× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
AD Branch can issue certificates for monetization of export proceeds
hear-news
player
google_news print-icon

রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা

রপ্তানি-আয়-নগদায়নে-সনদ-ইস্যু-করতে-পারবে-এডি-শাখা
তবে শুধু রপ্তানি আয়ের যেটুকু এনক্যাশমেন্ট অর্থাৎ নগদায়ন করা হয়েছে, তার পক্ষে এ সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখাগুলো।

দেশের মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (এমএফএস) মাধ্যমে আসা আইটি খাতের রপ্তানি আয়ের বিপরীতে লেনদেনের তথ্য বিবরণীর সনদ ইস্যু করতে পারবে ব্যাংকের অথোরাইজড ডিলার বা এডি শাখা।

তবে শুধু রপ্তানি আয়ের যেটুকু এনক্যাশমেন্ট অর্থাৎ নগদায়ন করা হয়েছে, তার পক্ষে এ সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখাগুলো। যা ব্যাংকের কাছ থেকে সংগ্রহ করে গ্রাহককে সরবরাহ করবে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো। গ্রাহক ওই সনদ তার আয়কর বিবরণীতে সংযুক্ত করতে পারবে আয়ের প্রমাণপত্র হিসেবে।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে সব এডি ব্যাংক এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে জানিয়েছে। বৈদেশিক বাণিজ্যে লেনদেন করতে অনুমোদন নেয়া বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখাগুলো এডি শাখা নামে পরিচিত।

সার্কুলারে বলা হয়, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে রপ্তানি আয়সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে সনদ তৈরি হবে। যেখানে রপ্তানি আয়ের সুবিধাভোগী অর্থাৎ প্রাপকের ওয়ালেট নম্বর, টাকার পরিমাণ, বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য অবশ্যই সংযুক্ত থাকবে। ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ায় সনদ তৈরি হওয়ায় কিউআরকোড সুবিধাও থাকতে হবে ওই সনদে।

এর আগে ফ্রিল্যান্সিংসহ তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের রপ্তানি আয় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস)-এর মাধ্যমে দেশে আনতে ইতিপূর্বে সুযোগ দেয়া হয়। এর নির্দেশনার পর এ-সংক্রান্ত লেনদেনের সনদ ইস্যু করার ক্ষমতা পেল ব্যাংকের এডি শাখাগুলো।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এমএফএস হিসাবের মাধ্যমে শুধু আইটি খাতের রপ্তানি আয় সীমিত পরিসরে আনার সুযোগ দিয়ে সার্কুলার জারি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। রপ্তানি আয় পেলেও তা আয়কর বিবরণীতে সংযুক্ত করতে বিপত্তি দেখা দেয় আইটি খাতের ব্যবসায়ী ও ফ্রিল্যান্সারদের।

আয়ের প্রমাণপত্র দেয়ার সুযোগ না থাকায় এ বিপত্তি দেখা দেয়। সেই বাধা দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংক রপ্তানি আয়ের প্রমাণপত্র হিসেবে সনদ দেয়ার অনুমতি দিল।

ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে আসা এ রপ্তানি আয় ‘টাকা হিসাবে’ রূপান্তর করে এমএফএস হিসাবেও নেয়ার সুযোগ করা হয়।

আরও পড়ুন:
রেমিট্যান্সে ধাক্কা ও রপ্তানি আয়ে হোঁচট, কমছে রিজার্ভ
বিদেশি বিনিয়োগের পালেও জোর হাওয়া
রেমিট্যান্সের পর অর্থনীতির চাপ কমাচ্ছে রপ্তানির উল্লম্ফন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Members of UN peacekeeping missions will also receive incentives

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরাও পাবেন প্রণোদনা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরাও পাবেন প্রণোদনা
২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরাও তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন। আর ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পাবেন আড়াই শতাংশ হারে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরাও তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে সরকার ঘোষিত প্রণোদনা পাবেন।

২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরাও তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন। অর্থাৎ ১০০ টাকা দেশে পাঠালে তার সঙ্গে ২ টাকা যোগ হয়ে পরিবারের যে সদস্যের নামে টাকা পাঠাবেন তিনি ১০২ টাকা পাবেন।

আর ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন। অর্থাৎ ১০০ টাকা দেশে পাঠালে ১০২ টাকা ৫০ পয়সা তুলতে পারবেন পরিবারের সদস্যরা।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

সব ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো ‘জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন হতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের অর্জিত রেমিট্যান্সের বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান’ শীর্ষক সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত সেনা/নৌ/বিমান/পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বিদেশে অবস্থানকালীন সময়ে অর্জিত অর্থ বৈধ উপায়ে দেশে প্রেরণ করলে ওই অর্থের বিপরীতে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের ক্ষেত্রে নিচের কার্যপদ্ধতি অনুসরণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো-

>> জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত সেনা/নৌ/বিমান/পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের প্রাপ্ত অর্থের বিপরীতে প্রণোদনার অর্থ ছাড়করণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাদের সদস্যদের প্রত্যেকের প্রাপ্যতার তালিকাসহ তাদের ব্যাংক বরাবর আবেদন করবে।

>> সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সেনা/নৌ/বিমান/পুলিশ বাহিনীর আবেদন করা অর্থ ছাড়করণের জন্য সশস্ত্র বাহিনীর তালিকাসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস্ এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট (এবিডি) বরাবর আবেদন করবে।

>> সরকার হতে তহবিল পাওয়া সাপেক্ষে এবিডি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বরাবর অর্থ ছাড় করবে।

এবং

>> সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সশস্ত্র বাহিনী প্রদত্ত তালিকা মোতাবেক সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের স্ব স্ব ব্যাংক হিসাবে প্রনোদনা/নগদ সহায়তা জমা করবে।

সার্কুলারে বলা হয়, নগদ সহায়তা/প্রণোদনা প্রদানের ক্ষেত্রে ১ লা জুলাই ২০১৯ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের উপর ২ শতাংশ নগদ সহায়তা/প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে এবং ১ লা জানুয়ারী ২০২২ হতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের উপর ২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ সহায়তা/প্রণোদনা প্রযোজ্য

হবে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা আগের নির্দেশনাসমূহ যথারীতি বলবৎ থাকবে বলে সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৈধ পথে (ব্যাংকিং চ্যানেলে) রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সরকার ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে ২ হারে নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রণোদনার হার বাড়িয়ে আড়াই শতাংশ করা হয়।

কিন্তু শান্তিরক্ষা মিশনে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা এতোদিন তাদের পাঠানো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের উপর সরকার ঘোষিত এই প্রণোদনা পাচ্ছিলেন না।

১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান সামরিক মিশনে ১৫জন মিলিটারি পর্যবেক্ষক নিয়ে জাতিসংঘের অধীনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। এ পর্যন্ত ৪০টি দেশে ৫৪টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৭৯ জন সদস্য অংশ নেন।

বর্তমানে বিশ্বের ৮টি দেশের ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ৬ হাজার ৮৩২ জন সদস্য শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত রয়েছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ৭০১ জন নারী শান্তিরক্ষী সাফল্যের সাথে তাদের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন এবং বর্তমানে ৩৭২ জন নারী শান্তিরক্ষী শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে কর্মরত আছেন।

বিশ্ব শান্তিরক্ষায় এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর মোট ১৩৯ জন জীবন বিসর্জন দিয়েছেন এবং ২৪২ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
রেমিট্যান্সে ভাটায় ‘হুন্ডির প্রভাব’, রিজার্ভ আরও কমার শঙ্কা
‘কালোটাকা ও অর্থ পাচার রেমিট্যান্সে বড় বাধা’
রেমিট্যান্স পাঠাতে চার্জ লাগবে না প্রবাসীদের
রেমিট্যান্সের পর রপ্তানি আয়েও ধাক্কা
৮ মাসে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স, ৩৪ বিলিয়নে নামছে রিজার্ভ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
AIIB is providing budget support of Tk 2500 crore this week

২৫০০ কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দিচ্ছে এআইআইবি

২৫০০ কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দিচ্ছে এআইআইবি
ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, এআইআইবির ঋণের সুদ হার ৩ শতাংশ। এই ২৫ কোটি ডলার ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া আরও তিন বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে পাওয়া যাবে। এই অর্থ অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে খরচ করা হবে।

বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পাশাপাশি আরেক উন্নয়ন সহযোগী এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী বাংলাদেশি টাকায় এর পরিমাণ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেট সহায়তা নিয়ে চলতি সপ্তাহেই সরকারের সঙ্গে চুক্তি করবে এআইআইবি। ইতোমধ্যে চুক্তির সার-সংক্ষেপ অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনুমোদন পাওয়া গেলেই চুক্তি স্বাক্ষর হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, চলতি সপ্তাহেই চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।

চলমান অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছে বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।

জানা যায়, বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে ভারসাম্য বা ব্যালেন্স অফ পেমেন্টের জন্য ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে আইএমএফ। সাত কিস্তিতে মিলবে এই ঋণ। এর প্রথম কিস্তি আসবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে।

বিশ্বব্যাংকের কাছে ৫০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। এই অর্থ কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তা এখনও পরিষ্কার করেনি বিশ্বব্যাংক। তবে এডিবি আরও ২৫ কোটি ডলার দিচ্ছে। আগামী মার্চে এ‌ই ঋণ সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, এআইআইবির ঋণের সুদ হার ৩ শতাংশ। এই ২৫ কোটি ডলার ২০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। এছাড়া আরও তিন বছর গ্রেস পিরিয়ড হিসেবে পাওয়া যাবে। এআইআইবির বাজেট সহায়তা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে খরচ করা হবে।

ইআরডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সার-সংক্ষেপ এলেই চুক্তি স্বাক্ষর হবে। ইআরডি চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

এই ২৫ কোটি ডলার পাওয়া গেলে প্রথমবারের মতো এআইআইবির কাছ থেকে ঋণের পরিমাণ ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৬ সালে এআইআইবির সদস্য হওয়ার পর এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৮০ কোটি ডলার পেয়েছে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Workshop on Cash to Prevent Money Laundering and Terrorist Financing

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নগদের কর্মশালা

মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে নগদের কর্মশালা নগদ আয়োজিত কর্মশালায় কর্মকর্তাবৃন্দ ও উদ্যোক্তারা। ছবি: সংগৃহীত
মূলত অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আনা, হুন্ডি, অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা কিংবা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে সচেতনতা বাড়াতেই চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় পৃথক দুটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। যেখানে একজন উদ্যোক্তার সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, ঝুঁকি ও সতর্কতার বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়।

মোবাইল ফোনে আর্থিক লেনদেনে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে পৃথক কর্মশালা করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’।

‘হুন্ডি পথে টাকা লেনদেন বন্ধ করি, সবাই মিলে সুন্দর একটা দেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে সম্প্রতি কর্মশালা দুটির আয়োজন করা হয়।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি এ কথা জানায়।

চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন নগদের মার্কেট ডিরেক্টর (ইস্ট অপারেশন) শহিদ উল্লাহ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নূরুল আলম। কি-নোট স্পিকার ছিলেন নগদের কমপ্লায়েন্স বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আহাম্মদ আলী।

পাশাপাশি নগদের আঞ্চলিক ও প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান দুটি সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা ও চট্টগ্রামের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মেহেদি আহমেদ সিদ্দিকি ও মো. শামিমুল হাসান চৌধুরী। এ সময় তারা নগদের উদ্যোক্তা হিসেবে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তা, সম্ভাব্য ঝুঁকির ক্ষেত্র, হুন্ডি, বেটিংসহ নানাবিধ অপরাধ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সচেতন করেন।

পাশাপাশি সন্দেহজনক লেনদেনে রিপোর্টিং, প্রতারণা সংক্রান্ত কেস স্টাডি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

মূলত অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আনা, হুন্ডি, অবৈধভাবে বৈদেশিক মুদ্রা কিংবা ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন বন্ধে সচেতনতা বাড়াতেই এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। যেখানে একজন উদ্যোক্তার সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা, ঝুঁকি ও সতর্কতার বিষয়াদি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এছাড়া অবৈধ পথে রেমিট্যান্স আনার ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে দেশের অর্থনীতিতে যে বিরূপ প্রভাব পড়ে, তথ্যচিত্রের মাধ্যমে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

কর্মশালায় চ্যানেল পার্টনাররা অংশ নেয়ায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধান অতিথি ও নগদের চিফ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার এম নূরুল আলম। তিনি মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উল্লেখ করেন এবং দুষ্কৃতকারী কর্তৃক নগদ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার সব ধরনের অপচেষ্টা প্রতিরোধে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ ছাড়া নগদের কমপ্লায়েন্স কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দেশের সব প্রান্তে এমন সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনে আশাবাদ জানান তিনি।

কর্মশালার সভাপতি মো. শহিদ উল্লাহ বলেন, ‘নগদের মূল চালিকাশক্তি প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোক্তারা।’ মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে উদ্যোক্তাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
'নগদ-এ গোল' করে জিতে নিন স্মার্ট টিভি
মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ
হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Order to facilitate LC on import of daily commodities during Ramadan

রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ

রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবিবি চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
ইসলামী ব্যাংক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অডিট ও ইন্সপেকশন-এর মধ্যে পার্থক্য আছে। ব্যাংকটির ঋণ তদারকি করা হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকে আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ। এ নিয়ে গুজব ছড়ানোর অবকাশ নেই। এটা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।’

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিতে সর্বোচ্চ সহায়তা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এজন্য ব্যাংকগুলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসি সহজ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেরও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় দেশের তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের এই নির্দেশনা দেন গর্ভনর আব্দুর রউফ তালুকদার।

সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘অর্থ পাচার রোধে অপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি বন্ধ রাখা হয়েছে। আর রোজার সময় কোনো পণ্যের যাতে ঘাটতি না হয় এবং মূল্য স্থিতিশীল থাকে সে জন্য তেল, চিনি, ডাল ও ছোলার এলসি খুলতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

‘সভায় উপস্থিত ব্যাংকাররা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোর কোনো নীতি-সহায়তা দরকার হলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেয়া হবে।’

মুখপাত্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক খাদ্যপণ্য উৎপাদন বাড়াতে কৃষি ঋণ বিতরণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। গত চার মাসে ব্যাংকগুলো লক্ষ্যমাত্রার ৩৩ শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ করেছে। এটা বাড়ানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

‘চলতি অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর জন্য প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেসব ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারবে না তাদের কাছ থেকে অর্থ ফেরত নিয়ে অন্য ব্যাংকের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র বলেন, ‘প্রতিবন্ধীদের ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। বিভিন্ন ব্যাংকের অ্যাপ প্রতিবন্ধীদের ব্যবহারে কিছু সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে। সমস্যাগুলো সমাধানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যাতে তারা প্রতিবন্ধী-বান্ধব অ্যাপ চালু করে।’

তিনি জানান, ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে জনগণকে হয়রানি না করারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। এখন থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে গেলে গ্রাহকের কাছে অর্থের উৎস বা বাড়তি প্রশ্ন জানতে চাইবে না ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন নির্দেশনায় সম্মতি দিয়েছেন ব্যাংকাররা। তবে ১০ লাখ টাকার বেশি জমা দিলে জাতীয় পরিচয়পত্র, টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাইবে ব্যাংক।

মুখপাত্র বলেন, অর্থ পাচার রোধে অপ্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি বন্ধ রাখা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক তারল্য ব্যবস্থাপনায় নজর রেখেছে উল্লেখ করে মুখপাত্র বলেন, ঋণে ৯ শতাংশ সুদের হার নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।

হুন্ডি কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘হুন্ডির চাহিদা যেখান থেকে তৈরি হয়, আমরা সেটা খোঁজার চেষ্টা করছি। আন্ডার ইনভয়েসিং বন্ধ করার চেষ্টা চলছে। ৯০ শতাংশ ব্যাংক নির্ধারিত ১০৭ টাকা দরে রেমিট্যান্স আনছে। কিছু ব্যাংক হয়তো বেশি দাম দিচ্ছে। এটা যেন না হয়। নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা না করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অডিট ও ইন্সপেকশন-এর মধ্যে পার্থক্য আছে। ইসলামী ব্যাংকের ঋণ তদারকি করা হচ্ছে। ইসলামী ব্যাংকে আমানত সম্পূর্ণ নিরাপদ। এ নিয়ে গুজব ছড়ানোর অবকাশ নেই। এটা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।

‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যে ভূমিকা সেটা তারা পালন করবে। কোনো গ্রাহক ব্যাংকে গিয়ে টাকা পায়নি এমন কোনো প্রমাণ তো পাওয়া যায়নি।’

এবিবি চেয়ারম্যান ও ব্র‍্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘লোকাল কারেন্সির লিকুইডিটি নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে কথা চলছে। প্রথম দিকে কিছু টাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সব ব্যাংকিং সেক্টরে গ্রাহকরা আবার টাকা ফেরত দিচ্ছে। কাজেই দেশে কোনোরকম তারল্য সংকট বা ঝুঁকি নেই।’

আরও পড়ুন:
গরিবদের থেকে এনজিওর বেশি সুদ আদায় অন্যায়: গভর্নর
ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রচার হচ্ছে: বাংলাদেশ ব্যাংক
আমানত নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক
ডিজিটাল লেনদেনে নতুন সংযোজন ‘বিনিময়’ শুরু রোববার
১৫ নভেম্বর থেকে চেক ক্লিয়ারিংয়ের নতুন সময়সূচি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Hatil wants to increase the export market

রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল

রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল হাতিল ফার্নিচারের অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে আমাদের ফার্নিচার রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১০ মিলিয়ন ডলার। আগের বছরের তুলনায় এটা ৩৯ শতাংশ বেশি। সম্ভাবনাময় এই খাতের উন্নয়নের গতি এখনও মন্থর।’

দেশের বাজারে ক্রেতাদের আসবাবের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির বাজার বাড়াতে চায় হাতিল ফার্নিচার।

রাজধানীতে শনিবার ডিলার্স কনফারেন্স করে হাতিল। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘করোনা মহামারী মোকাবিলা করে দেশের ফার্নিচার শিল্প সফলতার সঙ্গে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এর পেছনে আছে সরকারের আন্তরিকতা, ফার্নিচার শিল্পের উদ্যোক্তাদের নিষ্ঠা এবং দেশের ক্রেতা-সাধারণের অকুন্ঠ সমর্থন।

‘বিশ্ববাজারে শিল্পখাতটির যে বিপুল সম্ভবনা, তার খুব সামান্য অংশের বাস্তবায়ন ঘটেছে। বিশ্বজুড়ে ফার্নিচার ব্যবহারের ট্রেন্ড দেখলে বোঝা যায় প্রতিবছর মার্কেট বড় হচ্ছে। ২০২১ সালে গ্লোবাল ফার্নিচার মার্কেটের সাইজ ছিল প্রায় ৬৫০ বিলিয়ন ডলার। ২০২২ সালে এই মার্কেটর সাইজ ধারণা করা হয় প্রায় ৭০০ বিলিয়ন ডলার।’

হাতিল চেয়ারম্যান বলেন, ‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে আমাদের ফার্নিচার রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১১০ মিলিয়ন ডলার। আগের বছরের তুলনায় এটা ৩৯ শতাংশ বেশি। সম্ভাবনাময় এই খাতের উন্নয়নের গতি এখনও মন্থর।’

অনুষ্ঠানে হাতিলের পরিচালক মাহফুজুর রহমান, মিজানুর রহমান, মশিউর রহমান এবং সফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

হাতিল একমাত্র বাংলাদেশি ব্র্যান্ড যাদের বিদেশে সর্বোচ্চ সংখ্যক আউটলেট আছে। দেশব্যাপী ৭০টির অধিক শো-রুমের মাধ্যমে কোম্পানিটি ক্রেতাদের সমসাময়িক আসবাবের চাহিদা মেটাচ্ছে। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে।

সম্প্রতি ভারতে চালু হয়েছে হাতিলের ২৮তম শোরুম। ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং পাঞ্জাব, হরিয়ানা, জম্মু ও কাশ্মীর এবং চণ্ডিগড়সহ বিভিন্ন রাজ্যে শোরুম আছে তাদের। পাশাপাশি ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে দুটি শোরুম আছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আরব আমিরাত, সৌদি আরব এবং ইউরোপেও ফার্নিচার রপ্তানি করে হাতিল।

আরও পড়ুন:
হাতিলের শোরুম মতিঝিলে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
10 organizations are receiving special contribution awards in the textile sector

বস্ত্র খাতে বিশেষ অবদানের পুরস্কার পাচ্ছে ১০ সংগঠন-প্রতিষ্ঠান

বস্ত্র খাতে বিশেষ অবদানের পুরস্কার পাচ্ছে ১০ সংগঠন-প্রতিষ্ঠান সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বীর প্রতীক গোলাম দস্তগীর গাজী। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে বস্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। এ অনুষ্ঠানে বস্ত্র খাতের উন্নয়ন, উৎকর্ষতা সাধন, বস্ত্র শিক্ষার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বাড়াতে ভূমিকা রাখায় ১০টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেয়া হবে।

বস্ত্র খাতের উন্নয়নে ভূমিকা রাখায় পুরস্কার পাচ্ছে ১০টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।

রোববার সকালে সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এবারের জাতীয় বস্ত্র দিবস উদযাপনের বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বীর প্রতীক গোলাম দস্তগীর গাজী।

এ সময় বস্ত্র ও পাটসচিব মো. আব্দুর রউফ, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. নূরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ‘আজ জাতীয় বস্ত্র দিবস। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বস্ত্রশিল্পের সম্ভাবনাগুলো বিকশিত করার লক্ষ্যে বস্ত্র খাতসংশ্লিষ্ট সব উদ্যোগ ও অংশীজনদের সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে সরকার ৪ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতিতে বস্ত্র খাতের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ আসে বস্ত্র খাত থেকে। দ্রুত সম্প্রসারিত এই শিল্প দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে বস্ত্র খাতে প্রায় অর্ধ কোটি লোক কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগই নারী। ফলে নারীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বস্ত্র খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, যুগোপযোগী করা ও বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে এ খাতের চাহিদা বাড়াতে ব্যাপক প্রচারের লক্ষ্যে জাতীয় বস্ত্র দিবস উদযাপন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, দিবসটি উপলক্ষে আগামী ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) বস্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ওই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।

এ অনুষ্ঠানে বস্ত্র খাতের উন্নয়ন, উৎকর্ষতা সাধন, বস্ত্র শিক্ষার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বাড়াতে ভূমিকা রাখায় ১০টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, বিজিএমইএ ২০৩০ সাল নাগাদ ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যমানের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার বস্ত্র খাতের অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় করে এ খাতের উন্নয়নকে গতিশীল রাখার পাশাপাশি বস্ত্র অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষের সব সেবা ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে দিচ্ছে।

বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন ও বিকশিত করতে নিবন্ধিত বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে কমপ্লায়েন্স পর্যবেক্ষণ ও নিশ্চিত করা হচ্ছে। বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পে উন্নত মানের সবুজ কারখানার (গ্রিন ফ্যাক্টরি) সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৭১টি। এ ধরনের আরও প্রায় ৫০০টি শিল্পকারখানা গ্রিন ফ্যাক্টরি হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন।

পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনগুলো হলো বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ স্পেশালাইজড টেক্সটাইল মিলস অ্যান্ড পাওয়ারলুম ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিএসটিএমপিআইএ), বাংলাদেশ কটন অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ), বাংলাদেশ গার্মেন্ট বায়িং হাউজ অ্যাসোসিয়েশন (বিজিবিএ), বাংলাদেশ টেরিটাওয়েল অ্যান্ড লিনেন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিটিএলএমএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স), বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমএই) এবং বাংলাদেশ তাঁতী সমিতি।

আরও পড়ুন:
বিপর্যয়ের মুখে বস্ত্রশিল্প: বিটিএমএ
বস্ত্র খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় মিসর
বস্ত্রকলগুলোর রমরমা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
LPG Price increased for 12 kg cylinder

ফের বাড়ল এলপিজির দাম

ফের বাড়ল এলপিজির দাম দোকানে সাজিয়ে রাখা এলপিজি সিলিন্ডার। ফাইল ছবি
বিইআরসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এলপিজির ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৪৬ টাকা। সেই হিসাবে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫১ টাকার জায়গায় হয়েছে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

টানা দ্বিতীয়বার দেশে বাড়ল রান্নায় ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি ওজনের সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৪৬ টাকা। সেই হিসাবে এখন ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২৫১ টাকার জায়গায় হয়েছে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে রোববার নতুন দাম ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সচিব খলিলুর রহমান খান, সদস্য মকবুল-ই-ইলাহি, আবু ফারুকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বিইআরসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নভেম্বর মাসের জন্য প্রতি টনে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের ঘোষিত সৌদি কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) ৬১০ ডলার। ডিসেম্বর মাসে তা বেড়ে ৬৫০ ডলার হয়েছে। প্রোপেন ও বিউটেনের ৩৫:৬৫ অনুপাত অনুযায়ী প্রতি টনে গড় সৌদি সিপি ৬৫০ ডলার বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করেছে কমিশন।

বিইআরসি চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বলেন, গত মাসের তুলনায় আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়েছে।

তিনি জানান, ১৬টি প্রতিষ্ঠানের এলসি সেটেলমেন্টের ভিত্তিতে ডলারের দাম ধরা হয়েছে ১০৫ টাকা ২২ পয়সা, যা গত মাসের তুলনায় ১ টাকা ৩ পয়সা কম। গত মাসে ছিল ১০৬ টাকা ২৫ পয়সা।

এর আগে নভেম্বরে ও কেজি প্রতি ৪.২৫ টাকা দর বাড়ে এলপিজির। ১২ কেজির সিলিন্ডার ১২শ টাকা থেকে বেড়ে দাড়ায় ১২৫১ টাকা। অক্টোবরে যা ছিল ১২০০ টাকা।

টানা কয়েকমাস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর মে মাসে থেকে কমতে থাকে এলপিজি গ্যাসের দাম। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ন্ত গ্যাসের দাম এপ্রিলে (১২ কেজি) গিয়ে দাঁড়ায় ১৪৩৯ টাকায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোর সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় এ বছর।

এপ্রিল মাসে (সৌদি আরামকো) সর্বোচ্চ দর ওঠে প্রোপেন ৯৪০ বিউটেন ৯৬০ ডলার। ২০১৪ সালের পর আর কখনও এতো বেশি দরে বেচাকেনা হয়নি বাংলাদেশে রান্নার কাজে বহুল ব্যবহৃত জ্বালানিটি।

২০২১ সালের ১২ এপ্রিলের আগে পর্যন্ত এলপিজির দর ছিল কোম্পানিগুলোর ইচ্ছাধীন। ১২ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দর ঘোষণা করে বিইআরসি। তখন বলা হয়েছিল, আমদানি নির্ভর এই জ্বালানির সৌদি রাষ্ট্রীয় কোম্পানি আরামকো ঘোষিত দরকে ভিত্তি মূল্য ধরা হবে। সৌদির দর উঠানামা করলে ভিত্তিমূল্য উঠানামা করবে। অন্য কমিশন অরপরিবর্তিত থাকবে। ঘোষণার পর থেকে প্রতি মাসে এলপিজির দর ঘোষণা করে আসছে বিইআরসি।

এলপিজি আমদানিকারকরা অপরেশনাল কমিশন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। এ নিয়ে ১১টি কোম্পানি বিইআরসিতে লিখিত আবেদন দেয়। তাদের দাবি হলো, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় জাহাজ ভাড়া বেড়েছে, অভ্যন্তরীণ রুটেও ভাড়া বেড়েছে।

সম্প্রতি কমিশনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছে তারা। সেখানে গণশুনানির বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। কোম্পানিগুলো আবেদন জমা দিলেই গণশুনানি গ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
আখাউড়া দিয়ে ত্রিপুরায় গেল ৩৬ টন এলপিজি
তিন মাস বাড়ার পর কমল এলপিজির দাম
‘যুদ্ধের প্রভাবে’ আবার বাড়ল এলপিজির দর
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ১৫১ টাকা
এলপিজির দাম সিলিন্ডারে বাড়ল ৬২ টাকা

মন্তব্য

p
উপরে