× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh surpasses China Vietnam in garment exports to the United States
hear-news
player
google_news print-icon

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চীন-ভিয়েতনামকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে-পোশাক-রপ্তানিতে-চীন-ভিয়েতনামকে-ছাড়িয়ে-বাংলাদেশ
চলতি ২০২২ সালের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে ৫৭১ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। এই সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন ও ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।

করোনাভাইরাস মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ওলটপালট হয়ে যায় বিশ্ব অর্থনীতি। এর পর থেকেই বিশ্বমন্দার আশঙ্কা করছে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। যার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রেও।

তবে এই সংকটের মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। দেশটিতে পোশাক রপ্তানিতে চীন ও ভিয়েতনামের চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ।

চলতি ২০২২ সালের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে ৫৭১ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।

এই সাত মাসে বাংলাদেশের প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ চীন ও ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে যথাক্রমে ৪০ শতাংশ ও ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ।

জানুয়ারি-জুলাই সময়ে পুরো বিশ্ব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানি বেড়েছে ৩৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ কমার্সের অফিস অফ টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য এসেছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭৬ কোটি ডলারের, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেশি।

ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি হয়েছে ৬৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি, মার্চে রপ্তানি হয়েছে ১০৩ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৯৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮২ কোটি ডলারের পোশাক, যা আগের বছরের চেয়ে ৭৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি, মে মাসে রপ্তানি হয়েছে ৮২ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৩৮ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেশি।

জুনে রপ্তানি হয়েছে ৯১ কোটি ডলার, যা আগের বছরের চেয়ে ৬৬ দশমিক ১৮ শতাংশ বেশি এবং জুলাইয়ে রপ্তানি হয়েছে ৬৯ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেশি।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশ তৃতীয় শীর্ষ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ ৫৭১ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে দেশটিতে, দেশি মুদ্রায় যা (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা ধরে) ৫৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা।

এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীন পোশাক রপ্তানি করেছে ১ হাজার ২৭৯ কোটি বা ১২ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রথম সাত মাসে চীন প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আলোচিত এ সময়ে দেশটির পোশাক রপ্তানি বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪০ শতাংশ।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভিয়েতনাম একই সময়ে ১ হাজার ৯১ কোটি ডলার বা ১০ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার পোশাক রপ্তানি করে দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। এ সময়ে দেশটির রপ্তানি আগের বছরের চেয়ে ৩৫ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে অন্য দেশগুলোর মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। আলোচিত এ সময়ে দেশটিতে রপ্তানি বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। দেশটি ৩৪১ কোটি বা ৩ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি করেছে।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে পাশের দেশ ভারত রয়েছে শীর্ষ পাঁচে। এ সময়ে দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি করেছে ৩৬৯ কোটি বা ৩ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের থেকে ৫৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ বেশি।

এ সময়ে শীর্ষ ছয়ে রয়েছে মেক্সিকো। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করেছে ১৮৫ কোটি বা ১ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শীর্ষ সাতে রয়েছে হন্ডুরাস। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজার দখল করেছে ১৭৭ কোটি বা ১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে কম্বোডিয়া ২৫৮ কোটি বা ২ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করতে পেরেছে। আগের বছরের চেয়ে দেশটির রপ্তানি বেড়েছে ৫৫ দশমিক ৯০ শতাংশ।

নবম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে পোশাক রপ্তানি করেছে ১৭০ কোটি বা ১ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলারের। আগের বছরের চেয়ে প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ৪৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

আলোচিত এ সময়ে শীর্ষ দশের ঘরে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি করেছে ১২ কোটি বা শূন্য দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৭ শতাংশ বেশি।

পোশাকশিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মহামারি করোনা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো এবং ভোক্তাদের কেনাকাটা বৃদ্ধি পাওয়ায় খুচরা বিক্রি স্বাভাবিকের তুলনায় আরও বেড়েছে। তবে মূল্যস্ফীতি, ফেডের হার বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্দার কারণে ২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধির এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা কতটা টিকে থাকবে, সেটি ভাবনার বিষয়।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানি আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য হারে প্রবৃদ্ধি বজায় রেখেছিল, ফলে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইতিবাচক প্রবণতা বজায় রাখতে পারে।’

পরে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে খুচরা বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার শঙ্কায় ক্রেতারা সতর্ক আছেন বলে জানান বিজিএমইএর পরিচালক।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ তথ্য বলছে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট দেশের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ দশমিক ৩১ শতাংশ। দুই মাসে মোট রপ্তানি হয়েছে ৮৫৯ কোটি ১৮ লাখ ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বেশি।

এই দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭১১ কোটি ২৬ ডলারের, এই খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৬ শতাংশ। এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট সময়ে ২৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫৩ শতাংশ বেশি।

ইপিবি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার। বরাবরের মতো বাংলাদেশের পণ্যের আমদানিকারক দেশগুলোর তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।

গত ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ৫২ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেছেন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেশি।

এর মধ্যে পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৯ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে মোট রপ্তানির ৯০ শতাংশই এসেছে পোশাক থেকে।

আরও পড়ুন:
তাইওয়ান প্রণালি পাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের দুই রণতরির
৭৪ হাজার কোটি ডলারের বিলে সই বাইডেনের
যুক্তরাজ্যে ২০২৬-এর পরও ৯৮ ভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা
যুক্তরাষ্ট্রে বিস্ফোরণে নিহত ৩, ক্ষতিগ্রস্ত ৩৯ বাড়ি
তদন্তকারীদের কাছে মুখ খোলেননি ট্রাম্প

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Ivy gave a budget of 588 crore rupees

৫৮৮ কোটি টাকার বাজেট দিলেন আইভী

৫৮৮ কোটি টাকার বাজেট দিলেন আইভী মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা করেন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। ছবি: নিউজবাংলা
‘গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি বছরের বাজেটে এক শ কোটি টাকা কম ধরা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৯ টাকা। উদ্বৃত্ত থাকবে ২৯ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৯ টাকা।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৫৮৮ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ৬৩৮ টাকা টাকার বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।

মঙ্গলবার দুপুরে আলী আহাম্মদ চুনকা নগর সিটি পাঠাগার মিলনায়তনে মেয়র ২০২২ -২৩ অর্থ বছরের এই বাজেট ঘোষণা করেন।

বাজেট ঘোষণা শেষে নাগরিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আইভী বলেন, ‘গত অর্থবছরের চেয়ে চলতি বছরের বাজেটে এক শ কোটি টাকা কম ধরা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৫৯ কোটি ৪৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৯ টাকা। উদ্বৃত্ত থাকবে ২৯ কোটি ২৩ লাখ ৮৪ হাজার ১৫৯ টাকা।’

আইভী বলেন, বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে রাস্তা, ড্রেন, ব্রিজ, কালভার্ট নির্মাণ, বৃক্ষ রোপন, দারিদ্র বিমোচন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, জরুরি ত্রাণ, তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা দূর করা, মশক নিধন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিক করা, খেলাধূলার মানোন্নয়নে মাঠ নির্মাণ, স্ট্রিট লাইট স্থাপন ও সুপেয় পানি সরবরাহে।

নগরবাসীর সহযোগিতা চেয়ে মেয়র বলেন, ‘পরিবেশবান্ধন, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং দারিদ্র্যমুক্ত পরিকল্পিত নগর গঠনে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা চাই।’

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বাজেট অধিবেশনে সভাপত্বি করেন।

২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর সিটি নির্বাচনে জয়ী হয়ে ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো বাজেট ঘোষণা করেছিলেন মেয়র আইভী। এরপর থেকে তিনি প্রতি অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা করেন।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২০২১-২২ অর্থবছরে ৬৮৮ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছিলেন মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী।

আরও পড়ুন:
সিলেট সিটির হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
বাজেট বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর পরিকল্পনা চায় অর্থ মন্ত্রণালয়
বরিশাল সিটির ৪১৯ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, বাড়েনি কর
পাচারের অর্থ ফিরিয়ে আনার বৈধতা ‘মন্দের ভালো’
বড় পরিবর্তন ছাড়া বাজেট পাস, কার্যকর শুক্রবার থেকে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Sylhet city budget announcement of thousands of rupees

সিলেট সিটির হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

সিলেট সিটির হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
বাজেট বক্তৃতায় মেয়র বলেন, করোনা ও বন্যার কারণে নগরের চলমান উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আরও কিছু প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো অনুমোদন পেলে নগরের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ১ হাজার ৪০ কোটি ২০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেটে সমপরিমাণ আয় ও ব্যয় ধরা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ বাজেট ঘোষণা করেন সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

বাজেটে আয়ের উল্লেখযােগ্য খাতগুলাে হলাে- হােল্ডিং ট্যাক্স ৪৫ কোটি ২ লাখ ২৮ হাজার টাকা, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর কর ১৬ কোটি টাকা, ইমারত নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণে কর ২ দুই কোটি টাকা, বাস টার্মিনাল ইজারা বাবদ আয় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে আয় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, পানির সংযােগ লাইনের মাসিক চার্জ বাবদ ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, পানির লাইনের সংযােগ ও পুনঃসংযােগ ফি বাবদ ১ কোটি টাকা, নলকূপ স্থাপনের অনুমােদন ও নবায়ন ফি বাবদ ২ কোটি টাকা।

উল্লেখযােগ্য ব্যয় খাতগুলাে হলাে- রাজস্ব খাতে ৯০ কোটি ৪২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, রাজস্ব খাতে অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যয় ৩৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

বাজেট বক্তৃতায় মেয়র বলেন, করোনা ও বন্যার কারণে নগরের চলমান উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আরও কিছু প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এগুলো অনুমোদন পেলে নগরের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

আরও পড়ুন:
মেডিটেশনে ভ্যাট কমল, বাড়ল বিটুমিনে
মিতব্যয়ী হোন, দেশেই চিকিৎসা নিন: প্রধানমন্ত্রী
স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেশে আনার প্রস্তাব বাতিল
জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হবে বাংলাদেশ
করপোরেট করের সুবিধা পেতে শর্ত শিথিল হচ্ছে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The Ministry of Finance wants the plans of the ministries to implement the budget

বাজেট বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর পরিকল্পনা চায় অর্থ মন্ত্রণালয়

বাজেট বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর পরিকল্পনা চায় অর্থ মন্ত্রণালয় প্রতি তিন মাস অন্তর বাজেটের পরিকল্পনা ও অগ্রগতির প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে তৈরির কথা বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, অর্থবছরের শুরুর দিকে বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে যেমন ধীরগতি দেখা দেয়, তেমনি খরচের পরিমাণও কম থাকে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এতে করে আর্থিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়। আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হলে বাজেট যথাসময়ে বাস্তবায়ন ও নিয়মিত তদারকি করা দরকার বলে মনে করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বাজেট প্রণয়নে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো দক্ষতা অর্জন করলেও সময়মতো বাজেট বাস্তবায়ন এখনও বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে সরকার।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, অর্থবছরের শুরুর দিকে বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে যেমন ধীরগতি দেখা দেয়, তেমনি খরচের পরিমাণও কম থাকে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয়ের গুণগত মান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এতে করে আর্থিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হয়।

আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হলে বাজেট যথাসময়ে বাস্তবায়ন ও নিয়মিত তদারকি করা দরকার বলে মনে করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ যাতে সময়মতো ও সুষ্ঠুভাবে বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারে, সে লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা তৈরি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। একই সঙ্গে নীতিমালা অনুযায়ী বাজেট বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র বলেছে, প্রতি বছর যে বাজেট ঘোষণা করে সরকার, বছর শেষে তার যথাযথ বাস্তবায়ন হয় না। দেখা যায়, মূল বাজেটে যে পরিমাণ বরাদ্দ দেয়া হয়, সংশোধন করার পরও বছর শেষে তা খরচ করতে পারে না।

অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাজেট বাস্তবায়নে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সক্ষমতার ঘাটতি আছে।

এমন বাস্তবতায় বাজেটে অর্থ ব্যয়ে গুণগত মান নিশ্চিত ও সময়মতো বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে কিছু নির্দেশনা দিয়ে রোববার পরিপত্র জারি করেছে অর্থ বিভাগ।

বাজেট বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়গুলোর পরিকল্পনা চায় অর্থ মন্ত্রণালয়

পরিপত্রে যথাসময়ে বাজেট বাস্তবায়নে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অর্থবছরের শুরুতে পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের অগ্রগতির তথ্য দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অর্থ বিভাগে এসব তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রতি তিন মাস অন্তর বাজেটের পরিকল্পনা ও অগ্রগতির প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে তৈরির কথা বলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বাজেট পরিকল্পনায় মন্ত্রণালয়গুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কাজের অগ্রগতি, রাজস্ব আহরণ, ব্যয় ও বৈদেশিক অনুদান ও ঋণের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। এ জন্য ‘ক’,‘ খ’, ‘গ’ এবং ‘ঘ’ নামে অর্থবিভাগের নির্ধারিত ফরম পূরণ করার কথা বলা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের যে বাজেট অনুবিভাগ আছে, তারা এসব দায়িত্ব পালন করবে। যথাযথভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, বাজেট অনুবিভাগ তা পরীক্ষা করে দেখার পর তা অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, বিগত তিন অর্থবছরের ঘোষিত বাজেটে যেসব কার্যক্রম এখনও বাস্তবায়নাধীন, সেগুলো এবং চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে যথাসময়ে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অবশ্যই পরিকল্পনা নিতে হবে। পরবর্তী সময়ে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের সবশেষ অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অর্থ বিভাগে পাঠাতে হবে।

কীভাবে টাকা ব্যয় করতে হবে তার পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয় পরিপত্রে। এতে বলা হয়, বেতন-ভাতাদিসহ যেসব আইটেমের বিপরীতে বরাদ্দকৃত অর্থ সাধারণত সমানুপাতিক হারে ব্যয় হয়ে থাকে, সেসব আইটেমের বিপরীতে কোয়ার্টারভিত্তিক ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা সমানুপাতিক হারে নির্ধারণ করা যেতে পারে, তবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের ক্ষেত্রে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির আর্থিক সংশ্লেষ বিবেচনায় রাখতে হবে। তা ছাড়া উৎসব ভাতা, শ্রান্তি-বিনোদন ভাতা ও ছুটি নগদায়ন ভাতা বাবদ প্রয়োজনীয় অর্থ সংশ্লিষ্ট কোয়ার্টারে প্রদর্শন করতে হবে।

প্রত্যেক মাসের তৃতীয় সপ্তাহের মধ্যে আগের মাসের সব ইউটিলিটি বিল পরিশোধ এবং সে অনুযায়ী প্রত্যেক কোয়ার্টারে প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণ প্রদর্শন করার কথা বলে হয়েছে পরিপত্রে। অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, এ নিয়ম মানা হলে অর্থবছর শেষে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ বিলের যে চাপ তৈরি হয়, তা কমে যাবে।

এ ছাড়া সম্পদ সংগ্রহ ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে পণ্য এবং সেবার জন্য ক্রয় পরিকল্পনা বা প্রক্রিউরমেন্ট প্ল্যান তৈরির কথা বলা হয় অর্থ বিভাগের জারি করা পরিপত্রে।

বৈদেশিক অনুদান ও ঋণ সংগ্রহের বিষয়ে পরিপত্রে বলা হয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এ পক্রিয়া সম্পন্ন করে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে অর্থ বিভাগে পাঠাবে।

বাজেট তদারকি প্রসঙ্গে বলা হয়, বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নিয়মিত পরিবীক্ষণ করতে হবে।

সবশেষ অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, রাজস্ব সংগ্রহ এবং ব্যয়ের গতিধারা পর্যালোচনা করে তিন মাস পরপর প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
বড় পরিবর্তন ছাড়া বাজেট পাস, কার্যকর শুক্রবার থেকে
বড় পরিবর্তন ছাড়াই পাস হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেট
মেডিটেশনে ভ্যাট কমল, বাড়ল বিটুমিনে
মিতব্যয়ী হোন, দেশেই চিকিৎসা নিন: প্রধানমন্ত্রী
স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেশে আনার প্রস্তাব বাতিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
6000 crore budget announcement of South City

দক্ষিণ সিটির ৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

দক্ষিণ সিটির ৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ২০২২-২৩ অর্থবছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণা। ছবি: নিউজবাংলা
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, গত করপোরেশন সভায় ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অথচ ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৬ হাজার ৭৩১ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ৬ হাজার ৭৪১ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

বৃহস্পতিবার নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে এ বাজেট ঘোষণা করা হয়।

এর আগে গত ২৬ জুলাই নগর ভবনের মেয়র হানিফ অডিটোরিয়ামে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দ্বিতীয় পরিষদের পঞ্চদশ করপোরেশন সভায় সর্বসম্মতভাবে এ বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটও অনুমোদন দেওয়া হয় সেই সভায়।

দক্ষিণ সিটির ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ছিল ১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে আয় অংশের প্রারম্ভিক স্থিতি ধরা হয়েছে ৫৯৩.৬৯ কোটি টাকা, রাজস্ব আয় ১২০৮.৭০ কোটি, অন্যান্য আয় ৫৭.৮০ কোটি, সরকারি থোক ও বিশেষ বরাদ্দ ৬৫ কোটি এবং মোট সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ৪৮১৬.০৯ কোটি টাকা।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, গত করপোরেশন সভায় ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অথচ ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৬ হাজার ৭৩১ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এছাড়া ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬ হাজার ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৪১ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করলো সংস্থাটি।

মেয়র পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত দুই অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এটি তার তৃতীয় বাজেট ঘোষণা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদসহ কাউন্সিলর, বিভাগীয় প্রধান এবং আঞ্চলিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকা বিশ্রাম পাচ্ছে, বাতাসের মান ভালো হচ্ছে: মেয়র তাপস
ডেঙ্গু রোধে ডিএসসিসিতে ৪ মাস পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালত
১ জুলাই থেকে ঢাকায় রাত ৮টার পর বন্ধ দোকান: মেয়র তাপস
মাদক-চুরির অপরাধে চাকরি হারালেন ডিএসসিসির ২ কর্মচারী
চলতি মাসেই আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনর্খনন: মেয়র তাপস

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
There is no fear about fuel oil rumors are being spread BPC

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা নেই, ছড়ানো হচ্ছে গুজব: বিপিসি

জ্বালানি তেল নিয়ে শঙ্কা নেই, ছড়ানো হচ্ছে গুজব: বিপিসি জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্বেগ নাকচ করছে বিপিসি। ফাইল ছবি
বিপিসির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতেও বিপিসির আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ লাইন স্বাভাবিক আছে। সরকার এরই মধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে কেউ কেউ। তারা তেলের মজুত নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

দেশে জ্বালানি মজুত নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই বলে দাবি করছে সরকার। জ্বালানি তেলের আমদানিকারক বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বলছে, এলসি সংকটের কারণে সম্প্রতি আমদানি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেই সংকট দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার।

দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি সরবরাহে ঘাটতি নেই বলেও জানিয়েছে বিপিসি। বিতরণ কোম্পানি পদ্মা, মেঘনা, যমুনার পক্ষ থেকেও তেল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

দেশে প্রধান জ্বালানি তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয় ডিজেল। বছরে এর চাহিদা ৫৫ লাখ টন। এর মধ্যে ৪৫ লাখ টনই আমদানি করা হয়, দেশের গ্যাস খনি ও তেল কূপ থেকে মেলে আরও ১০ লাখ টন।

বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন ডিজেলের মজুত রয়েছে ৪ লাখ ৫ হাজার টন। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েল আছে প্রায় ৮২ হাজার ৮০০ টন, অকটেন মজুত ১৪ হাজার ৩০০ টন, জেট ফুয়েল ৫৮ হাজার ৭০০ টন, পেট্রল প্রায় ১৭ হাজার ৬০০ টন এবং কেরোসিনের মজুত আছে ১৩ হাজার ৪০০ টন।

দেশে ডিজেলের মজুতের সক্ষমতা ৬ লাখ টনের বেশি। অকটেন মজুতের ক্ষমতা ৪৬ হাজার টন, পেট্রল ৩২ হাজার টন, কেরোসিন ৪২ হাজার টন। আর ফার্নেস অয়েল মজুত রাখা যায় ১ লাখ ৫০ হাজার টন।

বিপিসির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, জ্বালানির এই পরিসংখ্যানের চেয়ে প্রকৃত মজুত অনেক বেশি। এই পরিসংখ্যান কেবল বিপিসির মজুত ট্যাংকসংক্রান্ত। তবে দেশের বেসরকারি শোধনাগারগুলোর নিজস্ব মজুত ব্যবস্থাপনায় আরও পেট্রল ও অকটেন রয়েছে। এগুলো বিপণন কোম্পানির সরবরাহ লাইনে আসার অপেক্ষায় আছে।

বিপিসি কর্তৃপক্ষ বলছে, দেশে সাধারণত ৪৫ দিনের ডিজেল সব সময় মজুত থাকে। তবে এখন তা ৪০ দিনে নেমে আসায় অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হঠাৎ করে ডিজেলের বিক্রি বেড়ে যাওয়া ও সীমান্ত এলাকায় ডিজেল পাচার রোধে রেড অ্যালার্ট জারি হওয়ায় মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে। এ থেকে গুজবের সৃষ্টি হচ্ছে বলেও মনে করছে বিপিসি।

উদ্বেগের মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি দাবি করে কর্তৃপক্ষ বলছে, ডিজেলের মজুত কিছুটা কমলেও কয়েকটি জাহাজ জ্বালানি তেল নিয়ে চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। অন্যদিকে অকটেন ও পেট্রল দেশেই উৎপাদিত হয়। অকটেন ও পেট্রলের স্বল্প দিনের মজুত নিয়ে যে গুজব ছড়ানো হয়েছে তা সঠিক নয়। এই দুই পণ্যের মজুত সাধারণত এমনই থাকে, কখনও তা বেড়ে ১৯-২০ দিনের হয়।

বিপিসির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভয় পাবেন না। উদ্বেগের কিছু নেই। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতেও বিপিসির আন্তর্জাতিক এবং অভ্যন্তরীণ সরবরাহ লাইন স্বাভাবিক আছে।’

তিনি বলেন ‘সরকার এরই মধ্যে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, যাতে অপচয় রোধ করা যায়, পাচার হতে না পারে এবং যাতে কেউ অবৈধ মজুত গড়ে তুলতে না পারে। এরই সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করছে কেউ কেউ। তারা তেলের মজুত নিয়ে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে।’

বিপিসি চেয়ারম্যানের ভাষ্য, দেশে ব্যবহৃত পেট্রলের শতভাগই দেশে উৎপাদিত। অকেটেনের ক্ষেত্রেও প্রায় তাই। তবে কখনও অকটেনের চাহিদা বাড়লে সামান্য পরিমাণ আমদানি করতে হয়।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদও জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বস্ত করেছেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে অক্লান্ত কাজ করছে। এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাই কারও উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। তিনি জনগণের দুশ্চিন্তা নিজের কাঁধে নিয়ে কাজ করছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সমগ্র বিশ্ব পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। সারা বিশ্ব জ্বালানি সংকট, মুদ্রাস্ফীতি, ডলার সংকটের মুখোমুখি। বাংলাদেশকেও এসব পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। সবাইকে সেটা মনে রেখে ধৈর্য ধরতে হবে এবং সংকট কাটাতে সরকারকে সহায়তা করতে হবে।’

বিপিসির একজন পরিচালক নিউজবাংলাকে জানান, আগামী আগস্টে ৩ লাখ ৮০ হাজার টন জ্বালানি তেলের চাহিদা রয়েছে। এর বিপরীতে ১৯ জুলাই পর্যন্ত ঋণপত্র খোলা গেছে মাত্র ১ লাখ টনের। এতে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় দেশে ডিজেলের মজুত কিছুটা কমেছে। তবে তা উদ্বেগের পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এরই মধ্যে ভারত থেকে একটি বেসরকারি রিফাইনারিতে অপরিশোধিত তেল এসেছে। কিছু জাহাজ বিপিসির তেল নিয়ে দেশের পথে। আন্তর্জাতিক বাজারেও দাম কমছে। ফলে সামনে আমদানি আরও বাড়বে। সংকটের কোনো কারণ নেই।‘

দেশে পেট্রল ও অকটেনের স্বল্প দিনের মজুতের তথ্য উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ তথ্য সঠিক নয়। এ দুটি আমাদের দেশীয় পণ্য। এগুলোর মজুত সব সময় এমনই থাকে। গ্যাস ক্ষেত্রগুলোতে কনডেনসেট উৎপাদন বাড়ালে আমাদের উল্টো অকটেন, পেট্রল রাখা জায়গার সংকটেও কিন্তু পড়তে হয়।’

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম আবার বাড়ানোর চিন্তা
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ফের বাড়ছে
বাংলাদেশে তেল বিক্রি করতে চায় রাশিয়া: প্রতিমন্ত্রী
ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম কমল
পেট্রল নেই পাম্পে, ফিরে যাচ্ছে মানুষ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The proposed budget is being passed without major changes

বড় পরিবর্তন ছাড়াই পাস হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেট

বড় পরিবর্তন ছাড়াই পাস হচ্ছে প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ছবি: পিএমও
বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট নিয়ে সমাপনী অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হবে এই বাজেট।

বড় কোনো সংশোধনী ছাড়াই জাতীয় সংসদে পাস হতে যাচ্ছে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট নিয়ে সমাপনী অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের সর্বসম্মত কণ্ঠভোটে পাস হবে এই বাজেট।

এর আগে ৯ জুন জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আগামী অর্থবছরজুড়ে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার ব্যয়ের বাজেট প্রস্তাব করেন।

এর মধ্যে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত বাজেটে মূল লক্ষ্য হলো করোনার অভিঘাত পেরিয়ে দেশকে উন্নয়নের ধারায় প্রত্যাবর্তন। সেই লক্ষ্যে এবার বাজেটের মূল ফোকাস হলো অর্থনীতির সব খাতে সক্ষমতার উন্নয়ন। এ জন্য তিনি এই বাজেটে আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।

ফলে এ বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ রাখা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ৬ শতাংশের সমান। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা দেয়া হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার কর-রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই আয় আসবে মূলত আয়কর, ভ্যাট এবং আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক থেকে।

এনবিআরবহির্ভূত কর থেকে আসবে ১৮ হাজার কোটি টাকা আর কর ছাড়া প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

ঘাটতির মধ্যে অনুদানসহ বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে ৯৮ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা; আর অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসবে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা, এর মধ্যে ব্যাংক খাত থেকে নেয়া হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা।

অপরদিকে ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভোক্তাকে মূল্যস্ফীতি থেকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে বাজেটে। এ জন্য ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাজেটে অর্থমন্ত্রী আগামী বছরজুড়ে দেশের মূল্যস্ফীতিকে ৫ দশমিক ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার প্রস্তাব করেছেন।

আরও পড়ুন:
মেডিটেশনে ভ্যাট কমল, বাড়ল বিটুমিনে
মিতব্যয়ী হোন, দেশেই চিকিৎসা নিন: প্রধানমন্ত্রী
স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ দেশে আনার প্রস্তাব বাতিল
জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হবে বাংলাদেশ
করপোরেট করের সুবিধা পেতে শর্ত শিথিল হচ্ছে

মন্তব্য

p
উপরে