× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Sonali Bank will give loan for cinema hall renovation
google_news print-icon

সিনেমা হল সংস্কারে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক

সিনেমা-হল-সংস্কারে-ঋণ-দেবে-সোনালী-ব্যাংক
পঞ্চগড়ের টুনিরহাট সিনেমা হলে চলে ভাঙ্গারির ব্যবসা। এ ধরনের হল সংস্কারে অর্থ দেবে সোনালী ব্যাংক। ফাইল ছবি
সিনেমা হলের মালিকদের ঋণ দিতে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে ‘অংশগ্রহণ চুক্তিপত্র’ সই করেছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড। বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার সোনালী ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির সিইও ও এমডি আফজাল করিম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সই করেন অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক আবদুল মান্নান।

দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে হলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়ন এবং নতুন সিনেমা হল নির্মাণে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক।

চলচ্চিত্রের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিনেমা হলগুলোর জন্য এক হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তহবিল থেকে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে দেড় শতাংশ হারে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা নিতে পারে। বিভাগীয় শহরের জন্য সুদহার হবে ৫ শতাংশ। অন্যান্য এলাকায় সাড়ে ৪ শতাংশ।

সেই ধারাবাহিকতায় এবার সিনেমা হলের মালিকদের ঋণ দিতে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ‘অংশগ্রহণ চুক্তিপত্র’ সই করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মেলনকক্ষে বৃহস্পতিবার সোনালী ব্যাংকের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আফজাল করিম। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে সই করেন অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক আবদুল মান্নান।

নীতিমালা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো এ ঋণ দেবে। এর বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃঅর্থায়ন নিতে পারবে। আর সময়মতো ঋণ শোধ না করলে ব্যাংকগুলোর হিসাব থেকে টাকা কেটে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ তহবিল থেকে সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন ও নতুন হল নির্মাণে পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়া যাবে।

বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যমান সিনেমা হলসহ নতুনভাবে নির্মিত সিনেমা হলগুলোও এই তহবিলের আওতায় ঋণ সুবিধা পাবে, তবে চলতি মূলধন বাবদ কোনো ধরনের ঋণ দেয়া হবে না।

তহবিলের আওতায় গৃহীত ঋণ দিয়ে কোনোভাবেই অন্য কোনো ঋণের দায় শোধ করা যাবে না।

এ ঋণ শোধ করা যাবে আট বছর পর্যন্ত। প্রথম বছরে ঋণ পরিশোধে পাওয়া যাবে গ্রেস পিরিয়ড।

আরও পড়ুন:
নরসিংদীর শিবপুরে ইসলামী ব্যাংক
নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উপশাখা
টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যয় বাড়িয়েছে ব্যাংক
মামলা থাকলে শুদ্ধাচার পুরস্কার নয়
গম-ভুট্টা চাষে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Ban on entry of journalists to Bangladesh Bank for the benefit of the financial elite CPD

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি রাজধানীতে বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে সিপিডি। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

বেসরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাত সুশাসন ও জবাবদিহিতার সংকটে ভুগছে। আর আর্থিক অভিজাতদের সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক এক সংলাপে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

ফাহমিদা বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাত ব্যাংকের ওপর নির্ভর করে। দেশের উন্নয়নে এই খাতের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঋণ অনুমোদন, পুনঃতফসিলীকরণ, রিট-অফ, ফোরক্লোজার সবকিছুই ব্যাংকে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘যখন ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়, তখন তার ওপর নির্ভর করে নীতিগত পদক্ষেপ নেয়াটা ভুল হবে। আর্থিক খাতের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সঠিক সময়ে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাংবাদিকদের জন্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহকে কঠিন করে গণমাধ্যমের প্রবেশকে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের সুশাসন পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে, যখন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে।

‘তারা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) নিজেরাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগের অধীনস্ত এবং তারা স্বাধীন নয়। এ অবস্থায় ব্যাংকিং খাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠনের বিকল্প নেই। আর সেই কমিশনের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা থাকা উচিত এবং ব্যাংকগুলোর সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা উচিত।’

সংলাপে উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্রে সিপিডি তুলে ধরেছে যে, দেশে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) মোট পরিমাণ গত দশ বছরে তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে খেলাপি ঋণ ছিল ৪২ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। ২০২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের অবস্থা একই।

তবে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলো ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় ভালো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইসলামী ব্যাংকে ধীরে ধীরে তারল্য সংকট দেখা দিচ্ছে। ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য ছিল ৩৯ শতাংশ। তবে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে পরিচালনার নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারল্য ২৫ শতাংশে নেমে আসে।

সিপিডির বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতকে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ করতে হলে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতে দেখেছি যে ব্যাংকিং খাতের লাভের বেসরকারিকরণ এবং লোকসান জাতীয়করণ হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The price of the dollar in the banks exceeded 120 taka in the open market

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫
একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর এ কারণে আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি ডলারের দর ১২০ টাকার বেশি নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। কার্ব মার্কেট অর্থাৎ খোলা বাজারের দর ১২৫ ছাড়িয়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স কিনেছেন ১১৯ টাকায়। এ কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ডলারের দর ১২০ টাকা নিতে হচ্ছে।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেছেন, ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের যে রেট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেই রেটে ডলার কিনতে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাড়তি দরে ডলার কেনাবেচা শুরু করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ মে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের জন্য ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে। ক্রলিং পেগ মিড-রেট (সিপিএমআর) বা এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতি ডলারের মাঝামাঝি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১১৭ টাকা। যদিও এই ব্যবস্থা চালুর আগে দেশে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসেবে সংস্থাটির পরামর্শ অনুযায়ী ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু এই দরে কোথাও ডলার মিলছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অবশ্য বলা হচ্ছে যে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় নির্ধারিত রেটের আশপাশেই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে।

তবে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

যোগাযোগ করা হলে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, ক্রলিং পেগ চালুর প্রথম সপ্তাহে সব ব্যাংক ঠিকঠাক অনুসরণ করলেও এখন অনেক ব্যাংক বেশি রেটে ডলার সংগ্রহ করছে। একইসঙ্গে এলসি খুলতেও বেশি রেট নিচ্ছে তারা।

শরিয়াভিত্তিক অধিকাংশ ব্যাংক এই ক্রলিং পেগ রেট অনুসরণ করছে না বলে জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ডিলারদের সংগঠন বাফেদা ডলারের একটি আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা করত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হতো। নতুন পদ্ধতি চালুর আগে সবশেষ ঘোষিত দর ছিল ১১০ টাকা।

মঙ্গলবার থেকে কিছু কিছু ব্যাংক বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ১১৯ টাকা দরে। এ ছাড়া আমদানিকারকদের এলসি নিষ্পত্তি করেছে ১২০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি দরে।

এদিকে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকারও বেশি দরে।

আরও পড়ুন:
খোলা বাজারে ডলার সংকট, দর উঠে গেছে ১২৫ টাকায়
ডলারের দাম এক লাফে বেড়েছে ৭ টাকা
ডলারের বিপরীতে ৩৪ বছরের সর্বনিম্নে জাপানি ইয়েনের দর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank asked for information on willful defaulters

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ডাটাবেজে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য জমা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এনবিএফআই) ১ জুলাইয়ের মধ্যে জুনের তথ্য রিয়েল টাইমে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। খবর ইউএনবির

এর আগে গত ১২ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো খেলাপি গ্রাহক বেনামে কোনো ঋণ নিলে এবং সেই ঋণের অপব্যবহার করলে তা ইচ্ছাকৃত খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করতে ৯ এপ্রিলের মধ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা শনাক্তকরণ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যাংক এ নির্দেশনার শর্ত ভঙ্গ করলে কমপক্ষে ৫০ লাখ এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা করা হবে। আর শর্ত অমান্য অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হবে।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank clarified the issue of journalist entry

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায় সংস্থাটি।

সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত বুধবার সংস্থাটি এক স্পষ্টীকরণ বার্তায় জানায়, সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা মর্মে গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হচ্ছে।

জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে বলে ওই বার্তায় জানায় তারা। খবর বাসস

ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের নিকট সকল প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদানে বদ্ধপরিকর। তাই গণমাধ্যমকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রদানযোগ্য সকল তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশেনে কতিপয় পদ্ধতি অনুসরণ করছে তারা। যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য প্রদান, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানে নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে ও পরিচালক পর্যায়ের দুইজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যেকোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে এই কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বিজ্ঞিপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

এ ছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক তার সংরক্ষিত সকল অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত ওয়েবসাইটে নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে আসছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
What Deputy Governor Khurshid Alam said in Panchagarh

পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম

পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম শনিবার রংপুর বিভাগে গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশ নিষেধ। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য দেয়ার জন্য তিন-তিনজন মুখপাত্র নিয়োগ দিয়েছি। তারা যদি সেটিসফাই না করতে পারে আমরা চারজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমরা আপনাকে উত্তর দেব। কিন্তু আপনি রাষ্ট্রীয় সিক্রেসির তথ্য চাইবেন সেটা তো পারমিট করে না কেউ।’

‘এবার আট লাখ কোটি টাকার বাজেট হচ্ছে। বাজেট তো আর এমনই এমনই হয় না। মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। পদ্মা সেতু করেছি আমরা। রেমিটেন্স আবার বাড়ছে। যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের দ্বারা বিভ্রান্ত হবেন না। অপপ্রচারকে পাত্তা দেবেন না। খেলাপি ঋণের ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করছি।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম শনিবার রংপুর বিভাগে গ্রাহক সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পঞ্চগড়ের চেম্বার ভবন মিলনায়তনে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

খুরশিদ আলম বলেন, ‘আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে উদীয়মান অর্থনীতির নানা চ্যালেঞ্জ থাকে। এটা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। শ্রীলঙ্কা কোথায় গিয়েছিল? আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সিঙ্গাপুরের চেয়ে পাঁচ গুণ বড় আমাদের অর্থনীতি, নেপালের থেকে সাত গুণ বড়, ভুটানের চেয়েও বড়। আমরা দীর্ঘ পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।’

ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘বলা হচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ। কে বললো ভাই। বাংলাদেশ ব্যাংকে তথ্য দেয়ার জন্য তিন-তিনজন মুখপাত্র নিয়োগ দিয়েছি। আপনার তো তথ্যের দরকার। তারা যদি আপনাকে সেটিসফাই না করতে পারে আমরা চারজন ডেপুটি গভর্নর আছি। আমরা আপনাকে উত্তর দেব। কিন্তু আপনি রাষ্ট্রীয় সিক্রেসির তথ্য চাইবেন সেটা তো পারমিট করে না কেউ।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে খুরশিদ আলম বলেন, ‘আল্টিমেটলি আপনার উদ্দেশ্য দেশটার মঙ্গল। আমাদেরও তাই। দেশটা হলো সবার। বঙ্গবন্ধু এটাই বলেছিলেন। এদেশের মেহনতী মানুষের মুক্তি। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে দেখুন। আমি ১৭টা ডিপার্টমেন্ট চালাইতে হিমশিম খাই। আর প্রধানমন্ত্রী দেশ-বিদেশ সামলাচ্ছেন। কী পরিমাণ পরিশ্রম করছেন তিনি ভাবতে পারেন?’

ডেপুটি গভর্নর বলেন, ‘আমরা ব্যাংকের ম্যানেজার পোস্টিং দিয়ে বসে আছি। সে কী করছে না করছে আমরা সুপারভাইজ করছি না। এটা চলবে না। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। ব্যবহারে সফট কিন্তু নিজেকে কঠোর করতে হবে। এটা সেন্ট্রাল ব্যাংকের মেসেজ।

‘বাংলাদেশ এখন অনেক দেশের কাছে রোল মডেল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। পেছনে তাকানোর সময় নেই। মানুষের আয় বেড়েছে। অনেকে না জেনে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দিচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কর্মসূচিকে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক নূরুল আমিন ও রুহুল আমিন, ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক লিজা ফাহমিদা ও শায়েমা ইসলাম এবং ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাফিউজ্জামান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফআইসিএসডি স্ট্রাটেজিক কম্যুনিকেশন টিমের প্রধান অতিরিক্ত পরিচালক মাহেনুর আলম।

এই আয়োজনে অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি ব্যাংকিং সেবার বিভিন্ন প্রেজেন্টেশন দেখানো হয়। রংপুর বিভাগের শতাধিক কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মসূচি চলবে ২৪ মে পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ ও হাবিব
বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে টাকা-ডলার বিনিময় চালু করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ঋণখেলাপিরা জমি, বাড়ি-গাড়ি কেনা ও ব্যবসা খোলায় অযোগ্য
সব পণ্যের রপ্তা‌নি‌তে নগদ সহায়তা কমিয়েছে সরকার
নীতি সুদহার ২৫ পয়েন্ট বাড়িয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
What the central bank said on the issue of strict access to journalists

সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে। সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমকর্মীদের প্রদানযোগ্য সব তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশনের জন্য কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয় নিয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগাযোগ ও প্রকাশনা (ডিসিপি) বিভাগের পরিচালক এবং সহকারী মুখপাত্র সাঈদা খানম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটা দাবি জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরে সংবাদকর্মীদের প্রবেশ ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্য পরিবেশিত হচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্টীকরণের নিমিত্তে এ মর্মে সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, গণমাধ্যমকর্মীদের প্রদানযোগ্য সব তথ্য সংগ্রহ ও পরিবেশনের জন্য নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে-

১) বাংলাদেশ ব্যাংক সম্পর্কিত গণমাধ্যমে প্রদানযোগ্য তথ্য, তার ব্যাখ্যা ও সম্পূরক তথ্যাদি প্রদানের জন্য নির্বাহী পরিচালক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা মুখপাত্র হিসেবে এবং পরিচালক পর্যায়ের দুজন কর্মকর্তা সহকারী মুখপাত্র হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। যে কোনো সংবাদকর্মী অফিস চলাকালীন বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনে প্রবেশ করে উল্লিখিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগপূর্বক তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য গ্রহণ করতে পারেন।

২) কোনো বিশেষ প্রয়োজনে কোনো নির্দিষ্ট কর্মকর্তা থেকে প্রবেশ পাস গ্রহণপূর্বক ওই কর্মকর্তার কাছ থেকে সংবাদকর্মীরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদির ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারেন।

৩) বাংলাদেশ ব্যাংক সময়ে সময়ে প্রেস কনফারেন্স, প্রেস রিলিজ ও অন্যান্য মাধ্যমে সংবাদকর্মীদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করছে।

৪) এছাড়াও অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে বাংলাদেশ ব্যাংক তার কাছে সংরক্ষিত সব অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে দেশের জনসাধারণের কাছে সব প্রদানযোগ্য তথ্য দেয়ার জন্য বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সে আলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক বর্ণিত পদ্ধতিতে তথ্য সরবরাহ ও তার ব্যাখ্যা প্রদান করছে। জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের জনগণের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মেজবাউল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এখন থেকে সাংবাদিকেরা ব্যাংকের নির্দিষ্ট অনুমতিপত্র (প্রবেশ পাস) নিয়েই কেবল মুখপাত্রের কাছে যেতে পারবেন। তবে কোনো কর্মকর্তা যদি সাংবাদিকদের পাস দেন, সে ক্ষেত্রে তারা শুধু সেই কর্মকর্তার কাছে যেতে পারবেন। আগের মতো তারা অবাধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো বিভাগে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এরপর ৮ মে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আইএমএফের ঋণের তৃতীয় কিস্তির ছাড় বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। এ জন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সপ্তাহে একদিন করে বসবে।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন অবস্থানের বিরোধিতা করে ওইদিন সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেন সাংবাদিকরা। এ প্রসঙ্গে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, ‘এই সিদ্ধান্তের মেনে নেয়া হবে না। সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করেছিলেন গভর্নর। আমরা চিঠি দেয়ার পরও কোনো সিদ্ধান্ত তারা নেননি। এর প্রতিবাদে আমরা শতাধিক সাংবাদিক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংবাদ সম্মেলন বয়কট করেছি। সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার না পাওয়া পর্যন্ত বয়কটের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।’

ইআরএফের পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে কাশেম আরও বলেন, ‘সাংবাদিকরা সেনসিটিভ ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বসতে চেয়েছে। সাংবাদিকরাই এই খাতের দুর্বলতা তুলে ধরেন। আমরা মনে করি, বাংলাদেশ ব্যাংকের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং শিগগির সাংবাদিকরা প্রবেশাধিকার ফেরত পাবেন।’

আরও পড়ুন:
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার নিন্দা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Banks month long campaign has started

ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু

ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট, মুদারাবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (আরএফসিডি) ও মুদারাবা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (আইবি) ইতোমধ্যে গ্রাহকদের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও লেনদেন করতে পারছেন।’

‘টুয়ার্ডস এক্সিলেন্স অ্যান্ড বেটার গ্রোথ ইন এফসি অ্যাকাউন্টস্, খিদমাহ কার্ডস্ অ্যান্ড ডেবিট কার্ডস্’ স্লোগানকে সামনে রেখে মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে মঙ্গলবার প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী, জে.কিউ.এম. হাবিবুল্লাহ এফসিএস ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মিফতাহ উদ্দীন।

ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর কাজী মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিকুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ জুবায়েরুল হক।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ক্যামেলকো তাহের আহমেদ চৌধুরীসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংকের মুদারাবা ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট, মুদারাবা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট (আরএফসিডি) ও মুদারাবা ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট (আইবি) ইতোমধ্যে গ্রাহকদের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকগণ বৈদেশিক মুদ্রা জমা ও লেনদেন করতে পারছেন।

‘ব্যাংকের এডি শাখা ও অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটে এসব অ্যাকাউন্ট খোলা যায় এবং ইসলামী শরিয়াহ মুদারাবা নীতির ভিত্তিতে এসব অ্যাকাউন্টে আকর্ষণীয় মুনাফা প্রদান করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে পদার্পণ করেছি। বর্তমানে ডিজিটাল প্রোডাক্টগুলোর ব্যাপক সম্প্রসারণ হয়েছে। পেমেন্ট সিস্টেমে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। স্মার্ট ব্যাংকিংকে সর্বোন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে ইসলামী ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। আধুনিক ও বৈচিত্র্যময় কার্ড সেবার মাধ্যমে গ্রাহক সেবা উন্নতকরণ এবং দেশে-বিদেশে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনে অবদান রেখে চলেছে এ ব্যাংক।

‘ইসলামী ব্যাংকের খিদমাহ ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকগণ বিভিন্ন হোটেল-রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল ও এয়ারপোর্ট লাউঞ্জে ডিসকাউন্ট সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।’

তিনি ব্যাংকের আধুনিক সেবাগুলো সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছাতে কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:
নতুন করে রিজার্ভ চুরির খবর সত্য নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক
সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে বিডিবিএলকে একীভূত করতে চুক্তি সই
ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল জোনের কর্মকর্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ইসলামী ব্যাংকের হজ বুথ উদ্বোধন
সোনালী ব্যাংকের বিশেষ পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

p
উপরে