× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Huawei will connect 120 million people in two years
google_news print-icon

দুই বছরে ১২ কোটি মানুষকে কানেক্ট করবে হুয়াওয়ে

লিয়াং হুয়া
হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান লিয়াং হুয়া। ছবি: নিউজবাংলা
অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ে অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা। সেখান থেকে হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান লিয়াং হুয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ে অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা। সেখান থেকে হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান লিয়াং হুয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

হুয়াওয়ে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের পার্টনার২কানেক্ট ডিজিটাল অ্যালায়েন্সে (জোট) যোগদানের জন্য একটি বৈশ্বিক প্রতিশ্রুতি স্বাক্ষর করেছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৫ সালের মধ্যে ৮০টিরও বেশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের প্রায় ১২ কোটি মানুষকে কানেক্টিভিটি সুবিধার আওতায় নিয়ে আসা হবে।

প্রতিষ্ঠানটির ২০২২ সাসটেইনেবিলিটি ফোরাম, কানেক্টিভিটি প্লাস: ইনোভেট ফর ইম্প্যাক্ট অনুষ্ঠানে বুধবার এ ঘোষণা দিয়েছেন হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান লিয়াং হুয়া।

কীভাবে আইসিটি উদ্ভাবন ডিজিটাল অর্থনীতির যুগে কানেক্টিভিটির ব্যবসায়িক ও সামাজিক অগ্রগতি এবং স্থায়িত্বকে ত্বরান্বিত করতে পারে, ফোরামে সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, আইটিইউ এবং জাতিসংঘের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, কম্বোডিয়া, নাইজেরিয়া ও পাকিস্তানের টেলিকমমন্ত্রী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ী নেতারা অনলাইনে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পাশাপাশি চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বেলজিয়াম ও জার্মানি থেকে অংশীদার, বিশেষজ্ঞ এবং ক্রেতারাও এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরাও এই অনুষ্ঠানে স্বশরীরে ও অনলাইনে যোগ দেন।

অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে রাজধানীর গুলশানে হুয়াওয়ে অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা। সেখান থেকে হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান লিয়াং হুয়া বাংলাদেশের সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

লিয়াং হুয়া বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের বিষয়টি মানুষের মৌলিক চাহিদা। যারা সংযোগবিহীন রয়েছেন, তাদের জীবন পরিবর্তনের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত করে নির্ভরযোগ্য কানেক্টিভিটি। সুবিধাজনক যোগাযোগের জন্য কানেক্টিভিটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।’

তিনি বলেন, ‘ক্লাউড এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে একত্রে কানেক্টিভিটি প্রত্যেককে ডিজিটাল জগতে আনতে সাহায্য করবে এবং তাদের আরও তথ্য ও দক্ষতা এবং উন্নত পরিষেবা ও বৃহত্তর ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সুযোগ প্রদান করবে। এর ফলে আরও সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।’

বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। টেলিযোগাযোগ খাতের প্রধান লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সব মানুষকে কানেক্টিভিটির সুবিধায় নিয়ে আসা। শিক্ষা, শিল্প, টেক্সটাইলসহ প্রতিটি খাতে কানেক্টিভিটির ভূমিকা অপরিসীম; তাই আমরাও এর গুরুত্ব বুঝতে পেরেছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং সব অংশীজনের সহযোগিতায় আমরা ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন বাস্তবে পরিণত করতে পারব বলে আমি প্রত্যাশা করছি।’

চীনে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী সিদ্ধার্থ চ্যাটার্জি নীতিনির্ধারকদের বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে, বেসরকারি খাত, একাডেমিয়া ও সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিদের ডিজিটাল ব্যবধান দূরীকরণে ‘বাস্তবসম্মত চিন্তা’ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান গতিশীল বিশ্বে জরুরিভাবে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি করতে, লৈঙ্গিক ব্যবধান দূর করতে, সবুজ বিশ্বকে উৎসাহিত করতে এবং আমাদের বিশ্বকে আরও সমৃদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্ত করার জন্য নতুনভাবে ডিজাইন করতে প্রযুক্তির রূপান্তরমূলক সম্ভাবনার জন্য উন্নত ডিজিটাল সহযোগিতার প্রয়োজন। তাই সবার সম্মিলিত প্রয়াসের এখনই সময়।’

আইসিটি অবকাঠামো বিকশিত হচ্ছে ক্লাউড এবং এআইয়ের মতো উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগুলো গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকা মানুষদের ডিজিটাল বিশ্বের সুবিধা উপভোগ করার সুযোগ দিচ্ছে। হুয়াওয়ে ক্লাউড একটি পরিষেবা কৌশল হিসেবে সবকিছুর প্রস্তাব করেছে এবং ক্লাউড পরিষেবার মাধ্যমে হুয়াওয়ে এর ৩০ বছরেরও বেশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং ডিজিটাল রূপান্তরের অভিজ্ঞতা লাভ করেছে।

অর্থাৎ ক্লাউডে হুয়াওয়ের ডিজিটাল অবকাঠামোর সক্ষমতার ব্যবহার এখন অনেক সহজ, সাশ্রয়ী এবং টেকসই। প্রত্যন্ত অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল রূপান্তর, ডিজিটাল ট্যালেন্ট এবং নতুন ব্যবসায়িক মডেল সবই অপরিহার্য।

হুয়াওয়ে এর আগে জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের মধ্যে উন্নত আইসিটি অবকাঠামোর সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ৫০ কোটি মানুষকে ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবা উপভোগ করতে এবং পাঁচ লাখ মানুষকে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা প্রদানে সক্ষম করে তুলতে সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, হুয়াওয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর চলমান প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে হুয়াওয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলে উন্নতমানের ডিজিটালাইজেশনে অবদান রাখছে; যা প্রত্যেককে ডিজিটাল জীবনের সুবিধা উপভোগ করতে সক্ষম করবে এবং বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল অর্থনীতির ভারসাম্যপূর্ণ বিকাশে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন:
ক্লাউড খাতের বিকাশে একসঙ্গে কাজ করবে হুয়াওয়ে-রেডডট ডিজিটাল
উন্নত ক্লাউড ও ডিজিটাল পাওয়ার সেবা দিতে হুয়াওয়ের দল
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি
ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবৃদ্ধিতে হুয়াওয়ের ক্লাউড সল্যুশন
থাইল্যান্ড যাচ্ছেন সিডস ফর দ্য ফিউচার বিজয়ী ৯ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Norwegian Ambassador to visit KSRM Green Yard

কেএসআরএম গ্রিন ইয়ার্ড পরিদর্শনে নরওয়ে রাষ্ট্রদূত

কেএসআরএম গ্রিন ইয়ার্ড পরিদর্শনে নরওয়ে রাষ্ট্রদূত
নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। ২০১০ সালে এ শিল্প দেখতে এসেছিলাম। বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য।

বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মন্তব্য করেছেন নরওয়ে রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার-সভেন্ডসেন।

রোববার সীতাকুণ্ডের শীতলপুরের কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি, ঢাকার নরওয়ে দূতাবাসের সিনিয়র অ্যাডভাইজর মোরশেদ আহমেদ, কেএসআরএমের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক করিম উদ্দিন, পরিচালক আবদুল করিম দুলাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকতা মেহেরুল করিম, গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, ইয়ার্ড সমন্বয়ক নেভাল ইঞ্জিনিয়ার আল আমিন ও টেকনিক্যাল সমন্বয়ক পার্থ সারথী গুহ।

কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ আইএসও সার্টিফাইড, এইচকেসি ২০০৯ কমপ্লায়েন্ট গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি ভুক্ত এবং হংকং কনভেনশন অনুসারিত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাসিলিটিভুক্ত।

নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। ২০১০ সালে এ শিল্প দেখতে এসেছিলাম। বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য।

রাষ্ট্রদূত জানান, নরওয়ে এ শিল্পের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে। সরকারের সহযোগিতা দরকার। আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। নরওয়ের জাহাজ মালিকরা আগ্রহী হচ্ছেন বাংলাদেশে শিপ রিসাইক্লিং করতে।

কবির গ্রুপের সিইও মেহেরুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিন ইয়ার্ড করার জন্য ২০১৪ সালের জুলাই থেকে কাজ শুরু করি আমরা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক আমাদের জানিয়েছিল ইয়ার্ডের উন্নয়ন করতো হবে। তখন আমরা গ্রিন সার্টিফিকেট পেতেও কাজ শুরু করি। ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রথম গ্রিন সার্টিফিকেট পাই। এখন তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রিন সার্টিফিকেট পেয়েছি।

গ্রিন ইয়ার্ড করার খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই ধরনের খরচ। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আর্থিক বিনিয়োগ।আমরা যন্ত্রপাতি কিনেছি। জনবল প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ৩০ কোটি খরচ হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য পরিবেশ ও জনশক্তির নিরাপত্তা।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে লোকাল মার্কেটে স্ক্র্যাপের ডিমান্ড কম। ডলারের সংকটে জাহাজ আমদানিও কম। এ সুযোগে বেশিরভাগ ইয়ার্ড ডেভেলপ হচ্ছে।

তিনি বলেন, সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশে এ শিল্পে স্ক্র্যাপের পাত, টুকরা লোড আনলোড করছি অটোমেটিক, ম্যাকানিকাল। ৭৮০ দিনে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। সরকার থেকে সহযোগিতা দরকার। টিএসডিএফ করতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা করতে হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In February remittances reached 216 million dollars

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার ফাইল ছবি
বৈধ চ্যানেলে ২১৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের মাস জানুয়ারি মাসে ২১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

ফেব্রুয়ারিতে ২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন (২১৬ কোটি) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে; যা চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৮ মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মধ্যে সর্বোচ্চ।

রোববকার পাওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈধ চ্যানেলে ২১৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের মাস জানুয়ারি মাসে ২১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। খবর ইউএনবির

বৈধ চ্যানেলে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১৩ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, সরকার ও ব্যাংকগুলো প্রণোদনা দেওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোকে তাদের আর্থিক উৎস থেকে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

প্রবাসী আয়ের ওপর সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিয়ে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ বেশি দামে ডলার কিনতে পারছে। মোট প্রণোদনা পাচ্ছে ৫ শতাংশ। ফলে বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স আসছে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর ৫ শতাংশ প্রণোদনা সাময়িকভাবে রেমিট্যান্স বাড়াতে সহায়তা করবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান হবে না।

ড. রায়হান বলেন, ‘রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে হুন্ডি বন্ধ করতে হবে। হুন্ডি বন্ধ করতে হলে মানি লন্ডারিং বন্ধ করতে হবে। এখন প্রচুর টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। যেকোনো উপায়ে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
MoU between Islami Bank Foundation and PHA

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও পিএইচএ-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন ও পিএইচএ-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক
২৯ ফেব্রুয়ারি পিএইচএ-এর চেয়ারপারসন ড. তাসবিরুল ইসলাম এবং আইবিএফ-এর নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জি. মোহাম্মদ আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন (আইবিএফ) এবং প্ল্যানেটারি হেলথ একাডেমিয়া (পিএইচএ)-এর মধ্যে স্বাস্থ্যশিক্ষা বিষয়ক এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

২৯ ফেব্রুয়ারি পিএইচএ-এর চেয়ারপারসন ড. তাসবিরুল ইসলাম এবং আইবিএফ-এর নির্বাহী পরিচালক ইঞ্জি. মোহাম্মদ আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে পক্ষে এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

আইবিএফ দেশের বৃহত্তম বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান যা ২১টি হাসপাতালের মাধ্যমে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে। এছাড়া আইবিএফ-এর ১টি মেডিকেল কলেজ, ১টি নার্সিং কলেজ, একটি নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং ১টি স্বাস্থ্য প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আইবিএফ এ পর্যন্ত ২০ মিলিয়নেরও বেশি লোককে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। এ প্রতিষ্ঠান ১,১০৭ জন ডাক্তার, ১,৪৫৫ জন নার্স এবং ৭৯৩ জন স্বাস্থ্য প্রযুক্তিবিদ তৈরি করেছে। পিএইচএ হলো প্রবাসী বাংলাদেশী এবং বাংলাদেশি চিকিৎসক, গবেষক এবং শিক্ষাবিদদের দ্বারা গঠিত বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা। এই চুক্তির ফলে পিএইচএ ও আইবিএফ পারস্পরিক সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।

এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তরুণ চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারদের প্রশিক্ষিত করার জন্য একটি সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক ফেলোশিপ প্রোগ্রাম বিনিময় ও গবেষণা প্রস্তাবনা তৈরি এবং যৌথ উদ্যোগে কাজের সুযোগ তৈরি হবে। পিএইচএ ও আইবিএফ দুটি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান যারা একই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পিএইচএ-এর ট্রাস্টি ড. চৌধুরী এইচ. আহসান, ড. নাসের খান, ড. মো. জাকের উল্লাহ এবং ওমর শরীফ এবং আইবিএফ-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. কাজী শহীদুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান ডা. তানভীর আহমেদ, হাসপাতাল কমিটির চেয়ারম্যান মো. কামরুল হাসান, শিক্ষা ও সমাজকর্ম কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. ফসিউল আলম, আইবিএফ-এর সদস্য সৈয়দ আবু আসাদ, শওকত হোসেন, এফসিএ ও ব্যারিস্টার আবু সাঈদ মোহাম্মদ কাশেম উপস্থিত ছিলেন। প্রেস রিলিজ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
LPG 12 kg cylinder price increased by Tk 8

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৮ টাকা

এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৮ টাকা রাজধানীর একটি দোকানের সামনে ভ্যানে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার। ফাইল ছবি
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, মার্চ মাসে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ঠিক করা হয়েছে এক হাজার ৪৮২ টাকা, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল এক হাজার ৪৭৪ টাকা। সেই হিসাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে আট টাকা।

দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারও বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

১২ কেজির সিলিন্ডারে এবার আট টাকা বাড়ানো হয়েছে।

বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে অনুযায়ী, মার্চ মাসে এলপিজির ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ঠিক করা হয়েছে এক হাজার ৪৮২ টাকা, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল এক হাজার ৪৭৪ টাকা। সেই হিসাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে আট টাকা।

এলপিজির সমন্বয়কৃত এ মূল্য কার্যকর হবে রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মার্চের জন্য বোতলজাত সাড়ে পাঁচ কেজি এলপিজির দাম ৬৭৯ টাকা। এ ছাড়া বোতলজাত সাড়ে ১২ কেজি এলপিজি এক হাজার ৫৪৪ টাকা, ১৫ কেজি এলপিজি এক হাজার ৮৫৩ টাকা, ২০ কেজি এলপিজি দুই হাজার ৪৭০ এবং ৩০ কেজি এলপিজির দাম ঠিক করা হয়েছে তিন হাজার ৭০৬ টাকা।

আরও পড়ুন:
এলপিজির দাম আরও বাড়ল
১২ কেজির সিলিন্ডারে ২৯ টাকা বাড়ল এলপিজির দাম
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৩ টাকা
এলপিজি: ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ১৮ টাকা  
এলপিজি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ৭৯ টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
MARCEL DIGITAL CAMPAIGN STARTS SEASON 20

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে মার্সেলের ১৯টি ডিজিটাল ক্যাম্পেইন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু করেছে শীর্ষস্থানীয় দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল।

রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও মার্সেল পণ্যের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। সিজন-২০-এর আওতায় দেশের যেকোনো শোরুম থেকে মার্সেল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার বা এসি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন। এ ছাড়া রয়েছে লাখ টাকার নিশ্চিত উপহার।

১ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

এই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে মার্সেল।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে ক্যাম্পেইনের আওতায় নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Even if the duty is reduced by 10 percent the price of dates is out of reach

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে শুল্ক কমানোর পর চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খেজুরের চালান খালাস হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে। ওদিকে শুল্ক কমানোর পর পবিত্র রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছিল ৫৩ শতাংশ। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে খেজুরের দাম।

ওদিকে বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে আগামী ১২ মার্চ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা করেন। আর ইফতার পর্বে অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে খেজুর। এ কারণে রমজান মাসে চাহিদা বেশি থাকা পণ্যগুলোর একটি খেজুর।

পণ্যটির দাম নিয়ন্ত্রণে চলতি মাসে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে আনে সরকার। এর পাশাপাশি বাজারে তদারকি ও বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা কোনো কাজে আসছে না। গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশের বাজারে খেজুরের দাম ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৮ ফেব্রুয়ারি একটি আদেশে খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে করার ঘোষণা দেয়। এর আগে খেজুর আমদানিতে সর্বমোট ৫৩ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হতো।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে
সরকার আমদানি শুল্ক কমালেও খেজুরের দাম না কমে আরও বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে খেজুরের শুল্কায়ন মূল্য প্রতি টন এক হাজার থেকে দু’হাজার ৭৫০ ডলার। এর সঙ্গে কাস্টমস ডিউটি ১৫ শতাংশ, রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ ও ভ্যাট ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি অগ্রিম আয়কর ও অগ্রিম কর ৫ শতাংশ হারে দিতে হচ্ছে। এসব মিলে সর্বমোট শুল্ক দিতে হচ্ছে ৪৩ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর রমজানের আগে মানভেদে প্রতি কেজি খেজুরে শুল্ক দিতে হতো ৫ দশমিক ৪৫ থেকে ২১ দশমিক ৮৪ টাকা। এবার শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫৪ থেকে ২০৮ টাকা। মূলত শুল্কের প্রভাব পড়েছে খেজুরের দামে। গত বছরের তুলনায় প্রতি কেজি খেজুরে জাতভেদে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত।

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া খেজুরের মধ্যে রয়েছে দাবাস, জাহিদি, বরই ও গলা খেজুর। চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি গলা বা বাংলা খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, জাহিদি খেজুর ২৪০ থেকে ২৬০ ও দাবাস খেজুর ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। এছাড়া বরই খেজুর মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৫৪০ টাকা কেজি।

অভিজাত শ্রেণীর পছন্দের খেজুরের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের মেডজুল, মাবরুম, আজওয়া ও মরিয়ম। এক মাসের ব্যবধানে এসব খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। জাম্বো মেডজুল মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, সাধারণ মেডজুল ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০, মাবরুম খেজুর ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০, আজওয়া খেজুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে ভালো জাতের মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া কালমি মরিয়ম ৮০০ থেকে ৯০০, সুফরি মরিয়ম ৭৫০ থেকে ৮০০, আম্বার ও সাফাভি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ ও সুক্কারি খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। এখানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালে রোজার আগে জাহেদি ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি (১০ কেজি) ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। আর এক সপ্তাহ আগেও একই ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা।

পাইকারি ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি ৫ কেজির এক কার্টন মেডজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার টাকায়। গত বছর তা ছিল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা। আর ফেব্রুয়ারির শুরুতে সাধারণ খোলা খেজুর কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ছিল ১২৮ থেকে ১৩০ টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

পাইকারি বাজার সূত্রে জানা গেছে, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জাহিদি জাতের খেজুর। এক বছর আগে প্রতি কেজি জাহেদি খেজুর খুচরা পর্যায়ে ১৫০ টাকায় পাওয়া যেত। শুল্ক কমানোর পরও বর্তমানে এই খেজুর খুচরা বাজারে বিক্রি করতে হবে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য আমদানি করা খোলা (বস্তায় বিক্রি হওয়া ভেজা) খেজুর রোজা আসার আগেই কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ১৫৫ টাকায় উঠে গেছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে এই মানের খেজুর বিক্রি করতে হবে কমপক্ষে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিনে সবচেয়ে বেশি খেজুর বন্দর থেকে খালাস নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগে বন্দর থেকে দিনে খেজুর ভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হলেও রমজান সামনে রেখে খালাসের পরিমাণ ৭০ কনটেইনারে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু দাম কমছে না।

ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘সরকার শুল্ক কমানোর পর ব্যবসায়ীরা খেজুর খালাসে তোড়জোড় শুরু করেছেন। কিন্তু শুল্ক কমানোর পরও ভোক্তারা কম দামে খেজুর কিনতে পারছেন না। শুল্ক কমানো এবং পর্যাপ্ত আমদানি সত্ত্বেও খেজুরের দাম কেন কমছে না তা তদারকি করতে হবে। তদারকি না করলে রোজায় খেজুর কিনতে পারবে না সাধারণ শ্রেণীর ভোক্তারা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৬৩ টন খেজুর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস করেছেন আমদানিকারকরা। ১৪৫ দিনের মধ্যে গত ১৫ দিনেই বেশি খেজুরের চালান খালাস হয়েছে। ২৮ ধরনের খেজুর দেশের ৮২টি প্রতিষ্ঠান সৌদিয়া আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান, মিসর, আলজেরিয়া, নামিবিয়া, তিউনিশিয়া ও আফগানিস্তান থেকে আমদানি করেছে।

জানা গেছে, চার মাস আগে খেজুর আমদানি করলেও শুল্ক কমার আশায় ব্যবসায়ীরা পণ্যটি চট্টগ্রাম বন্দরে গুদামজাত করে রেখেছিলেন। ফলে বেসরকারি ১৯টি ডিপোতে এক হাজার কনটেইনার (প্রতি কনটেইনারে ২২-২৪ হাজার কেজি খেজুর থাকে) খেজুর পড়ে ছিল। এখন খেজুরভর্তি ৬০৫টি কনটেইনার খালাস চলছে। এখনও খেজুরভর্তি ৩৯৫টি কনটেইনার খালাসের উদ্যোগ নেয়নি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার কাজী ইরাজ ইশতিয়াক বলেন, ‘প্রচুর পরিমাণ খেজুর খালাস হচ্ছে। প্রতিদিনই খালাস করছেন আমদানিকারকরা।’

‘খেজুরের শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। খেজুরের চারটি ক্যাটাগরি রয়েছে। একেকটি ক্যাটাগরির একেক রকম শুল্ক হার হয়। মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির প্রবণতাও রয়েছে। আমরাও সতর্ক আছি, যেন সরকার রাজস্ব বঞ্চিত না হয়।’

উচ্চ শুল্ক হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা এনবিআর নির্ধারিত। এ ব্যাপারে আমাদের বলার বা করার কিছু নেই। আমরা নির্ধারিত শুল্ক নিয়ে খালাসের ব্যবস্থা করি।’

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সুলতান আরেফিন বলেন, ‘শুল্ক কমানোর পর থেকে আমদানিকারকরা খেজুর খালাস নিতে শুরু করেছেন। বর্তমানে খেজুর খালাসের পরিমাণও বেড়েছে। আগে প্রতিদিন গড়ে খেজুরভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হতো। এখন ৭০ কনটেইনার খেজুর প্রতিদিন খালাস হচ্ছে।’

খাতুনগঞ্জের ডেটস অ্যান্ড ড্রাই ফ্রুটস আমদানিকারক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ট্যাক্স ১০ শতাংশ কমালেও অন্যান্য শুল্ক ঠিক রেখেছে এনবিআর। ফলে উচ্চ মাত্রায় ট্যাক্স দিয়েই আনতে হচ্ছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামান্য এই শুল্ক কমানোর প্রভাব খেজুরের দামে পড়বে না।’

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি কেজি খেজুর ১১০ টাকায় কিনলে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা শুল্ক দিতে হয়। ১২০ টাকায় কিনলে ২০৮ টাকা শুল্ক দিতে হয়।

‘গত বছর ৯০ টাকায় ডলার কিনতে পারতাম। এ বছর ডলারপ্রতি ১২০ থেকে ১২২ টাকা দিতে হচ্ছে। কাস্টমস থেকে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ইচ্ছেমতো করা হচ্ছে। এলসি যে মূল্যে খুলছি সে অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণ করা হলে খেজুরের দাম অর্ধেকে নেমে আসে। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।’

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘পণ্য বন্দরে আসার পর শুল্ক পরিশোধ করে খালাস করতে হয়। এসব কাস্টমসের বিষয়।’

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ ছগীর আহমেদ বলেন, ‘ডলারের দাম বাড়ায় পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে যায়। এরপরও ব্যবসায়ীরা খেজুরের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছেন।’

আরও পড়ুন:
চাল তেল চিনি খেজুরের আমদানি শুল্ক কমল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dream is offering discounts on various products during Ramadan

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ‘স্বপ্ন’

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে ছাড় দিচ্ছে ‘স্বপ্ন’ স্বপ্নর লোগো। ফাইল ছবি
সুপারশপটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ থেকে ২ মার্চ বেশ কিছু পণ্য খোলা বাজারের চেয়ে কম দামে স্বপ্নের আউটলেটে গ্রাহকরা কিনতে পারবেন।

রমজান উপলক্ষে বিভিন্ন পণ্যে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে দেশের অন্যতম সুপারশপ ‘স্বপ্ন’।

সুপারশপটির কর্তৃপক্ষ জানায়, ১ থেকে ২ মার্চ বেশ কিছু পণ্য খোলা বাজারের চেয়ে কম দামে স্বপ্নের আউটলেটে গ্রাহকরা কিনতে পারবেন।

ছাড় দেয়ার পর স্বপ্নের পণ্যের দাম

ছোলা (প্রতি কেজি) ৯৯ টাকা (ভ্যাট নেই), নতুন আলু (প্রতি কেজি) ২৬ টাকা (ভ্যাট নেই), গরুর মাংস (প্রতি কেজি) ৭৪০ টাকা (ভ্যাট নেই), ফার্মের ডিম (প্রতিটি) ১০ টাকা ৯৫ পয়সা (ভ্যাট নেই), ইলিশ (৪০০-৪৯৯ গ্রাম) প্রতিটি ৩৭৫ টাকা (ভ্যাট নেই) ও রুই মাছ (১ থেকে ১ দশমিক ৪৯৯ কেজি) ২৯৫ টাকা (ভ্যাট নেই)।

পুষ্টি সয়াবিন তেল (৫ লিটার) ৭৭৫ টাকা (ভ্যাট নেই), মিনিকেট প্রিমিয়াম চাল ৬৮ টাকা (ভ্যাট নেই), নাজিরশাইল প্রিমিয়াম চাল ৭৩ টাকা (ভ্যাট নেই), এসিআই অ্যারোমা/পুষ্টি চিনিগুঁড়া চাল (প্রতি কেজি) ১৫০ টাকা, ফ্রেশ লবণ (প্রতি কেজি) ৩৫ টাকা ৭০ পয়সা, ইনস্ট্যান্ট ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার ১ হাজার গ্রাম ৭৪০ টাকা ২৫ পয়সা, এসিআই পিউর চিক বেসন (৫০০ গ্রাম) ১০৫ টাকা।

এ ছাড়া রুহ আফজা ৭৫০ মিলি ৫৪০.৭৫ টাকা, নিউট্রোলাইফ জুস ১ লিটার ২৪৬ টাকা ৭৫ পয়সা, ইস্পাহানি মির্জাপুর বেস্টলিফ চা ৪০০ গ্রাম ১৭৮ টাকা ৫০ পয়সা, মসুর ডাল (ছোট দানা-১ কেজি) ১২৩ টাকা (ভ্যাট নেই), এসিআই পিউর হলুদ/মরিচ পাউডার-২০০ গ্রাম ৮৪ টাকা, তীর হালিম মিক্সড-২০০ গ্রাম ৪৯ টাকা ৯৮, কোকাকোলা/স্প্রাইট ২ দশমিক ২৫ লিটার ১৪১ টাকা ৭৫ পয়সা ও সানসিল্ক শ্যাম্পু (৩৪০ +-১০ মিলি) ৩৩৬ টাকা।

এর বাইরে মুড়ি, চিড়া, মসলা, বেবি ডায়াপারসহ বিভিন্ন পণ্যে থাকবে ছাড়। এসিআই/পুষ্টির আটা-ময়দার ২ কেজি প্যাকে থাকছে ১৭ টাকা ছাড়।

একটি পরিবারের ঘরের মাসের বাজারে স্বপ্ন সবগুলো প্রয়োজনীয় পণ্যে সর্বোচ্চ ডিসকাউন্ট দিচ্ছে। এ ছাড়া খোলা চাল, ডাল, চিনি, আলু, পেঁয়াজ, মাছ ও মাংসে কোনো ভ্যাট নেই।

আরও পড়ুন:
‘স্বপ্ন’ এখন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়
স্বপ্নতে ১৫ ও ১৬ ডিসেম্বর অবিশ্বাস্য ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে নানান পণ্য
বিনা টিকিটে বিমানে চড়া জুনায়েদের আরেকটি স্বপ্ন পূরণ
ছাড়ে ডিম, মাছসহ নানা পণ্য বিক্রি করছে ‘স্বপ্ন’
‘স্বপ্ন’ সুপারশপে ছাড়ে মিলছে আলু, ডিম, মাছ-মাংসসহ দৈনন্দিন পণ্য

মন্তব্য

p
উপরে