে এসব গ্রাহক ঋণখেলাপি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েন, যা ইচ্ছাকৃত খেলাপিও নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কোন নির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায় একেক ব্যাংক একেক পথে হাঁটে। তাই সব ব্যাংকের জন্য অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হলো।

নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, এক্সিট সুবিধা পুরোপুরি সমন্বয়ের আগে ঋণের বিপরীতে গৃহীত জামানত অবমুক্ত করা যাবে না। তবে ব্যাংক, গ্রাহক ও ক্রেতা আগ্রহী হলে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে আলোচ্য ঋণের বিপরীতে বন্ধকীকৃত সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে ঋণ সমন্বয় করা যাবে। এই সুবিধা প্রাপ্তির পর গ্রাহক পাওনা পরিশোধে ব্যর্থ হলে ঋণ আদায়ে ব্যাংক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন:
রপ্তানি তথ্যে অসঙ্গতির জন্য দায়ী এনবিআর ও ইপিবি
এক বছরে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার
আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NBR and EPB are responsible for discrepancies in export data
বাংলাদেশ ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক চিঠি

রপ্তানি তথ্যে অসঙ্গতির জন্য দায়ী এনবিআর ও ইপিবি

রপ্তানি তথ্যে অসঙ্গতির জন্য দায়ী এনবিআর ও ইপিবি
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেরিফিকেশন সিস্টেমে গত দুই অর্থবছরে ২০ মাসে আনুমানিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের গরমিল পাওয়া গেছে। সরকারকে দেয়া এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এর ব্যাখ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংক এমনটা উল্লেখ করেছে।

রপ্তানি তথ্যের হিসাবে অসঙ্গতির জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোকে (ইপিবি) দায়ী করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দেশের রপ্তানি আয়ের হিসাব থেকে শত শত কোটি ডলারের তথ্য মুছে ফেলার ব্যাখ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এমনটা বলা হয়েছে। সূত্র: ইউএনবি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেরিফিকেশন সিস্টেমে গত দুই অর্থবছরে ২০ মাসে আনুমানিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের গরমিল পাওয়া গেছে।

সরকারকে দেয়া এক আনুষ্ঠানিক চিঠিতে এর ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তাতে বলা হয়েছে, এই বিশাল ঘাটতির সঙ্গে দেশের বিভিন্ন আর্থিক পরিসংখ্যান উল্টে গেছে।

রপ্তানি কমে যাওয়ায় চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত থেকে ঘাটতিতে চলে গেছে। আর রপ্তানির বিপরীতে রেমিট্যান্স আসার লক্ষ্যমাত্রা কমে যাওয়ায় রাজস্ব খাতে ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্ত হয়েছে।

চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এক বৈঠকে এনবিআরের প্রতিনিধি ইতোমধ্যে তাদের পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, একই পণ্য রপ্তানির জন্য একাধিক রপ্তানি হিসাব রয়েছে, যা সার্ভারে নতুন করে ইনপুট দেয়া হয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকের শাখা থেকে রপ্তানি আয়ের তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে ডাটা ও প্রকৃত রপ্তানির মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংগ্রহ করা এবং ইপিবি প্রকাশিত রপ্তানি তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতির কারণ চিহ্নিত করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বলেছে, একই রপ্তানি তথ্য এবং পণ্যের এইচএস কোড একাধিকবার ইনপুট করা হয়েছে।

পণ্যের কাটিং, মেকিং ও ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে শুধু ম্যানুফ্যাকচারিং চার্জ দিতে হয়। তবে কাপড়সহ সব অংশের হিসাব রেখেছে ইপিবি। ইপিবি অনেক সময় নমুনা পণ্যের দামও ইনপুট করেছে, যা নমুনা পণ্যের মূল্য হিসেবে আসার কথা নয়।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার নিন্দা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank sold 13 billion dollars in one year

এক বছরে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক

এক বছরে ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কমা এবং আগের ঋণ পরিশোধের চাপের কারণে আর্থিক হিসাবে বড় ঘাটতি রয়েছে। সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ কারণে ডলার সংকটের তেমন উন্নতি হয়নি। বেশির ভাগ ডলার দেয়া হয়েছে সরকারি খাতের জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানির ব্যয় মেটাতে।

আমদানির দায় পরিশোধে সহায়তা দিতে গত অর্থবছরে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। স্থানীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় এক লাখ ৫২ হাজার কোটি টাকা।

এ নিয়ে গত তিন অর্থবছরে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রির পরিমাণ প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমদানি কমানো, অন্যদিকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ফলে বহির্বিশ্বের সঙ্গে লেনদেনে দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত রয়েছে। তবে বিদেশি ঋণ ও বিনিয়োগ কমা এবং আগের ঋণ পরিশোধের চাপের কারণে আর্থিক হিসাবে বড় ঘাটতি রয়েছে।

সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ কারণে ডলার সংকটের তেমন উন্নতি হয়নি। বেশির ভাগ ডলার দেয়া হয়েছে সরকারি খাতের জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানির ব্যয় মেটাতে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্যমতে, জুন শেষে দেশে নিট রিজার্ভের পরিমাণ ১৬ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার। আর গ্রস রিজার্ভ আছে ২৬ দশমিক ৮২ বিলিয়ন। এ সময় বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার।

গত ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পাওয়া ঋণের অর্থে বাংলাদেশের রিজার্ভ বেড়ে ২৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলারে ওঠে।

এর আগে তৃতীয় কিস্তির অর্থ পেতে জুন শেষে নিট রিজার্ভ ১৪ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার রাখার শর্ত দিয়েছিল আইএমএফ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Remittances hit and254 billion in June the highest in three years

তিন বছরের মধ্যে জুনে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, ২.৫৪ বিলিয়ন ডলার

তিন বছরের মধ্যে জুনে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, ২.৫৪ বিলিয়ন ডলার
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা) প্রায় ২৯ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই পরিমাণ সর্বোচ্চ। আর ২০২৩-২৪ অর্থবছরের পুরো সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত জুন মাসে রেকর্ড আড়াই ২ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১১৮ টাকা) এর পরিমাণ প্রায় ২৯ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। বিগত ৩৫ মাসের মধ্যে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহের এই পরিমাণ সর্বোচ্চ।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া ২০২৩-২৪ অর্থবছরের পুরো সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, নানা উদ্যোগের ফলে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রবাহ ক্রমশ বাড়ছে। আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের সবশেষ মাস জুনে ২৫৪ কোটি ২০ হাজার ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। এটি তিন বছরের (৩৫ মাস) মধ্যে সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স।

এর আগে সবশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহের পরিমাণ আড়াই বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। ওই মাসে এসেছিল ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের মে মাসে এসেছে ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। সে হিসাবে মে মাসের তুলনায় জুনে ২৮ কোটি ৮২ লাখ ডলার বেশি এসেছে। আর গত বছরের একই মাসের তুলনায় বেশি এসেছে ৩৪ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত বছরের জুন মাসে এসেছিল ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

অন্যদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের পুরো সময়ে এসেছে ২৩ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ৩৯১ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর আগের অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলার। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৩১ কোটি ডলার।

অর্থবছরের হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে, দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রেমিট্যান্সে ডলারের ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক চ্যানেলের সঙ্গে ব্যাংকের দরে পার্থক্য কমে এসেছে। আবার বর্তমান পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স বাড়াতে অনেক চেষ্টা করছে। ব্যাংকগুলো প্রবাসীদের উৎসাহিত করছে, এতে রেমিট্যান্স বাড়ছে। আগামীতে আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন:
এক সপ্তাহে রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ ডলার
মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৫ কোটি ডলার
চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৮৩১ কোটি ডলার 
এপ্রিলের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১২৮ কোটি ডলার
চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্সের সিংহভাগ এসেছে ঢাকা জেলায়

মন্তব্য

p
উপরে