× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The price is below the issue price but the investigation is ordered on Bashundhara
hear-news
player
print-icon

ইস্যুমূল্যের নিচে দর, তবু বসুন্ধরা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ

ইস্যুমূল্যের-নিচে-দর-তবু-বসুন্ধরা-নিয়ে-তদন্তের-নির্দেশ
বসুন্ধরা পেপার মিলসের কারখানা। ছবি: সংগৃহীত
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ৮০ টাকায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যে শেয়ার কিনেছেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তা পেয়েছেন ১০ শতাংশ ছাড়ে ৭২ টাকায়। আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে কোম্পানিটি হারানো দর ফিরে পেতে থাকে। এই সময় ৫১ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬ টাকা হয়। এই উত্থানের পেছনে কারসাজি আছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখতে বলেছে বিএসইসি।

গত এক মাসে অনেকটা বাড়লেও এখন ইস্যুমূল্যের নিচে রয়েছে বসুন্ধরা পেপার মিলসের শেয়ারদর। এর মধ্যেও এই দর বৃদ্ধির পেছনে কোনো কারসাজি আছে কি না, সেটি জানতে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর চিঠি দেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এটা একটা রুটিন ওয়ার্ক। নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিএসইসির পক্ষ থেকে শেয়ারদর ও ভলিউম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য বলা হয়েছে, কোনো অনিয়ম আছে কি না সেটা জানার জন্য। এটা বিশেষ কোনো তদন্ত নির্দেশনা নয়।’

তবে বিএসইসির এই নির্দেশনা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে এ কারণে যে, ২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে যত টাকা মূল্যে একেকটি শেয়ার ইস্যু করা হয়, বর্তমান শেয়ারদর এর চেয়ে কম।

বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ৮০ টাকায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যে শেয়ার কিনেছেন, সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তা পেয়েছে ১০ শতাংশ ছাড়ে ৭২ টাকায়। প্রথম দিন শেয়ারটি লেনদেন হয় ১৪০ টাকায়। কিন্তু এরপর তা ক্রমাগত দর হারাতে হারাতে চলে আসে ৪০ টাকার নিচে।

তবে চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার হতে প্রতিষ্ঠানটির ২৫ শতাংশ শেয়ার কিনতে বসুন্ধরা গ্রুপ প্রস্তাব দেয়ার পর থেকে হারানো শেয়ারদর অনেকটাই ফিরে পাচ্ছে বসুন্ধরা পেপার।

গত ২৪ আগস্ট শেয়ারদর ছিল ৫১ টাকা ৭০ পয়সা। ৩১ আগস্ট দর দাঁড়ায় ৬৬ টাকা ১০ পয়সা। এই উত্থানকে অস্বাভাবিক কি না, সেটি ভাবতে থাকে বিএসইসি।

তবে শেয়ারদর এরপর আরও খানিকটা বেড়েছে। একপর্যায়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যুমূল্যের চেয়ে কিছুটা বেড়ে ৭৯ টাকা ২০ পয়সায় ওঠে। যদিও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যে মূল্যে শেয়ার কিনেছেন, তার চেয়ে ৮০ পয়সা কম গত তিন বছরের সর্বোচ্চ এই দর। সোমবার দর দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ৮০ পয়সা, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ইস্যু করা দরের চেয়ে কম।

হারানো দর দ্রুত ফিরে পাওয়ার পর দর বৃদ্ধির বিষয়ে ডিএসইর পক্ষ থেকে কোম্পানির কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়েছিল। এর জবাবে ৪ সেপ্টেম্বর কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের কাছে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই।

এ বিষয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যখন কোনো শেয়ারের দাম লিস্টিং প্রাইসের নিচে থাকে, তখন বাজার ঊর্ধ্বমুখী হলে বা র‌্যালি শুরু হলে সেসব শেয়ারের দর ফিরে আসে। মানুষ তখন খোঁজে কোনটার প্রাইস লিস্টিংয়ের নিচে আছে। অনেক সময় এই সাইকোলজিক্যাল ব্যাপারটার সুযোগ নেয় গ্যাম্বলার বা বড় মার্কেট প্লেয়াররা। ফলে বসুন্ধরার শেয়ারদরকে এখনও ওভারভ্যালুড বলা সমীচীন নয়। যদি এটা লিস্টিং প্রাইসের ওপরে চলে যায়, ধরা যাক ১০০ টাকা অতিক্রম করছে তাহলে এটা ঠিক হচ্ছে না বলা যায়।’

নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে আরেকজন ব্রোকার বলেন, ‘বিএসইসির এই আচরণ শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো। কত শেয়ারের দাম আকাশচুম্বী হচ্ছে, সেগুলো নিয়ে কোনো তৎপরতা নেই। অথচ যেটার প্রাইস লিস্টিং দরের নিচে আছে, এবং প্রাইস ওই দরে না আসার কারণ নেই, সেখানে তৎপরতা দেখাচ্ছে।’

২০১৮ সালে তালিকাভুক্ত হওয়ার বছরে শেয়ারপ্রতি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা আয়ের বিপরীতে ২ টাকা, ২০১৯ সালে ১ টাকা ৬৮ পয়সার বিপরীতে ১ টাকা ৫০ পয়সা, ২০২০ সালে ১ টাকা ৬৪ পয়সার বিপরীতে ১ টাকা এবং ২০২১ সালে ২ টাকা ৩৭ পয়সার বিপরীতে ১ টাকা ২০ পয়সা লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানি।

১৭৩ কোটি ৭৯ লাখ ১০ হাজার টাকার পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানির শেয়ারসংখ্যা ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১।

সোমবার বসুন্ধরা বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৯ কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার টাকায়। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৪৬৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
বেক্সিমকো ও ওরিয়ন গ্রুপে তুমুল আগ্রহ
ওষুধ খাতে হুলুস্থুল, দ্বিধা কাটিয়ে স্বরূপে ফিরল পুঁজিবাজার
পুঁজিবাজার উত্থানে ফিরলেও বিভ্রান্তিতে লেনদেনে ভাটা
ব্যাংকগুলোকে পুঁজিবাজারে আরও বিনিয়োগে উৎসাহ দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ফ্লোর প্রাইসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পতন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Western Marine declares but does not pay dividends

লভ্যাংশ ঘোষণা করে কিন্তু দেয় না ওয়েস্টার্ন মেরিন

লভ্যাংশ ঘোষণা করে কিন্তু দেয় না ওয়েস্টার্ন মেরিন ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ফাইল ছবি
২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও গত ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে সে প্রস্তাব বাতিল করে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে। কিন্তু সেই লভ্যাংশ বিতরণ করার কোনো ঘোষণা পরে আর আসেনি। আগের বছর কোম্পানিটি ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে, কিন্তু সে বছরও তা বিতরণ করা হয়নি।

নো ডিভিডেন্ড ঘোষণার পর পড়তির দিকে থাকা শেয়ারদর তরতর করে বাড়তে থাকে এজিএমে এক শতাংশ লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্তে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে শেয়ারদর ৫০ শতাংশ বেড়েও যায়। তবে সেই লভ্যাংশ আর বিতরণ করা হয়নি।

এই কাণ্ড করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। ২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের লভ্যাংশ ঘোষণার পর এই কাণ্ড করেছে তারা। আগের বছরেও একই কাজ করেছে কোম্পানিটি।

ঘোষিত লভ্যাংশ বিতরণ করে যে প্রতিবেদন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসইতে দেয়ার কথা ছিল, সেটি জমা দেয়া হয়নি। বিষয়টি অবহিত করে নির্দেশনা চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

অভিযোগ উঠেছে, লভ্যাংশ সংক্রান্ত এসব ঘোষণা দিয়ে শেয়ারদর বাড়িয়ে কোম্পানির কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন। এ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে কোম্পানির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয়ার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি।

নো ডিভিডেন্ডের সিদ্ধান্ত পাল্টানোর পর শেয়ারদরে লাফ

২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য কোম্পানিটি নো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করলেও গত ২৩ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএমে সে প্রস্তাব বাতিল করে ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করে।

কিন্তু সেই লভ্যাংশ বিতরণ করার কোনো সিদ্ধান্ত আর জানানো হয়নি।

২০২১ সালের ১১ নভেম্বর কোম্পানিটি লভ্যাংশ না দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার দিন শেয়ারদর ছিল ১১ টাকা ১০ পয়সা। পরিচালনা পর্ষদের এই সিদ্ধান্তের পর শেয়ারদর কমে আসে ৯ টাকা ৫০ পয়সা।

এজিএমের দিন শেয়ারদর ছিল ১০ টাকা ২০ পয়সা। লভ্যাংশ সংক্রান্ত ঘোষণা পাল্টানোর সিদ্ধান্ত আসার পর শেয়ারদর আবার দেয় লাফ। ১২ কর্মদিবস পর ১০ জানুয়ারি শেয়ারদর বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৬০ পয়সা। এই সময়ে বাড়ে ৪ টাকা ৪০ পয়সা বা ৪৩ দশমিক ১৩ শতাংশ।

যে কোম্পানিটির ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে যাওয়ার কথা ছিল, লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্তের কারণে সেটি আর সেই ক্যাটাগরিতে না গিয়ে ‘বি’তে লেনদেন হতে থাকে।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, বিধান হলো এজিএমে লভ্যাংশ অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে তা বিনিয়োগকারীর হিসাবে পাঠাতে হবে। লভ্যাংশ শেয়ারে দেয়ার সিদ্ধান্ত হলে তা পাঠাতে হয় বিও হিসাবে আর নগদে হলে দিতে এখন সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠাতে হয়। আর যদি বিনিয়োগকারী মার্জিন ঋণ নিয়ে শেয়ার কিনে থাকেন, তাহলে নগদ লভ্যাংশও যাবে বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবে।

কিন্তু এজিএমের ১০ মাসেও পর্যন্ত লভ্যাংশ বিতরণ সংক্রান্ত কোনো বিজ্ঞপ্তি শেয়ারধারীদেরকে জানানো হয়নি।

আগের বছর একই চিত্র

২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড। এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ নগদ ও বাকি ২ দশমিক ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার। অর্থাৎ প্রতি ২০০ শেয়ারের বিপরীতে পাঁচটি বোনাস শেয়ার ও ১০ পয়সা নগদ বিতরণ করা হয়।

ওই বছরের ২৯ ডিসেম্বর এজিএমে সেই লভ্যাংশ অনুমোদনও হয়। কিন্তু সে বছরও লভ্যাংশ বিতরণ করে কোনো প্রতিবেদন দেয়া হয়নি।

পরিচালনা পর্ষদ লভ্যাংশ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর দিন শেয়ারদর ছিল ১১ টাকা ৫০ পয়সা। পরের বছর ৫ আগস্ট দর বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ টাকা।

কোম্পানিটি ২০২১ সালের জুনে সমাপ্ত অর্থবছরের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর এখন পর্যন্ত কোনো প্রান্তিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেনি। অথচ এরই মধ্যে আরও একটি অর্থবছর শেষ হয়ে গেছে। জুনে যেসব কোম্পানির অর্থবছর শেষ হয়, সেগুলোর মধ্যে বেশ কিছু কোম্পানি তাদের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে লভ্যাংশও ঘোষণা করেছে, হাতে গোনা এক দুইটি বাদ দিয়ে বাকিগুলো মার্চে সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কয়েক মাস আগেই।

ডিএসইর চিঠিতে যা বলা হয়েছে

বিএসইসিতে পাঠানো ডিএসইর চিঠিতে বলা হয়, ডিএসইর ২০১৫ সালের রেগুলেশনস অনুযায়ী- তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে এক্সচেঞ্জ ও বিএসইসিতে লভ্যাংশ প্রদান সংক্রান্ত প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে কমিশন নির্ধারিত ফরম্যাটে জমা দিতে হবে।

এর ব্যত্যয় ঘটলে সেই কোম্পানিকে কমিশনের অনুমোদনক্রমে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে স্থানান্তর করার বিধান রয়েছে। কিন্তু ওয়েস্টার্ন মেরিন দুই বছর ধরে ডিভিডেন্ড কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা না দেয়ার পরও তাদের ‘ক্যাটাগরি’ সমন্বয় হয়নি।

ডিএসইর ওয়েব সাইট দেয়া কোম্পানির যোগাযোগ নম্বরে ফোন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

নিউজবাংলা ডিএসইর চিঠিটি পেলেও সংস্থাটির মুখপাত্র ও উপ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুর রহমান বলেন, ‘চিঠির বিষয়টি আমার জানা নেই। না জেনে কিছুই বলতে পারব না।’

ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদারের ফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

পুঁজিরবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়েস্টার্ন শিপইয়ার্ডের অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২৩৫ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এর বিপরীতে রিজার্ভ রয়েছে ২৬১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

বর্তমানে কোম্পানিটির শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৫২ লাখ ৩ হাজার ৭৬৯টি। এর মধ্যে ৩০ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৬ দশমিক ১৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো
ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি
রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Most of the companies are going on the floor and many more

সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো

সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো
হাতবদল হওয়া ৩৭০টি কোম্পানিতে সম্মিলিতভাবে যে লেনদেন হয়েছে তার ২৬ শতাংশ হয়েছে কেবল পাঁচটি কোম্পানিতে। আর শীর্ষে থাকা দুটি কোম্পানিতেই হাতবদল হয়েছে মোট লেনদেনের ১৫ শতাংশের বেশি।

বিপুল সংখ্যক কোম্পানির শেয়ার ফ্লোর প্রাইসে গড়াগড়ি খাওয়ার মধ্যে আরও দরপতন হলো পুঁজিবাজারে। প্রতি দিনই নতুন নতুন কোম্পানি নামছে ফ্লোরে।

পুঁজিবাজার নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রধান দাবিগুলো পূরণ এবং অর্থনীতি নিয়ে আতঙ্ক কমে আসার মধ্যে পুঁজিবাজারের এই চিত্র ক্রমেই হতাশ করছে বিনিয়োগকারীদের।

রোববার ৪৮, পরের দিন ৪ পয়েন্টের পর মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক কমল আরও ২১ পয়েন্ট। লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও ৬০টি কোম্পানির দর বৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ১৩৬টির দর। আর আগের দিনের দরে হাতবদল হয়েছে ১৭৪টির দর, যেগুলোর প্রায় সবগুলো ফ্লোর প্রাইসে রয়েছে। ফ্লোরের আশেপাশে আছে আরও বিপুল সংখ্যক কোম্পানির শেয়ার।

গত ৩১ জুলাই থেকে পুঁজিবাজারের সূচক ও লেনদেন ঘুরে দাঁড়ানোর পর এই প্রথমবারের মতো টানা তিন কর্মদিবস বাড়ল সূচক।

এই প্রায় দুই মাস সূচক বাড়তে থাকলেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের উচ্ছ্বাস কিন্তু ফেরেনি। এর কারণ, সিংহভাগ কোম্পানির শেয়ারগুলো দর হারাতে হারাতে ফ্লোরের দিকে ছুটতে থাকলেও সূচক বেড়েছে অল্প কয়েকটি কোম্পানির দর অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকার কারণে। লেনদেনেও সিংহভাগও হয় অল্প কয়েকটি কোম্পানিতে।

আজ হাতবদল হওয়া ৩৭০টি কোম্পানিতে সম্মিলিতভাবে যে লেনদেন হয়েছে তার ২৬ শতাংশ হয়েছে কেবল পাঁচটি কোম্পানিতে। আর শীর্ষে থাকা দুটি কোম্পানিতেই হাতবদল হয়েছে মোট লেনদেনের ১৫ শতাংশের বেশি।

এদিন দর বৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় গত এক মাস ধরে তুমুল আলোচিত ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের কোনো কোম্পানিকে দেখা যায়নি। বিপুল সংখ্যক কোম্পানির দর হারানোর মধ্যেও চারটি কোম্পানির দর বেড়েছে ৯ শতাংশের বেশি, একটির দর ৮ শতাংশের বেশি, দুটির ৭ শতাংশের বেশি।

এদিন সকালের শুরুতে চিত্রটি ছিল বেশ আশা জাগানিয়া। সকাল সাড়ে দশটার দিকেও সূচকের অবস্থান আগের দিনের চেয়ে ২৯ পয়েন্ট বেশি ছিল। সে সময় বেশিরভাগ কোম্পানির দর বাড়ছিল। এরপর থেকে ধীরে ধীরে দরপতনের পাল্লা ভারি হতে থাকে, কমতে থাকে সূচক।

দুপুর ১টা ৩৯ মিনিটে সূচকের সর্বোচ্চ পতন দেখা যায়। দিনের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে ৫২ পয়েন্ট কমে লেনদেন হচ্ছিল তখন। তবে সেখান থেকে কিছুটা উদ্ধার হয় সূচক। বেলা মেষে ডিএসইএক্সের অবস্থান দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৪৮৯ পয়েন্টে। সাত কর্মদিবস পর সূচকের অবস্থান সাড়ে ছয় হাজারের নিচে নামল।

সিংহভাগ কোম্পানি ফ্লোরে, নামছে আরও অনেকগুলো
মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের চিত্র

বাজার নিয়ে শঙ্কার কথা জানালেন মিয়া আব্দুর রশিদ সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা শেখ ওহিদুজ্জামান স্বাধীন।

তিনি বলেন, ‘দুই তিন পতনের পর আজকে আরও বেশি পড়ল। যদি এখান থেকে আগামীকাল ঘুরে না দাঁড়ায় তাহলে আরও বড় কারেকশনের আশঙ্কা রয়েছে। আগেও এমনটা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মার্কেট মেকাররা যেভাবে চাচ্ছেন বাজার পরিচালনা করছেন বা বিভিন্ন টুলস অ্যাপ্লাই করে দেখছেন। সম্প্রতি অনেক প্রতিষ্ঠান মার্কেট মেকার লাইসেন্সের জন্য আবদেন করছে। তারা নিজেদের মতো করে মার্কেট মেকিংয়ের চেষ্টা করছে বা নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করছে বলে আমার ধারণা।’

সূচক কমাল যারা

সবচেয়ে বেশি ৪ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট সূচক কমেছে বিকন ফার্মার দরপতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট কমেছে বেক্সিমকো লিমিটেডের কারণে। শেয়ার প্রতি দাম কমেছে ২ দশমিক ১১ শতাংশ।

ইউনাইটেড পাওয়ারের দর ১ দশমিক ৩১ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে ৩ দশমিক ৪৪ পয়েন্ট।

এ ছাড়া লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ, বেক্সিমকো ফার্মা, আইসিবি, শাহজিবাজার পাওয়ার, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, বার্জার পেইন্টস ও পাওয়ার গ্রিডের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ২৩ দশমিক ১৭ পয়েন্ট।

বিপরীতে সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৫২ পয়েন্ট।

সি পার্ল সূচকে যোগ করেছে ১ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

এর বাইরে সাইফ পাওয়ার, মীর আকতার হোসেন লিমিটেড, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, সোনালী পেপার, কেয়া কসমেটিকস, আইপিডিসি ও এডিএন টেলিকম সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ১২ দশমিক ৩৫ পয়েন্ট।

শীর্ষ ৫ খাত যেমন

প্রযুক্তি খাতে ৮টি বা ৭২.৭৩ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৩টি বা শতভাগ, কাগজ ও মুদ্রণ খাতে ৩টি বা ৫০ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে। আর কোনো খাতে দরবৃদ্ধি দেখা যায়নি।

লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বিবিধ খাত। ২৩২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বা ১৭.০৩ শতাংশ লেনদেনের বিপরীতে খাতটির ৯টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে। ৪টির লেনদেন হয়েছে আগের দরে। মাত্র একটির দর বেড়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয়েছে ২২৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা বা ১৬.৩৮ শতাংশ। এদিন ৯টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৩টির দরপতন ও ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

আরও তিন খাতে ১০০ কোটির বেশি লেনদেন হলেও তা মোট লেনদেনের ১০ শতাংশের নিচে ছিল।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে সেবা ও আবাসন খাতে। ১৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেনের বিপরীতে ২টি করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি ও দরপতন হয়েছে।

এর পরে রয়েছে দিনের সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধি পাওয়া প্রযুক্তি খাত। লেনদেন হয়েছে ১৩০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। ৮টির দরবৃদ্ধি ও ৩টির দরপতন হয়েছে।

পঞ্চম অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতে ১২২ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। খাতের ৭টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২৪টির দর ও অপরিবর্তিত ছিল ১১টির।

আর কোনো খাতের লেনদেন একশ কোটি স্পর্শ করেনি।

জ্বালানি, বস্ত্র, ভ্রমণ খাতেন লেনদেন হয়েছে পঞ্চাশ থেকে ৯০ কোটির মধ্যে।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

শীর্ষ দশের প্রায় সবগুলো কোম্পানির দর বেড়েছে দিনের সর্বোচ্চ সীমা ও এর আশেপাশে।

দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছে এডিএন টেলিকম। ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৮১ টাকা ২০ পয়সায়। আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৭৪ টাকা ৫০ পয়সা।

৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ দর বেড়ে ইনডেক্স অ্যাগ্রোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৪১ টাকা ২০ পয়সায়, আগের দিনের সর্বশেষ দর ছিল ১২৮ টাকা ৯০ পয়সা।

৯ দশমিক ২৭ শতাংশ দর বেড়ে ১৪০ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা আজিজ পাইপসের শেয়ার। আগের দিন দর ছিল ১২৮ টাকা ৩০ পয়সা।

এই তালিকায় আরও ছিল মীর আকতার হোসেন লিমিটেড, ইস্টার্ন হাউজিং, রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, কেয়া কসমেটিকস, লাভেলো আইসক্রিম, ন্যাশনাল হাউজিং ও সাইফ পাওয়ার।

দর পতনের শীর্ষ ১০

এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে দেখা গেছে লোকসানি জুট স্পিনার্সকে। রোববার ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২০৪ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়।

পতনের তালিকায় পরের স্থানে রয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ৪ দশমিক ৭০ শতাংশ দর কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৬ টাকা ৯০ পয়সায়।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে মুন্নু অ্যাগ্রো। ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ৫৫৫ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো ছিল- সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, শাহজিবাজার পাওয়ার, এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স, জেমিনি সি ফুড, সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ, মালেক স্পিনিং ও বিকন ফার্মা।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল
এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ
শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Business growth agreement Saif Powers profit will increase by 25 crores

ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি

ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি সাইফ পাওয়ারটেক দুবাইয়ে সাইফ মেরিটাইম এলএলসি নামে একটি সহযোগী কোম্পানি চালু করেছে। ছবি: সংগৃহীত
চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারস ও সাইফ পাওয়ারটেক তিনটি জাহাজের মাধ্যমে ১৫ বছরের মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটে কার্গো সেবা দেবে। প্রতি বছর কার্গো মালবাহী জাহাজপ্রতি ২০০ কোটি টাকা আয় হবে। এতে নিট মুনাফা হবে ২৫ কোটি টাকা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টস কোম্পানির সাবসিডিয়ারি সাফিন ফিডার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড ও এর সাবসিডিয়ারি সাইফ মেরিটাইম।

এই সহযোগিতার ফলে সাইফ পাওয়ারটেকের বার্ষিক মুনাফা ২৫ কোটি টাকা বাড়বে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার ঢাকা ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাহাজ পরিচালনার জন্য রোববার এই চুক্তিটি হয়।

সাফিন ফিডার আরব আমিরাতভিত্তিক কনটেইনার ফিডার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, যার শতভাগ মালিকানা রয়েছে এডি পোর্টস গ্রুপের।

চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারস ও সাইফ পাওয়ারটেক তিনটি জাহাজের মাধ্যমে ১৫ বছরের মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটে কার্গো সেবা দেবে। প্রতি বছর কার্গো মালবাহী জাহাজপ্রতি ২০০ কোটি টাকা আয় হবে। এতে নিট মুনাফা হবে ২৫ কোটি টাকা।

এই উদ্দেশ্যে সাইফ পাওয়ারটেক দুবাইয়ে সাইফ মেরিটাইম এলএলসি নামে একটি সহযোগী কোম্পানি চালু করেছে।

চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারসে আটটি বাল্ক ভেসেলের মাধ্যমে ফুজিয়ারা বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য আনা-নেয়া করবে সাইফ পাওয়ারটেক। এর প্রতিটির ধারণক্ষমতা ৫৫ হাজার ডিডব্লিউটি। এসব কার্গোর মাধ্যমে ফুজিয়ারা বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে ক্লিংকারসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৫৮ শতাংশ কনটেইনার হ্যান্ডেল করে সাইফ পাওয়ারটেক। কোম্পানিটি মোংলা ও পানগাঁও বন্দরেও কনটেইনার হ্যান্ডেল করে।

আরও পড়ুন:
সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trading is less than half after a record four days

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে
লেনদেনের রেকর্ডের দিন যারা শেয়ার কিনেছেন, তারা বিক্রি করতে গিয়ে এখন গলদঘর্ম হচ্ছেন। কারণ ক্রেতা নেই। কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ঘিরে অস্বাভাবিক হুলুস্থুলের কারণে সূচক ও লেনদেন ক্রমাগত বাড়তে থাকার যে প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তা এরই মধ্যে গতি হারিয়েছে।

এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড গড়ার চার দিনের মাথায় পুঁজিবাজারে শেয়ার কেনাবেচার গতি অর্ধেকে নেমে এসেছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৩২ কোটি ৩০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। গত এক বছরে এর চেয়ে বেশি লেনদেন কখনও হয়নি। ২০১০ সালে মহাধসের পর এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মোট সাত কর্মদিবসে।

চার কর্মদিবস পর সোমবার এই লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

তবে লেনদেনের রেকর্ডের দিন যারা শেয়ার কিনেছেন, তারা বিক্রি করতে গিয়ে এখন গলদঘর্ম হচ্ছেন। কারণ ক্রেতা নেই। কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ঘিরে অস্বাভাবিক হুলুস্থুলের কারণে সূচক ও লেনদেন ক্রমাগত বাড়তে থাকার যে প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তা এরই মধ্যে গতি হারিয়েছে।

বিশেষ করে ওরিয়ন গ্রুপের চারটি ও বেক্সিমকো গ্রুপের মোট ছয়টি কোম্পানির দুরন্ত গতি থেমে যাওয়ার পর এই চিত্র দাঁড়িয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩৪২ কোটি টাকার বেশি আর ওরিয়ন ফার্মার ৩২৭ কোটি টাকার বেশি। চার কর্মদিবস পর সোমবার ওরিয়ন ফার্মায় লেনদেন হয়েছে ১১৫ কোটি টাকার কিছু বেশি আর বেক্সিমকো লিমিটেডে ১১৪ কোটি টাকার কিছু বেশি।

ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলো আগের দিনই বিনিয়োগকারীদের কাঁপন ধরিয়েছিল। সেদিন ৪৮ পয়েন্ট সূচক পতনে এই গ্রুপের ছয় কোম্পানির অবদান ছিল ৩৮ পয়েন্ট।

পরদিন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরপতন হয়নি। বেড়েছে সামান্য।

আগের দিন দরপতনের শীর্ষে থাকা ওরিয়ন ফার্মার দর ২ টাকা ২০ পয়সা বা ১.৬৩ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের দর ৪ টাকা ৬০ পয়সা বা ০.৮১ শতাংশ, বিকন ফার্মার দর ২ টাকা ৪০ পয়সা বা ০.৭৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে কোহিনূর কেমিক্যালসের দর কমেছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা বা ১.৪৫ শতাংশ।

আগের দিন ৫ শতাংশের বেশি দর হারানো বেক্সিমকো ফার্মার দর ১ টাকা বা ০.৫৮ শতাংশ এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের দর ১ টাকা ২০ পয়সা বা ০.৯১ শতাংশ বেড়েছে।

দিনভর উঠানামার পর বেলা শেষে সূচক কমেছে ৪ পয়েন্ট। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কোম্পানির দর ছিল আগের দিনের দামে, যেগুলোর প্রায় সবই আছে বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে। এই সংখ্যাটি ১৭৩। এদিন দরপতন হয়েছে ১৩৭টি কোম্পানির আর বেড়েছে ৬১টির।

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শেয়ার লেনদেন হয়েছে ফ্লোর প্রাইসে

গত ৩১ জুলাই থেকে সূচক ও লেনদেন বাড়তে থাকার মধ্যে প্রতিদিনই অনেক কোম্পানি দিনের দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় দেখা গেলেও সেটি এখন নেমে এসেছে একটিতে।

এদিন শুধু বিডিকমের দর বেড়েছে এক দিনে যতটা বাড়া যায় ততটাই। আর জেএমআই হসপিটালের দর সেই সীমা ছুঁয়ে কয়েক পয়সা কমে লেনদেন শেষ করেছে। আর চারটি কোম্পানির দর ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

একইভাবে দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত কমেনি কোনো কোম্পানির দর। উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দেয়ার আগে ৫ কর্মদিবসে ৪৬ শতাংশ দর বেড়ে যাওয়া আজিজ পাইপের দর কমেছে ৮.৫৫ শতাংশ। ছয় বছর পর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দেয়ার আগে লাফাতে থাকা জুট স্পিনার্সের দর কমেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭.১৬ শতাংশ।

আরও তিনটি কোম্পানির দর ৬ শতাংশের বেশি, আরও ৭টি কোম্পানির দর ৫ শতাংশের বেশি, আরও ৯টি কোম্পানির দর ৪ শতাংশের বেশি, আরও ৯টি কোম্পানির ৩ শতাংশের বেশি, ২২টি কোম্পানির দর ২ শতাংশের বেশি কমেছে।

ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দিনের শুরুর দিকে ট্রেন্ডি আইটেমগুলো একটু স্লো ছিল। যার প্রভাব সূচকে পড়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে কিছুটা রিকোভার করতে দেখা যায়।’

তিনি যোগ করেন, ‘গতকালের বাজারের যে আচরণ ছিল, ট্রেন্ডি আইটেমগুলোর মন্থর গতির কারণে একটু প্যানিকের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সাইড লাইনে চলে গেছেন। পর্যবেক্ষণ করছেন। হয়তবা কাল-পরশুর মধ্যে তারা আবার ফিরবেন। তাহলে আশা করা যায় যে, লেনদেন আবারও আগের অবস্থানে চলে আসবে।’

সূচক কমাল যারা

সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ১ পয়েন্ট সূচক কমেছে আইসিবির দরপতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ২ দশমিক ০৬ শতাংশ।

আর কোনো কোম্পানির দরপতনে এক পয়েন্ট সূচক কমেনি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমেছে লাফার্জ হোলসিমের কারণে। শেয়ার প্রতি দাম কমেছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

সি পার্লের দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৭১ পয়েন্ট।

এ ছাড়া ইউনিক হোটেল, আইপিডিসি, ইউনিলিভার কেয়ার, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, পেনিনসুলা ও অ্যানার্জিপ্যাক পাওয়ারের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ৪ দশমিক ৮২ পয়েন্ট।

বিপরীতে কোনো কোম্পানিই এককভাবে এক পয়েন্ট সূচক বাড়াতে পারেনি।

সবচেয়ে বেশি শূন্য দশমিক ৯৯ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে জেএমআই হসপিটাল। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের দর ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

বেক্সিমকো লিমিটেড সূচকে যোগ করেছে শূন্য দশমিক ৭২ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ।

এর বাইরে শাহজিবাজার পাওয়ার, বার্জার পেইন্টস, বিকন ফার্মা, সাইফ পাওয়ার, ওরিয়ন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট।

শীর্ষ ৫ খাত যেমন

শুধুমাত্র সেবা ও আবাসন খাতে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। যদিও এ খাতের মোট কোম্পানির সংখ্যা তিন। যার মধ্যে দুটির দর বেড়েছে ও একটির কমেছে।

বাকি আর কোনো খাতেই দরবৃদ্ধি দেখা যায়নি।

লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বিবিধ খাত। ২৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বা ২১.১৪ শতাংশ লেনদেনের বিপরীতে খাতটির ৫টি করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি ও দরপতন হয়েছে। আর ৩টির লেনদেন হয়েছে আগের দরে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয়েছে ১৯৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৬.১৭ শতাংশ। এদিন ৮টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৪টির দরপতন ও ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। মোট লেনদেনের ১১.৫৭ শতাংশ বা ১৪১ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। খাতের ২৮টি কোম্পানির দরপতনের বিপরীতে বেড়েছে ৪টির দর ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টির।

চতুর্থ অবস্থানে থাকা জ্বালানি খাতে দরপতন হয়েছে ১৭টি কোম্পানির, বেড়েছে ৪টির দাম। আর আগের দিনের দামে লেনদেন হয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ার।

মোট লেনদেনের ৮.৩৭ শতাংশ বা ১০২ কোটি ২৮ লাখ টাকা লেনদেন হয় খাতটিতে।

আর কোনো খাতের লেনদেন এক শ কোটি স্পর্শ করেনি।

পঞ্চম অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি ৪২ লাখ। ৪টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২১টির। আর দাম অপরিবর্তিত থেকে লেনদেন হয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ার।

এ ছাড়াও ভ্রমণ, প্রযুক্তি, সেবা ও আবাসন খাতে পঞ্চাশ কোটির ওপরে লেনদেন হয়েছে।

লেনদেনে সেরা ওরিয়ন-বেক্সিমকো

আগের দিন দরপতনের পরে আজ দরবৃদ্ধির সঙ্গে লেনদেনে শীর্ষ অবস্থান ধরে ওরিয়ন ফার্মা ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

ওরিয়ন ফার্মার ৮৪ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে ১১৫ কোটি ১২ লাখ ১ হাজার টাকায়।

বেক্সিমকো লিমিটেডের লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৬৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। হাতবদল হয়েছে ৮৬ লাখ ২১ হাজার ৪টি শেয়ার।

আর কোনো কোম্পানির লেনদেন এক শ কোটি টাকা ছুঁতে পারেনি।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের। ৪২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকায়।

জেএমআই হসপিটালের লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৬ লাখ ৭২ হাজার টাকার।

এ ছাড়া শীর্ষ দশের মধ্যে থাকা ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনিক হোটেল, শাহজিবাজার পাওয়ার, কপারটেক, শাইনপুকুর সিরামিকস ও সি পার্লের লেনদেন হয়েছে ২০ থেকে ৪০ কোটির মধ্যেই।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছে বিডিকম। ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৪ টাকা ৭০ পয়সায়। আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৫৯ টাকা।

৯ দশমিক ৬১ শতাংশ দর বেড়ে জেএমআই হসপিটালের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩২ টাকা ৩০ পয়সায়, আগের দিনের সর্বশেষ দর ছিল ১২০ টাকা ৭০ পয়সা।

৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ দর বেড়ে ৬১ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা ফাইন ফুডসের শেয়ার। আগের দিন দর ছিল ৫৬ টাকা ৯০ পয়সা।
দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ দশে ছিল ইয়াকিন পলিমার, শাহজিবাজার পাওয়ার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, এডিএন টেলিকম, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সাইফ পাওয়ার ও শাইনপুকুর সিরামিকস।

দর পতনের শীর্ষ ১০

পতনের তালিকার শীর্ষে ছিল আজিজ পাইপস। ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ দর কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১২৮ টাকা ৩০ পয়সায়।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে জুট স্পিনার্স। ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ২২০ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো ছিল- নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, পেনিনসুলা চিটাগং, সি পার্ল, পেপার প্রোসেসিং, মোজাফ্ফর স্পিনিং, অ্যাসোসিয়েটে অক্সিজেন, ইনডেক্স অ্যাগ্রো এবং এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল।

আরও পড়ুন:
শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Saral Hirus father in laws name from Shakibs fathers place

সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম

সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম পুঁজিবাজারে আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরু ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সঙ্গে সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি
এই হিরুর হাত ধরেই পুঁজিবাজারে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে ১০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানা দেয়া হিরুর সঙ্গে সাকিবের নামও ছিল। তবে তদন্তে সাকিবের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ হয়নি বলে জানাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের জন্য একটি বিড়ম্বনার অবসান হলো। পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুকে নিয়ে গড়া ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংসের নথিপত্রে তার বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম চলে আসার পর যে কটূ বাক্যবাণে জর্জর হতে হয়েছে, সেটি আর হতে হবে না।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয়ের বাবার নামের ভুল সংশোধন হয়েছে।

হিরু রোববার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এর মধ্যে ভুল সংশোধন করেছি। দুই-এক দিনের মধ্যেই আমরা কাগজ হাতে পাব।’

সাকিব আল হাসানের বাবার নাম খন্দকার মাসরুর রেজা। কিন্তু মোনার্কের নথিপত্রে ছিল কাজী আব্দুল লতিফ। এই লতিফ হিরুর শ্বশুর।

এই হিরুর হাত ধরেই পুঁজিবাজারে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে ১০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানা দেয়া হিরুর সঙ্গে সাকিবের নামও ছিল। তবে তদন্তে সাকিবের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ হয়নি বলে জানাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

হিরু নিউজবাংলাকে জানান, যখন জয়েন্ট স্টকে মোনার্ক হোল্ডিংয়ের নিবন্ধন করা হয়, তখন এ বিষয়টি ছিল না। এর পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আবেদনের সময় এটি ছাপার ভুল হয়েছে। তাদের প্রতিষ্ঠান মোনার্কের একজন শীর্ষ কর্মকর্তারও দাবি ছিল তাই।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই ভুলের কথা জানতে পেরে পরদিন সেটি সংশোধন করতে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসিতে কাজগপত্র পাঠানো হয়।

হিরু নিউজবাংলাকে যে নথিপত্র পাঠিয়েছেন, তাতে তার এই বক্তব্যের স্বপক্ষেই প্রমাণ দেখা যায়। মূল নথিতে সাকিবের বাবার নাম ঠিকই আছে।

২০২১ সালের ১২ অক্টোবর পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে যে আবেদন জমা দেয়া হয়, তাতেও সাকিবের বাবার নাম ঠিকই আছে। পরে জয়েন্ট স্টক অফিস থেকেই তা পরিবর্তন হয়ে যায়।

এ বিষয়ে সাকিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মোনার্কের এক কর্মকর্তার দাবি, এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল, যেটির দায় আসলে সাকিবের নয়।

আরও পড়ুন:
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Shakib Hirus company wants to be a market maker in the capital market

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব আছে সাকিব আল হাসানের। তারা গড়ে তুলেছেন ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংস। ফাইল ছবি
সাকিবের ব্যবসায়িক অংশীদার হিরুর বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা আয়ের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। একাধিক আদেশে হিরু ও তার অংশীদারদের ১০ কোটি টাকার বেশি জরিমানাও করা হয়েছে। তার মালিকানাধীন কোম্পানি মার্কেট মেকার হওয়ার যোগ্য বলে মূল্যায়ন করেছে ডিএসই। এখন বিএসইসিতে পাঠানো হয়েছে নথিপত্র।

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকারের লাইসেন্স চেয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংস।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই এই আবেদনে সম্মতি দিয়ে পরে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন বা বিএসইসির কাছে পাঠিয়েছে আবেদনটি।

ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদার গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই চিঠি পাঠান। তবে এখনও বিএসইসি থেকে কোনো জবাব আসেনি।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাগজপত্র সব ঠিকঠাক আছে কি না, সেটি দেখার মূল দায়িত্ব ডিএসইর। বিএসইসি মূলত সেই সিদ্ধান্ত রিভিউ করে।’

মোনার্কের মার্কেট মেকার হওয়ার যোগ্যতা আছে বলে মনে করেন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যেসব ক্রাইটেরিয়া তাদের থাকা উচিত, সেগুলো যদি থাকে, তাহলে তারা পাবে।’

সাকিবের ব্যবসায়িক অংশীদার হিরুর বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা আয়ের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। একাধিক আদেশে হিরু ও তার অংশীদারদের ১০ কোটি টাকার বেশি জরিমানাও করা হয়েছে।

কারসাজির অভিযোগ ছিল সাকিবের বিরুদ্ধেও। তবে সেই অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যদিও হিরুর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে।

মোনার্কের নথিপত্রে সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম ছাপা হওয়া নিয়েও তোলপাড় হয়েছে সম্প্রতি। তবে এটি করণিক ভুল বলে জানিয়েছে মোনার্ক।

কোম্পানিটি যখন প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন সাকিবের বাবার নাম খন্দকার মাসরুর রেজাই উল্লেখ করা হয়। তবে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আবেদনের সময় যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসি থেকে ভুল করা হয়। তারা সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুর আব্দুল লতিফের নাম বসিয়ে দেয়।

তোলপাড়ের পর সেটি সংশোধনের আবেদন করা হয়। এরই মধ্যে নামটি সংশোধন হয়ে গেছে বলে মোনার্ককে জানানো হয়েছে।

ডিএসইর মূল্যায়নে মোনার্ক যোগ্য

মোনার্ক প্রথমে ডিএসইর কাছে আবেদন করার পর তারা পুঁজিবাজারে কারসাজির এই বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে কেবল কাগজপত্র দেখে সিদ্ধান্তে আসে যে, প্রতিষ্ঠানটির মার্কেট মেকার হিসেবে কাজ করার যোগ্যতা আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা আবেদন পেয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সব আছে। কাজ শেষ করে বিএসইসির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

যে কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগ আছে, এমন একটি কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়া কতটা নৈতিক, সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তাদের যে জরিমানা করা হয়েছে, সেটা তো অন্য বিষয়। এখানে আমরা তাদের কোনো সমস্যা পাইনি।’

কারসাজিতে জড়িত বলে প্রমাণ করে হিরুর মালিকানাধীন কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়াটা কতটা যৌক্তিক- এমন প্রশ্নে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মার্কেট মেকারের লাইসেন্স নিয়ে অকাজ করলে তো হবে না। তবে বিষয়টি বিএসইসি দেখবে।’

মোনার্ক হোল্ডিংসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনেক আগে ডিএসইর মার্কেট মেকারের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছিলাম। তারা তাদের কাজ শেষ করেছে। এখন বিএসইসি কাগজ খতিয়ে দেখছে। তারা আমাদের কাছে কিছু কাগজ চেয়েছে। আমরা এসব কাগজ কালকে দিয়ে দেব।’

মার্কেট মেকার কারা

মার্কেট মেকার বলতে এমন একটি কোম্পানি বা ব্যক্তিকে বোঝায়, যারা একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করে। তারা কোনো একটি শেয়ারের মজুত রাখে এবং সব সময় তাদের কাছে একটি দামে শেয়ারটি কেনা যায় ও একটি দামে শেয়ারটি বিক্রি করা যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারে তারল্য তৈরি হয়।

পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে মার্কেট মেকারের আইন করে বিএসইসি।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মার্কেট মেকার হিসেবে নিবন্ধন সনদ পায় ডিএসই ও সিএসইর (চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউস বি রিচ লিমিটেড।

এরপর লাইসেন্স পায় গ্রিনডেল্টা সিকিউরিটিজ।

বাজার সৃষ্টিকারী বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে- কোনো মার্চেন্ট ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্টক ডিলার বা স্টক ব্রোকার বিএসইসি থেকে এ সনদ পাওয়ার যোগ্য হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা অনুযায়ী, মার্কেট মেকার হওয়ার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদনসাপেক্ষে বিএসইসির কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আবেদন করবে।

একই সঙ্গে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে। আর উল্লিখিত পরিমাণ টাকা পরিশোধিত মূলধন হিসেবে থাকলে যেকোনো মার্কেট মেকার একটি অনুমোদিত সিকিউরিটিজ পরিচালনার জন্য নিয়োজিত থাকতে পারবে।

বাংলাদেশে একজন মার্কেট মেকার সর্বোচ্চ পাঁচটি শেয়ারের বাজার তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারবে। একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করতে ১০ কোটি টাকা পেইড-আপ লাগবে। সে হিসাবে ৫০ কোটি টাকা পেইড-আপ থাকলে পাঁচটি শেয়ারের মার্কেট তৈরি করা যাবে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে মোনার্ক হোল্ডিংস। আবুল খায়ের হিরু জানিয়েছেন, তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
এক দিনে লেনদেন কমল হাজার কোটির বেশি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The auction to determine the price of shares of Asiatic Laboratories began on October 10

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু ১০ অক্টোবর

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু ১০ অক্টোবর
গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৯৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন পায় কোম্পানিটি।

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু হবে ১০ অক্টোবর।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৯৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন পায় কোম্পানিটি।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওর নিয়ম অনুসারে, প্রথমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি করার লক্ষ্যে নিলামের আয়োজন করা হয়। যে দামে এসে তাদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি শেষ হবে, সেই দামের (কাট অফ প্রাইস) চেয়ে ৩০ শতাংশ অথবা ২০ টাকা এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম, সেই দামে আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হবে।

এখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি করার নিলাম হবে। নিলাম শুরু হবে ১০ অক্টোবর, শেষ হবে ১৩ অক্টোবর।

প্রত্যেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন করতে হবে।

প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে তাদের আবেদন করা শেয়ারের পুরো টাকা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ৫ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হবে।

১৯৭০ সালে নিবন্ধন পায় এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। ১৯৯৮ সাল থেকে তারা কাজ শুরু করে।

কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদ, আর চেয়ারম্যান তাহমিনা বেগম।

কোম্পানিটি মানুষের জন্য ওষুধ তৈরি করে ও সারা দেশে বিক্রি করে।

২০১৮ সালে কোম্পানিটি মুনাফা করে ২২ কোটি ২১ লাখ। ২০১৯ সালে করেছিল ২৪ কোটি ৪০ লাখ, পরের বছর ২৪ কোটি ২৫ লাখ, ২০২১ সালে ৩২ কোটি ৫ লাখ টাকা মুনাফা করে।

২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে পুনর্মূল্যায়ন-পরবর্তী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৫৬ টাকা ৬১ পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস ৩৫ টাকা ৪৮ পয়সা। পাঁচ বছরের ভারিত গড় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।

আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিএসইসির দেয়া শর্ত অনুসারে, তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

কোম্পানিটির আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার হচ্ছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট।

মন্তব্য

p
উপরে