× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
BGMEA Werlikon is interested in man made fiber production
google_news print-icon

ম্যান-মেইড ফাইবার উৎপাদনে আগ্রহী বিজিএমইএ-ওয়েরলিকন

ম্যান-মেইড-ফাইবার-উৎপাদনে-আগ্রহী-বিজিএমইএ-ওয়েরলিকন
তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন-বিজিএমইএ ও ওয়েরলিকন শিল্প গ্রুপ মিলে ম্যান-মেইড ফাইবার উৎপাদনে কাজ করবে
বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন- বিশ্ব বাজারে পোশাকের স্থায়ীত্ব এবং কার্যকারিতার কারণে নন-কটন পণ্যগুলোর চাহিদা বাড়ছে। তাই, বাংলাদেশ পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, বিশেষ করে কটন থেকে নন-কটন টেক্সটাইল উপাদানের ওপর নজর কেন্দ্রীভূত করে উচ্চ প্রবৃদ্ধির রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন-বিজিএমইএ ও ওয়েরলিকন শিল্প গ্রুপ মিলে ম্যান-মেইড ফাইবার উৎপাদনে কাজ করবে।

শনিবার এ বিষয়ে বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে ওয়েরলিকন বারমাগের টেকনোলজি হেড অব প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট মার্কাস রিচওয়েইন এবং ওয়েরলিকন টেক্সটাইল ইন্ডিয়ার সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং ম্যানেজার সুদীপ্ত মন্ডল বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আলোচনা করেন।

ওয়েরলিকন শীর্ষস্থানীয় উচ্চ প্রযুক্তির একটি শিল্প গ্রুপ, যারা বিশ্বে টেক্সটাইল, পুনর্ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি এবং মানবসৃষ্ট ফাইবার ফিলামেন্টের সরবরাহকারী হিসেবে সুপরিচিত।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর পরিচালক আরশাদ জামাল (দিপু), পরিচালক আসিফ আশরাফ, পরিচালক তানভির আহমেদ, পরিচালক ব্যরিস্টার ভিদিয়া অমৃত খান, পরিচালক মিজানুর রহমান ও পরিচালক নীলা হোসনা আরা।

বৈঠকে ম্যান-মেইড ফাইবার (এমএমএফ) দিয়ে হাই-এন্ড পণ্য তৈরিতে বাংলাদেশের পোশাক কারখানাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিজিএমইএ এবং ওয়েরলিকনের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশে উচ্চমূল্য সংযোজিত পোশাক উৎপাদনে পলিয়েস্টার, নাইলন এবং পলিপ্রোপাইলিন ইয়ার্নের সুতা ব্যবহারের বাজার সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়।

বৈঠকে টেক্সটাইল বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়িয়ে বাংলাদেশকে রিসাইক্লিংয়ের একটি বৈশ্বিক কেন্দ্রতে পরিণত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশ মূল্য সংযোজিত পণ্যের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির পরবর্তী স্তরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে। এর জন্য শিল্প এমএমএফ ভিত্তিক পোশাক তৈরি এবং দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তির আপগ্রেডেশনের ওপর জোরালোভাবে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্জ্য পুনর্ব্যবহারে বৈশ্বিক উদ্যোগসমূহ এবং রিসাইক্লিং শিল্পে বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে, তাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ বর্জ্য পুনর্ব্যবহারে সক্ষমতা বাড়াতে চায়।’

ফারুক হাসান বলেন, ‘বিশ্ব বাজারে পোশাকের স্থায়ীত্ব এবং কার্যকারিতার কারণে নন-কটন পণ্যগুলোর চাহিদা বাড়ছে। তাই, বাংলাদেশ পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, বিশেষ করে কটন থেকে নন-কটন টেক্সটাইল উপাদানের ওপর নজর কেন্দ্রীভূত করে উচ্চ প্রবৃদ্ধির রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।’

আরও পড়ুন:
মহাসড়কে রপ্তানিপণ্য চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ
রপ্তানিপণ্যের চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ
বিদ্যুতের সমস্যা শেষ, গ্যাস সংকটও কেটে যাবে: বিজিএমইএ
যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে ৪২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
অর্থনীতির ক্ষতি না করতে আহ্বান বিজিএমইএ’র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Life and Health and Payathai II International Hospitals round the clock joint health care

লাইফ অ্যান্ড হেলথ ও পায়াথাই-২ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালের দিনব্যাপি যৌথ স্বাস্থ্যসেবা

লাইফ অ্যান্ড হেলথ ও পায়াথাই-২ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালের দিনব্যাপি যৌথ স্বাস্থ্যসেবা

থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য হাসপাতাল পায়াথাই-২ এর সঙ্গে যৌথভাবে বাংলাদেশি রোগীদের সরাসরি স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করল লাইফ অ্যান্ড হেলথ লিমিটেড।

শনিবার পায়াথাই-২ ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালের চিকিৎসক ডা. উইসিত কাসেতসার্মউইরিয়া (ব্যারিয়াট্রিক এবং জেনারেল সার্জন, মিনিমাল ইনভেসিভ সার্জারি বিশেষজ্ঞ) ও ডা. তানোমসিরি স্তিথিত (গাইনোকোলজি ও গাইনোকোলজিক-অনকোলজি বিশেষজ্ঞ) এই পরামর্শ দেন।

পায়াথাই-২ থাইল্যান্ডের সবচেয়ে বড় বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে একটি। এখানে সমস্ত বিভাগ একত্রে, এক ছাদের নিচে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে এবং সাশ্রয়ী মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করে। এটি থাইল্যান্ডের বিডিএমএস গ্রুপের একটি জয়েন্ট কমিশন ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) স্বীকৃত সদস্য হাসপাতাল।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
1283 taka lotus gold price in Bhari

ভরিতে ১২৮৩ টাকা কমল স্বর্ণের দাম

ভরিতে ১২৮৩ টাকা কমল স্বর্ণের দাম ফাইল ছবি
নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ১৭৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৩৬ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৮৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে ফের সোনার দাম কমা‌নোর ঘোষণা দি‌য়ে‌ছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা ক‌মি‌য়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ১৭৭ টাকা। এতো‌দিন ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা।

শ‌নিবার (২৫ মে) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

রোববার (২৬ মে) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

এর আগে গত ২৪ মে ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ৮৪ টাকা কমানো হয়। এর আগে ২০, ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে ছয় দফায় সোনার দাম বাড়ানো হয়। ছয় দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ে ১০ হাজার ৩৮১ টাকা। এখন দুই দফায় ভালো মানের সোনার দাম ভরিতে কমলো দুই হাজার ৩৬৭ টাকা।

ছয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর পর এখন দুই দফায় কমানোর কারণ হিসেবে বাজুস বলছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা রোববার (২৬ মে) থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৭ হাজার ১৭৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৩৬ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৮৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৬২ টাকা কমিয়ে ৯৫ হাজার ৮৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ২৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোনার দাম কমানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটে প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
KSRM is the first industrial group under the universal pension scheme

সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় প্রথম শিল্প গ্রুপ কেএসআরএম

সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় প্রথম শিল্প গ্রুপ কেএসআরএম

দেশের অন্যতম ইস্পাত প্রস্ততকারী শিল্পগ্রুপ কেএসআরএমের কর্মীরা এখন জাতীয় পেনশন স্কিমের আওতায়। এর মাধ্যমে কেএসআরএমই দেশের প্রথম শিল্প গ্রুপ হিসেবে তাদের কর্মীদের পেনশন স্কিমের আওতায় নিয়ে এসেছে।

এ উপলক্ষে শনিবার উপজেলা প্রশাসন ও কেএসআরএমের যৌথ উদ্যোগে সীতাকুণ্ড কেএসআরএম স্টিল প্ল্যান্টে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম রফিকুল ইসলামের প্রস্তাবে সম্মত হয়ে কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে সীতাকুণ্ড কেএসআরএম স্টিল প্ল্যান্টের প্রায় এক হাজার কর্মী জাতীয় পেনশন স্কিমের আওতায় এসেছেন। অন্যান্য কর্মীরা পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রমের আওতায় আসবেন।

কোম্পানির কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপন্সিবিলিটির (সিএসআর) অংশ হিসেবে কর্মীদের জাতীয় পেনশন স্কিমের প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ করবে কেএসআরএম কর্তপক্ষ।

কেএসআরএম স্টিল প্ল্যান্টে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউএনও কেএম রফিকুল ইসলাম, কেএসআরএমের পরিচালক (প্ল্যান্ট) কমডোর (অব.) এমএস করিব, উপ-মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম। এ ছাড়াও কেএসআরএমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও কেএম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কর্মীদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে যে আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছে, তা সারা দেশে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এতে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পথ সুগম হলো।

‘পাশাপাশি দেশের প্রথম শিল্প গ্রুপ হিসেবে কেএসআরএমে কর্মরতরা সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় এসেছে। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতেও সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন এবং কেএসআরএম জনহিতকর যেকোনো কাজ একসঙ্গে করবে।’

এ প্রসঙ্গে কেএসআরএমের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার জাহান রাহাত বলেন, ‘আমরা সরকারের যেকোনো জনবান্ধব কর্মকাণ্ডে সহযোগী হিসেবে কাজ করে থাকি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জাতীয় পেনশন স্কিম সরকারের জনহিতকর কাজের মধ্যে অন্যতম। তাই প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে শিল্প গ্রুপ হিসেবে কেএসআরএম সেই অগ্রযাত্রার সারথী হয়েছে। আগামীতেও এমন সব কাজের অংশীদার হবে কেএসআরএম।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Preliminary investigations indicate that Rices helicopter crash was not sabotage

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয়

প্রাথমিক তদন্তে রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নাশকতা নয় গত রোববার হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের পর সোমবার উদ্ধার তৎপরতা চালায় উদ্ধারকারী দল। ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন বলছে, হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট, পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ মোট আটজন নিহত হওয়ার ঘটনায় কোনো অপরাধমূলক কার্যকলাপের প্রমাণ মেলেনি।

দেশটির সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরএনএ একথা জানিয়েছে।

গত রোববার ইরানের উত্তরাঞ্চলে আজারবাইজানের সীমান্তের কাছে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার মধ্যে রাইসিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি একটি পার্বত্য এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। ওই ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট নিহত হন। তার সঙ্গে একই হেলিকপ্টারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমির আব্দোল্লাহিয়ান ও ক্রুসহ আরও ছয় আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনায় সবার মৃত্যু হয়।

রাইসিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ফলে তার এমন অস্বাভাবিক মৃত্যুর হিসাব অনেকের কাছে মিলছে না।

তবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের প্রকাশ করা তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি উঁচু স্থানে আঘাত লেগে হেলিকপ্টারটিতে আগুন ধরে যায়। হেলিকপ্টারের ধ্বংসাবশেষে কোথাও গুলির গর্তের চিহ্ন খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রোববার হেলিপ্টারটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে সেটি পূর্বনির্ধারিত রুটেই উড়ছিল। হেলিকপ্টারটি নির্ধারিত রুট ছেড়ে বাইরে যায়নি। ওয়াচ টাওয়ার ও ফ্লাইট ক্রুদের মধ্যে যোগাযোগের সময় কোনো সন্দেহজনক বিষয়ও পরিলক্ষিত হয়নি। হেলিকপ্টারটি দুর্ঘটনায় পড়ার দেড় মিনিট আগে সঙ্গে থাকা আরও দুটি হেলিকপ্টারের সঙ্গে এটির যোগাযোগ হয়।

তদন্ত আরও এগিয়ে যাওয়ার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অনুসন্ধান শেষ করতে আরও সময় প্রয়োজন।

মৃত্যুর চারদিন পর বৃহস্পতিবার রাইসিকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র শহর মাশহাদে কবর দেয়া হয়।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিমান বহরের বেশ কয়েকটি আকাশযানই ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তারা পশ্চিমা দেশগুলো থেকে কোনো নতুন আকাশযান বা খুচরা যন্ত্রাংশ কিনতে পারছে না, ফলে বহরের আধুনিকায়নও করা যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
রাইসির জানাজায় জনসমুদ্র
রাইসির মৃত্যুতে যেভাবে অস্থির হয়ে উঠতে পারে ইরান
রাইসির দাফন হবে জন্ম-শহর মাশহাদে
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় রসদ যোগাতে পারে রাইসির মৃত্যু
ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Application Opportunity for Student Empowerment Program in Easy Group

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ ইজি গ্রুপের স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের পোস্টার। ছবি: ইজি গ্রুপ
ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইজি গ্রুপ (Ezzy Group) আয়োজন করেছ স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম (Student Empowerment Program)।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের কর্ম অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবেন।

এ সময়ের কর্মক্ষেত্র, শিল্প ও বাণিজ্যের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে কর্মসূচিটি তৈরি করা হয়েছে।

ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

ক্যারিয়ার শুরুর এ সুযোগে অংশ নিতে [email protected] মেইলে করা যাবে আবেদন।

আরও পড়ুন:
ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত আলেয়া সারওয়ার ডেইজি
বিচারের আগে মিডিয়া ট্রায়াল অমানবিক: আইজিপি
আইনবিরোধী কাজে ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হলে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ: আইজিপি
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল থাকছে
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: আইজিপি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
7 lakh 35 thousand animals are ready for sacrifice in Bogra

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু বগুড়ায় খামারগুলোতে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে পশু। বগুড়া সদরের দোবাড়িয়া গ্রাম থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১টি গরু, ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি ছাগল, ৩৯ হাজার ৮৫১টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ২ হাজার ২৬৬টি মহিষ রয়েছে।

ঈদুল আজহা সামনে রেখে বগুড়া জেলায় কোরবানির জন্য ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু প্রস্তুত রয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলাতে বিক্রি হতে পারে এসব পশু। গত বছরের চেয়ে এ বছর বেড়েছে খামারির সংখ্যাও। ঈদকে ঘিরে খামারিরা এখন লাভের আশায় দিন গুনছেন।

বগুড়া জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ১২টি উপজেলায় ৪৮ হাজার ৪৫৩ জন খামারিসহ ব্যক্তি পর্যায়ে এসব পশু পালন করা হচ্ছে। গত বছর বগুড়ায় ৪৪ হাজার ৩২৯ জন খামারি ছিলেন, যারা ৭ লাখ ২৬ হাজার ৫৯৭টি কোরবানিযোগ্য পশু পালন করেন।

এবার রয়েছে ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৪১৫টি গবাদিপশু। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪১টি গরু, ৪ লাখ ২২ হাজার ৬৫৭টি ছাগল, ৩৯ হাজার ৮৫১টি ভেড়া ও গাড়ল এবং ২ হাজার ২৬৬টি মহিষ রয়েছে।

প্রস্তুতকৃত পশুর সঙ্গে এবার বেড়েছে চাহিদাও। গত বছর পশুর চাহিদা ছিল ৭ লাখ ৪ হাজার ৪৬০টি। চলতি বছর জেলায় কোরবানি পশুর চাহিদার বিপরীতে প্রস্তুতকৃত পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে ২৯ হাজার ১৫৫টি।

জানা যায়, ওষুধ ও গো-খাদ্যের অতিরিক্ত দামের কারণে প্রস্তুতকৃত পশুর প্রত্যাশিত দাম নিয়ে শঙ্কায় আছেন খামারিরা। এদিকে কুরবানির পশুর দাম অতিরিক্ত বেড়ে গেলে সংকটে পড়বেন মধ্যবিত্ত কোরবানিরদাতারাও। সবমিলিয়ে চলতি বছরের কোরবানির পশু প্রস্তুতকারী খামারি ও কোরবানি দিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা বাজার নিয়ন্ত্রণ ও ন্যায্য মূল্যের আশা করছেন।

বগুড়া জেলায় প্রাকৃতিক খাদ্য দিয়েই অস্ট্রেলিয়ার ফ্রিজিয়ান, আমেরিকার ব্রাহমা ক্রস, ভারতীয় শাহীওয়াল, নেপালের গীরসহ দেশীয় জাতের গরু-ছাগল পালন করে এখন ভালো দামের প্রত্যাশা করছেন খামারিরা। প্রতিবছরই ঈদ এলে গরু বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন তারা। ছোট-বড় খামারের পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে ৪ মাস ধরে অনেকেই গরু মোটাতাজা করে থাকেন।

খামারিরা বলছেন, চলতি বছর পশুখাদ্যের দাম ও শ্রমিকের মজুরিসহ অন্যান্য খরচ বেড়ে যাওয়ায় পশুপালন খরচও বেড়েছে কয়েক গুণ। এতে করে কোরবানির পশুর দাম গত বছরের চেয়ে বেশি হবে।

বগুড়ায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৭ লাখ ৩৫ হাজার পশু

বগুড়া সদর উপজেলার দোবাড়িয়া গ্রামের খামারি ফারুক আহম্মেদ জানান, ২০১৭ সালে ৪টি গরু ও ৬টি ছাগল দিয়ে খামার শুরু করেন তিনি। এরপর প্রতি বছর তার খামারে গবাদিপশু বাড়তে থাকে। বর্তমানে তার খামারে কোরবানিযোগ্য গরুর সংখ্যা ৪৫টি ও ছাগলের সংখ্যা ৬২টি ।

কোরবানির জন্য তিনি ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, নেপালি গীর ও দেশি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন। খামারে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা থেকে সর্বনিম্ন দেড় লাখ টাকা মূল্যের গরু রয়েছে।

ছাগলের মধ্যে রয়েছে যমুনা পরী, তোতা পরী, হরিয়ানা ও দেশি ব্ল্যাক বেঙ্গল, প্রকারভেদে যার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত। এছাড়া দেশি জাতের ছাগলও কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, যেগুলোর মূল্য ২০ হাজার টাকা করে।

কোরবানির পশু ছাড়াও তার খামারে রয়েছে ৪টি দুধেল গাভী, যেগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০ লিটার দুধ পান তিনি। ছয়জন শ্রমিক তার খামার দেখাশুনা করেন। প্রতি মাসে খামারের পেছনে তার সব মিলিয়ে খরচ হয় প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা। বছর শেষে তিনি আয় করেন ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা।

বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোছা. নাছরিন পারভীন জানান, গত বছরের চেয়ে এবছর বগুড়ায় প্রস্তুতকৃত পশুর সংখ্যা বেড়েছে। এবার জেলায় যে পরিমাণ কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে, তার চেয়ে প্রস্তুতকৃত কোরবানির পশুর উদ্বৃত্ত রয়েছে ২৯ হাজার ১৫৫টি।

তিনি জানান, আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বগুড়ায় পশু প্রতিপালনের হার বেড়েছে। তাই কোরবানির পশুর কোনো সংকট হবে না এ জেলায়।

এছাড়া বগুড়ায় গবাদিপশু মোটাতাজাকরণে খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে কেউ যেন ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যাদি ব্যবহার না করেন, সেজন্য প্রচার চালানো হচ্ছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
কোরবানির চাহিদার চেয়েও প্রায় ২৩ লাখ বেশি গবাদিপশু প্রস্তুত
ঈদ-পরবর্তী সাতদিন বাইরের চামড়া ঢাকায় ঢুকতে পারবে না
দেশে পশু চিকিৎসায় প্রথমবারের মতো ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Presidents Industrial Development Award 2021 received 20 institutions

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রেস্ট ও সনদ হাতে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক/প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

দেশের শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে শিল্প খাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‘এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ বলেন, ‘কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বছরে আমাদের কৃষিপণ্য রপ্তানি হয় মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের মতো। অথচ এখানে সম্ভাবনা অনেক বেশি। কৃষিপণ্য রপ্তানি করে প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।’ তিনি কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরী লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি.। যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি.। দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানী লি.। দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রী লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে ফারিহা গ্রীন মুড লেদারস্ লি.। দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানী এবং তৃতীয় ডীপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। এই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত বিজ সলুশনস লি.।

প্রসঙ্গত, শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর সপ্তম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
শুধু স্বীকৃতি নয়, পণ্যের মানের দিকেও নজর দিতে হবে

মন্তব্য

p
উপরে