× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Loans are increasing at short notice
google_news print-icon

‘শর্ট নোটিশে’ কলমানি ধার বাড়ছে

শর্ট-নোটিশে-কলমানি-ধার-বাড়ছে
টাকার বান্ডিল। ফাইল ছবি
একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলোতে এক রকমের তারল্য চাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময় ওভারনাইটের চেয়ে শর্ট নোটিশে টাকা ধার নেয়া বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো।

ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থের সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে ‘শর্ট নোটিশে’ কলমানি ধার বেড়ে গেছে। ব্যাংকগুলো তারল্য চাপে থাকায় তিন ও সাত দিনের জন্য অন্য ব্যাংক থেকে শর্ট নোটিশে আগের চেয়ে টাকা ধার করা বাড়িয়েছে। তারল্যে চাপে থাকা ব্যাংকগুলো কলমানিতে পর্যাপ্ত টাকা না পাওয়ায় শর্ট নোটিশে ধার নেয়া বাড়িয়েছে।

আর এ জন্য বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে। কলমানিতে সুদের হার যেখানে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ; শর্ট নোটিশে ধার করা সুদের হার সেখানে ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠেছে।

একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, কয়েক মাস ধরে ব্যাংকগুলোতে এক রকমের তারল্য চাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ সময়ে ওভারনাইটের চেয়ে শর্ট নোটিশে টাকা ধার নেয়া বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র বলছে, ওভারনাইট (এক দিনের জন্য) ঋণের চেয়ে শর্ট নোটিশে টাকা ধার করার দিকে বেশি ঝুঁকছে ব্যাংকগুলো। অন্যদিকে এক দিনের মধ্যে টাকা ধার দেয়া থেকে শর্ট নোটিশে টাকা দিলে বেশি সুদ পাওয়া যায়, ফলে ব্যাংকগুলোও শর্ট নোটিশে টাকা ধার দিতে বেশি আগ্রহী।

আবার শর্ট নোটিশে টাকা ধার নেয়ার সুদের হার বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছর সেপ্টেম্বরের প্রথম সাত দিনে শর্ট নোটিশের গড় সুদ ছিল সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ০১ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অক্টোবরের ১৫ দিনে এটির গড় দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি বছর জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসের চেয়ে প্রতি কার্যদিবসে আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে শর্ট নোটিশের সুদের হার বেড়েছে।

জুনে সাত দিনের শর্ট নোটিশে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ থেকে ৬ দশমিকের আশপাশের মধ্যে ছিল। জুলাইতে এটি ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের ওপর চলে যায়।

আগস্টেও প্রতি কার্যদিবসে শর্ট নোটিশে ৭ শতাংশের ওপর সুদের হার ছিল।

সেপ্টেম্বরে বেশির ভাগ কর্মদিবসে এটির হার ৭ দশমিক ২০ শতাংশ ছাড়ায়।

অক্টোবরের ১১ দিনে শর্ট নোটিশে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশের ওপর সুদে টাকা ধার নিয়েছে ব্যাংকগুলো।

ট্রেজারি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রতিদিন ডলার বিক্রি করার কারণে বাজার থেকে তারল্যের সংকট তৈরি হয়েছে। ডলার বিক্রি করায় টাকা চলে গেছে বাংলাদেশ ব্যাংকে। সে সঙ্গে বেসরকারি খাতে বেড়েছে ঋণপ্রবাহ। অন্যদিকে ব্যাংকে আমানতের পরিমাণও কমেছে। সব মিলিয়ে নগদ টাকার সংকট ব্যাংকে।

অর্থনীতির গবেষক পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যাংকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তারল্য না থাকায় কলমানিতে টাকা নেয়া বাড়বে, তবে কলমানিতে টাকা না থাকলে ব্যাংক তখন শর্ট নোটিশে টাকা ধার করে। গত কয়েক মাস ধরে শর্ট নোটিশের সুদের হার বেড়েছে। ফলে বোঝা যায়, ব্যাংকগুলো তারল্য চাপের মধ্যে আছে এবং কলমানিতে টাকা না পেয়ে শর্ট নোটিশে ধার নিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমানত কমে যাওয়া, বেসরকারি খাতে রেকর্ড পরিমাণে ঋণ দেয়া ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অধিক টাকা চলে যাওয়ার জন্য এ সংকটের মধ্যে পড়ছে ব্যাংকগুলো। তবে এই চাপ কমে এলে কলমানি এবং শর্ট নোটিশের সুদের হার কমে আসবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছর অক্টোবর মাসে ৭ দিনের শর্ট নোটিশে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি ধার করেছে ব্যাংকগুলো। গত ছয় মাসের মধ্যে কোনো দিন এ গড় এক হাজার কোটি পার হয়নি।

চলতি বছরের জুনে প্রতি কার্যদিবসে শর্ট নোটিশে বেশিরভাগ সময় ১৪০ কোটি টাকা থেকে শুরু করে ৪৫০ কোটি টাকার লেনদেন করে ব্যাংকগুলো। যদিও এ সময়ে কয়েক বার ৭০০ কোটি টাকার ওপর লেনদেন হয়। জুন শেষে প্রতি কার্যদিবসে গড়ে ৩৬০ কোটি টাকার ওপর লেনদেন হয়।

জুলাইতে ৭ দিনের কর্মদিবসে শর্ট নোটিশে লেনদেন করা আরও বেড়ে যায়। এ মাসে ১৫ দিনের ওপর প্রতি কার্যদিবসে ৩৫০ কোটি টাকা থেকে ৬৫০ কোটি টাকার ওপর ধার নেয় ব্যাংকগুলো। একাধিকবার ১ হাজার কোটি টাকার ওপর ধার নেয়া হয়। জুনে প্রতি কার্যদিবসে ৬০০ কোটি টাকার ওপর ৭ দিনের শর্ট নোটিশে ধার নেয় ব্যাংকগুলো।

আগস্টে এই গড় হার জুলাই থেকে আরও ১০০ কোটি টাকা বেড়ে যায়। এ সময়ে ১৪ বারের বেশি ৪০০ কোটির ওপর ধার নেয় ব্যাংকগুলো। ১ হাজার কোটি টাকার ওপর ধার নেয় একাধিকবার। আগস্ট মাসের প্রতি কার্যদিবসে ধার নেয়ার হার ৬৯০ কোটি টাকার ওপর।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ সুদে টাকা ধার দিয়েছে। সেপ্টেম্বরের আগের মাসগুলোতে শর্ট নোটিশে সুদের হার আরও কম ছিল।

ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, তারল্য চাপে পড়লে সাধারণত একটি ব্যাংক আরেক ব্যাংক থেকে টাকা সংগ্রহ করে। আবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকেও টাকা সংগ্রহ করতে পারে।

অর্থনীতিবিদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কলমানি থেকে ব্যাংকগুলো টাকা ধার নেয়া বাড়িয়ে দিলে এবং সুদের হার বেড়ে গেলে বোঝা যায় যে, ব্যাংক তারল্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেয়া ওভারনাইটের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো রেপো রেট ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশের বেশি চার্জ করতে পারে না। তাই বাজারে তারল্য চাপ বেড়েছে কিনা সেটি বোঝার অন্যতম টুল হিসেবে ৩ ও ৭ দিনের জন্য শর্ট নোটিশে টাকা ধার করার সুদের হার পর্যালোচনার মাধ্যমে উঠে আসে।

কয়েক মাসের এই হার বিবেচনা করলে দেখা যায়, এই হারটি ক্রমাগত বাড়ছে। অর্থাৎ বাজারে এক রকমের তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে।

তিন ও সাত দিনের শর্ট নোটিশে টাকা ধার করার বিষয়টির কারণ হিসেবে দুইটি ব্যাখ্যা বলছে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি বিভাগের প্রধান। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যাংকগুলোতে তারল্য চাপ তৈরি হলে ওভারনাইট কলমানিতে চাহিদা বেড়ে গেলে ব্যাংকগুলো একটি নেগোসিয়েশন করে।’

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে ওভারনাইট কলমানিতে যেখানে গড় সুদের হার ৫ দশমিক ৮০ শতাংশের আশপাশে সেখানে তিন ও সাত দিনের শর্ট নোটিশে গড় সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠেছিল।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Yamuna Bank Entrepreneurship Development Program in Pabna

পাবনায় যমুনা ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি

পাবনায় যমুনা ব্যাংকের উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি ছবি: সংগৃহীত

পাবনায় উদ্যোক্তাদের জন্য মাসব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

পাবনায় ব্র্যাক লারনিং সেন্টারে সম্প্রতি এ বিশেষ কর্মসূচি যৌথভাবে আয়োজন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বাংলাদেশ ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক।

যমুনা ব্যাংক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি আয়োজনের খবর দিয়ে বলেছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য হল নতুন ও বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধার মাধ্যমে তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়ানো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবির অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনাধীন ‘শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও উদ্ভাবনের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি’ প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি বিভাগের যুগ্ম পরিচালক আইয়ুব আলী, যমুনা ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান ফজলুল হক ও হেড অব এসএমই (মার্কেটিং) এন এইচ এম নুসরাত বক্তব্য রাখেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank Keshavpur branch customer rally held
বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে সচেতনতা

ইসলামী ব্যাংক কেশবপুর শাখার গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংক কেশবপুর শাখার গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ১-৩১ জুলাই ২০২৬ গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে কেশবপুর শাখার উদ্যোগে প্রবাসী গ্রাহকদের বাংলাদেশের অভিভাবকদের নিয়ে এক গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার (৮ জুলাই) ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কেশবপুর শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) সেলিম চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনার রশীদ বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) আব্দুল ওয়াদুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ হেলাল উদ্দিন।

সভায় প্রবাসী গ্রাহকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সভাপতি সেলিম চৌধুরী ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রাহকবান্ধব সেবা, আধুনিক ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ অবশ্যই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠাতে হবে। এতে পরিবার যেমন নিরাপদে অর্থ পাবে, তেমনি দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, দ্রুততা ও নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে রেমিট্যান্স সেবা প্রদান করে আসছে।

তিনি আরও জানান, যেসব গ্রাহক ১-৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত MTDRA, MSB, MMPDS এবং MSSA হিসাব প্রি-ম্যাচিউর অবস্থায় বন্ধ বা নগদায়ন করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা ৩১ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট হিসাব পুনরায় চালু করলে ব্যাংক সকল প্রকার চার্জ ও খরচ মওকুফ করে হিসাবগুলোকে চলমান হিসাব হিসেবে গণ্য করবে। এ বিষয়ে আগ্রহী গ্রাহকদের নিজ নিজ শাখায় যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথি কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনার রশীদ বুলবুল বলেন, বর্তমান সময়ে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণ শুধু একটি ব্যক্তিগত আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ প্রবাসী পরিবারের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। গ্রাহকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সেবার মান আরও উন্নত করার উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।

বিশেষ অতিথি আব্দুল ওয়াদুদ গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকের সকল সেবা ও সুবিধা সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য জানার পাশাপাশি যে কোনো প্রয়োজনে সরাসরি শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করার মাধ্যমে সর্বোত্তম সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত গ্রাহকদের অভিভাবকরা বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন। সভাপতি সেলিম চৌধুরী গ্রাহকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং গঠনমূলক পরামর্শগুলো ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন।

গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কর্মকর্তা, প্রবাসী গ্রাহকদের পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Community Bank Agreement with Bangladesh Rural Electrification Board

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি

কমিউনিটি ব্যাংকে পরিশোধ করা যাবে পল্লী বিদ্যুতের বিল
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সঙ্গে কমিউনিটি ব্যাংকের চুক্তি ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) আওতাধীন সকল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা এখন থেকে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে সহজেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক, আর্থিক মনিটরিং (উত্তরাঞ্চল) জনাব মোঃ মাসুদ পারভেজ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীন সকল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা কমিউনিটি ব্যাংকের দেশব্যাপী সকল শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ উপায়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সদস্য (অর্থ) ও যুগ্ম সচিব জনাব মিলিয়া শারমিন, নিয়ন্ত্রক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোঃ ইদ্রিস, বোর্ডের সচিব জনাব শারমিন মাহমুদ, পরিচালক (অর্থ) জনাব মোঃ জিয়া উদ্দিন এবং পরিচালক (অর্থ) জনাব হিমেল পাল উপস্থিত ছিলেন।

কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং ও হেড অব বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মো: আরিফুল ইসলাম; চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার জনাব মোঃ তানজীম মোর্শেদ ভূঁইয়া, কর্পোরেট ব্যাংকিং ডিভিশনের ইউনিট হেড জনাব সুজাত হক, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম কাদির, এফসিএ; হেড অব এডিসি অ্যান্ড হেড অব এমডি’স কো-অর্ডিনেশন টিম জনাব মামুন উর রহমান, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট টিমের তুহিনুল ইসলাম ও নিশিত কান্তি সরকারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Signing of MoU between Mutual Trust Bank and The Structural Engineers

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক এবং দি  স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই ছবি: সংগৃহীত

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) গত জুলাই ০৫, ২০২৬ তারিখে ঢাকার ২৯, পশ্চিম পান্থপথের এসইএল সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায়, দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের গ্রাহকরা এখন থেকে আকর্ষণীয় সুদের হারে এবং দ্রুততম সময়ে এমটিবি থেকে হোম লোন বা গৃহ ঋণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান, মোঃ শাফকাত হোসেন এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে এমটিবি-এর ইভিপি ও রিটেল বিজনেসের প্রধান, তাহসিন শহীদ এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি মোহাম্মদ আব্দুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Life will be full on the 8100 mAh battery of Vivo Y500

ভিভো ওয়াই৫০০-এর ৮১০০ এমএএইচ ব্যাটারিতে লাইফ হবে ফুল অন!

ভিভো ওয়াই৫০০-এর ৮১০০ এমএএইচ ব্যাটারিতে লাইফ হবে ফুল অন! ছবি: সংগৃহীত

দিনের মাঝপথেই স্মার্টফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়া এখন সবার কাছেই চিন্তার বিষয়। তাই ওয়ালেট ও ইয়ারফোনের পাশাপাশি পাওয়ার ব্যাংকও হয়ে উঠেছে নিত্যসঙ্গী। এই নির্ভরতা কমাতেই বাংলাদেশে লঞ্চ হলো নতুন ভিভো ওয়াই৫০০।

অফিসের কাজ, যাতায়াত, গেমিং কিংবা ভিডিও স্ট্রিমিং দিনজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারের জন্য সেগমেন্টের সবচেয়ে বড় ৮১০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে এসেছে ভিভো ওয়াই৫০০। এক চার্জে চলবে সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা পাবজি গেমিং, ১৩.৫ ঘণ্টা নেভিগেশন এবং ৩৫ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাক। এমনকি ১০ ঘণ্টা টানা ব্যবহারের পরও প্রায় ৪০ শতাংশ চার্জ অবশিষ্ট থাকে।

বড় ব্যাটারির পাশাপাশি চার্জিং সুবিধাতেও রয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য। আছে রিভার্স চার্জিং ও বাইপাস চার্জিং সুবিধা। পাশাপাশি ৬ বছরের ব্যাটারি হেলথ গ্যারান্টি দীর্ঘদিন নির্ভরযোগ্য ব্যাটারি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

লম্বা সময় আরামদায়ক ভিউয়িং অভিজ্ঞতার জন্য এতে রয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চির ১.৫কে ইনফিনিটি অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ১.৩৫ মিমি আল্ট্রা-ন্যারো বেজেল, ৯৪.৪৭ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, সর্বোচ্চ ৫০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস এবং আই প্রোটেকশন মোড ডিসপ্লের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

মসৃণ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ভিভো ওয়াই৫০০-এ রয়েছে ৬ ন্যানোমিটার আল্ট্রা স্মুথ প্রসেসর, যার আনতুতু স্কোর ৬,৮০,০০০ হাজার। গেমিং সাপোর্ট, কার্যকর হিট ম্যানেজমেন্ট ও ৫০ মাসের স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেশন দীর্ঘদিন নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

পার্ল হোয়াইট ও মিডনাইট ব্লু- এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাবে ভিভো ওয়াই৫০০। নেব্যুলা উইন্ডো ক্যামেরা মডিউল ও স্লিম মেটালিক ফ্রেম দিয়েছে প্রিমিয়াম লুক।

নিত্যদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই তৈরি ভিভো ওয়াই৫০০। এতে রয়েছে আইপি৬৯ আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি এবং অ্যান্টি-ড্রপ আর্মর ডিজাইন, যা বিভিন্ন পরিবেশে বাড়তি সুরক্ষা ও আত্মবিশ্বাস দেবে।

ক্যামেরার দিক থেকেও নতুন ভিভো ওয়াই৫০০ বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল সনি মেইন ক্যামেরা, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং এআই ইরেজ ২.০, এআই রিটাচ ও চেঞ্জ স্কাই-এর মতো এআই ফিচার। এসব ফিচার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের উপযোগী করে।

অরিজিন ওএস ৬-এর উন্নত অপটিমাইজেশন প্রযুক্তি দীর্ঘ সময় স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, ফলে র‍্যাম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আর ভাবতে হবে না।

বাংলাদেশে ভিভো ওয়াই৫০০ ৬ জিবি + ১২৮ জিবি এবং ৬ জিবি + ২৫৬ জিবি এই দুটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে। দাম যথাক্রমে ৩৬,৯৯৯ টাকা এবং ৪৩,৯৯৯ টাকা। ৮ জুলাই প্রি-অর্ডার শুরু হবে। প্রি-অর্ডার গ্রাহকরা পাবেন ভিভো ও মিনিসোর সহযোগিতায় লিমিটেড এডিশন গিফট সেট, যেখানে থাকবে পেনপেন পুতুল, ফোন কভার, এক্সক্লুসিভ স্টিকার। এছাড়া থাকছে সর্বোচ্চ ৯ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধাসহ আরও চমক (প্রযোজ্য শর্তাবলি সাপেক্ষে) ।

দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স ও দারুণ বিনোদন অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিভো ওয়াই৫০০ হবে সারাদিনের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
178 students who completed the Monash Pathway program were recognized at UCBDs annual convocation

ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ পাথওয়ে প্রোগ্রাম সম্পন্ন করা ১৭৮ শিক্ষার্থী

ইউসিবিডির বার্ষিক সমাবর্তনে স্বীকৃতি পেলেন মোনাশ পাথওয়ে প্রোগ্রাম সম্পন্ন করা ১৭৮ শিক্ষার্থী ছবি: সংগৃহীত

ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক সমাবর্তন গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর লে মেরিডিয়ান, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবর্তনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) ও মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা (এমসিডি) প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা ১৭৮ শিক্ষার্থীর হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নিকোলাস ম্যাকলিন। সদ্য স্নাতকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “আজকে উপস্থিত সকল স্নাতকদের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন। বর্তমানে, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে শিক্ষা সেবা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি সেখানে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যে সকল শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে বেঁছে নিয়েছেন, আমরা সবসময়ের মতই তাদের পাশে থাকতে চাই। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ কলেজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (পাথওয়েজ পার্টনারশিপস) তানিয়া পেরেরা। তিনি বলেন, “আজ এই শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি সত্যিই অনুপ্রাণিত। এ অর্জনের পেছনে তাঁদের যে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় রয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তাঁরা প্রমাণ করেছেন, বৈশ্বিক পরিসরে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক প্রস্তুতি ও একাডেমিক সক্ষমতা তাঁদের রয়েছে।”

বাংলাদেশে মোনাশ কলেজের একমাত্র অংশীদার হিসেবে ইউসিবিডি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাথওয়ে প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে বসেই অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা যাত্রা শুরু করতে পারেন। এসব প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করার পরে তাঁরা মোনাশ ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।

ইউসিবিডি’র মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামটি স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা প্রোগ্রামটি মোনাশ ইউনিভার্সিটির নির্ধারিত স্নাতক ডিগ্রির প্রথম বর্ষের সমমান। ফলে এ প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে এসটিএস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানাস সিং বলেন, “বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ কঠোর হলেও ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষায় অগ্রসর হচ্ছেন। এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। বিশ্বমানের একাডেমিক ভিত্তি সব সময়ই শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দ্বার খুলে দেয়।”

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Desi Delights Global Showcase Evening held in Dhaka
বাংলাদেশ-নির্মিত B2C প্ল্যাটফর্মকে তুলে ধরতে

ঢাকায় দেশি ডিলাইটস গ্লোবাল শোকেস ইভনিং অনুষ্ঠিত

ঢাকায় দেশি ডিলাইটস গ্লোবাল শোকেস ইভনিং অনুষ্ঠিত ছবি: সংগৃহীত

দেশি ডিলাইটস লিমিটেড ঢাকার গুলশান-২-এ লেকশোর গ্র্যান্ডের লা ভিটা হলে “বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড” থিমে Deshi Delights Global Showcase Evening আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অতিথি, ব্র্যান্ড পার্টনার, SME, কারিগর, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, লজিস্টিকস পার্টনার এবং ব্যবসায়িক স্টেকহোল্ডাররা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্য অনারেবল আফরোজা খানম রিতা এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন সারফরাজ আলী, Founder and Director, Deshi Delights Ltd; মি. কবির আহমেদ, Chairman, Conveyor Group; জেসন ব্যারেট, Director, Deshi Delights and ISE Logistics; এবং আহমেদ জাকী, Director, Deshi Delights।

সন্ধ্যার সূচনা হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলা লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।

দেশি ডিলাইটসকে একটি বাংলাদেশ-নির্মিত আন্তর্জাতিক B2C মার্কেটপ্লেস এবং অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যার লক্ষ্য বাংলাদেশি ব্র্যান্ড, SME, কারিগর, উৎপাদক এবং পণ্যকে সরাসরি বিদেশি ভোক্তাদের সঙ্গে যুক্ত করা।

প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশি ব্যবসাগুলোকে ব্র্যান্ড অনবোর্ডিং, পণ্য উপস্থাপন, ডিজিটাল কমার্স, লজিস্টিকস সমন্বয়, আন্তর্জাতিক ফুলফিলমেন্ট, মার্কেটিং এবং গ্রাহক ডেলিভারির মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য তৈরি। অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল বার্তা ছিল—দেশি ডিলাইটস বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলাদেশি ব্র্যান্ড রয়েছে কেন্দ্রে এবং বাংলাদেশে লজিস্টিকস সহায়তা প্রদান করছে বাংলাদেশি লজিস্টিকস সক্ষমতা।

অনুষ্ঠানে সারফরাজ আলী বলেন:

“দেশি ডিলাইটস তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশি ব্র্যান্ডকে বিশ্বের দরজায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশের অসাধারণ পণ্য, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা প্রতিভা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্র্যান্ড, SME, কারিগর এবং উৎপাদকদের একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরি করে দেওয়া, যাতে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিদেশি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে।”

দেশি ডিলাইটস প্রথম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে যুক্তরাজ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করছে এবং ভবিষ্যতে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বৈশ্বিক বাজারে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

সিম্বলিক লঞ্চ মোমেন্ট, মিডিয়া এনগেজমেন্ট, ব্র্যান্ড পার্টনার নেটওয়ার্কিং এবং ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়, যা বাংলাদেশি পণ্য, ব্র্যান্ড এবং গল্পকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার যৌথ অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করে।

মন্তব্য

p
উপরে