× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Food prices are higher in villages than in cities
hear-news
player
google_news print-icon

খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

খাবারের-দাম-শহরের-চেয়ে-গ্রামে-বেশি
নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। একই মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ; খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক মূল্যস্ফীতির পারদ নামছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। তবে অবাক করার মতো তথ্য দিয়েছে সরকারি এ সংস্থাটি। বিবিএসের হিসাব বলছে, শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি।

গতকাল সোমবার পরিসংখ্যান ব্যুরো মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, গত নভেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি বা মাসভিত্তিক) গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। নভেম্বরে শহর এলাকায় পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

এর অর্থ হলো গত বছরের নভেম্বরে গ্রামের মানুষ ১০০ টাকায় যে খাবার পেয়েছিল, এ বছরের নভেম্বরে তা কিনতে ১০৮ টাকা ২৩ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। আর গত বছরের নভেম্বরে শহরের মানুষ ১০০ টাকায় যে খাবার কিনেছিল, এ বছরের নভেম্বরে তা কিনতে ১০৭ টাকা ৯৫ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। বিবিএসের এই হিসাবই বলছে, শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি।

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মূল্যস্ফীতির এই তথ্য প্রকাশ করেন। তথ্যে দেখা যায়, নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল সামান্য কম, ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। নভেম্বরে গ্রামে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘর (ডাবল ডিজিট) ছাড়িয়ে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশে উঠেছে। অক্টোবরে হয়েছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

নভেম্বরে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল একটু বেশি, ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। নভেম্বরে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অক্টোবরে হয়েছিল ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে

বিবিএসের হিসাবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের পঞ্চম মাস নভেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। তার আগের মাস আগস্টে উঠেছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে। ওই মাসের মূল্যস্ফীতি ছিল গত এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এরপর আর এই সূচক ৯ শতাংশের ওপরে ওঠেনি।

নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি খানিকটা কমে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অক্টোবরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। অন্যদিকে নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আগের মাস অক্টোবরে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব বলছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হয়েছে। তবে বাজারে চালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের দামই কমেনি।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মোট চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অক্টোবরে এই দুই ধরনের চালই কেজিতে ৫-৬ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডালসহ কয়েকটি পণ্যের দাম নভেম্বরে নতুন করে বেড়েছে। এমনকি বাজারে নতুন ওঠা শীতের সবজি এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি সংস্থা টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) সরবরাহ করা বাজারদরেও নভেম্বরে খাদ্যপণ্যের দাম কমার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে বারবার বলে আসছি, আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরোর মূল্যস্ফীতির তথ্যের সঙ্গে বাজারের বাস্তব অবস্থার প্রতিফলন হয় না। বিবিএস ১৭ বছর আগের ভিত্তিবছরকে (২০০৫-০৬) ভিত্তি ধরে মূল্যস্ফীতির হিসাব করে। অথচ জিপিডির হিসাব দেখায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে। বাস্তব চিত্র পাওয়ার জন্য মূল্যস্ফীতির তথ্যও ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে হিসাব করা উচিত বলে আমি মনে করি।’

শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি কেন- এ প্রশ্নের উত্তরে আহসান মনসুর বলেন, ‘এর সঠিক কোনো উত্তর আমার জানা নেই। তবে এমন হতে পারে যে যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হওয়ার কারণে গ্রামের সব পণ্য এখন দ্রুত শহরে চলে আসছে। সে কারণে গ্রামে পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়ায় দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করার সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে, আমরা বলেছিলাম আশা করছি মূল্যস্ফীতি কমবে। মূল্যস্ফীতি কমেছে। অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯১ ছিল। এই মাসে নেমেছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশে।’

সরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি বেড়েছে মজুরি সূচক। অর্থাৎ ব্যক্তির গড় আয় কিছুটা বেড়েছে। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। নভেম্বরে সেটি বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার প্রবণতা ছিল। ঠিক এ রকম একসময়ে গত ৫ আগস্ট সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। এর পর পরই বাড়ানো হয় সব ধরনের পরিবহন ভাড়া। এই দুইয়ের প্রভাবে বেড়ে যায় প্রায় সব পণ্যের দাম। গত ২৯ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমানো হলেও বাজারে তার প্রভাব ছিল না বললেই চলে।

শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতির উদ্বেগজনক ও স্পর্শকাতর সূচক এখন মূল্যস্ফীতি। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠে প্রায় শতাংশে পৌঁছেছে। ইউরোপের দেশগুলোও ধুঁকছে। যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভও হচ্ছে।

মজুরি সূচক বেড়েছে

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, কয়েক মাস ধরেই মজুরি সূচক অল্প অল্প করে বাড়ছে। অক্টোবরে এই হার ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। সর্বশেষ নভেম্বরে তা আরও বেড়ে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হওয়ায় ও মজুরি সূচক বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নান বলেন, ‘আমাদের সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপে মূল্যস্ফীতি টানা তিন মাস ধরে কমছে। অন্যদিকে মজুরি সূচক বেশ কয়েক মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী। সামনের দিনগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে আমরা আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
দুর্ভিক্ষের শঙ্কার মধ্যে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দিচ্ছে ৩৫৬ চাকরি
প্রবৃদ্ধি নামবে ৬ শতাংশে, মূল্যস্ফীতি ৯ ছাড়াবে: আইএমএফ
১১ বছর পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় দুই অঙ্কের ঘরে
মূল্যস্ফীতি আগস্টে ৯.৫২, সেপ্টেম্বরে ৯.১০ শতাংশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
ICB case for embezzlement of Tk 207 crore from UFS

ইউএফএসের ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতে আইসিবির মামলা

ইউএফএসের ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতে আইসিবির মামলা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউএফএস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হামজা আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (ইউএফএস) লিমিটেডসহ ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অনেককে আসামি করা হয়েছে। ১১ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

চারটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১৫৮ কোটি টাকা নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফেরার হওয়ার খবর সংবাদমাধ্যমে আসার পর আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৎপর হয়েছে ফান্ডগুলোর ট্রাস্টি রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ (আইসিবি)। তবে এবার জানা গেল লোপাট করা অর্থের পরিমাণ আরও বেশি।

২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (ইউএফএস) লিমিটেডসহ ১১ জনের নাম উল্লেখসহ আরও অনেকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে আইসিবি। ১১ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) খতিয়ে দেখছে।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ইউনিভার্সেল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে আইসিবির পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।’

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণামূলকভাবে টাকা আত্মসাৎ করার অপরাধ চিহ্নিত হয়েছে। আত্মসাৎকৃত ২০৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা উদ্ধার করতে এ মামলা করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ইউএফএস, ইউএফএসের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমগীর ফারুখ চৌধুরী, কোম্পানির এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর, পরিচালক ইসরাত আলমগীর, আলিয়া হক আলমগীর, মাহিদ হক, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোহাম্মদ মাসুম চৌধুরী, মোসাম্মত উম্মে ইসলাম সোহানা, সৈয়দা শেহরীন হোসেন, তারিক মাসুদ খান, সৈয়দা মেহরীন হুসেইনসহ অজ্ঞাতনামাসহ অনেকে।

এর আগে চারটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ১৫৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা নিয়ে ১৩ অক্টোবর দুবাই পাড়ি জমান প্রতিষ্ঠানটির এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর। বর্তমানে তিনি সিঙ্গাপুরে রয়েছেন। ২০১৮ সাল থেকে তহবিল সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল বলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির তদন্তে উঠে আসে।

এই জালিয়াতির ক্ষেত্রে ব্যাংকের প্রতিবেদন জালিয়াতি এবং ভুয়া এফডিআর (ফিক্সড ডিপোজিড রেট) দেখিয়ে বিএসইসিকে অন্ধকারে রাখা হয়। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ৪ বছর নিষ্ক্রিয় ছিল ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান (গ্যারান্টি দেয়া প্রতিষ্ঠান) আইসিবি।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি এ খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ২ জানুয়ারি এমডির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানতে চায় হাইকোর্ট। পাশাপাশি সৈয়দ আলমগীরের দুবাই পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ ঘটনায় কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানাতে নির্দেশ দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও আইসিবিকে ব্যাখ্যা দাখিল করতে বলা হয়।

৩ জানুয়ারি ইউএফএস ও এর এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীরসহ ১৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিত বা জব্দ করা হয়। মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন বন্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) দেশের সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে এ কথা জানিয়ে চিঠি পাঠায়।

এ তালিকায় নাম আছে ইউনিভার্সাল ফাইন্যান্সিয়াল সলিউশনস লিমিটেড, ইউএফএসের এমডি সৈয়দ হামজা আলমগীর, আলিয়া হক আলমগীর, মাহিদ হক, তারেক মাসুদ খান, মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, মোসা. উম্মে ইসলাম সোহানা, ইশরাত আলমগীর, সৈয়দা মেহরীন রহমান, সৈয়দ আলমগীর ফারুক চৌধুরী ও সৈয়দা শেহরীন হুসাইনের।

অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার তালিকায় আরও আছে- ইউএফএস-আইবিবিএল শরিয়া ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পপুলার লাইফ ইউনিট ফান্ড ৩৮, ইউএফএস-ব্যাংক এশিয়া ইউনিট ফান্ড এবং ইউএফএস-পদ্মা লাইফ ইসলামিক ফান্ড।

এদিকে বিনিয়োগকারী এবং পুঁজিবাজারের স্বার্থে ইউএফএস ও তাদের সব ফান্ডের নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে শেয়ারবাজারে নিষিদ্ধ করা হয়। বিএসইসির নির্দেশনায় বলা হয়, ইউএফএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনায় চারটি ফান্ড ইউএফএস-আইবিবিএল শরিয়া ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পপুলার লাইফ ইউনিট ফান্ড, ইউএফএস-পদ্মা লাইফ ইসলামিক ইউনিট ফান্ড ও ইউএফএস-ব্যাংক এশিয়া ইউনিট ফান্ডের নিরীক্ষা করে আসছে আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস। নিরীক্ষক মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর অনুসন্ধানের জন্য তদন্তের শুনানিতে উপস্থিত হয়নি। এ থেকে স্পষ্ট যে, তদন্ত কমিটির সঙ্গে নিরীক্ষক অপেশাদার আচরণ করেছে। তাই, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জের অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ধারা ২০-এ দ্বারা প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ম্যানেজার, ট্রাস্টি, কাস্টোডিয়ান, ইস্যুকারী এবং সম্পদ ব্যবস্থাপককে নির্দেশ দেয়া যাচ্ছে যে, নিরীক্ষক আহমেদ জাকের অ্যান্ড কোং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টসকে ইউএফএসের অধীনে থাকা কোনো মিউচ্যুয়াল ফান্ডের নিরীক্ষার অনুমতি দেয়া হবে না। কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে, নিরীক্ষককে কোনো মিউচুয়াল ফান্ড এবং তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষক হতে অনুমতি দেবে না কমিশন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত জারি থাকবে।

এ ছাড়া কোম্পানিটির ফান্ড সংশ্লিষ্টদের কাছে ২৩টি তথ্য চায় কমিশন, যা ৮ জানুয়ারির মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছিল। বিএসইসির চিঠিতে যেসব তথ্য চাওয়া হয়ে, সেগুলো হলো-ইউএফএসের ব্যবস্থাপনার ইউএফএসইপিএল ভেঞ্চার ক্যাপিটাল এবং ইউএফএসইপিএল প্রাইভেট ইকুইটি ফান্ডের আগের ও বর্তমানের সব আর্থিক প্রতিবেদন, ফান্ড দুটির সব ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্য, ফান্ড দুটিতে উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ ও তাদের ব্যাংক হিসাবের স্টেটমেন্ট, ফান্ডগুলোর গ্রাহক ও তাদের টাকার পরিমাণের তথ্য, ফান্ড দুটিতে বিনিয়োগ কমিটির সদস্যদের তালিকা।

সে সঙ্গে ফান্ড দুটির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যেসব ব্যবসায় বিনিয়োগ আছে সেগুলো ব্যাংক স্টেটমেন্টসহ জমা দিতে বলা হয়। ফান্ডগুলোর পোর্টফোলিওতে থাকা কোম্পানিগুলোর আর্থিক অবস্থার বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।

ফান্ড দুটির বিনিয়োগের অবস্থা এবং নির্দিষ্ট সীমার বিষয়ে প্রকাশ করা তথ্য, অতালিকাভুক্ত কোম্পানিতে ফান্ড দুটির বিনিয়োগের বিষয়ে ট্রাস্টি থেকে প্রাপ্ত কনসেন্ট লেটার, ফান্ডগুলোর সম্পদ মূল্য ও শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা ফি এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য কমিশনে জমা দিতে বলা হয়েছিল।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Provision reduced to increase bank investment in capital market

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়াতে প্রভিশন কমল

পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ বাড়াতে প্রভিশন কমল ফাইল ছবি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘ব্যাংকগুলো ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক ডিলারদের ঋণ দিয়ে থাকে। সেখানে আগে অশ্রেণিবদ্ধ ঋণে ২ শতাংশ প্রভিশন রাখার নিয়ম ছিল। এখন থেকে ১ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হবে।’

ব্যাংকগুলো দেশের ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক ও স্টক ডিলারদের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে যে ঋণ দিয়ে থাকে তার ওপর প্রভিশন ১ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দেশের পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতের বিনিয়োগ টানতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে এর কতটা ইতিবাচক প্রভাব প্রভাব তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়।

তাতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক ডিলারদের ঋণ দিয়ে থাকে। সেখানে আগে অশ্রেণিবদ্ধ ঋণে ২ শতাংশ প্রভিশন রাখার নিয়ম ছিল। এখন থেকে ১ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হবে।

বিআরপিডি’র পরিচালক মাকসুদা বেগম বলেন, ‘দেশের আর্থিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগে থেকেও এমনটা দাবি ছিল। দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকে আমরা একটু আকর্ষণীয় করতে চেয়েছি। আমরা দেখলাম যে বিবেচনা করার মতো সুযোগ আছে। এর ফলে ব্যাংকের যে খুব একটা লোকসান হবে তা কিন্তু না। বরং এর ফলে দেশের পুঁজিবাজার যদি চাঙ্গা হয় তাহলে তা দেশের অর্থনীতির জন্য ভালো হবে।’

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘ব্যাংকগুলোর জন্য দেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আর একটু আকর্ষণীয় করে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে এর ফলে যে খুব বেশি ইমপ্যাক্ট হবে তা আমি মনে করি না।’

দ্য এসোসিয়েশন অফ ব্যাংকারস, বাংলাদেশের (এবিবি) সভাপতি সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন আরও বলেন, ‘ব্যাংক কোথায় কত বিনিয়োগ করবে তা নির্ভর করছে তাদের পরিকল্পনার ওপর। এই পদক্ষেপে যে বড় কোনো পরিবর্তন হবে সেটা আমি বিশ্বাস করি না।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পরিচালক শাকিল রিজভী বলেন, ‘এখন আগের তুলনায় প্রভিশন কম করতে হবে। আগে ব্যাংকগুলো ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক বা স্টক ডিলারদের ঋণ দিলে এর ওপর ২ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হতো। অর্থাৎ কোনো ব্যাংক ১০০ কোটি টাকা ঋণ দিলে তাকে ২ কোটি টাকা প্রভিশন রাখতে হতো। এখন ১০০ কোটি টাকা ঋণ দিলে ১ কোটি টাকা প্রভিশন রাখতে হবে। ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজারে ঋণ ১০০ কোটি টাকাই দিচ্ছে। শুধু ব্যাংক প্রভিশন কম রাখবে।’

আরও পড়ুন:
লেনদেন বেড়েছে শত কোটির বেশি, আপাত স্বস্তি
হ্যাটট্রিক পতন পুঁজিবাজারে
সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh received the first installment of the IMF loan

আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ

আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি পেল বাংলাদেশ
বিশ্ব আর্থিক খাতের অন্যতম প্রধান মোড়ল এই সংস্থার কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ ঋণ চেয়েছিল, সবাইকে অবাক করে দিয়ে গত সোমবার সংস্থাটি তার চেয়েও বেশি ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইএমএফ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে ছাড় করা হবে বলে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। মাত্র দুই দিনের মাথায় সেই ঋণের প্রথম কিস্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে জমা হলো, বেড়ে গেলো বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক রিজার্ভ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বহুল প্রতিক্ষিত ৪৭০ কোটি (৪.৭০ বিলিয়ন) ডলার ঋণের প্রথম কিস্তি ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ।

প্রথম কিস্তির এই অর্থ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভে যোগ হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক। এর ফলে রিজার্ভ বেড়ে ৩২ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে বলে জানান তিনি।

মেজবাউল হক বলেন, ‘আমরা আইএমএফ ঋণের প্রথম কিস্তি পেয়েছি। প্রথম বারে আমরা ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার পেয়েছি। এর পরের বাকি ৪২২ কোটি ৪০ লাখ ডলার আমরা সমান ছয়টি কিস্তিতে পাবো। প্রতি কিস্তিতে আসবে ৭০ কোটি ৪০ লাখ ডলার, তবে পরের কিস্তি কবে আসবে এখন সেটা বলা যাচ্ছে না।’

বিশ্ব আর্থিক খাতের অন্যতম প্রধান মোড়ল এই সংস্থার কাছ থেকে বাংলাদেশ যে পরিমাণ ঋণ চেয়েছিল, সবাইকে অবাক করে দিয়ে গত সোমবার সংস্থাটি তার চেয়েও বেশি ঋণ দেওয়ার ঘোষণা দেয় আইএমএফ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে ছাড় করা হবে বলে বলে জানিয়েছিল সংস্থাটি। মাত্র দুই দিনের মাথায় সেই ঋণের প্রথম কিস্তি বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে জমা হলো, বেড়ে গেলো বর্তমান বিশ্ব পেক্ষাপটে অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক রিজার্ভ।

দুই বছরের করোনা মহামারি ও এক বছরের রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কার বড় চাপ সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে বাংলাদেশ গত বছরের জুলাই মাসে ৪৫০ কোটি (৪.৫ বিলিয়ন) ডলার ঋণ চেয়েছিল, আইএমএম তার চেয়েও ২০ কোটি ডলার বেশি অর্থাৎ ৪৭০ কোটি (৪.৭০ বিলিয়ন) ডলার দেয়। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদর দপ্তরে এই ঋণ অনুমোদন করে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ।

গত মঙ্গলবার আইএমএফের ওয়েবসাইটে এই ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার তাৎক্ষণিকভাবে ছাড় করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আইএমএফ। ২ দশমিক ২ শতাংশ সুদে নেয়া এই ঋণ আসবে সাত কিস্তিতে। শেষ কিস্তি আসবে ২০২৬ সালে।

৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ পেতে ও চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকার কয়েক মাস ধরেই সংস্কার কর্মসূচি পরিচালনা করছে। চলতি জানুয়ারিতে যখন আইএমএফের ডিএমডি অ্যান্তইনেত মনসিও সায়েহ বাংলাদেশ সফরে আসেন, তখন এসব সংস্কারে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। মৌলিক এসব সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিও আইএমএফের ডিএমডি গুরুত্বারোপ করেন তখন।

আইএমএফও তাদের বিবৃতিতে বলেছে, করোনা মহামারির ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল বাংলাদেশ, কিন্তু যুদ্ধের কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তাতে বৈদেশিক বাণিজ্যে চলতি হিসাব ভারসাম্যে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে, টাকার মান কমে গেছে এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে টান পড়েছে। সাম্প্রতিক এই অর্থনৈতিক জটিলতাগুলো মোকাবিলায় বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ একগুচ্ছ সমন্বিত পদক্ষেপ নিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার মনে করে, প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে, উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরি করতে হলে তাতৎক্ষণিক এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত সমস্যা এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিগুলোকেও আমলে নিতে হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
LPG 12 kg cylinder price increased by Tk 266

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৬৬ টাকা দোকানে সাজিয়ে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার। ফাইল ছবি
ঘোষণা অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেটি জানুয়ারি মাসে ছিল ‍১ হাজার ২৩২ টাকা। এর অর্থ হলো ফেব্রুয়ারিতে এসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য ২৬৬ টাকা বেশি গুনতে হবে ভোক্তাকে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার মূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম বাড়িয়েছে সরকার।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে।

ঘোষণা অনুযায়ী, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেটি জানুয়ারি মাসে ছিল ‍১ হাজার ২৩২ টাকা। এর অর্থ হলো ফেব্রুয়ারিতে এসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের জন্য ২৬৬ টাকা বেশি গুনতে হবে ভোক্তাকে। প্রতি ইউনিট অটো গ্যাস এখন থেকে বিক্রি হবে ৬৯.৭১ টাকায়।

আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে প্রতি মাসেই এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি।

সংস্থাটি চলতি বছরের জানুয়ারিতে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৬৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করেছিল।

এর আগের দুই মাসে জ্বালানিটির দাম বাড়ায় বিইআরসি।

গত বছরের ডিসেম্বরে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৯৭ টাকা ঠিক করেছিল সংস্থাটি।

এর আগে নভেম্বরে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ২৫১ টাকা।

আরও পড়ুন:
২ মাস কমার পর এলপিজির দাম বাড়ল কেজিতে ১ টাকা
দুই মাসে এলপিজির দাম কমল ১৯৭ টাকা
আখাউড়া দিয়ে ত্রিপুরায় গেল ৩৬ টন এলপিজি
তিন মাস বাড়ার পর কমল এলপিজির দাম
‘যুদ্ধের প্রভাবে’ আবার বাড়ল এলপিজির দর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Transactions increased by more than 100 crores an apparent relief

লেনদেন বেড়েছে শত কোটির বেশি, আপাত স্বস্তি

লেনদেন বেড়েছে শত কোটির বেশি, আপাত স্বস্তি ফাইল ছবি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ কর্মদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে বৃহস্পতিবার। এদিন হাতবদল হয়েছে ৬৮৭ কোটি ১২ লাখ ২২ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের চেয়ে ১০৬ কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বেশি।

টানা পতনের পর দুই কর্মদিবসে উত্থান তো বটেই, শত কোটি টাকার বেশি লেনদেন বৃদ্ধিতে কিছুটা স্বস্তি মিলছে পুঁজিবাজারে। দরপতনের সংখ্যা কমে দর বৃদ্ধির কাছাকাছি চলে এসেছে। ফ্লোর প্রাইসে লেনদেনের সংখ্যা বেড়েছে মাত্র একটি।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬ কর্মদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে বৃহস্পতিবার। এদিন হাতবদল হয়েছে ৬৮৭ কোটি ১২ লাখ ২২ হাজার টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের চেয়ে ১০৬ কোটি ৪৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা বেশি। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৫৮০ কোটি ৬৭ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

২০২০ সালে করোনা মহামারির পর গত ডিসেম্বরে লেনদেন নেমে আসে ২ শ’ থেকে ৩ শ’ কোটির ঘরে। ৪ জানুয়ারি বাজার-সংশ্লিষ্টদের ডেকে বৈঠক করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি বাজার ভালো করতে সব পক্ষকে নামতে বলার পর লেনদেন বাড়তে থাকে। ১৮ জানুয়ারি হাজার কোটি ছুঁই ছুঁই লেনদেন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণায় বাজার ছোটে উল্টো পথে। পরের ১১ কর্মদিবসের ৯ দিনই লেনদেন হয় ৫ শ’ থেকে ৬ শ’ কোটির ঘরে।

এর মধ্যে বৃহস্পতিবারের চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিল ২৫ জানুয়ারি। ওইদিন হাতবদল হয়েছিল ৭৩৪ কোটি ৬০ লাখ ৯ হাজার টাকা।

আগের দিন সূচক ও লেনদেন বাড়লেও দর বৃদ্ধির তুলনায় দরপতন হয়েছিল ৩ গুণের বেশি। বৃহস্পতিবার দর বৃদ্ধির তুলনায় দরপতন বেশি ছিল ১২টি। তবে অপরিবর্তিত দরে লেনদেনের সংখ্যা বেশি ছিল, যার সবই ফ্লোর প্রাইসে অবস্থান করছে।

লেনদেন হয়নি ৫৬টি কোম্পানির। এর মধ্যে একটির লেনদেন বন্ধ ছিল রেকর্ড ডেট সংক্রান্ত কারণে। লেনদেন হওয়া ৩৩৫টি কোম্পানির মধ্যে দর বেড়েছে ৭৯টির। বিপরীতে দরপতন হয়েছে ৯১টির। এ ছাড়া আগের দিনের চেয়ে ১টি বেড়ে অপরিবর্তিত দরে বা ফ্লোর প্রাইসে লেনদেন হয়েছে ১৬৫টির।

সপ্তাহের প্রথম তিন কর্মদিবসে যতটুকু সূচক পড়েছিল, দুই দিনে তার কাছাকাছি ফিরে এসেছে। রবি, সোম ও মঙ্গলবার মিলিয়ে ২৯ পয়েন্ট সূচক পতনের পর দুই দিনে বাড়ল ২৭ পয়েন্ট। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ১৭ পয়েন্ট বেড়ে সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৯৪ পয়েন্টে, যা ২৬ জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। অর্থাৎ গত সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসের চেয়ে সূচক এখনও ২ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে।

লেনদেনের বিষয়ে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফ্লোর প্রাইস থেকে কোম্পানিগুলো বের হয়ে আসছে। তাছাড়া বাজারের সব কটি ইনডিকেটরই ভালো যাচ্ছে। আশা করছি, বাজার আরও ভালো হবে।’

আরও পড়ুন:
হ্যাটট্রিক পতন পুঁজিবাজারে
সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Remittances of 195 million 89 million dollars in January

জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স

জানুয়ারিতে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স
বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার হালনাগাদ তথ্যে জানায়, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে ১ হাজার ২৪৫ কোটি ২১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে তা ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি।

রেমিট্যান্সের পালে জোর হাওয়া লেগেছে। চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৫ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এটা এক বছর আগে একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বুধবার প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ বলছে, সব মিলিয়ে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১ হাজার ২৪৫ কোটি ২১ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে তা ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ১৯৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রবাসীরা ১৭০ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন, যা ছিল চার মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার। অক্টোবর ও নভেম্বরে এসেছিল যথাক্রমে ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ও ১৫৯ কোটি ৫২ লাখ ডলার। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে অবশ্য ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসে।

জানুয়ারিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ২৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪ কোটি ২২ লাখ ডলার। ৪২টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৬৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। আর ৯টি বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৭০ লাখ ৮০ লাখ ডলার।

ক্যালেন্ডার বছরের হিসাবে ২০২২ সালে ২ হাজার ১২৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। প্রবাসীরা ২০২১ সালে ২ হাজার ২০৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন।

মার্চের শেষ দিকে রমজান মাস শুরু হবে। রোজা ও ঈদ সামনে রেখে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও বাড়বে বলে আশা করছেন জনশক্তি রপ্তানিকারক, ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা। তারা বলছেন, ব্যাংকের চেয়ে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় এবং বেশি টাকা পাওয়ায় মাঝে কয়েক মাস প্রবাসীরা অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানোয় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কমে গিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংক হুন্ডির বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়ায় ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়তে শুরু করেছে।

অর্থনীতিতে চাপ সামাল দিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিল। অবশ্য আইএমএফ তার চেয়েও ২০ কোটি ডলার বেশি দেবে।

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে আইএমএফের সদর দপ্তরে এই ঋণ অনুমোদন করেছে সংস্থাটির নির্বাহী পর্ষদ। প্রথম কিস্তির ঋণ যেকোনো মুহূর্তে জমা হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারে।

আরও পড়ুন:
২০ দিনে ১৪ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স
রেমিট্যান্সে ফের সুবাতাস, ১৩ দিনেই ৯৩ কোটি ডলার
নতুন বছরেও রেমিট্যান্সে ইতিবাচক ধারা
রেমিট্যান্সে সৌদিকে পেছনে ফেলে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র
কঠিন সময়ে রপ্তানির চমক, রেকর্ড গড়ল ডিসেম্বর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mudaraba Agreement of Islami Bank with Bangladesh Bank

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা চুক্তি

বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা চুক্তি গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার কাছে সমঝোতা স্মারকের কপি হস্তান্তর করেন। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার কাছে সমঝোতা স্মারকের কপি হস্তান্তর করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মধ্যে ‘রপ্তানি সহায়ক প্রাক অর্থায়ন তহবিল’-এর আওতায় ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক রেস্ট্রিক্টেড মুদারাবা পদ্ধতিতে বিনিয়োগ গ্রহণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার কাছে সমঝোতা স্মারকের কপি হস্তান্তর করেন।

এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু ফারাহ মো. নাছের, রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি বিভাগের (বিআরপিডি) পরিচালক মাকসুদা বেগমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ও প্রসারের চলমান ধারা অব্যাহত রাখা এবং রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বেগবান করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব তহবিল থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার এ তহবিল গঠন করেছে।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভের অর্থে আর তহবিল নয়: গভর্নর
ব্যাংকের ৬০ শতাংশ উপ-শাখা সিটি ও পৌরসভার বাইরে হবে
বৈদেশিক মুদ্রায় দীর্ঘমেয়াদি ঋণে সুদ হার কমল
রোজার পণ্য আমদানির এলসি খুলতে গভর্নরের নির্দেশ
পুনঃ অর্থায়ন তহবিলের ঋণ নিতে ৫০ ব্যাংকের চুক্তি

মন্তব্য

p
উপরে