× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Exports to India billion dollars in 5 months
hear-news
player
google_news print-icon

৫ মাসেই ভারতে রপ্তানি বিলিয়ন ডলার

৫-মাসেই-ভারতে-রপ্তানি-বিলিয়ন-ডলার
চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ভারতে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য, আগস্টে ২২ কোটি ২৪ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৪ কোটি ডলার, অক্টোবরে ১৭ কোটি ৬৭ লাখ ডলার ও নভেম্বরে ১৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গ্রাফিক্স: নিউজবাংলা
চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারতে প্রায় ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

এমনিতেই ভারতে রপ্তানি বাড়ছিল। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে গত অর্থবছরে ২ বিলিয়ন (২০০ কোটি) ডলার রপ্তানির মাইলফলক ছুঁয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের পর পাশের এই দেশটিতে পণ্য রপ্তানির পালে নতুন করে হাওয়া লেগেছে। প্রতি মাসেই বাড়ছে রপ্তানি।

চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ভারতে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিলেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। আগস্টে তা বেড়ে ২২ কোটি ২৪ লাখ ডলারে ওঠে। সেপ্টেম্বরে তা আরও বেড়ে ২৪ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। অক্টোবরে রপ্তানি হয়েছে ১৭ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য। সবশেষ নভেম্বরে ভারতে পণ্য রপ্তানি থেকে ১৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের বিদেশি মুদ্রা দেশে এসেছে।

সব মিলিয়ে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারতে প্রায় ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৮ শতাংশ বেশি। প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এই পাঁচ মাসে ভারতে ৪৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানির অঙ্ক ছিল ৩১ কোটি ৮৯ লাখ ডলার।

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশ ভারতে পণ্য রপ্তানির এই ইতিবাচক ধারা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশার কথা শুনিয়েছেন সরকারের নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী নেতারা। তারা বলছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন মাত্রা পেয়েছে। তার ফলেই রপ্তানি বাড়ছে। অর্থবছর শেষে এবার ভারতে রপ্তানি ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলারের মাইলফলকে গিয়ে পৌঁছতে পারে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল সোমবার দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) ভারতে ৯৬ কোটি ৬৮ লাখ ৬০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে; যা আলোচ্য সময়ে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। এর মধ্যে পাট ও পাটজাতপণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১০ কোটি ডলার। ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ২৫ কোটি ৫৫ লাখ ২০ হাজার ডলার।

নিট পোশাক থেকে এসেছে প্রায় ২২ কোটি ডলার। এ ছাড়া কটন ও কটন প্রোডাক্টস থেকে ১ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, প্লাস্টিক দ্রব্য থেকে ২ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৪০ হাজার ডলার আয় হয়েছে।

গত দুই অর্থবছরে সব দেশেই বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভারতে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক ছুঁয়েছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছিল ৭২ কোটি ডলার (ওভেন ৪০ কোটি ও নিট ৩১ কোটি ৫৬ লাখ ডলার)।

৫ মাসেই ভারতে রপ্তানি বিলিয়ন ডলার

অন্যান্য পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাতপণ্য রপ্তানি থেকে ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ২০ হাজার ডলার, প্লাস্টিকদ্রব্য থেকে ৩ কোটি ৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং কটন ও কটন প্রোডাক্টস থেকে ৪ কোটি ডলারের মতো আয় হয়েছে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে মাত্র তিনটি অর্থবছরে ভারতে পণ্য রপ্তানি ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের বেশি হয়েছে, তা-ও সেটা গত তিন বছরে। তার আগের বছরগুলোয় ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ভারতে ১২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেন, যা ছিল এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে এ আয় বেশি ছিল প্রায় ১৭ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতের বাজারে ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে ১০৯ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলারে নেমে আসে।

২০১১ সালে ভারত বাংলাদেশকে অস্ত্র ও মাদক বাদে সব পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয়। যদিও সেই সুবিধা খুব বেশি কাজে লাগাতে পারছিলেন না বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। ২০১১ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশের বেশ কিছু কারখানার কাছ থেকে পোশাক নিয়ে টাকা দেয়নি ভারতীয় কোম্পানি লিলিপুট। সে জন্য বেশ কয়েক বছর পোশাক রপ্তানিতে ভাটা পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন শহরে পোশাকের নামিদামি বিদেশি অনেক ব্র্যান্ড বিক্রয়কেন্দ্র খোলায় তাতে পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পায়।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এমনিতেই ভারতে আমাদের রপ্তানি বাড়ছিল। গত সেপ্টেম্বরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের মধ্য দিয়ে তা আরও বাড়ছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে মনে হচ্ছে। এটা আমাদের জন্য খুবই খুশির খবর। আশা করছি, চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি তিন বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছবে।’

গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)-এর নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনা মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পণ্যের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই কাছাকাছি উৎস থেকে পণ্য সংগ্রহের দিকে মনোযোগ বাড়িয়েছে। আবার বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অবকাঠামোগত যোগাযোগের উন্নতিও এ ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে।’

তিনি বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি আরও বাড়ানো সম্ভব। এর জন্য রপ্তানিকারকদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত মান পরিপালনের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। তবে ভারতের বাজারে অনেক সময় অযৌক্তিকভাবে অশুল্ক বাধা আরোপ করা হয়। এই বাধা দূর করার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং রপ্তানিকারকদের নেগোসিয়েশন দক্ষতা বাড়াতে হবে।’

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এ গবেষক আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ বর্তমানে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সেপা) স্বাক্ষর নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ যথাযথ নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে এ চুক্তি করলে ভারতে রপ্তানি আরও বাড়বে। একই সঙ্গে এ দেশে ভারতের বিনিয়োগ বাড়বে। ভারতের বিনিয়োগকারীদের উৎপাদিত পণ্য তাদের দেশে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে রপ্তানি হবে।’

সেলিম রায়হান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এবারের ভারত সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। ‘সেপা’র বিষয়েও দ্রুত ভালো সিদ্ধান্ত আসবে বলে মনে হচ্ছে। সার্বিকভাবে বলা যায়, ভারতে আমাদের রপ্তানি দিন দিন বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে।’

একই কথা বলেছেন দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্পমালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ চেম্বারের বর্তমান সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভারতে রপ্তানি আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে আমরা অর্থবছর শুরু করেছি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় আমাদের প্রধান দুই বাজার আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা পোশাক রপ্তানিতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। ওই দেশগুলোর মানুষ এখন পোশাক কেনা কমিয়ে দিচ্ছেন। এ অবস্থায় আমরা যদি ভারতে আমাদের রপ্তানি আরও বাড়াতে পারি, তাহলে আমাদের জন্য খুবই ভালো হয়।’

দেশের অন্যতম শীর্ষ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইভিন্স গ্রুপের কর্ণধার পারভেজ বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের কদর বাড়ছে। ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। এখন থেকে তা বাড়তেই থাকবে বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে। প্রায় দেড় শ কোটি লোকের চাহিদা মেটাতে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতেই হবে। ভারতে পোশাক তৈরি করতে যে খরচ হয়, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করলে তার থেকে অনেক কম পড়ে। সে কারণে সব হিসাব-নিকাশ করেই তারা এখন বাংলাদেশ থেকে বেশি করে পোশাক কিনছে।’

তিনি বলেন, ‘ভারতের অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশের কারখানায় পোশাক তৈরি করে তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন। এতে তাদের এক দিকে যেমন লিড টাইম কম লাগছে, অন্যদিকে খরচও কম হচ্ছে।’

সব মিলিয়ে ভারতের বিশাল বাজার বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য আগামী দিনে ‘সুদিন’ বয়ে আনবে বলে মনে করছেন পারভেজ।

তিনি বলেন, ‘ভারতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ব্র্যান্ড-সচেতনতা। এ কারণে সেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। আবার আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও দেশটিতে নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে শুরু করেছে। সেই সুফলই এখন পাচ্ছে বাংলাদেশ।

এটা অব্যাহত রাখতে হবে। দুই দেশের সরকারের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বিজেপি ও বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে। এটাই উপযুক্ত সময়। সরকার ও বেসরকারি খাত মিলে ভারতের বাজার ধরতে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে বলে মনে করেন পারভেজ।

বাংলাদেশের নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ভারতের দুজন বায়ার আমার কারখানা পরিদর্শনে এসেছিলেন। তারা দুজন আমার পুরোনো ক্রেতা। এবার তারা এসেছেন আরও বেশি অর্ডার দিতে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, ভারতে আমাদের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। আমরা বেশ ভালোভাবেই ভারতের বাজারে প্রবেশ করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো গত অর্থবছরে ভারতে আমাদের রপ্তানি ২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। এটা বাড়ছেই। সত্যি কথা বলতে কি, ভারতের বাজার যদি আমরা মোটামুটি ভালোভাবে ধরতে পারি, তাহলে আর আমাদের পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে হবে না। কেননা, ভারত আমাদের পাশের দেশ, পরিবহন খরচ খুবই কম পড়বে। আমাদের মুনাফা বেশি হবে।’

‘ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে যদি কখনো কোনো কারণে সমস্যা হয়, তাহলেও আমাদের সমস্যা হবে না।’

আরও পড়ুন:
রেমিট্যান্সে ভর করে ফের বাড়ছে রিজার্ভ
‘সুদহার কমায় টাকা পাচার বেড়েছে’
আইএমএফ প্রাণ খুলে অগ্রগতির প্রশংসা করেছে: অর্থমন্ত্রী
রোমানিয়া নেবে এক লাখ বাংলাদেশি
রপ্তানিতে ইতিহাস গড়ে ১ মাসে ৫ বিলিয়নের বেশি আয়

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
34 48 growth in premium collection for Zenith Islami Life

প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮% প্রবৃদ্ধি জেনিথ ইসলামী লাইফের

প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮% প্রবৃদ্ধি জেনিথ ইসলামী লাইফের জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ব্যানার। ছবি: সংগৃহীত
হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গত বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ।

গত বছর প্রিমিয়াম সংগ্রহে ৩৪.৪৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে চতুর্থ প্রজন্মের বেসরকারি জীবনবিমা কোম্পানি জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের।

কোম্পানিটি ব্যবস্থাপনা খাতে আগের বছরের চেয়ে ২.৬৭ শতাংশ কম ব্যয় করেছে।

বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (আইডিআরএ) জেনিথের জমা দেয়া হিসাব থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে জেনিথ ইসলামী লাইফ মোট প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গত বছর কোম্পানিটির প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ৩৪.৪৮ শতাংশ।

কোম্পানিটি এককালীন ও গ্রুপ বিমা ছাড়া প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ করেছে ১৮ কোটি ২ লাখ টাকার, যা আগের বছরে ছিল ১৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ ২০২২ সালে কোম্পানিটির প্রথম বর্ষ প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বা ৩৩.৬৮ শতাংশ।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Daraj will lay off people in South Asia including Bangladesh

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় লোক ছাঁটাই করবে দারাজ

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় লোক ছাঁটাই করবে দারাজ দারাজের লোগো
‘বর্তমান বাজার বাস্তবতা’ বিবেচনায় দারাজের সিইও কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের কথা সোমবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন । পরে তার লেখা সেই চিঠি প্ল্যাটফর্মটির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।

চীনা ই-কমার্স জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান আলিবাবার মালিকানাধীন অনলাইন বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ১১ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।

দারাজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিয়ার্ক মিক্কেলসেনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ‘বর্তমান বাজার বাস্তবতা’ বিবেচনায় দারাজের সিইও কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তের কথা সোমবার চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন । পরে তার লেখা সেই চিঠি প্ল্যাটফর্মটির ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়।

চিঠিতে মিক্কেলসেন ইউক্রেন যুদ্ধ, সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নতা, ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি, উচ্চ কর এবং দারাজের আঞ্চলিক বাজারগুলোতে সরকারি ভর্তুকি প্রত্যাহারের মতো বিষয় কঠিন বাজার পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় দারাজের আঞ্চলিক প্রায় ৩ হাজার কর্মী রয়েছে। দারাজের এই সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে কর্মরত অন্তত ১০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের মুখে পড়বেন বলে জানিয়েছেন বিয়ার্ক মিক্কেলসেন।

২০২১ সালে দারাজ জানায়, তাদের গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটি ও কর্মীর সংখ্যা ১০ হাজার। গত দুই বছরে কোম্পানিটি পাকিস্তান ও বাংলাদেশে ১০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে।

আরও পড়ুন:
দারাজ অ্যাপে প্রতিদিন বিপিএল দেখছেন ১০ লাখ মানুষ
দারাজ অ্যাপে বিপিএল দেখার সুযোগ
দারাজ সেল ক্যাম্পেইন ‘১১.১১’ শুরু ১১ নভেম্বর
আট বছরে দারাজ
‘কিপ ইট রিয়েল’ থিমে শুরু রিয়েলমি ফ্যান ফেস্ট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
13 thousand crores owed by the government to 5 mobile companies

৫ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়া ১৩ হাজার কোটি টাকা

৫ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়া ১৩ হাজার কোটি টাকা
রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে সরকারের পাওনা এক হাজার ৬৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বন্ধ হয়ে যাওয়া একটিসহ দেশের পাঁচ মোবাইল কোম্পানির কাছে সরকারের বকেয়ার পরিমাণ ১৩ হাজার ৪০৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

জাতীয় সংসদে কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম সরওয়ার জাহানের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার এ তথ্য জানান মোস্তফা জব্বার। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১০ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৫ টাকা, রবি আজিয়াটার কাছে ৭২৯ কোটি ২৩ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। বাংলালিংক ডিজিটালের কাছে ২০২১ সালের নিলামে বরাদ্দকৃত তরঙ্গের দ্বিতীয় কিস্তি এবং ২০২২ সালের তরঙ্গ নিলামের ডাউন পেমেন্ট বাবদ ২৭৩ কোটি ২৫ লাখ ৪১ হাজার ২৯২ টাকা।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর কোম্পানি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের কাছে সরকারের পাওনা এক হাজার ৬৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা বলেও জানান মন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, টেলিটকের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে এক হাজার ৫৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা থ্রিজি স্পেকট্রাম অ্যাসাইনমেন্ট ফি বাবদ। স্পেকট্রাম চার্জ বাবদ ২৭ কোটি ১৫ লাখ, রেভিনিউ শেয়ার বাবদ ৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ও এসওএফ বাবদ ৪৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান সিটিসেলের কাছে সরকারের পাওনা ১২৮ কোটি ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মোহম্মদ হাবিব হাসানের প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডাক ও টেলিযোগ বিভাগের আওতাধীন বিটিআরসি কর্তৃক গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইস্যূকৃত বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং বা কলসেন্টার রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটধারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৭৯টি। অপারেশনাল কল সেন্টারের সংখ্যা ৬৮ টি। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কল সেন্টার ৪৫ টি, অভ্যন্তরীন কল সেন্টারের সংখ্যা ২৩ টি।

ডাক অধিদপ্তরের প্রচলিত অর্থে কোনো কল সেন্টার নেই বলে জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ডাকঘরসমূহকে কল সেন্টারে রূপান্তরের পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। সকল ডাকঘরে এ ধরনের কল সেন্টার তৈরির জন্য পর্যাপ্ত ও দক্ষ জনবল প্রয়োজন। এছাড়াও ডাক বিভাগের প্রতিটি ইউনিটের তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার নাম ও টেলিফোন নম্বর ওয়েবসাইটে দেয়া রয়েছে।

চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ভারতের সঙ্গে আইপি ট্রানজিট লিজ প্রদান সংক্রান্ত একটি চুক্তি ২০১৫ সালের ৬ জুন স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী দেশটির পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলির জন্য প্রাথমিক অবস্থায় ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ বাংলাদেশ হতে লিজ প্রদান করা হয়। বিএসসিসিএল বর্তমানে ভারতের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি বিএসএনএলকে ত্রিপুরায়য় ২০ জিবিপিএস ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করছে।

আরও পড়ুন:
গেম খেলায় বাধা দেয়ায় লাঠির আঘাত, বৃদ্ধের মৃত্যু
সাইবার হামলার শিকার মোবাইলফোন অপারেটর: পলক
মোবাইলের আইএমইআই বদলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারের কারখানা 
পারিশার ফোনটি ৪ হাজারে বিক্রি
৫৬ শতাংশ শিশু-কিশোরের হাতে মোবাইল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
IMF loan Revenue should be increased by Tk 2 lakh 34 thousand crore

আইএমএফের ঋণ: রাজস্ব বাড়াতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা

আইএমএফের ঋণ: রাজস্ব বাড়াতে হবে ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে আইএমএফ-এর ঋণ ও সংস্কারের শর্ত নিয়ে কথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার ও মানসিকতার বদল করা না গেলে আইএমএফের শর্ত মেনে রাজস্ব খাতের সংস্কার বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে। তবে এর বিকল্পও নেই। বড় ধরনের সংস্কার না হলে আসন্ন কিস্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা অতীতে হয়েছে।’

রাজস্ব খাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ করতে আগামী অর্থবছর থেকেই ধাপে ধাপে বাড়াতে হবে রাজস্ব আয়। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে চলতি বছরের লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয় করতে হবে।

আইএমএমের ঋণ কর্মসূচির সবশেষ বছর অর্থাৎ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ বিলিয়ন টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হবে বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)।

সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। এ সময় রাজস্ব খাতে আইএমএফের শর্ত মেনে সরকারের যেসব সংস্কার করতে হবে, সে ব্যাপারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা পরিচালক এম এ রাজ্জাক।

পিআরআই বলছে, আইএমএফের ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে রাজস্ব আয় বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে এখনও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না পাওয়া গেলেও বাজেটের আগে ধাপে ধাপে তা আসবে। তবে আইএমএফের চাপে নয়; বরং নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতেই এই সংস্কার করা প্রয়োজন বলে মনে করে সংস্থাটি।

মূল প্রবন্ধে এম এ রাজ্জাক বলেন, আইএমএফ-এর শর্ত মেনে ২০২৪, ২০২৫ ও ২০২৬ অর্থবছরে বাজেটের মূল রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ হাজার কোটি টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে হবে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার অতিরিক্ত ৬৫০ বিলিয়ন বা ৬৫ হাজার কোটি টাকা আয় করতে হবে।

এর পরের অর্থবছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুনে সমাপ্ত বছরে বর্তমান বছরের লক্ষ্যমাত্রা থেকে অতিরিক্ত রাজস্ব আয় করতে হবে ১ হাজার ৩৮৩ বিলিয়ন টাকা বা ১ লাখ ৩৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

আইএমএমের ঋণ কর্মসূচির সর্বশেষ বছর অর্থাৎ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এনবিআরকে বর্তমান লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৩৪০ বিলিয়ন টাকা বা ২ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা আদায় করতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২২–২৩ অর্থবছরের বাজেটে এনবিআরকে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে।

পিআরআই গবেষণা পরিচালক আরও বলেন, রাজস্ব খাতের ক্ষেত্রে আইএমএফের সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করা চ্যালেঞ্জের হবে। তবে এটা অসম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের সদিচ্ছার পাশাপাশি রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিও বদলাতে হবে।

এম এ রাজ্জাক জানান, আইএমএফ বলেছে আমাদের এই মুহূর্তে ট্যাক্স জিডিপি রেশিও বাড়াতে হবে। বর্তমানে তাদের হিসাবে এটা ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। শর্ত অনুযায়ী জিডিপিতে করের অবদান সাত দশমিক ৮ থেকে ২০২৪ অর্থবছরে ৮ দশমিক তিন শতাংশ, ২০২৫ অর্থবছরে ৮ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৬ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এটা ম্যানেজ করা টাফ।

গত ৩-৪ বছরে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ১০ থেকে ১৩ ভাগের মধ্যে থাকছে। এজন্য রাজস্ব আদায় ১৮ শতাংশ বাড়াতে হবে। এ বছরের বাজেটে সরকারের এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকতে হবে। এটা কম হওয়ার ফলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে আমরা পর্যাপ্ত অর্থ ব্যয় করতে পারছি না।

আইএমএফ বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি বন্ধের কথা বলেছে। এ বছর প্রবৃদ্ধির যে প্রাক্কলন করা হয়েছিল সেটা আইএমএফ কমিয়ে দিয়েছে।

এনবিআরের কাঠামোগত সংস্কার ও মানসিকতার বদল করা না গেলে আইএমএফের শর্ত মেনে রাজস্ব খাতের সংস্কার বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য কঠিন হবে বলে মনে করেন পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, ‘এই পরিমাণ রাজস্ব আদায় করা খুবই কঠিন। তবে এর কোনো বিকল্প নেই। বড় ধরনের সংস্কার সম্পন্ন না হলে আসন্ন কিস্তি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা অতীতে হয়েছে। সংস্কার না হলে অর্জিত তো হবেই না বরং ট্যাক্স-জিডিপি রেশিও কমে যেতে পারে। গত ৫ বছরে প্রতি বছর একটু একটু করে এটা কমেছে।’

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘অন্য দেশে কর হার বাড়িয়ে এটা আদায় সম্ভব। কিন্তু আমাদের দেশে কর হার এমনিতেই বেশি। এজন্য এটা আদায় করতে কষ্ট করতে হবে। এখানে সংস্কার গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।’

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ
আইএমএফের ঋণ অনুমোদন স্বস্তির: ঢাকা চেম্বার
বাংলাদেশ যা চেয়েছিল, আইএমএফ দিচ্ছে তারও বেশি
৪৫০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন দিল আইএমএফ
ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে: আইএমএফ ডিএমডি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Adanis electricity will come in early March

আদানির বিদ্যুৎ আসবে মার্চের শুরুতেই

আদানির বিদ্যুৎ আসবে মার্চের শুরুতেই ফাইল ছবি
নসরুল হামিদ বলেন, আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কমিশনিং হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

ভারতীয় শিল্পগ্রুপ আদানির কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

রোববার বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে এ কথা জানিয়েছেন।

নসরুল হামিদ বলেন, আদানির বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কমিশনিং হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই, মার্চের প্রথম সপ্তাহে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।

তিনি বলেন, আদানির বিদ্যুৎ নিয়ে যেসব কথা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। আমরা প্রতিযোগিতামুলক বাজার দরেই বিদ্যুৎ পাব। এ নিয়ে কোনো সংশয়ের সুযোগ নেই। মার্চে প্রথম ইউনিট থেকে আসবে ৭৫০ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিট থেকে আরও ৭৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে এপ্রিল মাসে।

ভারতের ঝাড়খন্ডের গোড্ডা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসার কথা আগামী ২৬ মার্চ। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগকে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীকে জানানোও হয়। তবে এখন প্রায় এক মাস এগিয়ে এনে ২৮ ফেব্রুয়ারি আনার কথা বলছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসছে সেচ ও গীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। আমাদের বেশকিছু কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে আসবে। রামপাল এসেছে, এসএস পাওয়ার আসবে, বরিশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আসবে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নিয়েছি, সেচ মৌসুম নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

স্পর্ট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি শুরু হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বেড়ে যাবে। স্পর্ট মার্কেট থেকে ৮ কার্গো এলএনজি আমদানির পরিকল্পনার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী।
গ্যাসের নতুন দর ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর না করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের দাবির বিষয়টি নাকচ করে দেন তিনি।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সারসংক্ষেপে বলা হয়, আদানি গ্রুপের গোড্ডা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন (সিওডি বা কমার্শিয়াল অপারেশন ডেট) ২০২৩ সালের ২৬ মার্চ ঠিক করা হয়েছে।

এরই মধ্যে গত ২৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পুঁজিবাজার বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিন্ডেনবার্গ আদানির শেয়ারবাজারে বাজারে কারসাজি এবং অ্যাকাউন্টিং জালিয়াতির বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে আদানি গ্রুপের শেয়ার মার্কেট থেকে ১১০ বিলিয়ন ডলার হারানোর তথ্য দেয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

আরও পড়ুন:
আসছে কয়লা, ফের উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র
পল্লী বিদ্যুৎ রিচার্জ কার্ডে ২৪০ ডিজিট, ভোগান্তি
১৯ দিন পর আবারও বাড়ল বিদ্যুতের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Per capita income decreased to 2793 dollars

মাথাপিছু আয় কমে ২৭৯৩ ডলার

মাথাপিছু আয় কমে ২৭৯৩ ডলার টিসিবির ট্রাক থেকে পণ্য কিনতে ক্রেতাদের দীর্ঘ লাইন। ছবি: নিউজবাংলা
মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার কারণ জানতে চাইলে বিবিএসের মহাপরিচালক মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই বছরের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। গত অর্থবছরের শেষের চার মাসের বেশি সময় (২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) গেছে উত্তাল যুদ্ধের মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সেই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে।

চূড়ান্ত হিসাবে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কমে ২ হাজার ৭৯৩ ডলারে নেমে এসেছে। সাময়িক হিসাবে এই আয় ছিল ২ হাজার ৮২৪ ডলার। মাথাপিছু আয় কমার পাশাপাশি মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধিও কমে ৭ দশমিক ১০ শতাংশে নেমে এসেছে। সাময়িক হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) চূড়ান্ত এই হিসাব রোববার প্রকাশ করেছে। গত বছরের ১০ মে সাময়িক হিসাব প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০২১-২২ অর্থবছর শেষ হয়েছে ২০২২ সালের ৩০ জুন। সাত মাসের বেশি সময় পার হওয়ার পর রোববার জিডিপি প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়সহ ওই অর্থবছরের অর্থনীতির অন্যান্য সূচকের চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করলো পরিসংখ্যান ব্যুরো।

মাথাপিছু আয় ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার কারণ জানতে চাইলে বিবিএসের মহাপরিচালক মহাপরিচালক মতিয়ার রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই বছরের করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। গত অর্থবছরের শেষের চার মাসের বেশি সময় (২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ জুন) গেছে উত্তাল যুদ্ধের মধ্যে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সেই যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে। বিনিয়োগ কমেছে। সব মিলিয়েই জিডিপি প্রবৃদ্ধি খানিকটা কমেছে। এর ফলে মাথাপিছু আয়ও ৩১ ডলার কমে গেছে।’

তবে বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে এই প্রবৃদ্ধি ‘খুবই ভালো’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘৭ দশমিক ১০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি এটাই প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে ভালো অবস্থায় আছে। জিডিপির এই তথ্য হিসাবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের এদিক-সেদিক করা হয়নি। সারা দেশ থেকে যে তথ্য পাওয়া গেছে, সেটাই প্রকাশ করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অর্থনৈতিক সংকটেও বাড়ল মাথাপিছু আয়
এক বছরে মাথাপিছু আয়ে যোগ প্রায় ২২ হাজার টাকা
মাথাপিছু আয় ২৫৯১ ডলার
অর্থবছর শেষে মাথাপিছু আয় হবে ২৭৮৫ ডলার
নতুন হিসাবে অর্থনীতি আরও বড়, মাথাপিছু আয়ও বেশি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Made in Bangladesh should go ahead Prime Minister

‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

‘মেড ইন বাংলাদেশ’ নিয়ে এগোতে হবে: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নবনির্মিত ‘বিনিয়োগ ভবন’ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ (বাঁয়ে) অতিথিরা। ছবি: পিএমও
স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এই স্লোগান সামনে নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। কাজেই আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক এবং বাংলাদেশ কারও ওপর নির্ভরশীল থাকবে না; আত্মনির্ভরশীল হবে, আত্মমর্যাদাশীল হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের এটাই লক্ষ্য।”

স্বনির্ভরতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার দুপুরে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন। বর্তমানে রাজস্ব বোর্ড দেশের মোট রাজস্বের ৮৬ শতাংশের বেশি আহরণ করছে।

সরকারের লক্ষ্য নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ি তুলতে চাই। আমাদের অর্থনীতি হবে স্মার্ট ইকনোমি। স্মার্ট ইকনোমি গঠনের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ, এটাই আমাদের লক্ষ্য, যেটা ১৯৪১ সালে আমরা করতে চাই।

‘২০৪১ সালের মধ্যে আমরা এটা অর্জন করতে চাই। কাজেই সেই লক্ষ্য সামনে নিয়েই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।’

এনবিআরের নানা কার্যক্রম নিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, করদাতার সংখ্যা বৃদ্ধি, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, চোরাচালান দমনের মতো কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বাড়ানো এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশ এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে নীতি প্রণয়নে সহায়তা প্রদানে ভূমিকা রাখছে বোর্ড।

উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়া বাংলাদেশের করণীয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। কাজেই এই উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণের প্রস্তুতি গ্রহণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, বাণিজ্য সহজিকীকরণের মাধ্যমে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, রপ্তানিমুখী ভারী শিল্প বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান (করতে হবে)।’

স্বনির্ভরতার ওপর জোর দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “‘মেড ইন বাংলাদেশ’-এই স্লোগান সামনে নিয়ে আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে। কাজেই আমরা চাই আমাদের দেশটা এগিয়ে যাক এবং বাংলাদেশ কারও ওপর নির্ভরশীল থাকবে না; আত্মনির্ভরশীল হবে, আত্মমর্যাদাশীল হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের এটাই লক্ষ্য।”

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
অনির্বাচিত সরকার এলে সংবিধান অশুদ্ধ হয়: প্রধানমন্ত্রী
বইমেলা উদ্বোধনে বাংলা একাডেমিতে প্রধানমন্ত্রী
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল বন্ধে এক শ্রেণির বুদ্ধিজীবীর অন্তর্জ্বালা: প্রধানমন্ত্রী
রাজশাহীতে বিএনপির চেয়ে ১৪ গুণ বড় সমাবেশ আওয়ামী লীগের: হাছান

মন্তব্য

p
উপরে