× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The dollar rate of remittances is also decreasing
hear-news
player
google_news print-icon

কমছে রেমিট্যান্সের ডলারের দর

কমছে-রেমিট্যান্সের-ডলারের-দর
বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এখন ডলারের কোনো সংকট নেই। আমরা আশা করছি, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে: বাফেদা চেয়ারম্যান

রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আনতে প্রতি ডলারের জন্য সর্বোচ্চ দর ১ টাকা কমিয়ে ১০৮ টাকা থেকে ১০৭ টাকায় নামিয়ে আনা হচ্ছে।

আমদানি কমায় এবং রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে বলে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম জানিয়েছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আমরা বাফেদার বৈঠক করব। ওই বৈঠকে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে টাকা-ডলারের বিনিময় হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে। আমরা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে ডলারের দর ১০৮ টাকা থেকে ১০৭ টাকায় নামিয়ে আনব। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে ৯৯ টাকাই রাখব।’

বাজারে ডলার সংকট কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শে ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) নেতারা গত ১১ সেপ্টেম্বর এক সভায় ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেন। তাতে রপ্তানি আয়ে প্রতি ডলারের সর্বোচ্চ দাম ৯৯ টাকা, প্রবাসী আয়ে ১০৮ টাকা দাম বেঁধে দেয়া হয়। আর ডলারের পাঁচ দিনের গড় খরচের চেয়ে এক টাকা বেশি দামে আমদানি দায় শোধ করতে বলা হয় ব্যাংকগুলোকে।

১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়। যেটাকে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজার বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এর মধ্য দিয়ে ডলারের দাম বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ বাজারভিত্তিক করা হয়েছে।

টাকা-মুদ্রা বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পর মঙ্গলবার ডলারের তেজ বেশ খানিকটা কমেছিল। এক দিনের ব্যবধানে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের দর সাড়ে ৫ টাকা কমেছিল। কিন্তু বুধবার তা ফের বেড়েছে।

গত সোমবার আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০৮ টাকা। আর সর্বনিম্ন দর ছিল ৯৯ টাকা ৬৫ পয়সা। ব্যবধান ছিল ৮ টাকা ৩৫ পয়সা। মঙ্গলবার ডলারের সর্বোচ্চ দর ৫ টাকা ৪৪ পয়সা কমে ১০২ টাকা ৫৬ পয়সায় নেমে আসে। আর সর্বনিম্ন দর ২ টাকা ১৩ পয়সা বেড়ে ১০১ টাকা ৭৮ পয়সা হয়েছিল। ব্যবধান নেমে এসেছিল মাত্র ৭৮ পয়সায়।

বুধবার ডলারের সর্বোচ্চ দর ফের বেড়ে ১০৭ টাকা ৬৫ পয়সায় উঠেছে। সর্বনিম্ন দর ছিল ১০০ টাকা। ব্যবধান বেড়ে ৭ টাকা ৬৫ পয়সা হয়েছে।

‘আগামী সপ্তাহ থেকে ডলার দুর্বল হবে; টাকা শক্তিশালী হবে’ এমন আশার কথা শুনিয়ে বাফেদার চেয়ারম্যান সোনালী ব্যাংকের এমডি আফজাল করিম বলেন, ‘ডলারের বাজার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কিছুদিনের মধ্যে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে। আমদানি বেশ কমেছে; রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে বাজারে। এখন ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী হবে। আর এটা অব্যাহত থাকবে বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে আমরা বাফেদার বৈঠক করব। ওই বৈঠকে সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে টাকা-ডলারের বিনিময় হার পুনর্নির্ধারণ করা হবে। আমরা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে ডলারের দর ১০৮ টাকা থেকে ১ টাকা কমিয়ে ১০৭ টাকায় নামিয়ে আনব। তবে রপ্তানির ক্ষেত্রে ৯৯ টাকাই রাখব।’

নতুন দর নির্ধারণের পর আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর আরও কমে আসবে জানিয়ে আফজাল বলেন, ‘বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। এখন ডলারের কোনো সংকট নেই। আমরা আশা করছি, অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

সংকট নিরসনে ডলারের দামের সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিয়ে দাম বাজারভিত্তিক করে দেয়া হয় গত ১৩ সেপ্টেম্বর। এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও স্বাভাবিক হচ্ছিল না ডলারের বাজার; উল্টো আগের মতোই চড়ছিল। দুর্বল হচ্ছিল টাকা; শক্তিশালী হয়েই চলছিল ডলার। তবে মঙ্গলবার থেকে স্বস্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছিল। কিন্তু বুধবার ফের হোঁচট খেয়েছে।

ডলারের দাম নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যাংকগুলোর দামকে স্বীকৃতি দেয়া শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই দরকেই আন্তব্যাংক লেনদেন দর বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হচ্ছে। আগের দিনের লেনদেনের দরকে পরের দিন সকালে প্রকাশ করা হয়। এটাকেই বাজারভিত্তিক দর বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৩ সেপ্টেম্বরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর কাছে রিজার্ভ থেকে খুব একটা ডলার বিক্রি করছে না। জ্বালানি তেল, সারসহ সরকারি কেনাকাটার জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর জন্য রিজার্ভ থেকে সামান্য কিছু ডলার বিক্রি করা হচ্ছে।

সপ্তাহের শেষ দিন গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে বুধবারের আন্তব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০৭ টাকা ৬৫ পয়সা। আর সর্বনিম্ন দর ছিল ১০১ টাকা।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মঙ্গলবারের আন্তব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০২ টাকা ৫৬ পয়সা; সর্বনিম্ন দর ছিল ১০১ টাকা ৭৮ পয়সা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সোমবারের আন্তব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল ১০৮ টাকা; সর্বনিম্ন দর ছিল ৯৯ টাকা ৬৫ পয়সা।

১৩ সেপ্টেম্বর এই দর ছিল যথাক্রমে ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা ও ১০১ টাকা ৫০ পয়সা।

তার আগে প্রায় দেড় মাস আন্তব্যাংকে ডলারের ক্রয়-বিক্রয়মূল্য ৯৫ টাকায় আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাজারভিত্তিক করার আগের দিন অবশ্য ডলারের বিপরীতে টাকার মান আরও কমিয়ে ৯৬ টাকা করা হয়েছিল।

কয়েক দিন ধরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেট এবং ব্যাংকগুলোতে একই দামে নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কার্ব মার্কেটে ১১৪ টাকা ২০ পয়সায় ডলার বিক্রি হয়েছে। আর রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক ১০৬ টাকা ২৫ পয়সায় নগদ ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক বিক্রি করেছে ১০৬ টাকা ৯০ পয়সায়। অগ্রণী ব্যাংক থেকে কিনতে লেগেছে ১০৭ টাকা।

বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক গতকাল ১০৫ টাকা ৫০ পয়সায় নগদ ডলার বিক্রি করেছে। সিটি ব্যাংক বিক্রি করেছে ১০৪ টাকায়।

বাফেদার চেয়ারম্যান আফজাল করিম বলেন, ‘বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ব্যাংকে নগদ ডলারের দামও কমে আসবে।’

ডলারের দর ৫০ পয়সা বাড়ানোই যেখানে বড় সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছিল এতদিন, সেখানে ১৩ সেপ্টেম্বর এক দিনে ১০ টাকা ১৫ পয়সা বাড়িয়ে ডলারের বাজার বাজারভিত্তিক করা হয়। ওইদিন বৈদেশিক বাণিজ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এই মুদ্রাটির বিনিময় হার ঠিক করে দেয়া হয় ১০৬ টাকা ১৫ পয়সা। আগের দিন দাম এক টাকা বেড়ে হয়েছিল ৯৬ টাকা। অর্থাৎ এক দিনে বাড়ে ১০ টাকা ১৫ পয়সা বা ১০ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ওই সিদ্ধান্তে ইতিহাস সৃষ্টি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরুর পর পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশে দেশে মুদ্রার দরপতনের যে সমস্যা দেখা দিয়েছে, তার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। সাত মাসের কম সময়ে দেশের মুদ্রার দর পতন হয়েছে ২৫ শতাংশের বেশি। এই যুদ্ধ শুরুর আগে দর ছিল ৮৪ থেকে ৮৫ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, টাকা ও ডলারের বিনিময় মূল্য ব্যাংকগুলো নির্ধারণ করেছে। জোগান ও চাহিদা এবং বাফেদার দামের ভিত্তিতে ডলারের এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দৈনন্দিন ভিত্তিতে ডলার কেনাবেচার মধ্যে নেই। তবে বাজার বিবেচনায় প্রয়োজন হলে কেনাবেচা করবে।

ব্যাংকগুলো নিজেদের মধ্যে এখন এই দরে ডলার কেনাবেচা করছে। এটাকেই আন্তব্যাংক দাম বলা হচ্ছে। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যে দামে ডলার কেনাবেচা করত, সেটি আন্তব্যাংক দর হিসেবে উল্লেখ করা হতো। সেই দামই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে আসছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

আরও পড়ুন:
ডলারের দর আরও ১ টাকা বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাংকে ডলারের নতুন দর কার্যকর হয়নি
ডলার নিয়ে সিদ্ধান্তের ‘মাথামুণ্ডু নেই’
ডলারের একক রেট: রেমিট্যান্সে ১০৮, রপ্তানিতে ৯৯
ডলারের অভিন্ন দর নির্ধারণে আরও সময় চায় এবিবি ও বাফেদা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Basic Bank Scam ACC Requests Malaysia For Clues

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ

বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৭৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির (এমএলএআর) আওতায় এই অনুরোধ জানানো হয়েছে।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান শনিবার নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার এই প্রতিবেদন হলফনামা করা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

বেসিক ব্যাংক দুর্নীতির মামলায় মোহম্মদ আলীর জামিন আবেদনের ওপর শুনানির জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আসামি ব্যাংকটির সাবেক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলীর জামিন শুনানিতে ৮ নভেম্বর হালনাগাদ তথ্য চেয়েছিল হাইকোর্ট। সে অনুসারে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হচ্ছে।

মামলায় আত্মসাৎ করা অর্থের বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসিক ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখা থেকে প্রায় দুই হাজার ৭৭ কোটি ৩৪ লাখ দুই হাজার ৯৯১ টাকা, যা সুদসহ দুই হাজার ৫৯০ কোটি ৪৯ লাখ ৯১ হাজার চারশ’ ৫৩ টাকা আত্মসাতের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রাথমিক অনুসন্ধান করে মোট ৫৬টি মামলা করেছে।

মামলাগুলো দীর্ঘদিন ধরে তদন্তাধীন। তদন্ত দীর্ঘায়িত হওয়ার অন্যতম একটি কারণ হলো- আত্মসাৎকৃত অর্থ সম্পূর্ণরূপে নগদে উত্তোলনের মাধ্যমে টাকার অবস্থান গোপন করা হয়েছে। মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের শনাক্তকরণ ও তাদের জবানবন্দি গ্রহণ (১৬১ ধারায়) কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সব সাক্ষীর কাছ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বর্ণিত মামলায় আলামত প্রচুর এবং ব্যাংকের বিশাল পরিমাণ কাগজপত্র থেকে প্রকৃত সব আলামত শনাক্ত করা সময়সাধ্য। প্রকৃত আসামিদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়াটিও এই মামলায় বেশ জটিল।

এছাড়া মামলার প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহের জন্য মালয়েশিয়ায় এমএলএআর করা হয়েছে। সে সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও আলামত এখনও পাওয়া যায়নি।

মামলাগুলোর আগের তদন্ত কর্মকর্তারা বদলি হয়ে যাওয়ায় একাধিকবার তদন্তকারী কর্মকর্তাও পরিবর্তন করা হয়েছে। মামলাগুলোর তদন্তকাজ এগিয়ে চলছে। আসামি ও আলামত শনাক্ত করা, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণ করা ও এমএলএআর-এর পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশ থেকে মামলার প্রয়োজনীয় আলামত পাওয়া সাপেক্ষে এবং প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে যথাসম্ভব দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

৫৬ মামলায় আত্মসাৎকৃত অর্থের মধ্যে ইতোমধ্যে ১১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা উদ্ধার/ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।

এ মামলায় ৮২ জন ঋণগ্রহীতা ছাড়াও বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ফকরুল ইসলাম, ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিএমডি শেখ মঞ্জুর মোরশেদ, জিএম এ. মোনায়েম খান, জিএম মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ ব্যাংকের ২৭ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা, প্রিন্সিপাল/প্রধান শাখা, দিলকুশা শাখা এবং শান্তিনগর শাখাসহ মোট চারটি শাখার ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে গুলশান থানায় ২৩টি, মতিঝিল থানায় ১২টি ও পল্টন থানায় ২১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ২৭ জন, ব্যবসায়ী ৮২ জন, বেসরকারি সার্ভেয়ার ১১ জনসহ মোট ১২০ জনকে আসামি করা হয়। তাদের মধ্যে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট
বেসিক ব্যাংকের কত টাকা জব্দ, সাত দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: জি বি হোসেনকে বিদেশ যেতে মানা
বেসিক ব্যাংকে শুধুই দীর্ঘশ্বাস
বেসিক ব্যাংকের নতুন এমডি আনিসুর রহমান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank in Jamalpur Islampur

জামালপুরের ইসলামপুরে ইসলামী ব্যাংক

জামালপুরের ইসলামপুরে ইসলামী ব্যাংক
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম ব্যাংক। কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গ্রাহকরা এ ব্যাংকের প্রতি আকৃষ্ট হন। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংকটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।’

জামালপুরের ইসলামপুরে শাখা খুলেছে ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৩৯৪তম শাখা।

বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ব্যাংকের চিফ হিউম্যান রিসোর্সেস অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান, ময়মনসিংহ জোনপ্রধান আনিসুল হক, ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মু. তানভীর হাসান রুমান, ইসলামপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম জামাল আব্দুল নাসের, ইসলামপুর পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের সেখ, ইসলামপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান নবী নেওয়াজ খান লোহানী এবং জামালপুর ল’ কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস ছালাম।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইসলামপুর শাখাপ্রধান আব্দুল মতিন সরকার। গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী আহমেদুল কবির মিনু, ইসলামপুর চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল আউয়াল খান লোহানী এবং নারী উদ্যোক্তা আফ্রিনা আক্তার। এ সময় ব্যাংকের নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক দেশের বৃহত্তম ব্যাংক। কর্মকর্তাদের সততা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে গ্রাহকরা এ ব্যাংকের প্রতি আকৃষ্ট হন। আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ব্যাংকটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে।’

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত দিক দিয়ে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও করোনার ধাক্কা সামলে বাংলাদেশের জিডিপি বাড়ছে। মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। অতীতের চেয়ে বর্তমানে আমাদের রপ্তানি পণ্যের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এর মধ্যে গার্মেন্টস অন্যতম। গার্মেন্টস শিল্প বিকাশে ইসলামী ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। ইসলামী ব্যাংক পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করে দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।’

আধুনিক ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে নিজেদের উন্নয়নের পাশাপাশি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে তিনি সবাইকে আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের সাউন্ড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট ক্যাম্পেইন শুরু
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
ইতালিতে ইসলামী ব্যাংকের মতবিনিময়
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে ডিএসই ও সিএসই’র চুক্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mastercard Excellence Awards 2022

‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ প্রদান

‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ প্রদান বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানে পুরস্কারজয়ী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন অর্জনের পথ সুগম করার স্বীকৃতি হিসেবে সেরা পারফর্মারদের ১৫টি ক্যাটাগরিতে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস দিয়েছে মাস্টারকার্ড।

মাস্টারকার্ড ১৫টি ক্যাটাগরিতে ‘মাস্টারকার্ড এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস-২০২২’ বাংলাদেশে শীর্ষ পার্টনার ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ফিনটেক এবং মার্চেন্টদের স্বীকৃতি দিয়েছে। দেশের আর্থিক অর্ন্তভুক্তির বিস্তৃতিতে প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৯ সালে এই অ্যাওয়ার্ডস যাত্রা শুরু করে।

বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত অ্যাওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। গেস্ট অফ অনার ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাউথ এশিয়া মাস্টারকার্ডের সিইও বিকাশ ভার্মা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালসহ পার্টনার ব্যাংক, ফিনটেক ও মার্চেন্ট পার্টনারদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আর্থিক খাতে পেমেন্ট গেটওয়ে, কন্ট্যাক্টলেস, ইন্টারঅপারেবল ও কিউআর-ভিত্তিক পেমেন্ট সল্যুশন চালুর পাশাপাশি নিরাপদ ও কার্যকর পেমেন্ট অপশন প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য অর্জনে সহযোগিতা করে মাস্টারকার্ড পেমেন্ট ইন্ডাস্ট্রির বৈপ্লবিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

কয়েক দশক ধরে, কার্যকর ও টেকসই ডিজিটাল পেমেন্ট ইকোসিস্টেম এর বিস্তৃতি এবং এসএমই’র জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে মাস্টারকার্ড সরকার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের হাতে হাত রেখে কাজ করে চলেছে। ২০৪১ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের ভিশন অর্জনের পথ সুগম করার স্বীকৃতি হিসেবে সেরা পারফর্মারদের ১৫টি ক্যাটাগরিতে এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস প্রদান করেছে মাস্টারকার্ড।

পুরস্কার দেয়া ক্যাটাগরিগুলো হলো- এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডেবিট বিজনেস (ডোমেস্টিক), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ডেবিট বিজনেস (ইন্টারন্যাশনাল), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ডোমেস্টিক), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড ক্রেডিট বিজনেস (ইন্টারন্যাশনাল), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড প্রিপেইড বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড কন্ট্যাক্টলেস (ইসুয়িং), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড কন্ট্যাক্টলেস (অ্যাকুয়ারিং), এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড পিওএস অ্যাকুয়ারিং বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড অনলাইন অ্যাকুয়ারিং বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন নিউ ক্যাটাগরি, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস গ্রোথ, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড রেমিট্যান্স বিজনেস, এক্সিলেন্স ইন ডিজিটাল ইনোভেশন, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট)-পিওএস, এক্সিলেন্স ইন মাস্টারকার্ড বিজনেস (মার্চেন্ট)-অনলাইন।

মাস্টারকার্ড সাউথ এশিয়ার চিফ অপারেটিং অফিসার বিকাশ ভার্মা বলেন, ‘সহজ ও নিরাপদ ফিনান্সিয়াল ইকোসিস্টেম তৈরির মাধ্যমে বাংলাদেশে তথ্য-প্রযুক্তিসমৃদ্ধ আর্থিক সেবা খাতের বিস্তৃতির এই প্রচেষ্টায় পাশে থাকতে পেরে মাস্টারকার্ড গর্বিত। যেহেতু বাংলাদেশ জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, মাস্টারকার্ড পার্টনারদের সঙ্গে নিয়ে ও প্রযুক্তির সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে গ্রাহকদের আরও বেশি পেমেন্ট ও কমার্স অপশন প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিগত ৩১ বছরের কার্যক্রমে মাস্টারকার্ড যেসব শীর্ষ আর্থিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশিপ তৈরি করেছে সেগুলো হচ্ছে- এবি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ব্র্যাক ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড, এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Order to increase credit in agriculture to ensure food security

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষিতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ
গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার বলেন, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের খাদ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীতে কৃষি খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করতে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতে ঋণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন তিনি। গভর্নরের সভাপতিত্বে বৈঠকে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

গভর্নর বলেন, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের খাদ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামীতে কৃষি খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করতে আরও বেশি উদ্যোগী হতে হবে।

করোনার সময়ে ব্যাংকের সময়োচিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দেশের খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখায় তিনি ব্যাংকের নির্বাহীদের সাধুবাদ জানান।

এ সময় ডেপুটি গভর্নর এ কে এম সাজেদুর রহমান খান এবং কৃষি ঋণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় উপস্থিত অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা কৃষি খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কৃষকদেরকে স্বল্পতম সময়ে মৌসুমভিত্তিক ঋণ সুবিধা দেয়া হবে বলে গভর্নরকে আশ্বস্ত করেন।

এর আগে ১৭ নভেম্বর ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কৃষি খাতের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম’ নামে পাঁচ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে কৃষক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এই তহবিলের মেয়াদ ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। প্রয়োজনে তহবিলের অর্থের পরিমাণ ও মেয়াদ বাড়ানো হবে।

আরও পড়ুন:
খাদ্য নিরাপত্তায় কৃষিতে পুনঃ অর্থায়ন তহবিল
ব্যাংকে টাকা নেই বলে গুজব ছড়াচ্ছে সুযোগসন্ধানীরা
ঋণ আদায়ে তহবিল ব্যয়ের ছাড়ে নিরীক্ষার নির্দেশ
গরিবদের থেকে এনজিওর বেশি সুদ আদায় অন্যায়: গভর্নর
ষড়যন্ত্রমূলক খবর প্রচার হচ্ছে: বাংলাদেশ ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Loan facilities up to crores of rupees to small and medium entrepreneurs

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা
উদ্যোক্তাদের সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া যাবে। এর আগে গত ৮ নভেম্বর এক সার্কুলারে চলতি মূলধন দেয়ারও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা খাতে ঋণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।  

অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে মেয়াদি ঋণের পাশাপাশি চলতি মূলধন ঋণ এবং ব্যবসা খাতে দেয়া ঋণের বিপরীতেও ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতদিন সিএমএসএমইর পাশাপাশি মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতে তাদের জামানতবিহীন মেয়াদি ঋণকে ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম’ সুবিধা দেয়া হতো।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট গ্যারান্টি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত্র জারি করা এক নির্দেশনা সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসা খাতে ঋণের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের করোনার প্রভাব কাটিয়ে উঠতে কম সুদে এবং সহজ শর্তে ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল রয়েছে।

কত টাকা ঋণ

সার্কুলারে বলা হয়, কুটির ও মাইক্রো উদ্যোগের উৎপাদনশীল ও সেবা শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া যাবে।

ক্ষুদ্র উদ্যোগের উৎপাদনশীল শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা হতে সর্বোচ্চ তিন কোটি টাকা এবং সেবা শিল্প খাতে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা ঋণ দেয়া হবে।

মাঝারি উদ্যোগের উৎপাদনশীল শিল্প খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন এক লাখ হতে সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা এবং সেবা শিল্প খাতে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা হতে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা ঋণ দিতে পারবে।

মাইক্রো উদ্যোগের ব্যবসা খাতে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের ব্যবসা খাতে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা হতে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা।

এতদিন এই তহবিল থেকে সিএমএসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের মেয়াদি ঋণ দেয়া হতো।

গত ৮ নভেম্বর এক সার্কুলারে চলতি মূলধন দেয়ারও সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আমদানি বিকল্প পণ্য উৎপাদনসহ সেবা খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে এই তহবিল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক এই তহবিল থেকে ব্যবসা খাতে ঋণের পরিমাণও বাড়িয়েছে। এর আগে এই তহবিল থেকে একটি ব্যাংক যত ঋণ বিতরণ করত, তার ৭০ ভাগ যেত উৎপাদন ও সেবা খাতে। বাকি ৩০ ভাগ যেত ব্যবসা খাতে। এখন থেকে উৎপাদন ও সেবা খাতে সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ এবং ব্যবসা খাতে ৩৫ শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে।

এই তহবিল থেকে এসএমই উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীল খাতে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা এবং সেবা খাতে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা মেয়াদি ঋণ দেয়া যায়। আর কুটির ও মাইক্রো উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীল খাতে ৩ কোটি এবং সেবা খাতে ১ কোটি টাকা ঋণ দেয়া যায়। গ্রাহক পর্যায়ে এর সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ। চলতি মূলধন ঋণের ক্ষেত্রেই একই পরিমাণ ঋণ দেয়া হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে জামানতবিহীন ঋণ দিতে উৎসাহিত করতে সিএমএস খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সর্বপ্রথম ‘ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমের’ নীতিমালা ঘোষণা করেছিল ।

২০২০ সালের ২৭ জুলাই ঘোষিত ওই নীতিমালা অনুযায়ী, ক্রেডিট গ্যারান্টি বা ঋণ নিশ্চয়তা সুবিধা শুধু সিএমএস উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধনের (ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল) জন্য উন্মুক্ত ছিল। মহামারির ধাক্কা সামলে উঠতে পরে মেয়াদি ঋণের ক্ষেত্রেও সে সুবিধা দেয়া হয়।

এরপর উদ্যোক্তাদের মাঝে অর্থ সরবরাহ বাড়াতে নতুন স্কিম গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১৯ জুলাই সিএমএসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য ২৫ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়নে তহবিল গঠন করা হয়। ওই তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়া সহজ করতে মেয়াদি ঋণকেও ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিম সুবিধার আনা হয়। এখন চলতি মূলধন ঋণ এবং ব্যবসা খাতে দেয়া ঋণের বিপরীতেও ক্রেডিট গ্যারান্টি সুবিধা দেয়া হলো।

আরও পড়ুন:
ছয় বিভাগে এসএমই পণ্য মেলা
ক্ষুদ্র শিল্পে সহজ শর্তে ঋণ প্রয়োজন: শিল্প প্রতিমন্ত্রী
বাজেট: এসএমই ফাউন্ডেশনের ৫০ সুপারিশ
এসএমই খাতে শতভাগ প্রণোদনা বাস্তবায়ন চায় ঢাকা চেম্বার
তিন মাসে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পেলেন ২০০ কোটি টাকা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
EXIM Banks 145th branch at Anwara

আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা

আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখা উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় শাখা উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন এক্সিম ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেন।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় এক্সিম ব্যাংকের ১৪৫তম শাখার উদ্বোধন হয়েছে। সম্প্রতি আনোয়ারা শাখায় অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।

ব্যাংকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান ও অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এস এম আবু জাকেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহা. জসিম উদ্দিন ভূঞা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এক্সিম ব্যাংকের করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ব্র্যান্ডিং ডিভিশন ও মার্কেটিং ডিভিশনের প্রধান সঞ্জীব চ্যাটার্জীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এক্সিম ব্যাংক আপনাদেরই ব্যাংক। আপনারা এই ব্যাংকের ওপর আস্থা রাখুন। আপনাদের সহযোগিতায় এই ব্যাংক সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন রাশেদুল হাসান
এক্সিম ব্যাংকের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ
হজযাত্রীদের জন্য আশকোনায় বুথ খুলেছে এক্সিম ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশংসাপত্র পেল এক্সিম ব্যাংক
এক্সিম ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ থাকবে ৭ দিন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Cash and Islami Bank joined hands

হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক

হাত মেলাল ‘নগদ’ ও ইসলামী ব্যাংক নগদ ও ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি সই অনুষ্ঠান। ছবি: সংগৃহীত
২০ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক-এর গ্রাহকরা নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ‘নগদ ইসলামিক’ অ্যাকাউন্টে ৩৫৫০ টাকা অ্যাড মানি করলেই সঙ্গে সঙ্গে উপহার হিসেবে পাবেন ৩০ টাকা মোবাইল রিচার্জ। এ উপহার নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টের নম্বরে পৌঁছে যাবে। একজন গ্রাহক একবার এ উপহার পাবেন। অফারটি নগদ ইসলামিক-এর পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরাও পাবেন।

ইসলামী জীবনধারা মেনে আর্থিক লেনদেন আরও সহজ করতে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু হয়েছে।

এখন থেকে নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর গ্রাহকরা ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে অ্যাড মানি, ডিপিএস ও রেমিট্যান্স লেনদেন করতে পারবেন। এছাড়া ইসলামী ব্যাংকের ‘সেলফিন’ অ্যাপের মাধ্যমেও নিতে পারবেন নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর সেবা।

রাজধানীর একটি হোটেলে সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদ ও নগদ ইসলামিক-এর সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের পথচলার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে ইসলামী ব্যাংক থেকে ‘নগদ ইসলামিক’ ও যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে অ্যাড মানি করা যাবে মুহূর্তেই। পাশাপাশি ‘নগদ ইসলামিক’ ও যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্ট থেকে ডিপিএস, রেমিট্যান্স লেনদেন করা যাবে ইসলামী ব্যাংকে।

২০ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক-এর গ্রাহকরা নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো ‘নগদ ইসলামিক’ অ্যাকাউন্টে ৩৫৫০ টাকা অ্যাড মানি করলেই সঙ্গে সঙ্গে উপহার হিসেবে পাবেন ৩০ টাকা মোবাইল রিচার্জ। এ উপহার নগদ ইসলামিক অ্যাকাউন্টের নম্বরে পৌঁছে যাবে। একজন গ্রাহক একবার এ উপহার পাবেন। অফারটি নগদ ইসলামিক-এর পাশাপাশি নগদ গ্রাহকরাও পাবেন।

‘নগদ’ মূলত গ্রাহকদের দ্রুত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে ব্যাংক টু নগদ অ্যাড মানি সার্ভিসের সুযোগ বৃদ্ধি করছে। ফলে কোনো চার্জ ছাড়াই, ব্যাংক-এর ইন্টারনেট ব্যাংকিং গ্রাহকরা যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারছেন মুহূর্তেই। এরই মধ্যে বাংলাদেশের ৩০টিরও বেশি ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি সুবিধা নিতে পারছেন ‘নগদ’ গ্রাহকরা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব খলিলুর রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হারুনুর রশীদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুনিম হাসান, ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিরুল মওলা, নগদ লিমিটেড-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুকসহ নগদ ও ইসলামী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা আনন্দিত যে নগদ-এর মতো একটি প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে পথচলা শুরু করল। আমি নগদকে ধন্যবাদ জানাই তাদের ইনোভেশনের জন্য। তারা ই-কেওয়াসিসহ বেশ কিছু বিষয় দেশের মানুষের কাছে পরিচিত করেছে। যার ফলে সরাসরি মানুষ নগদ-এর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে যুক্ত হতে পারছে।’

তিনি বলেন, ‘নগদ বিভিন্ন ধরনের ভাতা বিতরণ করতে করতে আজ এ পর্যন্ত এসেছে। আজকে ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে নগদ-এর যে হ্যান্ডশেক হলো, তা অন্যদের জন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। আসুন আমরা ইসলামী ব্যাংক ও নগদ ইসলামিক-এর জন্য শুভ কামনা করি। আমরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধি দেখতে চাই, ডিজিটাল বাংলাদেশের পথ ধরেই সমৃদ্ধি আসবে, সেই আশা প্রকাশ করি।’

ইসলামী ব্যাংক এমডি বলেন, ‘নগদ সাড়ে তিন বছরে সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহককে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে এনেছে। নগদ ইসলামিক সেবা চালু করেছে। এটি সময়ের দাবি এবং এ দেশের কোটি কোটি মানুষ হৃদয়ে যে বিষয়টি লালন করে সেটি নগদ নিয়ে এসেছে। এটি আরও অনেক বেশি সফল হবে। আমাদের অ্যাপ সেলফিন আর নগদ ইসলামিকের কোলাবরেশনের মাধ্যমে আরও মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভূক্তিতে আনতে পারব।’

‘নগদ’ এমডি বলেন, ‘ব্যাংকগুলোর জন্য মানুষের পাশে সেবা নিয়ে যাওয়া সম্ভব না, যেটি নগদ-এর মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্ভব। আমরা চাই আগামী বছর নগদ-এর সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহককে স্মার্ট কার্ড দিতে।’

তিনি বলেন, ‘নগদ-এর ভিশনই ছিল যত কম খরচে মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া। সেই সময় থেকে আমরা মানুষের জন্য ইনোভেশন নিয়ে কাজ করছি। দেশের এমএফএস সেবা কারও কাছে জিম্মি থাকবে না, আমরা এ সেবাকে সবার কাছে নিয়ে যেতে চাই।

আরও পড়ুন:
রপ্তানি আয় নগদায়নে সনদ ইস্যু করতে পারবে এডি শাখা
স্তন ক্যানসার সচেতনতা বাড়াতে ‘নগদ’-এর কর্মশালা
বিজনেস ডিরেক্টর অব দ্য ইয়ার হলেন নগদের সিবিও
ডাক বিভাগকে সাড়ে ৪ কোটি টাকার রাজস্ব দিল ‘নগদ’
‘সিদীপ’ গ্রাহকরা কিস্তি দিতে পারবেন ‘নগদ’-এর মাধ্যমে

মন্তব্য

p
উপরে