× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Chartered Life Insurances IPO application begins
hear-news
player
google_news print-icon

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু

চার্টার্ড-লাইফ-ইন্স্যুরেন্সের-আইপিও-আবেদন-শুরু
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা তুলবে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর শেয়ার পেতে আবেদন শুরু হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন করা যাবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ও অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিক আবেদন করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এবং অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার শেয়ার পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ১০ হাজার টাকার কম বা বেশি হতে পারবে না।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, তালিকাভুক্ত শেয়ারে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে, তবেই তারা এই শেয়ারের আইপিও পেতে আবেদন করতে পারবেন।

অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকাভুক্ত শেয়ারে ন্যূনতম ১ লাখ টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে।

সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের এই শেয়ারের আইপিও পেতে আবেদন করতে হবে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে।

গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে ফিক্সড প্রাইজ পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দেয়।

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা তুলবে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

বিমাটি ১৫ কোটি টাকার মধ্যে ৬ কোটি টাকা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করবে, ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা তালিকাভুক্ত শেয়ারে বিনিয়োগ করবে, আর ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আইপিও টাকা তোলা বাবদ খরচ করবে।

২০১৩ সালে নিবন্ধন পায় চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, ট্র্যাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

২০২১ সালের ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী, কোম্পানটির লাইফ ফান্ড ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৬৮ হাজার ৭২০ টাকা। মোট উদ্বৃত্ত ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের জন্য উদ্বৃত্ত রয়েছে ৪৫ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
NBL Securities will provide OMS facility to customers

গ্রাহকদের ওএমএস সুবিধা দেবে এনবিএল সিকিউরিটিজ

গ্রাহকদের ওএমএস সুবিধা দেবে এনবিএল সিকিউরিটিজ রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই ভবনে এনবিএল সিকিউরিটিজের প্রযুক্তি সহায়ক প্রতিষ্ঠান টেকইট্রোন বুধবার চুক্তি সইয়ের আয়োজন করে। ছবি: নিউজবাংলা
ওএমএস সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে এনবিএল সিকিউরিটিজ ডিএসই, এসকে অ্যাডভাইজরি এফজেড এলএলসি ও লিডস করপোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসকে অ্যাডভাইজরি এফজেড এলএলসি ‘জ্যাগ ট্রেডার’ দেবে।

গ্রাহকদের স্বয়ংক্রিয় ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মের সেবা দিতে জ্যাগ ট্রেডার নামক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) চালু করতে যাচ্ছে এনবিএল সিকিউরিটিজ। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), এসকে অ্যাডভাইজরি এফজেড এলএলসি ও লিডস করপোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে।

রাজধানীর নিকুঞ্জে ডিএসই ভবনে এনবিএল সিকিউরিটিজের প্রযুক্তি সহায়ক প্রতিষ্ঠান টেকইট্রোন বুধবার এ চুক্তি সইয়ের আয়োজন করে।

চুক্তি অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসকে অ্যাডভাইজরি এফজেড এলএলসি বিশ্বখ্যাত অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস) ‘জ্যাগ ট্রেডার’ দেবে।

এর সাহায্যে এনবিএল সিকিউরিটিজ ডিএসই’র মাধ্যমে গ্রাহকদের স্বয়ংক্রিয় লেনদেন প্ল্যাটফর্ম সেবা দেবে। এই কার্যক্রমে লোকাল সাপোর্ট দেবে লিডস করপোরেশন লিমিটেড।

টেকইট্রোন ভেঞ্চার লিমিটেডের সহায়তায় এনবিএল সিকিউরিটিজ জ্যাগ ট্রেডার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। যার মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ সহায়তা ও বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদার, এনবিএল সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জোবায়েড আল-মামুন হাসান, শীর্ষ নির্বাহী (সিইও) মান্না সোমি, ডিএসইর পণ্য ও বাজার উন্নয়ন বিভাগের প্রধান সৈয়দ মাহমুদ জুবায়ের, লিডস করপোরেশনের চিফ মার্কেটিং অফিসার আনিসুর রহমান খান এবং টেকইট্রোন ভেঞ্চার লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার নিজাম উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান
পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো
পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি
পুঁজিবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিএমবিএ’র ৬ প্রস্তাব
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Capital market is not a source of long term funding DSE Chairman

পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান

পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না: ডিএসই চেয়ারম্যান মঙ্গলবার ‘ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিংস (আইপিও): প্রসেসেস অ্যান্ড প্রসিডিউরস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ডিএসই চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান। ছবি: নিউজবাংলা
ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘পুঁজিবাজার দেশের শিল্পোন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হওয়ার কথা থাকলেও সেই অবস্থানে যেতে পারছে না। এর অন্যতম একটি কারণ হলো, দেশে মূল অর্থায়ন হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক স্বল্প মেয়াদে আমানত সংগ্রহ করে শিল্প খাতে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেয়। ফলে কিছু অমিল লক্ষ্য করা যায়। পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি উত্তোলনের নিরাপদ ও টেকসই উৎস হয়ে ওঠার জন্য আইপিও প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ এবং সুন্দর হওয়া জরুরি।’

পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ইউনুসুর রহমান।

‘ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিংস (আইপিও): প্রসেসেস অ্যান্ড প্রসিডিউরস’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে মঙ্গলবার তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি ও ইস্যু ম্যানেজার কোম্পানির প্রতিনিধিদের জন্য দুদিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ডিএসই ট্রেনিং একাডেমি।

ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘পুঁজিবাজার দেশের শিল্পোন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের প্রধান উৎস হওয়ার কথা থাকলেও সেই অবস্থানে যেতে পারছে না। এর অন্যতম একটি কারণ হলো, দেশে মূল অর্থায়ন হয় ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংক স্বল্প মেয়াদে আমানত সংগ্রহ করে শিল্প খাতে দীর্ঘমেয়াদে ঋণ দেয়। ফলে কিছু অমিল লক্ষ্য করা যায়।’

পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মূল উৎসে পরিণত করাই লক্ষ্য জানিয়ে ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, ‘পুঁজিবাজারকে অর্থনীতির মূল উৎসে রূপান্তরের জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। আমরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদেরকে সহযোগিতা করছি।’

পুঁজিবাজার দীর্ঘমেয়াদি পুঁজি উত্তোলনের নিরাপদ ও টেকসই উৎস হয়ে ওঠার জন্য আইপিও প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও সুন্দর হওয়া জরুরি বলে মনে করেন ডিএসই চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, ‘ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্টের ভিত্তিতে আইপিও নির্ধারিত হয়৷ কাজেই ফাইনান্সিয়াল স্টেটমেন্টগুলো যেন অধিকতর স্বচ্ছ হয়, সে বিষয়ে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল কাজ করছে৷ আগামী দিনগুলোতে চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্মগুলো আরও আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়গুলো পরিচালনা করবে। তখন স্টেটমেন্টগুলোর সঠিকতা নিয়ে যে অভিযোগ রয়েছে তা দূরীভূত হবে।’

আইপিও প্রক্রিয়ার ভুল সংশোধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ইউনুসুর রহমান বলেন, ‘বিগত নয়-দশ বছরে দেশে শতাধিক কোম্পানির আইপিও এসেছে। এর অনেকগুলো বর্তমানে ফেসভ্যালুর নিচে অবস্থান করছে। এখানে যেসব ভুল-ভ্রান্তি রয়েছে তা নির্ধারণপূর্বক সংশোধনমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে সমস্যা উত্তরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।’

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আপনারা আইপিওর প্রসেস ও প্রসিডিউর সম্পর্কে হাতে-কলমে শিখবেন। ব্যক্তি জীবনে কাজে লাগাবেন। আপনাদের অ্যাটিটিউড পজিটিভ হলেই দেশ উপকৃত হবে। পুঁজিবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের মূল উৎসে পরিণত করা সম্ভব হবে।’

অনুষ্ঠানে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদার বলেন, ‘আইপিও-র প্রসেস, প্রসিডিউর এবং বিধি ও প্রবিধান সবই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত আছে। তারপরও এই প্রশিক্ষণের বিশেষত্ব হলো প্রশিক্ষক যারা রয়েছেন তাদের প্রয়োগিক অভিজ্ঞতা শেয়ার করার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করা৷’

আইপিও প্রসেসিং সম্পর্কে জানাশোনা কম থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসতে পারছে না বলে মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘দেশে অনেক করপোরেট হাউজ রয়েছে, যাদের আইপিওর মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের যথেষ্ট সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আইপিও প্রসেসিং সম্পর্কে জানাশোনা কম থাকায় ধীরগতিতে এগুচ্ছে। এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেই ঘাটতি পূরণ ও নলেজ লেভেল সমৃদ্ধ হবে।’

প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনীতে উপস্থিত ছিলেন ডিএসইর উপ-মহাব্যবস্থাপক ও ডিএসই ট্রেনিং একাডেমির প্রধান সৈয়দ আল আমিন রহমান এবং লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার আলম।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় পাবলিক অফারিংয়ের প্রয়োজনীয়তা, আইপিও ব্যবস্থাপনায় ইস্যু ম্যানেজার, আন্ডাররাইটার ও রেজিস্টারের ভূমিকা, ইলেক্ট্রনিক সাবসক্রিপশন সিস্টেম, আইপিওর আবেদন প্রক্রিয়া ও শেয়ার বরাদ্দ, ডিরেক্ট লিস্টিং ও পাবলিক অফারের ডকুমেন্ট প্রসপেক্টাসের অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো
পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি
পুঁজিবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিএমবিএ’র ৬ প্রস্তাব
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান
খাদের কিনারে পুঁজিবাজার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Stock market A glimmer of hope in the dark

পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো

পুঁজিবাজার: অন্ধকারে আশার ক্ষীণ আলো একটি ব্রোকারেজ হাউসে বিনিয়োগকারীরা। ফাইল ছবি
আগের দিনের মতোই বুধবার দরপতনের তুলনায় দ্বিগুণ দরবৃদ্ধি হয়েছে। ২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর কমার বিপরীতে বেড়েছে ৫১টির। মঙ্গলবার সংখ্যাটা ছিল ৬৩টি, তবে তা আজকের মতো সূচকে প্রভাব ফেলতে পারেনি।

দুই সপ্তাহ ধরে দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হওয়া দেশের প্রধান পুঁজিবাজারে ক্ষীণ আলো দেখা গেছে বুধবার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচকে আগের দিনের চেয়ে দ্বিগুণ পয়েন্ট যোগ হওয়ার সঙ্গে লেনদেন বেড়েছে শত কোটি টাকার বেশি, তবে ‘খাদের কিনার’ থেকে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়িয়েছে, তা বলা যাচ্ছে না।

আজ একটিও বেচাকেনা হয়নি এমন শেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে। এখনও পৌনে ২০০টির বেশি শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে গড়াগড়ি খাচ্ছে। বিপুলসংখ্যক শেয়ারের বিক্রয়াদেশের বিপরীতে ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না এসব শেয়ারের।

ডিএসইতে বুধবার পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। হাতবদল হয় ৪৪৯ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১১৫ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার টাকা বেশি।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে শেয়ারের সর্বনিম্ন মূল্যস্তর বা ফ্লোর প্রাইস বেঁধে দেয়ার পর পুঁজিবাজারে কিছুটা উত্থান দেখা গিয়েছিল, কিন্তু এর পরে যে সংশোধন শুরু হয়েছে, তাতে গত তিন সপ্তাহ ধরে লেনদেন তলানিতে নেমেছে। এ সময়ে যে লেনদেন হচ্ছে, তা দুই মাস আগে ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজারের এক ঘণ্টার সমান।

এর মধ্যে মঙ্গলবার দেড় বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়। আর গত বছরের ৪ এপ্রিলের পর বা দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৩২৩ কোটি ৮০ লাখ ২৮ হাজার টাকা লেনদেন হয় গত বৃহস্পতিবার।

এমনকি ২৪ অক্টোবর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ডিএসইর লেনদেন বন্ধ থাকার পরও এর চেয়ে কম লেনদেন হয়নি। সেখান থেকে অল্প অল্প বেড়ে আজ লেনদেন দ্বিতীয়বারের মতো ৪০০ কোটির ঘর ছাড়াল।

আগের দিনের মতোই দরপতনের তুলনায় দ্বিগুণ দরবৃদ্ধি হয়েছে। ২৬টি কোম্পানির শেয়ারদর কমার বিপরীতে বেড়েছে ৫১টির। মঙ্গলবার সংখ্যাটা ছিল ৬৩টি, তবে তা আজকের মতো সূচকে প্রভাব ফেলতে পারেনি।

২৩ পয়েন্ট যোগ হয়ে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স অবস্থান করছে ৬ হাজার ২৩৫ পয়েন্টে। গত ৯ কর্মদিবসের মধ্যে এটিই সর্বোচ্চ অবস্থান।

এর চেয়ে বেশি সূচক ছিল ১০ কর্মদিবস আগে ১৭ নভেম্বর। ওই দিন ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৬ হাজার ২৬৫ পয়েন্টে।

লেনদেনের শুরুতে অবশ্য পতনের পাল্লাই বেশি ভারী ছিল। সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে আগের দিনের চেয়ে ৪ পয়েন্ট কমে লেনদেন হচ্ছিল, তবে এরপর ধারাবাহিকভাবে দরবৃদ্ধিতে শেষ পর্যন্ত ওই পরিমাণ সূচক বাড়ে।

সূচক, লেনদেন বৃদ্ধির মধ্যেও একটি শেয়ারও লেনদেন হয়নি ৮৬টির। আগের দিন এমন কোম্পানির সংখ্যা ছিল ৭৩টি।

২২৭টির লেনদেন হয় অপরিবর্তিত দরে, যার দুই-একটি বাদে সবই রয়েছে ফ্লোর প্রাইসে।

১১৬টির শেয়ারের বিপুল বিক্রয়াদেশের বিপরীতে ক্রেতা ছিল নগণ্য। কোম্পানিগুলোতে শেয়ার লেনদেন হয় ১ থেকে ১ হাজারের মধ্যে।

ভারসাম্য ছিল না লেনদেনেও। আড়াই শর মতো কোম্পানিতে লেনদেন শত কোটি অতিক্রম করতে পারেনি।

কোটি টাকার বেশি শেয়ার লেনদেন হয় ৫৪টি কোম্পানিতে। এ লেনদেনের পরিমাণ ৩৬০ কোটি ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। বাকি ২৫০টি কোম্পানিতে লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি ৫ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

লেনদেনের বিষয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজ এর শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত কয়েক দিনের বাজারের চেয়ে আজকের বাজারের কোনো পার্থক্য নেই; একই অবস্থাতে আছে, তবে জাঙ্ক শেয়ারের কয়েকটা কিছু নড়াচড়া হয়েছে। যখন মার্কেট স্লো থাকে, এগুলোতে একটু মুভমেন্ট লক্ষ করা যায়।’

সূচকে প্রভাব যাদের

সবচেয়ে বেশি ৬ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে বিকন ফার্মা। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৩১ শতাংশ।

বেক্সিমকো ফার্মার দর ৪ দশমিক ১৬ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ৬ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট।

ইউনিক হোটেল সূচকে যোগ করেছে ২ দশমিক ০৪ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে ৫ দশমিক ৩১ শতাংশ।

এর বাইরে সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ, সি-পার্ল, মুন্নু সিরামিকস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, আমরা নেটওয়ার্কস, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন ও জেনেক্স ইনফোসিস।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ২০ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট।

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৮৫ পয়েন্ট সূচক কমিয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। কোম্পানির দর কমেছে ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

সোনালী পেপারের দর ১ দশমিক ০২ শতাংশ হ্রাসে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৫২ পয়েন্ট।

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের কারণে সূচক হারিয়েছে শূন্য দশমিক ৩৪ পয়েন্ট। এদিন কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।

এ ছাড়াও প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, বসুন্ধরা পেপার, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, অ্যাপেক্স ফুডস, বিডি ওয়েল্ডিং ও পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ পয়েন্ট।

দরবৃদ্ধির শীর্ষ ১০

সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ দর বেড়ে মুন্নু সিরামিকসের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১০৯ টাকা ৯০ পয়সায়, যা আগের দিন ছিল ১০১ টাকা ৮০ পয়সা।

এরপরই ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়ে জুট স্পিনার্সের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৪৯ টাকা ২০ পয়সায়, যা আগের দিন ছিল ২৩১ টাকা ২০ পয়সা।

তালিকার তৃতীয় স্থানে ছিল মুন্নু অ্যাগ্রো। ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ারটি হাতবদল হয়েছে ৬৫০ টাকা ২০ পয়সায়। আগের দিনের দর ছিল ৬০৪ টাকা ৯০ পয়সা।

এ ছাড়া জেমিনি সি ফুড, সোনালী আঁশ ও আমরা নেটওয়ার্কসের দর বেড়েছে ৭ শতাংশের বেশি। আর ইউনিক হোটেল ও আমরা টেকনোলজিসের ৫ শতাংশের বেশি এবং অ্যাডভেন্ট ফার্মা ও পেপার প্রসেসিংয়ের দর বেড়েছে ৪ শতাংশের ওপরে।

দরপতনের শীর্ষ ১০

সবচেয়ে বেশি ৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ দর কমেছে ওরিয়ন ইনফিউশনের। প্রতিটি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৮৫ টাকা ১০ পয়সায়, যা আগের দিন ছিল ৫২৪ টাকা ৪০ পয়সা।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ দর কমে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৮ টাকা ১০ পয়সায়। আগের দিনের দর ছিল ৭২ টাকা।

এরপরই দর কমেছে অ্যাপেক্স ফুডসের। ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ কমে শেয়ারটি লেনদেন হয়েছে ২৭১ টাকা ৪০ পয়সায়। যা আগের দিন ছিল ২৮০ টাকা ৭০ পয়সা।

এ ছাড়া তালিকায় পরের স্থানে ছিল বিডি ওয়েল্ডিং, প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স, পদ্মা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনালী পেপার ও অ্যাম্বি ফার্মা।

আরও পড়ুন:
ঝড়ের গতিতে দর কমছে বিপিএমএল-ওরিয়ন ইনফিউশনদের
৫৫ কোম্পানি পাচ্ছে আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার
‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসইসি, যুদ্ধ শেষের অপেক্ষা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Popular Life signed the trust deed

ট্রাস্ট ডিড সই করল পপুলার লাইফ

ট্রাস্ট ডিড সই করল পপুলার লাইফ চুক্তি সই অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, ফান্ডটির আকার হবে ৫০ কোটি টাকা। উদ্যোক্তা হিসেবে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী দেবে ২৫ কোটি টাকা, আর ২৫ কোটি টাকা ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে তোলা হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড একচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে ট্রাস্ট ডিড সই করেছে পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড (পিএলআই এএমএল)।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড ও আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের মধ্যে মঙ্গলবার ফাস্ট ইউনিট ফান্ডের এ ট্রাস্ট ডিড সই হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর (উদ্যোক্তা) পক্ষে সই করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও বি এম ইউসুফ আলী এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের (ট্রাস্টি) পক্ষে সই করেন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অসিত কুমার চক্রবর্তী।

বুধবার আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমিন তালুকদারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিব মোস্তফা হেলাল কবির, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমিন তালুকদার এবং পিএলআই এসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বলা হয়, ফান্ডটির আকার হবে ৫০ কোটি টাকা। উদ্যোক্তা হিসেবে পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী দেবে ২৫ কোটি টাকা, আর ২৫ কোটি টাকা ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে তোলা হবে।

ফান্ডের সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে পিএলআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড। এটি হবে পিএলআই অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড পরিচালিত প্রথম ফান্ড। ফান্ডের হেফাজতকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
বিএসইসির পুরস্কার পেল ১১ প্রতিষ্ঠান
‘কারসাজির’ প্রি-ওপেনিং সেশন ফেরাচ্ছে বিএসইসি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Demand for tax exemption on capital market dividends

পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি

পুঁজিবাজারের লভ্যাংশে করমুক্তির দাবি
এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে সই করেন সংগঠনটির সভাপতি ছায়েদুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াদ মতিন। পুঁজিবাজারকে গতিশীল করে সার্বিক অর্থনীতিতে অবদান বাড়ানোর লক্ষ্যে ৯টি বিষয় বিবেচনার প্রস্তাব দেয়া হয় এতে।

দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নের স্বার্থে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে লভ্যাংশ কর প্রত্যাহারসহ বেশ কিছু নীতি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)।

এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে মঙ্গলবার পাঠানো চিঠিতে সই করেন সংগঠনটির সভাপতি ছায়েদুর রহমান এবং সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াদ মতিন।

পুঁজিবাজারকে গতিশীল করে সার্বিক অর্থনীতিতে অবদান বাড়ানোর লক্ষ্যে ৯টি বিষয় বিবেচনার প্রস্তাব দেয়া হয়। এগুলো হলো-

১. লভ্যাংশের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করতে হবে। এর কারণ হিসেবে বিএমবিএর চিঠিতে বলা হয়, একটি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি করপোরেট কর পরিশোধের পর লভ্যাংশ প্রদান করে। সেই লভ্যাংশ থেকে আবার উচ্চহারে কর কর্তন দ্বৈত করের সামিল। তাই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লভ্যাংশ গ্রহণের প্রতি অনীহা। দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য লভ্যাংশের কর প্রত্যাহার করা জরুরি।

২. তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করপোরেট করহারের পার্থক্য বাড়াতে হবে। বিএমবিএর চিঠিতে বলা হয়, কর কমাতে বলছি না, কেবল তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির করের হারের ব্যবধান বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব করছি।

তাহলে বৃহৎ বা ভালো প্রতিষ্ঠানসমূহ তালিকাভুক্তিতে আগ্রহী হবে এবং বাজারের আকৃতি ও গভীরতা বৃদ্ধি পাবে। এতে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড আরও গতিশীল হবে। বর্তমানে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারের ব্যবধান উদ্যোক্তাদের তালিকাভুক্তির জন্য উৎসাহিত করতে পারছে না।

৩. বন্ড বাজারকে গতিশীল করা বা বিনিয়োগে উৎসাহিত করার জন্য কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হবে।

চিঠিতে বলা হয়, বন্ড থেকে প্রাপ্ত আয়ের ওপর স্পেশাল রেটে (৫ শতাংশ) কর আরোপ করা যেতে পারে, তাহলে বন্ডে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন বিনিয়োগকারীরা।

৪. লেনদেনের (ট্রেডিং) ওপর করহার কমিয়ে শূন্য দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক শূন্য এক পাঁচ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে। এতে বাজারে লেনদেনের পাশাপাশি সরকারের করের পরিমাণ বাড়বে।

৫. তালিকাভুক্ত কোম্পানির আয়কর নিষ্পত্তি সহজীকরণ করতে হবে।

৬. মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে পলিসি প্রয়োজন এবং এর লভ্যাংশ করমুক্ত হতে হবে।

৭. ভালো/বৃহৎ/প্রতিষ্ঠান/এমএনসি/সরকারি লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্তির জন্য পলিসি করতে হবে।

চিঠিতে বলা হয়, ব্যবসার আকার বা ঋণ ও পুঁজির আকারের ভিত্তিতে তালিকাভুক্তির পলিসি করা প্রয়োজন। যত বেশি তালিকাভুক্ত কোম্পানি হবে সরকার তত বেশি কর পাবে।

৮. তালিকাভুক্ত কোম্পানির ভ্যাট হার ৫ শতাংশ কমানো যেতে পারে। এতে বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলো তালিকাভুক্তির জন্য উৎসাহিত হবে।

৯. ট্রেডিং গেইন এবং ক্যাপিটাল গেইন একই সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত না করে আলাদা কর কাঠামোয় আনতে হবে।

সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের দাবির যৌক্তিকতা উল্লেখ করে বিএমবিএর চিঠিতে বলা হয়, দেশের অর্থনীতিতে জিডিপির তুলনায় বাজার মূলধন অনুপাত অত্যন্ত নগণ্য (১৭ শতাংশ)। ১৭ থেকে ১৮ কোটি জনসংখ্যার দেশে কর্মসংস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

কর্মসংস্থান তৈরির জন্য শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য তথা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে অর্থের যোগান বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ। অব্যবহৃত ছোট ছোট সঞ্চয়সমূহকে উৎপাদনমুখী করার একমাত্র মাধ্যম হলো গতিশীল পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার গতিশীল না থাকলে এ ধরনের উদ্যোগ কার্যকর হয় না।

আরও পড়ুন:
৫৫ কোম্পানি পাচ্ছে আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড
জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল: সারাবিশ্বে বিডের যোগ্যতা অর্জন রেনাটার
‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসইসি, যুদ্ধ শেষের অপেক্ষা
‘পুঁজিবাজার এভাবে চলতে পারে না’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
6 proposals of BMBA to central bank for capital market development

পুঁজিবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিএমবিএ’র ৬ প্রস্তাব

পুঁজিবাজার উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে বিএমবিএ’র ৬ প্রস্তাব
গভর্নরকে দেয়া চিঠিতে ২০১১ সাল থেকে পুঁজিবাজারে নানা প্রতিকূলতার উল্লেখ করে বিএমবিএ বলেছে, ‘এ বিষয়ে কোনো কোনো সময় আংশিক বা খণ্ডিত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাতে সাময়িক কিছুটা ইতিবাচক অবস্থা দেখা গেলেও কয়েকদিনের মধ্যেই আবার ধারাবাহিক নিম্ন ধারায় চলে যায় এবং হতাশার তৈরি হয়।’

দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ)। এ লক্ষ্যে এক চিঠিতে ৬টি প্রস্তাব সুপারিশ করেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে মঙ্গলবার পাঠানো ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন বিএমবিএ সভাপতি ছায়েদুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল রিয়াদ মতিন।

চিঠিতে ৬টি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। সেগুলো সমাধান করা হলে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার নতুন মাত্রা পেতে পারে বলে মনে করেন বিএমবিএ নেতারা।

সুপারিশগুলো হলো-

১. সব ধরনের বন্ড ও ডিবেঞ্চার পুঁজিবাজার এক্সপোজারের বাইরে রাখা।

২. মিউচুয়াল ফান্ডকে জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে পুঁজিবাজার এক্সপোজারের বাইরে রাখা।

৩. পুঁজিবাজার বিনিয়োগে নিজ সাবসিডিয়ারিকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে সিঙ্গেল বোরোয়ার এক্সপোজার রিল্যাক্স করা।

৪. পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিলে ২ শতাংশ সাধারণ সঞ্চিতি রাখতে হয়। অথচ অন্য সব ঋণের ক্ষেত্রে সেটি ১ শতাংশ। তাই ব্যাংকগুলো পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত হয় বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সুদের হার বেশি ধরা হয়। এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে অন্যান্য ঋণের মতো সাধারণ সঞ্চিতি ১ শতাংশ ধরা হলে বাজারে অর্থের যোগান বাড়তে সাহায্য করবে।

৫. সমন্বিত পুঁজিবাজার এক্সপোজার হিসাব রিপোর্টিং স্থগিত করা প্রয়োজন। পুঁজিবাজারের আকার বৃদ্ধিতে এটি প্রতিবন্ধকতা।

৬. ভালো প্রতিষ্ঠান বা যারা ভালো ব্যবসা করেন তারা সহজে যে কোনো পরিমাণ ঋণ পায়। তারা জামানত দিয়ে সহজেই ঋণ পেয়ে যায় বলে পুঁজিবাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করে না। বড় বা ভালো মানের প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত না হলে পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়বে না। তাই ওইসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ, মূলধন বা ব্যবসার আকৃতির ওপর তালিকাভুক্তির একটি কাঠামো নির্ধারণ করা যেতে পারে।

বিএমবিএ মনে করে, বৃহৎ বা ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোকে অর্থায়নের ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবে। সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে নানা প্রতিকূলতার উল্লেখ করে সংগঠনটির চিঠিতে বলা হয়, ‘এ বিষয়ে কোনো কোনো সময় আংশিক বা খণ্ডিত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাতে সাময়িক কিছুটা ইতিবাচক অবস্থা দেখা গেলেও কয়েকদিনের মধ্যেই আবার ধারাবাহিক নিম্ন ধারায় চলে যায় এবং হতাশার তৈরি হয়।

গর্ভনর হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে আব্দুর রউফ দ্রুতগতিতে কিছু পুরনো সমস্যার সমাধান করেছেন, যা পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান
খাদের কিনারে পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজারে গতি ফেরাতে বিএসইসির সঙ্গে বসবে ডিএসই
ঝড়ের গতিতে দর কমছে বিপিএমএল-ওরিয়ন ইনফিউশনদের
৫৫ কোম্পানি পাচ্ছে আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The future of Bangladeshs capital market is bright BSEC Chairman

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম। ফাইল ছবি
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রিটার্ন অন্যান্য পুঁজিবাজারের তুলনায় অনেক ভালো। গত এক যুগে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ফান্ড রেইজিং ও ক্যাপিটালাইজেশন হয়েছে অভাবনীয়। আমাদের পুঁজিবাজারের অশেষ সম্ভাবনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এই উন্নয়নের অংশীদার হন।’

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল উল্লেখ করে বিদেশিদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে হাইব্রিড ফর্মে আয়োজিত ‘ইনভেস্টমেন্ট ফ্লাশ মব’ শিরোনামে অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসইসি ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা (বিডা) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

জাপানের টোকিওতে এএনএ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে মঙ্গলবার এ আয়োজনে দুই দেশের বিনিয়োগকারী, শিল্পতি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে রিটার্ন অন্যান্য পুঁজিবাজারের তুলনায় অনেক ভালো। গত এক যুগে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে ফান্ড রেইজিং ও ক্যাপিটালাইজেশন হয়েছে অভাবনীয়। আমাদের পুঁজিবাজারের অশেষ সম্ভাবনা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ করে এই উন্নয়নের অংশীদার হন।’

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা শক্তিশালী উল্লেখ করে অধ্যাপক শিবলী বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক ভালো অবস্থানে রয়েছে। জিডিপি এবং মাথাপিছু আয়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়ছে। অনেক দেশের তুলনায় এখানে মূল্যস্ফীতি অনেক কম।’

দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাস তুলে ধরে জাপানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শিবলী রুবাইয়াত। বলেন, ‘বাংলাদেশ ও জাপানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। জাপানে রপ্তানির পরিমাণও বাড়ছে। বিনিয়োগ ছাড়াও বাংলাদেশের উন্নয়নে জাইকা অসামান্য অবদান রেখেছে।’

এ ছাড়াও তিনি ‘ফিফটি ইয়ারস অব বাংলাদেশ: দ্য রাইজ অব বেঙ্গল টাইগার’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল: বিএসইসি চেয়ারম্যান

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শাহাবুদ্দিন আহমেদ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

এ ছাড়া বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া এবং বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আহ্বানের লক্ষ্যে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ২০২১ ও ২০২২ সালে দুবাই, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান্তাক্লারা, জুরিখ, জেনেভা, লন্ডন, ম্যানচেস্টার এবং আবুধাবিতে বিনিয়োগ সম্মেলন করেছে।

আরও পড়ুন:
‘যেভাবে চলতে পারে না’, সে বৃত্তেই পুঁজিবাজার
চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএসইসি, যুদ্ধ শেষের অপেক্ষা
‘পুঁজিবাজার এভাবে চলতে পারে না’
শেয়ার কেনার ‘কেউ নেই’, দেড় বছরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন লেনদেন
প্রি ওপেনিংকে ফের কারসাজির সুযোগ ভাবল বিএসইসি

মন্তব্য

p
উপরে