× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Money laundering will stop if imports stop by showing prices lower or higher Governor
hear-news
player
google_news print-icon

দাম কম-বেশি দেখিয়ে আমদানি বন্ধ হলে অর্থ পাচার বন্ধ হবে: গভর্নর

দাম-কম-বেশি-দেখিয়ে-আমদানি-বন্ধ-হলে-অর্থ-পাচার-বন্ধ-হবে-গভর্নর
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। ফাইল ছবি
আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘আশ্চর্যজনকভাবে দেখলাম যে ২০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ওভার ইনভয়েসিং (অতিরিক্ত মূল্য দেখানো) করে পণ্য আমদানি করা হয়েছে। আবার কম মূল্য দেখিয়ে এক লাখ ডলার মূল্যের গাড়ি আমদানি করা হয়েছে ২০ হাজার ডলারে। এতে বোঝা যায় বাকি অর্থ তারা হুন্ডির মাধ্যমে দিয়েছে।’

বৈদেশিক বাণিজ্যে পণ্যের দাম কম বা বেশি দেখিয়ে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে ‘ট্রেড বেজড’ মানি লন্ডারিং (অর্থ পাচার) বন্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

তিনি বলেছেন, ‘আশ্চর্যজনকভাবে দেখলাম যে ২০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ওভার ইনভয়েসিং (অতিরিক্ত মূল্য দেখানো) করে পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এ রকম ১০০ এলসি বন্ধ করেছি আমরা।’

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) আয়োজিত বার্ষিক উন্নয়ন সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিআরআই-এর ভাইস চেয়ারম্যান সাদিক আহমেদ।

সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ‘পোস্ট কোভিড ইন এন ইউক্রেন অ্যান্ড ডিসিসিভ ওয়ার্ল্ড’।

সম্প্রতি আমদানি বাণিজ্য বৃদ্ধির বিপরীতে রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স সেভাবে বাড়েনি। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের চাপে পড়েছে বাংলাদেশ। আমদানি খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত বছরের আগস্টে থাকা ৪৮ বিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ বুধবার পর্যন্ত ৩৩ দশমিক ৮৬ বিলিয়নে নেমে এসেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমদানি নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। চলতি বছরের শুরুতেও গড়ে প্রতি মাসে ৮ বিলিয়নের উপরে আমদানি হয়েছে। অক্টোবরে তা চার বিলিয়নের ঘরে নামিয়ে এনেছে সরকার।

বৈদেশিক মুদ্রার সংকটে এলসি খুলতে দেয়া হচ্ছে না ব্যবসায়ীদের- এমন অভিযোগের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ‘এটি সত্য নয়। আমরা কোনো এলসি বন্ধ করিনি। আমরা প্রাইস কন্ট্রোল (মূল্য নিয়ন্ত্রণ) করছি, যাতে সঠিক দরে পণ্য আমদানি ও রপ্তানি হয়। বিলাসী পণ্য আমদানিতে শুল্ক বাড়ানো ও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে মাত্র। আপাতত বিলাসী পণ্য কম এলেও সমস্যা হবে না।’

আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, ‘জুলাইয়ে দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথমে আমদানিতে ওভার ইনভয়েসিং হচ্ছে কিনা তা দেখতে গত বছর ও এ বছরের অনেক এলসির তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু করি। তখন আমরা দেখতে পেলাম ২০ থেকে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত ওভার ইনভয়েসিং করে পণ্য আমদানি করা হয়েছে। এরপর আন্ডার ইনভয়েসিং-এর তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘এক লাখ ডলার মূল্যের গাড়ি আমদানি করা হয়েছে মাত্র ২০ হাজার ডলারে। এতে বোঝা যায় বাকি অর্থ তারা হুন্ডির মাধ্যমে দিয়েছে। আর হুন্ডিতে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রবাসীদের না পাঠানো রেমিট্যান্স।

‘বর্তমানে অতিরিক্ত ও কম মূল্য দেখিয়ে করতে চাওয়া এলসি বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে তা সংশোধন করে প্রকৃত দরে আমদানি করতে চাইলে এলসি করতে পারছেন ব্যবসায়ীরা।

‘আমরা আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের দর নিয়ে কাজ করছি, যাতে অর্থপাচার বন্ধ হয়।’

ঋণে বেঁধে দেয়া সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ ঋণ সুদ হার নিয়েও কথা বলেন গভর্নর। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের জন্য মেয়াদি ও চলতি মূলধনের ঋণ সুদ হার সীমা ৯ শতাংশ তুলে দেয়া যেতে পারে। কিন্তু এখন তার সঠিক সময় নয়।’

গভর্নর বলেন, ‘সিএমএসএমই খাতে ব্যাংকগুলোকে ২ শতাংশ সুদে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে ঋণ নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এখন তারা কম সুদের তহবিল পাওয়ায় এ খাতে সুদ হার তুলে দেয়ার প্রয়োজন নেই।’

ডলারের দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বাজার অনুযায়ী হওয়া উচিত। এখন তা বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ কারণে খোলা বাজারে ১২১ টাকায় উঠে যাওয়া ডলার এখন ১১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।’

গভর্নর বলেন, ‘রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার বড় কারণ হুন্ডি। এজন্য রেমিট্যান্স আনা সহজ করার পাশাপাশি আমদানিতে ওভার ও আন্ডার ইনভয়েসিং বন্ধ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
লায়ন্স ক্লাবের গভর্নর হলেন সিরাজুল হক
নতুন গভর্নরকে বিএসইসির অভিনন্দন
নতুন গভর্নর নিয়োগ পেলেন আব্দুর রউফ তালুকদার
নতুন গভর্নর হচ্ছেন রউফ তালুকদার
করোনায় অর্থপ্রবাহ ঠিক ছিল: গভর্নর ফজলে কবির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Withdrawal of CandF agents strike

সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার

সিএন্ডএফ এজেন্টদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মবিরতি। ছবি: নিউজবাংলা
সোমবার সকাল নয়টা থেকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে দুই দিনের কর্মবিরতি শুরু করে সিএন্ডএফ এজেন্টরা। কাস্টমস এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবিতে দেশের নৌ, বিমান ও স্থল বন্দরগুলোতে এই কর্মবিরতির ডাক দেন তারা।

বিভিন্ন দাবিতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের ডাকা দুই দিনের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথ আলোচনা সভার মাধ্যমে ফেডারেশনের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়ায় সোমবার বিকেল তিনটার দিকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিএন্ডএফ) এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব সুলতান হোসাইন খান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের দাবি পূরণে এনবিআর চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে যৌথ আলোচনা সভার আশ্বাস দেয়ায় আমরা কর্মবিরতি সাময়িক স্থগিত করেছি। এখন ৭ ফেব্রুয়ারি আলোচনা সভার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ওইদিন আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হবে।’

এর আগে সোমবার সকাল নয়টা থেকে চট্টগ্রামসহ সারাদেশে দুই দিনের কর্মবিরতি শুরু করে সিএন্ডএফ এজেন্টরা। কাস্টমস এজেন্টস লাইসেন্সিং বিধিমালা-২০২০ ও পণ্য চালান শুল্কায়নে এইচএস কোড ও সিপিসি নির্ধারণে প্রণীত বিভিন্ন বিতর্কিত আইন বাতিলের দাবিতে দেশের নৌ, বিমান ও স্থল বন্দরগুলোতে এই কর্মবিরতির ডাক দেন তারা।

আরও পড়ুন:
দুই দিনের কর্মবিরতিতে সিএন্ডএফ এজেন্টরা
চা-বাগানে ফের ক্ষোভ
বাঘাবাড়ীতে নৌযান শ্রমিকদের কর্মবিরতি দ্বিতীয় দিনে
শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে বন্ধ লঞ্চ, বিপা‌কে বরিশালের যাত্রীরা
বরিশালে নৌযান শ্রমিকদের বিক্ষোভ মিছিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bajus Jewelery Fair starts on February 9

বাজুস জুয়েলারি মেলা শুরু ৯ ফেব্রুয়ারি

বাজুস জুয়েলারি মেলা শুরু ৯ ফেব্রুয়ারি
বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ বলেন, ‘এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে এ মেলা। গত বারের চেয়ে এবারের মেলায় অনেক ভিন্নতা থাকবে। এবার আরেকটু গোছানো থাকবে।’

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) উদ্যোগে দেশে দ্বিতীয়বারের মতো শুরু হতে যাচ্ছে ‘বাজুস ফেয়ার-২০২৩’। তিন দিনব্যাপী এই মেলা শুরু হবে ৯ ফেব্রুয়ারি।

ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার (আইসিসিবি) ৪ নম্বর হলে আয়োজন হতে যাওয়া এই মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে।

বাজুসের পক্ষ থেকে রোববার নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ বলেন, ‘এবার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে এ মেলা। গত বারের চেয়ে এবারের মেলায় অনেক ভিন্নতা থাকবে। এবার আরেকটু গোছানো থাকবে।

‘গতবারের চেয়ে এবার মেলা নিয়ে আমরা অনেক বেশি আশাবাদী। জুয়েলারি শিল্পকে দেশ-বিদেশে নতুন করে তুলে ধরতে এ মেলার আয়োজন করছে বাজুস।’

আরও পড়ুন:
বাজুসের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা মাতালেন মমতাজ
স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৭ হাজার টাকা ছাড়াল
‘বসুন্ধরা গোল্ড রিফাইনারি মার্চে উৎপাদনে যাবে’
সোনা চোরাচালান রোধে কাজ করতে চায় বাজুস
চোরাচালানে জব্দ সোনার ২৫ শতাংশ পুরস্কারের প্রস্তাব বাজুসের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Postal and Telecommunication Medal 2023 won cash

ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতল নগদ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতল নগদ ‘নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান ও হেড অব পাবলিক কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন। ছবি: নিউজবাংলা
পুরস্কার গ্রহণের পর নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন-এর ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘যেকোনো পুরস্কার প্রাপ্তি অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার। নগদ সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে মানুষের পাশে থাকতে চায়।

বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা-২০২৩’-এর ডাক ও টেলিযোগাযোগ পদক-২০২৩ জিতেছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অবদান রাখায় নগদকে এই পুরস্কার দেয়া হয়।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শনিবার ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান ও হেড অব পাবলিক কমিউনিকেশন্স মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি ও *১৬৭# চেপে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি উদ্ভাবন করে নগদ একটা বিপ্লব করেছে। আমরা যে উদ্ভাবনী শক্তির কথা বলছি, তা করে দেখিয়েছে ডাক বিভাগের এই সেবাটি। সে জন্যই তাদের সম্মানিত করা।’

পুরস্কার গ্রহণের পর নগদ’-এর করপোরেট কমিউনিকেশন-এর ডিরেক্টর মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ‘যেকোনো পুরস্কার প্রাপ্তি অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার। নগদ সবসময় নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে মানুষের পাশে থাকতে চায়। সেই পথে আমাদের উদ্ভাবন যে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের পুরস্কার পেল, এটা পুরো দেশের জন্য একটা অর্জন। সমস্ত নগদ পরিবারের পক্ষ থেকে আমি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

তিন দিনের এই আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর সিকদার এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক।

মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলের পাশাপাশি ছিল নগদ-এর আকর্ষণীয় একটি স্টল। সেখানে মানুষের ভিড় জমেছিল নগদ-এর বিভিন্ন সুবিধা ও ফিচার সম্পর্কে জানতে। এ ছাড়া এই স্টলে ভিআর ফুটবল খেলার ব্যবস্থা ছিল। যা অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ আয়োজন করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ পুরস্কার। মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস-এর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নগদ-কে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে নগদ-এর উন্নতি এবং উদ্ভাবনকে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পুলিশের জন্য ‘নগদে’র চার্জ ফ্রি লেনদেন
নগদে মাস্টারকার্ড থেকে অ্যাড মানি করলে ২০০ টাকা বোনাস
নগদ-দারাজ পেমেন্টে ক্যাশব্যাক
ব্যবসায়িক সহযোগীদের নিয়ে ‘নগদ’-এর ‘সিনে নাইট’
মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নগদের কর্মশালা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Foreign loan assistance commitments fell by 60 percent

বিদেশি ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৬০ শতাংশ

বিদেশি ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৬০ শতাংশ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে বিদেশি ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। ফাইল ছবি
অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর মনে করেন- সরকার আইএমএফ-এর পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও এআইআইবি’র কাছ থেকে বাড়তি বাজেট সহায়তার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ঋণ পাওয়া গেলেও অর্থবছর শেষে মোট ঋণ-সহায়তার পরিমাণ ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে না।

যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপে পড়েছে। অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর পাশাপাশি রিজার্ভ নেমে এসেছে ৩২ বিলিয়ন ডলারে। এই চাপ সামাল দিতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এখন কম সুদের বিদেশি ঋণ-সহায়তা। কিন্তু তেমনটি না হয়ে উল্টো কমছে।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৪৪০ কোটি (৪.৪০ বিলিয়ন) ডলার ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দাতারা।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের একই সময়ে তা ১৭৬ কোটি ২২ লাখ (১.৭৬ বিলিয়ন) ডলারে নেমে এসেছে। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে বিদেশি ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৬০ শতাংশ।

এই ছয় মাসে বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে ৩৭৮ কোটি ৫ লাখ (৩.৭৮ বিলিয়ন) ডলারের ঋণ-সহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ কম। গত বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ৪১৭ কোটি ৬০ লাখ (৪.১৭ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল।

অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) ডলারের বেশি বিদেশি ঋণ পেয়েছিল বাংলাদেশ, যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ২৬ শতাংশ বেশি। দুই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় চাপে পড়া অর্থনীতিকে সামাল দিতে কম সুদের বিশাল অঙ্কের এই ঋণ বেশ অবদান রেখেছিল।

কিন্তু সেই জোয়ার আর নেই। সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক), এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) কাছ থেকে বাড়তি বাজেট সহায়তার জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এসব ঋণ পাওয়া গেলেও এবার অর্থবছর শেষে মোট ঋণ-সহায়তার পরিমাণ ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি হবে না বলে মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর।

তবে আশার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) কাছ থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ-সহায়তা পাওয়া গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ ছাড় করেছে জাপান, ৯২ কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার ডলার। এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, এই ছয় মাসে মোট বিদেশি ঋণের ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশই দিয়েছে জাইকা।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) রোববার বিদেশি ঋণপ্রবাহের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় বিদেশি ঋণপ্রবাহের উল্লম্ফন নিয়ে শুরু হয়েছিল ২০২২-২৩ অর্থবছরে। প্রথম মাস জুলাইয়ে প্রায় ৪৯ কোটি ডলারের বিদেশি ঋণ-সহায়তা এসেছিল, যা ছিল গত জুলাইয়ের চেয়ে ৪৮ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। কিন্তু দ্বিতীয় মাস আগস্টে এসে হোঁচট খায়। ওই মাসে ৩৭ কোটি ৬৩ লাখ ডলারের ঋণ ছাড় করে দাতারা, যা ছিল আগের মাস জুলাইয়ের চেয়ে প্রায় ২৩ শতাংশ কম।

পরের দুই মাস সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে অবশ্য কিছুটা বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে আসে ৪৮ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। আর অক্টোবরে আসে ৬২ কোটি ১৪ লাখ ডলার। নভেম্বর মাসে তা কমে ৪৯ কোটি ডলারে নেমে আসে।

বিদেশি ঋণ-সহায়তার প্রতিশ্রুতি কমেছে ৬০ শতাংশ

সবশেষ গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে অবশ্য বিদেশি ঋণ-সহায়তার অঙ্ক বেশ বেড়েছে; এই মাসে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ১৩২ কোটি ডলার এসেছে। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বিদেশি ঋণ কম এসেছে দেশে।

‘এই মুহূর্তে কম সুদের বিদেশি ঋণ খুবই প্রয়োজন’ মন্তব্য করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অর্থনীতির বিশ্লেষক আতিউর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের রিজার্ভ চাপের মধ্যে আছে। এই চাপ সামলাতে বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকাসহ বিভিন্ন দাতাসংস্থার ঋণ প্রয়োজন। এসব সংস্থার পাইপলাইনে যেসব ঋণ আছে, সেগুলো দ্রুত আনতে পদক্ষেপ নিতে হবে।

‘সুখের খবর হচ্ছে, আইএমএফ ঋণ দিচ্ছে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই এই ঋণের প্রথম কিস্তি পাওয়া যাবে। বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ অন্যরাও আশ্বাস দিয়েছে। এসব ঋণ যত দ্রুত পাওয়া যাবে, ততই মঙ্গল। তাতে সরকার সহজেই সংকট মোকাবিলা করতে পারবে। আমার বিশ্বাস, ২০২৩ সাল থেকেই সরকার সাহস সঞ্চার করে ঘুরে দাঁড়াবে। অর্থনীতিও আগের অবস্থায় ফিরে আসবে।’

অর্থনীতির আরেক গবেষক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বৈশ্বিক কারণে পৃথিবীর অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। এ চাপ সামলাতে এই মুহূর্তে কম সুদের বেশি বেশি বিদেশি ঋণের খুব দরকার ছিল। কিন্তু উল্টো কমে যাচ্ছে। সরকারকে চাপমুক্ত হতে বেগ পেতে হচ্ছে।

‘যুদ্ধের ধাক্কা সামাল দিতে বাংলাদেশের মতো অনেক দেশকে দাতাদের সহায়তা করতে হচ্ছে। সে কারণে এবার ঋণটা একটু কম আসছে। তবে ফেব্রুয়ারিতে যদি আমরা আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তিটা পেয়ে যাই, তাহলে কিন্তু আমাদের সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। রিজার্ভ কমার যে ধারা রয়েছে, সেটা আর থাকবে না।’

এই অর্থবছরে বিদেশি ঋণ কমার কারণ ব্যাখ্যা করে দীর্ঘদিন আইএমএফের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান মনসুর বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময় ধরে চলা মহামারি করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে গত অর্থবছরে বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ঋণ-সহায়তা পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু এখন তো আর কোভিডের ঋণ পাওয়া যাচ্ছে না। অস্থির বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশকে ঋণ নিতে হচ্ছে দাতা সংস্থাগুলোকে। সে কারণেই বিদেশি ঋণ কমছে। আমার মনে হচ্ছে, এবার গতবারের চেয়ে ঋণ বেশ খানিকটা কম আসবে।’

ইআরডির তথ্যে দেখা যায়, জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে দাতাদের কাছ থেকে যে ৩৭৮ কোটি ডলারের ঋণ-সহায়তা পাওয়া গেছে, তার মধ্যে প্রকল্প সাহায্য এসেছে ৩৫৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার। আর অনুদান পাওয়া গেছে ২০ কোটি ৯০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময় প্রকল্প সাহায্য পাওয়া গিয়েছিল ৪০২ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। অনুদান এসেছিল ১৬ কোটি ৭ লাখ ডলার।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ৭৯৫ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার (৭ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন) ডলার ঋণ-সহায়তা পেয়েছিল বাংলাদেশ। তার আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসেছিল ৭৩৮ কোটি (৭ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন) ডলার।

বাংলাদেশে বিদেশি ঋণ বাড়তে থাকে ২০১৭-১৮ অর্থবছর থেকে। ওই বছরই এক লাফে অর্থ ছাড় ৩০০ কোটি থেকে ৬৩৭ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। তারপর ২০১৮-১৯ অর্থবছরে আসে ৬৫৪ কোটি ডলার।

সবচেয়ে বেশি ঋণ-সহায়তা জাপানের

বরাবরের মতো এবারও সবচেয়ে বেশি ঋণ-সহায়তা পাওয়া গেছে জাইকার কাছ থেকে। জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে সংস্থাটি বাংলাদেশকে মাত্র ৩৪ কোটি ১০ লাখ ডলার ঋণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে; ছাড় করেছে প্রায় ১ বিলিয়ন (৯২ কোটি ১৬ লাখ) ডলার অর্থ ছাড় করেছে। এই ছয় মাসে মোট বিদেশি ঋণের ২৪ দশমিক ৩৭ শতাংশই দিয়েছে জাইকা।

এডিবি দিয়েছে ৫৬ কোটি ৭৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার, প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ৩৮ কোটি ৩২ লাখ ডলার। বিশ্বব্যাংক ছাড় করেছে ৫৪ কোটি ৪ লাখ ডলার, প্রতিশ্রুতির অঙ্ক ৩০ কোটি ডলারের। চীনের কাছ থেকে পাওয়া গেছে ৫৩ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার ডলার; কোনো প্রতিশ্রুতি মিলেনি। এ ছাড়া ভারত দিয়েছে ১৬ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এ ছাড়া রাশিয়ার কাছ থেকে পাওয়া গেছে প্রায় ৪৪ কোটি ডলার। এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) দিয়েছে ২৫ কোটি ডলার।

সুদ পরিশোধ বেড়েছে

জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে আগে নেয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ ১০৫ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে সরকার। গত বছরের একই সময়ে সুদ-আসল বাবদ প্রায় একই পরিমাণ ১০৪ কোটি ৪ লাখ ডলার শোধ করা হয়েছিল। এ হিসাবে এই পাঁচ মাসে গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সুদ-আসল পরিশোধ বাবদ ১ দশমিক ২০ শতাংশ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে সরকারকে।

আরও পড়ুন:
বিদেশি ঋণে ভাটা, ৫ মাসে কমেছে ২০.৩০ শতাংশ
বিদেশি ঋণেও যুদ্ধের ধাক্কা, ৪ মাসে কমল ২৫ শতাংশ
বিদেশি ঋণে সেই জোয়ার আর নেই
বিদেশি মুদ্রায় ঋণের সুদহার বাড়িয়ে আগের অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
বিদেশি ঋণে হোঁচট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Walton Plaza is confident of being the top sales network in the country
চ্যালেঞ্জারস সামিট-২০২৩

দেশের শীর্ষ সেলস নেটওয়ার্ক হওয়ার প্রত্যয় ওয়ালটন প্লাজার

দেশের শীর্ষ সেলস নেটওয়ার্ক হওয়ার প্রত্যয় ওয়ালটন প্লাজার ওয়ালটন প্লাজার ‘চ্যালেঞ্জারস সামিট-২০২৩’ অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে পুরস্কৃত কর্মকর্তাদের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত
চ্যালেঞ্জারস সামিটে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘যারা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে নতুন কিছু সৃষ্টি করেন, তারাই হলেন চ্যালেঞ্জার। ওয়ালটন প্লাজার প্রতিটি সদস্য একেকজন চ্যালেঞ্জার। আর চ্যালেঞ্জারদের শক্তি দেশের অগণিত ক্রেতারা।'

ক্রেতাদের সবসময় সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে দাবি করে ওয়ালটন প্লাজার একা কর্মকর্তা বলেছেন, এ কারণেই ২০২২ সালে এর মুনাফা ৯৩ শতাংশ বেড়েছে। প্রবৃদ্ধির এই ধারা বজায় রেখে দ্রুতই দেশের শীর্ষ সেলস নেটওয়ার্ক হতে চায় ওয়ালটন প্লাজা।

তিনি আরও বলেছেন, লক্ষ্য পূরণে প্রতিষ্ঠানটি ওয়ানস্টপ সলিউশন চালু এবং কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা সহায়তা নীতিসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে।

ওয়ালটন প্লাজা আয়োজিত ‘চ্যালেঞ্জারস সামিট-২০২৩’ অনুষ্ঠানে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ হেডকোয়ার্টার্সে দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

‘আমরা সেরা ছিলাম, আমরা সেরা আছি, আমরা সেরা থাকব’ স্লোগানে সম্মেলনে অংশ নেন দেড় সহস্রাধিক প্লাজা ম্যানেজার ও সহকারী ম্যানেজারসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

সম্মেলনে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য ব্যবসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়। সেলস এক্সিকিউটিভদের প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয় ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে ‘চ্যালেঞ্জার’স সামিট-২০২৩’-এর প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান এস এম নূরুল আলম রেজভী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম, জাকিয়া সুলতানা ও নিশাত তাসনিম শুচি, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও গোলাম মুর্শেদ এবং ওয়ালটন প্লাজার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) মোহাম্মদ রায়হান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিচালনা করেন ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর চিত্রনায়ক আমিন খান।

চ্যালেঞ্জারস সামিটে ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং পার্টনার এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ‘যারা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করে নতুন কিছু সৃষ্টি করেন, তারাই হলেন চ্যালেঞ্জার। ওয়ালটন প্লাজার প্রতিটি সদস্য একেকজন চ্যালেঞ্জার। আর চ্যালেঞ্জারদের শক্তি দেশের অগণিত ক্রেতারা।

‘ক্রেতাদের কারণে ওয়ালটন আজ দেশ ছাড়িয়ে পুরো বিশ্বে অন্যতম শীর্ষ ব্র্যান্ড হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।’

ওই সময় তিনি ওয়ালটন প্লাজার জন্য ‘ক্রেতা তুমি আপনজন, ঘোর বিপদেও আমরা সাথী সারাক্ষণ’ শীর্ষক নতুন স্লোগান ঠিক করেন।

এস এম মঞ্জুরুল আলম বলেন, ‘ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্যের বাজার পরিবর্তনশীল। মার্কেট কী ধরনের পরিবর্তন চায়, আমাদের সেলস এক্সিউিটিভরা হলেন তার বার্তাবাহক। তারা যদি সঠিক মেসেজ দেন, তবে আমরা সময়োপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এগিয়ে যেতে পারব।’

গোলাম মুর্শেদ বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি খাতে আমাদের অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, কিন্তু ওয়ালটন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলাদেশের চিত্র পাল্টে গেছে। এখন প্রায় প্রত্যেক পরিবারেই ফ্রিজ-টিভির মতো ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য আছে। ক্রেতারা সবসময় আমাদের পাশে ছিলেন।

‘এর সঙ্গে আমাদের চৌকস সেলস টিমসহ সকল বিভাগের সদস্যদের নিরলস শ্রমে ওয়ালটন আজ শীর্ষ ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে। এখন আমাদের লক্ষ্য বিশ্বজয়ের। সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে চ্যালেঞ্জটা অনেক বড়, যা আমাদের মোকাবিলা করতে হবে।’

মোহাম্মদ রায়হান বলেন, ‘ওয়ালটন প্লাজার সেলস ফাইটারগণ হচ্ছে বিশ্বের সেরা। ওয়ালটন পণ্য বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পণ্য। এমন শক্তিশালী সেলস বাহিনী এবং শ্রেষ্ঠ পণ্য থাকতে বিদেশি কোনো ব্র্যান্ড কিংবা পণ্য বাংলাদেশের বাজারে কখনোই সুবিধা করতে পারবে না। দেশের বাজারে সবসময় আমরাই শীর্ষে থাকব।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্বে একমাত্র ওয়ালটন প্লাজাই কিস্তি ক্রেতা সুরক্ষা সহায়তা সুবিধা চালু করেছে। আমরা প্রতিটি ঘরে ওয়ানস্টপ সার্ভিস পৌঁছে দিচ্ছি। ২০২২ সালে ১২ লাখ ৫০ হাজার ক্রেতা আমাদের কাস্টমার ব্যাংকে যুক্ত হয়েছেন।

‘চলতি বছর আরও ১৮ লাখ কাস্টমার আমাদের ব্যাংকে যুক্ত হবে। ২০২৫ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়ি ওয়ালটন প্লাজার কাস্টমার ব্যাংকের আওতায় আসবে। ওয়ালটন প্লাজা হবে দেশের শীর্ষ সেলস নেটওয়ার্ক।’

সম্মেলনে বিভিন্ন অঞ্চলের ওয়ালটন প্লাজা শাখার সেরা ম্যানেজার ও এরিয়া ম্যানেজাদের পুরস্কৃত করা হয়। সবশেষে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
অগ্নিনির্বাপক প্রযুক্তিযুক্ত টিভি উদ্ভাবন ওয়ালটনের
বাজারে ওয়ালটনের ‘অরবিট’ সিরিজের স্মার্টফোন
আয়ারল্যান্ডে ওয়ালটন স্মার্ট টিভিতে ব্যাপক সাড়া
নতুন মেকানিক্যাল কিবোর্ড আনল ওয়ালটন
স্টার ব্র্যান্ড প্রোমোটার কার্যক্রম শুরু করল ওয়ালটন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Corruption Major Obstacles to Business Survey

ব্যবসায় প্রধান বাধা দুর্নীতি: জরিপ

ব্যবসায় প্রধান বাধা দুর্নীতি: জরিপ উদ্যোক্তা মতামত জরিপের ফল প্রকাশ করে রোববার এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিপিডি জানায়, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৪.৬ শতাংশ ব্যবসায়ী দুর্নীতিকে তাদের ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখেছেন। লাইসেন্স নেয়া কিংবা কর দেয়ার মতো কাজে গিয়ে তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে।

দেশে ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা দুর্নীতিকেই প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

গত বছরের এপ্রিল থেকে জুলাইয়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরে জরিপের সময় ব্যবসায়ীরা এমন মত দেন বলে জানায় সংস্থাটি।

ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম বিশ্বজুড়ে এ জরিপ পরিচালনা করে। গত দুই দশকের মতো গত বছরও সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাংলাদেশে জরিপের কাজে অংশ নেয় সিপিডি।

উদ্যোক্তা মতামত জরিপের ফল প্রকাশ করে রোববার এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

রাজধানীর ধানমন্ডি কার্যালয়ে ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিপিডি জানায়, জরিপে অংশগ্রহণকারী ৬৪.৬ শতাংশ ব্যবসায়ী দুর্নীতিকে তাদের ব্যবসার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখেছেন। লাইসেন্স নেয়া কিংবা কর দেয়ার মতো কাজে গিয়ে তাদের ঘুষ দিতে হয়েছে।

সংস্থাটির ভাষ্য, ব্যবসায় অন্যান্য প্রধান সমস্যার মধ্যে রয়েছে অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া এবং অদক্ষ আমলাতন্ত্র, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিতিশীলতা ও নীতি ধারাবাহিকতার অভাব। এসব কারণে দেশের ব্যবসায়িক পরিবেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

দেশে প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসার পরিবেশ আরও খারাপ হয়েছে জানিয়ে সিপিডি বলেছে, বেসরকারি খাতে সুশাসন, নীতিশাস্ত্রের অভাব এবং দুর্বল তদারকির কারণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের অবনতি হয়েছে।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ‘২০২১-এর তুলনায় ২০২২ সালে ব্যবসার পরিবেশ দুর্বল ছিল। কর কাঠামোতে এখনও ভারসাম্য আনা যায়নি। সড়ক, রেল, নৌপথে অনেক অবকাঠামো মানসম্মত নয়।’

সুপারিশ

জরিপের ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের মত ও নিজেদের সুপারিশ পেশ করে সিপিডি।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতে বিদেশি সহযোগীদের কাছ থেকে আলাদা ঋণ আসা উচিত। এতে পরিবেশ দূষণ অনেকাংশে কমবে।

রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধকে ঘিরে ব্যবসায় মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা সংকট ও অস্থিতিশীল নীতির মতো নতুন চ্যালেঞ্জ মাথাচাড়া দিয়েছে জানিয়ে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন ও সুদহারের সীমা উন্মুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি।

সংস্থাটির মতে, বাংলাদেশের আর্থিক খাতে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের শর্ত মেনে চলার অংশ হিসেবে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধন, ঋণে সুদহারের সীমা তুলে নেয়া, বকেয়া ঋণে স্বচ্ছতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটির (আইডিআরএ) কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

জরিপ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাজারে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগিতা কমিশন, ভোক্তা অধিকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক, এনবিআর ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের যথাযথ ভূমিকা পালন করা উচিত।

আরও পড়ুন:
অবশেষে সেই পাসপোর্ট কর্মকর্তা বদলি
৫৮২ কোটি টাকার সার আত্মসাৎ: বিসিআইসির কাছে ব্যাখ্যা চাইল হাইকোর্ট
বাজারে আগুন, ব্যবসায়ীর মৃত্যু
দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স বাংলাদেশে: ওআইসিকে আইনমন্ত্রী
‘ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নয়, অ্যাকশন নিন’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Fair Electronics also got this certificate

এইও সনদ পেল ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স

এইও সনদ পেল ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স রাজধানীর একটি হোটেলে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স কর্তৃপক্ষের হাতে এইও সনদ তুলে দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্সসহ ৯টি প্রতিষ্ঠানকে এনবিআরের কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা অধিদপ্তরের এইও সনদ দেয়া হয়েছে। এর সুবাদে প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানিকৃত পণ্য সহজেই বন্দর থেকে খালাস করে নিজস্ব কারখানায় নেয়াসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। তারা কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশনের পরিবর্তে নিজস্ব আঙিনায় পণ্যের চালানের কায়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) সনদপত্র পেয়েছে ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্স লিমিটেড।

আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের হাত থেকে এই সনদ গ্রহণ করেন ফেয়ার ইলেকট্রনিক্স ও ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ফেয়ার ইলেক্ট্রনিক্সসহ ৯টি প্রতিষ্ঠানকে এনবিআরের কাস্টমস মূল্যায়ন ও অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা অধিদপ্তরের এইও সনদ দেয়া হয়।

সনদ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো আমদানিকৃত পণ্য সহজেই বন্দর থেকে খালাস করে নিজস্ব কারখানায় নেয়াসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবে। তারা কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশনের পরিবর্তে নিজস্ব আঙিনায় পণ্যের চালানের কায়িক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ পাবে। বন্দরে পণ্য আসার আগেই বিল অফ এন্ট্রি দাখিলসহ শুল্কায়নের কাজ শেষ করতে পারবে।

মন্তব্য

p
উপরে