× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
City will give an additional 2 percent incentive to remittances from Malaysia
hear-news
player
google_news print-icon

মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সে বাড়তি ২ শতাংশ প্রণোদনা

মালয়েশিয়া-থেকে-রেমিট্যান্সে-বাড়তি-২-শতাংশ-প্রণোদনা
বাড়তি এই প্রণোদনা ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়ে পরবর্তী তিন মাসের জন্য প্রযোজ্য থাকবে।

মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে বাড়তি ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক লিমিটেড।

সোমবার ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, এখন মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিরা সেখানে অবস্থিত সিটি ব্যাংকের শতভাগ সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে দেশে সিটি ব্যাংকে তাদের রেমিট্যান্সের টাকা পাঠালে পাবেন ২ শতাংশ বাড়তি প্রণোদনা। এই অঙ্ক প্রবাসী রেমিট্যান্সের ওপর সরকারের দেয়া আড়াই শতাংশ প্রণোদনার অতিরিক্ত।

বাড়তি এই প্রণোদনা ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়ে পরবর্তী তিন মাসের জন্য প্রযোজ্য থাকবে।

একই সঙ্গে তারা ‘সিটি রেমিট’ নামে মোবাইল রেমিট্যান্স অ্যাপটি ব্যবহার করে কর্মস্থলে বা ঘরে বসেই টাকা পাঠাতে পারবেন বাংলাদেশে।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের আনকাসা হোটেলে সিটি ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিবিএল মানি ট্রান্সফার এসডিএন. বিএইচডি, মালয়েশিয়ার ‘সিটি রেমিট’ মোবাইল রেমিট্যান্স অ্যাপ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার।

মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সে বাড়তি ২ শতাংশ প্রণোদনা
মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠালে বাড়তি ২ শতাংশ প্রণোদনা দেবে সিটি ব্যাংক

‘হুন্ডিকে না বলুন’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. গোলাম সারওয়ার এবং সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, সিবিএল মানি ট্রান্সফার এসডিএন বিএইচডি মালয়েশিয়ার পরিচালক ফারুক সোবহান ও দাতো গুরচরণ সিং।

দেশে প্রবাসী রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমে যাওয়া এবং ডলারের সংকট কিছুটা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে সিটি ব্যাংক চেয়ারম্যানের এই ঘোষণা রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই বাড়তি ব্যয় নিতে রাজি হওয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অন্যান্য ব্যাংক প্রতিষ্ঠানকেও দেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপরে একই রকম বাড়তি প্রণোদনা দেয়ার কথা বিবেচনা করতে বলেন।

অন্যদিকে ‘সিটি রেমিট’ নামে ক্রস-বর্ডার ব্যাংকিং রেমিট্যান্স চ্যানেল অ্যাপটির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশিসহ ৭টির বেশি দেশের প্রবাসীরা মালয়েশিয়ায় অবস্থিত সিবিএল মানি ট্রান্সফারের ১৫টি শাখার যেকোনোটিতে গিয়ে অথবা অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে দেশে টাকা পাঠাতে পারবেন। এই অ্যাপ ব্যবহার করে যেকোনো প্রবাসী গ্রাহক তার মালয়েশীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ক্যাশ পিক-আপ, অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার এবং মোবাইল ওয়ালেটের মাধ্যমে দেশে তাৎক্ষণিক ও নিরাপদে টাকা পাঠাতে পারবেন।

আরও পড়ুন:
ইউরোপে বাংলাদেশের পোশাকের দাপট
দেড় মাসেই ৩১ হাজার কোটি টাকা পাঠালেন প্রবাসীরা
প্রবাসীরাই বাতিঘর, প্রতিদিন পাঠাচ্ছেন ৮০০ কোটি টাকা
ব্যাংকে রেমিট্যান্স আনা আরও সহজ হলো
রেমিট্যান্সে ফের উল্লম্ফন, ৭ দিনে ৫ হাজার কোটি টাকা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Bank Senior Management Team Meeting

সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা

সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা রোববার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের সভা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: সংগৃহীত
সভায় এসএমটি চেয়ারম্যান ও ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের (এসএমটি) ১৭তম সভা রোববার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার ব্যাংকের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে সভায় সভাপতিত্ব করেন এসএমটি চেয়ারম্যান ও ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম।

এ সময় ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টররা, প্রধান কার্যালয়, স্থানীয় কার্যালয়, ব্যাংকের মাঠ পর্যায়ের সব জেনারেল ম্যানেজারসহ সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর তার বক্তব্যে ব্যাংকের সার্বিক ব্যবসায়িক পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mehmud Hossain is returning to National Bank again

মেহমুদ হোসেন ন্যাশনাল ব্যাংকে ফিরছেন

মেহমুদ হোসেন ন্যাশনাল ব্যাংকে ফিরছেন মো. মেহমুদ হোসেন
রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তাকে ডেকে এই ব্যাংকে যোগ দিতে বললে মেহমুদ হোসেন তাতে সম্মতি দেন।  ব্যাংকটির ভাবমূর্তি ফেরাতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বেসরকারি ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদ থেকে পদত্যাগ করা মো. মেহমুদ হোসেন আবার এই ব্যাংকেই ফিরছেন।

রোববার দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার তাকে ডেকে এই ব্যাংকে যোগ দিতে বললে মেহমুদ হোসেন তাতে সম্মতি দেন। ব্যাংকটির ভাবমূর্তি ফেরাতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে ন্যাশনাল ব্যাংকের এমডির রোববার সাক্ষাৎ হয়েছে। মো. মেহমুদ হোসেন এখনো ব্যাংকটির এমডি পদে বহাল আছে। বোর্ড পরিষদ তার পদত্যাগ গ্রহণ করেনি।

অভিযোগ রয়েছে সিকদার পরিবারের চাপের মুখে গত ১৮ জানুয়ারি ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে মেহমুদ হোসেন পদত্যাগ করেন। গত বৃহস্পতিবার গভর্নরসহ ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ব্যাংকটির অন্যতম পরিচালক রন হক সিকদার। এমডির পদত্যাগ নিয়ে আলোচনার মধ্যে ওই বৈঠক হয়।

মেহমুদ হোসেন পদত্যাগের পর ব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, চাপের মুখে নয়, ব্যক্তিগত কারণে তিনি পদত্যাগ করেন।

২০২১ সালের ডিসেম্বরে দুই বছর মেয়াদে ব্যাংকটিতে এমডি পদে যোগদান করা মেহমুদের চাকরির মেয়াদ ছিল চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় সম্মেলন ও মতবিনিময়
বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিশ্বব্যাংক সব সময় আগ্রহী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank received 2 awards in Global Economics

গ্লোবাল ইকোনমিক্সের ২ পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক

গ্লোবাল ইকোনমিক্সের ২ পুরস্কার পেল এনআরবিসি ব্যাংক পুরস্কার হাতে এনআরবিসি চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালসহ অন্যরা। ছবি: সংগৃহীত
‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দুবাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে তুলে দেয়া হয়।

উদ্ভাবনী সেবা ও দ্রুত সময়ে সর্বোত্তম সেবার প্রসারে দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। ‘মোস্ট ইনোভেটিভ মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাপ (এনআরবিসি প্ল্যানেট)’ ও ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো-ফাইনান্স ব্যাংক’ শীর্ষক অ্যাওয়ার্ড দুটি দিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ম্যাগাজিন দি গ্লোবাল ইকোনমিক্স।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমালের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। এ সময় ব্যাংকের পরিচালক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান ও মোহাম্মদ নাজিম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম আউলিয়া এবং আইসিটি বিভাগের প্রধান ও সিটিও দিদারুল হক মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া মানুষদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে সহজ শর্ত ও স্বল্প সুদে ঋণ দিতে ২০২১ সালের মার্চে বিশেষ ক্ষুদ্র ঋণ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। খুব অল্প সময়ে সারা বাংলাদেশে এই সেবা ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষুদ্র ঋণ পেয়েছেন। এই সেবার দ্রুত প্রসারের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মাইক্রো ফাইন্যান্স ব্যাংক-২০২২’ প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া হাতের মুঠোয় সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা সহজে প্রদানের লক্ষ্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে ২০১৯ সালে ‘এনআরবিসি প্লানেট অ্যাপ’ চালু করে এনআরবিসি ব্যাংক। উদ্ভাবনী এই অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কিউআর কোড ব্যবহার করে কার্ড ও চেক ছাড়া টাকা উত্তোলনের সুবিধা চালু করা হয়।

এছাড়া এই অ্যাপের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা স্থানান্তর, মোবাইল ব্যাংকিং, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন সরকারি সেবার বিল প্রদান, মোবাইল রিচার্জ, ব্যালান্স অনুসন্ধানসহ সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা রাত-দিন যেকোনো স্থানে বসে গ্রহণ করা যায়।

সারাবিশ্বের বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ২০২২ সালের কর্মকাণ্ডকে মূল্যায়ন করে ‘বার্ষিক গ্লোবাল ইকোনমিক্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ শীর্ষক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এনআরবিসি ব্যাংকসহ বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড দিয়েছে দি গ্লোবাল ইকোনমিক্স লিমিটেড।

ব্যাংকের চেয়ারম্যান এসএম পারভেজ তমাল বলেন, ‘প্রবাসীদের স্বপ্নের এই ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে খুব সহজে সব মানুষের দুয়ারে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেয়া। এজন্য তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সব ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছি।

‘প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষ যারা ব্যাংকিং সেবা থেকে বঞ্চিত থেকেছে তাদের জন্য চালু করেছি ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্প। এতে বিনা জামানতে স্বল্প সুদে ঋণ নিয়ে ঘরে বসেই তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হচ্ছে। এসব ভালো কাজের আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
১৫ আগস্ট স্মরণে এনআরবিসি ব্যাংকের ‘১৫’ উদ্যোগ
উদ্যোক্তা হতে স্বল্পসুদে ঋণ দেবে এনআরবিসি ব্যাংক
যুবকদের সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে এনআরবিসি
পুবাইলের মিরের বাজারে এনআরবিসি ব্যাংক
এনআরবিসি ব্যাংকের পাঁচ উপশাখার কার্যক্রম শুরু

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Departmental conference and exchange of views of Sonali Bank in Noakhali

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় সম্মেলন ও মতবিনিময়

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বিভাগীয় সম্মেলন ও মতবিনিময় শনিবার নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। ছবি: সংগৃহীত
নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ ও জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।

নোয়াখালীতে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন ও ব্যবসায়িক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজারস অফিস, নোয়াখালীর আওতাধীন প্রিন্সিপাল অফিস, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর এবং নোয়াখালী ও ফেনী করপোরেট শাখার প্রধান এবং এসব প্রিন্সিপাল অফিসের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকরা অংশ নেন।

শনিবার নোয়াখালী পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আফজাল করিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ ও জেনারেল ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান।

সভাপতিত্ব করেন জেনারেল ম্যানেজারস অফিস, নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান।

সভার শুরুতে নোয়াখালীর জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহজাহান গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত অর্জিত ব্যবসায়িক চিত্র উপস্থাপন করেন। এরপর জেনারেল ম্যানেজারস অফিসের আওতাধীন অঞ্চল প্রধানরা ও করপোরেট শাখার প্রধানরা পর্যায়ক্রমে তাদের ব্যবসায়িক চিত্র তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন:
সোনালী ব্যাংকে বিশেষ সেবাদান কাউন্টার
রাজশাহীতে সোনালী ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলন
সোনালী ব্যাংক ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির চুক্তি
সোনালী ব্যাংকের শীতবস্ত্র বিতরণ
সোনালী ব্যাংকের রেকর্ড ২৫০৩ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
ABB Buffeda warns banks to collect remittances at higher rates

বাড়তি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে সতর্কতা 

বাড়তি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহে ব্যাংকগুলোকে সতর্কতা 
ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, কিছু ব্যাংক নির্ধারিত ১০৭ টাকার চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। সভায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সভার পর এ বিষয়ে একটি চিঠি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওদেরকে দেয়া হয়েছে।

রেমিট্যান্স ডলার প্রতি ১০৭ টাকা। নির্ধারিত এ দরের অতিরিক্ত টাকা দিয়ে রেমিট্যান্স সংগ্রহ না করতে ব্যাংকগুলোকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) ও ব্যাংকের নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)।

বাফেদা চেয়ারম্যান আফজাল করিম ও এবিবি চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্র বলছে, চলতি জানুয়ারি মাসের ১৮ তারিখে এবিবি ও বাফেদার সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে কয়েকটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অভিযোগ করেন যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক নির্ধারিত ডলার প্রতি ১০৭ টাকার বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। এতে অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে ডলারের বাজার। ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের এ রকম অভিযোগের পর সভায় ব্যাংকগুলোকে এমনটা না করার জন্য সতর্ক করেছে বাফেদা ও এবিবি।

সভায় উপস্থিত ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউজবাংলাকে বলেন, কিছু ব্যাংক নির্ধারিত ১০৭ টাকার চেয়ে বেশি দরে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে। সভায় বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সভার পর এ বিষয়ে একটি চিঠি ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওদেরকে দেয়া হয়েছে।

১৯ তারিখে পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, বাফেদা ও এবিবির বৈঠকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ ডলার প্রতি ১০৭ টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। সে অনুযায়ী সব ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনা করতে বলা হয়েছে। তবে লক্ষ্য করা গেছে দেশের কয়েকটি ব্যাংক বাফেদা-এবিবির নির্ধারিত দরের চেয়ে অতিরিক্ত দরে রেমিট্যাস সংগ্রহ করছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরবর্তীতে কোনোভাবেই অনুমোদন দেয়া হবে না।

আরও পড়ুন:
ডলার সংকটে শিক্ষার্থীদের স্বপ্নভঙ্গ
জানুয়ারি থেকে ডলার সংকট থাকবে না: গভর্নর
বস্তায় নয়, এখন ঘুষ লেনদেন ডলারে: হাইকোর্ট
রেমিট্যান্স পাঠাতে চার্জ লাগবে না প্রবাসীদের
ডলারসংকটে বিপাকে পোশাক রপ্তানিকারকরা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bureau Bangladesh will raise Tk 150 crore from bonds

বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা তুলবে ব্যুরো বাংলাদেশ

বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা তুলবে ব্যুরো বাংলাদেশ
এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের দাম হবে ১০ লাখ টাকা এবং মেয়াদ ২ বছর। প্রতি লটের দাম হবে ৪০ লাখ টাকা। বন্ড ছেড়ে তোলা অর্থ দিয়ে এসএমই ঋণ কার্যক্রম চালাবে প্রতিষ্ঠানটি।

বেসরকারি ঋণদাতা সংস্থা ব্যুরো বাংলাদেশকে বন্ড ছেড়ে ১৫০ কোটি টাকা সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বুধবার বিএসইসি’র নিয়মিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এই বন্ডের প্রতি ইউনিটের দাম হবে ১০ লাখ টাকা এবং মেয়াদ ২ বছর। আর প্রতি লটের দাম হবে ৪০ লাখ টাকা। বন্ড ছেড়ে তোলা অর্থ দিয়ে এসএমই ঋণ কার্যক্রম চালাবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বিক্রি করা এ বন্ড কিনতে পারবে সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান, মিউচুয়াল ফান্ড, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি, তালিকাভুক্ত ব্যাংক, সমবায় ব্যাংক, আঞ্চলিক রুরাল ব্যাংক, সংগঠন, ট্রাস্ট ও স্বায়ত্তশাসিত করপোরেশনগুলো এবং বড় ব্যক্তি বিনিয়োগকারীরা।

বন্ডটি ছাড়তে জামানত রাখা হয়নি। এটি শেয়ারে রূপান্তর করা যাবে না।

এটি হবে জিরো কুপন বন্ড। এটি ৮ শতাংশ ডিসকাউন্টে বাজারে ছাড়া হবে।

বন্ডটি হবে ফুললি রিডিমেবল অর্থাৎ মেয়াদ শেষে এটার পুরো টাকা সুদসহ ফেরত দেয়া হবে।

বন্ডটির ট্রাস্টি হিসেবে রয়েছে সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি। আর অ্যারেঞ্জার স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
List of top 20 loan defaulters in parliament

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা

সংসদে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা
অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদকে জানান, শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির মোট ঋণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকাই খেলাপি। এই ২০ জনসহ দেশে মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৫।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে দেশের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির তালিকা উপস্থাপন করা হয়েছে। তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, যার মধ্যে ১৬ হাজার ৫৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকাই খেলাপি।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য উপস্থাপন করেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সরকারি দলের সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যাও সংসদকে জানিয়েছেন। তার উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট ঋণ খেলাপির সংখ্যা সাত লাখ ৮৬ হাজার ৬৫।

অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির মধ্যে সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৮৫৫ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ এক হাজার ৫২৯ কোটি টাকা। রিমেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ৭৭ কোটি টাকা। এদের পুরোটাই খেলাপি ঋণ। রাইজিং স্টিল কোম্পানি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৪২ কোটি টাকা, যাদের খেলাপি ঋণ ৯৯০ কোটি টাকা।

মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৯৬৫ কোটি টাকা। তাদের পুরোটাই খেলাপি। রূপালী কম্পোজিট লেদার ওয়্যার লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ সমান, ৮৭৩ কোটি টাকা। ক্রিসেন্ট লেদারস প্রডাক্ট লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমান ৮৫৫ কোটি টাকা।

কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেমস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমান ৮১১ কোটি টাকা। সাদ মুসা ফেব্রিক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩১ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৭৭৬ কোটি টাকা খেলাপি।

বি আর স্পিনিং মিলস লিমিটেডের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭২১ কোটি টাকা। এস.এ অয়েল রিফাইনারী লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৭২ কোটি টাকা। তাদের খেলাপির পরিমাণ ৭০৩ কোটি টাকা। মাইশা প্রপ্রাটি ডেভোলমেন্ট লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৮৬ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ৬৬৩ কোটি টাকা। রেডিয়াম কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৭৭০ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৬৬০ কোটি টাকা খেলাপি।

সামান্নাজ সুপার অয়েল লিমিটেডের ঋণের স্থিতি এক হাজার ১৩০ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৫১ কোটি টাকা। মানহা প্রিকাস্ট টেকনোলজি লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ও খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৪৭ কোটি টাকা। আশিয়ান এডুকেশন লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬৫৩ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ ৬৩৫ কোটি টাকা। এস.এম স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৮৮ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৩০ কোটি টাকা।

এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৮৭২ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬২৩ কোটি টাকা। এহসান স্টিল রি-রোলিং লিমিটেডের ঋণের স্থিতি ৬২৪ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণ ৫৯০ কোটি টাকা এবং সিদ্দিকী ট্রেডার্স-এর ঋণের স্থিতি ৬৭০ কোটি টাকা। তাদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫৪১ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
দেশে শনাক্ত এইচআইভি রোগী ৯৭০৮
পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসে ১০ বছরের কারাদণ্ড
বিদেশে বাড়ি-গাড়ির খবরের সত্যতা জানতে চান চুন্নু
সংসদে এনআইডি স্বরাষ্ট্রে রাখার ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিশেষাধিকার) আইন’ বিল পাস

মন্তব্য

p
উপরে