× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
High interest rates on savings bonds hinder bond market growth
google_news print-icon

সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদ বন্ড মার্কেট উন্নতিতে বাধা

সঞ্চয়পত্রের-উচ্চ-সুদ-বন্ড-মার্কেট-উন্নতিতে-বাধা
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ নিয়ে সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রের মূল সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী গ্রুপ। তাদের কারণেই সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানো সম্ভব হয় না। গবেষণায় দেখেছি ৭০ শতাংশের বেশি সঞ্চয়পত্র কেনেন ধনীরা। যতদিন সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের হার থাকবে ততদিন বন্ড মার্কেট ডেভলপ করবে না।’

সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে বিত্তশালীদের সুবিধা দেয়া হচ্ছে। স্বল্প আয়ের মানুষ সঞ্চয়পত্র থেকে খুব একটা সুবিধা পাচ্ছে না। সঞ্চয়পত্রে যে বিনিয়োগ হয় তার ৭০ শতাংশের বেশি ধনীদের। যতদিন সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদ হার থাকবে ততোদিন দেশের বন্ড মার্কেটের উন্নতি হবে না।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই) আয়োজিত কর্মশালায় এমন অভিমত উঠে এসেছে।

সোমবার পিআরআই কার্যালয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ নিয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য কনটেক্সট অফ ডমেস্টিক রিসোর্স মোবিলাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই কর্মশালায় বক্তব্য দেন পিআরআই চেয়ারম্যান ড. জাহিদী সাত্তার, নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর, গবেষণা পরিচালক এম এ রাজ্জাক ও পরিচালক বজলুল হক খন্দকার।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘সঞ্চয়পত্রের মূল সুবিধাভোগী একটি শক্তিশালী গ্রুপ। তাদের কারণেই সঞ্চয়পত্রের সুদ হার কমানো সম্ভব হয় না। আমাদের একটা গবেষণায় দেখেছি ৭০ শতাংশের বেশি সঞ্চয়পত্র কেনেন ধনীরা। যতদিন সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদের হার থাকবে ততদিন বন্ড মার্কেট ডেভলপ করবে না।’

এম এ রাজ্জাক বলেন, ‘সরকার যে রাজস্ব আয় করে তার ২০ শতাংশই সুদ পরিশোধের জন্য ব্যয় করতে হয়। সরকারের এই সুদ ব্যয় কমাতে হলে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমাতে হবে। উচ্চ হারে সুদ দিয়ে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সুযোগ দেয়া উচিত নয়। এর বদলে অন্য জায়গায় বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করা উচিত।’

গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে ড. রাজ্জাক বলেন, ‘অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে ২০২২ সালে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে ২০৩১ সালে প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে ৯ শতাংশ।

‘এই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে সরকারকে প্রতি বছর জিডিপির সঙ্গে অতিরিক্ত ১০৫ বিলিয়ন ডলার পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কিন্তু এই বিশাল অঙ্কের অর্থ কোন খাত থেকে আসবে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা সরকারের নেই। ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।’

অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমাদের বাজেটের আকার মূলত জিডিপির ১৩ শতাংশের মতো। অর্থাৎ সরকার ব্যয় করে ১৩ শতাংশের মতো। অথচ পৃথিবীর গরিব দেশগুলোতেও গড়ে জিডিপির ২৪ থেকে ২৫ শতাংশ ব্যয় করে সরকার। সরকারের ব্যয় বাড়াতে হলে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়াতে হবে।’

প্রতিবেদন বলা হয়, এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বাজেট আরও বাড়াতে হবে। ইউনিসেফের মানদণ্ড অনুযায়ী একটি উন্নয়নশীল দেশের শিক্ষা খাতে তার মোট জিডিপির ৪ শতাংশ বরাদ্দ থাকতে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এই খাতেই বরাদ্দের হার ১ শতাংশ। কম ব্যয় করার কারণে শিক্ষার মান কমছে। প্রতিবছর সাড়ে ৩ লাখের মতো জিপিএ-৫ পাচ্ছে। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিগুলোতে গেলে দেখবেন তারা বলছে যোগ্য জনবল পাচ্ছে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ রাখতে হবে ৫ শতাংশ। আর আমাদের দেশে বাজেটে এই খাতে বরাদ্দ রয়েছে দশমিক ৭ শতাংশ। মানদণ্ড অনুযায়ী তা নগণ্য। স্বাস্থ্যে সরকার কম খরচ করায় গরিব মানুষ সঠিক স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে না।

বিশ্বে স্বাস্থ্য সেবার বেশিরভাগ সরকার বহন করে। কিন্তু আমাদের দেশে স্বাস্থ্য সেবার ব্যয় ব্যক্তিকেই বহন করতে হয়। আমাদের দেশে স্বাস্থ্য সেবায় যে ব্যয় হয় তার ৭০ শতাংশ ব্যক্তি বহন করে। আর সরকার বহন করে ৩০ শতাংশের মতো। বিশ্বের চিত্র এর সম্পূর্ণ বিপরীত।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিষয়ে এম এ রাজ্জাক বলেন, টিসিবির মাধ্যমে কম মূল্যে যেসব পণ্য বিক্রি করা হয়, সেই কর্মসূচি বাড়ানো গেলে গরিব মানুষগুলো সুবিধা পেত।

আরও পড়ুন:
তরুণদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে টিকটকের ক্যাম্পেইন ‘সাবধানে অনলাইনে’
উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
এসডিজি অর্জনে ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ভূমিকা তুলে ধরতে পারে গণমাধ্যম
হাতেকলমে চন্দ্রাভিযান নিয়ে জানল শিশুরা
এলডিসি-পরবর্তী সময়ে স্থানীয় শিল্প বিকাশ জরুরি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Half of the electrical products in the market are counterfeit and unauthorized
এমডব্লিউবির গবেষণা

বাজারের ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন

বাজারের ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন ঢাবির মার্কেটিং বিভাগে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে এমডব্লিউবি। ছবি: নিউজবাংলা
গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির।

বাংলাদেশে ইলেক্ট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার। এসব পণ্যের বাজার গত দুই দশক ধরে অব্যাহতভাবে বেড়ে চললেও এর অর্ধেক স্থান দখল করে আছে নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য।

ইলেক্ট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের ওপর মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশের (এমডব্লিউবি) করা একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমডব্লিউবির করা গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান ও আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল ও দিকনিদেশর্না তুলে ধরেন।

এ সময় মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম ও আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এমডব্লিউবির পক্ষ থেকে জানানো জানানো হয়, এই গবেষণায় গুণগত (কোয়ালিটেটিভ) ও পরিমাণগত (কেয়ান্টিটেটিভ)- দুই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই গবেষণার জন্য সারা দেশের ২ হাজার ১৬ জন ব্যবহারকারী, ১০৩ জন খুচরা বিক্রেতা ও ৯৯ জন ইলেক্ট্রিশিয়ানকে নমুনা হিসেবে বেছে নেয়া হয়। এছাড়া ৫ জন বৈদ্যুতিক পণ্য বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকারও নেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই গবেষণার আওতাধীন পণ্যগুলো ছিল- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, মাল্টি-প্লাগ, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও বিভিন্ন হালকা পণ্য যেমন: এলইডি লাক্স, এলইডি টিউব, এলইডি প্যানেল, ব্র্যাকেট এলইডি, জিএলএস, অ্যানার্জি এফিশিয়েন্সি বাল্ব ও ইমার্জেন্সি লাইটিং।

প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি বড় ও অপার সম্ভাবনাময় শিল্প। বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০ উদ্যোক্তাসহ মোট ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। দুই ক্যাটাগরির পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের বাজার তিন হাজার ৩৭৫ কোটি এবং লাইটিং পণ্যের বাজার ২ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

গবেষণা বলছে, পণ্যের গড় প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ। যদি আগামী দিনগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতটি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বড় খাত হিসেবে আবির্ভূত হবে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, এই বাজারের প্রায় অর্ধেকই নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য দখল করে আছে। তবে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে।

যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির। আর এজন্য তারা গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানায়।

গবেষণার ফল অনুযায়ী, দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপারস্টার গ্রুপ উভয় প্রকার পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

গবেষণার তথ্যানুসারে, ইলেক্ট্রিক্যাল ব্র্যান্ডেড পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৯ শতাংশ, ওয়ালটন ১৭ শতাংশ, ক্লিক ১৭ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৯ শতাংশ, ওসাকা ৪ শতাংশ এবং ব্লিঙ্ক, এমইপি ও লাক্সারি প্রত্যেকে ৩ শতাংশ করে বাজার দখল করে আছে। অন্যদিকে, ব্রান্ডেড লাইটিং পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৫.৫৯ শতাংশ, ক্লিক ১৩ শতাংশ, ওয়ালটন ১২ শতাংশ, ট্রান্সটেক ১০ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৮ শতাংশ ও ফিলিপস ৭ শতাংশ বাজার দখল করে আছে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ও লাইটিং পণ্যে গুরুতর কী কী সমস্যা দেখা যায় সেসবও জানতে চাওয়া হয় গবেষণায় অংশ নেয়াদের কাছ থেকে।

সেই তথ্যানুসারে, ২৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা লুজ কানেকশন। দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট। ২০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এর পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাকি সমসস্যগুলো হলো- ওয়ারেন্টি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই পণ্য ড্যামেজ হয়ে যাওয়া, ওভারহিটিং ইত্যাদি।

অন্যদিকে, লাইটিং পণ্যের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হলো- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাইটের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, লাইটের ক্ষণস্থায়ী জীবন, মিটমিট করা, অধিক বিদ্যুৎ গ্রহণ করা ও ওভারহিটিং।

এমডব্লিউবি বলছে, এই শিল্পের অগ্রগতির পেছনে মূলত গত ২৫ বছরে ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, অব্যাহত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান আয়, দ্রুত ও পরিকল্পিত নগরায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সরকারের গৃহীত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

এই শিল্পের কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটিও তুলে ধরা হয়েছে গবেষণার ফল উপস্থাপনে। গ্রে-মার্কেটের আধিপত্য, অসম প্রতিযোগিতা, ব্যবহারকারীদের ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবসহ আরও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় এই শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য সুপারিশ হিসেবে এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের বিদ্যমান ট্যাক্স পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করতে হবে যাতে কোম্পানিগুলো কম ব্যয়ে পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করতে পারে।

পাশাপাশি এ সমস্ত শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ গড়ে তোলার জন্য সরকার ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক মিজান।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Attack on students of Bangladesh India and Pakistan in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা স্থানীয় বিক্ষুব্ধ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকের রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশি সামিয়া কবির কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের শিক্ষার্থী। শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আমাদের ভেতরে থাকতে বলেছে। আমরা কাছাকাছি অন্যান্য অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। সেখানে কিছু পাকিস্তানি শিক্ষার্থী থাকতে পারে।’

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকে কয়েকদিন ধরে উত্তেজিত জনতা পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আবাসস্থল হোস্টেল লক্ষ্য করে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী তাদেরকে সাহায্য করার আবেদনটি প্রচার করতে ইউএনবির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কিরগিজ এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র, বিশেষ করে পাকিস্তানি ও মিসরীয়দের মধ্যে ঝগড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে উত্তেজনা বেড়ে যায়। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ১৩ মে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি আতিথেয়তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার (১৭ মে) রাতে বেশ কয়েকজন কিরগিজ সেনা রাস্তায় নেমে আসে। স্থানীয়রা এই বিবাদে জড়িত বিদেশিদের সঙ্গে ‘নমনীয় আচরণ’ করার জন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, ১৩ মে ওই মারামারির অভিযোগ পাওয়ামাত্রই তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank Cant Take Decisions With Spine Straight CPD

বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি

বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শনিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন (বাঁয়ে)। ছবি: সংগৃহীত
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য এমন পার্যায়ে উপনীত হয়েছে যে, আইএমএফের পরামর্শক্রমে ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে যথেষ্ট পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় একীভূতকরণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জোর করে ব্যাংক একীভূতকরণ টেকসই হতে পারে না।’

‘বাংলাদেশ ব্যাংক তার স্বাধীন সত্তা হারিয়ে ফেলেছে। মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না। বাইরে থেকে আরোপিত সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারছে না।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এসব কথা বলেছেন।

শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য এমন পার্যায়ে উপনীত হয়েছে যে, আইএমএফের পরামর্শক্রমে ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে যথেষ্ট পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় একীভূতকরণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জোর করে ব্যাংক একীভূতকরণ টেকসই হতে পারে না। সুশাসনের অভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে সাপোর্ট দেয়ার সক্ষমতা ব্যাংকিং সেক্টর হারিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থা হারিয়েছে। ব্যাংকে গচ্ছিত আমানত নিরাপদ রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। ফলে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যাদের কারণে ব্যাংকিং খাতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে।’

ব্যাংকের খেলাপি ঋণের সঠিক তথ্য জনগণ জানতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The high price of daily products is increasing the sweat of the consumer Dozen 160 eggs
বাজার দর

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০

নিত্যপণ্যের উচ্চ মূল্যে ভোক্তার ঘাম বাড়ছে, ডিমের ডজন ১৬০
বেসরকারি চাকুরে আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

উচ্চ সুদ হারের মধ্যে দ্রব্যমূল্য বাড়তে থাকায় মূল্যস্ফীতির প্রভাবে হিমশিম খাচ্ছেন রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা।

গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বেড়েছে মাছ, ডিম, শাকসবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ প্রায় সব ভোগ্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে ডিমের বাজারে ভয়াবহ অস্থিরতা। ডজনে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

শাকসবজি, মাংস, মুরগি ও মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও চড়া দাম রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন পেশার একাধিক ক্রেতা।

ইউএনবির সঙ্গে আলাপকালে তারা বলেন, প্রায় সব ধরনের শাকসবজি, মাছ, মুরগি, মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অনেক বেড়েছে।

একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যম পর্যায়ের কর্মকর্তা আবুল হোসেন বলেন, ডলারের বিপরীতে টাকার মান ৮৪ থেকে ১১৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা ভোক্তদের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি জ্বালানির দামও বেড়েছে, বেড়েছে সুদ হার। এসবের প্রভাব পড়েছে ভোক্তা বাজারে।

আবুল হোসেনের মতো একই কথা জানালেন আরও অনেকে।

গত ১০ দিন ধরে ডিমের দাম বেড়েই চলেছে। শুক্রবার রাজধানীতে প্রতি ডজন ডিম ১৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। সে হিসাবে গত দুই সপ্তাহে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা।

কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মহাখালী, মালিবাগসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

ব্রয়লার মুরগি ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সোনালি মুরগির দাম গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। আকার ও মান ভেদে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৩৫ টাকায়। সোনালি মুরগি আকার ও মান ভেদে কেজিপ্রতি ৩৪৫ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে প্রতি কেজি কক মুরগি ৩৭০ থেকে ৩৯০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ও দেশি মুরগি প্রতি কেজি ৬৭০ থেকে ৭৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবসায়ীরা জানান, মুরগির খাবার ও ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম বাড়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

শুক্রবার মান ভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায়, যা সপ্তাহের অন্যান্য দিনের চেয়ে কেজিতে ৩০ টাকা বেশি।

মান ভেদে খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকায়। সে হিসাবে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার কারওয়ান বাজার মাছের বাজারে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৬৫০ টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ এক হাজার ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হয় ৯০০ থেকে এক হাজার টাকায়।

রুই ও কার্প জাতীয় মাছ কেজি হিসেবে ও মান অনুযায়ী ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। নদীর ছোট মাছসহ অন্যান্য মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় সবজির দাম এখনও চড়াই রয়েছে। অন্যদিকে দাম বাড়ার জন্য মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার প্রতি কেজি বেগুন, ঢেঁড়স, সজনে, শিম, করলাসহ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা কেজি।

অন্যদিকে মৌসুম শেষ হওয়ায় বেড়েছে টমেটোর দাম। ভালো মানের টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে।

অন্যান্য সবজি প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লাউ, চালকুমড়া ও ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে দেশি পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা, রসুন ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা ও আদা ২০০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চাল, গম, আটা, দুধ, সয়াবিন, সুগন্ধি চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরে গরুর মাংস ৭৩০, পেঁয়াজের সেঞ্চুরি
পেঁয়াজ: রোববার কোন জেলায় কত ছিল দাম
দেশজুড়ে পেঁয়াজের বাজারে নৈরাজ্য চলছে
আলু পেঁয়াজ ডিমের দাম কঠোরভাবে তদারকি হচ্ছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বাজারে আগুন, ডিম-সবজি-মাছের দাম বাড়ছেই

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Before Eid Waltons new model of energy saving products is in the market

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে

ঈদের আগে ওয়ালটনের নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য বাজারে ঈদ উপলক্ষে ওয়ালটনের নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করছেন ওয়ালটনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। ছবি: ওয়ালটন

আসছে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচার সমৃদ্ধ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন করেছে ওয়ালটন।

নতুন মডেলের পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইনভার্টার প্রযুক্তির মাল্টি কালার ডিজাইনের সাইড বাই সাইড রেফ্রিজারেটর, ইউরোপিয়ান ডিজাইনের কম্বি মডেলের রেফ্রিজারেটর, ভার্টিকাল ফ্রিজার, চকোলেট কুলারসহ মোট ৭টি মডেলের ফ্রিজ।

এ ছাড়াও আছে সোলার হাইব্রিড প্রযুক্তির স্প্লিট টাইপ এসি, ৪ ও ৫ টনের সিলিং এবং ক্যাসেট টাইপ লাইট কমার্শিয়াল এসি, ৬৫ ইঞ্চির ওএলইডি টিভি, ওয়াশিং মেশিন ও বিএলডিসি ফ্যান।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় ওয়ালটন করপোরেট অফিসের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন মডেলের প্রোডাক্ট উন্মোচন করেন ওয়ালটন প্লাজার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রায়হান।

অনুষ্ঠানে সারা দেশে একযোগে চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ অফারের বর্ণাঢ্য র‌্যালিও উদ্বোধন করা হয়।

নতুন মডেলের পণ্য উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), মফিজুর রহমান, ফিরোজ আলম, মো. তানভীর রহমান, তাহসিনুল হক, সোহেল রানা, মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

এছাড়া ভার্চুয়াল মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজার ও পরিবেশকগণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ও ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান।

আরও পড়ুন:
ওয়ালটন-বিএসপিএ স্পোর্টস কার্নিভাল শুরু মঙ্গলবার
ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে লাখ টাকার ভাউচার জিতলেন শিক্ষক এনামুল
ওয়ালটন ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ ক্যাম্পেইনের মেয়াদ বাড়ল ২ মাস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Pakistani Dresses Becheni Lekhni Collection by Sanvis By Tani Consumer Affairs
ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন

সানভী’স বাই তনির কাছে পাকিস্তানি ড্রেস বেচেনি লাখানি কালেকশন সম্ভাব্য ক্রেতাদের উদ্দেশে জামা নিয়ে কথা বলছেন সানভী’স বাই তনির স্বত্বাধিকারী তনি। ছবি: ফেসবুক পেজ
অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।’

অনলাইনে নারীদের পোশাক বিক্রির আলোচিত প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনির কাছে লাখানি কালেকশন নামের প্রতিষ্ঠানটি পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করেনি বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় সংস্থাটি বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।

নারীদের জামাকাপড় বিক্রির ঢাকাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান সানভী’স বাই তনি। প্রতিষ্ঠানটির ২০ লাখ ফলোয়ার সংবলিত ফেসবুক পেজের ইন্ট্রোতে লেখা আছে, ‘অনলাইনে এবং শোরুম জগতে আস্থার প্রতীক সানভীস বাই তনি। আমরা অগ্রিম কোনো বিকাশ নিই না। আমরা সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি দিয়ে থাকি।’

ভোক্তা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘একজন অভিযোগকারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৩ মে, ২০২৪ Sanvee's By Tony (সানভী’স বাই তনি), পুলিশ প্লাজা, গুলশান, ঢাকায় সরেজমিনে তদন্ত করে পাকিস্তানি ড্রেস ক্রয়ের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটি জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। এর প্রেক্ষিতে গত ১৪ মে, ২০২৪ অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে উক্ত পাকিস্তানি ড্রেস Lakhani Collection (লাখানি কালেকশন), ঠিকানা: ৫১৮/৫১৯ সুবাস্তু অ্যারোমা শপিং কমপ্লেক্স, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা থেকে ক্রয় করেছেন মর্মে জানান।

‘এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের স্বার্থে এবং Sanvee's By Tonyর তথ্যের ভিত্তিতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আজ (বুধবার) ১৫-০৫-২০২৪ তারিখ এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।’

অভিযানে প্রাপ্ত তথ্যের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘অভিযানে দেখা যায়, Sanvee's By Tony কর্তৃক পাকিস্তানি ড্রেস নামে যে ড্রেস বিক্রি করা হয়েছে, তা Lakhani Collection-এর স্বত্বাধিকারী তা বিক্রি করেনি মর্মে লিখিত দিয়েছেন। Lakhani Collection পাকিস্তানি বলে ড্রেস বিক্রি করলেও পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ইমপোর্টের কাগজপত্র বা কোনো ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি।

‘Lakhani Collection পাকিস্তানি ড্রেস বিক্রি করলেও যেখান থেকে ক্রয় করেছেন, তার পক্ষে কোনো ডকুমেন্ট/ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি। এ সকল ড্রেস বিক্রির ক্যাশ মেমো দেখাতে পারেনি এবং কিছু ক্যাশ মেমো পাওয়া যায়, যেখানে প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা দেয়া নেই।’

লাখানি কালেকশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘উল্লেখিত অপরাধে Lakhani Collection-এর সকল প্রকার কার্যক্রম জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বন্ধের আদেশ দেয়া হয় এবং আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) সকালে অধিদপ্তরে উপস্থিত হয়ে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

এ বিষয়ে জানতে সানভী’স বাই তনির পেজে দেয়া নম্বরে একাধিকবার কল করেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন:
মানিকগঞ্জে যানজট নিরসনে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
ফরিদপুরে যৌনপল্লি থেকে দুই তরুণী উদ্ধারের ঘটনায় একজন গ্রেপ্তার
ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নিয়ে এলো কল্লোল গ্রুপ
মেয়াদোত্তীর্ণ পাউডার দিয়ে সফট ড্রিংকস বানানো কারখানা সিলগালা
ময়মনসিংহে তিন হাসপাতাল এক ক্লিনিক সিলগালা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Garment workers will get compensation for accidents on the way to work

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা

কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পাবে পোশাকশ্রমিকরা ছবি: সংগৃহীত
যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

পোশাকশ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রে যাওয়া-আসার পথে দুর্ঘটনায় পড়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তবে এখন থেকে এ ধরনের দুর্ঘটনা ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশে এর আগে এই নিয়ম শুধু কর্মক্ষেত্রের ভেতরে সীমাবদ্ধ ছিল। বর্তমান নিয়মের সুবাদে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার পোশাকশ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবেন।

অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম (ইআইএস) পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ড সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অষ্টম সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা’-কে ‘শিল্প দুর্ঘটনা’ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্তের পাইলটিং কার্যকর হবে।

ইআইএস পাইলটের গভর্নেন্স বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্তটি নিয়োগকর্তাদের সংগঠন, শ্রমিক সংগঠন এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শিল্প ও শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিল্প দুর্ঘটনার মধ্যে যাতায়াতকালের দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

সভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র কারিগরি বিশেষজ্ঞরা এ ধরনের সম্প্রসারণের কারিগরি ও আর্থিক দিকগুলোর মূল পয়েন্টগুলো তুলে ধরেন। যাতায়াতকালীন দুর্ঘটনাকে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত উল্লেখ করা আছে। যেমন- ঘটনা কারখানার বাইরে ঘটতে হবে, কারখানার সঙ্গে তাদের যুক্ততার রেকর্ড থাকতে হবে।

নিয়োগকর্তাদের সংগঠনগুলো পাইলট স্কিমের আওতায় ১ জুলাই থেকে যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আমরা সামাজিক সুরক্ষার জন্য শ্রমিকদের মৌলিক অধিকারকে সমর্থন করি এবং নতুন সুবিধাগুলো বিবেচনা করতে পেরে খুশি হবো যদি সেটি শিল্পের প্রতিযোগিতাকে প্রভাবিত না করে।’

শ্রমিক প্রতিনিধিরাও এ উদ্যোগে সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তারা বলছেন, তৈরি পোশাক খাত তুলনামূলকভাবে নিরাপদ খাত। তবে সড়ক পথে যাতায়াত এই কাজের সবচেয়ে ভয়াবহ অংশ। তাই যাতায়াত দুর্ঘটনা ক্ষতিপূরণের অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

আইএলও অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি বেনিফিট কনভেনশন নং ১২১ (সি-১২১)-এর ৭ নম্বর অনুচ্ছেদে সদস্য দেশগুলোকে শিল্প দুর্ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং যার মধ্যে একটি যাতায়াত দুর্ঘটনাকে শিল্প দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এমন শর্তগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

২০২২ সাল থেকে ইআইএস পাইলট তৈরি পোশাক খাতের আহত শ্রমিক ও মৃত শ্রমিকদের কর্মস্থলজনিত দুর্ঘটনার জন্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে আসছে।

আইএলওর বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেন বলেন, ‘যাতায়াত দুর্ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই উদ্যোগটি শ্রমিকদের সুরক্ষা বৃদ্ধি করবে এবং শিল্প সম্পর্কের উন্নতি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

আইএলও এবং জিআইজেড যৌথভাবে অ্যামপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিম পাইলট বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকার, নিয়োগকর্তা এবং শ্রমিক সংগঠনগুলোকে কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে। আইএলও উদ্যোগটি নেদারল্যান্ডস এবং কানাডা সরকার দ্বারা অর্থায়ন করা হয়। অন্যদিকে জিআইজেড উদ্যোগটি জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিএমজেড) দ্বারা অর্থায়ন করা হয়।

এদিকে মঙ্গলবার বাংলাদেশের শ্রম আইন নিয়ে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সঙ্গে তিন দিনের বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘শ্রম আইন সংশোধনের বিষয়ে আইএলও কিছু পরামর্শ দিতে চায়, যাতে আইনটি আরও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হয়। সংস্থার কমিটি অফ এক্সপার্ট আইনটা দেখেছে এবং পড়েছে। সেখানে তারা আন্তর্জাতিক মান নিয়ে কিছু সুপারিশ দিয়েছে।’

মন্তব্য

p
উপরে