× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
3 bank MDs are sure to face challenges with responsibility
hear-news
player
google_news print-icon

দায়িত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার প্রত্যয় ৩ ব্যাংক এমডির

দায়িত্ব-নিয়ে-চ্যালেঞ্জ-মোকাবিলার-প্রত্যয়-৩-ব্যাংক-এমডির
সোনালী ব্যাংকের নতুন এমডি আফজাল করিম, রূপালী ব্যাংকের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এবং অগ্রণী ব্যাংকের মুরশেদুল কবীর। ছবি: সংগৃহীত
তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কাজের পরিধি অনেক বড়। তাই চ্যালেঞ্জও ছোট নয়। এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলো ঠিক করে তা মোকাবিলা করা হবে।

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংকের দায়িত্ব নিয়েছেন নতুন তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।

রোববার সকালে সোনালী ব্যাংকে মো. আফজাল করিম, রূপালী ব্যাংকে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এবং অগ্রণী ব্যাংকে মো. মুরশেদুল কবীর এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব নেন।

তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জানিয়েছেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কাজের পরিধি অনেক বড়। তাই চ্যালেঞ্জও ছোট নয়। এ ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলো ঠিক করে তা মোকাবিলা করা হবে।

তারা জানান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে প্রান্তিক পর্যায়ে আরও সক্রিয় হবে তিন ব্যাংক।

সোনালী ব্যাংকের এমডি মো. আফজাল করিম বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ঋণে জোর দেবে সোনালী ব্যাংক। তার ভাষ্য, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ আছে। সেই সব চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে তার সুরাহা করাই হবে মূল লক্ষ্য।’

সোনালী ব্যাংকের অবস্থা নিয়ে আফজাল বলেন, ‘এই মুহূর্তে সোনালী ব্যাংকে প্রভিশন ঘাটতি নেই। এ ক্ষেত্রে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। নিবিড়ভাবে তদারকির মাধ্যমে ব্যাংকের সার্বিক কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাংকের মূল কাজ আমানত গ্রহণ এবং তা বিনিয়োগ করা। সেই কাজটিই করার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেয়া হবে।’

রূপালী ব্যাংকের নতুন এমডি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর দায়িত্ব গ্রহণ করে বলেন, ‘রূপালী ব্যাংক ক্ষুদ্র এবং মাঝারি শিল্প ঋণে পিছিয়ে আছে। যারা এখনও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি, তাদের এই বছরের মধ্যে তা পূরণ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘মূলধন ঘাটতি আছে। তা কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে। বড় বড় ঋণ দেয়া হয়েছে অনেক, এখন এসএমই ঋণ বিতরণে জোর দেবে রূপালী ব্যাংক।’

অগ্রণী ব্যাংকের এমডি মুরশেদুল কবীর বলেন, ‘খেলাপি ঋণ আদায়ে জোর দেবে অগ্রণী ব্যাংক। একটি আদর্শ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে নগর এবং গ্রামের মধ্যে সমতা প্রতিষ্ঠা করা হবে। গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে এই ব্যাংক।’

টাকা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য

রাষ্ট্রায়ত্ত তিন ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে, তা যথাসময়ে ফিরিয়ে আনাই হবে নতুন তিন এমডির মূল লক্ষ্য।

ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তা আর ফিরিয়ে না দেয়ায় দিন দিন বাড়ছে খেলাপির অঙ্ক। নানা কৌশলে তা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ আছে, কিন্তু শতভাগ অর্থ ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না। বড় বড় ঋণ কেলেঙ্কারিতে আটকে গেছে অর্থ।

ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণ প্রায় সোয়া লাখ কোটি টাকা, যার বেশির ভাগই বিতরণ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত কয়েকটি ব্যাংক। মূলত অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করায় বেড়েছে খেলাপি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ হিসাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৫৫ হাজার ৪২৮ কোটিরও বেশি, যা বিতরণ করা ঋণের প্রায় ২২ শতাংশ। এ অর্থ আদায়কেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন নিয়োগ পাওয়া নতুন এমডিরা।

খেলাপি ঋণের পাহাড়

চলতি বছরের জুন শেষে সোনালী ব্যাংকের ঋণ ৬৮ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ১২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

জুন শেষে অগ্রণী ব্যাংকের ঋণ ৬৮ হাজার ২৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ১০ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৭ দশমিক ২৩ শতাংশ।

রূপালী ব্যাংকের ঋণ ৩৭ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৭ দশমিক ২৬ শতাংশ।

সুশাসন প্রতিষ্ঠার চাপ

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বাড়ছে। এর মূল কারণ সুশাসনের অভাব। অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ দেয়ায় পরবর্তী সময়ে সেই অর্থ ফিরে পাওয়া যায় না।

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তদারকি বাড়ানোর দিকে জোর দেয়ার চাপ আছে, কিন্তু তারপরও ঋণের ক্ষেত্রে মানা হয় না নিয়ম-কানুন। এমন অবস্থায় নতুন এমডিদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।

প্রযুক্তিগত সুরক্ষায় দরকার ব্যয় বাড়ানো

প্রযুক্তি ব্যবহারে পিছিয়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত সব ব্যাংক। এই খাতে অর্থ বিনিয়োগে কৃচ্ছ্রতায় লঙ্ঘিত হচ্ছে গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা।

ব্যক্তি খাতের ব্যাংকগুলো প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সাইবার নিরাপত্তা ঠেকাতে এই খাতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন।

এ খাতে বিনিয়োগসহ এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের পরিধি বৃদ্ধি, গ্রাম পর্যায়ে ই-ব্যাংকিং চালু, গ্রাহকের অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আরও মনোযোগ দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনিযুক্ত এমডিরা।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার উন্নয়ন-নেতৃত্বের প্রশংসায় বিশ্বব্যাংক
সকাল ৯টার অফিস ধরতে ব্যাংক কর্মকর্তাকে আগে ঘুমানোর চিঠি
চেক ক্লিয়ারিংয়ে নতুন সময়সূচি
আরও ৭ ব্যাংকের ৩০০ শাখা ডলার কেনাবেচা করতে চায়
আর্থিক প্রতিষ্ঠান চলবে ৯টা-৪টা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank Spokesperson Abul Kalam Azad

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আবুল কালাম আজাদ আবুল কালাম আজাদ। ফাইল ছবি
সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম। ২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জিএম আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র করা হয়েছে অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম ও ডিপার্টমেনট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স এর পরিচালক সাঈদা খানমকে।

এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন আবুল কালাম আজাদ।

সর্বশেষ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন নির্বাহী পরিচলক মো. সিরাজুল ইসলাম।

২০১৮ সালের জুলাই মাসে নিয়োগ পেয়ে চার বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করে গত ৪ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে তিনি অবসরে যান।

এর একদিন পরই আবুল কালাম আজাদকে নতুন মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগ দেয়ার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

আরও পড়ুন:
বিদেশি মুদ্রায় ঋণের সুদহার বাড়িয়ে আগের অবস্থানে বাংলাদেশ ব্যাংক
দায়িত্বে ফিরছেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান
অতিরিক্ত অডিট ফার্ম নিয়োগে নিতে হবে অনুমতি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank in Bhujpur Chittagong

চট্টগ্রামের ভূজপুরে ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের ভূজপুরে ইসলামী ব্যাংক
ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন।

চট্টগ্রামের ভূজপুরে শাখা খুলেছে ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৩৮৯তম শাখা।

ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বৃহস্পতিবার শাখাটির উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে. কিউ. এম. হাবিবুল্লাহ, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম উত্তর জোনপ্রধান মুহাম্মদ নূরুল হোসাইন কাওসার এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ভূজপুর শাখাপ্রধান মোহাম্মদ তানবির হাসান। গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আল কাদেরী, ভূজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম.এইচ. শাহজাহান চৌধুরী শিপন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইকবাল হোসেন চৌধুরী এবং ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক নাজিম উদ্দিন বাচ্চু।

এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে গ্রাহকদের সেবা প্রদানের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে সকল সূচকে দেশের শীর্ষস্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘১ কোটি ৬০ লক্ষ গ্রাহকের এ ব্যাংক দেশের টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং জাতীয় নীতি অনুসরণ করার কারণে টেকসই ব্যাংকের স্বীকৃতি লাভ করেছে।’

ব্যাংকের সেলফিন অ্যাপ ও কার্ডভিত্তিক সেবা, এমক্যাশ, আই-ব্যাংকিংসহ অন্যান্য প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবা গ্রহণের জন্য তিনি এ অঞ্চলের জনগণের প্রতি আহবান জানান।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ‘ইসলামী ব্যাংক সর্বাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে আর্থিক সেবা প্রদান করছে। আর্থিকভাবে সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তিদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আমাদের ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে।’

তিনি বলেন, ‘রেমিট্যান্স আহরণের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে ইসলামী ব্যাংক।’

ভূজপুর শাখার মাধ্যমে এ অঞ্চলের ব্যবসার প্রসার ও উদ্যোক্তা উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করাসহ প্রযুক্তিসমৃদ্ধ সেবা ছড়িয়ে দিতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন মুনিরুল মওলা।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক
চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন
নরসিংদীর শিবপুরে ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংক হেড অফিস কমপ্লেক্স শাখা নতুন ঠিকানায়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Islami Bank on the bank of Askar Dighi in Chittagong

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংক
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

চট্টগ্রামের আসকার দীঘির পাড়ে ইসলামী ব্যাংকের শাখা খোলা হয়েছে। এটি ব্যাংকটির ৩৮৮তম শাখা।

মঙ্গলবার ব্যাংকের রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মুহাম্মদ মুনিরুল মওলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ শাব্বির, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাকসুদুর রহমান ও মিফতাহ উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সাউথ জোন প্রধান মিয়া মোহা. বরকত উল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আসকার দীঘির পাড় শাখাপ্রধান কাজী মো. আলমগীর।

গ্রাহক ও শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন ও আনজুমান আরা, চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সুচারু বিকাশ বড়ুয়া, প্রিন্সিপাল আ.ন.ম দেলোয়ার হোসাইন আল-কাদরী ও ব্যবসায়ী ইফতেখারুল আলম।

এ সময় ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ এম শহীদুল এমরানসহ নির্বাহী-কর্মকর্তা, গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকের নতুন পাঁচ সেবা চালু
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে ইসলামী ব্যাংক
 ‘টপ পারফর্মিং’ পুরস্কার পেল ইসলামী ব্যাংক
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৪ উপশাখা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Two thirds of the money in Dhaka itself

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা

ঢাকাতেই তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা
জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

‘ঢাকায় টাকা ওড়ে, ধরতে জানতে হয়’ লোকমুখে প্রচলিত কথাটি আসলেই সত্যি। কারণ, সারা দেশে যত টাকা তার তিন ভাগের দুই ভাগ টাকা রয়েছে ঢাকাতেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব বলছে, ক্ষুদ্র সঞ্চয় এবং মেয়াদি আমানত মিলিয়ে সারা দেশের মধ্যে ঢাকার ধারে কাছেও নেই দেশের কোনো অংশ।

জুন শেষে ঢাকা বিভাগেই রয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকার বেশি আমানত। যা দেশের মোট আমানতের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

আর এর মধ্যে শুধু ঢাকা জেলায় আমানতের পরিমাণ ৮ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকা।

এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে ৩১ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা এবং গাজীপুরে ২৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

এর পরে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ। সেখানে আমানতের পরিমাণ ৩ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এ টাকার মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ২ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকার আমানত।

এরপরে নোয়াখালীতে ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৫ হাজার ৭২০ কোটি টাকা, ফেনীতে ১৪ হাজার ৫১১ কোটি টাকা ও চাঁদপুরে ১৩ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

আমানতের দিক দিয়ে এর পরের অবস্থানে খুলনা। ওই বিভাগে আমানতের পরিমাণ ৬৮ হাজার ৫৭০ কোটি টাকা।

এ ছাড়া রাজশাহীতে ৬৫ হাজার কোটি টাকা, সিলেটে ৬১ হাজার কোটি টাকা, রংপুরে ৩১ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা ও ময়মনসিংহে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার আমানত রয়েছে।

সঞ্চয় ও ঋণ বিতরণে পিছিয়ে বরিশাল

অর্থ সঞ্চয় এবং ঋণ বিতরণ- দুই ক্ষেত্রেই পুরো দেশের মধ্যে পিছিয়ে দক্ষিণের জেলা বরিশাল। বিভাগটিতে বিনিয়োগ আমানতের অর্ধেকেরও কম। তবে, আমানত এবং ঋণে সবচেয়ে এগিয়ে আছে ঢাকা।

গেল জুন শেষে ব্যাংক খাতে আমানতের পরিমাণ ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। আর ব্যাংক খাতে ঋণের পরিমাণ ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৯ কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন জেলায় কলকারখানা ও ব্যবসা করলেও ঋণ নিচ্ছেন রাজধানীর ব্যাংকের শাখাগুলো থেকেই। ফলে আঞ্চলিক বৈষম্য প্রকট থেকে আরও প্রকটতর হচ্ছে। কারণ, ঢাকায় সহজে ঋণ পাওয়া যায় এবং সমস্যা হলে সমাধানও সহজে হয়’।

বরিশালে কোন জেলায় কত ঋণ ও আমানত

বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠি জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ। ১৯৯৩ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এ ছয়টি জেলা নিয়ে বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। এখানকার আয়তন ১৩ হাজার ২২৫ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা এক কোটির নিচে।

জুন শেষে বরিশাল বিভাগের সঞ্চয়ের পরিমাণ ৩১ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় সঞ্চয় ১৩ হাজার ৭৯ কোটি টাকা। এরপরে ভোলায় ৪ হাজার ৫১৩ কোটি, পটুয়াখালীতে ৪ হাজার ৩১০ কোটি, পিরোজপুরে ৪ হাজার ২৩৯ কোটি, ঝালকাঠি ৩ হাজার ১৬ কোটি ও বরগুনায় ১ হাজার ৯৮৯ কোটি টাকা আমানত রয়েছে।

বরিশাল বিভাগে বিতরণ হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ঋণ।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় ঋণ ৫ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকা। এরপরে পটুয়াখালীতে ২ হাজার ৭২৩ কোটি, ভোলায় ২ হাজার ৬০৪ কোটি, পিরোজপুরে ১ হাজার ৭২৫ কোটি, বরগুনায় ১ হাজার ৪৯৯ কোটি ও ঝালকাঠিতে ১ হাজার ৫৪ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

ঋণেও এগিয়ে ঢাকা

ঋণ বিতরণের দিক দিয়েও ঢাকা স্বাভাবিকভাবেই এগিয়ে। এই বিভাগে দেশের ব্যাংক-ব্যবস্থার মোট ঋণের প্রায় অর্ধেক ঋণ বিতরণ হয়েছে। পরিমাণের দিক থেকে তা ৮ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা।

ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলাতেই ৮ লাখ ২২ হাজার কোটি টাকার ঋণ। এরপরে নারায়ণগঞ্জে ১৭ হাজার ৯৯৮ কোটি, গাজীপুরে ১২ হাজার ২০৯ কোটি, নরসিংদীতে ৬ হাজার ৮৮১ কোটি ও টাঙ্গাইলে ৫ হাজার ৬৫২ কোটি টাকার ঋণ দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগে বড় বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকলেও ঋণ সেভাবে বাড়েনি। চট্টগ্রামে ঋণের পরিমাণ ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলাতেই দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ।

ঋণ বিতরণে এর পরে রয়েছে খুলনা বিভাগ, যার পরিমাণ প্রায় ৫১ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া রাজশাহীতে প্রায় ৫০ হাজার ১০৪ কোটি, রংপুরে ৩২ হাজার ৬২৫ কোটি, ময়মনসিংহে ১৭ হাজার ৮৫০ কোটি, সিলেটে ১৫ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘সঞ্চয়, আয় বৈষম্য, দারিদ্র্য সীমার নিচের জনগোষ্ঠী– সব কিছুতে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লোক অনেক বঞ্চিত। বেশির ভাগ চাকরিজীবী ঢাকায় অবস্থান করায় আমানতও এখানেই বেশি জমা পড়ছে। আর এলাকার চেয়ে ঢাকায় যে কোনো বিষয়ে মিলছে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা।’

আরও পড়ুন:
খোলাবাজারে ডলারের ফের চোখ রাঙানি
আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও টাকা সাদা করার সুযোগ প্রচারের নির্দেশ
প্রবাসী গ্রাহকের ১৮ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে ‘উধাও’
ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা ডলার হারাচ্ছে দম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Agreement between Padma Bank and Momo Hotel

পদ্মা ব্যাংক ও মোমো হোটেলের সমঝোতা

পদ্মা ব্যাংক ও মোমো হোটেলের সমঝোতা পদ্মা ব্যাংক ও মোমো ইন হোটেলের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই। ছবি: নিউজবাংলা
পদ্মা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন এবং মোমো ইনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুয়েল খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড বগুড়ার স্বনামধন্য হোটেল ও রিসোর্ট মোমো ইনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

সোমবার রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত মোমো ইনের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

পদ্মা ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার জাবেদ আমিন এবং মোমো ইনের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুয়েল খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে ব্যাংকের হেড অফ রিটেইল অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং রকিবুল হাসান চৌধুরী এবং হেড অফ সেগমেন্ট নাফিসা আরা উপস্থিত ছিলেন।

এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট অফারের ঘোষণা দিয়েছে পদ্মা ব্যাংক। ব্যাংকের কার্ডধারীরা রুম এবং হোটেল পরিষেবাগুলোতে আকর্ষণীয় ছাড় পাবেন।

আরও পড়ুন:
প্রয়াত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক অনুদান দিল পদ্মা ব্যাংক
পদ্মা ব্যাংকে মিলছে পুরোনো গাড়ি কেনার ঋণও
শোক দিবসে পদ্মা ব্যাংকের আলোচনা সভা ও দোয়া
নতুন গভর্নরের পদক্ষেপে খেলাপি ঋণ কমবে: তারেক রিয়াজ খান
পদ্মা ব্যাংক ও ফ্লোরা সিস্টেমসের চুক্তি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Global Islami Bank in Khulshi Chittagong

চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক

চট্টগ্রামের খুলশীতে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত।

চট্টগ্রামের খুলশীতে শাখা খুলেছে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক। এটি ব্যাংকটির ৯৪তম শাখা।

আধুনিক ব্যাংকিং সেবার প্রতিশ্রুতি নিয়ে রোববার বন্দরনগরী চট্টগ্রামের খুলশীতে এই শাখার উদ্বোধন করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে শাখাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ হাবিব হাসনাত। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম সারওয়ার ও কাজী মশিউর রহমান জেহাদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউস সামাদ ও সামি করিম, প্রধান কার্যালয়ের বিভাগীয় প্রধান, শাখা ব্যবস্থাপক, ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, অতিথি ও গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও উৎকর্ষ ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে ব্যাংকটি দেশে ও দেশের বাইরে তার স্বকীয়তা বজায় রেখে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে শাখা সম্প্রসারণ করবে বলে অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের আইপিও আবেদন শুরু ১৬ অক্টোবর
৭% মুনাফায় সিএমএসএমই ঋণ দেবে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক
গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংকের নতুন ৪ উপশাখা
পুঁজিবাজারে আসছে গ্লোবাল ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Mosleh Uddin is the new MD of Shahjalal Bank

শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন

শাহ্জালাল ব্যাংকের নতুন এমডি মোসলেহ উদ্দীন
এর আগে তিনি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক এবং সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কমকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছেন। সোমবার তিনি এই নতুন দায়িত্ব গ্রহন করেছেন বলে ব্যাংকটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এর আগে তিনি ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যান্ড কমার্স (এনসিসি) ব্যাংক এবং সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে তিনি দেশি-বিদেশি ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। তিনি যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ও অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মোসলেহ উদ্দীন আহমেদ সিটি ব্যাংকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব করপোরেট, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ক্রেডিট হেড এবং প্রাইম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে লিজিং ডিভিশনের হেড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

মোসলেহ উদ্দীন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) থেকে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক এবং কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার স্টাফ কলেজ হায়দরাদ, দিল্লি ও মুম্বাই থেকে ট্রেড ফাইন্যান্স ও ক্রেডিট ম্যানেজমেন্ট এবং এআইটি, ব্যাংকক থেকে অ্যাডভান্স ক্রেডিট ম্যানেজমেন্টের ওপর লং কোর্স সমাপ্ত করেন। তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নেন।

এ ছাড়াও তিনি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ও একাডেমিতে ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স বিষয়ে লেকচার প্রদান করে থাকেন।

মন্তব্য

p
উপরে