× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank Spokesperson Abul Kalam Azad
hear-news
player
google_news print-icon

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ

বাংলাদেশ-ব্যাংকের-মুখপাত্র-আবুল-কালাম-আজাদ
আবুল কালাম আজাদ। ফাইল ছবি
সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জিএম আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র করা হয়েছে অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও ডিপার্টমেনট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এর পরিচালক সাঈদা খানমকে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ।

সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

এর একদিন পরই আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগ দেয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশি মুদ্রায় ঋণের সুদহার বাড়িয়ে আগের অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
দায়িত্বে ফিরছেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান
অতিরিক্ত অডিট ফার্ম নিয়োগে নিতে হবে অনুমতি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank in Jamalpur Islampur

জামালপুরের ইসলামপুরে ইসলামী ব্যাংক

জামালপুরের ইসলামপুরে ইসলামী ব্যাংক
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম ব্যাংক। কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গ্রাহকরা এ ব্যাংকের প্রতি আকৃষ্ট হন। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংকটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।’

জামালপুরের ইসলামপুরে শাখা খুলেছে ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৩৯৪তম শাখা।

বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ব্যাংকের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান, ময়মনসিংহ জোনপ্রধান আনিসুল হক, ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মু. তানভীর হাসান রুমান, ইসলামপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুল নাসের, ইসলামপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের সেখ, ইসলামপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানী এবং জামালপুর ল’ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইসলামপুর শাখাপ্রধান আব্দুল মতিন সরকার। গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী আহমেদুল কবির মিনু, ইসলামপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল আউয়াল খান লোহানী এবং নারী উদ্যোক্তা আফ্রিনা আক্তার। এ সময় ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম ব্যাংক। কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গ্রাহকরা এ ব্যাংকের প্রতি আকৃষ্ট হন। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংকটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।’

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত দিক দিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও করোনার ধাক্কা সামলে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। অতীতের চেয়ে বর্তমানে আমাদের রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এর মধ্যে গার্মেন্টস অন্যতম। গার্মেন্টস শিল্প বিকাশে ইসলামী ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ইসলামী ব্যাংক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।’

আধুনিক ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের সাউন্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্পেইন শুরু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
ইতালিতে ইসলামী ব্যাংকের মতবিনিময়
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে ডিএসই ও সিএসই’র চুক্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mastercard Excellence Awards 2022

‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ প্রদান

‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ প্রদান বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানে পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন অর্জনের পথ সুগম করার স্বীকৃতি হিসেবে সেরা পারফর্মারদের ১৫টি ক্যাটাগরিতে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস দিয়েছে মাস্টারকার্ড।

মাস্টারকার্ড ১৫টি ক্যাটাগরিতে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ বাংলাদেশে শীর্ষ পার্টনার ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক এবং মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিয়েছে। দেশের আর্থিক অর্ন্তভুক্তির বিস্তৃতিতে প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে এই অ্যাওয়ার্ডস যাত্রা শুরু করে।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গেস্ট অফ অনার ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়া মাস্টারকার্ডের সিইও বিকাশ ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনারদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আর্থিক খাতে পেমেন্ট গেটওয়ে, কন্ট্যাক্টলেস, ইন্টারঅপারেবল ও কিউআর-ভিত্তিক পেমেন্ট সল্যুশন চালুর পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর পেমেন্ট অপশন প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করে মাস্টারকার্ড পেমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির বৈপ্লবিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কয়েক দশক ধরে, কার্যকর ও টেকসই ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম এর বিস্তৃতি এবং এসএমই’র জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে মাস্টারকার্ড সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের হাতে হাত রেখে কাজ করে চলেছে। ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন অর্জনের পথ সুগম করার স্বীকৃতি হিসেবে সেরা পারফর্মারদের ১৫টি ক্যাটাগরিতে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস প্রদান করেছে মাস্টারকার্ড।

পুরস্কার দেয়া ক্যাটাগরিগুলো হলো- এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডেবিট বিজনেস (ডোমেস্টিক), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডেবিট বিজনেস (ইন্টারন্যাশনাল), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ডোমেস্টিক), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ইন্টারন্যাশনাল), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড প্রিপেইড বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড কন্ট্যাক্টলেস (ইসুয়িং), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড কন্ট্যাক্টলেস (অ্যাকুয়ারিং), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড পিওএস অ্যাকুয়ারিং বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড অনলাইন অ্যাকুয়ারিং বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন নিউ ক্যাটাগরি, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস গ্রোথ, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড রেমিট্যান্স বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট)-পিওএস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট)-অনলাইন।

মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা বলেন, ‘সহজ ও নিরাপদ ফিনান্সিয়াল ইকোসিস্টেম তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আর্থিক সেবা খাতের বিস্তৃতির এই প্রচেষ্টায় পাশে থাকতে পেরে মাস্টারকার্ড গর্বিত। যেহেতু বাংলাদেশ জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, মাস্টারকার্ড পার্টনারদের সঙ্গে নিয়ে ও প্রযুক্তির সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে গ্রাহকদের আরও বেশি পেমেন্ট ও কমার্স অপশন প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিগত ৩১ বছরের কার্যক্রমে মাস্টারকার্ড যেসব শীর্ষ আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশিপ তৈরি করেছে সেগুলো হচ্ছে- এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Order to increase credit in agriculture to ensure food security

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ
গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের খাদ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীতে কৃষি খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করতে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন তিনি। গভর্নরের সভাপতিত্বে বৈঠকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

গভর্নর বলেন, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের খাদ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীতে কৃষি খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করতে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

করোনার সময়ে ব্যাংকের সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখায় তিনি ব্যাংকের নির্বাহীদের সাধুবাদ জানান।

এ সময় ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান এবং কৃষি ঋণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদেরকে স্বল্পতম সময়ে মৌসুমভিত্তিক ঋণ সুবিধা দেয়া হবে বলে গভর্নরকে আশ্বস্ত করেন।

এর আগে ১৭ নভেম্বর ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে কৃষক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এই তহবিলের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। প্রয়োজনে তহবিলের অর্থের পরিমাণ ও মেয়াদ বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন:
খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষিতে পুনঃ অর্থায়ন তহবিল
ব্যাংকে টাকা নেই বলে গুজব ছড়াচ্ছে সুযোগসন্ধানীরা
ঋণ আদায়ে তহবিল ব্যয়ের ছাড়ে নিরীক্ষার নির্দেশ
গরিবদের থেকে এনজিওর বেশি সুদ আদায় অন্যায়: গভর্নর
ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রচার হচ্ছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Loan facilities up to crores of rupees to small and medium entrepreneurs

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা
উদ্যোক্তাদের সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া যাবে। এর আগে গত ৮ নভেম্বর এক সার্কুলারে চলতি মূলধন দেয়ারও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা খাতে ঋণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে মেয়াদি ঋণের পাশাপাশি চলতি মূলধন ঋণ এবং ব্যবসা খাতে দেয়া ঋণের বিপরীতেও ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতদিন সিএমএসএমইর পাশাপাশি মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে তাদের জামানতবিহীন মেয়াদি ঋণকে ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম’ সুবিধা দেয়া হতো।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত্র জারি করা এক নির্দেশনা সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা খাতে ঋণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে কম সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল রয়েছে।

কত টাকা ঋণ

সার্কুলারে বলা হয়, কুটির ও মাইক্রো উদ্যোগের উৎপাদনশীল ও সেবা শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া যাবে।

ক্ষুদ্র উদ্যোগের উৎপাদনশীল শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা হতে সর্বোচ্চ তিন কোটি টাকা এবং সেবা শিল্প খাতে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া হবে।

মাঝারি উদ্যোগের উৎপাদনশীল শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন এক লাখ হতে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা এবং সেবা শিল্প খাতে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা হতে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা ঋণ দিতে পারবে।

মাইক্রো উদ্যোগের ব্যবসা খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের ব্যবসা খাতে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা।

এতদিন এই তহবিল থেকে সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের মেয়াদি ঋণ দেয়া হতো।

গত ৮ নভেম্বর এক সার্কুলারে চলতি মূলধন দেয়ারও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনসহ সেবা খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে এই তহবিল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক এই তহবিল থেকে ব্যবসা খাতে ঋণের পরিমাণও বাড়িয়েছে। এর আগে এই তহবিল থেকে একটি ব্যাংক যত ঋণ বিতরণ করত, তার ৭০ ভাগ যেত উৎপাদন ও সেবা খাতে। বাকি ৩০ ভাগ যেত ব্যবসা খাতে। এখন থেকে উৎপাদন ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ এবং ব্যবসা খাতে ৩৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে।

এই তহবিল থেকে এসএমই উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীল খাতে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা এবং সেবা খাতে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ দেয়া যায়। আর কুটির ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীল খাতে ৩ কোটি এবং সেবা খাতে ১ কোটি টাকা ঋণ দেয়া যায়। গ্রাহক পর্যায়ে এর সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ। চলতি মূলধন ঋণের ক্ষেত্রেই একই পরিমাণ ঋণ দেয়া হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জামানতবিহীন ঋণ দিতে উৎসাহিত করতে সিএমএস খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বপ্রথম ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের’ নীতিমালা ঘোষণা করেছিল ।

২০২০ সালের ২৭ জুলাই ঘোষিত ওই নীতিমালা অনুযায়ী, ক্রেডিট গ্যারান্টি বা ঋণ নিশ্চয়তা সুবিধা শুধু সিএমএস উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) জন্য উন্মুক্ত ছিল। মহামারির ধাক্কা সামলে উঠতে পরে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রেও সে সুবিধা দেয়া হয়।

এরপর উদ্যোক্তাদের মাঝে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে নতুন স্কিম গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১৯ জুলাই সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নে তহবিল গঠন করা হয়। ওই তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া সহজ করতে মেয়াদি ঋণকেও ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম সুবিধার আনা হয়। এখন চলতি মূলধন ঋণ এবং ব্যবসা খাতে দেয়া ঋণের বিপরীতেও ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা দেয়া হলো।

আরও পড়ুন:
ছয় বিভাগে এসএমই পণ্য মেলা
ক্ষুদ্র শিল্পে সহজ শর্তে ঋণ প্রয়োজন: শিল্প প্রতিমন্ত্রী
বাজেট: এসএমই ফাউন্ডেশনের ৫০ সুপারিশ
এসএমই খাতে শতভাগ প্রণোদনা বাস্তবায়ন চায় ঢাকা চেম্বার
তিন মাসে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পেলেন ২০০ কোটি টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
EXIM Banks 145th branch at Anwara

আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা

আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন এক্সিম ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখার উদ্বোধন হয়েছে। সম্প্রতি আনোয়ারা শাখায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।

ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান ও অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এস এম আবু জাকেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. জসিম উদ্দিন ভূঞা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং ডিভিশন ও মার্কেটিং ডিভিশনের প্রধান সঞ্জীব চ্যাটার্জীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংক আপনাদেরই ব্যাংক। আপনারা এই ব্যাংকের ওপর আস্থা রাখুন। আপনাদের সহযোগিতায় এই ব্যাংক সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন রাশেদুল হাসান
এক্সিম ব্যাংকের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ
হজযাত্রীদের জন্য আশকোনায় বুথ খুলেছে এক্সিম ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশংসাপত্র পেল এক্সিম ব্যাংক
এক্সিম ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকবে ৭ দিন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cash and Islami Bank joined hands

হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক

হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক নগদ ও ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি সই অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত
২০ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক-এর গ্রাহকরা নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ‘নগদ ইসলামিক’ অ্যাকাউন্টে ৩৫৫০ টাকা অ্যাড মানি করলেই সঙ্গে সঙ্গে উপহার হিসেবে পাবেন ৩০ টাকা মোবাইল রিচার্জ। এ উপহার নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টের নম্বরে পৌঁছে যাবে। একজন গ্রাহক একবার এ উপহার পাবেন। অফারটি নগদ ইসলামিক-এর পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরাও পাবেন।

ইসলামী জীবনধারা মেনে আর্থিক লেনদেন আরও সহজ করতে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছে।

এখন থেকে নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর গ্রাহকরা ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে অ্যাড মানি, ডিপিএস ও রেমিট্যান্স লেনদেন করতে পারবেন। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিতে পারবেন নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর সেবা।

রাজধানীর একটি হোটেলে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের পথচলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ‘নগদ ইসলামিক’ ও যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে অ্যাড মানি করা যাবে মুহূর্তেই। পাশাপাশি ‘নগদ ইসলামিক’ ও যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট থেকে ডিপিএস, রেমিট্যান্স লেনদেন করা যাবে ইসলামী ব্যাংকে।

২০ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক-এর গ্রাহকরা নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ‘নগদ ইসলামিক’ অ্যাকাউন্টে ৩৫৫০ টাকা অ্যাড মানি করলেই সঙ্গে সঙ্গে উপহার হিসেবে পাবেন ৩০ টাকা মোবাইল রিচার্জ। এ উপহার নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টের নম্বরে পৌঁছে যাবে। একজন গ্রাহক একবার এ উপহার পাবেন। অফারটি নগদ ইসলামিক-এর পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরাও পাবেন।

‘নগদ’ মূলত গ্রাহকদের দ্রুত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংক টু নগদ অ্যাড মানি সার্ভিসের সুযোগ বৃদ্ধি করছে। ফলে কোনো চার্জ ছাড়াই, ব্যাংক-এর ইন্টারনেট ব্যাংকিং গ্রাহকরা যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারছেন মুহূর্তেই। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ৩০টিরও বেশি ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি সুবিধা নিতে পারছেন ‘নগদ’ গ্রাহকরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব খলিলুর রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুনিম হাসান, ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিরুল মওলা, নগদ লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুকসহ নগদ ও ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা আনন্দিত যে নগদ-এর মতো একটি প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে পথচলা শুরু করল। আমি নগদকে ধন্যবাদ জানাই তাদের ইনোভেশনের জন্য। তারা ই-কেওয়াসিসহ বেশ কিছু বিষয় দেশের মানুষের কাছে পরিচিত করেছে। যার ফলে সরাসরি মানুষ নগদ-এর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে যুক্ত হতে পারছে।’

তিনি বলেন, ‘নগদ বিভিন্ন ধরনের ভাতা বিতরণ করতে করতে আজ এ পর্যন্ত এসেছে। আজকে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে নগদ-এর যে হ্যান্ডশেক হলো, তা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। আসুন আমরা ইসলামী ব্যাংক ও নগদ ইসলামিক-এর জন্য শুভ কামনা করি। আমরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি দেখতে চাই, ডিজিটাল বাংলাদেশের পথ ধরেই সমৃদ্ধি আসবে, সেই আশা প্রকাশ করি।’

ইসলামী ব্যাংক এমডি বলেন, ‘নগদ সাড়ে তিন বছরে সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহককে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে এনেছে। নগদ ইসলামিক সেবা চালু করেছে। এটি সময়ের দাবি এবং এ দেশের কোটি কোটি মানুষ হৃদয়ে যে বিষয়টি লালন করে সেটি নগদ নিয়ে এসেছে। এটি আরও অনেক বেশি সফল হবে। আমাদের অ্যাপ সেলফিন আর নগদ ইসলামিকের কোলাবরেশনের মাধ্যমে আরও মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে আনতে পারব।’

‘নগদ’ এমডি বলেন, ‘ব্যাংকগুলোর জন্য মানুষের পাশে সেবা নিয়ে যাওয়া সম্ভব না, যেটি নগদ-এর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্ভব। আমরা চাই আগামী বছর নগদ-এর সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহককে স্মার্ট কার্ড দিতে।’

তিনি বলেন, ‘নগদ-এর ভিশনই ছিল যত কম খরচে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। সেই সময় থেকে আমরা মানুষের জন্য ইনোভেশন নিয়ে কাজ করছি। দেশের এমএফএস সেবা কারও কাছে জিম্মি থাকবে না, আমরা এ সেবাকে সবার কাছে নিয়ে যেতে চাই।

আরও পড়ুন:
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা
বিজনেস ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার হলেন নগদের সিবিও
ডাক বিভাগকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব দিল ‘নগদ’
‘সিদীপ’ গ্রাহকরা কিস্তি দিতে পারবেন ‘নগদ’-এর মাধ্যমে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banks dont listen to rumours customers money is safe ABB

গুজবে কান নয়, ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা সুরক্ষিত: এবিবি

গুজবে কান নয়, ব্যাংকে গ্রাহকের টাকা সুরক্ষিত: এবিবি
এবিবি চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকগুলোতে তারল্য নিয়ে অনেক গুজব লক্ষ করছি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বলা হচ্ছে, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তারল্য নেই। গ্রাহকদের নগদ টাকা তুলতে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বরাত দিয়ে এসব নেতিবাচক খবর দেশ-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশে আমাদের প্রবাসীদের মধ্যেও এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যাতে তারা বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে অনুৎসাহিত হন। এগুলো খুবই দুঃখজনক। এই গুজব প্রচারকারীরা আমাদের গ্রাহকদের, সমাজের ও দেশের ক্ষতি করছে।’

ব্যাংকের গচ্ছিত আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো গুজবের মধ্যে এবার গ্রাহকদের আশ্বস্ত করেছে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)। তারা বলছে, যেসব কথা ছড়ানো হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। সবার অর্থই সুরক্ষিত আছে।

রোববার এবিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা এবিবির পক্ষ থেকে বলতে চাই, এসব তথাকথিত তথ্যের কোনো ভিত্তি নেই এবং এগুলো অসত্য। বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে পর্যাপ্ত অর্থ আছে।

‘আমরা গ্রাহকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে ব্যাংকগুলোতে তাদের অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। আমরা গ্রাহকদের গুজবে বিশ্বাস না করার জন্য অনুরোধ করব।’

হঠাৎ করেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে গুজব ছড়িয়েছে ব্যাংকে টাকা নেই। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হতে যাচ্ছে। তাই গ্রাহকরা ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন। এমনকি ব্যাংক থেকে টাকা তোলার জন্য হুড়াহুড়ি লেগেছে বলেও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে বিভ্রান্তিকর নানা তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

কারওয়ান বাজারে ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংকের শাখায় কথা হয় গ্রাহক মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ফেসবুক-টেসবুক এসেই বেশি বেশি গুজব ছড়াচ্ছে। এটা নাই, ওটা নাই। ওটা হবে, এটা হবে। কত কিছু। এত দিন গুজব ছড়ানো হলো, সেটাতে সুবিধা হলো না; এখন ছড়ানো হচ্ছে, ব্যাংকে টাকা নাই, ভবিষ্যতে আরও কতে কিছু ছড়ানো হবে, কে জানে?’

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর তথ্য বলছে, এই অপপ্রচারে ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে বসে বেশ কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত। তারা অর্থনীতি নিয়ে কল্পিত সব তথ্য ফেসবুক, ইউটিউবসহ নানা মাধ্যমে প্রকাশ করছেন। দেশে বসে অনেকেই সেই গুজবে আগুন ঢালছেন।

এবিবি চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হোসেন বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক সময়ে দেশের ব্যাংকগুলোতে তারল্য নিয়ে অনেক গুজব লক্ষ করছি। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

‘বলা হচ্ছে, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তারল্য নেই। গ্রাহকদের নগদ টাকা তুলতে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বরাত দিয়ে এসব নেতিবাচক খবর দেশ-বিদেশে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদেশে আমাদের প্রবাসীদের মধ্যেও এই গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যাতে তারা বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে অনুৎসাহিত হন। এগুলো খুবই দুঃখজনক। এই গুজব প্রচারকারীরা আমাদের গ্রাহকদের, সমাজের ও দেশের ক্ষতি করছে।’

এই গুজব গ্রাহকদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করার মধ্যে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এক বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের অর্থ সুরক্ষিত থাকার নিশ্চয়তা দেয়। তারা জানায়, ব্যাংকে এখন তারল্যের ঘাটতি নেই, উল্টো অতিরিক্ত তারল্য আছে।

এবিবির বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিবৃতির কথাও উল্লেখ আছে। এতে বলা হয়, ‘বর্তমানে ব্যাংকগুলোতে তারল্যের কোনো ঘাটতি নেই। উপরন্তু ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকাও বেশি অতিরিক্ত তারল্য আছে।

‘গত ৫০ বছরে আমাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো ব্যাংককে ব্যর্থ হতে দিয়েছে এমন কোনো নজির নেই। বাংলাদেশ ব্যাংক তো বলেই দিয়েছে, কোনো ব্যাংকের কোনো অসুবিধা হলে তারা এগিয়ে আসবে। অতীতেও আমরা দেখেছি ব্যাংকিং খাতে কোনো সংকট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক এগিয়ে এসেছে।’

আরও পড়ুন:
ব্যাংকে টাকা নেই বলে গুজব ছড়াচ্ছে সুযোগসন্ধানীরা
নতুন ঠিকানায় এক্সিম ব্যাংকের জুবিলি রোড শাখা
ইসলামী ব্যাংকের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত
ঋণ আদায়ে তহবিল ব্যয়ের ছাড়ে নিরীক্ষার নির্দেশ
মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক ও লেনদেন ফের বাড়ছে

মন্তব্য

p
উপরে