× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The capital market is going through a test of patience
hear-news
player
google_news print-icon

ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েই যাচ্ছে পুঁজিবাজার

ধৈর্যের-পরীক্ষা-নিয়েই-যাচ্ছে-পুঁজিবাজার
রোববার ২০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয় পুঁজিবাজারে। পরদিন সেখান থেকে কিছুটা বাড়লেও তিন শ কোটির ঘর ছাড়াতে পারেনি। কয়েক মাস আগেও দিনে লেনদেন দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার ঘরে ছিল।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের পরীক্ষা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। সূচক পতনের সঙ্গে আগের কর্মদিবসের মতো লেনদেন তিন শ কোটির ঘর অতিক্রম করতে পারল না।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) এ নিয়ে গত ১১ কর্মদিবসের মধ্যে ৬ দিনই লেনদেন হলো তিন শ কোটির ঘরে। বাকি চার দিন চার শ কোটি ও এক কর্মদিবস লেনদেন হয়েছে পাঁচ শ কোটির বেশি।

লাখ লাখ শেয়ার বিক্রির জন্য বসিয়ে ক্রেতা পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। এই অবস্থা থেকে কবে উত্তরণ হবে, তার কোনো আভাস না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। বহু বিনিয়োগকারী এখন ব্রোকারেজ হাউজে যাওয়াই ছেড়ে দিয়েছেন।

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে হাতবদল হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৮৬ লাখ ২৭ হাজার টাকার, যা আগের কর্মদিবস চেয়ে ৩১ কোটি ৩০ লাখ টাকা বেশি।

রোববার ২০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয় পুঁজিবাজারে। হাতবদল হয় ৩১৩ কোটি ৫৬ লাখ ২ হাজার টাকার শেয়ার। যা চলতি বছরের তো বটেই, ২০২১ সালের ৫ এপ্রিলের পর এটিই সর্বনিম্ন লেনদেন।

সে সময় করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউনের আগে আগে পুঁজিবাজারে লেনদের স্থগিত হয়ে যাবে, এমন আতঙ্কে লেনদেন নামে তলানিতে। দিনভর হাতবদল হয় কেবল ২৩৬ কোটি ৬০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। তবে পরদিন যখন পুঁজিবাজার চালু থাকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে, পরদিন থেকেই বাড়তে থাকে লেনদেন।

তবে নভেম্বরে শীত পড়ার আগে আগে শীতঘুমে যায় পুঁজিবাজার। ২৪ নভেম্বর ৩২৩ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার টাকা, ২৪ অক্টোবর ৩৩৪ কোটি ৭৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা, ২৭ নভেম্বর ৩৩৯ কোটি ৭৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং ২১ নভেম্বর ৩৫১ কোটি ৯০ লাখ ২৩ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।

রোববারের আগে চলতি বছর সর্বনিম্ন লেনদেন ছিল গত ১৯ জুলাই। সেদিন ৩১৯ কোটি ৩৫ লাখ ২ হাজার টাকা লেনদেনের প্রধান কারণ ছিল কারিগরি ত্রুটি। সেদিন কয়েক ঘণ্টা লেনদেন বন্ধ ছিল।

করোনাকালের মতো না হলেও গত জুন থেকেই পুঁজিবাজার নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। জুলাইয়ে ডিএসসির সাধারণ সূচক ৬ হাজার পয়েন্টের নিজে নেমে এলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি বিনিয়োগকারীদের পাশে দাঁড়ায়। সব শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্য বা ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেয়।

৩১ জুলাই থেকে উত্থানে ফেরে পুঁজিবাজার। এর মধ্যে বিনিয়োগকারীদের এক যুগের চাহিদাও পূরণ হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, শেয়ারের বাজারমূল্য নয়, ক্রয়মূল্য ধরেই গণনা হবে ব্যাংকের বিনিয়োগসীমা বা এক্সপোজার লিমিট।

অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত ফের চলে উত্থান। তবে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়তে থাকলে ধীরে ধীরে গতি হারাতে থাকে পুঁজিবাজার।

এর মধ্যে ব্যাংকে টাকা রাখা নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়, সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বাড়ে। বেশ কিছু ব্যাংক থেকে বেআইনিভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণের বিষয়টিও আসে সামনে। এতে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস নামতে থাকে তলানিতে।

এদিন ৯১টি কোম্পানির একটিও শেয়ারও লেনদেন হয়নি। এর মধ্যে ৮টির লেনদেন বন্ধ ছিল রেকর্ড ডেটের কারণে।

যে ২৯৯টি কোম্পানির লেনদেন হয়েছে, তার মধ্যে ২৩টির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দরপতন হয়েছে ৫৫টির। আর অপরিবর্তিত দরে লেনদেন হয়েছে ২২১টি কোম্পানির, যার প্রায় সবই রয়েছে ফ্লোর প্রাইসে।

দরপতনের প্রভাবে সূচক কমেছে ১২ পয়েন্ট। ডিএসইএক্সের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ২১২ পয়েন্টে। সূচকের অবস্থান এর চেয়ে কম ছিল ৫ কর্মদিবস আগে। ২৮ নভেম্বর সূচক ছিল ৬ হাজার ১৯৭ পয়েন্টে।

ধৈর্যের পরীক্ষা নিয়েই যাচ্ছে পুঁজিবাজার
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

১ থেকে ১ হাজারের মধ্যে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১২৫টিতে। এক কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে মাত্র ৫১টি কোম্পানিতে। ২৭৪ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। বিপরীতে ২৪৮টি কোম্পানিতে লেনদেন হয়েছে কেবল ৭০ কোটি ১৪ লাখ ৮৭ হাজার টাকা।

পুঁজিবাজারের লেনদেন নিয়ে ক্যাল সিকিউরিটিজের শীর্ষ নির্বাহী (সিইও) রাজেশ সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে ডিসেম্বরে মার্কেট এমন থাকে। কিন্তু এবার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কারণ, আবার ১০ তারিখে বিএনপির কর্মসূচি, এসব বিষয় মাথায় রেখেই বিনিয়োগকারীরা সাইডলাইনে রয়েছেন। অন্যবার যেমন হয় কেউ লাভ করেন, কেউ লোকসানে থাকেন। কিন্তু এবার সবাই ধরা খেয়েছে।’

এখন বাজার যে অবস্থানে রয়েছে সেখান থেকে উঠে দাঁড়াতে সময় লাগবে বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘এটাও মার্কেটের একটা সুযোগ, এটাকে অ্যাকিউমুলেট করে মার্কেট দাঁড়াতে সময় লাগবে।

‘আমাদের দেশে অতীতে দেখা গেছে যখন অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ থাকে তখন মার্কেট ভালো থাকে। কিন্তু এবার সে রকম নয়।’

সূচকে প্রভাব যাদের

সবচেয়ে বেশি ৫ দশমিক ২২ পয়েন্ট সূচক কমিয়েছে বিকন ফার্মা। কোম্পানির দর কমেছে ২ দশমিক ৭০ শতাংশ।

ওরিয়ন ফার্মার দর ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ হ্রাসে সূচক কমেছে ২ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট।

বসুন্ধরা পেপারের কারণে সূচক হারিয়েছে ২ দশমিক ০৪ পয়েন্ট। এদিন কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে ৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়াও নাভানা ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সোনালী পেপার, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, জেনেক্স ইনফোসিস ও পূবালী ব্যাংকের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ১৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট।

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ২ দশমিক ৩০ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বার্জার পেইন্টসের দর ১ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ২৭ পয়েন্ট।

এডিএন টেলিকম সূচকে যোগ করেছে ১ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

এর বাইরে সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, বেক্সিমকো গ্রিন সুকুক, বিডি থাই ফুড, বাটা সুজ, প্রিমিয়ার ব্যাংক, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ৯ দশমিক ৭১ পয়েন্ট।

দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০

সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর বেড়ে ওরিয়ন ইনফিউশনের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৫৬৭ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ৫২৭ টাকা ৫০ পয়সা।

এরপরেই ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে এডিএন টেলিকমের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১১৪ টাকা ২০ পয়সায়, যা আগের দিন ছিল ১০৬ টাকা ৮০ পয়সা।

তালিকার তৃতীয় স্থানে ছিল বিডি থাই ফুড। ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ারটি হাতবদল হয়েছে ৫০ টাকায়। আগের দিনের দর ছিল ৪৮ টাকা ১০ পয়সা।

এ ছাড়া অগ্নি সিস্টেমসের দর ৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেড়ে শেয়ার বেচাকেনা হয়েছে ২৪ টাকায়। গতকাল ক্লোজিং প্রাইস ছিল ২৩ টাকা ১০ পয়সা।

সোনালী আঁশ ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের দর বেড়েছে ২ শতাংশের বেশি।

মুন্নু সিরামিকস, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এনসিসিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড-১ ও বিডি কমের দর বেড়েছে ১ শতাংশের বেশি।

দরপতনের শীর্ষ ১০

সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ১৮ শতাংশ দর কমেছে জুট স্পিনার্সের। প্রতিটি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২১৬ টাকায়, যা আগের দিন ছিল ২৩২ টাকা ৪০ পয়সা।

এর পরেই ৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর কমে পেপার প্রসেসিংয়ের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২০৩ টাকা ৫০ পয়সায়। আগের দিনের দর ছিল ২১৫ টাকা ৩০ পয়সা।

৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ দর কমে নাভানা ফার্মার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮০ টাকা ১০ পয়সায়। যা আগের দিন ছিল ৮৪ টাকা ৭০ পয়সা।

এ ছাড়া তালিকায় পরের স্থানে ছিল বসুন্ধরা পেপার, জেমিনি সি-ফুড, কে অ্যান্ড কিউ, ওরিয়ন ফার্মা, মনোস্পুল, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান
পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো
পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি
পুঁজিবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিএমবিএ’র ৬ প্রস্তাব
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Hat trick fall in the capital market

হ্যাটট্রিক পতন পুঁজিবাজারে

হ্যাটট্রিক পতন পুঁজিবাজারে ফাইল ছবি
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৬৭ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৬৬ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১৯ পয়েন্টে।

মঙ্গলবার পতনের মধ্য দিয়ে টানা তিন দিন মূল্যসূচকের পতনে লেনদেন হলো ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। দরপতন হলেও বেশিরভাগ কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। কমেছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ। আরেক বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে।

ডিএসইতে এদিন ৫৭৩ কোটি ৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা বেশি। আগের দিন ডিএসইতে ৫০৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৬৭ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৬৬ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২১৯ পয়েন্টে।

ডিএসইতে ৩২৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩১টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৬১টির। আরেক বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিচ সূচক সিএএসপিআই ১৯ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ১১ লাখ ৪২ হাজার টাকা

আরও পড়ুন:
সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন
সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Although the index decreased the transaction increased

সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন ফাইল ছবি
ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭০ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৫ পয়েন্টে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সোমবার মূল্য সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। আরেক বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্রে লেনদেন শেষ হয়েছে।

ডিএসইতে ৫০৯ কোটি ৪৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা বেশি। রোববার ডিএসইতে ৪৮৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৭৮ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরীয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭০ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২২৫ পয়েন্টে।

৩৩৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩২টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭০টির।

আরেক বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৭ পয়েন্ট কমেছে। ১২ কোটি ৮৮ লাখ ৩২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Kamal also trades with indices

সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও

সূচকের সঙ্গে কমল লেনদেনও
ডিএসইতে রোববার ৪৮৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কম। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৫০৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের পতনে শেষ হয়েছে লেনদেন। কমেছে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণও। তবে এদিন দেশের অপর বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়ে লেনদেন হয়েছে।

ডিএসইতে রোববার ৪৮৯ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা কম। বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৫০৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ৭ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৮৮ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৭১ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক শূন্য দশমিক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩১ পয়েন্ট।

ডিএসইতে বেশিরভাগ কোম্পানির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩৪৩টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৬টির, কমেছে ১৪২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৫টির।

লেনদেনের বিষয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নতুন ফান্ডের ইনজেকশন নেই। সেক্টরাল মুভমেন্টও হচ্ছে না। ফলে মার্কেট একই জায়গায় আবর্তিত হচ্ছে।’

অপর বাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ৫ পয়েন্ট বেড়ে প্রধান সূচক সিএএসপিআই অবস্থান করছে ১৮ হাজার ৫৭০ পয়েন্টে। হাতবদল হয়েছে ৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার। হাতবদল হওয়া সিকিউরিটিজের মধ্যে দর বেড়েছে ২৫টির, কমেছে ৫৯টির ও অপরিবর্তিত দরে লেনদেন হয়েছে ৬২টির।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Insurance is running despite DSEs warning

ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স

ডিএসই’র সতর্কতার পরও ছুটছে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স
ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ১৫ দিনের মধ্যে বেড়েছে ৫০ শতাংশ। ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে সতর্ক বার্তা দেয়ার পরও কোম্পনিটির শেয়ারের দাম বাড়ার প্রবণতা না কমে আরও বেড়েছে।

দেশের পুঁজিবাজারে গত সপ্তাহে বিনিয়োগকারীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল ঢাকা ইন্স্যুরেন্স। সাধারণ বিমার এ কোম্পানিটির শেয়ার দরে সপ্তাহজুড়েই ছিল উল্লম্ফন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনার তথ্য বলছে, ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার দর এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীর কাছে গত সপ্তাহজুড়েই পছন্দের তালিকায় ছিল। আর এতে সপ্তাহ শেষে এ কোম্পানিটির শেয়ার সবার শীর্ষে উঠে আসে। এতে সপ্তাহজুড়েই কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে।

জানা গেছে, দুই সপ্তাহ ধরে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম টানা বাড়ছে। এতে ১৫ দিনের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ৫০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে সতর্ক বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই সতর্ক বার্তা কোম্পনিটির শেয়ারের দাম বাড়ার প্রবণতা থামাতে পারেনি। বরং ডিএসইর বার্তা প্রকাশের পর দাম আরও বেড়েছে।

তথ্যে জানা যায়, ১২ জানুয়ারি ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ছিল ৪৩ টাকা ৯০ পয়সা। এরপর দাম বাড়তে বাড়তে ২২ জানুয়ারি ৫৭ টাকা ২০ পয়সা ওঠে। এ পরিস্থিতিতে ২৩ জানুয়ারি ডিএসই থেকে বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে সতর্ক বার্তা প্রকাশ করা হয়।

ডিএসইর ওই সতর্ক বার্তায় বলা হয়, ঢাকা ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানিটিকে নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশের উত্তরে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সম্প্রতি শেয়ারের যে অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে তার পেছনে কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদশীল তথ্য নেই।

এরপরও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বাড়তে থাকে। ইতোমধ্যে প্রতিটি শেয়ারের দাম ৬৫ টাকায় উঠেছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহেই দাম বেড়েছে ২৫ শতাংশ। টাকার অঙ্কে বেড়েছে ১৩ টাকা। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম দাঁড়িয়েছে ৬৫ টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৫২ টাকা।

কোম্পানিটি ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়। তার আগে ২০২০ সালে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। এছাড়া ২০১৯ সালে ১৫ শতাংশ নগদ এবং ২০১৮ সালে ১৫ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি।

৪০ কোটি ১২ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের এই কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ১ লাখ ২৫ হাজার। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৩৫ শতাংশ আছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের হাতে। বাকি শেয়ারের মধ্যে ৩৩ শতাংশ শেয়ার আছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং বিদেশিদের কাছে আছে দশমিক ১০ শতাংশ।

শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি কোম্পানিটির শেয়ার বড় অঙ্কে লেনদেন হয়েছে। গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৪ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার টাকার। আর প্রতি কার্যদিবসে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৮৮ হাজার টাকা।

গত সপ্তাহে দাম বাড়ার শীর্ষ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সি পার্ল বিচ রিসোর্টের শেয়ারের দাম বেড়েছে ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। ১৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ দাম বাড়ার মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজারে কয়েক ঘণ্টায় ২ লাখ কোটি রুপি উধাও আদানির
লেনদেন কমল শেয়ারবাজারে
  পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান
ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন
আইন মানছে না বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Transactions are less in the stock market

লেনদেন কমল শেয়ারবাজারে

লেনদেন কমল শেয়ারবাজারে
সপ্তাহের শেষ দিন ডিএসইতে ৫০৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ২২৯ কোটি ৬ লাখ টাকা কম।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্য সূচকের সামান্য উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেয়া ৫১ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে টাকার অংকে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।

বৃহস্পতিবার ডিএসইতে ৫০৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ২২৯ কোটি ৬ লাখ টাকা কম। বুধবার ৭৩৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছিল।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ডিএসই প্রধান বা ডিএসইএক্স সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৯৬ পয়েন্টে। অন্য সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসইএস বা শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৩০ পয়েন্টে।

ডিএসইতে এদিন ৩৪৭টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৩টির, কমেছে ১৩৬টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭৮টির।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচকের পতনে লেনদেন শেষ হয়েছে। সিএসই সার্বিক সূচক সিএসপিআই ১০ পয়েন্ট কমেছে। এদিন সিএসইতে ২১ কোটি ৩৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Slight rise in stock market indices

  পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান

 
পুঁজিবাজারে সূচকের সামান্য উত্থান
ফাইল ছবি
বুধবার ডিএসই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৬ হাজার ২৯৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট। এদিন সহ মোট তিনদিন সূচক বেড়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। তিন দিনে ডিএসই সূচক বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট।

সপ্তাহের চতুর্থ দিন বাংলাদেশের দুই পুঁজিবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বাড়লেও কমে গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)।

বুধবার ডিএসই প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৬ হাজার ২৯৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট। এদিন সহ মোট তিনদিন সূচক বেড়েছে দেশের পুঁজিবাজারে। তিন দিনে ডিএসই সূচক বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট।

আর এই বাজারে লেনদেন হয়েছে ৭৩৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এই লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। ডিএসইতে সূচক আর লেনদেন বাড়লেও বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমে গেছে।

বুধবার ডিএসইতে মোট ৩৪৬টি শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৮টির বা ১১ শতাংশের। দাম কমেছে ১২৯টির বা ৩৭ শতাংশের। দাম অপরিবর্তিত ছিল ১৭৯টির বা ৫২ শতাংশের।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) প্রধান সূচক সিএএসপিআই এদিন ১৮ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১৮ হাজার ৫৭৬ দশমিক ১৯ পয়েন্ট। আর এই বাজারে লেনদেন হয়েছে ১২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এই লেনদেন আগের দিনের তুলনায় ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। সিএসইতে সূচক বাড়লেও বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমে গেছে।

বুধবার সিএসইতে মোট ১৭৪টি শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে মাত্র ৩৬টির বা ২১ শতাংশের।আর দাম কমেছে ৬৮টির বা ৩৯ শতাংশের। আর দাম অপরিবর্তিত ছিল ৭০টির বা ৪০ শতাংশের।

আরও পড়ুন:
ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন
আইন মানছে না বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
উত্থানে লেনদেন পুঁজিবাজারে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trust Islami Life Insurance IPO approval

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও অনুমোদন
ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ২০১৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। বিমা কোম্পানির অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। কিন্তু সেই শর্ত পূরণে এই কোম্পানিটির লেগে গেল প্রায় ৯ বছর। যৌক্তিক কারণ ছাড়া ঘোষিত সময়ে পুঁজিবাজারে আসতে না পারলে নির্দিষ্ট হারে জরিমানা দেয়ারও বিধান রয়েছে।

পুঁজিবাজারে আসছে জীবন বিমা খাতের কোম্পানি ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

বুধবার কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে জনসাধারণের কাছ থেকে ১৬ কোটি টাকা মূলধন সংগ্রহের অনুমোদন পেয়েছে। এজন্য ১০ টাকা অবিহিত মূল্যের এক কোটি ৬০ লাখ শেয়ার ছাড়তে হবে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিএসইসি জানায়, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স আইপিওর মাধ্যমে সংগ্রহ করা টাকার একটা অংশ সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করবে। বাকি অংশ বিনিয়োগ করবে পুঁজিবাজার ও এফডিআরে। আর কিছু টাকা শেয়ার ছাড়ার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ বা ইস্যু ব্যবস্থাপনার ব্যয় মেটাবে।

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে ২০১৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। বিমা কোম্পানির অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হয়। কিন্তু সেই শর্ত পূরণে এই কোম্পানিটির লেগে গেল প্রায় ৯ বছর। যৌক্তিক কারণ ছাড়া ঘোষিত সময়ে পুঁজিবাজারে আসতে না পারলে নির্দিষ্ট হারে জরিমানা দেয়ারও বিধান রয়েছে।

ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স মূলত জীবন বিমা করে থাকে। এছাড়া তারা গ্রুপ বিমা ও ক্ষুদ্র বিমাও রয়েছে তাদের সেবার তালিকায়। কোম্পানিটির ইস্যুব্যবস্থাপনার দায়িত্বে আছে বিএমএসএল ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে দেশে মোট ৮১টি বিমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে জীবন বিমা ৩৫টি আর সাধারণ বিমা ৪৬টি। উভয় ধরনের বিমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এখন পর্যন্ত পঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়েছে ৫৬টি।

আরও পড়ুন:
আইন মানছে না বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার
উত্থানে লেনদেন পুঁজিবাজারে
সিএসইতে লেনদেন বাড়লেও ডিএসইতে কমেছে

মন্তব্য

p
উপরে