× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
The financial year started with a jump in private loans
hear-news
player
google_news print-icon

বেসরকারি ঋণে উল্লম্ফন নিয়ে অর্থবছর শুরু

বেসরকারি-ঋণে-উল্লম্ফন-নিয়ে-অর্থবছর-শুরু
২০২১ সালের জুলাই মাসের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা ব্যাংক খাত থেকে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি ঋণ নিয়েছেন। আগের মাস জুনে গত বছরের জুনের চেয়ে বেশি নিয়েছিলেন ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় টাকার অব্যাহত দরপতনে ওলটপালট হয়ে যাওয়া অর্থনীতিতে সুখবর দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর সুখবরটি হচ্ছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১৪ শতাংশে উঠেছে। যা মুদ্রানীতিতে ঘোষিত লক্ষের প্রায় কাছকাছি।

এই প্রবৃদ্ধি সাড়ে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায়, ২০২১ সালের জুলাই মাসের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা ব্যাংক খাত থেকে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি ঋণ নিয়েছেন। আগের মাস জুনে গত বছরের জুনের চেয়ে বেশি নিয়েছিলেন ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

গত ৩০ জুন সাবেক গভর্নর ফজলে কবির নতুন মুদ্রানীতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের যে মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছিলেন তাতে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ।

তবে এতে আমেরিকার মুদ্রা ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতনের অবদান রয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যাংকাররা। তারা বলেছেন, দেশের বাজারে ডলারের দাম বাড়ার কারণে গ্রাহককে এলসি (ঋণপত্র) খুলতে অতিরিক্ত টাকা দিতে হয়েছে। আর এটি বেসরকারি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য ঘেঁটে দেখা যায়, টানা আট মাস ধরে বাড়তে বাড়তে ২০২২ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকটি ১১ শতাংশ ছাড়িয়ে ১১ দশমিক ০৭ শতাংশে উঠেছিল।

তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি কমে ১০ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে আসে। মার্চে তা দশমিক ৫৭ শতাংশ পয়েন্ট বেড়ে ১১ দশমিক ২৯ শতাংশে ওঠে। এপ্রিল মাসে তা ১২ শতাংশ ছাড়িয়ে ১২ দশমিক ৪৮ শতাংশে ওঠে। মে মাসে তা আরও বেড়ে ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ ওঠে।

জুন মাসে ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশে উঠে। সবশেষ জুলাই মাসে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশে উঠেছে।

এর অর্থ হলো ২০২১ সালের জুলাই মাসের চেয়ে এই বছরের জুলাই মাসে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি ঋণ পেয়েছেন।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ১৪ দশমিক ৮০ শতাংশ। শেষ পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে অর্থবছর শেষ হয়।

২০১৯ সালের জানুয়ারিতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১৩ দশমিক ২০ শতাংশ। এরপর থেকেই কমতে থাকে এই সূচক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, জুলাই শেষে বেসরকারি খাতে বিতরণ করা মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৫২ হাজার ৫৬৬ কোটি টাকা। ২০২১ সালের জুলাই শেষে এই ঋণের পরিমাণ ছিল ১১ লাখ ৮৭ হাজার ১১ কোটি টাকা।

এ হিসাবেই ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

অর্থনীতির বিশ্লেষক গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ছিল। করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার যে প্রণোদণা ঘোষণা করেছিল, তাতে এর অবদান ছিল। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় দেশে বিনিয়োগের একটি অনুকুল পরিবেশও দেখা দিয়েছিল। পদ্মা সেতু, মেট্টোরেল, বঙ্গবন্ধু কর্ণফূলী টানেলসহ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলকে ঘিরে উদ্যোক্তারা নতুন পরিকল্পনা সাজিয়ে বিনিয়োগে নেমেছেন। ব্যাংকগুলো তাতেও বিনিয়োগ করছে।’

‘সব মিলিয়ে বেসরকারি খাতের ঋণের একটি গতি এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণে আমদানিকারকদের এলসি খুলতে বেশি টাকা লাগছে। তাতেও ঋণের পরিমাণ বেড়ে গেছে।’

‘তবে আর নয়। এখন যে করেই হোক টাকাকে শক্তিশালী করতে হবে। ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে দ্রুত এটা করতে হবে। এখন আর নয়-ছয় নিয়ে বসে থাকলে চলবে না। রাশিয়া যেমন ঋণের সুদের হার বাড়িয়ে তাদের রুবলকে শক্তিশালী করেছে আমাদেরও তাই করতে হবে।’

আহসান মনসুর বলেন, ‘ডলারের এই অস্বাভাবিক উল্লম্ফন আমাদের অর্থনীতিকে প্রতি মুহূর্তে তছনছ করে দিচ্ছে। বড় ধরনের সংকটের মধ্যে ফেলে দিয়েছে আমাদের। আমদানি কমাতে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। তারপরও কাজ হচ্ছে না। ডলার ছুটছে তো ছুটছেই। এখন আমাদের সামনে একটাই পথ খোলা আছে, সুদের হার কমানো। আর সেটা এখনই করতে হবে।’

বেসরকারি ঋণে উল্লম্ফন নিয়ে অর্থবছর শুরু

মহামারি করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় আমদানি বাড়তে থাকায় আগস্ট থেকে ডলারের দাম বাড়তে শুরু করে; দুর্বল হতে থাকে টাকা। এখনও সেটা অব্যাহত আছে। তার আগে এক বছরেরও বেশি সময় ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় ‘স্থির’ছিল ডলারের দর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গত এক বছরে আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে (ব্যাংক রেট) টাকার বিপরীতে ডলারের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশের বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দেশে এখন বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকেই দেশে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছিল। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা হোঁচট খেয়েছিল। মার্চে থেকে ফের বাড়তে শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘নতুন শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধনি যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল মেশিনারি, শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামালসহ শিল্প খাতের অন্য সব সরঞ্জাম আমদানি বেড়েছিল। সে কারণেই বেসরকারি খাতে ঋণ বেড়েছিল। নানা পদক্ষেপের কারণে এখন অবশ্য আমদানি ব্যয় কমে আসছে। আশা করছি ডলারের বাজারও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

নতুন অর্থবছরের বাকি মাসগুলোতেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই অর্থনীতিবিদ।

গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ। তার আগের মাস নভেম্বরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১০ দশমিক ১১ শতাংশ; অক্টোবরে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ আর সেপ্টেম্বরে হয়েছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আগস্ট ও জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৪২ শতাংশ ও ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

দীর্ঘদিন ধরে দেশে বিনিয়োগে মন্দা চলছিল। এর অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের চিত্রও ছিল হতাশাজনক। ২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকে তা আরও কমতে থাকে।

প্রতি মাসেই কমতে কমতে গত বছরের মে মাসে তা ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে নেমে আসে, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বনিম্ন।

অতীত ঘেঁটে দেখা যায়, বাংলাদেশের বর্ধিষ্ণু অর্থনীতিতে ব্যাংকের ঋণ বাড়তেই থাকে। ২০০৯-১০ অর্থবছর শেষে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ২৪ শতাংশের বেশি। বছরওয়ারি হিসেবে এর পর তা সব সময়ই ১০ শতাংশের বেশি ছিল। এমনকি এক পর্যায়ে তা ২৫ শতাংশ ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তা দুই অঙ্কের নিচে (ডাবল ডিজিট), ৯ দশমিক ৮৩ শতাংশে নেমে আসে। এরপর দুই বছর বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কের নিচে (সিঙ্গেল ডিজিট) অবস্থান করে।

গত বছরের নভেম্বরে তা দুই অঙ্কের (ডাবল ডিজিট) ঘরে, ১০ দশমিক ১১ শতাংশে উঠে।

মহামারির ছোবলে ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহের প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। এরপর সরকারের প্রণোদনা ঋণে ভর করে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৯ দশমিক ২০ শতাংশ হয়। আগস্টে তা আরও বেড়ে ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশে এবং সেপ্টেম্বরে ৯ দশমিক ৪৮ শতাংশে ওঠে।

কিন্তু অক্টোবরে এই প্রবৃদ্ধি কমে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশে নেমে আসে। নভেম্বরে তা আরও কমে ৮ দশমিক ২১ শতাংশ হয়। ডিসেম্বরে সামান্য বেড়ে ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ হয়।

২০২১ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে এই প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি ও মার্চে ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৫১ ও ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এপ্রিলে নেমে আসে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশে। মে মাসে তা আরও কমে নেমে যায় ৭ দশমিক ৫৫ শতাংশে।

তবে করোনার প্রকোপ কমতে থাকায় গত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ঋণ প্রবৃদ্ধি খানিকটা বেড়ে ৮ দশমিক ৩৫ শতাংশে উঠে কিছুটা পুনরুদ্ধার হয়। তারপর থেকে ঋণপ্রবাহ ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।

আরও পড়ুন:
যুদ্ধের ধাক্কায় কমেছে বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি
৬.৯৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে সংশয় নেই অর্থমন্ত্রীর
বেসরকারি ঋণের প্রবৃদ্ধি ১০.৬৯%, ৭ মাস ধরে বাড়ছে
২ বছর পর ২ অঙ্কের ঘরে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি
জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়বে: এডিবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank Spokesperson Abul Kalam Azad

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ আবুল কালাম আজাদ। ফাইল ছবি
সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জিএম আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র করা হয়েছে অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও ডিপার্টমেনট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এর পরিচালক সাঈদা খানমকে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ।

সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

এর একদিন পরই আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগ দেয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশি মুদ্রায় ঋণের সুদহার বাড়িয়ে আগের অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
দায়িত্বে ফিরছেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান
অতিরিক্ত অডিট ফার্ম নিয়োগে নিতে হবে অনুমতি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank in Bhujpur Chittagong

চট্টগ্রামের ভূজপুরে ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের ভূজপুরে ইসলামী ব্যাংক
ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন।

চট্টগ্রামের ভূজপুরে শাখা খুলেছে ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৩৮৯তম শাখা।

ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উত্তর জোনপ্রধান মুহাম্মদ নূরুল হোসাইন কাওসার এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূজপুর শাখাপ্রধান মোহাম্মদ তানবির হাসান। গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আল কাদেরী, ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম.এইচ. শাহজাহান চৌধুরী শিপন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইকবাল হোসেন চৌধুরী এবং ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক নাজিম উদ্দিন বাচ্চু।

এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে গ্রাহকদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে সকল সূচকে দেশের শীর্ষস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘১ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহকের এ ব্যাংক দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং জাতীয় নীতি অনুসরণ করার কারণে টেকসই ব্যাংকের স্বীকৃতি লাভ করেছে।’

ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ ও কার্ডভিত্তিক সেবা, এমক্যাশ, আই-ব্যাংকিংসহ অন্যান্য প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবা গ্রহণের জন্য তিনি এ অঞ্চলের জনগণের প্রতি আহবান জানান।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্থিক সেবা প্রদান করছে। আর্থিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমাদের ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে।’

তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স আহরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে ইসলামী ব্যাংক।’

ভূজপুর শাখার মাধ্যমে এ অঞ্চলের ব্যবসার প্রসার ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করাসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবা ছড়িয়ে দিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মুনিরুল মওলা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন
নরসিংদীর শিবপুরে ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক হেড অফিস কমপ্লেক্স শাখা নতুন ঠিকানায়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank on the bank of Askar Dighi in Chittagong

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা খোলা হয়েছে। এটি ব্যাংকটির ৩৮৮তম শাখা।

মঙ্গলবার ব্যাংকের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাউথ জোন প্রধান মিয়া মোহা. বরকত উল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আসকার দীঘির পাড় শাখাপ্রধান কাজী মো. আলমগীর।

গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন ও আনজুমান আরা, চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুচারু বিকাশ বড়ুয়া, প্রিন্সিপাল আ.ন.ম দেলোয়ার হোসাইন আল-কাদরী ও ব্যবসায়ী ইফতেখারুল আলম।

এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী-কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের নতুন পাঁচ সেবা চালু
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে ইসলামী ব্যাংক
 ‘টপ পারফর্মিং’ পুরস্কার পেল ইসলামী ব্যাংক
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৪ উপশাখা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Two thirds of the money in Dhaka itself

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা
জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

‘ঢাকায় টাকা ওড়ে, ধরতে জানতে হয়’ লোকমুখে প্রচলিত কথাটি আসলেই সত্যি। কারণ, সারা দেশে যত টাকা তার তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা রয়েছে ঢাকাতেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, ক্ষুদ্র সঞ্চয় এবং মেয়াদি আমানত মিলিয়ে সারা দেশের মধ্যে ঢাকার ধারে কাছেও নেই দেশের কোনো অংশ।

জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

আর এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলায় আমানতের পরিমাণ ৮ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ৩১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা এবং গাজীপুরে ২৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ৩ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এ টাকার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার আমানত।

এরপরে নোয়াখালীতে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা, ফেনীতে ১৪ হাজার ৫১১ কোটি টাকা ও চাঁদপুরে ১৩ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা।

এ ছাড়া রাজশাহীতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা, সিলেটে ৬১ হাজার কোটি টাকা, রংপুরে ৩১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা ও ময়মনসিংহে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

সঞ্চয় ও ঋণ বিতরণে পিছিয়ে বরিশাল

অর্থ সঞ্চয় এবং ঋণ বিতরণ- দুই ক্ষেত্রেই পুরো দেশের মধ্যে পিছিয়ে দক্ষিণের জেলা বরিশাল। বিভাগটিতে বিনিয়োগ আমানতের অর্ধেকেরও কম। তবে, আমানত এবং ঋণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা।

গেল জুন শেষে ব্যাংক খাতে আমানতের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। আর ব্যাংক খাতে ঋণের পরিমাণ ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিচ্ছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। ফলে আঞ্চলিক বৈষম্য প্রকট থেকে আরও প্রকটতর হচ্ছে। কারণ, ঢাকায় সহজে ঋণ পাওয়া যায় এবং সমস্যা হলে সমাধানও সহজে হয়’।

বরিশালে কোন জেলায় কত ঋণ ও আমানত

বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ। ১৯৯৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এ ছয়টি জেলা নিয়ে বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। এখানকার আয়তন ১৩ হাজার ২২৫ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা এক কোটির নিচে।

জুন শেষে বরিশাল বিভাগের সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় সঞ্চয় ১৩ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এরপরে ভোলায় ৪ হাজার ৫১৩ কোটি, পটুয়াখালীতে ৪ হাজার ৩১০ কোটি, পিরোজপুরে ৪ হাজার ২৩৯ কোটি, ঝালকাঠি ৩ হাজার ১৬ কোটি ও বরগুনায় ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।

বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ঋণ ৫ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। এরপরে পটুয়াখালীতে ২ হাজার ৭২৩ কোটি, ভোলায় ২ হাজার ৬০৪ কোটি, পিরোজপুরে ১ হাজার ৭২৫ কোটি, বরগুনায় ১ হাজার ৪৯৯ কোটি ও ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫৪ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

ঋণেও এগিয়ে ঢাকা

ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের প্রায় অর্ধেক ঋণ বিতরণ হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৮ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলাতেই ৮ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকার ঋণ। এরপরে নারায়ণগঞ্জে ১৭ হাজার ৯৯৮ কোটি, গাজীপুরে ১২ হাজার ২০৯ কোটি, নরসিংদীতে ৬ হাজার ৮৮১ কোটি ও টাঙ্গাইলে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও ঋণ সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলাতেই দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ।

ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা বিভাগ, যার পরিমাণ প্রায় ৫১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৫০ হাজার ১০৪ কোটি, রংপুরে ৩২ হাজার ৬২৫ কোটি, ময়মনসিংহে ১৭ হাজার ৮৫০ কোটি, সিলেটে ১৫ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সঞ্চয়, আয় বৈষম্য, দারিদ্র্য সীমার নিচের জনগোষ্ঠী– সব কিছুতে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোক অনেক বঞ্চিত। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে। আর এলাকার চেয়ে ঢাকায় যে কোনো বিষয়ে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।’

আরও পড়ুন:
খোলাবাজারে ডলারের ফের চোখ রাঙানি
আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারের নির্দেশ
প্রবাসী গ্রাহকের ১৮ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ‘উধাও’
ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা ডলার হারাচ্ছে দম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Agreement between Padma Bank and Momo Hotel

পদ্মা ব্যাংক ও মোমো হোটেলের সমঝোতা

পদ্মা ব্যাংক ও মোমো হোটেলের সমঝোতা পদ্মা ব্যাংক ও মোমো ইন হোটেলের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন এবং মোমো ইনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুয়েল খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড বগুড়ার স্বনামধন্য হোটেল ও রিসোর্ট মোমো ইনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

সোমবার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত মোমো ইনের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

পদ্মা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন এবং মোমো ইনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুয়েল খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের হেড অফ রিটেইল অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং রকিবুল হাসান চৌধুরী এবং হেড অফ সেগমেন্ট নাফিসা আরা উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফারের ঘোষণা দিয়েছে পদ্মা ব্যাংক। ব্যাংকের কার্ডধারীরা রুম এবং হোটেল পরিষেবাগুলোতে আকর্ষণীয় ছাড় পাবেন।

আরও পড়ুন:
প্রয়াত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিল পদ্মা ব্যাংক
পদ্মা ব্যাংকে মিলছে পুরোনো গাড়ি কেনার ঋণও
শোক দিবসে পদ্মা ব্যাংকের আলোচনা সভা ও দোয়া
নতুন গভর্নরের পদক্ষেপে খেলাপি ঋণ কমবে: তারেক রিয়াজ খান
পদ্মা ব্যাংক ও ফ্লোরা সিস্টেমসের চুক্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Global Islami Bank in Khulshi Chittagong

চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

চট্টগ্রামের খুলশীতে শাখা খুলেছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৯৪তম শাখা।

আধুনিক ব্যাংকিং সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে রোববার বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খুলশীতে এই শাখার উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সারওয়ার ও কাজী মশিউর রহমান জেহাদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউস সামাদ ও সামি করিম, প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক, ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, অতিথি ও গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষ ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশে ও দেশের বাইরে তার স্বকীয়তা বজায় রেখে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শাখা সম্প্রসারণ করবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আইপিও আবেদন শুরু ১৬ অক্টোবর
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৪ উপশাখা
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mosleh Uddin is the new MD of Shahjalal Bank

শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন

শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন
এর আগে তিনি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক এবং সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কমকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছেন। সোমবার তিনি এই নতুন দায়িত্ব গ্রহন করেছেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে তিনি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক এবং সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশি-বিদেশি ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ সিটি ব্যাংকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব করপোরেট, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ক্রেডিট হেড এবং প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে লিজিং ডিভিশনের হেড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মোসলেহ উদ্দীন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার স্টাফ কলেজ হায়দরাদ, দিল্লি ও মুম্বাই থেকে ট্রেড ফাইন্যান্স ও ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট এবং এআইটি, ব্যাংকক থেকে অ্যাডভান্স ক্রেডিট ম্যানেজমেন্টের ওপর লং কোর্স সমাপ্ত করেন। তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেন।

এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও একাডেমিতে ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ে লেকচার প্রদান করে থাকেন।

মন্তব্য

p
উপরে