× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Food prices are higher in villages than in cities
google_news print-icon

খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

খাবারের-দাম-শহরের-চেয়ে-গ্রামে-বেশি
নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। একই মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ; খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর সূচক মূল্যস্ফীতির পারদ নামছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। তবে অবাক করার মতো তথ্য দিয়েছে সরকারি এ সংস্থাটি। বিবিএসের হিসাব বলছে, শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি।

গতকাল সোমবার পরিসংখ্যান ব্যুরো মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, গত নভেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি বা মাসভিত্তিক) গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ। নভেম্বরে শহর এলাকায় পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

এর অর্থ হলো গত বছরের নভেম্বরে গ্রামের মানুষ ১০০ টাকায় যে খাবার পেয়েছিল, এ বছরের নভেম্বরে তা কিনতে ১০৮ টাকা ২৩ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। আর গত বছরের নভেম্বরে শহরের মানুষ ১০০ টাকায় যে খাবার কিনেছিল, এ বছরের নভেম্বরে তা কিনতে ১০৭ টাকা ৯৫ পয়সা খরচ করতে হয়েছে। বিবিএসের এই হিসাবই বলছে, শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি।

গতকাল রাজধানীর শেরেবাংলানগরে সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান মূল্যস্ফীতির এই তথ্য প্রকাশ করেন। তথ্যে দেখা যায়, নভেম্বরে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল সামান্য কম, ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। নভেম্বরে গ্রামে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দুই অঙ্কের ঘর (ডাবল ডিজিট) ছাড়িয়ে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশে উঠেছে। অক্টোবরে হয়েছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

নভেম্বরে শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল একটু বেশি, ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। নভেম্বরে শহরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। অক্টোবরে হয়েছিল ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে

বিবিএসের হিসাবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের পঞ্চম মাস নভেম্বরে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ। অক্টোবরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১০ শতাংশ। তার আগের মাস আগস্টে উঠেছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশে। ওই মাসের মূল্যস্ফীতি ছিল গত এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০১০-১১ অর্থবছরে দেশের গড় মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০ দশমিক ৯২ শতাংশ। এরপর আর এই সূচক ৯ শতাংশের ওপরে ওঠেনি।

নভেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি খানিকটা কমে ৮ দশমিক ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অক্টোবরে এই হার ছিল ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। অন্যদিকে নভেম্বরে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আগের মাস অক্টোবরে এই হার ছিল ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ।

খাবারের দাম শহরের চেয়ে গ্রামে বেশি

পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব বলছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হয়েছে। তবে বাজারে চালসহ অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম ছাড়া অন্য কোনো পণ্যের দামই কমেনি।

গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি মোট চাল ৫৮ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরু চাল (মিনিকেট ও নাজিরশাইল) ৮০ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অক্টোবরে এই দুই ধরনের চালই কেজিতে ৫-৬ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডালসহ কয়েকটি পণ্যের দাম নভেম্বরে নতুন করে বেড়েছে। এমনকি বাজারে নতুন ওঠা শীতের সবজি এখনো চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে।

সরকারি সংস্থা টিসিবির (ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ) সরবরাহ করা বাজারদরেও নভেম্বরে খাদ্যপণ্যের দাম কমার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিষয়টি সম্পর্কে অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে বারবার বলে আসছি, আমাদের পরিসংখ্যান ব্যুরোর মূল্যস্ফীতির তথ্যের সঙ্গে বাজারের বাস্তব অবস্থার প্রতিফলন হয় না। বিবিএস ১৭ বছর আগের ভিত্তিবছরকে (২০০৫-০৬) ভিত্তি ধরে মূল্যস্ফীতির হিসাব করে। অথচ জিপিডির হিসাব দেখায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে। বাস্তব চিত্র পাওয়ার জন্য মূল্যস্ফীতির তথ্যও ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে হিসাব করা উচিত বলে আমি মনে করি।’

শহরের চেয়ে গ্রামে খাবারের দাম বেশি কেন- এ প্রশ্নের উত্তরে আহসান মনসুর বলেন, ‘এর সঠিক কোনো উত্তর আমার জানা নেই। তবে এমন হতে পারে যে যোগাযোগব্যবস্থা সহজ হওয়ার কারণে গ্রামের সব পণ্য এখন দ্রুত শহরে চলে আসছে। সে কারণে গ্রামে পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়ায় দাম বেড়ে যাচ্ছে।’

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করার সময় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘আপনাদের মনে আছে, আমরা বলেছিলাম আশা করছি মূল্যস্ফীতি কমবে। মূল্যস্ফীতি কমেছে। অক্টোবরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৯১ ছিল। এই মাসে নেমেছে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশে।’

সরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমার পাশাপাশি বেড়েছে মজুরি সূচক। অর্থাৎ ব্যক্তির গড় আয় কিছুটা বেড়েছে। অক্টোবরে মজুরি সূচক ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। নভেম্বরে সেটি বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার প্রবণতা ছিল। ঠিক এ রকম একসময়ে গত ৫ আগস্ট সরকার জ্বালানি তেলের দাম ৪২ থেকে ৫১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। এর পর পরই বাড়ানো হয় সব ধরনের পরিবহন ভাড়া। এই দুইয়ের প্রভাবে বেড়ে যায় প্রায় সব পণ্যের দাম। গত ২৯ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা কমানো হলেও বাজারে তার প্রভাব ছিল না বললেই চলে।

শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতির উদ্বেগজনক ও স্পর্শকাতর সূচক এখন মূল্যস্ফীতি। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি ৪০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় উঠে প্রায় শতাংশে পৌঁছেছে। ইউরোপের দেশগুলোও ধুঁকছে। যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভও হচ্ছে।

মজুরি সূচক বেড়েছে

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, কয়েক মাস ধরেই মজুরি সূচক অল্প অল্প করে বাড়ছে। অক্টোবরে এই হার ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। সর্বশেষ নভেম্বরে তা আরও বেড়ে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশে উঠেছে। মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হওয়ায় ও মজুরি সূচক বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নান বলেন, ‘আমাদের সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপে মূল্যস্ফীতি টানা তিন মাস ধরে কমছে। অন্যদিকে মজুরি সূচক বেশ কয়েক মাস ধরে ঊর্ধ্বমুখী। সামনের দিনগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরও কমবে বলে আমরা আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
দুর্ভিক্ষের শঙ্কার মধ্যে বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন
আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দিচ্ছে ৩৫৬ চাকরি
প্রবৃদ্ধি নামবে ৬ শতাংশে, মূল্যস্ফীতি ৯ ছাড়াবে: আইএমএফ
১১ বছর পর খাদ্য মূল্যস্ফীতি প্রায় দুই অঙ্কের ঘরে
মূল্যস্ফীতি আগস্টে ৯.৫২, সেপ্টেম্বরে ৯.১০ শতাংশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank asked for information on willful defaulters

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ডাটাবেজে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য জমা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এনবিএফআই) ১ জুলাইয়ের মধ্যে জুনের তথ্য রিয়েল টাইমে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। খবর ইউএনবির

এর আগে গত ১২ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো খেলাপি গ্রাহক বেনামে কোনো ঋণ নিলে এবং সেই ঋণের অপব্যবহার করলে তা ইচ্ছাকৃত খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করতে ৯ এপ্রিলের মধ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা শনাক্তকরণ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যাংক এ নির্দেশনার শর্ত ভঙ্গ করলে কমপক্ষে ৫০ লাখ এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা করা হবে। আর শর্ত অমান্য অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bashundhara Cement Annual Sales Conference 2024 Held

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের আয়োজনে ‘উদ্ভাবন এবং কৌশলের মাধ্যমে বিক্রয় দক্ষতা’ শিরোনামে দিনব্যাপী ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরা, ঢাকায় এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বসুন্ধরা সিমেন্টের ৩০০ জনেরও বেশি বিক্রয় প্রতিনিধির অংশগ্রহণে বিক্রয় সম্মেলনটি দুর্দান্ত সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয়েছে, যা বসুন্ধরা গ্রুপ ও সিমেন্ট শিল্পের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সম্মেলনটি সিমেন্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি, বিক্রয় বিশেষজ্ঞ ও স্টেকহোল্ডারদের মেলবন্ধনের মাধ্যমে এই শিল্পের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের দিকে আলোকপাত করেছে।

সম্মেলনে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- বসুন্ধরা গ্রুপের ‘সেক্টর সি’-এর সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ‘প্লানড, ডিসিপ্লিনড ও সায়েন্টিফিক সেলস কল এবং সেলসম্যানশিপ-ভালো সিমেন্ট সেলসম্যানের বৈশিষ্ট্য’ বিষয়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, চিফ অপারেটিং অফিসার (মিডল ইস্ট অ্যান্ড আফ্রিকা ডিভিশন) কে এম শাহেদ জাহিদ, ‘সেলস অপারেশন, টার্গেট সেটিং এবং অন্যান্য সেলস অপারেশনাল আসপেক্টস’ বিষয়ে প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা শাহ জামাল সিকদার এবং ‘কর্পোরেট কাস্টমার হ্যান্ডেলিং” বিষয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আইআরকেএম সালাহউদ্দিন বিশ্বাস।

সম্মেলনে বসুন্ধরা গ্রুপ, সেক্টর সি থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন- চিফ অপারেটিং অফিসার মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, হেড অফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন মোহাম্মদ ইমরান বিন ফেরদৌস, হেড অফ মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্মেলন জুড়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রাণবন্ত আলোচনা, কর্মশালা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে যুক্ত থেকে নতুন সম্পর্ক ও সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেন।

ইভেন্টটির মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে সিমেন্ট বিক্রয়ের ভবিষ্যত গঠনে আলোকপাত করা হয়।

বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ এর সাফল্য বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের চালিকাশক্তি হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Infinix budget phone Smart 8 Pro is available all over the country

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো

সারা দেশে মিলছে ইনফিনিক্সের বাজেট ফোন স্মার্ট ৮ প্রো ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’। ছবি: ইনফিনিক্স
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

বাংলাদেশের বাজারে সম্প্রতি এসেছে ইনফিনিক্সের নতুন স্মার্টফোন ‘স্মার্ট ৮ প্রো’।

ব্র্যান্ডটির স্মার্ট সিরিজের নতুন সংযোজন এ বাজেট ফোন।

সাশ্রয়ী মূল্য ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এটি তরুণদের চাহিদার শীর্ষে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইনফিনিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচের দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও টাইপ-সি চার্জিং সাপোর্ট। এ ব্যাটারি সাপোর্ট লম্বা সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যময় পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে। ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জারের সাহায্যে ডিভাইসটি দ্রুত চার্জ করা যায়। বারবার চার্জ দেয়ারও প্রয়োজন হয় না। একবার সম্পূর্ণ চার্জে ব্যবহারকারীরা টানা ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিডিও দেখতে পারবেন।

এন্ট্রি-লেভেলের স্মার্টফোন হিসেবে এর ব্যাটারি ব্যাকআপ দুর্দান্ত বলে দাবি করেছে ইনফিনিক্স।

কোম্পানিটি জানায়, ব্যবহারকারীদের দুশ্চিন্তা কমাতে এ ডিভাইসে আরও আছে ইনফিনিক্স পাওয়ার ম্যারাথন সমাধান। আল্ট্রা-পাওয়ার-সেভিং মোড ব্যবহার করে মাত্র ৫ শতাংশ চার্জেও অনায়েসেই দুই ঘণ্টা কথা বলা যায়।

ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে উন্নত অক্টা-কোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৬ চিপসেট। এটি নিরবচ্ছিন্ন মাল্টিটাস্কিং, গেমিং ও স্ট্রিমিং নিশ্চিত করে। ডিভাইসটিতে আছে ৪ জিবি র‍্যাম, যা ১৬ জিবি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যায়।

পছন্দের অ্যাপ, ছবি, ভিডিওসহ নানা কিছু সহজেই সংরক্ষণ করতে এতে আছে ১২৮ জিবি স্টোরেজ। পাশাপাশি মাইক্রোএসডির সাহায্যে এর ধারণক্ষমতা ২ টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যাবে।

স্মার্ট ৮ প্রোতে আছে ম্যাজিক রিংযুক্ত ৬.৬ ইঞ্চি এইচডি+ পাঞ্চ-হোল ডিসপ্লে। এ ম্যাজিক রিংয়ের মাধ্যমে চার্জিং স্ট্যাটাস এবং অন্যান্য নোটিফিকেশন নির্বিঘ্নে দেখা যায়।

৯০ হার্টজের রিফ্রেশ রেটের কারণে ব্রাউজিংয়ের সময় পাওয়া যাবে না কোনো ল্যাগ, যা ব্যবহারকারীদের স্বাচ্ছন্দ্যময় টাচের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

ডিভাইসটির রিং ফ্ল্যাশলাইটযুক্ত ৫০ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল এআই ক্যামেরার সাহায্যে স্বল্প আলোতেও সুন্দর ছবি তোলা যায়। ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার জন্য চমৎকার সেলফি তুলতে পারবেন।

তরুণদের পছন্দের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয় ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। টিম্বার ব্ল্যাক, শাইনি গোল্ড ও রেইনবো ব্লু—এ তিন ট্রেন্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।

সারা দেশের ইনফিনিক্স অফিশিয়াল রিটেইল স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে ইনফিনিক্স স্মার্ট ৮ প্রো। ফোনটির দাম ১১ হাজার ৪৯৯ টাকা।

আরও পড়ুন:
ইনফিনিক্স ইনবুক ওয়াইটু প্লাস: নিত্যদিনের ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী পাওয়ারহাউজ
২ বছরের সফটওয়্যার আপডেটসহ দেশজুড়ে মিলছে ইনফিনিক্স নোট ৪০ সিরিজ
ম্যাগচার্জ প্রযুক্তি নিয়ে দেশের বাজারে ইনফিনিক্সের নোট ৪০ সিরিজ
অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ম্যাগনেটিক চার্জিং প্রযুক্তি আনল ইনফিনিক্স
যে তিন কারণে আলাদা ইনফিনিক্স ল্যাপটপ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold rose to an all time high of Tk 119544

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা

স্বর্ণের দাম এ যাবতকালের সর্বোচ্চ, ভরি ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

দেশের বাজারে আবারও ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। এই দফায় সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৯৮৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা। দেশের বাজারে স্বর্ণের এই দাম এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

রোববার বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তাতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার থেকে নতুন এই দর কার্যকর হবে।

নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৪৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ১০৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৯৭ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ৮০ হাজার ৮৬৬ টাকায় বিক্রি করা হবে।

এর আগে ১৯, ১২, ৮, ৬ ও ৫ মে পাঁচ দাফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ১৯ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৭৮ টাকা, ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা এবং ৫ মে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। রোববার আবার দাম বাড়ানোর ফলে ছয় দফায় ভরিতে স্বর্ণের দাম বাড়লো মোট ১০ হাজার ৩৮১ টাকা।

স্বর্ণের দাম দাম বাড়ানো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা।

আরও পড়ুন:
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম
পঞ্চম দফায় দেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ৩১৫ টাকা
পাঁচ দিনে চতুর্থবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১১২৯৩১ টাকা
টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে স্বর্ণের দাম
দেশে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমে ভরি ১১৪১৫১ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank clarified the issue of journalist entry

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায় সংস্থাটি।

সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বুধবার সংস্থাটি এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায়, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মর্মে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।

জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে ওই বার্তায় জানায় তারা। খবর বাসস

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের নিকট সকল প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদানে বদ্ধপরিকর। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রদানযোগ্য সকল তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশেনে কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করছে তারা। যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদান, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানে নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে ও পরিচালক পর্যায়ের দুইজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যেকোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে এই কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞিপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

এ ছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তার সংরক্ষিত সকল অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে আসছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of gold increased by 1 thousand 178 taka for the fifth round

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা

স্বর্ণের দাম পঞ্চম দফায় ভরিতে বাড়ল এক হাজার ১৭৮ টাকা ফাইল ছবি।
টানা পঞ্চম দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। আর এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা পঞ্চমবারের মতো বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) এক হাজার ১৭৮ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের বাজারে স্বর্ণের অলঙ্কারের দাম অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেল।

তবে এক ভরি স্বর্ণের অলঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে এক লাখ ৩১ হাজার টাকার বেশি, যা দেশের বাজারে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। স্থানীয় বাজারে এর আগে কখনোই স্বর্ণালঙ্কারের দাম এতটা উচ্চতায় ওঠেনি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির এই ঘোষণা দিয়েছে। বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন নির্ধারিত এই দাম রোববার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরবর্তীতে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস এর আগে চলতি মে মাসের ৫, ৬, ৮ ও ১২ তারিখ চার দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর মধ্যে ভরিপ্রতি ৫ মে এক হাজার ৫০ টাকা, ৬ মে ৭৩৫ টাকা, ৮ মে ৪ হাজার ৫০২ টাকা ও সবশেষ ১২ মে ১ হাজার ৮৩২ টাকা বাড়ানো হয়। শনিবার দাম বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে পাঁচ দফায় ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল মোট ৯ হাজার ২৯৭ টাকা।

টানা পাঁচ দফা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির আগে আট দফায় ভরিতে মোট ১০ হাজার ২৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা। ‌আর ২১ ক্যারেটের দাম ভরিতে এক হাজার ১৩১ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৩ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের ভরি ৯৫৬ টাকা বাড়িয়ে ৯৬ হাজার ৯১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৯৩ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ১৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অবশ্য স্বর্ণের গহনা কিনতে ক্রেতাদের এরচেয়ে বেশি অর্থ গুনতে হবে। কারণ বাজুস নির্ধারণ করা দামের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে স্বর্ণের গহনা বিক্রি করা হয়। সেসঙ্গে ভরি প্রতি মজুরি ধরা হবে ন্যূনতম ৬ শতাংশ। ফলে রোববার থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণালঙ্কার কিনতে ক্রেতাদের ব্যয় হবে এক লাখ ৩১ হাজার ৪৯১ টাকা। এতো বেশি দামে এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি হয়নি।

স্বর্ণালঙ্কারের দামে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হলেও দেশের বাজারে এরচেয়েও বেশি দামে স্বর্ণ বিক্রির রেকর্ড রয়েছে। ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে ২০ এপ্রিল বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে এক ভরি স্বর্ণ সর্বোচ্চ এক লাখ ১৯ হাজার ৬৩৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সে সময় এক ভরি স্বর্ণালঙ্কারের সর্বনিম্ন দাম এক লাখ ২৯ হাজার ১১৯ টাকা নির্ধারিত ছিল।

স্বর্ণের অলঙ্কারের দামে সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টির কারণ মজুরি। আগে ভরিপ্রতি মজুরি ধরা হতো ন্যূনতম ৩ হাজার ৪৯৯ টাকা। কিন্তু এ নিয়ম পরিবর্তন করে ১৪ মে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ। এতেই নতুন দামে স্বর্ণালঙ্কারের ক্ষেত্রে ভরিপ্রতি ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে সাত হাজার ১০৮ টাকা।

এদিকে বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ালেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি দুই হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

আরও পড়ুন:
ভরিতে সাড়ে ৪ হাজার টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম
স্বর্ণের দাম এক দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল
টানা অষ্টমবারের মতো কমল স্বর্ণের দাম, ভরি ১০৯১৬৩ টাকা
স্বর্ণের দাম আরও কমেছে
টানা ছয় দফায় কমল স্বর্ণের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
What Deputy Governor Khurshid Alam said in Panchagarh

পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম

পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম শনিবার রংপুর বিভাগে গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য দেয়ার জন্য তিন-তিনজন মুখপাত্র নিয়োগ দিয়েছি। তারা যদি সেটিসফাই না করতে পারে আমরা চারজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমরা আপনাকে উত্তর দেব। কিন্তু আপনি রাষ্ট্রীয় সিক্রেসির তথ্য চাইবেন সেটা তো পারমিট করে না কেউ।’

‘এবার আট লাখ কোটি টাকার বাজেট হচ্ছে। বাজেট তো আর এমনই এমনই হয় না। মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। পদ্মা সেতু করেছি আমরা। রেমিটেন্স আবার বাড়ছে। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। অপপ্রচারকে পাত্তা দেবেন না। খেলাপি ঋণের ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম শনিবার রংপুর বিভাগে গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পঞ্চগড়ের চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

খুরশিদ আলম বলেন, ‘আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে উদীয়মান অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। শ্রীলঙ্কা কোথায় গিয়েছিল? আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে পাঁচ গুণ বড় আমাদের অর্থনীতি, নেপালের থেকে সাত গুণ বড়, ভুটানের চেয়েও বড়। আমরা দীর্ঘ পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’

ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ। কে বললো ভাই। বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য দেয়ার জন্য তিন-তিনজন মুখপাত্র নিয়োগ দিয়েছি। আপনার তো তথ্যের দরকার। তারা যদি আপনাকে সেটিসফাই না করতে পারে আমরা চারজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমরা আপনাকে উত্তর দেব। কিন্তু আপনি রাষ্ট্রীয় সিক্রেসির তথ্য চাইবেন সেটা তো পারমিট করে না কেউ।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে খুরশিদ আলম বলেন, ‘আল্টিমেটলি আপনার উদ্দেশ্য দেশটার মঙ্গল। আমাদেরও তাই। দেশটা হলো সবার। বঙ্গবন্ধু এটাই বলেছিলেন। এদেশের মেহনতী মানুষের মুক্তি। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে দেখুন। আমি ১৭টা ডিপার্টমেন্ট চালাইতে হিমশিম খাই। আর প্রধানমন্ত্রী দেশ-বিদেশ সামলাচ্ছেন। কী পরিমাণ পরিশ্রম করছেন তিনি ভাবতে পারেন?’

ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘আমরা ব্যাংকের ম্যানেজার পোস্টিং দিয়ে বসে আছি। সে কী করছে না করছে আমরা সুপারভাইজ করছি না। এটা চলবে না। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। ব্যবহারে সফট কিন্তু নিজেকে কঠোর করতে হবে। এটা সেন্ট্রাল ব্যাংকের মেসেজ।

‘বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মসূচিকে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম এবং ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফআইসিএসডি স্ট্রাটেজিক কম্যুনিকেশন টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক মাহেনুর আলম।

এই আয়োজনে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবার বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। রংপুর বিভাগের শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মসূচি চলবে ২৪ মে পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ ও হাবিব
বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে টাকা-ডলার বিনিময় চালু করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ঋণখেলাপিরা জমি, বাড়ি-গাড়ি কেনা ও ব্যবসা খোলায় অযোগ্য
সব পণ্যের রপ্তা‌নি‌তে নগদ সহায়তা কমিয়েছে সরকার
নীতি সুদহার ২৫ পয়েন্ট বাড়িয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা

মন্তব্য

p
উপরে