× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
DMDs are 13 GMs in 7 state owned banks
hear-news
player
google_news print-icon

রাষ্ট্রায়ত্ত ৭ ব্যাংকে ডিএমডি হলেন ১৩ জিএম

রাষ্ট্রায়ত্ত-৭-ব্যাংকে-ডিএমডি-হলেন-১৩-জিএম
রাজধানীর মতিঝিল, ব্যাংক পাড়া হিসেবে পরিচিত শাপলা চত্বর। ফাইল ছবি
সোনালী ব্যাংকে একজন জিএম থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমডি হয়েছে। জনতা ব্যাংকে হয়েছেন তিন জন। রূপালী ব্যাংকে চার জন জিএম ডিএমডি হয়েছেন। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও কর্মসংস্থান ব্যাংকে একজন করে কর্মকর্তা ডিএমডি হয়েছেন।

রাষ্ট্রায়ত্ত সাত ব্যাংকের ১৩ জন মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

উপসচিব মীনাক্ষী বর্মনের সই করা এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সবচেয়ে বড় ব্যাংক সোনালী ব্যাংকে একজন জিএম থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমডি হয়েছে। জনতা ব্যাংকে হয়েছেন তিন জন। রূপালী ব্যাংকে চার জন জিএম ডিএমডি হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক ও কর্মসংস্থান ব্যাংকে একজন করে কর্মকর্তা ডিএমডি হয়েছেন।

এছাড়া ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) একজন ডিএমডি হয়েছেন।

জিএম থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমডি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- সোনালী ব্যাংকের সুভাষ চন্দ্র দাস, জনতা ব্যাংকের মোহাম্মদ সাইফুল আলম, দেলওয়ারা বেগম, শ্যামল কৃষ্ণ সাহা, আইসিবির আবু তাহের মোহাম্মদ আহমেদুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর হোসেন, বেসিক ব্যাংকের খান ইকবাল হাসান, আবুল কালাম আজাদ, রূপালী ব্যাংকের কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম, তাহমিনা আখতার, পারসুমা আলম, গোলাম মুরতুজা এবং কর্মসংস্থান ব্যাংকের মেহের সুলতানা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মহাব্যবস্থাপক পদে নিয়োগ বা পদোন্নতি ও পদায়ন বিষয়ক নীতিমালা ২০১৯ ও সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি করা নীতিমালা ও প্রজ্ঞাপন দ্বারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চাকরি নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হবে।

‘পদোন্নতি প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি প্রদানের অব্যবহিত পূর্বের কর্মস্থলে (ইনসিটু) পদায়ন করা হলো।’

কৃষি ব্যাংক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে নতুন এমডি

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অপর এক প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

জনতা ব্যাংকের ডিএমডি আব্দুল জব্বারকে কৃষি ব্যাংকে এবং একই ব্যাংকের ডিএমডি শেখ মো. জামিনুর রহমানকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে পদোন্নতি দিয়ে এমডি করা হয়েছে।

কৃষি ব্যাংকের নতুন এমডি ২৬ নভেম্বর ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এমডি ১ ডিসেম্বর কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

আরও পড়ুন:
কৃষি ব্যাংক ও পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে নতুন এমডি
চট্টগ্রামের শান্তিরহাটে এক্সিম ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন
পরিবহন ব্যয় কমলে রপ্তানি ২০ শতাংশ বাড়বে: বিশ্বব্যাংক
খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষিতে পুনঃ অর্থায়ন তহবিল
ব্যাংকে টাকা নেই বলে গুজব ছড়াচ্ছে সুযোগসন্ধানীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
ACC is investigating the irregularities of three banks

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ বক্তব্য দেন দুদক সচিব মাহবুব হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
দুদক সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর অনুসন্ধান শুরুর লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

ঋণ দেয়া নিয়ে তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এছাড়া আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ দুদক সচিব মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দুদক ইতোমধ্যে ওই তিন ব্যাংকের (ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক) তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।’

ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ঘটনায় অর্থ পাচার হয়েছে কিনা সে বিষয়ে দুদক ও বিএফআইইউ-এর তদন্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছেন পাঁচজন আইনজীবী।

এ বিষয়ে দুদকের পদক্ষেপ সম্পর্কে সচিব বলেন, ‘চিঠি আমার হাতে এখনও পৌঁছেনি। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর যাতে অনুসন্ধান শুরু করা যায় সে লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

দুদক সচিব বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার তদন্ত কাজ নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা থাকবে।

‘বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার প্রতিটির সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। সে কারণেই সময় লাগছে। আমরা আমাদের কর্মকর্তাদের আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছি।’

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পরপরই অনুসন্ধানে নামে দুদক।

ঋণপত্র যাচাই না করে জামানত ছাড়া, জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণদানসহ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
দুদকের দণ্ডিত এনামুল বাছিরের জামিন
সেই শরীফের বিরুদ্ধে ‘অসততার’ অভিযোগ
প্রাণীদের সেবার পেশা বেছে নিলেন দুদকের চাকরিচ্যুত শরীফ
দুই লাখ টাকার চাকরি নয়, শরীফের চাওয়া দেশপ্রেমমূলক কাজ
‘ওরা বলছিল রাস্তার ফকির বানাবে, বানাইছে’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Banks agreement with Chittagong Port Authority

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি সোনালী ব্যাংকের

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি সোনালী ব্যাংকের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
সোনালী ব্যাংকের পক্ষে বুধবার চুক্তিতে সই করেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে সই করেন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. শাহজাহান।

সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে বিবিধ ফি ও চার্জ আদায়ের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তিতে সই করেছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।

ব্যাংকের পক্ষে বুধবার চুক্তিতে সই করেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে সই করেন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. শাহজাহান।

চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড রুমে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার মো. মুছা খাঁন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমোডর মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য (প্রকৌশল) কমোডর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এ চুক্তির ফলে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীরা ঘরে বসে অনলাইনে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে যাবতীয় ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে পারবেন।

সোনালী ই-সেবা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসে ২ মিনিটে ব্যাংক হিসাব খোলা যায়। সোনালী ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে দিন-রাত যেকোনো সময় ব্যাংকিং লেনদেন করা যায়।

আরও পড়ুন:
পটুয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা
গম-ভুট্টা চাষে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান-সিইওর শ্রদ্ধা
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা
জিয়াউল হাসান আবারও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank was recognized as a strong bank

‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক
সম্প্রসারণ সক্ষমতা, ব্যালেন্স শিট প্রবৃদ্ধি, ঝুঁকিগত অবস্থান, মুনাফাযোগ্যতা, সম্পদ মান ও তারল্য- এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি মিলেছে।

বাংলাদেশের ‘শক্তিশালী ব্যাংক’ হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডকে স্বীকৃতি দিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম দ্য এশিয়ান ব্যাংকার।

এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সম্প্রতি দ্য এশিয়ান ব্যাংকারের ম্যানেজিং এডিটর ফু বুন পিং এ ঘোষণা দেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সম্প্রসারণ সক্ষমতা, ব্যালেন্স শিট প্রবৃদ্ধি, ঝুঁকিগত অবস্থান, মুনাফাযোগ্যতা, সম্পদ মান ও তারল্য- এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি মিলেছে বলে জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

পুরস্কারগ্রহীতা হিসেবে ওই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা যোগ দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ইসলামী ব্যাংককে ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ইসলামী ব্যাংক’ হিসেবেও স্বীকৃতি দিয়েছে এশিয়ান ব্যাংকার।

প্রতিষ্ঠানটি চীন, অস্ট্রেলিয়া, হংকং, ভারত ও নিউজিল্যান্ডসহ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার ৫০০ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে ২০২২ সালের জন্য শক্তিশালী ২২টি ব্যাংক নির্বাচিত করে।

২০০৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে আসছে।

আরও পড়ুন:
নাটোরের বনপাড়ায় ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহবিষয়ক আলোচনা
ইসলামী ব্যাংকের সাউন্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্পেইন শুরু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Ban on Islami Bank for loans to 8 institutions

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জরুরি তলব করে।

এর আগে নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে আগ্রাসী ঋণ দেয়ার নথিপত্র সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দল পরিদর্শন করে এসব ঋণ অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

নতুন কোম্পানি খুলে কিংবা আগে থেকে ঋণ রয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নাবিল গ্রুপের ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী অন্য কোনো পক্ষ কি না, তার তদন্ত হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বেনামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ সদস্যর একটি দল ইসলামী ব্যাংকের দেয়া ঋণ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেবে।’

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নাবিল গ্রুপের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিলেও তা অজ্ঞাত কারণে থেমে যায়। এখন নতুন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শুধু নাবিল গ্রুপের ঋণ নয়, এসব ঋণের সুবিধাভোগী ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা থেকে বিতরণ করা ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত দল। ঋণের কোনো অর্থ পাচার হয়েছে কিনা, হুন্ডি কারবারে ব্যবহার হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও যাচাই করবে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গত আগস্টে অস্বাভাবিক ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পর ইসলামী ব্যাংকে তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন:
নথিপত্র ছাড়াই নাবিল গ্রুপকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Where is the condition of the banking sector bad? Finance Ministers question

ব্যাংক খাতের অবস্থা কোথায় খারাপ, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন

ব্যাংক খাতের অবস্থা কোথায় খারাপ, অর্থমন্ত্রীর প্রশ্ন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি
ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিত দিয়ে যান, আমরা খতিয়ে দেখব।’

দেশে ব্যাংক খাতের অবস্থা ভালো নয়- এমনটা মানতে নারাজ অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। উল্টো দেশের ব্যাংকগুলোর অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিতভাবে জানাতে সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মঙ্গলবার সরকারি কর্মচারীদের গৃহনির্মাণ ঋণ ব্যবস্থাপনা মডিউল উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে চলে যাওয়ার সময় ইসলামী ব্যাংকসহ দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য জানতে চান সাংবাদিকরা।

জবাবে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ব্যাংকের অবস্থা কোথায় খারাপ তা লিখিত দিয়ে যান, আমরা খতিয়ে দেখব।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শেখ মোহাম্মদ সলীম উল্লাহ, মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক মো. নুরুল ইসলাম, অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মুরশেদুল কবীর, ইসলামী ব্যাংকের এমডি মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা প্রমুখ।

সরকারি কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ২০১৮ সালের ৩০ জুলাই ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা’ প্রণয়ন করে সরকার। এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বর প্রণয়ন করা হয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের শিক্ষক/কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা। একই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের জুনে প্রণয়ন করা হয় প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান নীতিমালা।

এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গৃহনির্মাণ ঋণের জন্য যে ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তাতে অধিকাংশ সময় আবেদনকারীর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লেগে যায়। আবেদনের অবস্থা কী বা কোন পর্যায়ে আছে, তা জানারও কোনো সুযোগ থাকে না আবেদনকারীদের। আশা করি ঋণ আবেদন প্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা হলে এ ধরনের সমস্যা দূর হবে।’

অর্থমন্ত্রীর মতে, ঋণ আবেদনপ্রক্রিয়া ডিজিটালাইজ করা হলে আবেদনকারী সরাসরি অনলাইনে অর্থ বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। ব্যাংক ও মন্ত্রণালয় মিলে অল্প সময়ের মধ্যে অর্থ বিভাগ থেকে সুদ-ভর্তুকির মঞ্জুরি আদেশ জারি করাও সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে হলে আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। সবচেয়ে বড় কথা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।

এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ দেয়ার পদ্ধতি সহজ করা বা অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া করা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য একই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে সরকার এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়নি বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবকিছুতেই পরিবর্তন এনেছি। আগে যেভাবে বাজেট পেশ করতাম, সেখানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সবকিছু ডিজিটাল করা হয়েছে।’

‘আমি নিজেও একজন নিরীক্ষক ছিলাম। তখন একটাই অভিযোগ পেতাম, মাস শেষে লাইন ধরে বসে থেকেও পেনশনের টাকা পাওয়া যায় না। ভাবতাম, এটা কী করে সম্ভব? পেনশন কেন পাওয়া যাবে না? আসলে তখন সবকিছু ছিল কাগজে-কলমে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা না থাকার কারণেই সমস্যা ছিল বেশি। এখন কোনও সমস্যা হচ্ছে না।’

সরকার সর্বজনীন পেনশনের যে কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
আইএমএফের ঋণে শর্ত নেই: অর্থমন্ত্রী
অবকাঠামো উন্নয়নে এআইআইবি’র সহায়তা চান অর্থমন্ত্রী
মালয়েশিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চান অর্থমন্ত্রী
‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের সংবাদে অর্থমন্ত্রীর অবস্থান প্রতিফলিত হয়নি’
জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে: অর্থমন্ত্রী
অর্থ-বাণিজ্য
5 percent of the banks CSR should be given to the Prime Ministers Education Fund

ব্যাংকের সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা তহবিলে দিতে হবে

ব্যাংকের সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা তহবিলে দিতে হবে
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলতি বছর সিএসআর খাতে যে বাজেট ধরা হবে তার ৫ শতাংশ অর্থ আগামী বছরের ৩০ মের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের তহবিলে জমা দিতে হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ এখন থেকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট তহবিলে অনুদান হিসেবে জমা দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগ সোমবার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে।

একই সঙ্গে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, চলতি বছর সিএসআর খাতে যে বাজেট ধরা হবে তার ৫ শতাংশ অর্থ আগামী বছরের ৩০ মের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের তহবিলে জমা দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের তহবিলের আকার বাড়াতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সিএসআর খাতের বরাদ্দের ৫ শতাংশ অর্থ এই তহবিলে অনুদান হিসেবে জমার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই অর্থ দেশের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন নিরবচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য উপযোগী মানবসম্পদ গঠনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট তহবিলের আকার বৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ডিসেম্বরভিত্তিক নিট মুনাফার (নিরীক্ষিত/অনিরীক্ষিত) ভিত্তিতে নির্ধারিত সিএসআরের বাজেট থেকে ৫ শতাংশ অর্থ পরবর্তী বছরের ৩০ মের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত তহবিলের ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে।

চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে অর্থাৎ ছয় মাসে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো ৬৩৪ কোটি টাকা সিএসআর খাতে খরচ করেছে।

আরও পড়ুন:
ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রচার হচ্ছে: বাংলাদেশ ব্যাংক
আমানত নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক
ডিজিটাল লেনদেনে নতুন সংযোজন ‘বিনিময়’ শুরু রোববার
১৫ নভেম্বর থেকে চেক ক্লিয়ারিংয়ের নতুন সময়সূচি
কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ঋণসীমা নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New notes of two and five rupees are coming

নতুন দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কী নতুন?

নতুন দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কী নতুন? দুই ও পাঁচ টাকার নতুন নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
নতুন নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতোই থাকবে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রাও চালু থাকবে।

সিনিয়র অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সই করা দুই ও পাঁচ টাকার নতুন নোট বাজারে আসছে মঙ্গলবার। প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যুর পর পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কার্যালয় এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাউন্টার থেকেও নতুন দুই টাকার নোট ইস্যু করা হবে। তবে দুই নোটে অর্থসচিবের সইটাই শুধু নতুন।

নতুন নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতোই থাকবে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রাও চালু থাকবে।

আরও পড়ুন:
আসছে ৫০০ টাকার নতুন নোট
ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা
জাল টাকাসহ প্রতারক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে