× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Mayank Arora is the new MD of Coca Cola Bangladesh
hear-news
player
google_news print-icon

কোকাকোলা বাংলাদেশের নতুন এমডি মায়াঙ্ক অরোরা

কোকাকোলা-বাংলাদেশের-নতুন-এমডি-মায়াঙ্ক-অরোরা
কোকাকোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মায়াঙ্ক অরোরা। ছবি: সংগৃহীত
নতুন দায়িত্ব নিয়ে মায়াঙ্ক বলেন, ‘কোকাকোলা সিস্টেমের জন্য বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় মার্কেট। অগ্রগতির এই যাত্রায় অংশীদার হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

কোকাকোলা বাংলাদেশ বেভারেজেস লিমিটেডের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মায়াঙ্ক অরোরা।

গত অক্টোবর থেকে তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানিয়ে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বহুজাতিক এই কোম্পানিটি। এর আগে তাপস কুমার মণ্ডল কোকাকোলা বাংলাদেশের এমডি ছিলেন।

মায়াঙ্ক ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কোকাকোলা বেভারেজেস শ্রীলঙ্কা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। নতুন দায়িত্ব নিয়ে মায়াঙ্ক বলেন, ‘কোকাকোলা সিস্টেমের জন্য বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাবনাময় মার্কেট। অগ্রগতির এই যাত্রায় অংশীদার হতে পেরে আমি আনন্দিত।’

বাংলাদেশের সমৃদ্ধির যাত্রায় কোকাকোলার ভূমিকা পালন নিয়েও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

২১ বছরের কর্মজীবনে হিন্দুস্তান কোকাকোলা বেভারেজেস লিমিটেড এবং বার্জার পেইন্টস ইন্ডিয়া লিমিটেডসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন মায়াঙ্ক অরোরা।

ভুবনেশ্বরের জেভিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অ্যালামানাই মায়াঙ্ক অরোরা ভারতের আহমেদাবাদের ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে অ্যাডভান্সড ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম সম্পন্ন করেছেন। তিনি দিল্লি ইউনিভার্সিটি থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রিধারী।

আরও পড়ুন:
বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ে অর্থ দেবে কোকা-কোলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The pace of remittances is not slowing down

কাটছে না রেমিট্যান্সের অশনি গতি

কাটছে না রেমিট্যান্সের অশনি গতি
অবৈধ হুন্ডি বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্স কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। এটা বন্ধ করতে না পারলে রিজার্ভের পরিমাণ আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।

বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ বাড়াতে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে গতি আনতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অবৈধ হুন্ডি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে; দেশের মঙ্গলের জন্য ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের অনুরোধ করা হচ্ছে।

কিন্তু তাতে কোনো ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়ছে না অর্থনীতিরি গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো চলতি নভেম্বর মাসেও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের নিম্নমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রোববার চলতি মাসের ২৫ দিনের রেমিট্যান্সের তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, নভেম্বর মাসের প্রথম ২১ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ ৫০ হাজার (১.৩৫ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে।

ডলারের বাজারের অস্থিরতার কারণে অবৈধ হুন্ডি বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্স কমছে বলে জানিয়েছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর। এটা বন্ধ করতে না পারলে রিজার্ভের পরিমাণ আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।

চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে প্রতিদিন গড়ে ৭ কোটি ডলার করে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

চলতি মাসের বাকি ৪ দিনে এই হারে রেমিট্যান্স এলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মতো নভেম্বর মাসেও দেড় বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি রেমিট্যান্স আসবে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। জুলাইয়ে এসেছিল ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার; যা ছিল আগের ১৪ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। আর গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ। আগস্টে আসে ২ দশমিক শূন্য ৪ বিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ। ওই দুই মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ছিল ১২ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, গত সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা ১৫৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা ছিল গত বছরের সেপ্টেম্বরের চেয়ে ১০ দশমিক ৮৪ শতাংশ কম। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার এসেছিল। পরের মাস অক্টোবরে এসেছিল ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এ মাসে ১৫২ কোটি ৫৪ লাখ (১.৫২ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

গত বছরের অক্টোবরে ১৬৪ কোটি ৬৯ লাখ (১.৬৪ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল। আগের মাস সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৪ কোটি ডলার। এ হিসাবে গত বছরের অক্টোবরের চেয়ে এই অক্টোবরে ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ রেমিট্যান্স কম এসেছে। আর সেপ্টেম্বরের চেয়ে কম এসেছে ১ শতাংশের মতো।

গত ফেব্রুয়ারিতে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ (১.৪৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এর আট মাস পর সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স আসে অক্টোবরে।

কাটছে না রেমিট্যান্সের অশনি গতি

রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক কমায় রিজার্ভ নেমেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। রোববার দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের আগস্টে এই রিজার্ভ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে। এক বছর আগে ২৪ নভেম্বর রিজার্ভ ছিল ৪৪ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

তবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম চার মাসের (জুলাই-অক্টোবর) হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে এখনো প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। এই চার মাসে ১১৯ কোটি ৮৩ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২ শতাংশ বেশি।

গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেও (জুলাই-আগস্ট) রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। তবে সেপ্টেম্বরে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অক্টোবর মাসে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ।

আর এই দুই সূচকে নেতিবাচক ধারার কারণেই আমদানি ব্যয় কমার পরও রিজার্ভ নেমেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে। ২০২০ সালের ৩০ জুনের পর যা সর্বনিম্ন। গত সেপ্টেম্বর মাসে আমদানি খাতে ব্যয় হয়েছে ৬ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে বর্তমানের রিজার্ভ দিয়ে পাঁচ মাসের কিছু বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যাংকিং চ্যানেলের বদলে অবৈধভাবে হুন্ডিতে অর্থ পাঠানোর কারণ, সেখানে ডলারের দর বেশি পাওয়া যায়। প্রতি ডলারের বিপরীতে তিন থেকে চার টাকার ব্যবধান অনেককেই এভাবে অর্থ পাঠানোতে আগ্রহী করছে।’

তিনি বলেন, খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দর এখন ১১২ থেকে টাকা। ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে ১০৭ টাকা পাওয়া যায়। তার সঙ্গে আড়াই শতাংশ প্রণোদনা যোগ হয়ে পাওয়া যায় ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আর হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে, যার নামে পাঠান তিনি ১১৩ টাকা পর্যন্ত পাচ্ছেন।

সে কারণেই সাম্প্রতিক সময়ে হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ বেড়ে গেছে বলে মনে করছেন আহসান এইচ মনসুর। তার মূল্যায়ন, এ কারণেই ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স কম আসছে।

দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করে আসা আহসান মনসুর বলেন, ‘মূলত হুন্ডি বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই সূচক কমছে। এটা বন্ধ করতে হবে। হুন্ডি কারবারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে কিন্তু রেমিট্যান্স বাড়বে না; রিজার্ভ আরও কমে যাবে।’

কাটছে না রেমিট্যান্সের অশনি গতি

হুন্ডি বন্ধে নানা পদক্ষেপ

অর্থ পাচার ও কালো টাকা না কমলে বৈধ পথে রেমিট্যান্সও বাড়বে না- বিভিন্ন মহলের এমন বার্তার পর হুন্ডি প্রতিরোধের নতুন কৌশলে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠন করা হয় আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সম্প্রতি হুন্ডির মাধ্যমে প্রেরিত রেমিট্যান্সের ২৩০ জন বেনিফিশিয়ারির হিসাবে সাময়িকভাবে উত্তোলন স্থগিত করে বিএফআইইউ। বলা হয়, ভবিষ্যতে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাবে এমন প্রতিশ্রুতি দিলে হিসাবগুলো খুলে দেওয়া হবে।

বৈধ উপায়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের বিপরীতে আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা দেওয়া, রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি সম্মাননা দেওয়া, রেমিট্যান্স বিতরণ প্রক্রিয়া সম্প্রসারণ ও সহজ করা, অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিনিয়োগ ও গৃহায়ণ অর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ফিনটেক পদ্ধতির আওতায় আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার অপারেটরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ড্রয়িং ব্যবস্থা স্থাপনে উদ্বুদ্ধ করা ও রেমিট্যান্স পাঠাতে ব্যাংক বা এক্সচেঞ্জ হাউজগুলোর চার্জ ফি মওকুফ করা হয়েছে।

অবৈধ হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত কয়েক মাস ধরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সপ্রবাহ কমে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ নভেম্বর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশি ও তাদের প্রিয়জনদের জানানো যাচ্ছে যে, কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে (হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ পথে) প্রেরণ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ এবং এতে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে প্রবাসীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, ‘আপনাদের অর্জিত মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ পথে না পাঠিয়ে বৈধ পথে বা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে প্রেরণ করুন, দেশ গড়ায় মূল্যবান অবদান রাখুন এবং আপনার প্রিয়জনকে ঝুঁকিমুক্ত ও নিরাপদ রাখুন।’

অবৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে প্রমাণ সাপেক্ষে প্রচলিত আইনে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রেমিট্যান্সের পর রপ্তানি আয়েও ধাক্কা
৮ মাসে সবচেয়ে কম রেমিট্যান্স, ৩৪ বিলিয়নে নামছে রিজার্ভ
রেমিট্যান্স কমছেই, ২৭ দিনে এসেছে ১৩৬ কোটি ডলার
রেমিট্যান্সে ধীরগতি, ২০ দিনে এসেছে ১১০ কোটি ডলার
মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সে বাড়তি ২ শতাংশ প্রণোদনা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Project on modernization of three toll stations

তিন শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নে প্রকল্প

তিন শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নে প্রকল্প সোনা মসজিদ স্থল বন্দর। ছবি: সংগৃহীত
চাঁপাইনবাবগুঞ্জের সোনামসজিদ, সিলেটের তামাবিল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নে ৩১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প নিয়েছে এনবিআর।

রাজস্ব আদায়ের দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ দেশের তিনটি শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নে উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এগুলো হলো চাঁপাইনবাবগুঞ্জের সোনামসজিদ, সিলেটের তামাবিল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া।

শুল্ক স্টেশনগুলো আধুনিকায়নে ৩১৩ কোটি টাকা ব্যয়সাপেক্ষ একটি প্রকল্প নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর, যা গত মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।

সূত্র জানায়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের আওতায় কাস্টমসের অবকাঠামো তৈরি ও শুল্কায়ন প্রক্রিয়া আধুনিকায়ন করা হবে।

এনবিআরের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, উল্লিখিত শুল্ক স্টেশনগুলো রাজস্ব আদায়ের দিক থকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও শুল্ক স্টেশনের অবকাঠামো খুবই দুর্বল। জনবলেরও ঘাটতি রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ শুল্ক স্টেশনের জন্য যা দরকার এসব শুল্ক স্টেশনে তা নেই। অথচ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড দিন দিন বাড়ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এসব শুল্ক স্টেশন দিয়ে পণ্য আনা-নেয়া সহজ হবে। গতি বাড়বে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে। একইসঙ্গে বাড়বে রাজস্ব আদায়।

বর্তমানে এনবিআরের অধীনে সারাদেশে ৫০টি শুল্ক স্টেশন সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকেরই অবকাঠামো দুর্বল। এনবিআর সূত্র বলেছে, তিনটি শুল্ক স্টেশন আধুনিকায়নের পর অন্যগুলোতেও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

জানা যায়, প্রকল্পের আওতায় যেসব কাজ হবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- কাস্টম অফিস ও কর্মকর্তাদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, আধনিক ল্যাব তৈরি, কম্পিউটার ক্রয় ইত্যাদি।

বর্তমানে এসব শুল্ক স্টেশনে ম্যানুয়াল বা প্রচলিত প্রথায় পণ্যের শুল্কায়ন করা হয়। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া আধুনিক হবে। এতে করে পণ্য দ্রুত খালাস হবে। সহজ হবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

বর্তমানে সারা দেশে কাস্টমসের শুল্ক স্টেশনের মাধ্যমে যে পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয় তার ৩০ ভাগ এই তিনটি স্টেশনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এনবিআরের কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিকায়নের কাজ শেষ হলে বাণিজ্যক কর্মকাণ্ড কমপক্ষে ২০ ভাগ বাড়বে।

ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়সহ ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় ৭টি রাজ্যে প্রবেশের অন্যতম দুয়ার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শুল্ক স্টেশন। ১৯৯৪ সালে চালু হওয়া এই স্থলবন্দর দিয়ে মাছ, পাথর, সিমেন্ট, ইট, বালি, শুটকি, প্লাস্টিক সামগ্রী, তুলাসহ প্রায় ৪২টি বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগের ক্ষেত্রে তামাবিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুল্ক স্টেশন হলেও এটি চলছে দুর্বল অবকাঠামো ও স্বল্প লোকবল দিয়ে।

কাস্টমস সূত্র বলেছে, এটিকে পূর্ণাঙ্গ শুল্ক স্টেশনে উন্নীত করা হলে রাজস্ব আদায় বর্তমানের চেয়ে দ্বিগুণ হবে। গত অর্থবছরে তামাবিল শুল্ক স্টেশন থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ হয়। এই শুল্ক স্টেশন দিয়ে ভারত থেকে পাথর ও কয়লা বেশি আসে।

এছাড়া সোনা মসজিদ স্থল বন্দর দিয়ে পাথর, চাল, পেঁয়াজ, শুটকি, ভুট্টাসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি করা হয়। এর মধ্যে বেশি আসে পাথর। এই শুল্ক স্টেশন থেকে মাসে গড়ে ৭০ থেকে ৮০ কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ হয়।

আরও পড়ুন:
সীমানা জটিলতায় থেমে আছে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের উন্নয়ন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Housing traders are seeing challenges in the new DAP

নতুন ড্যাপে চ্যালেঞ্জ দেখছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা

নতুন ড্যাপে চ্যালেঞ্জ দেখছেন আবাসন ব্যবসায়ীরা রোববার এফবিসিসিআই কার্যালয়ে স্ট্যান্ডিং কমিটি অন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিংয়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্যোক্তারা বলছেন, আগে প্রশস্ত রাস্তা না থাকলেও ৮ থেকে ১০ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা যেত। এখন সেখানে অনুমোদন পাওয়া যাবে চার থেকে পাঁচ তলার। এতে স্বল্প প্রস্থের রাস্তার পাশের জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বৈষম্যের শিকার হবেন আবাসন ব্যবসায়ীরাও। ক্ষতির মুখে পড়বে আবাসন শিল্প।

পরিকল্পিত আবাসন ও উন্নত রাজধানী গড়তে নতুন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপ অনুমোদন পেয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নতুন এই পরিকল্পনায় টেকসই নগরায়ণ-বান্ধব উদ্যোগ থাকলেও আবাসন শিল্পের জন্য বেশকিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে বলে দাবি রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (রিহ্যাব)।

রোববার এফবিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত স্ট্যান্ডিং কমিটি অন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিংয়ের দ্বিতীয় সভায় আবাসন খাতের উদ্যোক্তারা এমনটা জানিয়েছেন।

উদ্যোক্তারা জানান, নতুন ড্যাপে রাস্তার প্রশস্ততা অনুপাতে ফ্লোর এরিয়া রেশিও (এফএআর) নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে আগে যেখানে প্রশস্ত রাস্তা না থাকলেও ৮ থেকে ১০ তলাবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা যেত, এখন সেখানে অনুমোদন পাওয়া যাবে চার থেকে পাঁচ তলার। এ কারণে স্বল্প প্রস্থের রাস্তার পাশের জমির মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। বৈষম্যের শিকার হবেন আবাসন ব্যবসায়ীরাও। এমন অবস্থায় শিল্পটি ক্ষতির মুখে পড়বে বলে দাবি তাদের।

বৈঠকে জানানো হয়, আগে রাজধানীতে জমির নিবন্ধন ফি নির্ধারণ হতো মৌজার দর অনুযায়ী। নতুন ড্যাপে সেটিকে পরিবর্তন করে বাজার মূল্য অনুযায়ী নির্ধারণের বিধান করা হয়েছে। এটিকেও আবাসন শিল্পের জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা।

এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন জানান, আবাসন খাতের সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। নিজেদের ধারণা সমৃদ্ধ করতে আবাসন ব্যবসায়ীদের ড্যাপ বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণের পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে টেকসই নগরায়ণ নিশ্চিতে ড্যাপকে বাস্তবতার আলোকে সমন্বয় করতে রাজউকের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বৈঠকে কমিটির ডিরেক্টর ইনচার্জ ও রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, ‘ড্যাপে বেশকিছু ভালো দিক রয়েছে। তবে আবাসন খাতের জন্য কিছু জটিলতাও থেকে গেছে। এসব বিষয়ে সমাধানে আসতে রাজউক, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ অন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে রিহ্যাব। ‘আমরা সরকারের প্রতিপক্ষ নয়, সহযোগী হয়ে কাজ করতে চাই।’

বৈঠকে এফবিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি আমিন হেলালী বলেন, ‘এই বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরা আমাদের কাজ। আবাসন শিল্পের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমিতির সঙ্গে বসে সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করতে হবে।’ একইসঙ্গে আবাসন খাতের অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে রিহ্যাবের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নির্মাণসামগ্রীর উচ্চ মূল্যের কারণে এমনিতেই সংকটে রয়েছে আবাসন খাত। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নতুন ড্যাপ নিয়ে শঙ্কা। এমন সংকট থেকে উত্তরণে নীতিনির্ধারক ও অংশীজনদের নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান কমিটির চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী ভূঁইয়া মিলন।

তিনি বলেন, ‘আবাসন ব্যবসায়ীরা ড্যাপের বিরুদ্ধে নয়। তাদের আপত্তি কেবল টেকসই নগরায়ণ এবং আবাসন খাতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো নিয়ে।

এফবিসিসিআইর পরিচালক এম জি আর নাসির মজুমদার, শফিকুল ইসলাম ভরসা, বিজয় কুমার কেজরিওয়াল, হাফেজ হারুন, আবু মোতালেব, আক্কাস মাহমুদ, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, কমিটির কো-চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন জিটু, মোহাম্মদ আলী দ্বীন, কামাল মাহমুদ, এ.এফ.এম ওবায়দুল্লাহসহ অন্য সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ড্যাপের সম্মিলিত বাস্তবায়নে জোর স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর
ড্যাপ চূড়ান্ত, কারও প্রতি অবিচার হলে সংশোধন
‘উঁচু ভবন করলে বাড়বে ডায়াবেটিস’
ড্যাপের অনুমোদন ডিসেম্বরে: মন্ত্রী তাজুল
ডিসেম্বরের মধ্যে ড্যাপ গেজেট: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
MasterCard Excellence Award Received Cash

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ

মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেল নগদ
স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে ডিজিটাল উদ্ভাবনে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ পেয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদ। পাশাপাশি মার্চেন্ট ব্যবসায় অনলাইন ক্যাটাগরিতে অবদান রাখায় আরেকটি পুরস্কার পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘টুওয়ার্ডস আ স্মার্ট ট্রান্সফরমেশন’ শিরোনামে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২২’-এর আয়োজন করে ডিজিটাল অর্থ লেনদেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সংস্থা মাস্টারকার্ড। সেখানে দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে নগদ।

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নগদ এ তথ্য জানায়।

স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে অবদান রাখা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে মাস্টারকার্ড। এটি মাস্টারকার্ডের চতুর্থ আয়োজন। এ বছর ১৫টি বিভাগে মোট ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরমধ্যে একাধিক প্রতিষ্ঠান একাধিক শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে। ২০২১-২২ সালের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

এবার মাস্টারকার্ড ক্রেডিট কার্ড বিল পেমেন্টের জন্য এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন ২০২১-২২ অর্জন করেছে নগদ। এছাড়া এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট) অনলাইন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পায় নগদ।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনারগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখছে এমন সব প্রয়োজনীয় ও অভিনব ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করতে পেরে মাস্টারকার্ড আনন্দিত।’

নগদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘নগদ শুরু থেকে প্রযুক্তিগতভাবে একটি ডিজিটাল পেমেন্ট সল্যুশন হিসেবে সবার কাছে স্বীকৃত। সেই স্বীকৃতির সাথে প্রাপ্তি হিসেবে যোগ হলো মাস্টারকার্ডের এই পুরস্কার। আমরা চাই নগদ-এর মাধ্যমে এ দেশের ব্যাংকিং খাতের বাইরে থাকা জনগোষ্ঠী আর্থিক খাতে যুক্ত হোক। কারণ প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক ও সাশ্রয়ী একটি সেবা ডাক বিভাগের নগদ।’

এর আগে বাংলাদেশে প্রথম ই-কেওয়াইসি উদ্ভাবনের জন্য বেস্ট ইনোভেশন ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড, বিশ্ব সেরা ফিনটেক উদ্যোগ হিসেবে ইনক্লুসিভ ফিনটেক ফিফটি অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাওয়ার্ড, উইটসা গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ডিজিটাল বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড, ই-কমার্স মুভার অ্যাওয়ার্ড, বেস্ট মার্কেটিং কমিউনিকেশন অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অনেক দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে নগদ।

আরও পড়ুন:
হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা
বিজনেস ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার হলেন নগদের সিবিও
ডাক বিভাগকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব দিল ‘নগদ’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
That inexhaustible Casco is decaying
পুরোনো দিনের মায়াবী পণ্য

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো নব্বইয়ের দশকে বাজারে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করেছে কসকো সাবান। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাসাবাড়িতে কমেছে কসকোর ব্যবহার। তবে হোটেল-রেস্তোরাঁয় হাত ধোয়ার জন্য এই সাবানের ব্যবহার এখনও বেশ চোখে পড়ার মতো। চিকিৎসকের পরামর্শেও অনেকে কসকো সাবান নিয়মিত ব্যবহার করছেন।

আমি কবি তুমি কবিতা

তুমি প্রথম প্রেম, প্রথম প্রেম ওগো সুস্মিতা

ত্বকের সৌন্দর্যে কসকো…

নব্বইয়ের দশকে তারিন-পল্লবের টিভি বিজ্ঞাপনে এই জনপ্রিয় জিঙ্গেলের কথা অনেকের হয়তো মনে আছে। এই বিজ্ঞাপনটি যে পণ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিত তার নাম ‘কসকো গ্লিসারিন সোপ’।

দেশে উৎপাদিত এই সাবানের দাপুটে বাজার ছিল দীর্ঘদিনের। ‘ক্ষয় কম; ব্যবহার করা যায় বেশি দিন’ এমন সুবিধায় অনেকেই আপন করে নেন কসকো সাবান। ব্যক্তিগত ব্যবহারের পাশাপাশি খাবারের হোটেলসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বিপুল জনপ্রিয়তা পায় পণ্যটি। সেই সঙ্গে গ্লিসারিনের কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে ত্বকের সমস্যায় এই সাবানের নিয়মিত ব্যবহার শুরু হয়।

নব্বইয়ের দশকের সেই বিপুল জনপ্রিয়তায় অনেক দিন ধরেই অবশ্য ভাটার টান চলছে। দেশি-বিদেশি সাবানের দাপটে কসকো এখন অনেকটাই ম্রিয়মাণ। বাসাবাড়িতে কমে গেছে ব্যবহার। তবে ক্ষয় কম হওয়ায় হোটেল-রেস্তোরাঁয় এখনও কসকোর বেশ চাহিদা রয়েছে।

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো

পণ্যের ধরন ও মোড়কে আসেনি পরিবর্তন

কসকো সাবান নব্বইয়ের দশকে ব্যাপক পরিচিতি পেলেও মূলত সত্তর দশকের পর থেকে ধীরে ধীরে বাজার দখল শুরু হয়। পাঁচ দশক পরেও পণ্যের গুণগত মান ও মোড়কে পরিবর্তন আসেনি। সাবানের রংও আছে আগের মতো। ক্রেতার আস্থা ধরে রাখতে গন্ধেও বদল আনেনি উৎপাদক প্রতিষ্ঠান।

উৎপাদক প্রতিষ্ঠান কমান্ডার সোপ কোম্পানি লিমিটেডের বিপণনপ্রধান এম এ মতিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যবসা তেমন বড় হয়নি, তবে উৎপাদন থেমে নেই। গ্লিসারিন সাবানের পাশাপাশি আমরা হ্যান্ডওয়াশ, ডিশওয়াশ, কসকো বার সাবানও বাজারজাত করছি। মানুষের আস্থাই কসকোর পুঁজি।’

কমান্ডার সোপ কোম্পানির সেলস বিভাগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোম্পানির তেজগাঁও কারখানায় ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মরত আছেন। মালিক ব্যবসা বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।’

তিনি জানান, পণ্যে গ্রাহক আস্থা ধরে রাখতে কোনো ধরনের পরিবর্তনের ঝুঁকি নেয়া হয়নি। সাবানে ভিন্নতা আনলে ভোক্তার কাছে কতটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে তা নিয়ে শঙ্কায় ছিল কর্তৃপক্ষ। পুঁজির ঝুঁকি এড়াতে তাই আগের মতোই রয়ে গেছে কসকো সাবান।

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো
কসকো সাবানের বিজ্ঞাপনে তারিন ও পল্লব

বদলেছে ভোক্তার ধরন

নব্বইয়ের দশকে বাজারে দাপটের সঙ্গে রাজত্ব করেছে কসকো সাবান। পরে বিদেশি ব্র্যান্ডের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানির সাবান বাজার নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে যায়। ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়ে কসকো।

বাংলাদেশ কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজ ম্যানুফেকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিটিএমএ) ২০১৬ সালের একটি প্রতিবেদন বলছে, দেশে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় বিউটি সোপ লাক্স। এর মার্কেট শেয়ার ৪৫ শতাংশ।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাসাবাড়িতে কমেছে কসকোর ব্যবহার। তবে হোটেল-রেস্তোরাঁয় হাত ধোয়ার জন্য এই সাবানের ব্যবহার এখনও বেশ চোখে পড়ার মতো।

রাজধানীর বাংলামোটর মোড়ের আলম রেস্তোরাঁয় ব্যবহার হয় কসকো সাবান। এর মালিক হোসেন আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কসকো পুরোনো সাবান। ক্ষয় কম হয়, টেকে বেশি দিন। অন্য সাবান দ্রুত ফুরিয়ে যায়, কিন্তু কসকো একটু বেশি দিন টেকে।’

চিকিৎসকের পরামর্শেও অনেকে কসকো সাবান ব্যবহার করছেন। শুষ্ক ও সংবেদনশীল ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গ্লিসারিনযুক্ত এই সাবান ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়।

মিরপুর শেওড়াপাড়ার গৃহবধূ রেহানা পারভীন গায়ে দেয়ার সাবান হিসেবে সারা বছর কসকো ব্যবহার করেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এলার্জির কারণে চিকিৎসক আমাকে এই সাবান ব্যবহার করতে বলেছেন।’

তবে কসকো সাবান কিনতে অনেক ঝক্কি পোহাতে হয় বলে জানান রেহানা। তিনি বলেন, ‘এলাকার অলিগলির কোনো দোকানেই পাওয়া যায় না। বড় একটা সুপার সপ থেকে এই সাবান আমাকে কিনতে হয়। সেখানেও সব সময় পাওয়া যায় না। তাই আমি একসঙ্গে ৫-৬টি কিনে রাখি।’

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো

নিভে গেছে প্রচারের আলো

একসময়ে দৈনিক, সাপ্তাহিক পত্রিকায় থাকত কসকো সাবানের বর্ণিল বিজ্ঞাপন। বিটিভিতেও প্রচার হতো পণ্যের গুণগান। তবে এখন এই পণ্যের কোনো ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচার নেই।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও নেই কসকো সাবানের প্রচার।

কোম্পানি বা পণ্যের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও কথা বলতে উৎসাহ দেখা যায়নি। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে নেই কোনো ফোন নম্বর। দুটি ই-মেইল ঠিকানা থাকলেও সেখানে মেইল করে সাড়া মেলেনি।

তেজগাঁওয়ে কসকোর কারখানায় গিয়ে কথা বলতে চাইলেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে কর্তৃপক্ষের অনীহা দেখা গেছে। এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কর্তৃপক্ষের কেউ কোম্পানি সম্পর্কে কথা বলতে ইচ্ছুক নয়।’

ক্ষয়ে যাচ্ছে সেই ‘অক্ষয়’ কসকো
কসকো সাবানের বিজ্ঞাপনে তারিন

তিনি জানান, কমান্ডার সোপ কোম্পানি লিমিটেডের একটি ব্র্যান্ড ‘কসকো’। দেশভাগের পরের বছর ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই কোম্পানি।

ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় রয়েছে কোম্পানির কারখানা। এটি কসকোর দ্বিতীয় কারখানা। কমান্ডার সোপ কোম্পানি লিমিটেডের প্রথম ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন শিল্পপতি ফজলুর রহমান খান। ১৯৮৫ সালে এমডির দায়িত্ব নেন তার ছেলে মোহাম্মদ জাকারিয়া খান। তিনিই এখন কোম্পানি পরিচালনার দায়িত্বে আছেন।

আরও পড়ুন:
কীসের গল্প বলবে ‘রঙবাজার’
পদোন্নতি বিতর্ক: লিখিত ব্যাখ্যা দিল ডিএসই
প্রি ওপেনিংকে ফের কারসাজির সুযোগ ভাবল বিএসইসি
এসএমইতে বিনিয়োগ: বিএসইসির আবেদন শোনেনি চেম্বার আদালত
এক দিন পরই সূচকের ধপাস, ‘ক্রেতাশূন্য’ তিন শ কোম্পানি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Birth Control Pills Renata Qualifies Bid Worldwide

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে রেনাটার কারখানা। ছবি: কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে নেয়া
১৯৭২ সালে আমেরিকার ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি রেনাটা লিমিটেডের রাজেন্দ্রপুর পোটেন্ট প্রোডাক্ট ফ্যাসিলিটি (আরপিপিএফ) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জেনেভা থেকে অনুমোদন পেয়েছে। এর ফলে তারা রেনাটা জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের জন্য বিশ্বের বেশিরভাগ দেশেই টেন্ডার বিড করতে পারবে।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে রেনাটা।

কোম্পানিটি ডিএসইকে আরও জানিয়েছে, রাজেন্দ্রপুর পোটেন্ট প্রোডাক্ট ফ্যাসিলিটি হল বাংলাদেশে একমাত্র কারখানা, যেটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রাক-যোগ্যতা অর্জন করেছে।

১৯৭২ সালে আমেরিকার ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড।

বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোম্পানিটির ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। ১৯৭৯ সালে কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। এর পরিশোধিত মূলধন ১০৭ কোটি ১৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা। বর্তমানে কোম্পানিটি ‘এ’ ক্যাটাগরিতে লেনদেন করছে।

গত জুনে সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটি কর পরবর্তী ৫১১ কোটি ৯ লাখ ৬১ হাজার ৪২৯ টাকা মুনাফা করেছে।

কোম্পানিটির ৫১ দশমিক ২৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ১৯ দশমিক ২৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২২ দশমিক ৮৪ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

কোম্পানিটির শেয়ার রোববার সর্বশেষ এক হাজার ২১৭ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রেনাটার আরেকটি ওষুধ
ফ্লোরের ‘বাধা’ ভাঙার চেষ্টা শুরু?
আরও একগুচ্ছ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা
৯ মাসে মুনাফা ১৪ কোটি, ৩ মাসে লোকসান ৩৬ কোটি
আয় বাড়লেও তালিকাভুক্তির পর এস্কয়ার নিটের সর্বনিম্ন লভ্যাংশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Chittagong port stalled due to shipping strike

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর

নৌযান ধর্মঘটে স্থবির চট্টগ্রাম বন্দর নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর স্থবির হয়ে পড়েছে। বন্দরে জাহাজের পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ রয়েছে। অচলাবস্থার দেখা দিয়েছে বহির্নোঙরেও।

শনিবার রাত থেকে সারা দেশে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট শুরু হয়। রোববার সকাল থেকে বন্দরে লাইটারেজর জাহাজে লোড-আনলোড, সেইলিংসহ সব কার্যক্রম বন্ধ করে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেন শ্রমিকরা।

বাংলাদেশ লাইটার শ্রমিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মোহাম্মদ নবী আলম বলেন, ‘নৌযান শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধ, শ্রমিকদের পরিচয়পত্র প্রদানসহ ১০ দফা দাবিতে এই ধর্মঘট পালন করা হচ্ছে। রাতে কিছু কিছু শ্রমিক কাজ করলেও সকাল থেকে পুরোপুরি ধর্মঘট চলছে।’

শ্রমিকদের ১০ দফা দাবি হলো নৌযান শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক দেয়াসহ সর্বনিম্ন মজুরি ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, খাদ্য ভাতা ও সমুদ্র ভাতার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড ও নাবিক কল্যাণ তহবিল গঠন করা, দুর্ঘটনা ও কর্মস্থলে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা।

এ ছাড়াও রয়েছে চট্টগ্রাম থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহে দেশের স্বার্থবিরোধী প্রকল্প বাস্তবায়নে চলমান কার্যক্রম বন্ধ করা, বালুবাহী বাল্কহেড ও ড্রেজারের রাত্রিকালীন চলাচলের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা শিথিল, নৌ-পথে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ করা।

দাবির মধ্যে আরও রয়েছে ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস দেয়াসহ ভারতীয় সীমানায় হয়রানি বন্ধ করা, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন নীতিমালা শতভাগ কার্যকর করে সব লাইটার জাহাজকে সিরিয়াল মোতাবেক চলাচলে বাধ্য করা, চরপাড়া ঘাটে ইজারা বাতিল ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা বন্ধ করা।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে নৌ-শ্রমিকদের এই ধর্মঘট চলবে বলে জানান তিনি।

এই বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বন্দরের কার্যক্রমে স্বাভাবিকভাবেই শ্রমিক ধর্মঘটের প্রথম পড়বে। তবে কনটেইনার জাহাজ বা কনটেইনার কার্গোতে কোনো সমস্যা নেই। আউটার অ্যাংকরেজ (বহির্নোঙর) থেকে পণ্য লোড-আনলোড বন্ধ আছে।’

এর আগে ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান ও পতেঙ্গা থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বন্দর নগরীতে সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘট পালন করেন লাইটারেজ জাহাজ শ্রমিকরা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়ছে দেড়গুণ
চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ ফেব্রুয়ারিতে
এলসিএল কনটেইনার ডেলিভারিতে নানা সংকট
কনটেইনার ধারণক্ষমতা বাড়ল চট্টগ্রাম বন্দরের
পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড

মন্তব্য

p
উপরে