× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
5 thousand crore fund to facilitate import of industries
google_news print-icon

শিল্পের আমদানি সহজ করতে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল

শিল্পের-আমদানি-সহজ-করতে-৫-হাজার-কোটি-টাকার-তহবিল
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ নামে গঠিত এই তহবিলের আওতায় সবুজ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে রপ্তানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে টেকসইযোগ্য গ্রাহকদের মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশের আমদানি মূল্য পরিশোধ-পরবর্তী ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে।

রপ্তানি ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নিজস্ব উৎস থেকে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে। পাঁচ থেকে ১০ বছর মেয়াদি এ ঋণের সুদ হার গ্রাহক পর্যায়ে হবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে বুধবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ নামে গঠিত এই তহবিলের আওতায় সবুজ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে রপ্তানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে টেকসইযোগ্য গ্রাহকদের মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশের আমদানি মূল্য পরিশোধ-পরবর্তী ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রায় (টাকা) পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে।

তহবিলের আকার

পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করা হবে। ব্যাংকগুলো ১ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে। গ্রাহক পর্যায়ে সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ। ঋণের মেয়াদ ৫ থেকে ১০ বছর। মেয়াদি ঋণ বা বিনিয়োগে গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রেস পিরিয়ড হবে সর্বোচ্চ এক বছর।

যেসব খাতে এই ঋণ

পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা ও পুনর্ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি, শক্তি দক্ষতা, তাপ ও তাপমাত্রা ব্যবস্থাপনা, বায়ু চলাচল ও প্রবাহ দক্ষতা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোর রপ্তানি ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে এ ঋণ দেয়া হবে।

কত টাকা ঋণ

তহবিলের আওতায় একজন ঋণ গ্রহীতার ঋণ বা বিনিয়োগ-মূলধন অনুপাত হবে সর্বোচ্চ ৭০:৩০। তবে কোনো একক ঋণগ্রহিতা এ তহবিলের আওতায় কোনোভাবেই ২০০ কোটি টাকার অধিক ঋণ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।

খেলাপি ঋণগ্রহিতা পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার ঋণ পাবেন না। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর হালনাগাদ সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ এবং গ্রাহক ঋণ খেলাপি নয় মর্মে নিশ্চিত হতে হবে। পরপর দুটি রপ্তানি বিল সম্পূর্ণ বা আংশিক অপ্রত্যাবাসিত থাকলে এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবেন না গ্রাহক।

অংশগ্রহণকারী ব্যাংক

এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের (পরিচালক, সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা) সঙ্গে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি করতে হবে। এ চুক্তিতে আবদ্ধ ব্যাংকগুলো পিএফআই হিসেবে গণ্য হবে। এ তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সময় সময় জারি করা সার্কুলার বা সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে বর্ণিত নির্দেশনা পরিপালন করতে হবে।

সব রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দিতে পারবে। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে শ্রেণিকৃত ঋণ বা বিনিয়োগের হার ১০ শতাংশের কম হতে হবে।

একক গ্রাহক বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা এ সংক্রান্ত ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর নির্দেশনাসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত নির্দেশনা অনুযায়ী হবে।

আরও পড়ুন:
ইসলামি ব্যাংকগুলোকে তারল্য সুবিধা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আবার বাড়ল স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম
রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ
ব্যাংকের সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা তহবিলে দিতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Infinix budget phone Smart 8 Pro is available all over the country

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’। ছবি: ইনফিনিক্স
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের বাজারে সম্প্রতি এসেছে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’।

ব্র্যান্ডটির স্মার্ট সিরিজের নতুন সংযোজন এ বাজেট ফোন।

সাশ্রয়ী মূল্য ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এটি তরুণদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জারের সাহায্যে ডিভাইসটি দ্রুত চার্জ করা যায়। বারবার চার্জ দেয়ারও প্রয়োজন হয় না। একবার সম্পূর্ণ চার্জে ব্যবহারকারীরা টানা ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও দেখতে পারবেন।

এন্ট্রি-লেভেলের স্মার্টফোন হিসেবে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত বলে দাবি করেছে ইনফিনিক্স।

কোম্পানিটি জানায়, ব্যবহারকারীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এ ডিভাইসে আরও আছে ইনফিনিক্স পাওয়ার ম্যারাথন সমাধান। আল্ট্রা-পাওয়ার-সেভিং মোড ব্যবহার করে মাত্র ৫ শতাংশ চার্জেও অনায়েসেই দুই ঘণ্টা কথা বলা যায়।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে উন্নত অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৬ চিপসেট। এটি নিরবচ্ছিন্ন মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। ডিভাইসটিতে আছে ৪ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।

পছন্দের অ্যাপ, ছবি, ভিডিওসহ নানা কিছু সহজেই সংরক্ষণ করতে এতে আছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ। পাশাপাশি মাইক্রোএসডির সাহায্যে এর ধারণক্ষমতা ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে ম্যাজিক রিংযুক্ত ৬.৬ ইঞ্চি এইচডি+ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে। এ ম্যাজিক রিংয়ের মাধ্যমে চার্জিং স্ট্যাটাস এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন নির্বিঘ্নে দেখা যায়।

৯০ হার্টজের রিফ্রেশ রেটের কারণে ব্রাউজিংয়ের সময় পাওয়া যাবে না কোনো ল্যাগ, যা ব্যবহারকারীদের স্বাচ্ছন্দ্যময় টাচের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

ডিভাইসটির রিং ফ্ল্যাশলাইটযুক্ত ৫০ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল এআই ক্যামেরার সাহায্যে স্বল্প আলোতেও সুন্দর ছবি তোলা যায়। ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্য চমৎকার সেলফি তুলতে পারবেন।

তরুণদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয় ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। টিম্বার ব্ল্যাক, শাইনি গোল্ড ও রেইনবো ব্লু—এ তিন ট্রেন্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

সারা দেশের ইনফিনিক্স অফিশিয়াল রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। ফোনটির দাম ১১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স
যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold rose to an all time high of Tk 119544

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

দেশের বাজারে আবারও ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এই দফায় সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৯৮৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। দেশের বাজারে স্বর্ণের এই দাম এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার থেকে নতুন এই দর কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

এর আগে ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে পাঁচ দাফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ১৯ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৭৮ টাকা, ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা এবং ৫ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। রোববার আবার দাম বাড়ানোর ফলে ছয় দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়লো মোট ১০ হাজার ৩৮১ টাকা।

স্বর্ণের দাম দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

আরও পড়ুন:
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
পঞ্চম দফায় দেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৩১৫ টাকা
পাঁচ দিনে চতুর্থবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১১২৯৩১ টাকা
টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে স্বর্ণের দাম
দেশে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমে ভরি ১১৪১৫১ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank clarified the issue of journalist entry

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায় সংস্থাটি।

সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বুধবার সংস্থাটি এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায়, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মর্মে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।

জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে ওই বার্তায় জানায় তারা। খবর বাসস

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের নিকট সকল প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদানে বদ্ধপরিকর। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রদানযোগ্য সকল তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশেনে কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করছে তারা। যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদান, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানে নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে ও পরিচালক পর্যায়ের দুইজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যেকোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে এই কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞিপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

এ ছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তার সংরক্ষিত সকল অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে আসছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold increased by 1 thousand 178 taka for the fifth round

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা ফাইল ছবি।
টানা পঞ্চম দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। আর এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা পঞ্চমবারের মতো বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) এক হাজার ১৭৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

তবে এক ভরি স্বর্ণের অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে এক লাখ ৩১ হাজার টাকার বেশি, যা দেশের বাজারে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। স্থানীয় বাজারে এর আগে কখনোই স্বর্ণালঙ্কারের দাম এতটা উচ্চতায় ওঠেনি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির এই ঘোষণা দিয়েছে। বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত এই দাম রোববার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস এর আগে চলতি মে মাসের ৫, ৬, ৮ ও ১২ তারিখ চার দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ভরিপ্রতি ৫ মে এক হাজার ৫০ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা ও সবশেষ ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা বাড়ানো হয়। শনিবার দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পাঁচ দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল মোট ৯ হাজার ২৯৭ টাকা।

টানা পাঁচ দফা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির আগে আট দফায় ভরিতে মোট ১০ হাজার ২৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। ‌আর ২১ ক্যারেটের দাম ভরিতে এক হাজার ১৩১ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৩ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের ভরি ৯৫৬ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৯৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশ্য স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাদের এরচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে স্বর্ণের গহনা বিক্রি করা হয়। সেসঙ্গে ভরি প্রতি মজুরি ধরা হবে ন্যূনতম ৬ শতাংশ। ফলে রোববার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের ব্যয় হবে এক লাখ ৩১ হাজার ৪৯১ টাকা। এতো বেশি দামে এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি হয়নি।

স্বর্ণালঙ্কারের দামে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হলেও দেশের বাজারে এরচেয়েও বেশি দামে স্বর্ণ বিক্রির রেকর্ড রয়েছে। ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে ২০ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণ সর্বোচ্চ এক লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সে সময় এক ভরি স্বর্ণালঙ্কারের সর্বনিম্ন দাম এক লাখ ২৯ হাজার ১১৯ টাকা নির্ধারিত ছিল।

স্বর্ণের অলঙ্কারের দামে সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টির কারণ মজুরি। আগে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হতো ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। কিন্তু এ নিয়ম পরিবর্তন করে ১৪ মে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ। এতেই নতুন দামে স্বর্ণালঙ্কারের ক্ষেত্রে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে সাত হাজার ১০৮ টাকা।

এদিকে বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ালেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি দুই হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

আরও পড়ুন:
ভরিতে সাড়ে ৪ হাজার টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম এক দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল
টানা অষ্টমবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১০৯১৬৩ টাকা
স্বর্ণের দাম আরও কমেছে
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Half of the electrical products in the market are counterfeit and unauthorized
এমডব্লিউবির গবেষণা

বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন

বাজারের ইলেকট্রিক্যাল পণ্যের অর্ধেকই নকল ও অনুমোদনহীন ঢাবির মার্কেটিং বিভাগে শনিবার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে এমডব্লিউবি। ছবি: নিউজবাংলা
গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে। যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির।

বাংলাদেশে ইলেকট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকার। এসব পণ্যের বাজার গত দুই দশক ধরে অব্যাহতভাবে বেড়ে চললেও এর অর্ধেক স্থান দখল করে আছে নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য।

ইলেকট্রিক্যাল ও লাইটিং পণ্যের ওপর মার্কেটিং ওয়াচ বাংলাদেশের (এমডব্লিউবি) করা একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মার্কেটিং বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমডব্লিউবির করা গবেষণার তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরা হয়।

মার্কেটিং বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ও এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান ও আরেক সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল ও দিকনিদেশর্না তুলে ধরেন।

এ সময় মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম শহীদুল ইসলাম ও আরেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. রাজিয়া বেগম সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

এমডব্লিউবির পক্ষ থেকে জানানো জানানো হয়, এই গবেষণায় গুণগত (কোয়ালিটেটিভ) ও পরিমাণগত (কেয়ান্টিটেটিভ)- দুই পদ্ধতিই অনুসরণ করা হয়েছে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত এই গবেষণার জন্য সারা দেশের ২ হাজার ১৬ জন ব্যবহারকারী, ১০৩ জন খুচরা বিক্রেতা ও ৯৯ জন ইলেক্ট্রিশিয়ানকে নমুনা হিসেবে বেছে নেয়া হয়। এছাড়া ৫ জন বৈদ্যুতিক পণ্য বিশেষজ্ঞের সাক্ষাৎকারও নেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই গবেষণার আওতাধীন পণ্যগুলো ছিল- সুইচ, সকেট, হোল্ডার, মাল্টি-প্লাগ, সার্কিট ব্রেকার, মিটার ও বিভিন্ন হালকা পণ্য যেমন: এলইডি লাক্স, এলইডি টিউব, এলইডি প্যানেল, ব্র্যাকেট এলইডি, জিএলএস, অ্যানার্জি এফিশিয়েন্সি বাল্ব ও ইমার্জেন্সি লাইটিং।

প্রতিবেদন অনুসারে, এটি একটি বড় ও অপার সম্ভাবনাময় শিল্প। বর্তমানে দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার খুচরা বিক্রেতা এবং ২ হাজার ৫০০ উদ্যোক্তাসহ মোট ৫ লাখেরও বেশি মানুষ এই শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। দুই ক্যাটাগরির পণ্যের সম্মিলিত বাজারের আকার সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে ইলেক্ট্রিক্যাল পণ্যের বাজার তিন হাজার ৩৭৫ কোটি এবং লাইটিং পণ্যের বাজার ২ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা।

গবেষণা বলছে, পণ্যের গড় প্রবৃদ্ধির হার যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ১৫ শতাংশ। যদি আগামী দিনগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির হার অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এই খাতটি একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় বড় খাত হিসেবে আবির্ভূত হবে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, এই বাজারের প্রায় অর্ধেকই নন-ব্র্যান্ডেড অর্থাৎ নিম্নমানের নকল ও অনুমোদনবিহীন পণ্য দখল করে আছে। তবে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে ব্যাপকভাবে আধিপত্য বিস্তার করছে।

যেহেতু দেশীয় কোম্পানিগুলোর প্রবৃদ্ধির হার অনেক বেশি, তাই আগামী দিনগুলোতে দেশীয় কোম্পানিগুলো বাজারে আরও বেশি আধিপত্য বিস্তার করবে বলে আশা এমডব্লিউবির। আর এজন্য তারা গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানায়।

গবেষণার ফল অনুযায়ী, দেশীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে সুপারস্টার গ্রুপ উভয় প্রকার পণ্যের ক্ষেত্রে বাজারে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।

গবেষণার তথ্যানুসারে, ইলেক্ট্রিক্যাল ব্র্যান্ডেড পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৯ শতাংশ, ওয়ালটন ১৭ শতাংশ, ক্লিক ১৭ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৯ শতাংশ, ওসাকা ৪ শতাংশ এবং ব্লিঙ্ক, এমইপি ও লাক্সারি প্রত্যেকে ৩ শতাংশ করে বাজার দখল করে আছে। অন্যদিকে, ব্রান্ডেড লাইটিং পণ্যের মার্কেট শেয়ারে সুপারস্টার ২৫.৫৯ শতাংশ, ক্লিক ১৩ শতাংশ, ওয়ালটন ১২ শতাংশ, ট্রান্সটেক ১০ শতাংশ, এনার্জি প্যাক ৮ শতাংশ ও ফিলিপস ৭ শতাংশ বাজার দখল করে আছে।

ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজ ও লাইটিং পণ্যে গুরুতর কী কী সমস্যা দেখা যায় সেসবও জানতে চাওয়া হয় গবেষণায় অংশ নেয়াদের কাছ থেকে।

সেই তথ্যানুসারে, ২৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বলেছে, ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাকসেসরিজের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা লুজ কানেকশন। দ্বিতীয় প্রধান সমস্যা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল শর্ট সার্কিট। ২০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী এর পক্ষে মত দিয়েছেন।

বাকি সমসস্যগুলো হলো- ওয়ারেন্টি কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরপরই পণ্য ড্যামেজ হয়ে যাওয়া, ওভারহিটিং ইত্যাদি।

অন্যদিকে, লাইটিং পণ্যের ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা হলো- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে লাইটের উজ্জ্বলতা কমে যাওয়া, লাইটের ক্ষণস্থায়ী জীবন, মিটমিট করা, অধিক বিদ্যুৎ গ্রহণ করা ও ওভারহিটিং।

এমডব্লিউবি বলছে, এই শিল্পের অগ্রগতির পেছনে মূলত গত ২৫ বছরে ব্যাপক বিদ্যুতায়ন, অব্যাহত জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান আয়, দ্রুত ও পরিকল্পিত নগরায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন ও সরকারের গৃহীত সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে।

এই শিল্পের কী কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটিও তুলে ধরা হয়েছে গবেষণার ফল উপস্থাপনে। গ্রে-মার্কেটের আধিপত্য, অসম প্রতিযোগিতা, ব্যবহারকারীদের ব্র্যান্ডের পণ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবসহ আরও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় এই শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য সুপারিশ হিসেবে এমডব্লিউবির সহ-প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্রে-মার্কেটের কার্যক্রম হ্রাসে সরকারের তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, দেশীয় কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার জন্য সরকারের বিদ্যমান ট্যাক্স পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করতে হবে যাতে কোম্পানিগুলো কম ব্যয়ে পণ্যের কাঁচামাল আমদানি করতে পারে।

পাশাপাশি এ সমস্ত শিল্পের ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ গড়ে তোলার জন্য সরকার ও ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং জনগণের মধ্যে নিরাপদ ও মানসম্মত বৈদ্যুতিক সরঞ্জামাদি ব্যবহারে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন অধ্যাপক মিজান।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Attack on students of Bangladesh India and Pakistan in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা

কিরগিজস্তানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা: সাহায্য চাইলেন বাংলাদেশিরা স্থানীয় বিক্ষুব্ধ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকের রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে বাংলাদেশি, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর সহিংস জনতা হামলা চালানোর খবর পাওয়া গেছে।

দেশটিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের মিশন জানিয়েছে, শুক্রবার (১৭ মে) রাতে শুরু হওয়া সহিংসতার মধ্যে বিশকেকের কয়েকটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে হামলা হয়েছে। সেখানে ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা বসবাস করেন।

কিরগিজ সরকার জানিয়েছে, ১৭-১৮ মে রাতে বিশকেকে জনতার সহিংসতায় বেশ কয়েকজন বিদেশিসহ কমপক্ষে ২৮ জন আহত হওয়ার পর চারজন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

এই সহিংসতার বিষয়ে পাকিস্তান ও ভারত কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দেশ দুটি বিশকেকে তাদের শিক্ষার্থীদের বাড়ির ভেতরে অবস্থান করার জন্য সতর্ক করেছিল।

রেডিও ফ্রি ইউরোপ জানিয়েছে, ১৩ মে মিসরের মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কিরগিজ ছাত্রদের বিবাদের একটি ভিডিও অনলাইনে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়।

যাদের মারধর করা হয়েছে তারা কিরগিজ যুবক বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দাবি করার পর শুক্রবার রাতে বিশকেকের বেশ কয়েকটি স্থানে উত্তেজিত জনতা জড়ো হয়।

শনিবার বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী তাদের নিরাপত্তার জন্য ইউএনবির কাছে সহায়তা চান।

স্থানীয় সময় শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে আছি। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আমাদের ভেতরে থাকতে বলেছে। আমরা কাছাকাছি অন্যান্য অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। সেখানে কিছু পাকিস্তানি থাকতে পারে।’

ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শেয়ার করব। উজবেকিস্তানে আমাদের মিশন বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি হতাহত হওয়ার খবর আমরা পাইনি। আমরা আমাদের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।’

এদিকে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘বর্তমানে বিশকেকের পরিস্থিতি পুরোপুরি শান্ত এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

তারা গণমাধ্যমের প্রতিনিধি, ব্লগিং সম্প্রদায় এবং বিদেশি সহকর্মীদের শুধু কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া সরকারি এবং যাচাইকৃত তথ্যের ভিত্তিতে খবর পরিবেশন করতে বলেছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank Cant Take Decisions With Spine Straight CPD

বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি

বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শনিবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন (বাঁয়ে)। ছবি: সংগৃহীত
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য এমন পার্যায়ে উপনীত হয়েছে যে, আইএমএফের পরামর্শক্রমে ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে যথেষ্ট পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় একীভূতকরণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জোর করে ব্যাংক একীভূতকরণ টেকসই হতে পারে না।’

‘বাংলাদেশ ব্যাংক তার স্বাধীন সত্তা হারিয়ে ফেলেছে। মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না। বাইরে থেকে আরোপিত সিদ্ধান্ত কার্যকর করার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পারছে না।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এসব কথা বলেছেন।

শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ব্যাংক একীভূতকরণ নিয়ে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য এমন পার্যায়ে উপনীত হয়েছে যে, আইএমএফের পরামর্শক্রমে ব্যাংক একীভূতকরণের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। তবে যথেষ্ট পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় একীভূতকরণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। জোর করে ব্যাংক একীভূতকরণ টেকসই হতে পারে না। সুশাসনের অভাবে সামগ্রিক অর্থনীতিকে সাপোর্ট দেয়ার সক্ষমতা ব্যাংকিং সেক্টর হারিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘জনগণ ব্যাংকিং খাতের ওপর আস্থা হারিয়েছে। ব্যাংকে গচ্ছিত আমানত নিরাপদ রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। ফলে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যাদের কারণে ব্যাংকিং খাতে রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে।’

ব্যাংকের খেলাপি ঋণের সঠিক তথ্য জনগণ জানতে পারছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে