× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
A huge amount of currency is going abroad illegally in the name of travel
hear-news
player
print-icon

ভ্রমণের নামে অবৈধভাবে বিদেশ যাচ্ছে বিপুল মুদ্রা

ভ্রমণের-নামে-অবৈধভাবে-বিদেশ-যাচ্ছে-বিপুল-মুদ্রা-
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা ভ্রমণের জন্য যারা বৈধ পথে বিদেশ যান তারা কত ডলার নিতে পারবেন তার সীমা দেয়া আছে। এর চেয়ে বেশি নেয়ার সুযোগ নেই। কেউ যদি চুরি করে নেয় সেটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।’

শিক্ষা, চিকিৎসা কিংবা বেড়ানোসহ নানা কারণে ভ্রমণের নামে দেশ থেকে চলে যাচ্ছে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা। এই ব্যয়ে নেই যথাযথ নজরদারি। ফলে এসব ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মুদ্রাই যাচ্ছে অবৈধভাবে।

এ ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের বেলায়। প্রতি বছর লাখ লাখ বাংলাদেশি ঘুরতে যাচ্ছেন দেশটিতে, যাদের বড় অংশই যায় চিকিৎসা ও শিক্ষার জন্য।

এ ছাড়া থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিতে যাচ্ছেন অনেকেই। প্রতি বছর কত রোগী এসব দেশে চিকিৎসার জন্য যান তার সঠিক পরিসংখ্যান নেই।

ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তথ্য মতে, প্রতি বছর বিদেশ থেকে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীর ২২ শতাংশই বাংলাদেশি।

ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন দপ্তরের হিসাব বলছে, দেশটিতে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পর্যটক যায় বাংলাদেশ থেকে। ২০১৮ সালে প্রায় ২২ লাখ বাংলাদেশি পর্যটক ভারতে গেছেন। ২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারিতে দেশটি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিলে এ হার নেমে আসে শূন্যের কোঠায়। প্রায় দুই বছর পর এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলে দেশটিতে ফের বাড়তে থাকে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা।

ভারতের ভিসাপ্রত্যাশীদের চাপ সামলাতে জনবল ও অফিসের সময় বাড়াতে হয় ঢাকায় ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্রের। একই সঙ্গে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার জন্য জনবল বাড়ানোসহ নেয়া হয় নানা ব্যবস্থা। গত রোববার বন্ধ থাকার কথা থাকলেও কার্যক্রম চালু রেখেছে ভারতীয় ভিসা আবেদনকেন্দ্র।

নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশি হাইকমিশন অফিসের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতে আসা পর্যটকদের প্রতি পাঁচজনের একজনই বাংলাদেশি।
প্রশ্ন উঠেছে এসব পর্যটকের ব্যয় নিয়েও। সম্প্রতি দিল্লিতে বাংলাদেশি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান হোসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রশ্ন তোলেন।

পর্যটন কিংবা চিকিৎসার জন্য যারা ভারতে যাচ্ছেন তাদের তো বটেই, যেসব শিক্ষার্থী ভারতে লেখাপড়া করতে যান তাদের অভিভাবকদের করযোগ্য আয়ের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয় ওই চিঠিতে। বলা হয়, এসব বিষয়ে সরকার ব্যবস্থা নিলে দেশ থেকে টাকা পাচার রোধ করা যাবে। সাশ্রয় হবে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা।

জানা যায়, ওই চিঠির একটি অনুলিপি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) পাঠানো হয়েছে।

বর্তমানে দেশের বৈদেশিক মুদ্র্রার আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিক বাজার অস্থিরতা চলছে। প্রতিনিয়ত কমছে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত। যার প্রভাব পড়েছে বিনিময় হারে। সম্প্রতি টাকার বিপরীতে ডলারের দাম রেকর্ড ছাড়িয়েছে। এমন বাস্তবতায় বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করাসহ নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। কিন্তু খুব একটা লাগাম টানা যায়নি বেসরকারি পর্যায়ে বিদেশ ভ্রমণে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যেকোনো দেশে ভ্রমণের জন্য বৈধভাবে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ডলার নেয়া যায়। চিকিৎসার জন্য নেয়া যায় ১০ হাজার ডলার। এর বেশি নিতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে। আর উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী ডলার পাঠাতে পারেন তাদের অভিভাবকরা।

আইনে বিদেশ ভ্রমণে ডলার নেয়ার সীমা থাকলেও বাস্তবে এর চেয়ে বহুগুণ চলে যাচ্ছে অবৈধ পথে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চিকিৎসা, শিক্ষা কিংবা ভ্রমণের জন্য যারা বৈধ পথে বিদেশ যান তারা কত ডলার নিতে পারবেন তার সীমা দেয়া আছে। এর চেয়ে বেশি নেয়ার সুযোগ নেই। কেউ যদি চুরি করে নেয় সেটা তো আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।’

তিনি জানান, সীমার বেশি বেশি নিতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি লাগে। এক্ষেত্রে যৌক্তিকতা যাচাই করেই অনুমতি দেয়া হয়।

গবেষণা সংস্থা পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘উন্নত চিকিৎসার জন্য যে কেউ বিদেশ যেতেই পারে। সরকার তা বন্ধ করতে পারে না। আমার মনে হয়, এখানে যে ধরনের তদারিক দরকার তা হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্য সরকারি সংস্থার এদিকে নজর দেয়া উচিত।’

হাইকমিশনারের চিঠিতে যা আছে

হাইকমিশনার তার চিঠিতে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগের গভীরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নানা কারণে জনগণের যাতায়াত বেড়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যমান আর্থিক নীতিমালার সুষ্ঠু প্রয়োগ নিশ্চিত করলে বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হতে পারে।’

চিকিৎসা বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়, প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসা নিতে আসেন ভারতে। রোগীর সঙ্গে অভিভাবকও থাকেন, যা খরচের পরিমাণ আরও বাড়িয়ে তোলে। অথচ জটিল ও মুমূর্ষু রোগী ছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরনের চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেই সম্ভব।

তাই বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিদের বিদেশি চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন আছে কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা যেতে পারে। বিশেষ বিবেচনা করে চিকিৎসার অনুমতি দিলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হতে পারে।

ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, ভারতের মেডিকেল ট্যুরিজম খাতে আয় প্রায় বছরে ১০ বিলিয়ন ডলার। এই আয়ের উল্লেখযোগ্য পরিমাণই আসে বাংলাদেশিদের কাছ থেকে।

শিক্ষা ভ্রমণ প্রসঙ্গে চিঠিতে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে আসা উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ছাত্রছাত্রী ভারতের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ খরচে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করছেন। প্রতি বছর এ সংখ্যা বেড়েই চলেছে। স্নাতক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থীকে ভারতে প্রতি বছর আনুমানিক তিন থেকে পাঁচ লাখ টাকা খরচ করতে হয়। এক্ষেত্রে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণকে নিরুৎসাহিত না করে, ছাত্রছাত্রীরা যাতে সঠিক ও বৈধ চ্যানেলে অর্থ স্থানান্তর করে তা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

পর্যটন ভিসার বিষয়ে চিঠিতে বলা হয়, ধর্মীয় উৎসব, বিয়ে বা অন্য কোনো সামাজিক উৎসব উপলক্ষে কেনাকাটার জন্য বছরজুড়েই বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ভারতে ভ্রমণ করে থাকেন। এ ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যটকদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। এক্ষেত্রেও বিদেশ ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশি পর্যটকরা যাতে সঠিক ও বৈধ পথে অর্থ নিয়ে আসে, তা নিশ্চিত করা যেতে পারে।

ভ্রমণকারীদের কর যাচাইয়ের সুপারিশ

ভ্রমণকারীদের কর দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে বলে মনে করেন হাইকমিশনার। যারা চিকিৎসা নিতে বিদেশে আসেন কিংবা যেসব অভিভাবক তাদের সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় বিদেশ পাঠান তাদেরও সেই সামর্থ্য আছে। তারা ঠিকমতো সেটি পরিপালন করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখার সুপারিশও করা হয় ইকবাল হোসেনের চিঠিতে।

জানা যায়, চলতি অর্থবছরের বাজেটে ৩৮ সেবার ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের সঙ্গে প্রমাণাদি দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হাইকমিশনার মনে করেন, ভ্রমণকারীদের বাধ্যতামূলক রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রদর্শনের বিষয়টি নিশ্চিত করা গেলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনবিআরের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হাইকমিশনারের চিঠিটি আমরা পেয়েছি। যেসব প্রস্তাব তিনি দিয়েছেন তা যৌক্তিক। আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। আগামী বাজেটে তার প্রতিফলন থাকতে পারে।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক ঊর্ধ্বতন পরিচালক ও অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের দেশে সেবা খাতে সীমাবদ্ধতা আছে। যে কারণে অনেকেই চিকিৎসা, শিক্ষা নিতে বিদেশ যাচ্ছে। এটা ঠিক, চিকিৎসায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ব্যয় হচ্ছে। এখানে শক্তভাবে তদারিক করা দরকার। পাশাপাশি দেশে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। তাহলে বিদেশ যাওয়া কমবে রোগীদের।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Great response to Walton Smart TV in Ireland

আয়ারল্যান্ডে ওয়ালটন স্মার্ট টিভিতে ব্যাপক সাড়া

আয়ারল্যান্ডে ওয়ালটন স্মার্ট টিভিতে ব্যাপক সাড়া
আয়ারল্যন্ডে ওয়ালটন টিভির পরিবেশক হিসেবে বাজারজাত কার্যক্রম পরিচালনা করছে দেশটির খ্যাতনামা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স অ্যাপ্লায়েন্সে বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সোমার লিমিটেড।

চলতি বছরের এপ্রিলে আয়ারল্যান্ডে নিজস্ব ব্র্যান্ড লোগোতে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি রপ্তানি শুরু করে বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশটিতে ইতোমধ্যে ওয়ালটন টিভি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আয়ারল্যান্ডের অন্যতম বৃহৎ রিটেইল স্টোর ‘ডিড ইলেকট্রিক্যাল’-এ প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে ওয়ালটনের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট টিভি। যা ইউরোপের বাজারে নিজস্ব ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেই শুধু নয়; বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড হওয়ার লক্ষ্যে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বিশাল মাইলফলক।

ইউরোপে দায়িত্বপ্রাপ্ত ওয়ালটন গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাঈদ আল ইমরান বলেন, ‘ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে ওয়ালটন টিভির ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরে উত্তর-পূর্ব ইউরোপের দেশ আয়ারল্যান্ডে ওয়ালটন ব্র্যান্ড লোগোতে টেলিভিশন রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করা হয়। গত এপ্রিলে ওয়ালটনের ৩২, ৪৩ ও ৫৫ ইঞ্চি অ্যান্ড্রয়েড টিভির প্রথম শিপমেন্ট পাঠানো হয়।’

আয়ারল্যন্ডে ওয়ালটন টিভির পরিবেশক হিসেবে বাজারজাত কার্যক্রম পরিচালনা করছে দেশটির খ্যাতনামা কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স অ্যাপ্লায়েন্সে বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান সোমার লিমিটেড।

ওয়ালটন টিভির চিফ বিজনেস অফিসার প্রকৌশলী মোস্তফা নাহিদ হোসেন বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডে টিভি রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ নিঃসন্দেহে ওয়ালটনের ভিশন ‘গো গ্লোবাল ২০৩০’ অর্জনের পথে এক বিশাল মাইলফলক। ভৌগোলিক দিক থেকে আয়ারল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বাজার। দেশটির প্রতিবেশী হচ্ছে গ্রেট বিটেন। তাই আয়ারল্যান্ডে রপ্তানি কার্যক্রম শুরুর ফলে গ্রেট ব্রিটেনে ওয়ালটন টিভির ব্র্যান্ড বিজনেস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩৫ টিরও বেশি দেশে শতাধিক বিজনেস পার্টনারের মাধ্যমে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ লেবেলযুক্ত টিভি রপ্তানি করছে ওয়ালটন। ওয়ালটন টিভির মোট রপ্তানির প্রায় ৯৫ শতাংশই যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোতে।

আরও পড়ুন:
নতুন মেকানিক্যাল কিবোর্ড আনল ওয়ালটন
স্টার ব্র্যান্ড প্রোমোটার কার্যক্রম শুরু করল ওয়ালটন
ওয়ালটনের সিসিটিভি পণ্য উন্মোচন
ব্লুটুথ ও এয়ার প্লাজমা প্রযুক্তির এসি আনল ওয়ালটন
ওয়ালটনের ‘ব্র্যান্ডিং হিরোস’ পুরস্কার পেল ৪৭ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
10000 CCTV of Sidnisan in IFIC Bank

আইএফআইসি ব্যাংকে সিডনিসানের ১০ হাজার সিসিটিভি

আইএফআইসি ব্যাংকে সিডনিসানের ১০ হাজার সিসিটিভি
আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে ডিএমডি অ্যান্ড হেড অফ ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশন সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাগর টিটো সই করেন।

দেশের অন্যতম আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যাংকিং কার্যক্রম আধুনিকায়নে ও গ্রাহকসেবার নিরাপত্তার লক্ষ্যে দেশের অন্যতম সিসিটিভি ও ভিডিও সারভেইলেন্স সলিউশিন সরবরাহ ও স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠান সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি হয়েছে।

সে চুক্তির আওতায় এখন সিডনিসান আইএফআইসি ব্যাংকের ১৭৬টি শাখা, ১ হাজার ৩৩০টি উপশাখাসহ ৩৯টি এটিএম বুথে প্রায় ১০ হাজার দাহুয়া ব্র্যান্ডের আইপি সিসিটিভি ক্যামেরা সংযোজন ও স্থাপন করে। এসব এখন আইএফআইসি টাওয়ার থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

প্রকল্পটির নিরবচ্ছিন্ন ও সেবার মানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বিক্রয়োত্তর সেবার লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে রোববার আরেকটি চুক্তি হয়েছে।

আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষে ডিএমডি অ্যান্ড হেড অফ ইন্টারন্যাশনাল ডিভিশন সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এবং সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাগর টিটো সই করেন।

চুক্তি অনুষ্ঠানে আইএফআইসির পক্ষে হেড অফ ডাটা প্রোসেসিং অ্যাড আইটি নাজমুল হক তালুকদার, হেড অফ সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট তৌহিদ মাহমুদ হোসাইন, হেড অফ আইটি অপারেশনস আশরাফুল আলম বিশ্বাস, ইনচার্জ সেন্ট্রাল সিকিউরিটি সারভেইলেন্স সিস্টেম শ্রীজন কুমার দে ও সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট নেফিজ আহমেদ, সিনিয়র ম্যানেজার কৌশিক মাতুব্বর, হেড অফ সলিউশন রাশেদুল হাসান ছাড়াও অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিডনিসান ইন্টারন্যাশনালের সিইও সাগর টিটো বলেন, ‘আইএফআইসি ব্যাংকের এই ধরনের বৃহৎ প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত হতে পেরে সিডনিসান পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আধুনিক প্রযুক্তির ডাহুয়া ব্রান্ডের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নজরদারি কর্মকাণ্ডকে অধিকতর কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে সহায়তা করে। ফলে, সীমিত লোকবল দিয়ে অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করা সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি হলেন গীতাঙ্ক দেবদীপ
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আইএফআইসি’র বিশেষ ব্যাংকিং সেবা
আইএফআইসি ব্যাংকে রিকভারি সভা
আইএফআইসির গণমানুষবান্ধব একগুচ্ছ ব্যাংকিং সেবা
আইএফআইসি ব্যাংকের রাইট শেয়ারের আবেদন বাতিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
600 million dollars from JICA in budget support

বাজেট সহায়তায় জাইকার ৬০ কোটি ডলার

বাজেট সহায়তায় জাইকার ৬০ কোটি ডলার
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘সরকার বাজেট সহায়তা চেয়ে জাইকাকে আভাস দিয়েছে। এটা প্রক্রিয়াধীন আছে, তাদের কথা শুনে ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে। তবে সবকিছুর আইনকানুন আছে, সেগুলো মেনেই কাজ করতে হবে। আমার বিশ্বাস, সব প্রসেসিংয়ের পর আমরা বাজেট সহায়তা পাব।’

দাতা সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) বাংলাদেশকে ৬০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা দিতে চায় বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১০৫ টাকা) হিসাবে টাকার অঙ্কে এই অর্থের পরিমাণ ৬ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে সোমবার জাইকার বিদায়ী বাংলাদেশ প্রধান ইয়ো হায়াকাওয়া এবং নতুন আবাসিক প্রতিনিধি ইচিগুচি টমোহাইডের সঙ্গে বৈঠক শেষ পরিকল্পনামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, ‘এটা আলোচনা পর্যায়ে আছে; এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যেহেতু আমি সরকারের একটা দায়িত্বে আছি, তাই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বাজেট সহায়তা চেয়ে জাইকাকে আভাস দিয়েছে। এটা প্রক্রিয়াধীন আছে, তাদের কথা শুনে ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে। তবে সবকিছুর আইনকানুন আছে, সেগুলো মেনেই কাজ করতে হবে। আমার বিশ্বাস, সব প্রসেসিংয়ের পর আমরা বাজেট সহায়তা পাব।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘এটা নিয়ে কাজ করবে ইআরডি। তবে যেহেতু সরকারে আছি, মন্ত্রণালয়ে আছি, তাই আলোচনা করেছি। পরিবেশটা অনেক ইতিবাচক। ৬০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা জাইকা আমাদের দেবে।

‘নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে জাপানি অর্থায়নে ইকোনমিক জোন হচ্ছে। সেখানে কাজ করতে চায় জাইকা। এটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রকল্পটি দ্রুততর সময়ে একনেক সভায় উঠবে। মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুতেও জাপান কাজ করছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা আরও আগ্রহী। এ খাতে জাইকা কাজ করতে ইচ্ছুক। আমরা আমাদের নৌবন্দরগুলোতে আরও কাজ করতে চাই। অবকাঠামো খাতে জাইকা বেশি কাজ করতে চায়। রেল, সমুদ্র খাত নিয়ে কাজ করতে চায় তারা।’

বৈঠক শেষে জাইকার বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধি ইয়ো হায়াকাওয়া দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, ‘আমি নিজ চোখে দেখেছি, বাংলাদেশ বেশ ভালোভাবে এবং সাহসিকতার সঙ্গে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করেছে। কোভিডের পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এটা আমার জন্য খুব অসাধারণ অভিজ্ঞতা ছিল। আমি বাংলাদেশে কাজ করার সময়টাকে খুব উপভোগ করেছি।’

জাইকার নতুন আবাসিক প্রতিনিধি ইচিগুচি টমোহাইড বলেন, ‘বাংলাদেশ আমার জন্য নতুন নয়। তিন বছর আগে বাংলাদেশ নিয়ে কাজ করেছি। বাংলাদেশের অনেক কিছুর সঙ্গে আমি পরিচিত। এই দেশের কয়েকটি প্রকল্পে আমি কাজ করেছি জাইকার হেড অফিসে বসে।’

তিনি বলেন, ‘আমার আগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমি বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আমার বয়স আর বাংলাদেশের বয়স সমান। বাংলাদেশের জন্য আমি একটি টান অনুভব করি। আমি বাংলাদেশে কাজ করতে পেরে আনন্দিত।’

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন সহযোগী হলো জাইকা। আর উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম বিশ্বস্ত বন্ধু হলো জাইকা। জাইকার অর্থায়নে ঢাকায় বহুলপ্রতীক্ষিত মেট্রোরেল তৈরি হচ্ছে।

জাইকার ঋণের সুদের হার বিশ্বব্যাংক, এডিবিসহ অন্য উন্নয়ন সংস্থার চেয়ে কম। জাইকার অনেক ঋণ অনুদান হিসেবেও পেয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর স্বীকৃতি দেয়া দেশগুলোর মধ্যে জাপান ছিল প্রথম কাতারে। জাপান শুধু বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নয়, শিক্ষা ও কৃষিতেও অবদান রেখেছে। রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সব সময় বাংলাদেশের পাশে ছিল জাপান। দুই দেশের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নান।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা যায়, এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ঋণসহায়তা দিয়েছে জাইকা।

আরও পড়ুন:
বন্দরে টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে জাইকার সহায়তা চায় এফবিসিসিআই
উপকূলীয় জেলেদের উন্নয়নে জাপানের পাইলট প্রকল্প

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
3 points lotus gold price in 12 days interval

১২ দিনের ব্যবধানে ৩ দফা কমল স্বর্ণের দাম

১২ দিনের ব্যবধানে ৩ দফা কমল  স্বর্ণের দাম
মঙ্গলবার থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮১ হাজার ২৯৯ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার পর্যন্ত ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও প্রায় একই হারে কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

স্বর্ণের দাম আরও কমছে। সপ্তাহের ব্যবধানে এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

এ নিয়ে ১২ দিনের ব্যবধানে তিন দফায় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমল মূল্যবান এই ধাতুর দাম।

মঙ্গলবার থেকে দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮১ হাজার ২৯৯ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার পর্যন্ত ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ হিসাবেই কমেছে ১ হাজার ৫০ টাকা।

অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও প্রায় একই হারে কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাজুস।

সোমবার বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়।

তাতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হ‌য়ে‌ছে।

সোমবার থেকে সারা দেশে নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাজুস।

নতুন দর অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৮১ হাজার ২৯৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৯৯১ টাকা কমে ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের দাম কমানো হয়েছে ৯৩৩ টাকা। এখন বিক্রি হবে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ৭০০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা।

সোমবার পর্যন্ত সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা।

এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ছিল ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।

এর আগে সবশেষ গত ১৮ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম কমানো হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়। তার চার দিন আগে ১৪ সেপ্টেম্বর এক দফা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণের দাম কমেছে
৭২ ভরি স্বর্ণ চুরি, তিন সপ্তাহে ধরে ফেলল পুলিশ
স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ৮৪ হাজার ৫৬৪
‘স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুব খারাপ’
ডলার শক্তিশালী হওয়ায় কমল স্বর্ণের দাম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Chamber representatives in Turkey to increase investment

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে
সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবে।

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে ঢাকা চেম্বারের একটি প্রতিনিধি দল দেশটিতে যাচ্ছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার ৮৬ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল তুরস্ক যাবে। দলের নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।

ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইস্তাম্বুল সফরের মূল লক্ষ্য।’

ডিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরকালে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিরা ২৮ সেপ্টম্বর বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন ‘ইস্তাম্বুল চেম্বার অফ কমার্স’ আয়োজিত ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুটি সেশন’, ২৯ সেপ্টেম্বর ফরেন ইকোনমিক রিলেশন্স বোর্ড অফ টার্কি (ডেইক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার ও বিটুবি অধিবেশনে অংশ নেবেন।

এ ছাড়া সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবেন।

বিশেষ করে সেবা, উৎপাদন এবং জেনারেল ট্রেডিং খাতে সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্ভাবনাময় খাতে জয়েন্ট ভেঞ্চার কার্যক্রম বৃদ্ধিতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিসিসিআই।

আরও পড়ুন:
ফের ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হলেন রিজওয়ান
বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের উদ্যোক্তারা
ঢাকা-হ্যানয় ফ্লাইট চায় ডিসিসিআই
অটোমোবাইলে জাপানি বিনিয়োগ চেয়েছে ‘ঢাকা চেম্বার’
ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজনে সহযোগিতা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
FBCCI president honored in USA

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা নিউ ইয়র্কে শনিবার এফবিসিসিআই সভাপতির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি মো. জসিম উদ্দিনকে এ সম্মাননা দেয়। প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে অসামান্য অবদানের জন্য এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা দিয়েছে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা নিজের দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি এফবিসিসিআই সভাপতিকে এ সম্মাননা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা পাওয়ার পর এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দুয়ার খুলবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও নিউ ইয়র্ক আদালতের বিচারক সোমা সৈয়দ।

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম কমায় চাপ কমবে: এফবিসিসিআই
ডিমের দামে কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি চায় এফবিসিসিআই
ব্যবসাবান্ধব আইন চান কুরিয়ার মালিকরা
শ্রমিক সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও
ডলার: ব্যাংকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ব্যবসায়ী নেতারা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Application fee increased in government jobs

সরকারি চাকরিতে বাড়ল আবেদন ফি

সরকারি চাকরিতে বাড়ল আবেদন ফি সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে নবম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি হবে ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০০ টাকা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ঊর্ধ্বগতির মধ্যে বাড়ানো হয়েছে সরকারি চাকরিতে আবেদনের ফি।

এ নিয়ে রোববার পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে নবম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি হবে ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০০ টাকা।

দশম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি আগের মতো ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে।

১১ ও ১২তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ধরা হয়েছে ৩০০ টাকা। আগে গ্রেড দুটির চাকরির আবেদন ফি নির্ধারণ করা ছিল না।

১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি দ্বিগুণ বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে।

অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে পরিপত্রে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ভিন্ন ভিন্ন আদেশ জারি করে বিচ্ছিন্নভাবে লোক নিয়োগ করত। নতুন আদেশে এখন থেকে লোক নিয়োগ একীভূত করা হলো। অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে লোক নিয়োগাদেশ এবং ফি আদায় করা হবে।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হলো।’

যেভাবে ফি আদায়

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, টেলিটকের মাধ্যমে অনলাইনে পরীক্ষার ফি নেয়া হবে। এর বিনিময়ে টেলিটক কমিশন পাবে। কমিশনের পরিমাণ হবে সংগৃহীত পরীক্ষার ফি আদায়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।

টেলিটকের মাধ্যমে ফি বাবদ টাকা পাঠানোর তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জমা হবে। এরপর ওই প্রতিষ্ঠান দ্রুত চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবে।

অনলাইনে ফি জমা না দিলে চালানের মাধ্যমে তা গ্রহণ করা হবে, তবে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডারে অর্থ নিতে পারবে।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি পাসে কার্য-সহকারী পদে চাকরি দিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
সারা দেশ থেকে অফিসার নিচ্ছে প্রিমিয়ার ব্যাংক
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকরি
স্বল্পমেয়াদি কমিশনে আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিসে চাকরি
৬ পদে ১০ চাকরি দিচ্ছে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

মন্তব্য

p
উপরে