× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Additional VAT collection of Tk 26 thousand crore per year
hear-news
player
google_news print-icon
ইএফডির সুফল মিলছে

বছরে ২৬ হাজার কোটি টাকা বাড়তি ভ্যাট আদায়

বছরে-২৬-হাজার-কোটি-টাকা-বাড়তি-ভ্যাট-আদায়
এনবিআর সূত্র জানায়, পরীক্ষামূলক ইএফডি চালুর পর এ পর্যন্ত প্রায় আট হাজার মেশিন বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সেপ্টেম্বরে ভ্যাট এসেছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। আর আগস্টে আদায় হয়েছে ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক প্রযুক্তির ভ্যাট আদায়ের মেশিন ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) চালুর পর এর সুফল মিলছে। প্রচলিত প্রথায় যে পরিমাণ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আদায় হয়, ইএফডি মেশিন বসানোর পর তার চেয়ে বহুগুণ আহরণ হচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, একটি দোকানে আগে যেখানে মাসে গড়ে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকার ভ্যাট আদায় হতো, সেখানে ইএফডি মেশিন বসানোর পর আদায় হচ্ছে গড়ে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা। তার মানে ভ্যাট আদায়ে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে ইএফডি ব্যবহারে।

ভ্যাট আদায় বাড়াতে সারা দেশে তিন লাখ ইএফডি মেশিন বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনবিআর। আগামী তিন বছরে পর্যায়ক্রমে এসব মেশিন ভ্যাট পরিশোধে সামর্থ্য রয়েছে- এমন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসানো হবে। ইতোমধ্যে ক্রয়সংক্রান্ত এবং অর্থনৈতিক সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত দরপ্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ইএফডি মেশিন বসানো সম্পন্ন হলে বছরে কমপক্ষে ‘অতিরিক্ত’ ২৬ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট আহরণ হবে। আদায় আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে বলে ওই কর্মকর্তা জানান।

এনবিআর সূত্র জানায়, পরীক্ষামূলক ইএফডি চালুর পর এ পর্যন্ত প্রায় আট হাজার মেশিন বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সেপ্টেম্বরে ভ্যাট এসেছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা। আর আগস্টে আদায় হয়েছে ৩৭ কোটি ৬১ লাখ টাকা।

গত বুধবার এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে ইএফডি লটারি ড্র উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এনবিআর সদস্য (মূসক মূল্যায়ন ও বাস্তবায়ন) ড. মইনুল খান বলেছেন, ইএফডি মেশিনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। এই মেশিন বসানোর ফলে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা খাতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। যখন তিন লাখ মেশিন বসানো সম্পন্ন হবে, তখন দীর্ঘমেয়াদে আরও সুফল মিলবে বলে মত দেন তিনি।

ভ্যাট আদায় বাড়াতে ২০১৯ সালের ২৫ আগস্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন পরীক্ষামূলক চালু করা হয়। অতিমারি করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে এর কার্যক্রমে ভাটা পড়ে। এখন আবার জোর দেয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা জনপ্রিয় ও ক্রেতাদের ভ্যাট দিতে উৎসাহিত করতে গত বছর থেকে নিয়মিত লটারির ড্রয়ের আয়োজন করে আসছে এনবিআর। ইএফডি হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির হিসাব যন্ত্র। এটি ইলেকট্রনিক ক্যাশ রেজিস্টার বা ইসিআরের উন্নত সংস্করণ। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এই যন্ত্র বসানোর ফলে এনবিআরের কর্মকর্তারা প্রতিদিনের বিক্রির প্রকৃত তথ্য জানতে পারেন। ফলে তথ্য গোপনের সুযোগ নেই ব্যবসায়ীদের। এই পদ্ধতিতে ফাঁকি বন্ধ হওয়ায় ভ্যাট আদায় বর্তমানের চেয়ে বহুগুণ বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছে সরকার।

বর্তমানে মোট রাজস্বের ৩৯ শতাংশই আদায় হয় ভ্যাট থেকে। ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিপণিবিতান, হোটেল-রেস্তোরাঁসহ ২৫টি খাতে ইএফডি বসানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দৈনিক গড়ে বিক্রয় ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভ্যাটমুক্ত। এর বেশি হলে প্রযোজ্য হারে ভ্যাট দিতে হয়। চলতি অর্থবছরে এনবিআরের মাধ্যমে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ভ্যাট থেকে আসবে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা।

আদায় করবে এজেন্ট: আগে সিদ্ধান্ত ছিল, ব্যবসায়ীদের ইএফডি মেশিন সরবরাহ করবে এনবিআর। পরবর্তী সময়ে ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এজেন্টের মাধ্যমে আদায়ের পরিকল্পনা নেয়া হয়। এ জন্য ‘জেনেক্স ইনফোসিস লি.’ নামে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যে পরিমাণ ভ্যাট আহরণ হবে তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হারে কমিশন দেয়া হবে। এই প্রথম বেসরকারি খাতের একটি প্রতিষ্ঠানকে রাজস্ব আদায়ে অনুমতি দিল সরকার। প্রতিষ্ঠানটি মেশিন সরবরাহ ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। বিনিময়ে পাবে সার্ভিস চার্জ বা কমিশন। কমিশনের হার আদায়কৃত ভ্যাটের শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ হতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানকে রাজস্ব আদায়ের মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব দেয়া যায় কি না– এ প্রশ্নের উত্তরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘সিস্টেম অটোমেশন হলে কোনো সমস্যা নেই। আমরা অটোমেশন সম্পন্ন করেছি। তা ছাড়া পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস বা পিপিআর অনুযায়ী এতে কোনো বাধা নেই। বর্তমান পিপিআরের সঙ্গে ভ্যাট আইনের কোনো সাংঘর্ষিক নেই বলে মত দেন ওই কর্মকর্তা।

এনবিআর বলেছে, ইএফডি বসানো সম্পন্ন হলে রাজস্ব আয় বাড়বে। ঘরে বসেই তদারক করা যাবে। সূত্র জানায়, বর্তমানে অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার। এনবিআর দাবি করেছে, এখন ৮০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান মাসিক ভ্যাট রিটার্ন জমা দেয়।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির তথ্যানুযায়ী, সারা দেশে খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ে ২০ লাখ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে কতটি প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট দেয়ার সামর্থ্য আছে, তার কোনো সঠিক সংখ্যা নেই। জানা যায়, যোগ্য প্রতিষ্ঠান নিয়ে জরিপ করছে রাজস্ব বোর্ড।

যোগাযোগ করা হলে জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড কোম্পানির সচিব জুয়েল রাশেদ সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, আমাদের সঙ্গে চুক্তি হয়নি এখনো। এটি হলে নিয়োগের শর্তসমূহ জানা যাবে। এরপর কাজ শুরু হবে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ কাজে অভিজ্ঞতা না থাকলেও কোনো অসুবিধা হবে না। কারণ আমরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছি। আমরা শুধু মেশিন সরবরাহ করব এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেব। ফলে কাজটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ নয়- মন্তব্য করেন তিনি।

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় বিশাল ভ্যাট ফাঁকি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে এ খাতের অংশ চলতি মূল্যে সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা, যা শতকরা হারে ১৫ শতাংশ। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে পাঁচটি খাত প্রধান চালিকাশক্তি। এর মধ্যে খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা অন্যতম। উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাতের পরই এ খাতের অবস্থান। খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় বিপুল পরিমাণ ভ্যাট আহরণের সম্ভাবনা থাকলেও বাস্তবতা হচ্ছে খুব কমই ভ্যাট আসে। বছরে মাত্র ৭০০-৮০০ কোটি টাকা। অথচ আদায়ের সম্ভাবনা আছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআরের তথ্যানুযায়ী, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় আদায়যোগ্য ভ্যাটের ৯০ শতাংশই ফাঁকি হয়। এর প্রধান কারণ দুটি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই আওতার বাইরে। দ্বিতীয়ত, অটোমেশন না করা।

এনবিআরের সাবেক সদস্য রেজাউল হাসান বলেন, ‘ছোট ব্যবসায়ীদের মূল সমস্যা হচ্ছে তারা যে লেনদেন করে থাকে, তার জন্য কোনো হিসাব সংরক্ষণ করে না। যে কারণে সরকার থেকে রেয়াত বা ভ্যাট ফেরত পায় না। তিনি আরও বলেন, ‘এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় বাড়াতে হলে সামর্থ্যবান সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে আওতায় এনে অটোমেশন করতে হবে। তা হলে আদায় বর্তমানের চেয়ে বহুগুণ বাড়বে।’

জানা যায়, দু-তিনটি খাত ছাড়া বেশির ভাগ খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায় ভ্যাটের হার ৫ শতাংশ। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, ৫ শতাংশ ভ্যাট তাদের জন্য অনেক বেশি। এই হারে ভ্যাট দিতে হলে তাদের ব্যবসায় কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ ‘মূল্য সংযোজন’ করতে হয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এ খাতে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন হয়। কাজেই নিট বা প্রকৃত মূল্য সংযোজন যা হয়, তার ওপর ভিত্তি করেই এ খাত থেকে ভ্যাট আদায় করা উচিত। নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো ব্যবসায় যে পরিমাণ ‘মূল্য সংযোজন’ হয়, তার ওপর ভিত্তি করে প্রযোজ্য হারে ভ্যাট আদায় করে সরকার। মাসিক রিটার্নের সময় এই ভ্যাট পরিশোধ করা হয়।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘২০১৯ সালের ভ্যাট আইন অনুযায়ী ভোক্তার কাছ থেকে সরাসরি ভ্যাট আহরণ করবে খুচরা ও পাইকারি প্রতিষ্ঠান। এ জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস বা ইএফডি যন্ত্র বসানোর কথা। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এখন পর্যন্ত অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠানে তা স্থাপন করতে পেরেছে। ফলে ভ্যাট আদায় নিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। যতদিন পর্যন্ত রাজস্ব বোর্ড সব দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ইএফডি মেশিন স্থাপন করতে না পারে, ততদিন পর্যন্ত খুচরা ও পাইকারি থেকে ভ্যাট আদায় বাড়বে না।’

আরও পড়ুন:
ভ্যাট আদায়ে এজেন্ট নিয়োগ
আয়কর রিটার্ন দ্বিগুণ করতে চায় এনবিআর
আয় বাড়াতে এনবিআরের নতুন পরিকল্পনা
রিটার্ন জমায় মেলার সুবিধা কর অঞ্চলে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
The lowest fuel oil price of the year is not news in the country

জ্বালানি তেলের দাম বছরের সবচেয়ে কম, দেশে কমবে কবে

জ্বালানি তেলের দাম বছরের সবচেয়ে কম, দেশে কমবে কবে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেল ৭৪ ডলার ৯২ সেন্টে বিক্রি হয়েছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে ৮১ ডলার ৮১ সেন্টে। দুই সপ্তাহ আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯০ ডলারের বেশি ছিল। ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৮৫ ডলারের বেশি।

বিশ্ব অর্থনীতির জন্য সুখবর। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও কমেছে। নানা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, মন্দার আশঙ্কার মধ্যে এই সুখবর এসেছে। যে জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য বিশ্ব অর্থনীতিতে ওলোটপালট করে দিচ্ছিল, আন্তর্জাতিক বাজারে সেই তেলের বড় দরপতন হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে টানা কমে নেমে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেল ৭৫ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম নেমে এসেছে ৮১ ডলারে। এই দর চলতি ২০২২ সালের মধ্যে সবচেয়ে কম।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেল ৭৪ ডলার ৯২ সেন্টে বিক্রি হয়েছে। ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল বিক্রি হয়েছে ৮১ ডলার ৮১ সেন্টে। দুই সপ্তাহ আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯০ ডলারের বেশি ছিল। ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৮৫ ডলারের বেশি।

গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৭৫ ডলার ৬০ ডলার। আর চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ৮০ ডলার ৯৬ সেন্ট।

বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ চীনে কোভিড-১৯-এর কঠোর নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রাস্তায় বিক্ষোভের কারণে সোমবার তেলের দাম এই বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

চীনে জ্বালানির চাহিদা কমে যেতে পারে এই অশঙ্কায় তেলের দাম কমছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মূলত বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের বিভিন্ন শহরে এখনো লকডাউন চলছে। কোথাও কোথাও লকডাউনবিরোধী বিক্ষোভ চলছে। কিন্তু সরকার অনড়। সে কারণে দেশটিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থিমিত হয়ে পড়েছে। বিশ্বব্যাংক-আইএমএফসহ বিভিন্ন সংস্থা বলছে চীনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবার বেশ খানিকটা কমবে। অন্যদিকে আমেরিকান মুদ্রা ডলার দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে। ক্রমবর্ধমান সুদের হার বড় অর্থনীতিকে মন্দার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এ আশঙ্কায় তেলের দাম কমছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় দেশ ঋণের সুদের হার বাড়িয়েই চলেছে। অন্য বড় অর্থনীতির দেশগুলোও সেই একই পথ অনুসরণ করছে। আর এটিই বিশ্ব অর্থনীতিকে মন্দার দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরতে বিশ্বব্যাপী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নীতি সুদহার বাড়াচ্ছে। এর জেরেই বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ‘বিশ্বে কী মন্দা আসন্ন’ শীর্ষক ওই গবেষণা প্রতিবেদন বিশ্বব্যাংক বলেছে, করোনা মহামারির ধকল কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি। দিন দিন বাড়ছে মূল্যস্ফীতি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো নীতি সুদহার একযোগে বাড়িয়েই চলেছে। এর জেরে বিশ্ব অর্থনীতি ২০২৩ সালে মন্দার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ ছাড়া চীনের বড় বড় শহরে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে এখনো লকডাউন শুরু হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চাহিদা কমায় জ্বালানি তেলের দাম কমেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থাটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত দুটি কারণে তেলের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। প্রথমত, বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা মোটেও ভালো নয়। উন্নত দেশগুলোতে মন্দার পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই তেলের চাহিদা কমছে। দ্বিতীয়ত, ডলারের ঊর্ধ্বমুখী দর।

ডলার প্রাইস ইনডেক্সের তথ্যানুসারে, চলতি বছর ডলারের দর ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের দর বাড়লে আমদানি মূল্য বেড়ে যায়, যা বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করে। সে জন্য ডলারের দর বাড়লে উন্নয়নশীল দেশগুলো জ্বালানি তেল আমদানি হ্রাস করে, বাংলাদেশও যা করেছে। ডলার বাঁচাতে দেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম না কমলে বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস করা হবে।

বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম গড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের কাছাকাছি ওঠানামা করছিল, ঠিক তখন বাংলাদেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একলাফে ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৫১ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। গত ৫ আগস্ট রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, ডিজেল ও কেরোসিনের প্রতি লিটারের দাম ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, পেট্রল ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা আর অকটেন ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই দিন মধ্যরাত থেকে নতুন দর কার্যকর করা হয়। এর পর থেকেই বাস, ট্রাক, অ্যাপের প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, লঞ্চ ও হিউম্যান হলারের ভাড়া বেড়ে যায়। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আগে থেকেই বাড়তি ছিল, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে তা আরও একদফা বাড়ে।

সরকারের মন্ত্রীরা অবশ্য বলে আসছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশেও জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে। এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমলে দেশের বাজারে লিটারে মাত্র পাঁচ টাকা কমানো হয়।

মন্দাভাবের কারণে বিশ্ববাজারে দাম কমার ধারা কত দিন অব্যাহত থাকবে, তা নিয়ে অবশ্য সন্দেহ আছে। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, দাম কমতে থাকলে ওপেক তেল উত্তোলন আরও হ্রাস করবে। এতে দাম খুব একটা না-ও কমতে পারে।

দেশের বাজারে তেলের দাম কমানো হবে কি না- এ বিষয়টি জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণ করছি। গত দুই মাস ধরে বাজার ওঠানামা করছে। গত কয়েক দিনে অবশ্য বেশখানিকটা কমেছে। আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে। যদি ৭৫ ডলারের নিচে নেমে আসে, তাহলে হয়তো সরকার চিন্তাভাবনা করবে।’

২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করে। করোনা মহামারির মধ্যেও টানা বেড়েছে তেলের দাম। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় তা আরও ঊর্ধ্বমুখী হয়। গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে দুই ধরনের তেলের দামই ৮০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। সে সময় বাংলাদেশ সরকারও ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন ৮০ টাকা নির্ধারণ করে।

রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা করলে লাফিয়ে বাড়তে থাকে তেলের দাম। একপর্যায়ে প্রতি ব্যারেল ১৩৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছিল। এরপর থেকে বিভিন্ন উদ্যোগে ওঠানামার মধ্যেই তেলের দর ১১০ থেকে ১১৫ ডলারের মধ্যে ছিল। গত মে মাসের শেষের দিকে তেলের দাম বেড়ে ১২০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

২০২০ সালের করোনা মহামারির শুরুতে সারা বিশ্বে যখন লকডাউন চলছিল, তখন জ্বালানি তেলের দাম মাইনাস ৩৭ ডলারে নেমে এসেছিল। অর্থাৎ এক ব্যারেল তেল কিনলে ক্রেতাকে উল্টো ৩৭ ডলার দেয়া হয়েছে। এরপর ওপেক ও রাশিয়া ধারাবাহিকভাবে তেল সরবরাহ কমিয়ে মূল্যবৃদ্ধি করে।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক বাজারে গড়ে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ছিল ৪২ ডলার। ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ছিল ৪৯ ডলার। এরপর থেকে গড়ে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ছিল ফেব্রুয়ারিতে ৫৩ ডলার, মার্চে ৬০, এপ্রিলে ৬৫, মে-তে ৬৪, জুনে ৬৬, জুলাইয়ে ৭৩ এবং আগস্টে ৭৪ ডলার। অক্টোবরে এই দাম ৮৫ ডলারে ওঠে। সে সময়ই দেশের বাজারে তেলের দাম বাড়ানো হয়।

এরপর অবশ্য তেলের দাম খানিকটা কমে আসে। যুদ্ধের কারণে ফের তা বাড়তে থাকে। ইউক্রেনে রুশ হামলার সঙ্গে সঙ্গে তেলের দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Foreign owned companies will get loans in Rs

টাকায় ঋণ পাবে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান

টাকায় ঋণ পাবে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, অর্থনৈতিক অঞ্চলের ‘অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়’ প্রতিষ্ঠিত টাইপ-এ ও টাইপ-বি শ্রেণির শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদিত পণ্যের প্রচারের জন্য ব্যাংকের কাছ থেকে টাকায় চলতি মূলধন ঋণ নিতে পারবে।

দেশীয় মুদ্রা টাকায় চলতি মূলধন ঋণ নিতে পারবে অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিদেশি এবং দেশি-বিদেশি যৌথ মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এমন নির্দেশনা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা- বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ সোমবার এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে সব অথোরাইজড ডিলার ব্যাংককে জানিয়েছে। বলা হয়েছে, ডলার সংকটের কারণে এমন সিদ্ধান্ত।

‘অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়’ দেশি-বিদেশি যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানও এ ঋণ নিতে পারবে। ঋণের শর্ত হলো, এসব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের কোনো উৎস থাকতে পারবে না। অর্থাৎ যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিদেশি মুদ্রা আয়ের সুযোগ রয়েছে, তারা বাংলাদেশি মুদ্রা টাকায় ঋণ নিতে পারবে না।

এর আগে ২০২০ সালে এসব প্রতিষ্ঠানকে টাকায় ব্যাংক হিসাব খুলে লেনদেনের সুযোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, অর্থনৈতিক অঞ্চলের ‘অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণ এলাকায়’ প্রতিষ্ঠিত টাইপ-এ ও টাইপ-বি শ্রেণির শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদিত পণ্যের প্রচারের জন্য ব্যাংকের কাছ থেকে টাকায় চলতি মূলধন ঋণ নিতে পারবে।

অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কেবল বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে পণ্য উৎপাদনের জন্য পৃথক একটি শিল্প এলাকা নির্ধারণ করা আছে; যা ‘অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণ এলাকা’ হিসেবে নামকরণ করা হয়।

এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির সুযোগ নেই। তবে এখানে দেশি, বিদেশি, সরকারি মালিকানার প্রতিষ্ঠানগুলোও বিনিয়োগ করতে পারে।

এর মধ্যে টাইপ-এ ক্যাটাগরি হচ্ছে সম্পূর্ণ বিদেশি মালিকানার প্রতিষ্ঠান। আর টাইপ-বি ক্যাটাগরি হচ্ছে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের যৌথ অংশিদারিত্বের শিল্প প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন:
জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার
নতুন দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কী নতুন?
সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির চুক্তি
কর্মকর্তাদের অনিয়ম, দুর্নীতি ধামাচাপা দেন ডিজিএম
ব্যাংকিং খাত নিয়ে ভিডিওর যথার্থতা যাচাইয়ের নির্দেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New notes of two and five rupees are coming

নতুন দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কী নতুন?

নতুন দুই ও পাঁচ টাকার নোটে কী নতুন? দুই ও পাঁচ টাকার নতুন নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
নতুন নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতোই থাকবে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রাও চালু থাকবে।

সিনিয়র অর্থসচিব ফাতিমা ইয়াসমিনের সই করা দুই ও পাঁচ টাকার নতুন নোট বাজারে আসছে মঙ্গলবার। প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যুর পর পর্যায়ক্রমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য কার্যালয় এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাউন্টার থেকেও নতুন দুই টাকার নোট ইস্যু করা হবে। তবে দুই নোটে অর্থসচিবের সইটাই শুধু নতুন।

নতুন নোটের রং, পরিমাপ, জলছাপ, ডিজাইন ও অন্যান্য নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য বর্তমানে প্রচলিত নোটের মতোই থাকবে। নতুন মুদ্রিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত দুই ও পাঁচ টাকা মূল্যমানের কাগুজে নোট ও ধাতব মুদ্রাও চালু থাকবে।

আরও পড়ুন:
আসছে ৫০০ টাকার নতুন নোট
ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা
জাল টাকাসহ প্রতারক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
BGMEA wants to stop theft of export products

রপ্তানিপণ্যের চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ

রপ্তানিপণ্যের চুরি বন্ধ চায় বিজিএমইএ বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে যৌথ সভায় নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
‘পরিবহনের সময় রপ্তানিপণ্য চুরির ঘটনা আমাদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। চুরির ঘটনা বন্ধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

রপ্তানিপণ্য পরিবহনের সময় চুরি হচ্ছে, যা ধরা পড়ছে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে মালামাল পৌঁছার পর। এসব ঘটনায় ব্যবসায়ে ক্ষতির পাশাপাশি দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। পরিস্থিতি উত্তরণে উপায় খুঁজছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

সোমবার বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এক সভায় বিষয়টি আলোচনায় আসে। সভায় বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের পোশাক সারা বিশ্বে সমাদৃত। ইতিমধ্যে সবুজ শিল্প হিসেবে এটি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেছে। এই অর্জন আমাদের সবাইকে ধরে রাখতে হবে।

‘পরিবহনের সময় পণ্য চুরির ঘটনা আমাদের বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে। চুরির ঘটনা বন্ধ করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে মহাসড়কে নজরদারি জোরদার করতে হবে।’

বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শহিদউল্লাহ আজিম, বাংলাদেশ ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন মজুমদার, নির্বাহী সভাপতি সৈয়দ মো. বখতিয়ার, সাধারণ সম্পাদক রুস্তম আলী খানসহ নেতারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

দুই সংগঠনের নেতারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পোশাকশিল্পের রপ্তানিপণ্য চুরি বন্ধের ব্যবস্থা ও উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

নেতারা জানান, আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও চুরির ঘটনা রপ্তানিকারকদের লজ্জায় ফেলছে। পণ্য ক্রেতাদের কাছে পৌঁছানোর পর এই চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। অভিযোগ পেয়ে যে প্রতিকার করা হয়, তাতে আস্থা ফেরানো কঠিন।

চুরি প্রতিরোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সব পোশাক কারখানাকে ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের লাইসেন্সসহ চালক-হেলপারদের ছবি এবং ট্রাভেল ডকুমেন্ট রাখার পরামর্শ দেয়া হয় সভায়। পণ্যবাহী সব কার্গো ভ্যানে জিপিএস ট্র্যাকার নিশ্চিত করারও অনুরোধ জানান নেতারা।

পোশাকশিল্পের পণ্য চুরি রোধে রপ্তানিকারক, পরিবহন মালিক, পুলিশ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেয়া হয় সভায়।

আরও পড়ুন:
অর্থনীতির ক্ষতি না করতে আহ্বান বিজিএমইএ’র
বিজিএমইএ সভাপতি বললেন সংকট নেই, অন্যদের দ্বিমত
জার্মানির সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে জোর বিজিএমইএর
পোশাক রপ্তানি ২০ শতাংশ কমার শঙ্কায় বিজিএমইএ
সামনে তৈরি পোশাক শিল্পের বড় চ্যালেঞ্জ: বিজিএমইএ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
DSE will sit with BSEC to restore momentum in the capital market

পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে বিএসইসির সঙ্গে বসবে ডিএসই

পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে বিএসইসির সঙ্গে বসবে ডিএসই পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার জরুরি বৈঠক করে ডিএসই ও ডিবিএ। ছবি: নিউজবাংলা
ডিএসই ও ডিবিএ’র বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, পুঁজিবাজারের চলমান পরিস্থিতি নিয়ে তারা কয়েকদিনের মধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে বসবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পুঁজিবাজার উন্নয়নের বিভিন্ন পলিসি নিয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলের সঙ্গে আলোচনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার জরুরি বৈঠক করেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ডিবিএ)।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যে ডিএসই ও ডিবিএ বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সঙ্গে বসবে।

ডিএসই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পুঁজিবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার ডিএসই ও ডিবিএ প্রতিনিধিদের জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ডিএসই চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান, পরিচালক মো. শাকিল রিজভী, মোহাম্মদ শাহজাহান, শরীফ আনোয়ার হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) এম. সাইফুর রহমান মজুমদার এবং ডিবিএ’র পক্ষে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড ডি রোজারিও, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাজেদুল ইসলাম ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. সাইফুদ্দিন এবং সদস্য এম. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পুঁজিবাজারের চলমান পরিস্থিতি গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয় এবং সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ডিএসই ও ডিবিএ’র প্রতিনিধিবৃন্দ বিএসইসির সঙ্গে বাজারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

বর্তমান দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পুঁজিবাজার উন্নয়নের বিভিন্ন পলিসি নিয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী মহলের সঙ্গে আলোচনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘পুঁজিবাজার এভাবে চলতে পারে না’
শেয়ার কেনার ‘কেউ নেই’, দেড় বছরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন
প্রি ওপেনিংকে ফের কারসাজির সুযোগ ভাবল বিএসইসি
এসএমইতে বিনিয়োগ: বিএসইসির আবেদন শোনেনি চেম্বার আদালত
এক দিন পরই সূচকের ধপাস, ‘ক্রেতাশূন্য’ তিন শ কোম্পানি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Meeting with Japanese investors on Tuesday

জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার

জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক মঙ্গলবার
জাপানে গিয়ে এই সম্মেলন করার কথা থাকলেও সেই সফর বাতিল করা হয়। যাদের জাপানে যাওয়ার কথা ছিল তারা বাংলাদেশে বসে জুম-এর মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত থাকবেন। আর টোকিওতে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে থাকবেন জাপানের অংশগ্রহণকারীরা।

দেশে বিনিয়োগ টানতে জাপানের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই বৈঠক হবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিএসইসি।

এর আগে জাপানে গিয়ে এই সম্মেলন করার কথা থাকলেও সেই সফর বাতিল করা হয়। এখন বাংলাদেশ থেকে যাদের জাপানে যাওয়ার কথা ছিল তারা বাংলাদেশে বসে জুম-এর মাধ্যমে বৈঠকে যুক্ত থাকবেন। আর জাপানে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে জাপানের অংশগ্রহণকারীরা থাকবেন।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক মাহাবুব আলম বলেন, ‘এই বৈঠক হাইব্রিডভাবে অনুষ্ঠিত হবে। জাপানে থাকবেন সে দেশে থাকা বাংলাদেশিরা, জাপান দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ আর জাপানি বিনিয়োগকারীরা। আর বাংলাদেশে থাকবেন বিএসইসি চেয়ারম্যান, বিআইডিএ চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টাসহ আরও অনেকে।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিএসইসি ও বিডা এই ‘ইনভেস্টমেন্ট ফ্ল্যাশ মব’ আয়োজন করেছে।

অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া কথা বলবেন বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ নিয়ে। বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন কথা বলবেন বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে কিভাবে বাইরে থেকে বিনিয়োগ করা যাবে সেসব নিয়ে।

এছাড়াও কথা বলবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

আর জাপানে থাকবেন দুই দেমের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিনিয়োগকারীগণ এবং শিল্পপতি-ব্যবসায়ীরা। তারা থাকবেন জাপানের টোকিওতে এএনএ ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
80 percent of vehicles come through Mongla Port Barbida

৮০ শতাংশ গাড়ি আসে মোংলা বন্দর দিয়ে: বারবিডা 

৮০ শতাংশ গাড়ি আসে মোংলা বন্দর দিয়ে: বারবিডা 
বারবিডা সভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে। গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা এখন আর মোংলা বন্দরে ঘটে না। আমদানিকৃত গাড়ির প্রায় ৮০ শতাংশই এখন মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়।’

দেশে আমদানি হওয়া গাড়ির প্রায় ৮০ শতাংশই আসে মোংলা বন্দর দিয়ে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই বন্দর দিয়ে এসেছে ২০ হাজার ৮০৮টি গাড়ি, যা এই বন্দরের এ যাবতকালের রেকর্ড।

মোংলায় সোমবার দুপুরে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ রিকন্ডিশন ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারবিডা)।

বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলনকক্ষে ওই সভায় অংশ নেয়া কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে গাড়ি আমদানি বেড়েছে। এ খাত থেকে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আয় হচ্ছে সরকারের। এই মুহূর্তে বন্দর চ্যানেলের গভীরতা বাড়াতে পারলে বন্দরে আরও বড় জাহাজ আসতে পারবে। তখন একসঙ্গে অনেক বেশি গাড়ি আনা যাবে, কমবে পরিবহন খরচ।

বারবিডা সভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন বলেন, ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা এখন আর মোংলা বন্দরে ঘটে না। আমদানিকৃত গাড়ির প্রায় ৮০ শতাংশই এখন মোংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়।’

বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, ‘আমদানিকৃত গাড়ির শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব মোংলা বন্দরের। আপনাদের কোনো ধরণের অভিযোগ থাকলে আমাকে সরাসরি লিখিত জানাবেন, আমরা সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেব।’

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বন্দর প্রতিষ্ঠার ৬০ বছর পর ২০০৯ সালে ৮ হাজার ৯০০টি গাড়ি আমদানির মাধ্যমে মোংলা বন্দর দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। সব রেকর্ড ভেঙে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে মোংলা বন্দর দিয়ে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ৮০৮টি গাড়ি আমদানি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বিলাস দ্রব্যের তালিকা থেকে গাড়িকে বাদ দেয়ার দাবি
রিজার্ভ কেউ চিবিয়ে খায়নি: প্রধানমন্ত্রী
দ্রুত পণ্য খালাসের উদ্যোগে সাড়া নেই
গাজীপুরে ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণ: দগ্ধ আরেকজনের মৃত্যু
৩ কেজি স্বর্ণসহ দুবাইফেরত দুই যাত্রী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

p
উপরে