× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Padma Bank gave a blanket to the Prime Ministers relief fund with the help of the needy
hear-news
player
google_news print-icon

শীতার্তদের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে কম্বল দিল পদ্মা ব্যাংক

শীতার্তদের-সহায়তায়-প্রধানমন্ত্রীর-ত্রাণভান্ডারে-কম্বল-দিল-পদ্মা-ব্যাংক
তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে কম্বল তুলে দেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান। ছবি: পিএমও
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এক অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের পক্ষে কম্বলগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান।

শীত মৌসুমে শীতার্ত মানুষের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে ১৫ হাজার কম্বল দিয়েছে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড।

পদ্মা ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সকালে এক অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের পক্ষে কম্বলগুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক রিয়াজ খান।

বেসরকারি ব্যাংক উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) চেয়ারম্যান এবং এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মোট ২৮ লাখ ৮৫ হাজার কম্বল দেয়া হয়। একটি বেসরকারি ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেয়া হয় ১০ কোটি টাকা।

এর আগে বন্যার্তদের সহায়তা ও করোনা মোকাবিলার ক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রীর তহবিলে সহায়তা দিয়েছে দেশের চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
এবার গৃহঋণ দিচ্ছে পদ্মা ব্যাংক
পদ্মা ব্যাংক ও মোমো হোটেলের সমঝোতা
বনশ্রীতে পদ্মা ব্যাংকের প্রথম উপশাখা
শিক্ষার্থীদের জন্য পদ্মা ব্যাংকের নতুন চার স্কিম
পদ্মা ব্যাংকের ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
AIIB will pay and25 million to sign the contract

২৫ কোটি ডলার দেবে এআইআইবি, চুক্তি সই

২৫ কোটি ডলার দেবে এআইআইবি, চুক্তি সই
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটের মধ্যে আইএমএফের পর এআইআইবির এই ঋণ সরকারকে স্বস্তি দেবে বলে মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর।

সরকারের জন্য আরেকটি সুখবর। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পর আরেক ঋণদাতা সংস্থা এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি) বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিতে রাজি হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ১০০ টাকা) টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ আড়াই হাজার কোটি টাকা।

বুধবার এই ঋণ নিয়ে সরকারের সঙ্গে চীনের নেতৃত্বে গড়ে উঠা এআইআইবির একটি চুক্তি হয়েছে। বাজেট সহায়তা হিসেবে এই ঋণ দেবে সংস্থাটি। ভার্চুয়াল মাধ্যমে চুক্তি সইয়ের কথা জানিয়েছে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ডলার সংকটের মধ্যে আইএমএফের পর এআইআইবির এই ঋণ সরকারকে স্বস্তি দেবে বলে মনে করছেন অর্থনীতির গবেষক আহসান এইচ মনসুর।

সামাজিক উন্নয়নকে অধিক সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে এই ঋণ দেবে এআইআইবি।

ইআরডি সচিব শরিফা খান এবং বেইজিংভিত্তিক এআইআইবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (বিনিয়োগ কার্যক্রম অঞ্চল-১) উরিজিৎ আর প্যাটেল চুক্তিতে সই করেন।

তিন বছরের রেয়াতকালসহ ২৬ বছর ৬ মাসে ৩ শতাংশ সুদে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে বলে জানায় ইআরডি।

এই বাজেট সহায়তা দিয়ে সরকার করোনা মহামারি থেকে নিম্ন আয়ের মানুষকে রক্ষা ও দক্ষতা বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ‘সামাজিক স্থিতিশীলতা কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছে ইআরডি।

এ কর্মসূচি দেশের সামাজিক উন্নয়নকে অধিক সংবেদনশীল করা, সুবিধা বঞ্চিতদের আর্থিক অন্তর্ভূক্তির উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্য সেবার মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সরকার।

এই ২৫ কোটি ডলার পাওয়া গেলে প্রথমবারের মতো এআইআইবির কাছ থেকে বাংলাদেশের ঋণের পরিমাণ ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৬ সালে এআইআইবির সদস্য হওয়ার পর এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ৮০ কোটি ডলার পেয়েছে।

২০১৬ সালে কার্যক্রম শুরু করা এআইআইবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গে ২৭৯ কোটি ডলারের চুক্তি করেছে বলে জানায় ইআরডি।

এর মধ্যে গত তিন বছরে ১০৫ কোটি ডলারের বাজেট সহায়তা রয়েছে, যা দিয়ে করোনা মহামারি মোকাবিলা ও কোভিড-পরবর্তী অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে ব্যয় করা হয়।

আড়াই বছরের করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও বেশ চাপের মধ্যে পড়েছে। বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। এই চাপ সামাল দিতে সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ৪৫০ কোটি (৪.৫ বিলিয়ন) ডলার, বিশ্বব্যাংকের কাছে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন) ডলার এবং এডিবির কাছে ১ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছিল। এ ছাড়া জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা-জাইকা এবং এআইআইবির কাছে ঋণ-সহায়তা চেয়েছিল বাংলাদেশ।

এর মধ্যে আইএমএফের বহুল প্রতীক্ষিত সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণের বিষয়ে সুসংবাদ পাওয়া গেছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই ঋণের প্রথম কিস্তির অর্থ পাবে সরকার। বিশ্ব আর্থিক খাতের আরেক মোড়ল সংস্থা বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণের ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। ম্যানিলাভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা এডিবির ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়ে আলোচনার জন্য সংস্থটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক লাভাসা এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন।

এডিবি ঢাকা অফিসের বহিঃসম্পর্ক বিভাগের প্রধান গোবিন্দ বর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট ঢাকায় অবস্থানকালে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীসহ নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে বাংলাদেশ সরকার এডিবির কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে যে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ চেয়েছিল, সে বিষয়ে আলোচনা হবে। সফর শেষে ম্যানিলায় ফিরে গিয়ে এডিবি সদর দপ্তরে রিপোর্ট করবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। তারপর সংস্থার বোর্ডসভায় এই ঋণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।’

আড়াই বছরের করোনাভাইরাস মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় তছনছ হয়ে গেছে বিশ্ব অর্থনীতি। ওলোটপালট হয়ে গেছে সব হিসাবনিকাশ। যার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। আমদানি বাড়ায় এবং রপ্তানি আয় ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমায় রিজার্ভ কমছেই; বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালান্স অফ পেমেন্ট) ঘাটতি বাড়ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে আমদানি বেশ কমেছে। রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্সও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে। কিন্তু এর পরও ব্যালান্স অফ পেমেন্টে বড় ঘাটতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যে দেখা যায়, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫০ কোটি (৪.৫ বিলিয়ন) ডলার।

এই কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতেই সরকার দাতাসংস্থাগুলোর কাছে ঋণ চেয়েছিল।

সরকারের নীতিনির্ধারকদের একজন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আইএমএফ ঋণ দেয়ার ঘোষণা দেয়ার পর এখন অন্য সব দাতা সংস্থাও বাংলাদেশকে ঋণ দিতে চাইবে-এটিই স্বাভাবিক। কেননা, ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে যেকোনো উন্নয়ন সংস্থা বা দাতা দেশ আইএমএফের মূল্যায়নকে একটি মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে। আইএমএফ যেহেতু আমাদের ঋণ দিচ্ছে, এখন বিশ্বব্যাংক, এডিবি, জাইকাসহ অন্য সব দাতা সংস্থা ও দেশ বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াবে। আমরা এখন করোনার মতো যুদ্ধের ধাক্কাও দ্রুত সামলে উঠতে পারব।’

অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আইএমএফ ঋণ দেয়ার ঘোষণার পর থেকেই সরকার স্বস্তির মধ্যে রয়েছে। সংকট মোকাবিলা করার সাহসও পাচ্ছে। এরই মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক সূচক আমদানি ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে। নভেম্বরে রপ্তানি আয়ে রেকর্ড হয়েছে; ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি এসেছে। রেমিট্যান্সও কিছুটা বেড়েছে। এ অবস্থায় আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি ফেব্রুয়ারিতে চলে এলে, এরমধ্যে এআইআইবি বিশ্বব্যাংক ও এডিবির ঋণও যদি পাওয়া যায়, সরকারের সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে। ২০২৩ সালকে নিয়ে যতটা ভয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছিল, তা আর মনে হয় থাকবে না।’

আরও পড়ুন:
২৫০০ কোটি টাকা বাজেট সহায়তা দিচ্ছে এআইআইবি
২১০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এআইআইবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
A few banks are bringing remittance at a rate of more than 107 rupees

১০৭ টাকার বেশি দরে রেমিট্যান্স আনছে কয়েকটি ব্যাংক

১০৭ টাকার বেশি দরে রেমিট্যান্স আনছে কয়েকটি ব্যাংক
৬ ডিসেম্বরের একটি একচেঞ্জ হাউজের রেমিট্যান্স বিতরণের নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা একজন গ্রাহকের রেমিট্যান্সের বিপরীতে দুইটি ব্যাংক ডলার প্রতি ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দিয়েছে।

বেঁধে দেয়া দামের চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে কয়েকটি বেবসরকারি ব্যাংক। সবশেষ সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সব ব্যাংক প্রতি ডলারে ১০৭ টাকায় প্রবাসীদের কাছ থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করবে। কিন্তু কয়েকটি ব্যাংক এর চেয়েও বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বাজারে ডলার সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) নেতারা গত ১১ সেপ্টেম্বর এক সভায় ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেন। তাতে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে ১০৮ টাকা দাম বেঁধে দেয়া হয়।

পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শে দুই দফায় ৫০ পয়সা করে ১ টাকা কমিয়ে এই দর ১০৭ টাকায় নামিয়ে আনে এবিবি ও বাফেদা। কিন্তু এই দর মানছে না কয়েকটি ব্যাংক।

গত ৬ ডিসেম্বরের একটি একচেঞ্জ হাউজের রেমিট্যান্স বিতরণের একটি নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা একজন গ্রাহকের রেমিট্যান্সের বিপরীতে দুইটি ব্যাংক ডলার প্রতি ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে।

ব্যাংক দুটি বাফেদা ও এবিবির নির্ধারিত দরের চেয়ে ৫০ পয়সা বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেছেন, অন্তত ৫ টি ব্যাংক এবিবি ও বাফেদার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। গত কয়েক মাস ধরে এই ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স সংগ্রহের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা করছে।

গত ৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালকুদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ব্যাংকার্স সভায় বেশি দরে ব্যাংকগুলোর ডলার সংগ্রহ করার বিষয়টি উঠে আসে।

সভা শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মেজবাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বাফেদা-এবিবির নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে কয়েকটি ব্যাংক। তবে ৯০ শতাংশ ব্যাংক বাফেদা–এবিবির নির্ধারিত দরে ডলার সংগ্রহ করছে। ব্যাংকগুলো যাতে ১০৭ টাকার বেশি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ না করে সে বিষয়ে সভায় সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।’

১ ডিসেম্বর এবিবির চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন এবং বাফেদার ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ হোসেন সাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে জানানো হয়, এবিবি-বাফেদা নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করা যাবেনা।

এরপরও কয়েকটি ব্যাংক ১০৭ টাকার বেশি দরে ডলার সংগ্রহ করছে।

এ বিষয়ে অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ও ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কোন কোন ব্যাংক ১০৭ টাকার চেয়েও বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে এক ধরনের প্রতিযোগিতা করছে।’

‘সে সকল ব্যাংক বেঁধে দেয়া দরের চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে, তাদের জরিমানা করে সতর্ক করে দিতে হবে। তানাহলে এই অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধ হবে না।’

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের সদস্যরাও পাবেন প্রণোদনা
রেমিট্যান্স কমবে ৫.৪০ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
রেমিট্যান্সে পতন থামল নভেম্বরে
কাটছে না রেমিট্যান্সের অশনি গতি
আমদানিতে স্বস্তি, রেমিট্যান্সে উদ্বেগ বাড়ছে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
In two days Islamic banks received Tk 5250 crore

দুই দিনে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো পেল ৫২৫০ কোটি টাকা

দুই দিনে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলো পেল ৫২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়। ফাইলছবি/নিউজবাংলা
বর্তমানে বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী ধারার ব্যাংক রয়েছে। ইসলামী ধারার কোনো ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়লে এসব ব্যাংককে এত দিন টাকা ধার দিয়ে আসছিল ইসলামী ব্যাংক। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদেরকেও ধার নিতে হচ্ছে।

হঠাৎ তারল্য–সংকটে পড়া ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি ধার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তারল্য সহায়তা দিতে বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই অর্থ দেয়া হচ্ছে।

সোমবার সার্কুলার জারির পর মঙ্গল ও বুধবার এসব ব্যাংককে ধার দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক মোট ৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকা ধার অনুমোদন করেছে।

তারল্য সুবিধা বাস্তবায়নের প্রথম দিন মঙ্গলবার ‘ইসলামিক ব্যাংকস লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি’র মাধ্যমে পাঁচটি ইসলামি ব্যাংককে চার হাজার কোটি টাকা অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংক পাঁচটি হলো ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।

পরদিন বুধবার ব্যাংকগুলো দুই হাজার কোটি টাকা নেয় ব্যাংকগুলো, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৭৫০ কোটি টাকা নিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

এদিন দুটি ব্যাংককে এক হাজার ২৫০ কোটি ধার অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে কত টাকা নিয়েছে, তা জানা যাবে বৃহষ্পতিবার।

ব্যাংকগুলো সুকুক (শরিয়াভিত্তিক বিনিয়োগ বন্ড) জমা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ধার নিতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, ‘সুকুক বন্ডের বিপরীতে প্রয়োজনমতো টাকা নিতে পারবে ইসলামী ধারার ব্যাংকগুলো। সুকুকের বিপরীতে গত দুই দিনে ৫ হাজার ২৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী ধারার ব্যাংক রয়েছে। ইসলামী ধারার কোনো ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়লে এসব ব্যাংককে এত দিন টাকা ধার দিয়ে আসছিল ইসলামী ব্যাংক। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদেরকেও ধার নিতে হচ্ছে।

এই ব্যাংক থেকে অনেকে আমানত তুলে নেয়ার কারণে আমানত কমে গেছে। মঙ্গলবার ব্যাংকটির আমানত দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকায়, যা গত ৩১ অক্টোবর ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭২ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
শিল্পের আমদানি সহজ করতে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল
ইসলামি ব্যাংকগুলোকে তারল্য সুবিধা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আবার বাড়ল স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম
রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ
ব্যাংকের সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা তহবিলে দিতে হবে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
5 thousand crore fund to facilitate import of industries

শিল্পের আমদানি সহজ করতে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল

শিল্পের আমদানি সহজ করতে ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল
বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ নামে গঠিত এই তহবিলের আওতায় সবুজ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে রপ্তানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে টেকসইযোগ্য গ্রাহকদের মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশের আমদানি মূল্য পরিশোধ-পরবর্তী ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে।

রপ্তানি ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি সহজ করতে পাঁচ হাজার কোটি টাকার আবর্তনশীল তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নিজস্ব উৎস থেকে এই তহবিল গঠন করা হয়েছে। পাঁচ থেকে ১০ বছর মেয়াদি এ ঋণের সুদ হার গ্রাহক পর্যায়ে হবে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগ থেকে বুধবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, ‘গ্রিন ট্রান্সফরমেশন ফান্ড’ নামে গঠিত এই তহবিলের আওতায় সবুজ অর্থনীতি প্রতিষ্ঠাকল্পে রপ্তানি এবং উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে টেকসইযোগ্য গ্রাহকদের মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশের আমদানি মূল্য পরিশোধ-পরবর্তী ব্যাংকের অর্থায়নের বিপরীতে দেশীয় মুদ্রায় (টাকা) পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেয়া হবে।

তহবিলের আকার

পাঁচ হাজার কোটি টাকার তহবিলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করা হবে। ব্যাংকগুলো ১ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে। গ্রাহক পর্যায়ে সুদ হার হবে পাঁচ শতাংশ। ঋণের মেয়াদ ৫ থেকে ১০ বছর। মেয়াদি ঋণ বা বিনিয়োগে গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রেস পিরিয়ড হবে সর্বোচ্চ এক বছর।

যেসব খাতে এই ঋণ

পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সম্পদ ব্যবহারে দক্ষতা ও পুনর্ব্যবহার, নবায়নযোগ্য শক্তি, শক্তি দক্ষতা, তাপ ও তাপমাত্রা ব্যবস্থাপনা, বায়ু চলাচল ও প্রবাহ দক্ষতা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশিত অন্যান্য ক্ষেত্রগুলোর রপ্তানি ও উৎপাদনমুখী শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব মূলধনী যন্ত্রাদি ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে এ ঋণ দেয়া হবে।

কত টাকা ঋণ

তহবিলের আওতায় একজন ঋণ গ্রহীতার ঋণ বা বিনিয়োগ-মূলধন অনুপাত হবে সর্বোচ্চ ৭০:৩০। তবে কোনো একক ঋণগ্রহিতা এ তহবিলের আওতায় কোনোভাবেই ২০০ কোটি টাকার অধিক ঋণ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।

খেলাপি ঋণগ্রহিতা পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার ঋণ পাবেন না। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর হালনাগাদ সিআইবি রিপোর্ট সংগ্রহ এবং গ্রাহক ঋণ খেলাপি নয় মর্মে নিশ্চিত হতে হবে। পরপর দুটি রপ্তানি বিল সম্পূর্ণ বা আংশিক অপ্রত্যাবাসিত থাকলে এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা পাবেন না গ্রাহক।

অংশগ্রহণকারী ব্যাংক

এ তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য আগ্রহী ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংকের (পরিচালক, সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়, ঢাকা) সঙ্গে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি করতে হবে। এ চুক্তিতে আবদ্ধ ব্যাংকগুলো পিএফআই হিসেবে গণ্য হবে। এ তহবিলের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সময় সময় জারি করা সার্কুলার বা সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে বর্ণিত নির্দেশনা পরিপালন করতে হবে।

সব রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার আওতায় ঋণ দিতে পারবে। বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে শ্রেণিকৃত ঋণ বা বিনিয়োগের হার ১০ শতাংশের কম হতে হবে।

একক গ্রাহক বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা এ সংক্রান্ত ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর নির্দেশনাসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের জারিকৃত নির্দেশনা অনুযায়ী হবে।

আরও পড়ুন:
ইসলামি ব্যাংকগুলোকে তারল্য সুবিধা দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
আবার বাড়ল স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম
রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে এলসি সহজ করার নির্দেশ
ব্যাংকের সিএসআরের ৫ শতাংশ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা তহবিলে দিতে হবে
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladeshi businessmen are interested in working with Gabon

গ্যাবনের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা

গ্যাবনের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা যুক্তরাজ্যে চলমান কমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলনে বুধবার গোলটেবিল বৈঠকে এফবিসিসিআই সভাপতিসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
গ্রিন ও সার্কুলার ইকোনমি খাতে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনের সঙ্গে কাজ করতে চান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। গ্যাবন সরকার আয়োজিত ‘গ্যাবনে বিনিয়োগ - জলবায়ু ও টেকসই অর্থায়ন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে এ কথা জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন।

গ্রিন ও সার্কুলার ইকোনমি খাতে আফ্রিকার দেশ গ্যাবনের সঙ্গে কাজ করতে চান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। গ্যাবন সরকার আয়োজিত ‘গ্যাবনে বিনিয়োগ- জলবায়ু ও টেকসই অর্থায়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নিয়ে এ কথা জানান বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন।

যুক্তরাজ্যে চলমান কমনওয়েলথ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলনে বুধবার এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে গ্যাবন সরকার।

এতে অংশ নিয়ে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘সার্কুলার ইকোনমি এবং গ্রিন ইকোনমি, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্দর উন্নয়ন, অটোমেশন, বহুমুখী পরিবহন ব্যবস্থা এবং ব্যাপক অবকাঠামো উন্নয়ন জলবায়ু এবং টেকসই অর্থায়ন অর্জনে ভূমিকা রাখবে।’ সম্পদের অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই প্রবৃদ্ধিতে গ্যাবনের সহযোগী হিসেবে কাজ করার বিষয়ে ইচ্ছার কথা জানান তিনি।

বৈঠকে জসিম উদ্দিন আরও বলেন, ‘বিশ্ব আজ জলবায়ু, জীববৈচিত্র্যগত ঝুঁকি এবং চরম অর্থনৈতিক সমস্যাসহ ত্রিমুখী সংকটের মুখোমুখি। এ অবস্থায় সমাজ, অর্থনীতি এবং ইকোসিস্টেমকে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য পরবর্তী দশ বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘নতুন ও উদ্ভাবনী কৌশল গ্রহণের মাধ্যমে পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমিয়ে আনতে বেসরকারি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।’

তিনি রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়ন ও ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ১০০ বছরের ডেল্টা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপ তুলে ধরেন।

উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে পৌঁছতে বাংলাদেশে আরও বেশি স্থানীয় এবং বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এ ক্ষেত্রে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ এবং তথ্য বিশ্লেষণ ভিত্তিক উৎপাদন পদ্ধতিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়ার পরামর্শ দেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

সবুজ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে উদ্ভাবনী নীতি-কৌশল হাতে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন এফবিসিসিআই সভাপতি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে এফবিসিসিআই প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে কমনওয়েলথ দেশগুলোকে ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট ২০২৩’-এ অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এফবিসিসিআইর সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। গত মঙ্গলবার লন্ডনে আয়োজিত কমনওয়েলথ এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কাউন্সিলের (সিডব্লিউইআইসি) এক সভায় তিনি এই আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য, এফবিসিসিআই সিডব্লিউইআইসির একটি কৌশলগত অংশীদার এবং মো. জসিম উদ্দিন এর গ্লোবাল অ্যাডভাইজরি বোর্ডের একজন অন্যতম সদস্য।

আরও পড়ুন:
এফবিসিসিআই’র বিজনেস সামিট মার্চে, সিএনএনের সঙ্গে চুক্তি
‘নারীদের সঙ্গে না নিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়’
ব্যয় বাড়ায় ব্যবসা হারাচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান
বাণিজ্য সুবিধা বহাল রাখতে ইতালির সমর্থন প্রত্যাশা
বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী আসাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Leathertech Bangladesh exhibition begins

‘লেদারটেক বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী শুরু

‘লেদারটেক বাংলাদেশ’ প্রদর্শনী শুরু প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ছবি: নিউজবাংলা
প্রদর্শনীতে ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠানের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং মেশিনারিজ, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাক্সেসরিজ থাকছে। তিনদিনের এই প্রদর্শনীটি শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, চামড়া খাতে আমাদের রপ্তানি আয় বৃদ্ধির বড় সুযোগ রয়েছে। এ খাতকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে।

বুধবার রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেশন সিটি বসুন্ধরায় চামড়া শিল্পের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২’ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

এবারের প্রদর্শনীতে ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠানের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং মেশিনারিজ, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাক্সেসরিজ থাকছে। তিনদিনের এই প্রদর্শনীটি শেষ হবে ৯ ডিসেম্বর।

অনুষ্ঠানে টিপু মুনশি বলেন, শুধু চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করলেই হবে না। পণ্যের মান ও দামের দিকে আমাদের নজর রাখতে হবে। শুধু বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে গেলেই হবে না, ক্ষুদ্র ও মাঝারির প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে নিতে হবে।

এলএফএমইএবি সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এই শো-তে অংশগ্রহণকারী কম্পোনেন্ট নির্মাতাদের বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব কারখানা বা উৎপাদন সুবিধা নিশ্চিতে নজর দেয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই ইভেন্টটি যন্ত্রপাতি, কেমিক্যালস ও আনুষাঙ্গিক উপাদান সোর্সিংয়ের সমস্যাগুলোর সমাধানকারী হিসেবে সহায়তা করছে।

এ ট্রেড শো’তে বাংলাদেশের চামড়া, চামড়াজাত পণ্য এবং ফুটওয়্যার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনারি, কম্পোনেন্ট, ক্যামিকেল এবং অ্যাকসেসরিজ সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় প্রযুক্তি তুলে ধরা হয়েছে। ভারত থেকে কাউন্সিল ফর লেদার এক্সপোর্টস (সিএলই) এবং ইন্ডিয়ান ফুটওয়্যার কম্পোনেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (ইফকোমা) প্যাভিলিয়নসহ ১০টি দেশের প্রায় ২০০ প্রতিষ্ঠান এই আয়োজনের অংশ নিচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দশ বছরের একটি পরিকল্পনা করেছে, যাতে ২০৩০ সালের মধ্যে চামড়া খাতের রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন থেকে ১০-১২ বিলিয়নে উন্নীত করার লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার আগামী ৯ বছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে রপ্তানি আয় দশগুণ বাড়াতে চায়। ২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি প্রায় ১৮% বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।

আয়োজক সংস্থা আস্ক ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক নন্দ গোপাল কে বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে চীন ও পাকিস্তানের অংশগ্রহণ কমেছে। তবে প্রায় ৩ বছরের ব্যবধানে এ আয়োজনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে মেশিনারি সরবরাহকারীরা অংশ নিচ্ছেন। এই প্রদর্শনীর প্রোফাইলটি ব্যাপক। তিনদিনের শো’তে বিশ্ব নেতাদের উপস্থিতি স্থানীয় শিল্পকে উপকৃত করবে।

লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২২ আয়োজনের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতা করছে লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। অন্যান্য পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ফিনিশড লেদার, লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ টেনারস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পাদুকা প্রস্তুতকারক সমিতি।

আরও পড়ুন:
চামড়া শিল্পের প্রদর্শনী শুরু বুধবার
বিভিন্ন জেলা থেকে নাটোরে লবণ মাখানো চামড়া আসছে
কুষ্টিয়ার চামড়া মোকামে হাহাকার
বৃহস্পতিবার থেকে চামড়া কিনবেন ট্যানারি মালিকরা
জমে উঠতে শুরু করেছে নাটোরের চামড়া বাজার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Insurance companies want stable capital market for investment

বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজার চায় বিমা কোম্পানি

বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজার চায় বিমা কোম্পানি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে বুধবার বৈঠক হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সেরর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তালুকদার জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর ২০ শতাংশ বিনিয়োগের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেখানে আমরা বিনিয়োগ করতে চাই। তবে বিনিয়োগের অর্থ যে ফেরত পাব তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এজন্য আমরা স্থিতিশীল পুঁজিবাজার প্রত্যাশা করছি।’

নতুন করে বিনিয়োগের জন্য স্থিতিশীল পুঁজিবাজারের নিশ্চয়তা চেয়েছে বিমা কোম্পানিগুলো। অস্থির পুঁজিবাজারে নতুন করে বিনিয়োগ করে ঝুঁকি নিতে আগ্রহী নয় তারা। বলেছে, বিনিয়োগকারীদের আমানত নিয়ে ঝুঁকি নেয়া যাবে না।

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের তথ্য জানতে দেশের ২৬টি বিমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বৈঠকে ডেকেছিল নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন -বিএসইসি। বুধবার বিকেলে কমিশনের মাল্টিপারপাস হলে এ বৈঠকটি হয়।

বৈঠকে বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠানকে এখানে ডাকা হয়েছে তাদের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা ইতোমধ্যে দেয়া হয়েছে। বেশ কিছু বিষয়ে তাদের ছাড় দেয়া হয়েছে, যাতে তারা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।’

২৬টি বিমা কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির জন্য ছাড় দিয়ে ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে বিএসইসি। প্রজ্ঞাপন অনুসারে কোম্পানিগুলো ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতির আইপিওর মাধ্যমে ন্যূনতম ১৫ কোটি টাকার তহবিল তুলতে পারবে।

এক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোকে তাদের ইক্যুইটির ন্যূনতম ২০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করতে হবে।

কিন্তু কোম্পানিগুলো ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তি ও ইকুইটির ২০ শতাংশ অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ- এ দুটির কোনোটিই এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। এ অবস্থায় তাদেরকে ডেকে বক্তব্য নেয় বিএসইসি।

দেশে বর্তমানে ৮১টি বিমা কোম্পানি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি জীবন বিমা ও ৪৬টি সাধারণ বিমা কোম্পানি। এর মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৫৫টি।

ছাড়ের ঘোষণার পরে নতুন করে দুটো বিমা কোম্পানি পুঁজিবাজারে এলেও রাষ্ট্রায়ত্ত জীবন বিমা করপোরেশন ও সাধারণ বিমা করপোরেশন ছাড়াও ২৪ কোম্পানি তালিকাভুক্তির বাইরে।

সরকারি দুটি কোম্পানির তালিকাভুক্তির জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকারের উদ্যোগের প্রয়োজন হবে।

বেসরকারি ২৪টি কোম্পানি বিশেষ এই ছাড়ের আওতায় আছে।

সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দার আভাসের মধ্যে দেশে অর্থনীতি নিয়ে শঙ্কার মধ্যে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এখন অনেকটাই গতিহীন। কয়েক মাস আগেও যে বাজারে দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা লেনদেন ছিল নিয়মিত চিত্র, এখন তা নেমেছে তিন শ কোটির ঘরে।

এই অবস্থায় পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর অংশ হিসেবেই হয় এই বৈঠকটি।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন, ‘বিশ্বের সকল দেশের ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো অর্থনীতিতে বড় ধরনের ভূমিকা পালন করে থাকে। একই সঙ্গে তারা পুঁজিবাজারও বড় ধরনের অবদান রেখে থাকে। আমরা এখানে যে ২৬টি কোম্পানিকে ডেকেছি তারাও যাতে পুঁজিবাজারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে, এজন্য তাদেরকে বেশ কিছু সুযোগ দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের পালন করে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো অন্যতম। আমাদের দেশেও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো বড় ধরনের ভূমিকা পালন করতে পারে। ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো যদি মৌল ভিত্তি দেখে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করে, তবে অন্য যে কোনো বিনিয়েগের তুলনায় এখানে বেশি লাভবান হওয়া সম্ভব।’

বিমা কোম্পানিগুলো কী বলল

ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সেরর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তালুকদার জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘পুঁজিবাজারে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর ২০ শতাংশ বিনিয়োগের যে বাধ্যবাধকতা রয়েছে, সেখানে আমরা বিনিয়োগ করতে চাই। তবে বিনিয়োগের অর্থ যে ফেরত পাব তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এজন্য আমরা স্থিতিশীল পুঁজিবাজার প্রত্যাশা করছি।’

কারা ছিল বৈঠকে

বৈঠকে যেসব বিমা কোম্পানির প্রধান বা প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন সেগুলোর মধ্যে জীবন বিমা কোম্পানিগুলো হলো: হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গোল্ডেন লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বায়রা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, আলফা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স, যমুনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, স্বদেশ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এবং এলআইসি (বাংলাদেশ)।

সাধারণ বিমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে বৈঠকে ছিল মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স, ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেনাকল্যাণ ইন্স্যুরেন্স ও সিকদার ইন্স্যুরেন্স।

এসব কোম্পানির মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স, দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সেনাকল্যাণ ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স।

আরও পড়ুন:
আইসিবি এগিয়ে আসার খবরেও পুঁজিবাজার নিষ্প্রাণ
পুঁজিবাজার জাগাতে আসছে আইসিবি
বিনিয়োগের তথ্য নিয়ে ২৬ বিমা কোম্পানিকে বিএসইসির তলব
মাধ্যমিকের বইয়ে বিনিয়োগ শিক্ষা চায় বিএসইসি
মেগা প্রকল্পের জন্য বন্ড বাজার বড় করার তাগিদ

মন্তব্য

p
উপরে