× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
BGMEA urges not to harm the economy
hear-news
player
google_news print-icon

অর্থনীতির ক্ষতি না করতে আহ্বান বিজিএমইএ’র

অর্থনীতির-ক্ষতি-না-করতে-আহ্বান-বিজিএমইএর
মতবিনিময় সভায় বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা মনে করি, যারা রাজনীতি করেন তারা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্যই তা করেন। দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে কোন সভা-সমাবেশ তারা করবেন না। দেশের অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা সরকারি এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসবো। তাদেরকে বলবো, অর্থনীতিকে ঠিক রেখে যেন সব কিছু করা হয়।’

অর্থনীতির ক্ষতি না করে রাজনৈতিক দলগুলোকে সভা-সমাবেশ করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।

রোববার বিজিএমইএ’র প্রধান কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা হয়। তৈরি পোশাক খাতে ক্রেতাদের আকৃষ্ট এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করতে বিজিএমইএ’র নতুন উদ্যোগ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সংগঠনের সভাপতি ফারুক হাসান।

এ সময় অর্থনৈতিক মন্দার মাঝে রাজনৈতিক কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি, যারা রাজনীতি করেন তারা দেশের মানুষের কল্যাণের জন্যই তা করেন। দেশের মানুষকে কষ্ট দিয়ে কোন সভা-সমাবেশ তারা করবেন না। আমরা আশা করি, তারা দেশের অর্থনীতিকে সভা-সমাবেশের বাইরে রাখবেন। তাদের কারণে যেন অর্থনীতির ক্ষতি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

‘দেশের অর্থনীতিকে চাঙা রাখতে সকল শ্রেণী পেশার মানুষ একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা সরকারি এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসবো। তাদেরকে বলবো, অর্থনীতিকে ঠিক রেখে যেন সব কিছু করা হয়।’

তৈরি পোশাক খাতে সংকট বিষয়ে ফারুক হাসান বলেন, ‘দেশে বিদ্যুতের সংকট কিছুটা কমে এসেছে। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়নি। আশা করি, শিগগিরই সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে।

‘বর্তমানে ক্রয়াদেশ সব দেশেই কম। প্রতিযোগী অন্যান্য দেশও এখন তেমন অর্ডার পাচ্ছে না। এর অন্যতম কারণ মূল্যস্ফীতি। অধিকাংশ দেশ খরচ সংকোচন নীতিতে চলছে। আশা করছি দ্রুতই আগের অবস্থানে ফিরে যাবে দেশের তৈরি পোশাক খাত।’

বিজিএমইএ’র নতুন উদ্যোগ বিষয়ে সভাপতি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী হলে ক্রেতারা ভালো দর অফার করে। এতে ক্রেতাদের সাথে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং উদীয়মান বাজারগুলোতে প্রবেশাধিকার পাওয়া সহজ হয়।

‘সম্প্রতি মেইড ইন বাংলাদেশ সপ্তাহে ৬ জন আলোকচিত্রীকে সম্মাননা দিয়েছি। যারা তাদের সৃজনশীলতার সবটুকু দিয়ে অপরূপ বাংলাদেশকে লেন্সে ধারণ করেছেন। ব্র্যান্ডিংয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী বাংলাদেশীদেরকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। কারণ প্রবাসে থাকা মানুষের অন্তরের মনিকোঠায় আছে মাতৃভূমি বাংলাদেশ।’

বিজিএমইএ সভাপতি জানান, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য ইন্টেলের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ওমর ইশরাক, আল হারামাইন পারফিউমস গ্রুপ অব কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান এবং মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম গ্রান্ড ফাইনালিস্ট কিশওয়ার চৌধুরীকে তাদের অবদানের জন্য এনআরবি এওয়ার্ড দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করতে ইতিমধ্যে দুটি কফি টেবিল বুক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসব বইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হবে ক্রেতাদের।

আরও পড়ুন:
বিজিএমইএ সভাপতি বললেন সংকট নেই, অন্যদের দ্বিমত
বিজিএমইএ কাপ: চতুর্থবারের মতো শিরোপা বান্দো ডিজাইনের
জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে জোর বিজিএমইএর
পোশাক রপ্তানি ২০ শতাংশ কমার শঙ্কায় বিজিএমইএ
ইয়াংওয়ানকে বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আহ্বান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The brothers claim is not that of the deceased Maqbul BNP supporters wife

ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’

ভাইয়ের দাবি নিহত মকবুল বিএনপি সমর্থক, স্ত্রীর ‘না’ হাসপাতালে মকবুল হোসেনের স্ত্রী হালিমা বেগম ও মেয়ে মিথিলা (মাঝে)। ছবি: নিউজবাংলা
নিহত মকবুল হোসেনের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তার ভাই ভাই বিএনপির সমর্থক ছিলেন। তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম।

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত মকবুল হোসেন বিএনপি সমর্থক ছিলেন বলে দাবি করেছেন তার ভাই। তবে মকবুলের স্ত্রী বলছেন, তার স্বামী কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নন।

নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বুধবার বেলা ৩টার দিকে সংঘর্ষের সময় গুলিতে আহত হন ৪৩ বছর বয়সী মকবুল হোসেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে সন্ধ্যার পর হাসপাতালে ছুটে আসেন মকবুলের স্বজন।

নিহতের বড় ভাই আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার ছোট ভাই বিএনপি করত, সে বিএনপির সমর্থক। তবে আমার জানা মতে তার কোনো দলীয় পদ নেই।’

তবে মকবুল কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমার স্বামী জুতার কারচুপির (নকশা) ব্যবসা করতেন। তিনি মার্কেটে তাগাদায় বের হয়েছিলেন। আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করতেন না।’

কান্নায় ভেঙে পড়া হালিমার দুই চোখে এখন অন্ধকার।

হাসপাতালের ফ্লোরে লুটিয়ে পড়ে চিৎকার করে তিনি বলছিলেন, ‘ওরে আল্লাহ্ আমি কী নিয়ে বাঁচব? আমার সংসার চালাবে কে চালাবে, আমার একমাত্র মেয়ে মিথিলার কী হবে? আল্লাহ আমার স্বামীরে তুমি ফেরত দাও।’

হালিমা জানান, মকবুলের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার পদিনির চর গ্রামে। চার ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। পরিবার নিয়ে তিনি রাজধানীর পল্লবী এলাকায় থাকতেন।

মকবুলের একমাত্র সন্তান ৯ বছরের মিথিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।

ঢাকা মেডিক্যাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সন্ধ্যার পর মকবুলের মরদেহ শনাক্ত করেন তার স্ত্রী হালিমা বেগম। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রাজধানীতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মিছিল
বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে কাঁদানে গ্যাস
বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান
বিএনপি কার্যালয় ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট
নয়াপল্টনে সংঘর্ষের সময় গুলিতে নিহত ১, আহত ১৮

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Insurance companies want stable capital market for investment

বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজার চায় বিমা কোম্পানি

বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজার চায় বিমা কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে বুধবার বৈঠক হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সেরর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তালুকদার জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর ২০ শতাংশ বিনিয়োগের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেখানে আমরা বিনিয়োগ করতে চাই। তবে বিনিয়োগের অর্থ যে ফেরত পাব তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এজন্য আমরা স্থিতিশীল পুঁজিবাজার প্রত্যাশা করছি।’

নতুন করে বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের নিশ্চয়তা চেয়েছে বিমা কোম্পানিগুলো। অস্থির পুঁজিবাজারে নতুন করে বিনিয়োগ করে ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয় তারা। বলেছে, বিনিয়োগকারীদের আমানত নিয়ে ঝুঁকি নেয়া যাবে না।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের তথ্য জানতে দেশের ২৬টি বিমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বৈঠকে ডেকেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন -বিএসইসি। বুধবার বিকেলে কমিশনের মাল্টিপারপাস হলে এ বৈঠকটি হয়।

বৈঠকে বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানকে এখানে ডাকা হয়েছে তাদের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা ইতোমধ্যে দেয়া হয়েছে। বেশ কিছু বিষয়ে তাদের ছাড় দেয়া হয়েছে, যাতে তারা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

২৬টি বিমা কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ছাড় দিয়ে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে বিএসইসি। প্রজ্ঞাপন অনুসারে কোম্পানিগুলো ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে ন্যূনতম ১৫ কোটি টাকার তহবিল তুলতে পারবে।

এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে তাদের ইক্যুইটির ন্যূনতম ২০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।

কিন্তু কোম্পানিগুলো ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি ও ইকুইটির ২০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ- এ দুটির কোনোটিই এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। এ অবস্থায় তাদেরকে ডেকে বক্তব্য নেয় বিএসইসি।

দেশে বর্তমানে ৮১টি বিমা কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি জীবন বিমা ও ৪৬টি সাধারণ বিমা কোম্পানি। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫৫টি।

ছাড়ের ঘোষণার পরে নতুন করে দুটো বিমা কোম্পানি পুঁজিবাজারে এলেও রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বিমা করপোরেশন ও সাধারণ বিমা করপোরেশন ছাড়াও ২৪ কোম্পানি তালিকাভুক্তির বাইরে।

সরকারি দুটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের উদ্যোগের প্রয়োজন হবে।

বেসরকারি ২৪টি কোম্পানি বিশেষ এই ছাড়ের আওতায় আছে।

সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দার আভাসের মধ্যে দেশে অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন অনেকটাই গতিহীন। কয়েক মাস আগেও যে বাজারে দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা লেনদেন ছিল নিয়মিত চিত্র, এখন তা নেমেছে তিন শ কোটির ঘরে।

এই অবস্থায় পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর অংশ হিসেবেই হয় এই বৈঠকটি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘বিশ্বের সকল দেশের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। একই সঙ্গে তারা পুঁজিবাজারও বড় ধরনের অবদান রেখে থাকে। আমরা এখানে যে ২৬টি কোম্পানিকে ডেকেছি তারাও যাতে পুঁজিবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, এজন্য তাদেরকে বেশ কিছু সুযোগ দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের পালন করে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো অন্যতম। আমাদের দেশেও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো যদি মৌল ভিত্তি দেখে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে, তবে অন্য যে কোনো বিনিয়েগের তুলনায় এখানে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব।’

বিমা কোম্পানিগুলো কী বলল

ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সেরর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তালুকদার জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর ২০ শতাংশ বিনিয়োগের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেখানে আমরা বিনিয়োগ করতে চাই। তবে বিনিয়োগের অর্থ যে ফেরত পাব তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এজন্য আমরা স্থিতিশীল পুঁজিবাজার প্রত্যাশা করছি।’

কারা ছিল বৈঠকে

বৈঠকে যেসব বিমা কোম্পানির প্রধান বা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন সেগুলোর মধ্যে জীবন বিমা কোম্পানিগুলো হলো: হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, স্বদেশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং এলআইসি (বাংলাদেশ)।

সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে বৈঠকে ছিল মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেনাকল্যাণ ইন্স্যুরেন্স ও সিকদার ইন্স্যুরেন্স।

এসব কোম্পানির মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেনাকল্যাণ ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স।

আরও পড়ুন:
আইসিবি এগিয়ে আসার খবরেও পুঁজিবাজার নিষ্প্রাণ
পুঁজিবাজার জাগাতে আসছে আইসিবি
বিনিয়োগের তথ্য নিয়ে ২৬ বিমা কোম্পানিকে বিএসইসির তলব
মাধ্যমিকের বইয়ে বিনিয়োগ শিক্ষা চায় বিএসইসি
মেগা প্রকল্পের জন্য বন্ড বাজার বড় করার তাগিদ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Prime Ministers Chief Secretary Tofazzal Hossain Mia

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো.তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়।

অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব পদে নিয়োগ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন।

আরও পড়ুন:
২০২৪-এর প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন, ভোট চাইলেন শেখ হাসিনা
আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী
১০ ডিসেম্বরের আগেই সন্ত্রাস শুরু করেছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের
প্রধানমন্ত্রীর জনসভা: মিছিলে সরব নারীরা
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangabandhus speech in the United Nations Resolution

বঙ্গবন্ধুর উক্তি জাতিসংঘ রেজুলেশনে

বঙ্গবন্ধুর উক্তি জাতিসংঘ রেজুলেশনে জাতিসংঘে বক্তব্য দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ফাইল ছবি
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় মঙ্গলবার কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ অ্যা গ্যারান্টি অব পিস’ শীর্ষক রেজুলেশনের ১৪তম প্যারায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারও সাথে বৈরিতা নয়’- ঐতিহাসিক উক্তিটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় মঙ্গলবার কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান।

রেজুলেশনে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি সন্নিবেশিত হয়েছে এভাবে-

“দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলো অর্জনে সহায়তা করবে।”

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভাষণে বঙ্গবন্ধু যে বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়ে বিশ্বশান্তির কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি পেতে এই অনুচ্ছেদের প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল মোহিতের নির্দেশনায় মিশনের কূটনীতিক মো. মনোয়ার হোসেন রেজুলেশনটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ৭০টি দেশ এই রেজুলেশনটিতে কো-স্পন্সর করেছে।

আরও পড়ুন:
বাস্তব হচ্ছে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’
বঙ্গবন্ধু টানেলে গাড়ি চলবে জানুয়ারিতে
প্রতি ১১ মিনিটে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন একজন নারী: জাতিসংঘ
বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটিতে নতুন ভিসি
১০ ভাষায় গাওয়া হবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সুজন হাজংয়ের গান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Country is moving forward because people have voted for A League Prime Minister

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী

আ.লীগকে দেয়া জনগণের ভোট বৃথা যায়নি: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের জনসভায় কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী বলেন- বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা তিন হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।

আওয়ামী লীগ সরকার দেশ ও মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এ দেশের মানুষ বারবার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে বলেই দেশের জন্য কাজ করতে পারছি। দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে বলেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভোট বৃথা যায়নি।’

কক্সবাজারে শেখ কামাল স্টেডিয়ামে বুধবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি এ দেশকে মানি লন্ডারিং, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস এবং লুটপাট ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। তারা ৩ হাজার মানুষ আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। ৫০০ মানুষকে হত্যা করেছে।’

বিএনপির খালেদা জিয়া এবং জাতীয় পার্টির হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার দেশকে কিছুই দেয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘২০২৪ এর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন।’

জনসভায় যোগ দেয়ার আগে কক্সবাজারে ২৯টি প্রকল্প উদ্বোধন এবং চারটির ভিত্তিপ্রস্তর করেন সরকার প্রধান।

বঙ্গবন্ধুকন্যা কক্সবাজার ও মহেশখালীতে আরও দুটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠারও প্রতিশ্রুতি দেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। বাবা-মা-ভাই-আত্মীয়-স্বজন হারিয়ে আমি রিক্ত, নিঃস্ব। কিন্তু যে বাংলাদেশের মানুষের জন্য তারা প্রাণ দিয়ে গেছেন, তাদের জন্য কাজ করব। এদেশের মানুষের মাঝেই খুঁজে নেব প্রয়াত আত্মীয়-স্বজনকে।

‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে। এ দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশীল দেশে নিয়ে যেতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৪ সালের ২৪ আগস্ট আমাদের শান্তি র‌্যালিতে দিনেদুপুরে গ্রেনেড হামলা করে তারেক-খালেদা জিয়া গং। যুদ্ধের ময়দানের গ্রেনেড আমাদের ওপর ছোড়া হয়েছিল। আইভী রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মী মারা যান। আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে গিয়েছিলাম।

‘জামায়াত-বিএনপি এদেশের মানুষকে কী দিয়েছে? অগ্নিসন্ত্রাস, খুন, মানি লন্ডারিং এগুলো দিয়েছে। আর তাদের আন্দোলন মানেই মানুষকে পুরিয়ে মারা।’

জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ‌এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরও বক্তব্য দেন। প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়াসহ কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে ছিলেন।

পাঁচ বছর পর কক্সবাজার সফরে এক হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে উদ্বোধন করা ২৯ প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- কক্সবাজার গণপূর্ত উদ্যান, বাহারছড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মাঠ, কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ভবন, উপজেলা ভূমি অফিস ভবন, পেকুয়া; কক্সবাজার জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় ভবন, শেখ হাসিনা জোয়ারিয়ানালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, আবদুল মাবুদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন, মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চার তলা অ্যাকাডেমিক ভবন।

কক্সবাজার জেলার লিঙ্ক রোড-লাবণী মোড় সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ; রামু-ফতেখাঁরকুল-মরিচ্যা জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ; টেকনাফ-শাহপরীর দ্বীপ জেলা মহাসড়কের হাড়িয়াখালী থেকে শাহপরীর দ্বীপ অংশ পুনর্নির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ; বাঁকখালী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন, সেচ ও ড্রেজিং প্রকল্প (প্রথম পর্যায়), শাহপরীর দ্বীপে সি ডাইক অংশে বাঁধ পুনর্নির্মাণ ও প্রতিরক্ষা কাজও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষতিগ্রস্ত পোল্ডারের পুনর্বাসন প্রকল্প, রামু কলঘর বাজার-রাজারকুল ইউনিয়ন সড়কে বাঁকখালী নদীর ওপর ৩৯৯ মিটার দীর্ঘ সাংসদ ও রাষ্ট্রদূত ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী সেতু, কক্সবাজার জেলায় নবনির্মিত ছয়টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন, চারটি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন (রামু, টেকনাফ, মহেশখালী ও উখিয়া), কক্সবাজার পৌরসভার এয়ারপোর্ট রোড আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; শহীদ সরণি আরসিসিকরণ ও অন্যান্য; বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়াম সড়ক আরসিসিকরণ; নাজিরারটেক শুঁটকিমহাল সড়ক আরসিসিকরণ; টেকপাড়া সড়ক আরসিসিকরণ ; সি বিচ রোড আরসিসিকরণ; মুক্তিযোদ্ধা সরণি আরসিসিকরণ; সৈকত-স্মরণ আবাসিক এলাকা সড়ক আরসিসিকরণ ও অন্যান্য এবং আইনজীবী সমিতির নতুন ভবনও প্রকল্পও রয়েছে।

এ সময় চারটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (দ্বিতীয় পর্যায়) শীর্ষক প্রকল্প; কুতুবদিয়া উপজেলার ধুরুং জিসি মিরাখালী সড়কে ধুরুংঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি এবং আকবর বলী ঘাটে ১৫৩ দশমিক ২৫ মিটার জেটি নির্মাণ; মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা ঘাটে জেটি নির্মাণ; বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত নিরাপত্তা উন্নত করার জন্য উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলায় নাফ নদ বরাবর পোল্ডারসমূহের (৬৭/এ, ৬৭, ৬৭/বি এবং ৬৮) পুনর্বাসন প্রকল্প।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী
বিএনপি যেন কখনও ক্ষমতায় আসতে না পারে: শেখ হাসিনা
অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে স্বাস্থ্য-শিক্ষায় গুরুত্ব দিন: প্রধানমন্ত্রী
ছাত্রদের হাতে খালেদা দেন অস্ত্র, আমি দিয়েছি বই খাতা: প্রধানমন্ত্রী
কারও কথায় বিভ্রান্ত হবেন না, অর্থনীতি স্থিতিশীল: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Police arrested Rizvi in ​​BNP office by breaking the door and detained many

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুরে ঘণ্টা দেড়েকের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বিকেলে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াটও। বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী একপর্যায়ে অবস্থান নেন দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে। বিকেলে দরজা ভেঙে কার্যালয়ে ঢোকে পুলিশ।

সংঘর্ষের পর এবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। নেতা-কর্মীরা ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে রাখলেও পুলিশ সেটি ভেঙে ভেতরে ঢোকে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়।

কার্যালয়ের সামনে দুটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ বানিয়ে সকাল থেকে যে বক্তব্য চলছিল, সেগুলোও সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

আগামী শনিবার অনুমতি না থাকলেও নয়াপল্টনে সমাবেশ করার ঘোষণায় অটল বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ‍পুলিশের এই সংঘর্ষ শুরু হয় দুপুরের পরপর।

ঘণ্টা দেড়েকের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। বিকেলে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট সোয়াটও।

বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী একপর্যায়ে অবস্থান নেন দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে। তাদের উদ্দেশ করে দুই দফা কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ। আহতদের নিয়ে আসতে অ্যাম্বুলেন্সকেও বাধা দেয়ার অভিযোগ করছে ‍বিএনপি।

বিকেল ৫টার দিকে পুলিশ সদস্যরা কার্যালয়ে ঢুকতে গিয়ে বাধা পান। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে পুলিশ সে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে।

ভেতরে অবস্থান করছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যার বিরুদ্ধে ১ ডিসেম্বর নাশকতার এক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। ২০১২ সালে ঢাকা সিটি করপোরেশনের একটি গাড়িতে আগুন দেয়ার মামলায় সেদিন আদালতে হাজিরা ছিল তার। কিন্তু বিএনপি নেতা হাজিরা না দেয়ার পর তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ আসে।

রিজভী ছাড়াও বিএনপি চেয়াপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকেও আটক করা হয়।

দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রিজভীসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকে পুলিশ প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে গেছে।’

নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ৮ অক্টোবর থেকে বিএনপি ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করে আসার পর আগামী ১০ ডিসেম্বর শনিবার রাজধানীতে জমায়েতের ঘোষণা দিয়েছে।

তবে এই সমাবেশের স্থল নিয়ে তৈরি হয়েছে বিরোধ। বিএনপি সমাবেশ করতে চায় নয়াপল্টনে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি দিয়েছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। কিন্তু তারা সেখানে যাবে না।

পুলিশ জানিয়েছে, সড়কে সমাবেশ করা যাবে না। এরপর বিএনপি আরামবাগে সমাবেশ করার কথা জানায় মৌখিকভাবে। তবে সে আবেদন মৌখিকভাবেই নাকচ করা হয়।

সমাবেশস্থলের কথা না জানিয়েই বিএনপি জনসভায় অংশ নেয়ার প্রচার চালাচ্ছিল। এর মধ্যে নেতা-কর্মীরা নয়াপল্টনে অবস্থানও নিতে থাকেন।

বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে এসে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস দুপুরের আগে বলেন, তারা যেখানে অনুমতি চেয়েছেন, সমাবেশ সেখানেই হবে। কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প প্রস্তাব থাকলে সেটি দিতে হবে পুলিশ বা সরকারকে।

পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, বিএনপির কাজ বিএনপি করবে- দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদের নেতার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য আসার কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় সংঘর্ষ।

আরও পড়ুন:
সরকার উৎখাতের পরিকল্পনার অভিযোগে আটক ২০
নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি ব্যাপক সংঘর্ষ
রিজভী, ইশরাকের পর এবার সোহেলকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা
পুলিশের কাজ পুলিশ করবে, সমাবেশ নয়াপল্টনেই: বিএনপি
খুলনায় বিএনপির গ্রেপ্তার নেতা-কর্মী বেড়ে ৫৫

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Fakhruls position in front of BNP office

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখলরুল। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
দলীয় কার্যালয়ের গেটের সামনে তিনি অবস্থান নেন। পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে জায়গা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানালেও অনড় থাকেন বিএনপির এই নেতা। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ আমি যাব না, এখানেই থাকব।’ বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদেই এই অবস্থান বলে জানান তিনি।

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি কর্মীদের সংঘর্ষের পর দলীয় কার্যালয়ের সামনের ফুটপাতে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলীয় কার্যালয়ের গেটের সামনে তিনি অবস্থান নেন। পুলিশ কর্মকর্তারা তাকে জায়গা ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানালেও অনড় থাকেন বিএনপির এই নেতা।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজ আমি যাব না, এখানেই থাকব। হোম মিনিস্টার আমাকে এখানে আসতে বলেছেন। তারপরও আসার পর আমাকে ঢুকতে (দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে) দেয়া হয়নি।’

তিনি বলেন, এটা জঘন্য অন্যায়। জনগণের ওপর নির্যাতন।

পল্টনে পুলিশের সঙ্গে নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের খবর শুনে বিকেলে ঘটনাস্থলে আসেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি কার্যালয়ের ভেতর প্রবেশ করতে চাইলে পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে ধরেন; কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেননি। এরপরই তিনি কার্যালয়ের গেটের বাইরে ফুটপাতে বসে পড়েন।

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান

বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদেই এই অবস্থান বলে জানান তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘উই আর ওয়েটিং। আমরা বলেছিলাম বিকল্প কিছু দিতে। আর আমরা তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিলাম। আর আজকে হঠাৎ করে এসে তারা এভাবে হামলা চালায়। আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর টিয়ার শেল, গুলি, লাঠিচার্জ করল। এ দায় সরকারের।’

এ সময় বিএনপি কার্যালয় থেকে অন্তত ২০ জন কর্মীকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যেতে দেখেছেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক।

বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ফখরুলের অবস্থান

এর আগে বুধবার বিকেলে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জমায়েতের মধ্যে টিয়ার শেল ছোড়ে পুলিশ। একপর্যায়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে মকবুল হোসেন নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৮ জন।

পুরো এলাকায় থমথমে অবস্থা রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ দুই পাশ থেকে রাস্তা দখল করে পুলিশ সদস্যরা বাঁশি বাজিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে এগোতে থাকে বিএনপির কার্যালয়ের দিকে। একপর্যায়ে দলের নেতা-কর্মীরা পিছু হটেন।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে নয়াপল্টন এলাকায় একাধিক সাঁজোয়া যান, প্রিজন ভ্যান ও অতিরিক্ত স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
নয়াপল্টনে পুলিশি হামলার নিন্দা বাম জোটের
১০ ডিসেম্বর নিয়ে ‘উত্তেজনা ছড়ানো’ আমান-এ্যানি পুলিশ হেফাজতে
নয়াপল্টন নিয়ে বিএনপিকে ডিএমপির হুঁশিয়ারি
দরজা ভেঙে বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ, রিজভী গ্রেপ্তার, আটক বহু
রাজধানীতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মিছিল

মন্তব্য

p
উপরে