× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Relief on imports is raising concern over remittances
google_news print-icon

আমদানিতে স্বস্তি, রেমিট্যান্সে উদ্বেগ বাড়ছে

আমদানিতে-স্বস্তি-রেমিট্যান্সে-উদ্বেগ-বাড়ছে
নভেম্বর মাসের প্রথম ১৮ দিনে ১০৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মাসের বাকি ১২ দিনে এই হারে রেমিট্যান্স এলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো এই মাসেও দেড় বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি রেমিট্যান্স আসবে। অথচ চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন তারা।   

অস্বাভাবিক আমদানি ব্যয়ের লাগাম টেনে ধরতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নানা পদক্ষেপের বেশ ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। বেশ কমেছে আমদানি; পণ্য আমদানির ঋণপত্র বা এলসি খোলার পরিমাণ অর্ধেকে নেমে এসেছে। এক ধরনের স্বস্তি বোধ করছে সরকার।

কিন্তু বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ধারাবাহিকভাবে কমায় বেশ অস্বস্তিতে আছে সরকার। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো চলতি নভেম্বর মাসেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার চলতি মাসের রেমিট্যান্স প্রবাহের ১৮ দিনের তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, নভেম্বর মাসের প্রথম ১৮ দিনে ১০৬ কোটি (১.০৬ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৫ কোটি ৮৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

ডলারের বাজারের অস্থিরতার কারণে অবৈধ হুন্ডি বেড়ে যাওয়ায় রেমিট্যান্স কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। এটা বন্ধ করতে না পারলে রিজার্ভের পরিমাণ আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে প্রতিদিন গড়ে ৭ কোটি ডলার করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

চলতি মাসের বাকি ১২ দিনে এই হারে রেমিট্যান্স এলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো নভেম্বর মাসেও দেড় বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি রেমিট্যান্স আসবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। জুলাইয়ে এসেছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার; যা ছিল আগের ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ। আগস্টে আসে ২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ। ওই দুই মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ছিল ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা ছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এসেছিল। পরের মাস অক্টোবরে এসেছিল ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এ মাসে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ (১.৫২ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

গত বছরের অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৯ লাখ (১.৬৪ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল। আগের মাস সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে এই অক্টোবরে ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে। আর সেপ্টেম্বরের চেয়ে কম এসেছে ১ শতাংশের মতো।

গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ (১.৪৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এর আট মাস পর সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স আসে অক্টোবরে।

রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক কমায় বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ নেমেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে।

রোববার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের আগস্টে এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক বছর আগে ১৭ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৪৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

আমদানিতে স্বস্তি, রেমিট্যান্সে উদ্বেগ বাড়ছে

তবে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে এখনো প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। এই চার মাসে ৭১৯ কোটি ৮৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি।

গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেও (জুলাই-আগস্ট) রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। তবে সেপ্টেম্বরে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সবশেষ যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে অক্টোবর মাসে রেমিট্যান্সের মতো রপ্তানি আয়ও বেশ কম আসবে। এই মাসে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ। আর এই দুই সূচকে নেতিবাচক ধারার কারণেই রিজার্ভ নেমেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। ২০২০ সালের ৩০ জুনের পর যা সর্বনিম্ন। গত আগস্ট মাসে আমদানি খাতে ব্যয় হয়েছে ৬ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

এলসি খোলা অর্ধেকে নেমেছে

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার পণ্য আমদানির হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, নানা শর্তারোপের কারণে এপ্রিল থেকে টানা কমছে পণ্য আমদানির এলসি খোলার পরিমাণ। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত মার্চ মাসে ৯৮০ কোটি (৯.৮০ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খুলেছিলেন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এপ্রিলে তা কমে ৮৪২ কোটি ডলারে নেমে আসে। মে মাসে তা আরও কমে ৭২৮ কোটি ডলারে নেমে আসে। জুন মাসে অবশ্য বেড়ে ৮৪৯ কোটি ডলারে ওঠে।

আমদানিতে স্বস্তি, রেমিট্যান্সে উদ্বেগ বাড়ছে

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এলসি খোলার পরিমাণ ছিল ৬৩৯ কোটি ডলার। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে খোলা হয় যথাক্রমে ৬৬২ কোটি ও ৬৫১ কোটি ডলারের এলসি। অক্টোবরে তা এক ধাক্কায় ৪৭৪ কোটি ডলারে নেমে আসে। চলতি নভেম্বর মাসের ১৬ দিনে (১ থেকে ১৬ নভেম্বর) ১৭০ কোটি ৩৪ লাখ ডলারের এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ কম।

তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির জন্য ২ হাজার ৪২৭ কোটি (২৪.২৭ বিলিয়ন) ডলারের এলসি খোলা হয়েছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৩১ কোটি ডলার বা ১৫ শতাংশ কম। গত বছরের এই চার মাসে ২ হাজার ৮৫৮ কোটি ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। তবে জুলাই-অক্টোবর সময়ে এলসি নিষ্পত্তির পরিমাণ বেড়েছে ২৫ শতাংশ।

বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আমদানি কমাকে দেশের অর্থনীতির জন্য ‘মঙ্গল’হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। তারা বলেছেন, এই মুহূর্তে এটারই খুব দরকার ছিল। আমদানি কমলে ডলারের বাজারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আমদানি কমায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে বাংলাদেশের উত্তরণবিষয়ক জাতীয় সেমিনারে গভর্নর বলেন, ‘আড়াই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের বিভিন্ন বিভিন্ন দেশের মতো আমাদের অর্থনীতিও চাপে পড়েছিল। আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছিল। যার ফলে রিজার্ভ কমে গেছে। কিন্তু এখন পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। আমদানি বেশ কমেছে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সের পরিমাণ আমদানির তুলনায় বেশি হওয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে দেশে ডলারের কোনো সংকট থাকবে না। রিজার্ভও বাড়বে।’

ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নতুন এলসি খোলা যেটা কমেছে সেটার প্রভাব দেখতে পাওয়া আরও কয়েক মাস পরে। ২০২৩ সালের প্রথম দিকে সেটা কমে আসবে। এখন যেসব এলসি নিষ্পত্তি হচ্ছে সেগুলো ছয় মাস বা এক বছর আগের খোলা ডেফার্ড এলসি। যার ফলে ব্যয় বাড়ছে। এতে ব্যাংকগুলোতে বেশি চাপ পড়ছে, যা আগামী দুই-তিন মাস অব্যাহত থাকবে। আশা করা যায়, নতুন বছরের শুরু থেকেই আমদানি খরচ আরও কমে আসবে। ডলারের বাজারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, করোনা মহামারি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় গত ২০২১-২২ অর্থবছরের শুরু থেকেই আমদানি খাতে খরচ বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত বড় উল্লম্ফনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় অর্থবছর, রেকর্ড ৮৯ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৩৬ শতাংশ বেশি।

আমদানি কমাতে নানা পদক্ষেপ

আমদানি কমাতে প্রথম পদক্ষেপ নেয়া হয় ১৭ এপ্রিল। ওই দিন এক সার্কুলারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক শিশুখাদ্য, জ্বালানিসহ অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য, জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, স্থানীয় ও রপ্তানিমুখী শিল্প এবং কৃষি খাতসংশ্লিষ্ট পণ্য আমদানি ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানির বিপরীতে ঋণপত্র স্থাপনের (এলসি) নগদ মার্জিন হার ন্যূনতম ২৫ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর ১০ মে বিলাসপণ্য আমদানি কমাতে আরও কড়াকড়ি আরোপ করে আরেকটি সার্কুলার জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্সসামগ্রীর আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৭৫ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে। একই সঙ্গে অতি জরুরি পণ্য ছাড়া অন্য সব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে।

সর্বশেষ গত ৫ জুলাই আরও কড়াকড়ি আরোপ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সব ধরনের মোটরকার, হোম অ্যাপ্লায়েন্স হিসেবে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক্যাল এবং ইলেকট্রনিকসসামগ্রী, প্রসাধনী, স্বর্ণালংকার, তৈরি পোশাক, গৃহস্থালি বৈদ্যুতিকসামগ্রী বা হোম অ্যাপ্লায়েন্স, পানীয়সহ বেশ কিছু পণ্য আমদানিতে এখন থেকে ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের ঋণ সুবিধা পাবেন না আমদানিকারকরা। এসব পণ্যের আমদানি ঋণপত্র খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ নগদ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হবে, এর আগে যা ছিল ৭৫ শতাংশ।

রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে ব্যয়সংকোচনের পথ বেছে নেয় সরকার। অতি প্রয়োজন ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের কর্তাদেরও বিদেশ সফর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কম গুরুত্বপূর্ণ আমদানিনির্ভর প্রকল্পের বাস্তবায়ন আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রিজার্ভ আবার চুরি হয় কীভাবে: প্রধানমন্ত্রী
রেমিট্যান্সে ভাটায় ‘হুন্ডির প্রভাব’, রিজার্ভ আরও কমার শঙ্কা
বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রবাসী খুন
‘কালোটাকা ও অর্থ পাচার রেমিট্যান্সে বড় বাধা’
৩৪ বিলিয়নে নামল রিজার্ভ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
One and a half million mobile handsets in one IMEI number

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট!

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল হ্যান্ডসেট! বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে আমন্ত্রিরা। ছবি: সংগৃহীত
টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয়- এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামিদামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এমন অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার শাহেদ আলম।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে এখন পাঁচটি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপরে হ্যান্ডসেট। দেড় লাখ হ্যান্ডসেটে আছে একটিমাত্র আইএমইআই নম্বর; সব কপি।

‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইডলাইন দেয়া হয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না; কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।’

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী।

জবাবে তিনি বলেন, ‘এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল জব্দ করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে; দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। শুধু মোবাইল নয়, গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।’

সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহ-সভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ‘ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।’

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে।

তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আরও পড়ুন:
প্রাইভেটকারের ভেতর ২৯৭টি স্মার্টফোন
দেশের বাজারে এন্ট্রি লেভেলের স্মার্টফোন রিয়েলমি সি৩০

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Big Boss King Tiger Bullet and Rock are coming to shake the market

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক

বাজার কাঁপাতে আসছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বাজার ধরতে নানা বাহারি নামে গরু মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করছেন মৌলভীবাজারের খামারিরা। এরই মধ্যে অনেক খামারে শুরু হয়ে গেছে আগাম বেচাবিক্রি। খামারিরা জানিয়েছেন, এবার অন্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভালো দামে গরু বিক্রির আশা করছেন তারা।

লাভজনক হওয়ায় দেশে এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে গরুর খামার। প্রতি বছরই নতুন নতুন মানুষ যুক্ত হচ্ছে খামার ব্যবসায়। সফলতাও পাচ্ছেন অনেকে। এমনই এক সফল খামারি হচ্ছেন জুড়ী উপজেলার মেসার্স সিয়াম অ্যাগ্রো ফার্মের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম ছেনু।

বাবা মৃত বজলু মিয়ার হাতে গড়া খামারটির বয়স এখন শত বছরের ওপরে। ছেনুর বাবার মৃত্যুর পর ছেলেরা খামারের হাল ধরেন। এ খামারে বর্তমানে ছোটবড় মিলিয়ে মোট ৬৫টি গরু রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে ক্রেতাদের মন জয় করতে এ খামারে গড়ে তোলা হয়েছে বিগবস, বাদশা, টাইগার, বুলেট ও রক নামের পাঁচটি গরু। এসব গরু দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

সাইফুল ইসলাম ছেনু জানান, মূলত কোরবানির বাজার ধরতে অনেক আগে থেকেই দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। ভারতীয় গরু অনুপ্রবেশ না করলে এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারের ঈদে ভালো মুনাফা পাবেন বলে আশা করছেন।

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ছোটবড় মিলিয়ে ৬৫টি গরু মোটাতাজা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্যতিক্রমী পাঁচটি গরুর আচরণকে কেন্দ্র করে নানা বাহারি নামে ডাকা হচ্ছে। এগুলো দাম ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে চাচ্ছি আমরা।’

জুড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রমাপদ দে জানান, প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় দিনকে দিন বাড়ছে কোরবানির পশুর চাহিদা। সেইসঙ্গে বেড়েছে খামারের সংখ্যা। উপজেলায় ছোটবড় মিলিয়ে প্রায় শতাধিক খামার রয়েছে।

ঈদের আগে খামারগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কেউ যাতে অসৎ উপায়ে গরু মোটাতাজা না করতে পারে, সেজন্যই এ ব্যবস্থা।’

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা ডা. মো. আশরাফুল আলম খান জানান, চাহিদামতো জেলায় ৯৬ হাজার ৭২৮টি গবাদিপশু লালনপালন করে প্রস্তত করা হয়েছে। এ বছর বাইরের দেশ থেকে কোনো পশু না ঢুকলে খামারিরা ভালো দামে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের
নেত্রকোণায় ‘ঘাস খেয়ে’ এক খামারের ২৬ গরুর মৃত্যু
‘রাজা বাবু’র দাম হাঁকা হচ্ছে ৬ লাখ টাকা
ঢাকায় কোরবানির পশুর হাট বসছে বৃহস্পতিবার থেকে
‘সাদা পাহাড়ের’ ওজন ৩৮ মণ, দাম ১৬ লাখ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Career and Networking Day held at IUB

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ছবি: আইইউবি
উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তথা আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে-২০২৪।

আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, ফার্মাসিউটিকাল, প্রযুক্তি, খাদ্য ও কোমল পানীয়, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপন, স্টার্টআপ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সব খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ছিল আইইউবির ক্যারিয়ার ডেতে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিলো রবি, স্কয়ার, হা-মীম গ্রুপ, এবিসি গ্রুপ, পূর্বানী গ্রুপ, এসিআই, বসুন্ধরা, ডোরীন গ্রুপ, ডানকান, রেনাটা, ম্যারিকো, নিটল-নিয়ল গ্রুপ, ব্র্যাক ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, আইডিএলসি, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, জিজিকন টেকনোলজিস, প্রথম আলো, ডিবিসি নিউজ, ম্যাগনিটো ডিজিটাল, ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দিনভর শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মন থেকে ভালোবেসে কাজ করা যায় এমন ক্যারিয়ার বেছে নিতে হবে। বেতন বা সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে প্রলুব্ধ হলে চলবে না। যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছো, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ কেমন সেটা আগে দেখতে হবে এবং বুঝতে হবে তুমি সেই পরিবেশে ভালো করতে পারবে কি না।’

উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যক্তিরা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আরও বেশি বেশি প্রতিষ্ঠান আমাদের এখানে আসছেন।

‘এ জন্য আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এতে প্রমাণ হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবির ওপর আস্থা বাড়ছে।’

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল একাত্তর টেলিভিশন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ রূপান্তর।

আরও পড়ুন:
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক
আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন দিদার এ হোসেইন
আইইউবি-তে মৌলিক পাইথন প্রোগ্রামিং কোর্স করলেন ১০ শিক্ষক
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cashless transactions at Pasurhat in Sindh

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ

সিংড়ায় পশুরহাটে ক্যাশলেস লেনদেনে নগদ
ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় বসেছে কোরবানির পশুর হাট। গরু কেনাবেচার টাকা লেনদেন হচ্ছে দেশের অন্যতম সেরা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে।

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় ক্যাশলেস এই হাটের উদ্যোক্তা ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তার প্রচেষ্টায় করোনা মহামারির সময় থেকে সিংড়া নিয়মিতভাবে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে ক্যাশলেস কোরবানির পশুর হাট।

এই হাটের একমাত্র ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদের মাধ্যমে দেশের সর্বনিম্ন খরচে ক্যাশআউট সুবিধা উপভোগ করছেন। বিশেষ করে প্রতিবছরের পশুর হাটে পকেটমার, মলমটপার্টিসহ নানা ধরনের দৌরাত্ব থেকে রেহাই পাচ্ছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

ডিজিটাল পেমেন্ট বুথ চালু হওয়ায় খুব সহজেই ফোন থেকে লেনদেনের সুযোগ তৈরি হয়েছে সিংড়াবাসীর জন্য। এ ছাড়াও দূরদুরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা পশু বিক্রি শেষে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারছেন নগদের মাধ্যমে ক্যাশলেস লেনদেন করে।

কোরবানির পশুর হাটের এমন উদ্যোগের বিষয়ে নগদের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সিহাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘দেশে ক্যাশলেস লেনদেন উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে প্রথম নাম নগদ। আমরা প্রতিবছর কোরবানির সময় সারা দেশের বিভিন্ন হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের লেনদেন করার নিরাপদ ও সাশ্রয়ী মাধ্যম হিসেবে সেবা দিয়ে থাকি। এ ছাড়া অন্যান্য সেবা তো থাকেই।’

কোরবানির পশুর হাটে আগত যাদের নগদ অ্যাকাউন্ট নেই, ডিজিটাল পেমেন্ট বুথে বসে মাত্র কয়েক মিনিটে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধাও দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ।

সিংড়া উপজেলার মতো দেশের প্রতিটি উপজেলাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্যাশলেস লেনদেনের সুবিধা পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। যার ফলে ক্যাশলেস লেনদেনসহ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়ষ্ক ভাতা, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তিসহ ২৭টি মন্ত্রণালয়ের ভাতা দেশের জনগণের কাছে নগদ সফলভাবে নিরাপদে পৌঁছে দিচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mayor hopes for secure cashless transactions at DNCC animal markets

ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের

ডিএনসিসির পশুর হাটে নিরাপদ ‘ক্যাশলেস’ লেনদেনের আশা মেয়রের বুধবার বিকেলে ডিএনসিসি নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুলের সঙ্গে অন্যান্যরা। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএনসিসির ৬টি কোরবানির পশুর হাটে নগদ টাকা ছাড়াই ডিজিটাল উপায়ে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে কোরবানির পশু কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে ক্যাশলেস ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত হবে।’

বুধবার বিকেলে ডিএনসিসি নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে ‘লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, স্মার্ট হচ্ছে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘ডিএনসিসি পেপারলেস স্মার্ট ডিজিটাল সেবা বৃদ্ধি করতে কাজ করে যাচ্ছে।

‘কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে প্রচুর টাকার লেনদেন হয়। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করতে ডিএনসিসির কোরাবনির পশুর হাটে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি, নকল বা ছেঁড়া/ফাটা নোট-সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হবে। ছিনতাই, মলম পার্টির খপ্পর থেকেও রক্ষা পাবেন তারা।’

তিনি বলেন, ‘হাটে ডিজিটাল বুথ স্থাপন করে তাৎক্ষণিকভাবে ক্রেতার হিসাব থেকে বিক্রেতার হিসেবে টাকা পৌঁছে দেয়া হবে। হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের নগদ টাকা বহন করতে হবে না। হাটের বুথ থেকে ক্রেতারা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এটিএম বুথ, পিওএস মেশিন ব্যবহার করে, মোবাইল ব্যাংকিং ও কিউআর কোডের মাধ্যমে নগদ অর্থ তুলে হাট থেকে কেনা গরুর মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপাশি হাটের হাসিলও দিতে পারবেন এই পদ্ধতিতে। একই সুবিধা ব্যবহার করে বিক্রেতারা তাদের কোরবানির পশু বিক্রির অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, ডিএনসিসির ৬টি কোরবানির পশুর হাটে নগদ টাকা ছাড়াই ডিজিটাল উপায়ে মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে কোরবানির পশু কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।

হাটগুলো হলো- উত্তরা দিয়াবাড়ি ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর-সংলগ্ন খালি জায়গায় কোরবানি পশুর অস্থায়ী হাট, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট-সংলগ্ন খালি জায়গায় কোরবানি পশুর অস্থায়ী হাট, মিরপুর সেকশন-০৬, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (ইস্টার্ন হাউজিং) খালি জায়গায়, ভাটারা সুতিভোলা খাল-সংলগ্ন খালি জায়গায় (ভাটারা সুতিভোলা), মিরপুর গাবতলী গবাদি পশুর হাট (স্থায়ী) এবং মোহাম্মদপুরের বছিলার ৪০ ফুট সড়ক-সংলগ্ন খালি জায়গা।

ডিএনসিসির কোরবানির পশুর হাটে বাংলাদেশ ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করবে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, ব্যাংক এশিয়া পিএলসি, সিটি ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, এবি ব্যাংক পিএলসি, আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি, পূবালী ব্যাংক পিএলসি, মাস্টারকার্ড, অ্যামেক্স, ভিসা, বিকাশ, নগদ ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ)।

২০২২ সালে স্মার্ট ডিএনসিসির কোরবানির হাটে পাইলট কার্যক্রমে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছিল। ২০২৩ সালে ৪৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়।

মাস্টারকার্ডের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়রুল আলম, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী সায়েদুর রহমান, বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মুতাসিম বিল্লাহ, ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ মাহে আলম, অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন, বাংলাদেশ ডেইলি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট মো. ইমরান হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
দেশকে ভালোবাসলে কেউ যেখানে সেখানে ময়লা ফেলতে পারে না: ডিএনসিসি মেয়র
খালের পাড়ে বসবে ক্যামেরা, ময়লা ফেললে ব্যবস্থা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bikash student account advertising with over half a hundred influencers

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

অর্ধশতাধিক ইনফ্লুয়েন্সার দিয়ে বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্টের বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি দেশের ১৪ থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ে এসেছে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে ক্যাম্পেইনের বিজ্ঞাপনটি নতুন রূপে উপস্থাপন করেছেন ৫০ জনেরও বেশি ইনফ্লুয়েন্সার। এর মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল জগতে প্রথমবারের মতো ৫০টিরও বেশি ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে কোনও ক্যাম্পেইন লঞ্চ করল।

বুধবার (১২ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রাবা খান, আমিন হান্নান চৌধুরী, কিটো ভাই, হামজা শায়ান খান, মাইসুন’স ওয়ার্ল্ডের মতো কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের ইউনিফর্ম পড়া স্টুডেন্ট লুকে দেখা যাবে। এই ক্যাম্পেইনে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভিডিওগুলোর মাধ্যমে তরুণরা বিকাশ স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য যা যা প্রয়োজন সে সম্পর্কে জানতে পারবে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর বিভন্নি স্পেশাল অফার পাওয়া যাবে সে সম্পর্কেও জানাচ্ছে এই ক্যাম্পেইন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিজিটাল জন্ম সনদ এবং মা-বাবার সচল বিকাশ অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে স্টুডেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে।

আরও পড়ুন:
বিকাশের ব্র্যান্ড এনডোর্সার হলেন মীম
বিকাশ অ্যাপে যুক্ত হলো আকর্ষণীয় ৫ ফিচার
বিকাশে ভিক্ষা: যা বললেন সেই ব্যবসায়ী
৩০০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে গণতন্ত্র বিকাশ মঞ্চ
বিকাশে চাকরির সুযোগ, কর্মস্থল ঢাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Before Eid the price of gold increased by Tk 1073

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা

ঈদের আগে স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ১০৭৩ টাকা ফাইল ছবি।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার থেকে এই দর কার্যকর হবে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম টানা তিন দফা দাম কমার পর বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। জানানো হয়েছে, বর্ধিত এই দাম বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির মঙ্গলবারের বৈঠকে নতুন করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে ৯ জুন এবং ২৪ ও ২৫ মে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়। তিন দফায় ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে তিন হাজার ৬৬২ টাকা কমানো হয়।

নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৪ টাকা বাড়িয়ে ৯৫ হাজার ৬৯১ এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ৭৩৫ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম দুই হাজার ১০০ টাকা, ২১ ক্যারেট দুই হাজার ছয় টাকা, ১৮ ক্যারেট এক হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা নির্ধারণ করা আছে।

মন্তব্য

p
উপরে