× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Leathertech Bangladesh exhibition begins
google_news print-icon

‘লেদারটেক বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী শুরু

লেদারটেক-বাংলাদেশ-প্রদর্শনী-শুরু
প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
প্রদর্শনীতে ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠানের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং মেশিনারিজ, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাক্সেসরিজ থাকছে। তিনদিনের এই প্রদর্শনীটি শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, চামড়া খাতে আমাদের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির বড় সুযোগ রয়েছে। এ খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।

বুধবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটি বসুন্ধরায় চামড়া শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

এবারের প্রদর্শনীতে ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠানের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং মেশিনারিজ, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাক্সেসরিজ থাকছে। তিনদিনের এই প্রদর্শনীটি শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর।

অনুষ্ঠানে টিপু মুনশি বলেন, শুধু চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না। পণ্যের মান ও দামের দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। শুধু বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে গেলেই হবে না, ক্ষুদ্র ও মাঝারির প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে নিতে হবে।

এলএফএমইএবি সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এই শো-তে অংশগ্রহণকারী কম্পোনেন্ট নির্মাতাদের বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব কারখানা বা উৎপাদন সুবিধা নিশ্চিতে নজর দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই ইভেন্টটি যন্ত্রপাতি, কেমিক্যালস ও আনুষাঙ্গিক উপাদান সোর্সিংয়ের সমস্যাগুলোর সমাধানকারী হিসেবে সহায়তা করছে।

এ ট্রেড শো’তে বাংলাদেশের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং ফুটওয়্যার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনারি, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাকসেসরিজ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। ভারত থেকে কাউন্সিল ফর লেদার এক্সপোর্টস (সিএলই) এবং ইন্ডিয়ান ফুটওয়্যার কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইফকোমা) প্যাভিলিয়নসহ ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনের অংশ নিচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দশ বছরের একটি পরিকল্পনা করেছে, যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে চামড়া খাতের রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন থেকে ১০-১২ বিলিয়নে উন্নীত করার লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার আগামী ৯ বছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় দশগুণ বাড়াতে চায়। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি প্রায় ১৮% বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।

আয়োজক সংস্থা আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক নন্দ গোপাল কে বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে চীন ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ কমেছে। তবে প্রায় ৩ বছরের ব্যবধানে এ আয়োজনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মেশিনারি সরবরাহকারীরা অংশ নিচ্ছেন। এই প্রদর্শনীর প্রোফাইলটি ব্যাপক। তিনদিনের শো’তে বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতি স্থানীয় শিল্পকে উপকৃত করবে।

লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২ আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা করছে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। অন্যান্য পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ টেনারস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্তুতকারক সমিতি।

আরও পড়ুন:
চামড়া শিল্পের প্রদর্শনী শুরু বুধবার
বিভিন্ন জেলা থেকে নাটোরে লবণ মাখানো চামড়া আসছে
কুষ্টিয়ার চামড়া মোকামে হাহাকার
বৃহস্পতিবার থেকে চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা
জমে উঠতে শুরু করেছে নাটোরের চামড়া বাজার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
If Bangabandhu was alive he would have won the Nobel Peace Prize Afizur

ইসিটির সেমিনারে শান্তি, সম্প্রীতিতে জোর

ইসিটির সেমিনারে শান্তি, সম্প্রীতিতে জোর ঢাকার আসাদ গেটে অবস্থিত সিবিসিবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারটির শিরোনাম ছিল ‘শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ: আস্থার নেতৃত্ব’। ছবি: সংগৃহীত
বঙ্গবন্ধু গবেষক আফিজুর রহমান বলেন, ‘একজন বঙ্গবন্ধু গবেষক হিসেবে আমি বলতে চাই, কোনো জায়গাতে কোনোখানে বঙ্গবন্ধুর কোনো রকম ঘাটতি পাই না আমি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতেন।’ 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতেন বলে বুধবার মন্তব্য করেছেন বঙ্গবন্ধু গবেষক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মো. আফিজুর রহমান।

গতকাল সকাল ১০টার দিকে ইক্যুমেনিক্যাল খ্রিষ্টান ট্রাস্ট (ইসিটি) এবং আন্তঃধর্মীয় সংলাপ কমিশন ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ঢাকার আসাদ গেটে অবস্থিত সিবিসিবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সেমিনারটির শিরোনাম ছিল ‘শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ: আস্থার নেতৃত্ব’।

এতে বঙ্গবন্ধু গবেষক আফিজুর রহমান বলেন, ‘একজন বঙ্গবন্ধু গবেষক হিসেবে আমি বলতে চাই, কোনো জায়গাতে কোনোখানে বঙ্গবন্ধুর কোনো রকম ঘাটতি পাই না আমি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতেন।’

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডক্টর মিল্টন বিশ্বাস।

মূল প্রবন্ধে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা বিশ্বের মানুষের কাছে এখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন। তার সময় এ দেশের সব ধর্মের মানুষ সম্পূর্ণ সম্প্রীতির বন্ধনে তাদের স্ব-স্ব ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারছেন।’

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন আন্তঃধর্মীয় সংলাপ কমিশন ঢাকা মহাধর্মপ্রদেশ এর ফাদার লুক কাকন কোড়াইয়া।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কীভাবে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতির দিকে যেতে পারে সে লক্ষ্যেই তার সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও খ্রিষ্ট ধর্মতত্ত্বের গবেষক এস এম তানভীর আহমদ বলেন, ‘আমরা যদি বাংলার ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখব যে, গত ৫০০ বছরে এ অঞ্চলের ইতিহাস চর্চায় অন্যান্য ধর্ম যেভাবে চর্চিত হয়েছে, খ্র্রিষ্টান ধর্ম সেভাবে আলোচিত হয়নি।’

সেমিনারে বক্তারা শান্তি, সম্প্রীতি ও বাংলাদেশ কীভাবে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে তার নানা দিক তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ফাদার তপন ডি রোজারিও, ইসিটির চেয়ারম্যান রেভারেন্ড ইমানুয়েল মল্লিক, ইসিটি ট্রাস্টি বোর্ডের ট্রেজারার জন সুশান্ত বিশ্বাসসহ অনেকে।

অনুষ্ঠান শেষে ইসিটির চেয়ারম্যান ইমানুয়েল মল্লিক স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রার্থনা করেন।

আরও পড়ুন:
‘বঙ্গবন্ধু সারা জীবন শান্তির পক্ষে কথা বলেছেন’
‘নিজস্ব আয়েই প্রতিস্থাপন খরচ মেটাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’
রবীন্দ্রনাথে প্রভাবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন: ঢাবি উপাচার্য
মে দিবসের মাধ্যমে শ্রমিকদের মানুষ বলে গণ্য করার নিয়ম পেয়েছি
বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Two days a month there will be designated roads for cycling Atiq

মাসে দুই দিন সাইকেল চালানোর জন্য নির্দিষ্ট রাস্তা হবে: আতিক

মাসে দুই দিন সাইকেল চালানোর জন্য নির্দিষ্ট রাস্তা হবে: আতিক সাইক্লিস্টদের উৎসাহ দিতে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম নিজে র‍্যালিতে অংশ নেন। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএনসিসির মেয়র বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নানাভাবে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিভিন্ন যানবাহনের কারণে কার্বন নিঃসরণ বাড়ছে। কিন্তু সাইকেল এমন একটি পরিবেশবান্ধব যান যেটি কোনো কার্বন নিঃসরণ করে না। তাই সাইকেল চালানোকে উৎসাহিত করছি। সাইকেল চালানোর জন্য আমরা সাইকেল লেন করে দেব।’

প্রতি মাসে দুইদিন সাইকেল চালানোর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে গুলশান-২ গোলচত্বর পর্যন্ত সাইকেল র‍্যালি পেডাল ফর প্ল্যানেটে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান।

ডিএনসিসির মেয়র বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নানাভাবে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ বিভিন্ন যানবাহনের কারণে কার্বন নিঃসরণ বাড়ছে। কিন্তু সাইকেল এমন একটি পরিবেশবান্ধব যান যেটি কোনো কার্বন নিঃসরণ করে না। তাই সাইকেল চালানোকে উৎসাহিত করছি। মাসে দুই দিন সাইকেল চালানোর জন্য আমরা নির্দিষ্ট সাইকেল লেন করে দেব।

‘যদিও সাইকেল লেন করে দিলেও দেখা যায় দখলদাররা সেখানে দখল করে ফেলে। স্বেচ্ছাসেবক ও যুবসমাজকে নিয়ে এ ধরনের দখলদারদের প্রতিহত করব।’

তিনি বলেন, ‘মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে শরীরচর্চা, খেলাধুলা আবশ্যক। সাইক্লিং অতি উত্তম শরীরচর্চা। সুস্থতার জন্য খেলাধুলা করতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। যুবসমাজকে ঘরে বসে অলস সময় পার না করে মাঠে আসতে হবে।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘পার্ক ও মাঠগুলো আমাদের রক্ষা করতে হবে। ফার্মগেটের আনোয়ারা পার্কে শপিংমল করতে দেয়া হবে না। সেখানে পার্কই থাকবে। মানুষ এই পার্কে হাঁটবে, শরীরচর্চা করবে।’

জাতীয় সংসদ ভবন থেকে সকাল ৮টার দিকে র‍্যালিটি শুরু হয়ে বিজয় সরণি, মহাখালী ও বনানী হয়ে গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর গিয়ে শেষ হয়। ৩৫০ জন সাইক্লিস্ট এতে অংশ নেন।

অংশগ্রহণকারী সাইক্লিস্টদের উৎসাহ দিতে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম নিজে র‍্যালিতে অংশ নেন। তিনিও সাইকেল চালিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে গুলশান-২ গোলচত্বর পর্যন্ত যান।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য হলেন মেয়র আতিক
ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সহযোগিতার আগ্রহ নেদারল্যান্ডসের
কবরস্থ করা নয়, ফি বেড়েছে সংরক্ষণের: আতিক
অভিজাত এলাকার পয়োবর্জ্য নিষ্কাশন নিয়ে হতাশ মেয়র আতিকুল
প্রতি ওয়ার্ডে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সড়ক হবে: মেয়র আতিকুল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trees and books are collected by depositing plastic waste

প্লাস্টিকের বর্জ্য জমা দিয়ে মিলছে গাছ ও বই

প্লাস্টিকের বর্জ্য জমা দিয়ে মিলছে গাছ ও বই পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলে উপহার হিসেবে মিলছে গাছ ও বই। ছবি: নিউজবাংলা
সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, ‘রাস্তাঘাটে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলা হয়। এতে পরিবেশের সৌন্দর্য হানি ঘটছে। এসব বর্জ্য পরিষ্কারের পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলেই সবার হাতে বই ও গাছ উপহার তুলে দেয়া হচ্ছে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কুড়িগ্রামে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলে উপহার হিসেবে মিলছে গাছ ও বই।

পরিবেশ দূষণ রোধ ও পরিবেশের সৌন্দর্য রক্ষায় এ উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি ফাইট আনটিল লাইট (ফুল) নামের একটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

শুক্রবার সকাল থেকে তিনদিন ব্যাপী প্লাস্টিকের বিনিময়ে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় গাছের চারা বিতরণ করা হয় সংগঠনের পক্ষ থেকে।

জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ‘পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের সামগ্রী জমা দিন গাছ ও বই উপহার নিন’ নামের এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুল কাদের।

ব্যবহৃত প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে উপহার পাওয়া নুর ইসলাম বলেন, ‘প্লাস্টিকের বোতল যেখানে সেখানে পাওয়া যায়। এর বিনিময়ে যে বই ও গাছ উপহার পাব তা কখনও ভাবিনি। অনেক ভালো লাগছে। এর মাধ্যমে আমরা সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরিতে উৎসাহিত হচ্ছি। ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য ভালো হবে।’

সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আবদুল কাদের বলেন, ‘রাস্তাঘাটে প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলা হয়। এতে পরিবেশের সৌন্দর্য হানি ঘটছে। এসব বর্জ্য পরিষ্কারের পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিলেই সবার হাতে বই ও গাছ উপহার তুলে দেয়া হচ্ছে। এই কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে আমাদের পরিবেশবান্ধব মন-মানসিকতার সৃষ্টি হচ্ছে।’

কুড়িগ্রাম সনাক সভাপতি আইনজীবী ও গণমাধ্যমকর্মী আহসান হাবিব নীলু বলেন, ‘পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে গাছ উপহার পাওয়া যেটি খুবই চমৎকার উদ্যোগ। এজন্য সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাই।’

প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
প্লাস্টিকের জারে দেদারসে চলছে দুধ পরিবহন, মান সংরক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন
২ লাখে শিক্ষা হয়নি, এবার জরিমানা আড়াই কোটি টাকা
আট ঘণ্টায় শতভাগ বর্জ্য অপসারণ উত্তরের, ১১ ঘণ্টায় দক্ষিণের
ঢাকায় দুই সিটির ৬২ ওয়ার্ডের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ
ঢাকার দুই সিটিতে চলছে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Divisional Conference of Bandhumahl Blood Donor Society held at Kushtia

কুষ্টিয়ায় বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কুষ্টিয়ায় বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গত ৩১ মে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সিভিল সার্জন আকুল উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘যে সকল মানুষ এমন মহৎ কাজে যুক্ত থাকে, তাদের আমি শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির সকল বীরকে জানাই স্যালুট।’

রক্তদান কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির খুলনা বিভাগীয় সম্মেলন।

কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গত ৩১ মে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই দিন সকাল ১০টার দিকে সম্মেলন উদ্বোধন করেন বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়ক জিয়াউল হাসান আমিন।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের সিভিল সার্জন আকুল উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘যে সকল মানুষ এমন মহৎ কাজে যুক্ত থাকে, তাদের আমি শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি। বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির সকল বীরকে জানাই স্যালুট।

‘ইনশাল্লাহ বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির মাধ্যমে আমরা সারা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে একদিন।’

ওই সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আনিসুজ্জামান নাহিদ এবং সাবেক প্রধান সমন্বয়কসহ বিভিন্ন বিভাগীয় সমন্বয়করা।

সম্মেলনের দিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত উপস্থিত ছিলেন তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী।

আরও পড়ুন:
৩৬ বছরে ১১৮ বার রক্ত দিয়ে দেশসেরা
রক্তদানে এখনও বড় ঘাটতি, মরণোত্তর চক্ষুদান নাজুক
সংকটে ব্যাহত নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন
স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠন ‘কণিকার’ নতুন কমিটি
মুজিববর্ষে ১ লাখ ১৩ হাজার ব্যাগ রক্তদান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
How to make Mothers Day memorable

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয়

যেভাবে মা দিবসকে করে রাখতে পারেন স্মরণীয় প্রতীকী ছবি
ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।    

মা আমাদের সবার কাছেই বিশেষ এক মানুষ। বিশেষ মানুষের জন্য বিশেষ দিন মা দিবসও আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

মায়ের জন্য স্মরণীয় কিছু করে তাকে চমকে দিতে সবারই নানা পরিকল্পনা থাকে। সেই পরিকল্পনার একটি অংশ হতে পারে মাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসা। আর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আপনাকে সাহায্য করতে পারে উবারের মতো রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে রাইড বুক করা যায় বলে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো সুবিধাজনক বিবেচিত হতে পারে। একই সঙ্গে এ সার্ভিস অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ীও।

মাকে নিয়ে শপিং, সিনেমা হল বা পছন্দের কোনো রেস্তোরাঁয় যাওয়ার জন্য বেছে নিতে পারেন এক্স বা প্রিমিয়ারের মতো সার্ভিস। আরেকটু কম খরচে ঘুরতে চাইলে আছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস।

যদি আপনার একই দিনে একাধিক জায়গায় যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে রেন্টালস সার্ভিস হবে আপনার জন্য যথার্থ। এ সার্ভিসের আওতায় ১০ ঘণ্টার জন্য রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়িটি আপনার সঙ্গে রাখার সুযোগ পাবেন। আর শহরের বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য ইন্টারসিটি সার্ভিস চমৎকার।

ব্যস্ততার কারণে আপনি হয়তো মায়ের কাছাকাছি থাকতে পারেন না, কিন্তু বিশেষ দিনে উপহার দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা তো জানাতেই পারেন। নিজে উপস্থিত না থাকতে পারলেও উবারের ডেলিভারি সার্ভিস উবার কানেক্ট আপনার উপহার ঠিকই মায়ের কাছে পৌঁছে দেবে।

তা ছাড়া রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে নিজের ও মায়ের নিরাপত্তা নিয়েও আপনি থাকতে পারেন নিশ্চিন্ত।

ব্যস্ততা আমাদের অবসর দেয় না। তারপরও যতটা সম্ভব, বিশেষ দিনটি মায়ের সঙ্গে কাটাতে চান অনেকে। এমন দিনে নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে পাশে থাকবে রাইড শেয়ারিং সার্ভিসগুলো।

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচন: গজারিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় আরেক মামলা
চকরিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলায় ১৫ জনের নামে মামলা
প্রতারণার মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
চট্টগ্রামে বিধ্বস্ত বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার
‘সোর্ড অফ অনার’সহ নানা প্রাপ্তি অসিম জাওয়াদের

মন্তব্য

যেভাবে এলো গাধা দিবস

যেভাবে এলো গাধা দিবস ফাইল ছবি
প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী আর্ক রাজিক গাধা দিবসের প্রতিষ্ঠাতা। গাধা সমাজের মানুষের জন্য যে পরিশ্রম করছে বা অবদান রাখছে, তার কোনো স্বীকৃতি নেই- এই ভাবনা থেকে গাধা দিবস পালনের চিন্তা করেন তিনি। ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার পর গাধা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

বহু বছর ধরে মানুষের জন্য সেবা দিয়ে আসা এক প্রাণী হলো গাধা। বিশেষ করে ভার বহনে গাধা হয়ে আছে আস্থার প্রতীক। বৈরি আবহাওয়া কিংবা কঠিন ভূখণ্ডেও গাধা টিকতে পারে সহজেই। প্রতি বছর ৮ মে পালন করা হয়ে থাকে বিশ্ব গাধা দিবস। ২০১৮ সাল থেকে চালু হয়েছে এই দিবস। এ হিসেবে বুধবার পালন করা হচ্ছে এই দিবস।

যেভাবে এলো গাধা দিবস

প্রাণী নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানী আর্ক রাজিক গাধা দিবসের প্রতিষ্ঠাতা। গাধা সমাজের মানুষের জন্য যে পরিশ্রম করছে বা অবদান রাখছে, তার কোনো স্বীকৃতি নেই- এই ভাবনা থেকে গাধা দিবস পালনের চিন্তা করেন তিনি। ফেসবুকে একটি গ্রুপ খুলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনার পর গাধা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

গাধার ব্যবহার

আধুনিক সময়ে এসে যে গাধাগুলো দেখা যায়, এগুলো এসেছে সোমালি বন্য গাধা এবং নুবিয়ান বন্য গাধা থেকে। উভয়ই আফ্রিকান বন্য গাধার উপ-প্রজাতি। কয়েক শ বছর ধরে মানুষকে সেবা দিয়ে আসছে এই প্রাণীটি।

গাধা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্দেশে ব্যবহার করা হয়। বিদ্যুৎ বা বাষ্পশক্তি উদ্ভাবনের আগে সমাজের উন্নয়নে গাধা দ্বারা উৎপাদিত শক্তি ব্যবহার হতো নানা ক্ষেত্রে। বহু পথ অতিক্রম করতে পারে গাধা। ঘণ্টায় ৩১ মাইল যেতে পারে একটি গাধা। গাধা বাঁচে গড়ে ৫০ থেকে ৫৪ বছর।

গাধার বৈশিষ্ট্য

একবার কোনো পথ দিয়ে গেলে সেই পথের কথা মনে থাকে গাধার। পথ চিনতে পারে এই প্রাণীটি। গাধা সাধারণত সতর্ক থাকে এবং এমন পরিস্থিতিতে ভয় পায় যা তারা বিপদজনক বলে মনে করে।

পরিষ্কার থাকতে পছন্দ করে গাধা। নিজেরা দেখতে কেমন, সে ব্যাপারে গুরুত্ব দেয় এই প্রাণীটি। প্রাণীটি উষ্ণ ও শুষ্ক পরিবেশ যেমন মরুভূমির মতো জায়গা পছন্দ করে। যখন একটি গাধার সঙ্গীকে তার কাছ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়, তখন প্রাণীটি কষ্ট পায়।

বিশ্বে ১৮৬ বা এর চেয়ে বেশি ধরনের গাধা আছে। এ প্রাণীটির শ্রবণশক্তি এতই বেশি যে, অনেক দূর থেকে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে সহজেই।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Engineers committed to building Smart Bangladesh IEB President

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ: আইইবি প্রেসিডেন্ট

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ: আইইবি প্রেসিডেন্ট রাজধানীর রমনায় আইইবির প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটির ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিতে উপস্থিত প্রকৌশলীরা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় আইইবি প্রেসিডেন্ট আবদুস সবুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ, ‘ভিশন-২০৪১’ ও ‘ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০’ বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ৷ সরকারকে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ দিতে আইইবি সক্ষম। আইইবির প্রকৌশলীর সদা প্রস্তুত রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে প্রকৌশলীরা অঙ্গীকারবদ্ধ বলে দাবি করেছেন ইনস্টিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী আবদুস সবুর।

রাজধানীর রমনায় আইইবির প্রধান কার্যালয়ে মঙ্গলবার দেশের সবচেয়ে প্রাচীন পেশাজীবী প্রতিষ্ঠানটির ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দেয়া বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।

‘উন্নত জগৎ গঠন করুন’ স্লোগানে ১৯৪৮ সালের ৭ মে আইইবি প্রতিষ্ঠা করা হয়, যে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সদস্য প্রায় ৭০ হাজার।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটি নানা কর্মসূচি পালন করে।

আইইবি সদরদপ্তরে সকাল আটটায় জাতীয় পতাকা ও প্রতিষ্ঠানটির পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সকাল সাড়ে আটটায় কেক কাটার পর আলোচনা সভা শুরু হয়।

আইইবির ১৮টি কেন্দ্র, ৩৪টি উপকেন্দ্র ও ১৪টি ওভারসিজ চ্যাপ্টারে একই সময়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় আইইবি প্রেসিডেন্ট আবদুস সবুর বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ, ‘ভিশন-২০৪১’ ও ‘ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০’ বাস্তবায়নে প্রকৌশলীরা দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ৷ সরকারকে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিষয়ে যেকোনো পরামর্শ দিতে আইইবি সক্ষম। আইইবির প্রকৌশলীর সদা প্রস্তুত রয়েছে।”

অনুষ্ঠানে দেশের প্রকৌশল পেশার মানোন্নয়নে আইইবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এস এম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন, ‘আমরা সুনির্দিষ্ট করে আইইবির পক্ষ থেকে দাবি জানাচ্ছি। সেই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’

প্রকৌশলীদের দাবি

১. প্রকৌশলীদের পদোন্নতি ও পদায়ন নিশ্চিত করা।

২. পলিটেকনিক শিক্ষকদের বর্তমান চাকরি কাঠামো পরিবর্তন।

৩. বিভিন্ন প্রকৌশল সংস্থাকে (এলজিইডি) বিসিএস ক্যাডারভুক্ত করা, বিসিএস পানিসম্পদ ক্যাডার, বিসিএস টেলিকম, বিসিএস টেক্সটাইল ক্যাডার চালু করা।

৪. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকৌশল উইং সৃষ্টি

৫. বিভিন্ন প্রকল্পে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রজেক্ট ডিরেক্টর (পিডি) নিয়োগ করা।

৬. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করা

আরও পড়ুন:
‘ঘুষের’ টাকাসহ পাউবোর দুই প্রকৌশলী আটক
ভৈরব নদে চীনা প্রকৌশলীর মরদেহ
চসিক প্রকৌশলীর উপর হামলার বিচারের দাবি আইইবির
প্রকৌশলীকে চড়: ‘নেতার কাছে দুঃখ প্রকাশ’ বানি আমিনের
প্রকৌশলীকে মারধর, ৪ ঠিকাদার আটক

মন্তব্য

p
উপরে