× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Bank and BMET Agreement
hear-news
player
google_news print-icon

সোনালী ব্যাংক ও বিএমইটি চুক্তি

সোনালী-ব্যাংক-ও-বিএমইটি-চুক্তি
এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ হতে বিদেশে গমনেচ্ছুরা তাদের সকল ব্যাংকিং সেবা সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সেবার মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রবাসীদের ডিজিটাল ব্যাংকিং সার্ভিস প্রদানের লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মধ্যে চুক্তি হয়েছে।

মঙ্গলবার বিএমইটির সম্মেলন কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি সই হয় বলে সোনালী ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে

চুক্তির ফলে এখন থেকে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে বিদেশে গমনেচ্ছুদের পূর্নাঙ্গ ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা প্রদানসহ সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সেবার মাধ্যমে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর যাবতীয় ফি-চার্জ আদায় করা হবে।

সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ চন্দ্র দাস এবং বিএমইটির পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) জাকির হোসেন চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে বিএমইটির মহাপরিচালক শহীদুল আলম, সোনালী ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাউপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ হতে বিদেশে গমনেচ্ছুরা তাদের সকল ব্যাংকিং সেবা সোনালী ব্যাংকের অনলাইন সেবার মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারবেন এবং বিদেশ থেকে তাদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স দ্রুততম সময়ের মধ্যে সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখায় পাঠাতে পারবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সোনালী ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ: ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা চলবে
পটুয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা
গম-ভুট্টা চাষে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান-সিইওর শ্রদ্ধা
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Huge bank loan High Court seeks S Alam Groups statement

বিপুল ব্যাংক ঋণ: এস আলম গ্রুপের বক্তব্য চায় হাইকোর্ট

বিপুল ব্যাংক ঋণ: এস আলম গ্রুপের বক্তব্য চায় হাইকোর্ট এস আলম গ্রুপের লোগো ও সুপ্রিম কোর্ট ভবন এলাকা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপ ঋণ পেয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, যদিও তাদের সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি টাকা ঋণ পাওয়ার কথা। গত কয়েক বছরে এই ব্যাংকটি ছাড়াও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এবং বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানায় এসেছে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশসহ তিনটি ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনা অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়িক শিল্প গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপকেও বিষয়টি সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা সিআইডি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও এর আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউকে তদন্ত করে আগামী ৫ এপ্রিল প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ-সংক্রান্ত প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে রোববার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেয়।

এ সময় আদালতে দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদেশের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, ‘ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে পত্রিকায় যে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে, সেই প্রতিবেদনগুলো আমলে নিয়ে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেছেন।’

ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন, সিআইডি, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিএফআইইউকে তদন্ত করে ৫ এপ্রিল প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের এই আইনজীবী বলেন, ‘আদেশের সময় আদালত বলেছে, আমরা কোনো পক্ষ না। আমরা স্বপ্রণোদিত হয়ে মনে করছি, এটার সঠিকতা যাচাই করার জন্য অনুসন্ধান করা দরকার।’

সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপ ঋণ পেয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকা, যদিও তাদের সর্বোচ্চ ২১৫ কোটি টাকা ঋণ পাওয়ার কথা।

গত কয়েক বছরে এই ব্যাংকটি ছাড়াও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক এবং বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানায় এসেছে।

কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র, খাদ্য, সিমেন্ট, ইস্পাত, পরিবহন, জাহাজ, আবাসন, ট্রেডিং, টেক্সটাইল, শিল্পপণ্য, গণমাধ্যমসহ নানা ব্যবসা আছে চট্টগ্রামকেন্দ্রিক এস আলম গ্রুপের।

এস আলম ছাড়াও উদারহস্তে ঋণ পেয়েছে নাবিল গ্রুপ নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান। ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক তাদের পাইয়ে দিয়েছে ৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা, যদিও এই গ্রুপের খুব বড় ব্যবসা আছে এমন নয়।

এমনকি ২৪ বছর বয়সী একজনকে ৯০০ কোটি টাকা ঋণ দেয়া হয়েছে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে কোম্পানি নিবন্ধনের এক মাসের মধ্যে। তার ব্যবসার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতাও ছিল না।

গত ৩০ নভেম্বর বিষয়টি নিয়ে আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। তখন আদালত তাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় রিট করতে বলে।

আরও পড়ুন:
জামালপুরের ইসলামপুরে ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংক খুলনা শাখা স্থানান্তর
আইপিওতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার পেলেন বিনিয়োগকারীরা
নাটোরের বনপাড়ায় ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Prospects confidence in the banking sector is apprehensive

ব্যাংক খাতে সম্ভাবনা, আস্থা, শঙ্কা

ব্যাংক খাতে সম্ভাবনা, আস্থা, শঙ্কা ২০১৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৪ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবস হিসাবে মনোনীত করে।
আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবস ৪ ডিসেম্বর। বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে ব্যাংক খাত। তবে ব্যাংক নিয়ে গর্ব করার যেমন নানান দিক আছে, তেমনি আছে লুটপাটের ইতিহাস।

অর্থ ছাড়া কিছু কি চলে? না। বলা যায় অর্থই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক। কিন্তু অর্থই অনর্থের মূল– এ কথাটিও যথার্থ। যদি তাই না হয়, তবে অর্থনির্ভর ব্যাংকব্যবস্থায় কেন পিছু ছাড়বে না অনিয়ম আর ব্যত্যয়?

প্রায় ২০০ বছরের বেশি সময় আগে এই অঞ্চলে শুরু হয় ব্যাংকের যাত্রা। তখন আর এখন– এ দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় প্রশ্নের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি ব্যাংকিং কার্যক্রম।

আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবস ৪ ডিসেম্বর। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখার ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে দিনটি পালন করে জাতিসংঘ।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে ব্যাংক খাত। তবে ব্যাংক নিয়ে গর্ব করার যেমন নানান দিক আছে, তেমনি আছে লুটপাটের ইতিহাস।

ব্যাংক দিবস

টেকসই উন্নয়নে অর্থায়নে বহুপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ব্যাংকের গুরুত্বকে স্বীকৃতি দিতে ৪ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবস পালিত হয়।

২০১৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৪ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবস হিসেবে মনোনীত করে। এটি ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো উদযাপিত হয়। টেকসই উন্নয়নে অর্থায়ন এবং উন্নয়নে ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনার স্বীকৃতির জন্য দিবসটি পালিত হয়। জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে অবদান রাখার দিকটিও গুরুত্ব দেয় সদস্য দেশগুলো।

ব্যাংক খাতে সম্ভাবনা, আস্থা, শঙ্কা

যাত্রা শুরু ইউনিয়ন ব্যাংক থেকে

যত দূর তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায়, উপমহাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক ব্যাংকের নাম ইউনিয়ন ব্যাংক, যার বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৮২৯ সালে। এটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। বাণিজ্যিক লেনদেন শুরুর পর এই ব্যাংকে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়, যা সেকালেও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছিল।

১৮৩০ থেকে ১৮৪৭ সাল পর্যন্ত কলকাতার সবচেয়ে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর অন্যতম ছিল ইউনিয়ন ব্যাংক। ব্যবসায়ী শ্রেণির জন্য মূলধন জোগান, ঋণ বৃদ্ধি, এক্সচেঞ্জ ব্যাংকিং, ব্যাংক নোট ইস্যুকরণ এবং কৃষিজাত পণ্যের মূল্যকে নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল এটি প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য।

দ্বারকানাথ ব্যাংকটির শেয়ার কিনে অংশীদার হন। তবে ব্যাংক পরিচালনার মূল কর্তৃত্ব তিনি নিজের হাতেই রেখেছিলেন। একসময় নিজের ঘনিষ্ঠজন রমানাথ ঠাকুরকে বানিয়েছিলেন ব্যাংকের কোষাধ্যক্ষ। ব্যাংকের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ থাকার সময়ে তার মালিকানায় ছিল ৭০০ শেয়ার।

ব্যাংকের অন্য পরিচালকরা দ্বারকানাথের ঋণের অনুরোধ ফেরাতে পারছিলেন না। তিনি নিজে তদবির করে জন পালমার অ্যান্ড কোম্পানিকে ৬ লাখ রুপি ঋণ দেন। এই ঋণ ছিল ব্যাংকটির মোট সম্পদের অর্ধেক। ফলে ১৮৩০ সালের জানুয়ারিতে জন পালমার অ্যান্ড কোম্পানি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ইউনিয়ন ব্যাংক শুরুতেই প্রায় দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়েছিল।

নীল চাষে দ্বারকানাথ নিজে যেমন জড়িত ছিলেন, তেমনি ছিলেন এই নীলকর সাহেবদের বড় পৃষ্ঠপোষক, অর্থ-সংস্থানকারী। বিলেতে নীলসহ কৃষিপণ্য আমদানি-রপ্তানির হুন্ডি বিল কেনাবেচায় তিনি শুরু থেকেই ইউনিয়ন ব্যাংককে সম্পৃক্ত করেন।

স্বাধীনতা-পরবর্তী দেশের ব্যাংক খাত

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের পর যুদ্ধবিধস্ত দেশ পুনর্গঠনে হাত দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭২ সালে অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে জাতীয়করণ করা হয় ব্যাংকিং খাত।

স্টেট ব্যাংক অব ইস্ট পাকিস্তান রূপান্তরিত হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক হয়।

জাতীয়করণের মাধ্যমে ১২টি ব্যাংক একীভূত করে সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, পূবালী ও উত্তরা- এ ছয়টি সরকারি ব্যাংকে রূপান্তর করা হয়। এভাবে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের ব্যাংকিং কার্যক্রমের।

এ ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের বাইরে এ সময় বিদেশি ব্যাংকগুলোকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার অনুমতি দেয়া হয়। এ ছাড়া শিল্প ও কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য দুটি বিশেষায়িত ব্যাংকের কার্যক্রমও শুরু করা হয়।

এক দশক পর ১৯৮২ সালে যুক্ত হয় ব্যক্তি মালিকানায় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

কালের বিবর্তনে হিসাব খোলা, ঋণ বিতরণ এবং লেনদেনে লেজার খাতার বদলে জায়গা করে নিয়েছে ডিজিটাল প্রযুক্তি বা ডিজিটাল ব্যাংকিং।

ঋণ ও আমানত

১৯৭২-৭৩ সালে তফসিলি ব্যাংকগুলোর মোট শাখার সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ২৯৫টি, বর্তমানে সেটা বেড়ে ১০ হাজার ৯৯৯টিতে দাঁড়িয়েছে।

ওই সময়ে মোট আমানত মাত্র ৭০২ কোটি টাকা। বর্তমানে ব্যাংক খাতে আমানত বেড়ে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে।

ঋণের প্রবৃদ্ধিও চোখে পড়ার মতো। ১৯৭২-৭৩ সালে মোট ঋণ ছিল মাত্র ৫৫৪ কোটি টাকা, যা বর্তমানে ১৪ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে বেসরকারি খাতে।

দেশে এখন ব্যাংকের সংখ্যা ৬১টি। এর মধ্যে ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ৪৩টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, তিনটি বিশেষায়িত ব্যাংক ও ৯টি বিদেশি ব্যাংক।

খেলাপি ঋণের পাহাড়

ব্যাংকিং খাতে সুশাসনের অভাবে জাল-জালিয়াতির ঘটনা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংকিং খাত থেকে যেসব অর্থ বেরিয়ে গেছে, সেগুলো এখন আদায় হচ্ছে না। ফলে ওইগুলোকে খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। এতে বেড়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণের পরিমাণ।

২০১০ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার ৭১০ কোটি টাকা। এক যুগ পরে চলতি সেপ্টেম্বরের শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা।

সেপ্টেম্বর শেষে সরকারি ছয় ব্যাংকের মোট ঋণ ৬০ হাজার ৫০১ কোটি টাকা।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ ৬৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।

বিশেষায়িত কৃষি, প্রবাসীকল্যাণ ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন– এ তিনটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা। বিদেশি মালিকানার খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা।

অনিয়ম, দুর্নীতি

গত এক যুগে ব্যাংক খাতের অনিয়ম, দুর্নীতির প্রধান ঘটনাগুলোর প্রথমেই রয়েছে সরকারি মালিকানার সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি।

২০১১ সালে হলমার্কসহ পাঁচটি প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা (হোটেল শেরাটন) শাখা থেকে ঋণের নামে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। সেই ঘটনার বিচারকাজ এখনও চলছে।

২০১১-১২ সালে বেসিক ব্যাংকের প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র পায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

২০১২-১৩ সালে বিসমিল্লাহ গ্রুপ জনতা, প্রাইম, যমুনা, প্রিমিয়ার ও শাহ্‌জালাল ইসলামী ব্যাংক থেকে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপকে জনতা ব্যাংক মাত্র ৬ বছরে ঋণ দেয় ৫ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা।

ভুয়া রপ্তানি নথিপত্র তৈরি করে সরকারের নগদ সহায়তা তহবিল থেকে ১ হাজার ৭৫ কোটি টাকা নিয়েছে ক্রিসেন্ট গ্রুপ। ক্রিসেন্টের কাছে জনতা ব্যাংকের পাওনা ২ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা।

ইউনিয়ন ব্যাংকে শুধু ট্রেড লাইসেন্সের ভিত্তিতে কোম্পানি গঠন করে ঋণের বড় অংশই বের করে নিয়েছে প্রায় ৩০০ প্রতিষ্ঠান। ব্যাংকের বিতরণ করা ঋণের ১৮ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা খেলাপি, যা ব্যাংকটির মোট ঋণের ৯৫ শতাংশ।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকে ২০২১ সাল ভিত্তিক পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে দেখা গেছে, এসআইবিএলের ৫ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার যোগ্য।

পরিচালকদের মধ্যে কোন্দল, ক্রেডিট কার্ডে ডলার পাচার, বড় অঙ্কের সুদ মওকুফসহ নানা কারণে সংকটে ন্যাশনাল ব্যাংক। ফলে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণও আটকে রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন ব্যাংকটিকে উদ্ধারে সমন্বয়ক নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি উত্তরণের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সম্প্রতি রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা।

অর্থায়ন নিশ্চিত করে ব্যাংক

এক দশক আগেও মোট জনগোষ্ঠীর ৮৫ শতাংশই ছিল ব্যাংকিং সেবার বাইরে। ঋণের জন্য বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) বা গ্রাম্য মহাজনই ছিল ভরসা। কিন্তু বর্তমানে প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের আর্থিক খাতে যুক্ত হয়েছে নিত্যনতুন ব্যাংকিং সেবা।

মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বা এমএফএসের মাধ্যমে লেনদেন যেন একদম হাতের মুঠোয়। ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এমএফএস। ২০১১ সালে চালু হওয়া এ সেবা গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে ১৩টি ব্যাংক।

এরপর এলো এজেন্ট ব্যাংকিং। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যেখানে ব্যাংকের শাখা খোলা সম্ভব নয়, সেখানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের শাখা খুলে কাজ চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিয়ে এ সেবাটি চালু হয়েছে ২০১৩ সালে। বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে সেবাটি। দেশের ২৮টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালুর জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন নিয়েছে।

এ ছাড়া রয়েছে বুথ ব্যাংকিং, উপশাখার মতো নিত্যনতুন ব্যাংকিং ধারণা।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিতে ভূমিকা রেখেছে ১০ টাকা, ৫০ টাকা ও ১০০ টাকায় চালু করা বিশেষ হিসাবও। কৃষক, অতিদরিদ্র, পথশিশুর হিসাব, স্কুল ব্যাংকিংসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মানুষ ব্যাংকে হিসাব খোলার মাধ্যমে সেবার আওতায় এসেছে। ফলে আর্থিক সেবার আওতায় চলে এসেছে ৭০ শতাংশের বেশি জনগোষ্ঠী।

নতুন করে ব্যাংকিং সেবায় যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আছে ভার্চুয়াল ব্যাংক, ডিজিটাল শাখাসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিভিন্ন সেবা।

নানা ধরনের ব্যাংক

পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক দেখা যায়। কাজের ধরন, পরিচালনা পদ্ধতি ও নীতিমালার উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রকম ব্যাংক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা দেখা যায়।

এদের মধ্যে বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিনিয়োগ ব্যাংক, মার্চেন্ট ব্যাংক, বিশেষায়িত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, সমবায় ভূমি উন্নয়ন ব্যাংক, কমিউনিটি উন্নয়ন ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, অফশোর ব্যাংক উল্লেখযোগ্য।

ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে আস্থা

ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার পরিধিও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা দিতে ব্যাংকগুলোর আলাদা অ্যাপসও রয়েছে।

২০১৮ সালে ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবার গ্রাহক ছিল ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৮৪ জন। বর্তমানে বেড়ে হয়েছে ৫৮ লাখ ৮৯ হাজার ২২৬ জন। আর লেনদেনও ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৬ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা।

পাশাপাশি কমছে কাগুজে টাকার ব্যবহারও।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকার কাগুজে মুদ্রার প্রচলন হয়। বর্তমানে ১ টাকা, ২ টাকা ও ৫ টাকা সরকারি মুদ্রায় অর্থসচিবের সই থাকে।

বাকিগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট বা মুদ্রা। প্রচলিত ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সই থাকে।

তবে ক্রমান্বয়ে কাগুজে টাকার ব্যবহার কমে বিকল্প হয়ে উঠছে কার্ড, ইন্টারনেট, মোবাইল ব্যাংকিং।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বলছে, বর্তমানে ব্যাংকগুলোর ইস্যু করা মোট ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রি-পেইড কার্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৫৯ লাখ ৮৫ হাজার ৪২৭টি। সারা দেশে এটিএম বুথ রয়েছে ১৩ হাজার ২১০টি।

তবে বাংলাদেশে এসব লেনদেন এখনও মূলত রাজধানী ও বিভাগীয় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। অবশ্য ব্যাংকগুলো কার্ডের গ্রাহক বাড়াতে কমবেশি চেষ্টা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও সময় সময়ে তাদের নীতি-সহায়তা দিচ্ছে।

বেসরকারি ব্যাংক নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের দেশে অনেক ব্যাংক থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের কোনো ব্যাংক নেই। মার্জার বা একুইজিশন করে একটা বড় ব্যাংক করা যেতে পারে। দু-একটি বড় ব্যাংক থাকলেও সেখানে সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে। আন্তর্জাতিক ব্যাংক দিবসে ব্যাংক খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যাওয়ার যে চ্যালেঞ্জ সেটা করার কোনো উদ্যোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ব্যাংক খাতে একটা অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে। ব্যাংকের অবস্থা খারাপ না হলেও ব্যাংকের প্রতি অনাস্থার অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।’

ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘ব্যাংক খাতে গভর্নেন্সে (সুশাসন) বিশাল সমস্যা বিদ্যমান। এ সমস্যা ব্যাংক খাতের প্রবৃদ্ধিকে কমিয়ে ফেলবে। ’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংক খাতের আকার বড় হলেও প্রযুক্তিগতভাবে আমরা খুব বেশি এগোতে পারিনি। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তায়ও জোর দিতে হবে। সাইবার হামলা মোকাবিলায় অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এ খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। সাইবার হামলা সব দেশেই হয়। আমাদের এখানেও হয়েছে, আগামীতেও হবে। এ জন্য এসব বিষয়ে প্রস্তুতি আগে থেকে নিতে হবে।’

আরও পড়ুন:
রেমিট্যান্স কমবে ৫.৪০ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’: তদন্ত চেয়ে দুই সংস্থাকে চিঠি
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Inauguration of Exim Bank Tower branch in Gulshan

গুলশানে এক্সিম ব্যাংক টাওয়ার শাখা উদ্বোধন

গুলশানে এক্সিম ব্যাংক টাওয়ার শাখা উদ্বোধন
এক্সিম ব্যাংকের ১৪৬তম শাখা উদ্বোধন হয়েছে। গুলশানে ‘এক্সিম ব্যাংক টাওয়ার শাখা’ উদ্বোধন হয় শনিবার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার।

রাজধানীর গুলশানে এক্সিম ব্যাংকের ১৪৬তম শাখা ‘এক্সিম ব্যাংক টাওয়ার শাখা’ উদ্বোধন হয়েছে।

শনিবার এক্সিম টাওয়ার এর মাল্টিপারপাস হল রুমে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. ফিরোজ হোসেন।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন প্রাণ আরএফএলের পরিচালক উজমা চৌধুরী, স্থপতি ইকবাল হাবিব, মাস্কো গ্রুপের চেয়ারম্যান এম এ সবুর, ওডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ মো. আব্দুল মহিতসহ বিশিষ্টজনেরা।

অনুষ্ঠানে পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, এক্সিম ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নূরুল আমিন ফারুক, নাজমুস সালেহীন, মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, লে. কর্নেল অব. সিরাজুল ইসলাম, সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খান, প্রাইম ব্যাংকের পরিচালক জাইম আহম্মেদ, আব্দুল মোনেম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম মাইনুদ্দিন মোনেম, এক্সিম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ মো. আব্দুল বারী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক জসীম উদ্দীন ভুঁইয়া ও মাকসুদা খানম, ব্যাংকের নির্বাহী, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং শাখা ব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা
চট্টগ্রামের শান্তিরহাটে এক্সিম ব্যাংকের শাখা উদ্বোধন
নতুন ঠিকানায় এক্সিম ব্যাংকের জুবিলি রোড শাখা
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে শীতবস্ত্র ও কম্বল দিল এক্সিম ব্যাংক
নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উপশাখা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banks incur huge losses if an institution closes BSEC chairman

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত সিএক্সও সামিটে বক্তব্য দেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত। কারণ বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে তাদের অনেক ঋণ থাকে। তাই বন্ধ হয়ে গেলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না।

কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে ‘গুড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘একটি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত।’

শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশের একমাত্র তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘সিএক্সও সামিট-২০২২’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনেক ঋণ থাকে। তাই সেটি বন্ধ হলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না। এতে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক কর্মী বেকার হয়ে পড়েন। এতে তাদের পরিবারও ক্ষতির মুখে পড়ে৷’

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ভেলোর অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আনিস খান। সামিটে অংশ নেয়ার জন্য তিনি আলোচকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সামিটে করপোরেট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়াসির আজমান, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান, ইউনিলিভার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আকতার, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক, আকিজ গ্রুপের পরিচালক খুরশিদ আলমসহ দেশীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা।

সামিটের প্যানেলিস্টগণ জাতীয় অগ্রাধিকার এজেন্ডা এবং কার্যকর সমাধান ও সচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

উল্লেখ্য, ভেলোর অফ বাংলাদেশ গত আগস্টে ‘স্ট্র্যাটেজি সামিট’-এর আয়োজন করে। এতে মুদ্রাস্ফীতি ও খরচ, জ্বালানি অবকাঠামো, ফরেক্স ম্যাট্রিক্স, আরএমজি এবং ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স, ডিজিটাল অর্থনীতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন:
আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণের পাহাড়
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
ACC is investigating the irregularities of three banks

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক

তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখছে দুদক বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ বক্তব্য দেন দুদক সচিব মাহবুব হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
দুদক সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, ‘বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর অনুসন্ধান শুরুর লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। সংগৃহীত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

ঋণ দেয়া নিয়ে তিন ব্যাংকের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এছাড়া আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের তদন্ত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয়ে এক অনানুষ্ঠানিক ব্রিফিং-এ দুদক সচিব মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘দুদক ইতোমধ্যে ওই তিন ব্যাংকের (ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক) তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে।’

ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের ৩০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার ঘটনায় অর্থ পাচার হয়েছে কিনা সে বিষয়ে দুদক ও বিএফআইইউ-এর তদন্ত চেয়ে চিঠি দিয়েছেন পাঁচজন আইনজীবী।

এ বিষয়ে দুদকের পদক্ষেপ সম্পর্কে সচিব বলেন, ‘চিঠি আমার হাতে এখনও পৌঁছেনি। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে সংবাদটি পাওয়ার পর যাতে অনুসন্ধান শুরু করা যায় সে লক্ষ্যে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হলে কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হবে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’

দুদক সচিব বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা মেনে বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার তদন্ত কাজ নির্ধারিত তিন মাসের মধ্যে শেষ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা থাকবে।

‘বেসিক ব্যাংকের ৫৬টি মামলার প্রতিটির সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। অনেক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে হয়। সে কারণেই সময় লাগছে। আমরা আমাদের কর্মকর্তাদের আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছি।’

২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর শাখা থেকে মোট সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার ঋণ অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণের অভিযোগ ওঠার পরপরই অনুসন্ধানে নামে দুদক।

ঋণপত্র যাচাই না করে জামানত ছাড়া, জাল দলিলে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ঋণদানসহ নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ অনুমোদনের অভিযোগ ওঠে ব্যাংকটির তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:
দুদকের দণ্ডিত এনামুল বাছিরের জামিন
সেই শরীফের বিরুদ্ধে ‘অসততার’ অভিযোগ
প্রাণীদের সেবার পেশা বেছে নিলেন দুদকের চাকরিচ্যুত শরীফ
দুই লাখ টাকার চাকরি নয়, শরীফের চাওয়া দেশপ্রেমমূলক কাজ
‘ওরা বলছিল রাস্তার ফকির বানাবে, বানাইছে’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Banks agreement with Chittagong Port Authority

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি সোনালী ব্যাংকের

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি সোনালী ব্যাংকের চুক্তি সই অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
সোনালী ব্যাংকের পক্ষে বুধবার চুক্তিতে সই করেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে সই করেন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. শাহজাহান।

সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে বিবিধ ফি ও চার্জ আদায়ের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তিতে সই করেছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।

ব্যাংকের পক্ষে বুধবার চুক্তিতে সই করেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুভাষ চন্দ্র দাস, এফসিএমএ, এফসিএ। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে সই করেন চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. শাহজাহান।

চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ড রুমে চুক্তি সই অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের জেনারেল ম্যানেজার মো. মুছা খাঁন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার অ্যান্ড মেরিন) কমোডর মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সদস্য (প্রকৌশল) কমোডর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এ চুক্তির ফলে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীরা ঘরে বসে অনলাইনে সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে যাবতীয় ফি ও চার্জ পরিশোধ করতে পারবেন।

সোনালী ই-সেবা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসে ২ মিনিটে ব্যাংক হিসাব খোলা যায়। সোনালী ই-ওয়ালেটের মাধ্যমে দিন-রাত যেকোনো সময় ব্যাংকিং লেনদেন করা যায়।

আরও পড়ুন:
পটুয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা
গম-ভুট্টা চাষে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান-সিইওর শ্রদ্ধা
জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানের শ্রদ্ধা
জিয়াউল হাসান আবারও সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank was recognized as a strong bank

‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক
সম্প্রসারণ সক্ষমতা, ব্যালেন্স শিট প্রবৃদ্ধি, ঝুঁকিগত অবস্থান, মুনাফাযোগ্যতা, সম্পদ মান ও তারল্য- এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি মিলেছে।

বাংলাদেশের ‘শক্তিশালী ব্যাংক’ হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডকে স্বীকৃতি দিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্ল্যাটফর্ম দ্য এশিয়ান ব্যাংকার।

এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সম্প্রতি দ্য এশিয়ান ব্যাংকারের ম্যানেজিং এডিটর ফু বুন পিং এ ঘোষণা দেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সম্প্রসারণ সক্ষমতা, ব্যালেন্স শিট প্রবৃদ্ধি, ঝুঁকিগত অবস্থান, মুনাফাযোগ্যতা, সম্পদ মান ও তারল্য- এই ছয়টি সূচকের ভিত্তিতে এ স্বীকৃতি মিলেছে বলে জানিয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

পুরস্কারগ্রহীতা হিসেবে ওই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা যোগ দেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ইসলামী ব্যাংককে ‘বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী ইসলামী ব্যাংক’ হিসেবেও স্বীকৃতি দিয়েছে এশিয়ান ব্যাংকার।

প্রতিষ্ঠানটি চীন, অস্ট্রেলিয়া, হংকং, ভারত ও নিউজিল্যান্ডসহ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার ৫০০ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে ২০২২ সালের জন্য শক্তিশালী ২২টি ব্যাংক নির্বাচিত করে।

২০০৭ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ ধরনের অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে আসছে।

আরও পড়ুন:
নাটোরের বনপাড়ায় ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংকের শরিয়াহবিষয়ক আলোচনা
ইসলামী ব্যাংকের সাউন্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্পেইন শুরু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে