× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Instructions to keep minimum LC margin on eight commodities
google_news print-icon

আট নিত্যপণ্যের এলসি মার্জিন ন্যূনতম রাখার নির্দেশ

আট-নিত্যপণ্যের-এলসি-মার্জিন-ন্যূনতম-রাখার-নির্দেশ
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ‘পবিত্র রমজানে ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি ও খেজুরের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে ওই পণ্যগুলোর আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।’

পবিত্র রমজান সামনে রেখে আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি ও খেজুরের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল, মটর, পেঁয়াজ, মসলা, চিনি ও খেজুরের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখাসহ পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে ওই পণ্যগুলোর আমদানি ঋণপত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত নগদ মার্জিনের হার ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলো।

‘এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশ বহাল থাকবে।’

এর আগে ৪ ডিসেম্বর রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিতে সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদার। ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে বলা হয়, অর্থ পাচার রোধে অপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি বন্ধ রাখা হয়েছে। আর রোজার সময় কোনো পণ্যের যাতে ঘাটতি না হয় এবং মূল্য স্থিতিশীল থাকে সে জন্য তেল, চিনি, ডাল ও ছোলার এলসি খুলতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সভায় উপস্থিত ব্যাংকাররা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর কোনো নীতি-সহায়তা দরকার হলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেয়া হবে।

সাধারণভাবে পণ্য দেশের আসার পর বিল পরিশোধ করতে হয়। তবে আমদানি ঋণপত্র খোলার সময় গ্রাহককে ব্যাংকে পণ্য মূল্যের একটি অংশ জমা দিতে হয়, যাকে এলসি মার্জিন বলে। এই মার্জিনের বিষয়টি নির্ধারিত হয় ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে। ব্যাংকের সঙ্গে গ্রাহকের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হলে ন্যূনতম মার্জিনেও এলসি খোলা হয়। আবার গ্রাহক যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হন, সেক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন নিয়ে এলসি খোলা হয়।

চলতি বছরের এপ্রিল থেকে মূল্যস্ফীতি, ডলারের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পতন ঠেকাতে পণ্য আমদানিতে লাগাম দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা। একের পর এক নির্দেশনা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আমদানি কমাতে প্রথম পদক্ষেপ নেয়া হয় ১৭ এপ্রিল। ওইদিন এক সার্কুলারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শিশুখাদ্য, জ্বালানিসহ অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, স্থানীয় ও রপ্তানিমুখী শিল্প এবং কৃষি খাত-সংশ্লিষ্ট পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানির বিপরীতে ঋণপত্র স্থাপনের (এলসি) নগদ মার্জিন হার ন্যূনতম ২৫ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়।

এরপর ১০ মে বিলাস পণ্য আমদানি কমাতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করে আরেকটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রীর আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে। একইসঙ্গে অতি জরুরি পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে।

সবশেষ ৫ জুলাই আরও কড়াকড়ি আরোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলার জারি করে বলা হয়, সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী, প্রসাধনী, স্বর্ণালংকার, তৈরি পোশাক, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিক সামগ্রী বা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পানীয়সহ বেশ কিছু পণ্য আমদানিতে এখন থেকে ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণ সুবিধা পাবেন না আমদানিকারকরা। এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে, এর আগে যা ছিল ৭৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
নিত্যপণ্যের বাড়তি দরে ‘গরিবগঞ্জের পরিস্থিতি’
দাম নিয়ে কারসাজির মামলার পর আরও বাড়ল বাজার খরচ
অত্যাবশ্যক ৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ করবে সরকার
চালের দামে অস্থিরতা ৯ কারণে
যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ৪০ বছরের রেকর্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Defaulted loans increased by Tk 1 lakh 31 thousand 620 crores

খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা
ব্যাংক খাতে মোট ঋণের ৮ দশমিক ৮০ শতাংশই খেলাপি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে ৫৭ হাজার ৯৫৯ কোটি এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ ৬৫ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকা। আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ তিন হাজার ৪২ কোটি টাকা।

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই (জানুয়ারি-মার্চ) বেড়েছে ১১ হাজার কোটি টাকা।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে ২০২২ সালের ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ১ লাখ ২০ হাজার ৬৫৬ কোটি টাকা।

গত বছরের মার্চে ব্যাংকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৮ হাজার ১৮০ কোটি টাকা।

ব্যাংক খাতে মোট ঋণের ৮ দশমিক ৮০ শতাংশই বর্তমানে খেলাপি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোতে রয়েছে ৫৭ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা বা ১৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৫ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

অন্যদিকে বিদেশি ব্যাংকগুলোর তিন হাজার ৪২ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৯০ শতাংশ ঋণ খেলাপি। আর সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত তিনটি ব্যাংকের মোট ঋণের ১২ দশমিক ৮০ শতাংশ বা ৪ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা বর্তমানে খেলাপি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকগুলো এখন নিজেরাই নিজেদের ঋণ পুনঃতফসিল করছে। ফলে ব্যাংক নিজেই খেলাপি ঋণ কমিয়ে দেখানোর সুযোগ পাচ্ছে। তাই খেলাপি ঋণের এ তথ্য প্রকৃত চিত্র নয়। বাস্তবে খেলাপি ঋণ আরও বেশি হতে পারে। অনেক ব্যাংক ঋণ আদায় করতে না পেরে তারল্য-সংকটে ভুগছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মার্চে খেলাপি ঋণ দেয়ায় অনেক ব্যাংক দেরি করেছে। বিশেষ করে খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো কাজ করছে। ফলে বাস্তবে খেলাপি ঋণ এর চেয়েও বেশি।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা হলেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবে তা প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। কারণ, আইএমএফ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন করা ঋণ, সন্দেহজনক ঋণ ও আদালতের আদেশে খেলাপি স্থগিতাদেশ থাকা ঋণকেও খেলাপি দেখানোর পক্ষে।

সরকার আইএমএফের কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটির ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আলোচনার জন্য বাংলাদেশ সফর করে। তার অংশ হিসেবে আইএমএফের মিশন প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল খেলাপি ঋণ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নেয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে দেশের ব্যাংক খাত নিয়ে নানা পরামর্শ দেয় আইএমএফ। সে সময় খেলাপি ঋণকে ব্যাংক খাতের অন্যতম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি না সে বিষয়েও জানতে চায় বহুজাতিক ঋণদাতা সংস্থাটি। ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনার তাগিদ দেয় আন্তর্জাতিক সংস্থাটি।

ব্যাংকের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, ‘বিতরণ করা এসব ঋণের বেশিরভাগই অসৎ উপায় অবলম্বন করে দেয়া হয়েছে। এমন লোকদের ঋণ দেয়া হয়েছে, যারা পরবর্তী সময়ে এসব টাকা আর পরিশোধ করছে না।

‘আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ এসব ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে জড়িত থাকে। এসব ঋণ এখন আর ফেরত আসছে না। ফলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দিন দিন খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। আর্থিক খাত দুর্বল হওয়ার কারণে খেলাপি ঋণ বাড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে আর্থিক খাতে নানা রকম কেলেঙ্কারি সংঘটিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব খেলাপি ঋণের বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। যেসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি, সেসব বিষয়ে তারা এড়িয়ে যায়।’

আহসান মনসুর বলেন, ‘যারা ভালো কাজ করে তাদেরকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাস্তি দেয়। আর যারা খারাপ কাজ করে তাদের বিষয়ে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নেয় না।’

আরও পড়ুন:
এক বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭,৩৮৩ কোটি টাকা
সরকারের ব্যাংকঋণ বেড়ে দ্বিগুণ
ঋণের কিস্তি সুবিধা আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও
ঋণের কিস্তির অর্ধেক দিলেই খেলাপি নয়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
147 cars coming from Japan to Mongla Port are being auctioned

নিলামে তোলা হচ্ছে জাপান থেকে মোংলা বন্দরে আসা ১৪৭ গাড়ি

নিলামে তোলা হচ্ছে জাপান থেকে মোংলা বন্দরে আসা ১৪৭ গাড়ি মোংলা বন্দরে নিলামের জন্য রাখা গাড়ি। ছবি: নিউজবাংলা
আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড় না হওয়ায় মোংলা কাস্টম হাউস গাড়িগুলো বিক্রির জন্য নিলামে তুলছে। ৫ জুন নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হবে।

জাপান থেকে বাগেরহাটের মোংলা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আনা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৪৭টি গাড়ি নিলামে তোলা হচ্ছে।

আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছাড় না হওয়ায় মোংলা কাস্টম হাউস গাড়িগুলো বিক্রির জন্য নিলামে তুলছে। ৫ জুন নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হবে।

প্রতি মাসে নিলাম প্রক্রিয়ার নিয়ম থাকলেও নানা জটিলতায় চার মাস পর এই নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে বলে জানায় মোংলা কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ।

মোংলা কাস্টম হাউস সূত্রে জানা যায়, গত চার মাস মোংলা বন্দরে গাড়ির নিলাম বন্ধ ছিল। গত বছরের নভেম্বরে নিলামকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়।

সর্বশেষ কাস্টমের নিয়োগকৃত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ‘আল আমিন ট্রেডার্স’।

এরপর নিলামকারী প্রতিষ্ঠান খুঁজতে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি দরপত্র আহ্বান করা হয়। তখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তুলনামূলক কমমূল্য কমিশন দাখিল করে।

আবার ২৮ মার্চ দরপত্র আহ্বান করা হলে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কমিশন দাখিল করে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের কে এম করপোরেশনকে কোম্পানি নিয়োগ দেয়া হয়। এরাই ৫ জুনের নিলামের আয়োজন করছে।

মোংলা কাস্টম হাউসের নিলাম শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা ছবি রাণী দত্ত জানান, মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা এসব গাড়ি ৩০ দিনের মধ্যে ছাড় করানোর নিয়ম থাকলেও সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা তা করেনি।

এরপর আমদানিকারকদের আরও ১০ কার্যদিবস সময় দেয়ার পরও গাড়ি ছাড় না করায় নিয়মানুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিলামে ওঠানো হচ্ছে এসব গাড়ি।

নিলামে ওঠা এসব গাড়ির মধ্যে নিশান, পাজারো, এক্সিও হাইব্রিড, পিয়ার্স হাইব্রিড, টয়োটা ভিজ, প্রোবক্স, এ্যাকুয়া হাইব্রিড, টয়োটা হাইব্রিড, করোলা ফিল্টার, হাইয়েচ, মাইক্রো ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৪৭টি গাড়ি রয়েছে।

গাড়ির নিলামে অনলাইন থেকে বিড করা যাবে। এ ছাড়া নিলামে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতার তালিকা প্রকাশের পর গাড়িগুলো বিক্রি হবে।

নিলামে ওঠা গাড়ির মধ্যে ১৯৯৩, ৯৬, ৯৭, ৯৮, ৯৯, ২০০৬, ৭, ৮, ৯, ১১, ১৩, ১৭, ১৮. ১৯, ২০, ২১ ও ২২ সালের বিভিন্ন মডেলের গাড়ি রয়েছে।

৩১ মে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই নিলামের প্রস্তাবিত মূল্য গ্রহণ করা হবে।

মোংলা কাস্টম হাউসের যুগ্ম কমিশনার মাহফুজুর রহমান জানান, মোংলা কাস্টমের রাজস্ব আয়ের শতকরা ৫২ শতাংশ আসে আমদানি করা গাড়ির শুল্ক থেকে। দীর্ঘদিন আমদানি করা গাড়ি বন্দরে পড়ে থাকলে অন্যান্য পণ্য রাখায় সমস্যা তৈরি হয়। নিলাম প্রক্রিয়া চালু রাখলে গাড়ি বা অন্যান্য পণ্য রাখতে ব্যবসায়ীদের সুবিাধার পাশাপাশি সঠিক সময় সরকারের রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হবে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ট্রাফিক ম্যানেজার মো. কুদরত আলী বলেন, ‘জাপান থেকে মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি শুরু হয় ২০০৯ সালের ৩ জুন। প্রথম চালানে এ বন্দর দিয়ে ২৫৫টি গাড়ি আমদানি করা হয়। সেই থেকে এ পর্যন্ত মোংলা বন্দর দিয়ে ২২ হাজার ৪৩৭টি গাড়ি আমদানি করা হয়। যা মোট আমদানি গাড়ির শতকরা ৬০ ভাগ।’

এদিকে এই নিলাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারবিডা) সভাপতি হাবিবুল্লা ডন।

তিনি বলেন, ‘একদিকে বৈশ্বিক মন্দা চলছে, সরকারি সংস্থা ও ব্যাংকগুলো গাড়ি কেনা বন্ধ করে দিয়েছে। মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলোও এখন গাড়ি কিনছে না। এর মধ্যে নিলাম আমাদের আরেকটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।’

আরও পড়ুন:
বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান পাণ্ডুলিপি হলো হিব্রু বাইবেল
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বর্ণের ক্রেতা শুধুই ব্যবসায়ীরা
মোংলায় নিলামে ১১৫ গাড়ি, বিড হবে অনলাইনেও
রেকর্ড দামে মনরোর প্রতিকৃতি বিক্রি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Gold prices are slightly lower

স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল

স্বর্ণের দাম কিছুটা কমল
এতদিন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ৯৭ হাজার ১৬১ টাকা। নতুন দাম অনুযাী এই স্বর্ণ বিক্রি হবে ৯৬ হাজার ৬৯৫ টাকা ভরি।

দেশের বাজোরে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে। ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৬ হাজার ৬৯৫ টাকা।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) রোববারের এ সিদ্ধান্ত সোমবার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুসের এক সদস্য নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এতদিন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ৯৭ হাজার ১৬১ টাকা। নতুন দাম অনুযাী এই স্বর্ণ বিক্রি হবে ৯৬ হাজার ৬৯৫ টাকা ভরি।

নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ৯২ হাজার ৩২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৭৯ হাজার ১৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ৫৬ হাজার ৯৬০ টাকা।

আগের হিসাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণে ভরি ৯৩ হাজার ৯৫৪, ১৮ ক্যারেট ৮০ হাজার ৫৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ছিল ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা।

স্থানীয় বাজারে পাকা স্বর্ণের দাম কিছুটা কমায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ হয়েছে বলে বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম আগের মতই আছে। সোমবার থেকে হলমার্ক করা ২২ ক্যারেট রুপার দাম প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হবে ১ হাজার ৫০ টাকায়।

এর আগে সর্বশেষ গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়ানো হয়।

আরও পড়ুন:
কোমরে লুকিয়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ যাচ্ছিল ভারতে
বোরকায় লুকিয়ে পাচার হচ্ছিল আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ
শাহজালাল বিমানবন্দরে কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ, আটক ২

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
CUB celebrates Cutlers birthday

কটলারের জন্মদিন উদযাপনে সিইউবি

কটলারের জন্মদিন উদযাপনে সিইউবি ফিলিপ কটলারের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অংশের আলোচকবৃন্দ।
এশিয়া মার্কেটিং ডে-২০২৩ এবং আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক ফিলিপ কটলারের ৯২তম জন্মদিন উপলক্ষে ১৭টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এশিয়ান মার্কেটিং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই আয়োজনে সহায়তা করে মার্কেটিং সোসাইটি অফ বাংলাদেশ। আর এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম ছিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

এশিয়া মার্কেটিং ডে-২০২৩ এবং আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক ফিলিপ কটলারের ৯২তম জন্মদিন উদযাপন উপলক্ষে শনিবার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৭টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে এশিয়ান মার্কেটিং ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশে এই অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করে মার্কেটিং সোসাইটি অফ বাংলাদেশ।

মহতী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম ছিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)।

কটলারের জন্মদিন উদযাপনে সিইউবি
অনুষ্ঠানে আলোচকবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশের তরুণদের আরও ক্ষমতায়িত করা এবং স্মার্ট নাগরিকের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মূল উপজীব্য ছিল ‘স্মার্ট জাতি ও স্মার্ট নাগরিক সৃষ্টিতে মার্কেটিংয়ের ভূমিকা’।

সেমিনারের লাইভ প্যানেলে প্রধান বক্তা হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন আধুনিক মার্কেটিংয়ের জনক ফিলিপ কটলার। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর সঙ্গে মার্কেটিং দুনিয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

সিইউবি অংশে অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ’র অধ্যাপক প্রফেসর মুহাম্মদ রিদওয়ানুল হক।

লাইভ প্যানেল সেশনের মেম্বার হিসেবে সিইউবি’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। আরও উপস্থিত ছিলেন স্কুল অফ বিজনেসের ডিন ড. জহুরুল আলম ও স্কুল অফ বিজনেসের প্রধান এস এম আরিফুজ্জামান।

কটলারের জন্মদিন উদযাপনে সিইউবি
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিইউবি-র উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। ছবি: নিউজবাংলা

সেমিনারে লাইভ প্যানেল সেশনের মেম্বার হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অফ মার্কেটিংয়ের অনারারি সেক্রেটারি হাসলিনা বিন্তি আযলান এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আইসিটি বিভাগের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-এর মহাপরিচালক ও চিফ ইনোভেশন অফিসার ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন।

আরও পড়ুন:
সিইউবি-এনএসইউ সমঝোতা চুক্তি সই
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের আইইএলটিএস রেজিস্ট্রেশন সেন্টার
সিইউবি-তে মঞ্চনাটকে নায়ক রিয়াজ
গ্রাফিক্স ডিজাইনার নিচ্ছে সিইউবি
সিইউবিতে সামার সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রম শুরু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The challenges faced by CPD in the countrys economy

দেশের অর্থনীতিতে যেসব চ্যালেঞ্জ দেখছে সিপিডি

দেশের অর্থনীতিতে যেসব চ্যালেঞ্জ দেখছে সিপিডি দেশের অর্থনীতি নিয়ে সিপিডির পর্যালোচনা তুলে ধরেন নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। ছবি: ফেসবুক
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমরা দেখছি যে, আমাদের যে অর্থনীতি বর্তমানে এগোচ্ছে, সেখানে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ প্রতিভাত হচ্ছে। আমরা কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এখন যে গতিধারাটা আমরা দেখছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ কঠিন কিছু সমস্যার মুখোমুখি রয়েছে। একটি হচ্ছে বাহ্যিক, আরেকটি হচ্ছে অন্তর্নিহিত বা ভেতরের।’

দেশের অর্থনীতি বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০২২-২৩: ‍তৃতীয় অন্তর্বর্তীকালীন পর্যালোচনা’ শিরোনামে পর্যালোচনায় সিপিডি বিষয়টি জানিয়েছে।

ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে শনিবার বেলা সোয়া ১১টার পর থেকে পর্যালোচনাটি তুলে ধরেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

বাহ্যিক চ্যালেঞ্জ

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমরা দেখছি যে, আমাদের যে অর্থনীতি বর্তমানে এগোচ্ছে, সেখানে অনেক ধরনের চ্যালেঞ্জ প্রতিভাত হচ্ছে। আমরা কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। এখন যে গতিধারাটা আমরা দেখছি, বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ কঠিন কিছু সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। একটি হচ্ছে বাহ্যিক, আরেকটি হচ্ছে অন্তর্নিহিত বা ভেতরের।

‘বাহ্যিক যে কারণগুলো আমরা দেখি, আমরা শুরু করেছিলাম সেই কোভিডের সময় থেকে। ২০২০ সালে যখন কোভিড প্যানডেমিকের (করোনাভাইরাস মহামারি) প্রতিঘাত সেটি এবং সেটা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে না দাঁড়াতেই আমরা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মুখোমুখি হই ২০২০-এর ফেব্রুয়ারি মাসে এবং এই ফ্যাক্টরগুলো, এই অনুঘটকগুলোর কারণে আমরা দেখছি যে, আন্তর্জাতিক বাজারে যে পণ্যের মূল্য, সেটি অত্যন্ত উচ্চ দিকে, ঊর্ধ্বগতির দিকে গিয়েছিল এবং তার ফলে আমদানি পণ্যমূল্য বেড়ে যায় এবং আমদানি যে মূল্যস্ফীতি, আমদানির মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে মূল্যস্ফীতি সেটা এবং তা ছাড়া আমাদের সরবরাহ শৃঙ্খলে একটা ব্যাঘাত ঘটেছিল, সেটার কারণে কিন্তু এই মূল্যস্ফীতি, বিশেষ করে এবং অন্যান্য চ্যালেঞ্জ আমাদের এখানে দেখা দিচ্ছে।’

অন্তর্নিহিত চ্যালেঞ্জ

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘আর অভ্যন্তরীণ যে কারণগুলো, সেগুলো তো আমরা দেখছি…আমাদের অন্তর্নিহিত যে কাঠামোগত দুর্বলতা, অর্থনীতিতে এবং নীতি নেয়ার ক্ষেত্রে একটা পূর্ণাঙ্গ নীতি না, কিছু কিছু সঠিক নীতিমালার একটা অভাব এবং যে নীতিগুলো নেয়া হয়, সেগুলো বাস্তবায়নেরও দুর্বলতা এবং তা ছাড়া সুশাসনের ঘাটতি এবং আমরা যে সমস্ত সংস্কারের কথা বলছি, সেই সংস্কার বাস্তবায়নের ব্যর্থতার কারণেও কিন্তু আমরা অনেক সমস্যাগুলো এখন দেখছি, যেগুলো খুব গুরুতরভাবে প্রতিভাত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু ২০২২-এর জুলাই মাস থেকেই এই যে অর্থনীতির যে দুর্বলতাগুলি কোথায় এবং সেখানে প্রেশার পয়েন্টগুলো কোথায় এবং এগুলো যে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটা প্রভাব ফেলবে, সেগুলোর ব্যাপারে কিন্তু ক্রমাগতভাবে বলে এসেছি এবং ২০২৩ অর্থবছরের সামষ্টিক অর্থনীতির যে স্ট্রেসগুলো, অভিঘাতগুলো, সেগুলো যদি আমরা দেখি, সেগুলোর মূল মূল জায়গাগুলো কীভাবে প্রতিভাত হচ্ছে?

‘একটি হচ্ছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সঞ্চালন। সেখানে কিন্তু আহরণ কম এবং যার ফলে আমাদের রাজস্বের ক্ষেত্রে একটা স্বাধীনতা, ফিসকাল স্পেস, সেখানে কিন্তু একটা সংকোচন ঘটছে এবং তার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়াটা বাড়ছে সরকারের। সরকারের যে বাজেট ঘাটতি, সে ঘাটতি পূরণের জন্য সরকার ব্যাপকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে এবং তা ছাড়া যে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে, সেখানে আমরা দেখছি যে তারল্যের একটা নিম্নগতি এবং প্রাইসের কথা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির কথা, লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং সেটিও আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

বহিঃখাত

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘…আমাদের যে বহিঃখাত, সেই বহিঃখাতের যে ভারসাম্য, সেটার ক্ষেত্রে একটা অধোগতি, নিম্নগতি, এই ভারসাম্যের ক্ষেত্রে এবং তার পাশাপাশি আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ক্ষেত্রে একটা নিম্নগতি দেখা যাচ্ছে এবং এর মধ্যে আমরা দেখছি যে, এই প্রেক্ষিতটার কারণেই, এই স্ট্রেসগুলোর কারণে আমরা দেখছি যে, আমরা এখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে ঋণ নিয়েছি, যাতে কিনা আমাদের যে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, সেটা আমরা ফিরে পাই।’

আরও পড়ুন:
‘প্রাসাদ বানালেন অথচ ভিতরে নড়বড়ে, লাভ নেই’
‘অর্থনীতিতে অবিচারের বাস্তবতা তৈরি হয়েছে’
আইএমএফ থেকে ঋণ নেয়া উচিত: দেবপ্রিয়
দেশের সব কনটেইনার ডিপো অগ্নিঝুঁকিতে: সিপিডি
সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি, অপচয় হচ্ছে: আ.লীগের এমপি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Agents of Chittagong region who won the way Eid campaign received the award

উপায় ঈদ ক্যাম্পেইনে বিজয়ী চট্টগ্রাম অঞ্চলের এজেন্টরা পেলেন পুরস্কার

উপায় ঈদ ক্যাম্পেইনে বিজয়ী চট্টগ্রাম অঞ্চলের এজেন্টরা পেলেন পুরস্কার চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিজয়ী উপায় এজেন্টদের হাতে স্মার্ট টিভিসহ বিভিন্ন পুরস্কার তুলে দেন উপায়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এটিএম তাহমিদুজ্জামান। ছবি: উপায়
স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মার্ট টিভিসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিজয়ী এজেন্টদের হাতে তুলে দেন উপায়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এটিএম তাহমিদুজ্জামান।

দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘উপায়’-এর ঈদুল ফিতর ক্যাম্পেইনের বিজয়ী চট্টগ্রাম অঞ্চলের এজেন্টদের পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্মার্ট টিভিসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিজয়ী এজেন্টদের হাতে তুলে দেন উপায়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এটিএম তাহমিদুজ্জামান।

এপ্রিল মাসের শুরু থেকে ২১ তারিখ পর্যন্ত চলা ওই ঈদ ক্যাম্পেইনে দেশব্যাপী ১ হাজার ৭১৩ জন এজেন্ট বিজয়ী হন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপায়ের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার সৈয়দ মো. এনামুল কবির, চিফ বিজনেস অফিসার ইমন কল্যাণ দত্ত।

উপায়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও এটিএম তাহমিদুজ্জামান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের সারথী হিসেবে আমরা আমাদের গ্রাহকদের কম খরচে এবং নিরাপদ মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানের মাধ্যমে জনগণকে আর্থিক অন্তুর্ভুক্তির চেষ্টা করে যাচ্ছি। উপায় গ্রাহকরা ইউসিবিএলের এটিএম ব্যবহার করে হাজারে আট টাকায় এবং এজেন্ট পয়েন্ট থেকে হাজারে ১৪ টাকায় ক্যাশ আউট করতে পারছেন, যা অন্য অনেকের থেকে কম।’

তিনি আরও বলেন, ‘উপায় গ্রাহকরা সম্পূর্ণ ফ্রিতে যে কোনো পরিমাণ টাকা সেন্ড-মানি করতে পারছে। টেলিটক ছাড়া সব মোবাইল ফোন গ্রাহক *২৬৮# ডায়াল করে অতি সহজেই উপায় অ্যাকাউন্ট খুলতে পারছে।’

২০২১ সালের ১৭ মার্চ আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের সাবসিডিয়ারি ‘উপায়’।

বর্তমানে উপায় বিস্তৃত পরিসরে এমএফএস সেবা দিচ্ছে ইউএসএসডি ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে।

উপায়ের মাধ্যমে গ্রাহকরা সব ধরণের আর্থিক লেনদেন ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, মার্চেন্ট ও ই-কমার্স পেমেন্ট, রেমিট্যান্স, বেতন ও সরকারি ভাতা গ্রহণ, মোবাইল রিচার্জ, সেতুর টোল প্রদান, ট্রাফিক ফাইন পেমেন্ট এবং ভারতীয় ভিসা ফি পেমেন্টের মতো সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

আরও পড়ুন:
উপায় ঈদ ক্যাম্পেইনের পুরস্কার পেলো বিজয়ীরা
স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
‘বিশ্ব শিশু পুরস্কার’ দৌড়ে নৌকা স্কুলের রেজোয়ান
যারা পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে যুক্ত হতে পারে আরও নাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bengal Group director Humayun Kabir Bablu received the CIP award

সিআইপি সম্মাননা পেলেন বেঙ্গল গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু

সিআইপি সম্মাননা পেলেন বেঙ্গল গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলুকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) ২০২১ সম্মাননা পদক প্রদান করে শিল্প মন্ত্রণালয়। ছবি: বিজ্ঞপ্তি
বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু (সিআইপি) দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি।

শিল্পখাতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলুকে বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) ২০২১ সম্মাননা পদক দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

সোমবার ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে তার হাতে এ পদক তুলে দেয়া হয়। এবার ৯টি ক্যাটাগরি বিবেচনা করে ছয়টি ক্যাটাগরিতে ৪৪ জন ব্যক্তিকে এ পদক দেয়া হয়।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন ও এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন বলেন, ‘আজকে যারা পদক পেয়েছেন, তাদের অত্যন্ত সচেতনভাবে সততা নিয়ে নির্বাচিত করা হয়েছে। দেশের উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের বিশাল অবদান রয়েছে।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘আপনারা শিল্পোদ্যোক্তা। শিল্পবান্ধব পরিবেশ আপনারা চান। আমরাও চাই আপনাদের জন্য শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করে দিতে। আজকে যারা পুরস্কার পেলেন, তারা দেশের উন্নয়নে বিশাল অবদান রেখেছেন।’

বেঙ্গল গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু (সিআইপি) দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি।

তিনি মিডিয়া, পাওয়ার জেনারেশন, হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম, প্লাস্টিক, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ও গার্মেন্টসসহ বেশ কিছু সুপ্রতিষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে তার দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি লস এঞ্জেলস সিটি কলেজ ও ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিবিএ এবং এমবিএ সম্পন্ন করেন।

আরও পড়ুন:
সিআইপি সম্মাননা পেলেন এনভয় টেক্সটাইলের প্রতিষ্ঠাতা কুতুবউদ্দিন আহমেদ
সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন কুতুবউদ্দিন আহমেদ

মন্তব্য

p
উপরে