× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Italys support is expected to maintain trade privileges
hear-news
player
google_news print-icon

বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা

বাণিজ্য-সুবিধা-বহাল-রাখতে-ইতালির-সমর্থন-প্রত্যাশা
বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতা ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
বর্তমানে ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার বা জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের পর উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। তখন অন্যান্য দেশের মতো প্রযোজ্য হারে শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে।

স্বল্পোন্নত দেশ–এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যাওয়ার পর বাংলাদেশ যাতে বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে, সে জন্য বিদ্যমান বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন চান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার ঢাকায় নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতার সঙ্গে সচিবালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এ সহযোগিতা চান মন্ত্রী।

বর্তমানে ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নে তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানিতে অগ্রাধিকারমূলক বাজার বা জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ।

২০২৬ সালের পর উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার কথা বাংলাদেশের। উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নে জিএসপি সুবিধা পাবে না বাংলাদেশ। তখন অন্যান্য দেশের মতো প্রযোজ্য হারে শুল্ক দিয়ে বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে।

যদিও ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাজার সুবিধা দেয়া হবে বলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেছে।

ইতালির রাষ্ট্রদূতের উদ্দেশে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এর মধ্যে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ। তবে এ জন্য আরও কিছু সময় লাগবে। গ্র্যাজুয়েশনের পর জিএসপি সুবিধা অব্যাহত থাকা দরকার। এ বিষয়ে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা করি।

জবাবে ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশ সরকারের বার্তা তিনি ইতালির সরকারপ্রধানের কাছে পৌঁছে দেবেন। ইতালি সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইতালির সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তৈরি পোশাকের বাজারের মধ্যে ইতালি অন্যতম। ইতালিতে অনেক বাংলাদেশি সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন। ইতালির তৈরি যন্ত্রপাতি এবং মেডিক্যাল মেশিনারিজ বাংলাদেশে প্রচুর ব্যবহার হয়। উভয় দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনেক সুযোগ আছে। এ সুযোগ কাজ লাগাতে হবে।

বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ করতে সরকার বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। এখানে কম খরচে দক্ষ জনশক্তি ব্যবহারের সুযোগ আছে। এখানে কম খরচে বিশ্বমানের পণ্য উৎপাদন সম্ভব। ইতালির উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে। বেশ কিছু ইপিজেড উদ্বোধন করা হয়েছে, অনেকগুলোর কাজ শেষ পর্যায়ে।

ইতালির ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান মন্ত্রী।

রাষ্ট্রদূত এনরিকো নানজিয়াতা বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক উৎপাদনে বেশ সফল হয়েছে। বিশ্ববাজারে মেড ইন বাংলাদেশ ভালো ব্র্যান্ড। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ইতালিতে বেশ জনপ্রিয়। ইতালির অনেক পণ্য বাংলাদেশ আমদানি করে।

উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ইতালি সরকার পর্যটনকে খুবই গুরুত্ব দেয়, এ ক্ষেত্রে পর্যটক বিনিময়ও হতে পারে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিংসহ বিভিন্ন পণ্য ইতালিতে রপ্তানি করে প্রায় ১৭১ কোটি মার্কিন ডলার আয় হয়েছে। একই সময়ে বাংলাদেশ আমদানি করেছে ৫৫ কোটি ডলারের পণ্য।

আরও পড়ুন:
বিনিয়োগে পর্যাপ্ত সুযোগ ও নিরাপত্তা দিচ্ছে বাংলাদেশ : বাণিজ্যমন্ত্রী
‘শ্রমিকের ঘামের মূল্য রক্তের চেয়ে কম নয়’
সেপা চুক্তি হলে দু’দেশই লাভবান হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়োজনে সাংঘর্ষিক আইন সংশোধন হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী
‘অত্যাবশ্যকীয়’ পণ্য তালিকায় সিগারেট থাকছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
UK plans to deploy troops to counter protests

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা

উত্তাল ব্রিটেনে সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে যুক্তরাজ্যে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি  হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

সরকারি কর্মীরা বিক্ষোভ বন্ধ না করলে বড়দিনের আগে সেনা মোতায়েন হতে পারে যুক্তরাজ্যে। মুদ্রাস্ফীতি ও বেকারত্বের প্রতিবাদে বিভিন্ন খাতে তুমুল আন্দোলন চলছে দেশটিতে। বর্তমানে বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে নার্স এবং অ্যাম্বুলেন্স কর্মীরা।

ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান নাদিম জাহাবি রোববার বলেন, ‘ইউনিয়নগুলোর প্রতি আমাদের একটি বার্তা আছে। সেটি হলো, এখন ধর্মঘটের সময় না। এখন আলোচনা করার সময়। আমরা সামরিক বাহিনী মোতায়েনের কথা ভাবছি। প্রয়োজনে সেনারা অ্যাম্বুলেন্স চালাবে বলেও জানান কনজার্ভেটিভ বাহিনীর প্রধান।’

শুরু থেকেই বিক্ষোভ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে আসছিল ব্রিটিশ সরকার। তাদের ভাষ্য, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় বেতন-ভাতা বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এখন যদি তা বাড়ানো হয়, তবে মুদ্রাস্ফীতি ভয়াবহ হয়ে উঠবে।

যুক্তরাজ্যের খুচরা ইলেকট্রিক্যাল পণ্য বিক্রয়ের কোম্পানি কারিসের প্রধান নির্বাহী অ্যালেক্স ব্যালডক জানান, বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকতে তারা পণ্য সরবরাহের জন্য রয়্যাল মেইল ব্যবহার করবে না। রয়্যাল মেইল হলো ব্রিটিশ সরকারের পোস্টাল সার্ভিস; ১৫১৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

চলতি বছর রয়্যাল মেইলের পোস্ট এবং পার্সেল বিভাগের কর্মীরা বেতন-ভাতা ও কাজের শর্তাবলি নিয়ে কয়েক দফা আন্দোলন করে। ডিসেম্বরে আরও বড় পরিসরে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করছে তারা।

যুক্তরাজ্যে চলমান অর্থনৈতিক মন্দা আর রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্যুব নেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্দা কাটিয়ে না উঠতে পারলে পরবর্তী নির্বাচনে কনজার্ভেটিভ পার্টি ব্যাপক ভরাভুবির মুখে পড়তে পারে।

দ্য সানডে টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক এবং দমকল বাহিনীর মতো পাবলিক সেক্টরের কর্মীদের আন্দোলনের অধিকার রোধ করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সুনাক। নতুন বছরে যদি পরিস্থিতি না ঠিক হয় তবে স্বাস্থ্যকর্মীদের জায়গায় ফার্মাসিস্টদের কাজে লাগাতে পারে ব্রিটিশ সরকার।

চলমান উত্যপ্ত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সরকারে আসার চেষ্টায় ব্যস্ত দেশটির প্রধান বিরোধীদল-লেবার পার্টি। সংকট নিরসনে তারা সরকারিকর্মীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে কনজারভেটিভদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

ব্রিটেনের বিক্ষোভের ঢেউ লেগেছে স্কটল্যান্ডেও। চার দশকের মধ্যে এই দেশটির শিক্ষকরা একটি ভাতার চুক্তি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন। ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসেও হাজার হাজার শিক্ষক এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কর্মীরা বেতন এবং তহবিল নিয়ে বিরোধের জেরে ধর্মঘটে নামবেন কিনা তা নিয়ে ভোট দিচ্ছেন।

যুক্তরাজ্যের এমন পরিস্থিতির জন্য আবারও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দুষেছেন কনজারভেটিভ প্রধান জাহাবি। তার দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে যুক্তরাজ্যে জ্বালানির দাম ও মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Biden also read Putin also read Falling from the stairs defecating in Putins clothes

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন

সিঁড়ি থেকে পড়ে গেলেন ‘অসুস্থ’ পুতিন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত
‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাত দিয়ে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে চলতি সপ্তাহে মস্কোতে নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট।

গুরুতর অসুস্থ থাকায় সিঁড়ি থেকে পড়ে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। আমেরিকান সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনটা দাবি করা হয়েছে।

‘জেনারেল এসভিআর’ নামের সাবেক এক রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তার টেলিগ্রাম চ্যানেলের বরাতে এনওয়াই পোস্ট দাবি করে, চলতি সপ্তাহে মস্কোর নিজবাস ভবনে সিঁড়ি থেকে পড়ে যান রুশ প্রেসিডেন্ট। বেশ কয়েক ধাপ গড়িয়ে নিচে নামেন তিনি। এ সময় পাকস্থলিতে ক্যানসার থাকায় অনিচ্ছাকৃত মলত্যাগ করে পোশাকও নোংরা করে ফেলেন পুতিন।

পুতিনের শারীরিক সমস্যা-সংক্রান্ত নানা গুঞ্জনের কথা শোনা যাচ্ছে বেশ কয়েক মাস ধরেই। বিশেষত রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর থেকেই পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এমন দাবি করছে।

গত মাসেই কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেলের সঙ্গে বৈঠকের সময় পুতিনের হাত কাঁপতে দেখা যায়। ওই সময় পুতিনের পা কাঁপতেও দেখা যায়।

পুতিনের ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীও জানিয়েছেন, ব্লাড ক্যানসারে ভুগছেন পুতিন।

পুতিনের অসুস্থ হওয়ার খবর এই প্রথম নয়। প্রেসিডেন্ট পুতিনের মুখপাত্র ২০১৪ সালে মার্কিন গণমাধ্যমের এ ধরনের প্রতিবেদনের নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘তাদের ফাঁদ বন্ধ করা উচিত।’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The West fixed the price of oil Russia is bent

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া

তেলের দাম বেঁধে দিল পশ্চিমারা, বেঁকে বসেছে রাশিয়া সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল পরিবহন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

ইউক্রেনের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। এমন পরিস্থিতিতে রাশিয়ার আয় কমাতে দেশটির অন্যতম রপ্তানিপণ্য জ্বালানি তেলের দাম বেঁধে দিয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর জোট জি-৭।

শুক্রবার পশ্চিমা জোট জানায়, সমুদ্রপথে আসা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার বা এর চেয়ে কম দামে কিনতে হবে।

সোমবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

রাশিয়া বলেছে যে এই দামে তারা তেল সরবরাহ করবে না।

আর ইউক্রেন বলেছে, পশ্চিমা-প্রস্তাবিত এই দাম অর্ধেক করা উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তেলের দাম বেঁধে দিলে আয় কমে যাবে রাশিয়ার। এই উদ্যোগ যুদ্ধে মস্কোর অর্থ ঢালার সামর্থ্যের লাগাম টেনে ধরবে।

বিশ্বের শীর্ষ সাত অর্থনীতির দেশের জোট জি৭-এর পক্ষ থেকে গত সেপ্টেম্বরে জানানো হয়, ডিসেম্বর মাসের মধ্যে তেলের দাম কমানোর বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছবে তারা। তারই ধারাবাহিকতায় পশ্চিমা দেশগুলো এমন উদ্যোগ নিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন বলেন, তেলের দাম বেঁধে দেয়ায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আয়ের উৎস আরও সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। তিনি নৃশংস যুদ্ধে অর্থায়নের জন্য যে অর্থ ব্যবহার করছেন তা সীমিত হয়ে আসবে।

সমুদ্রপথে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সরবরাহে ইউরোপের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ৫ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে এই দাম বেঁধে দেয়ার কথা জানালো জি-৭। বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বৃদ্ধি রোধ করাও এই দাম বেঁধে দেয়ার লক্ষ্য বলে জি-৭-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জি-৭ দেশগুলোর নীতিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো বেঁধে দেয়া দামে কেবল সমুদ্রপথে পরিবহন করা রুশ তেল এবং পেট্রোলিয়াম-পণ্য কেনার অনুমতি পাবে। নির্ধারিত দামের চেয়ে ব্যারেলপ্রতি বেশি অর্থ প্রদান না করলে পশ্চিমা বিমা ও সামুদ্রিক পরিষেবা ব্যবহার করে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল আমদানি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেবে জি-৭।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Biden is ready to meet with Putin to stop the war

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রস্তুত বাইডেন
ইউক্রেন ইস্যুতে বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। ছবি: সংগৃহীত
হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বাইডেন। এ সময় দুই শক্তিধর দেশের রাষ্ট্রপ্রধানই রাশিয়ার যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান জানান।

বাইডেন বলেন, ‘আমি পুতিনের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত... যদি সত্যিই তিনি যুদ্ধ শেষ করতে চান।’

পুতিনের সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক নিয়ে ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘আমাদের স্বার্থ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রুশ প্রেসিডেন্ট বৈঠকে রাজি।’

যদিও ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে আমেরিকার শর্ত মানতে প্রস্তুত নয় মস্কো। প্রেসিডেন্ট বাইডেন আসলে কী বলেছেন? তিনি বলেছেন যে পুতিন ইউক্রেন ছেড়ে যাওয়ার পরই আলোচনা সম্ভব। ’

যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত আলোচনার ক্ষেত্রকে জটিল করে তুলেছে উল্লেখ করে পেসকোভ বলেন, ‘ইউক্রেন থেকে নেয়া নতুন রুশ অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র।’

এদিকে বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানান, যেসব বিষয় ইউক্রেনীয়দের গ্রহণযোগ্য নয়, সেসব বিষয়ে দেশটির নাগরিকদের আপসের অনুরোধ তিনি করবেন না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মাইখাইলো পোডোলিয়াক জানিয়েছেন, যুদ্ধে তাদের ১০ থেকে ১৩ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ইউক্রেন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি।

গত মাসে আমেরিকান জেনারেল মার্ক মিলি বলেছিলেন, ‘যুদ্ধ শুরুর থেকে ইউক্রেনের ১ লাখ এবং রাশিয়ার ১ লাখ সেনা হতাহত হয়েছেন।’

এক ভিডিও বার্তায় বুধবার ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডের লেইন বলেন, ‘রুশ হামলায় এক লাখ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন। পরে অবশ্য ইউরোপীয় কমিশনের একজন মুখপাত্র জানান, হতাহতার এই সংখ্যা ভুল ছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান আরও জানান, ইউক্রেন যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার বেসামরিক নাগরিকও প্রাণ হারিয়েছেন।’

হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দেন। এতে কিয়েভের জন্য বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্যারিসে ইউক্রেন ইস্যুতে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। সম্মেলনটি ১৩ ডিসেম্বর হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন
শান্তি আলোচনার শর্ত জানাল রাশিয়া
কিয়েভে তুষারপাত, বিদ্যুতের অভাবে শীতে জবুথবু মানুষ
খেরসন ছাড়ার পর রাশিয়ার ছোড়া গোলায় নিহত ৩২: ইউক্রেন
মিসাইল ভান্ডার ফুরিয়েছে রাশিয়ার, দাবি ব্রিটিশ গোয়েন্দাদের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Maximum 13 thousand soldiers killed in the war Ukraine

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন

যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার সেনা নিহত: ইউক্রেন ইউক্রেনের ত্রস্তিয়ানেৎস শহরে যুদ্ধের পর রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জামের পাশে ইউক্রেনীয় সেনা। ছবি: এএফপি
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, যুদ্ধে দেশটির নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সঙ্গে শুরু হওয়া যুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইলো পোদোলিয়াক বলেছেন, নিহত সেনার সংখ্যা ১০ থেকে ১৩ হাজার।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে যুদ্ধে প্রাণ হারানো সেনাদের সংখ্যা প্রকাশের ঘটনা বিরল। যদিও পোদোলিয়াকের দেয়া তথ্যটি নিশ্চিত করেনি দেশটির সেনাবাহিনী।

এর আগে জুনে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টের এই উপদেষ্টা বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে লড়াইয়ে দৈনিক প্রাণ হারাচ্ছেন ১০০ থেকে ২০০ ইউক্রেনীয় সেনা।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ চেয়ারম্যান মার্ক মিলি জানান, যুদ্ধের শুরু থেকে প্রায় ১ লাখ রুশ এবং সমসংখ্যক ইউক্রেনীয় সেনা হতাহত হয়েছেন।

গত বুধবার এক ভিডিও বার্তায় ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন দার লিয়েন বলেন, যুদ্ধে নিহত ইউক্রেনীয় সেনার সংখ্যা ১ লাখ।

ওই বক্তব্যের পর ইউরোপীয় কমিশনের এক মুখপাত্র জানান, উরসুলার বক্তব্যটি ভুল ছিল। ওই ১ লাখের মধ্যে নিহত ও আহত রয়েছেন।

ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল টোয়েন্টিফোরকে পোদোলিয়াক বলেন, নিহতের সংখ্যা নিয়ে খোলাখুলি কথা বলছে কিয়েভ।

তার ভাষ্য, বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া দাপ্তরিক তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ১০ হাজার থেকে সাড়ে ১২ কিংবা ১৩ হাজার সেনা।

আরও পড়ুন:
ইউক্রেনের পাশাপাশি মলদোভায়ও ব্ল্যাকআউট
সেনা হত্যায় কড়া প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার
জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করলেন ঋষি সুনাক
এবার ইউক্রেনের গ্যাস প্ল্যান্টে রুশ হামলা  
রুশ ক্ষেপণাস্ত্রে পোল্যান্ডে প্রাণহানি: বসছেন ন্যাটো নেতারা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Letter bombs target Prime Minister and US Embassy in Spain

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক

স্পেনে ‘লেটার বম্ব’ আতঙ্ক ‘লেটার বোম্ব’ আতঙ্কে স্পেনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং রাজধানী মাদ্রিদে আমেরিকান দূতাবাসে ‘লেটার বম্ব’ দেয়ার পর ইউরোপের দেশটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এ নিয়ে স্পেনে ছয়টি ‘লেটার বম্ব’ শনাক্তের ঘটনা ঘটল।

‘লেটার বম্ব’ হলো এমন একটি বোমা যা চিঠি বা পার্সেল আকারে পাঠানো হয় এবং খোলার সময় এটি বিস্ফোরিত হয়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র বলেছে, ডিভাইসগুলো বাড়িতে তৈরি হলেও, এর জন্য দক্ষ লোক দরকার। তদন্তকারীরা এখন এগুলোর প্রকৃত উৎস খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।

স্পেনে আমেরিকান দূতাবাসে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ ‘লেটার বম্বটি’ শনাক্ত করা হয়।

এর আগে একটি ‘লেটার বম্ব’ মাদ্রিদের কাছে একটি বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছিল। সেটি বৃহস্পতিবার ভোরের আগেই শনাক্ত করা হয়। এ ছাড়া বুধবার স্পেনের ইউক্রেন দূতাবাসে পাঠানো ‘লেটার বম্বের’ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে একজন আহত হন। আরেকটি অস্ত্র প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পাঠানো ‘লেটার বম্বটি’ নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এদিকে গত ২৪ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের অফিস মনক্লোয়া কম্পাউন্ডে ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়। সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

স্পেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়েও একটি ‘লেটার বম্ব’ পাঠানো হয়েছে বলে জানায় স্পেনের নিরাপত্তা বিষয়ক জুনিয়র মন্ত্রী রাফায়েল পেরেজ।

আরও পড়ুন:
জাপানকে হারিয়ে প্রথমবার বিশ্বকাপ জিতল স্পেন
ঘেরের পাশে বাঘের হাঁটাহাঁটি, গোলাখালী গ্রামে আতঙ্ক
সম্পর্কের ৫০: প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা স্পেনের প্রেসিডেন্টের
যৌনবৃত্তি বন্ধের অঙ্গীকার স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর
ইউরোপে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে গোলবন্যা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Harry Meghan relationship trailer on Netflix

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে নেটফ্লিক্স ডকুমেন্টারিতে সাসেক্সের ডিউক এবং ডাচেস। ছবি: সংগৃহীত
ডকুমেন্টারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতির কিছু ব্যক্তিগত ছবি রয়েছে, এগুলো আগে কখনও প্রকাশ হয়নি। বলা হচ্ছে, এটি একটি বৈশ্বিক ঘটনা।’   

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হ্যারি এবং তার স্ত্রী মেগানের নতুন ডকুমেন্টারি সিরিজের ট্রেলার প্রকাশ করেছে নেটফ্লিক্স। এক মিনিটের ট্রেলারে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের সঙ্গে দম্পতির অপ্রকাশিত কিছু সাদা-কালো ছবি দেখা গেছে।

ট্রেলারে দম্পতিকে প্রশ্ন করা হয় কেন তারা এই ডকুমেন্টারি বানাতে চান? যার উত্তরে হ্যারি বলেন, ‘বন্ধ দরজার আড়ালে কি ঘটছে তা কেউ দেখে না।

‘পরিবারকে রক্ষা করার জন্য যা যা করা সম্ভব আমাকে তাই করতে হয়েছিল’... এ সময় পাশে থাকা মেগানকে চোখের পানি মুছতে দেখা যায়।

মেগানের একটি বক্তব্য দিয়ে ট্রেলারটি শেষ হয়।

মেগান বলেন, ‘যেহেতু বিষয়টা এতোই গুরুত্বপূর্ণ, তখন আমাদের গল্পটা আমাদের কাছ থেকেই শোনা ভালো না?’

ট্রেলারে যে ছবিগুলো প্রকাশ হয়েছে সেগুলোর মধ্যে আছে, ২০২০ সালে কমনওয়েলথ ডে সার্ভিসে বড় ভাই উইলিয়াম ও ভাবী কেটের সঙ্গে হ্যারি-মেগান দম্পতির ছবি। রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে জনসম্মক্ষে তাদের সর্বশেষ উপস্থিতি ছিল সেদিন।

রান্নাঘরের টেবিলে বসা মেগানকে চুমো খাচ্ছেন হ্যারি...এমন আনন্দের মুহূর্তের ছবিও আছে ট্রেলারে। এ ছাড়া নবদম্পতি তাদের বিয়েতে নাচছে, একটি ফটোবুথে পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে এবং মেগানের বেবি বাম্পের ছবিও প্রকাশ হয়েছে ট্রেলারে।

এসবের পাশাপাশি তাদের কষ্টের মুহুর্তগুলোও স্থান পেয়েছে ট্রেলারে; যেখানে মেগানকে চোখের পানি মুছতে এবং মুখ ঢেকে বসে থাকতে দেখা যায়।

হ্যারি-মেগান সম্পর্কের ট্রেলার নেটফ্লিক্সে

হ্যারি অ্যান্ড মেগান শিরোনামের ডকুমেন্টারিটিকে একটি ‘গ্লোবাল ইভেন্ট’ বলে বর্ণনা করছে নেটফ্লিক্স। ‘শিগগিরই আসছে’ লেখা দিয়ে ট্রেলারটি শেষ হয়। ধারণা করা হচ্ছে, ৮ ডিসেম্বর এটি মুক্তি পাবে।

নেটফ্লিক্স জানায়, বিয়ের পরপর হ্যারি-মেগানের গোপন দিনগুলো; রাজপরিবার থেকে তাদের দূরে সরে যাওয়া বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে ডকুমেন্টারিতে। এতে হ্যারি-মেগান দম্পতির বন্ধু, তাদের পরিবার এবং রাজকীয় ইতিহাসবিদদের বক্তব্যও রয়েছে।

নেটফ্লিক্স জানায়, সিরিজটিতে এক দম্পতির প্রেমের গল্পের চেয়েও বেশি কিছু রয়েছে। এখানে বিশ্ব এবং একে-অপরের সঙ্গে আমরা কেমন আচরণ করি, সেসবের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

এমি-জয়ী পরিচালক লিজ গারবাস এটি নির্মাণ করেছেন। দুইবার একাডেমি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি।

রাজতন্ত্র ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার পর নেটফ্লিক্স এবং স্পোটিফাই-এর সঙ্গে ‘লোভনীয়’ চুক্তিতে সই করেন হ্যারি-মেগান। বলা হচ্ছে, এই চুক্তির মূল্য ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড।

মন্তব্য

p
উপরে