× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
India is going to be one of the biggest export markets of Bangladesh
hear-news
player
google_news print-icon

বাংলাদেশের বড় রপ্তানি বাজার হতে যাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশের-বড়-রপ্তানি-বাজার-হতে-যাচ্ছে-ভারত
২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পাশের দেশ ভারতে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের ঘরে পৌঁছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৫৫.৬২ শতাংশ বেশি। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রপ্তানি বেড়েছে ২০.৫৩ শতাংশ। বছর শেষে ৩ বিলিয়ন ডলার রপ্তানির আশা করছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশ ভারতের বিশাল বাজারে আশাজাগানিয়া রপ্তানি বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে শুরু হলো নতুন অর্থবছর। এই ধারা অব্যাহত থাকবে- এমন আশার কথা শুনিয়ে সরকারের নীতিনির্ধারক, রপ্তানিকারক ও অর্থনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানি বাজার হতে চলেছে ভারত। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হোঁচট খেলেও খুব বেশি সমস্যা হবে না। বছর শেষে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে পাশের দেশ ভারতে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের জুলাইয়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেশি।

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এই বাজারে ১২ কোটি ৬১ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ।

অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত অর্থবছরে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলারের ঘরে পৌঁছে, যা ছিল আগের অর্থবছরের চেয়ে ৫৫ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘আমরা খুবই খুশি যে ভারতে আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। আশা করছি, চলতি অর্থবছরে দেশটিতে আমাদের রপ্তানি ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলার ছাড়িয়ে যাবে।’

২০২১-২২ অর্থবছরে ভারতের বাজারে উল্লম্ফনের পর চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেও রপ্তানি বাড়ায় বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছেন বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। তারা বলছেন, প্রায় দেড় শ কোটি মানুষের দেশ ভারতের বাজার ভালোভাবে ধরতে পারলে আমাদের আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না। আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত পোশাক রপ্তানিকারকরা বলছেন, ভারতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ব্র্যান্ড-সচেতনতা। এ কারণে সেখানে স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোও শক্ত অবস্থান তৈরি করছে। আবার আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোও দেশটিতে নতুন নতুন বিক্রয়কেন্দ্র খুলতে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে ভারতের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সেই সুফলই এখন পাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী দিনগুলোতে রপ্তানি আরও বাড়বে- এমন আশার কথা শুনিয়ে অর্থনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের সরকারের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বিজেপি ও বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আছে। এটাই উপযুক্ত সময়। সরকার ও বেসরকারি খাত মিলে ভারতের বাজার ধরতে একটি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) রোববার রপ্তানির আয়ের দেশভিত্তিক হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যায় ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ভারতের বাজারে ১৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭ কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার ডলারের। অর্থাৎ মোট রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই পোশাক। বাকিটা পাট ও পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক দ্রব্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।

২০২১-২০২২ অর্থবছরের ভারতে ১৯৯ কোটি ১৩ লাখ ৯০ হাজার (প্রায় ২ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর মধ্যে পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৭১ কোটি ৫৪ লাখ ১০ হাজার ডলার। অন্যান্য পণ্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে এসেছে ১৯ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার ডলার। ১০ কোটি ১০ লাখ ২০ হাজার ডলার এসেছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি থেকে।

এ ছাড়া কটন ও কটন প্রোডাক্টস থেকে ৩ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং প্লাস্টিক দ্রব্য থেকে ৩ কোটি ৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার এসেছে।

ইপিবির সর্বশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, একক দেশ হিসেবে ভারত এখন বাংলাদেশের সপ্তম রপ্তানি বাজারের তালিকায় উঠে এসেছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শীর্ষ ১০ বাজারের একটি এখন ভারত।

অথচ ২০২০-২১ অর্থবছরেও বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ রপ্তানি বাজারের তালিকায় ভারতের স্থান ছিল না। আগের বছরগুলোতে ভারতের অবস্থান ছিল ১৪ থেকে ১৫তম স্থানে।

সবার ওপরে বরাবরের মতোই যুক্তরাষ্ট্র অবস্থান করছে। দ্বিতীয় স্থানে জার্মানি। তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ স্থানে যথাক্রমে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন ও পোল্যান্ড।

পোল্যান্ড ও ভারতে রপ্তানির অঙ্ক প্রায় কাছাকাছি। গত অর্থবছরে পোল্যান্ডে রপ্তানি হয়েছে ২১৪ কোটি ২৪ লাখ ডলারের পণ্য।

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে মাত্র তিনটি অর্থবছরে ভারতে পণ্য রপ্তানি ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের বেশি হয়েছে, তাও সেটা গত তিন বছরে। তার আগের বছরগুলোয় ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ১ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা ভারতে ১২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেন, যা ছিল এ-যাবৎকালের সর্বোচ্চ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে এ আয় বেশি ছিল প্রায় ১৭ শতাংশ।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে ভারতের বাজারে ১২৫ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে তা কমে ১০৯ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ডলারে নেমে আসে।

২০১১ সালে ভারত বাংলাদেশকে অস্ত্র ও মাদক বাদে সব পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয়। যদিও সেই সুবিধা খুব বেশি কাজে লাগাতে পারছিলেন না বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা। ২০১১ সালের দিকে বাংলাদেশের বেশ কিছু কারখানার কাছ থেকে পোশাক নিয়ে টাকা দেয়নি ভারতীয় কোম্পানি লিলিপুট। সে জন্য বেশ কয়েক বছর পোশাক রপ্তানিতে ভাটা পড়ে। কিন্তু গত কয়েক বছরে ভারতের বিভিন্ন শহরে পোশাকের নামিদামি বিদেশি অনেক ব্র্যান্ড বিক্রয়কেন্দ্র খোলায় তাতে পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড কোম্পানির এক প্রতিবেদনে ২০১৯ সালে বলা হয়েছিল, দুই বছরের মধ্যে ৩০০টি আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড ভারতে বিক্রয়কেন্দ্র খোলার পরিকল্পনা করছে। কারণ দেশটির মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে ১৯ শতাংশ হারে বাড়বে, যা কি না চীন, ব্রাজিল ও মেক্সিকোর তুলনায় দ্রুত। ২০২২ সালে ভারতের কাপড়ের বাজার হবে ৫ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের।

রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ চেম্বারের বর্তমান সভাপতি দেশের অন্যতম শীর্ষ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইভিন্স গ্রুপের কর্ণধার আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরেও ভারতে রপ্তানি আয়ে ভালো প্রবৃদ্ধি নিয়ে আমরা অর্থবছর শুরু করেছি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় আমাদের প্রধান দুই বাজার আমেরিকা-ইউরোপের দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় আমরা পোশাক রপ্তানিতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। ওই দেশগুলোর মানুষ এখন পোশাক কেনা কমিয়ে দিচ্ছেন। এ অবস্থায় আমরা যদি ভারতে আমাদের রপ্তানি আরও বাড়াতে পারি, তাহলে আমাদের জন্য খুবই ভালো হয়।’

দেশের অন্যতম শীর্ষ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইভিন্স গ্রুপের কর্ণধার আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, ‘ভারতে বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের কদর বাড়ছে। ভৌগোলিক কারণেই ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ছে। এখন থেকে তা বাড়তেই থাকবে বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে। প্রায় দেড় শ কোটি লোকের চাহিদা মেটাতে ভারতকে বাংলাদেশ থেকে পোশাক কিনতেই হবে। ভারতে পোশাক তৈরি করতে যে খরচ হয়, বাংলাদেশ থেকে আমদানি করলে তার থেকে অনেক কম পড়ে। সে কারণে সব হিসাব-নিকাশ করেই তারা এখন বাংলাদেশ থেকে বেশি বেশি পোশাক কিনছে।’

‘ভারতের অনেক ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশের কারখানায় পোশাক তৈরি করে তাদের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করছেন। এতে তাদের একদিকে যেমন লিড টাইম কম লাগছে, অন্যদিকে খরচও কম হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ভারতের বিশাল বাজার বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের জন্য আগামী দিনে ‘সুদিন’ বয়ে আনবে বলে মনে করছেন পারভেজ।

বাংলাদেশের নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল ভারতের দুজন বায়ার আমার কারখানা পরিদর্শনে এসেছিলেন। তারা দুজন আমার পুরোনো ক্রেতা। এবার তারা এসেছেন, আরও বেশি অর্ডার দিতে। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ভারতে আমাদের পোশাকের চাহিদা বাড়ছে। আমরা বেশ ভালোভাবেই ভারতের বাজারে প্রবেশ করছি।’

তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো ভারতে আমাদের রপ্তানি ২ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। এটা এখন বাড়বেই। তেমন আভাস আমরা পাচ্ছি। আর সত্যি কথা বলতে কী, ভারতের বাজার যদি আমরা মোটামুটি ভালোভাবে ধরতে পারি, তাহলে আর আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না। কেননা ভারত আমাদের পাশের দেশ, পরিবহন খরচ খুবই কম পড়বে। আমাদের মুনাফা বেশি হবে।’

‘ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে যদি কোনো কারণে সমস্যা হয়, তাহলে আমাদের সমস্যা হবে না।’

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক মঞ্জুর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভারতে একটি বৃহৎ ও বিকাশমান বাজার রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সেখান থেকে এখন পর্যন্ত যথেষ্ট পরিমাণে লাভবান হতে পারেনি। বৈশ্বিক বাজার থেকে ভারতের আমদানির মোট মূল্যমান প্রায় ৪৫০ বিলিয়ন ডলার।

‘এখন ভারতে আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। সেটা কিন্তু ভারতের দেড় শ কোটি লোকের বিশাল বাজারের তুলনায় একেবারেই নগণ্য। এখন দুই দেশের সরকারের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক বিরাজ করছে, সেটাকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নতুন মাত্রা যোগ হবে।

‘একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, পাশের দেশ হওয়ায় ভারতে খুবই কম খরচে আমরা পণ্য রপ্তানি করতে পারি। এতে রপ্তানিকারকরা বেশি লাভবান হন। তাই ভারতে রপ্তানি বাড়াতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়ানো উচিত বলে আমি মনে করি। একই সঙ্গে রপ্তানিকারকদেরও নতুন পরিকল্পনা সাজিয়ে ভারতের বাজার দখলের চেষ্টা করতে হবে।’

সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলে ভারতের বাজার ধরতে একটি স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদ মঞ্জুর হোসেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত অর্থবছরে আমরা ৫২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছি। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশের মতো। এবার লক্ষ্য ধরেছি ৫৮ বিলিয়ন ডলার। বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে খুব বেশি প্রবৃদ্ধি ধরেনি; ১১ শতাংশ ধরেছি। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আয় হবে। কেননা ভারতসহ অপ্রচলিত বাজার থেকে আমরা আশাজাগানিয়া সাফল্য পাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘গত অর্থবছরে আমরা ভারতে ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছি, আগের অর্থবছরে যা ছিল ১ বিলিয়ন ডলারের কিছু বেশি। এবার আশা করছি, ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। সেদিন বেশি দেরি নয়, পাশের দেশ ভারত আমাদের অন্যতম বৃহত্তম রপ্তানি বাজারে পরিণত হবে।’

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে চিন্তায় ভারতের জনগণও
গণতন্ত্রের মৃত্যু দেখছে ভারত: রাহুল গান্ধী
বিদেশি বিনিয়োগের পালেও জোর হাওয়া
মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির আড়ালে অর্থপাচার!

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Finance received the award for excellence in the financial services sector

আর্থিক সেবা খাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ফাইন্যান্স

আর্থিক সেবা খাতে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার পেল বাংলাদেশ ফাইন্যান্স বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে পুরস্কৃত করেছে ইনস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর একটি হোটেলে শনিবার সন্ধ্যায় ১৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে পুরস্কৃত করে আইসিএবি। তালিকায় আর্থিক সেবা খাতে আবারও সেরাদের কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেড।

আবারও আর্থিক সেবা খাতে আবারও সেরাদের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স লিমিটেড। ২০২১ সালে সেরা আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সকে পুরস্কৃত করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১৫টি ক্যাটাগরিতে মোট ৫১টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

গতবারের মতো আর্থিক সেবা খাতে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। এ খাতে প্রথম হয়েছে আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেড আর তৃতীয় হয়েছে আইপিডিসি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির হাত থেকে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পক্ষে দ্বিতীয় সেরার পুরস্কার নেন প্রতিষ্ঠানটির অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র পরিচালক মো. রোকনুজ্জামান এফসিএ এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কায়সার হামিদ।

এ বিষয়ে কায়সার হামিদ বলেন, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের ধারাবাহিক উন্নতির বহিঃপ্রকাশ আবারও আইসিএবি অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি। এটা অদূর ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক মুসলিম চৌধুরী, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, আইসিএবির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসাইন এফসিএ প্রমুখ।

পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় আরও রয়েছে সরকারি ব্যাংক খাতের জনতা ও সোনালী ব্যাংক। বেসরকারি ব্যাংক ক্যাটাগরিতে ব্যাংক এশিয়া-শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক-মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কৃত হয়েছে।

ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে রয়েছে ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ এবং রেকিট ব্যাংকিজিয়ার। ইনস্যুরেন্স খাতে পুরস্কৃত হয়েছে গ্রীণ ডেল্টা-রিল্যায়েন্স, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স এবং সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

ডাইভারসিফায়েড হোল্ডিংস খাতে এসিআই লিমিটেড, কমিউনিকেশন ও আইটি খাতে রবি ও গ্রামীণফোন পুরস্কার পেয়েছে।

পাবলিক সেক্টরে পুরস্কার পেয়েছে ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড, ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অফ বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড। এনজিওতে ব্র্যাক, কোডেক, সাজিদা ফাউন্ডেশন, সোসাইটি ফর সোস্যাল সার্ভিস এবং শক্তি ফাইন্ডেশন রয়েছে।

সার্ভিস সেক্টরে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট , করপোরেট গভর্ন্যান্সে ব্যাংক এশিয়া, আইডিএলসি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, মার্কেন্টাইল ব্যাংক পুরস্কৃত হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সামিট পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার এবং অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতে পুরস্কৃত হয়েছে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড।

আরও পড়ুন:
ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’: তদন্ত চেয়ে দুই সংস্থাকে চিঠি
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক
ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
KSRM 8th Golf Tournament completed

কেএসআরএম অষ্টম গলফ টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

কেএসআরএম অষ্টম গলফ টুর্নামেন্ট সম্পন্ন চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে শুক্রবার টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। ছবি: সংগৃহীত
সমাপনী অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা কেএসআরএম-এর সহযোগিতায় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকি। এটা অত্যন্ত আনন্দের ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা। আশা এ সম্পর্ক আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবে অষ্টম গলফ টুর্নামেন্ট সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইস্পাত শিল্প প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম।

টুর্নামেন্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ও ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএম-এর জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) মো. জসিম উদ্দিন, বিজনেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট উইংয়ের মহাব্যবস্থাপক কর্নেল (অব.) মো. আশফাকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) সৈয়দ নজরুল আলম, ভাটিয়ারি গলফ অ্যান্ড কাট্রি ক্লাবের ভাইস প্রসিডেন্ট (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী ইফতেখারুল আলম এবং কেএসআরএমের মিডিয়া অ্যাডভাইজার মিজানুল ইসলাম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম বলেন, ‘প্রতিবছর আমরা কেএসআরএম-এর সহযোগিতায় এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করে থাকি। এটা অত্যন্ত আনন্দের ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা। এজন্য কেএসআরএম কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আমরা করি এ সম্পর্ক আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’

আঞ্চলিক পর্যায়ের এসব গলফ টুর্নামেন্ট জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেএসআরএমের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (ব্র্যান্ড) শাহেদ পারভেজ, উপ-ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান রিয়াদ, সহকারী ব্যবস্থাপক ডেনিয়েল দেওয়ান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মিজান উল হক, মিথুন বড়ুয়া, মিজানুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।

শেষে টুর্নামেন্টে ১৭০ প্রতিযোগী গলফারের মধ্যে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয় এবং র‌্যাফেল ড্র-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
দুই বলে হ্যাটট্রিক, ইতিহাস গড়লেন আমেরিকার পেইসার
খেলাধুলায় বন্ধুত্বের বন্ধনে মিলিত
শেষ হলো কেএসআরএম গলফ টুর্নামেন্ট
দেশে প্রথমবারের মতো ই-স্পোর্টস টুর্নামেন্ট
শেষ হলো পুলিশ কমিশনারস টেনিস টুর্নামেন্ট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Gold prices hit a record high of 87000 rupees

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৭ হাজার টাকা ছাড়াল

স্বর্ণের দামে রেকর্ড, ভরি ৮৭ হাজার টাকা ছাড়াল
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। রোববার থেকে সারা দেশে এই দরে স্বর্ণ বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ হয়েছে। রোববার থেকে সারা দেশে এই দরে স্বর্ণ বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

শনিবার রাতে বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয় স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও প্রায় একই হারে বাড়ানো হয়েছে।

এ নিয়ে দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্র‌তি ভরি স্বর্ণের দাম বাড়ালো তিন হাজার ৩৩ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভ‌রি এই স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা, যা এত দিন ৮৪ হাজার ২১৪ টাকা ছিল।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন- বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই প্রতি ভরি সোনা এতো বেশি দামে বিক্রি হয়নি।

টানা তিন দফা কমানোর পর গত ১২ নভেম্বর মূল্যবান এ ধাতুর দাম ভরিতে দুই হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়েছিল বাজুস। যা ১৩ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ছয় দিনের মাথায় ১৭ নভেম্বর ভরিতে এক হাজার ৭৫০ টাকা বাড়ানো হয়। শনিবার আরও তিন হাজার ৩৩ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা এলো।

নতুন দাম অনুযায়ী, রোববার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকায় বিক্রি হবে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিতে বাড়ানো হয়েছে এক হাজার ৬৩২ টাকা; বিক্রি হবে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ১৬৬ টাকা বেড়ে হয়েছে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা।

এর আগে সর্বশেষ গত ১৭ নভেম্বর বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়, যা পরের দিন ১৮ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়। ওই দাম অনুযায়ী শনিবার পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮৪ হাজার ২১৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৮০ হাজার ৩৬৫ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৬৮ হাজার ৯৩৪ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ৫৬ হাজার ৬৮৭ টাকা।

এরও আগে স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় গত ২৪ অক্টোবর, যা ২৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হয়। ওই সময় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ৮০ হাজার ১৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৭৬ হাজার ৫১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৬৫ হাজার ৫৫২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ৫৪ হাজার ৩৫৪ টাকা।

তবে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা অপরিবর্তিত আছে।

আরও পড়ুন:
বৈধ জুয়েলারি থেকে গহনা কেনার পরামর্শ বাজুসের
বাজুস সদস্য ছাড়া স্বর্ণালংকার না কেনার পরামর্শ
৩ নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা দিল বাজুস
বাজুসের নতুন কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
বাজুস সভাপতি সায়েম সোবহান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Many of the wealthy are not paying income tax NBR

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর

সামর্থ্যবানদের অনেকে দিচ্ছেন না আয়কর: এনবিআর ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩ প্রকাশ করেছে ডিসিসিআই। ছবি: নিউজবাংলা
‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে।’

দেশে আয়কর দিতে সক্ষম ব্যক্তির সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। তবে এর বড় একটি অংশ করের আওতার বাইরে বলে জানিয়েছেন এনবিআর সদস্য (আয়কর তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সেবা) মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড ইনকাম ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসিসিআই বিগত বছরের ন্যায় এ বছর ‘ট্যাক্স গাইড ২০২২-২৩’ প্রকাশ করেছে। এতে আয়কর, ভ্যাট এবং কাস্টমস আইনের বিস্তারিত বিবরণী তুলে ধরা হয়েছে।

ডিসিসিআিই বলেছে, এই গাইডটি চেম্বারের সদ্যেসের পাশাপাশি দেশের সকল ব্যবসায়ীর কাজে লাগবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর সদস্য জাহিদ হাসান বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য দেশের অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় নীতি ও সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। আর সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, যা অব্যাহত থাকবে।

নিবন্ধনের চেয়ে করদাতার সংখ্যা কম, এমন তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশে টিআইএন-ধারীর সংখ্যা ৮৩ লাখ। অথচ গত অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল হয়েছে মাত্র ২৫ লাখ ৩০ হাজার। এটি মোটেই আশাব্যঞ্জক নয়।

‘চলতি অর্থবছরের বাজেটে বেশ কিছু সেবা গ্রহণে রিটার্ন-এর সাথে প্রমাণপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে আশা করা যাচ্ছে রিটার্নের সংখ্যা অনেক বাড়বে। আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে এনবিআর সকল কার্যক্রমে ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর উপর জোর দিচ্ছে। এর ফলে জনগনের ভোগান্তি কমবে এবং রাজস্ব আহরণের হার বৃদ্ধি পাবে।’

দেশে আয়কর প্রদানে সক্ষম লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ, এমন তথ্য জানিয়ে জাহিদ হাসান বলেন, ‘বিপুল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ কর ব্যবস্থাপনার বাইরে রয়ে গেছে। কর-জাল সম্প্রসারণে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সারাদেশে কর অঞ্চলের অফিস বাড়ানোসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে করদাতার সংখ্যা আরও বাড়বে।’

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ‘কোম্পানীর রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য আয়কর ও ভ্যাট সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান রাখা অপরিহার্য। এটা জানা থাকলে একজন উদ্যোক্তার ব্যবসায়িক কর্মকান্ড সফলভাবে পরিচালনা ও কৌশল নির্ধারন সহজ হয়।

‘চলতি অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কর-জাল বৃদ্ধির জন্য ৩৮টি ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভ্যাটের কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, স্থানীয় পর্যায়ে কেমিক্যাল উৎপাদনে ৬ শতাংশ ভ্যাট ছাড়, মূসক ফরমে পরিবর্তন এবং কম্পিউটার যন্ত্রাংশ আমদানিতে ভ্যাট বৃদ্ধিসহ বেশকিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এসব পরিবর্তন সম্পর্কে ব্যবসায়ীদের অবশ্যই অবগত থাকতে হবে।’

রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি আরমান হক।

কর্মশালায় দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই’র কাস্টমস্, ভ্যাট অ্যান্ড এনবিআর বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির উপদেষ্টা স্নেহাশীষ বড়ুয়া ও যুগ্ম-আহবায়ক এমবিএম লুৎফুল হাদী।

আরও পড়ুন:
আয়কর রিটার্ন জমার সময় বাড়ল এক মাস
শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে
রিটার্ন জমা পড়েছে ৯ লাখ, অনলাইনে সাড়া কম
ভুয়া আয়কর রিটার্ন শনাক্ত করা যাবে সহজে 
আয়কর রিটার্ন দ্বিগুণ করতে চায় এনবিআর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banglalink Development agreement to enjoy the World Cup in Toffee

টফিতে বিশ্বকাপ উপভোগে বাংলালিংক-বিকাশ চুক্তি

টফিতে বিশ্বকাপ উপভোগে বাংলালিংক-বিকাশ চুক্তি সম্প্রতি বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে আবদুল মুকিত আহমেদ ও মাহফুজ সাদিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। ছবি: সংগৃহীত
বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে টফির ডিজিটাল সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক আবদুল মুকিত আহমেদ এবং বিকাশের চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

ফুটবলপ্রেমীদের বিশ্বকাপের প্রতিটি খেলা নিরবচ্ছিন্নভাবে সরাসরি দেখার সুযোগ করে দিতে বাংলালিংকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বিকাশ।

গ্রাহকরা বাংলালিংকের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘টফি’তে বিকাশের মাধ্যমে ডাটা প্যাকেজ কিনে বা রিচার্জ করে সরসারি খেলা উপভোগ করতে পারবেন। বিজ্ঞাপন-মুক্ত খেলা দেখতে প্রিমিয়াম প্যাকেজও সাবস্ক্রাইব করতে পারেন বিকাশ পেমেন্টে।

সম্প্রতি বিকাশের প্রধান কার্যালয়ে টফির ডিজিটাল সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক আবদুল মুকিত আহমেদ এবং বিকাশের চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে বিকাশ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এরিক অস এবং বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীরসহ দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এর ফলে, বিশ্বকাপজুড়ে টফি অ্যাপে প্রবেশ করলেই গ্রাহকেরা প্রতিটি ম্যাচের আগে মোবাইলে ডাটা আছে কিনা সেই নোটিফিকেশন পাবেন। এমনকি, খেলার মাঝে ডাটা ফুরিয়ে গেলে মুহূর্তেই বিকাশে মোবাইল ডাটা রিচার্জ করে নির্বিঘ্নে খেলা দেখতে পারবেন।

বিকাশে পেমেন্টের মাধ্যমে গ্রাহকেরা ৩০ টাকা থেকে শুরু করে ১২০ টাকার ৩ থেকে ৩০ দিন মেয়াদি বিভিন্ন প্রিমিয়াম প্যাকেজ সাবস্ক্রাইব করতে পারেন।

এ প্রসঙ্গে টফির ডিজিটাল সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক আবদুল মুকিত আহমেদ বলেন, ‘টফি ব্যবহারকারীদেরকে বিশ্বকাপের ম্যাচ স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে উপভোগের সুযোগ দিতে আমরা বিকাশ-এর সঙ্গে এই যৌথ উদ্যোগ নিয়েছি। এর মাধ্যমে তারা দ্রুত ডাটা কিনে নিরবচ্ছিন্ন লাইভস্ট্রিমিংয়ের অভিজ্ঞতা পাবে। ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ নিয়ে এসেছি।’

বিকাশের চিফ কমিউনিকেশন্স অফিসার মাহফুজ সাদিক বলেন, ‘পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশী আর বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপ দেখা বরাবরই আনন্দের। তবে আজকাল কর্মব্যস্ত জীবনে, ছোট পরিবারে ঘরে ফিরে সেভাবে আর টিভির সামনে বসে খেলা দেখা হয়ে ওঠে না। যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকেই মোবাইলে বা অন্য ডিজিটাল ডিভাইসে সরাসরি এবারের বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলালিংকের টফি।’

তিনি বলেন, ‘বিকাশ এই উদ্যোগের সঙ্গে থেকে গ্রাহকদের জন্য তাৎক্ষণিক ডাটা প্যাকেজ কিনে নিরবচ্ছিন্ন খেলা দেখার সুযোগ তৈরি করছে।’

এবার কাতারে অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ এর ম্যাচগুলো দেখানোর ডিজিটাল স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে একমাত্র স্বত্ব পেয়েছে বাংলালিংকের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘টফি’। জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে খেলা ছাড়াও মুভি, নাটক, ওয়েব সিরিজ এবং বিভিন্ন টিভি চ্যানেল লাইভ দেখতে পারেন গ্রাহক।

আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপ: টিভিতে ২২ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়
আর্জেন্টিনার এক দিন পর বিশ্বকাপ শুরু ব্রাজিলের
মেসির গ্রুপে লেওয়ানডোভস্কি, কঠিন গ্রুপে ব্রাজিল
কাতার বিশ্বকাপের ম্যাসকট লায়িব
বিশ্বকাপের থিম সং ‘হায়্যা হায়্যা’

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
FBCCI signs deal with CNN at Business Summit March

এফবিসিসিআই’র বিজনেস সামিট মার্চে, সিএনএনের সঙ্গে চুক্তি

এফবিসিসিআই’র বিজনেস সামিট মার্চে, সিএনএনের সঙ্গে চুক্তি গুলশানে বেক্সিমকো কার্যালয়ে শনিবার এফবিসিসিআই ও সিএনএন-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়। ছবি: নিউজবাংলা
এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‌‘এই সামিটের আন্তর্জাতিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে সিএনএনের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা আমাদের এই অনুষ্ঠানের খবর বিশ্বব্যাপী প্রচার করবে।’

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে আগামী বছরের মার্চে ‘বাংলাদেশ বিজনেস সামিট-২০২৩’ আয়োজন করতে যাচ্ছে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উপলক্ষে এই সম্মেলনের ব্যাপকভিত্তিক প্রচারে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন-এর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।

এই চুক্তির আওতায় চলতি ডিসেম্বর মাস থেকে আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে প্রচার চালাবে সিএনএন।

গুলশানের বেক্সিমকো কার্যালয়ে শনিবার প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের উপস্থিতিতে এই স্মারক স্বাক্ষর হয়।

এফবিসিসিআইর পক্ষে সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও সিএনএনের পক্ষে ‍প্রতিষ্ঠানটির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক (সেলস) অভিজিৎ ধর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে সালমান এফ রহমান বলেন, ‘এই বিজনেস সামিট-এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের বিগত বছরের সফলতা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবেন। এই আয়োজন বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করবে। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা এবং আগামীর উন্নয়ন সম্ভাবনার কথাও এই সামিটে তুলে ধরা হবে।’

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‌‘টেক্সটাইল, গ্রিন ইকোনমি, সার্কুলার ইকোনমি ইত্যাদি সম্ভাবনাময় খাতের প্রদর্শনী করা হবে এই সামিটে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে অনেক দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য রিলোকেশনের সুযোগ তৈরি হবে।

‘সামিটে বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্যবসায়ীসহ দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা ব্যবসায়ীদের সম্মানিত করা হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‌‘এই সামিটের আন্তর্জাতিক মিডিয়া পার্টনার হিসেবে সিএনএনের সঙ্গে আমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা আমাদের এই অনুষ্ঠানের খবর বিশ্বব্যাপী প্রচার করবে।

‌‘এই আয়োজনে ডব্লিউটিও’র ডিজি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ট্রেড কমিশনার, জেটরো চেয়ারম্যান, বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির সিইও এবং বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে এমন ৩০টির বেশি দেশের মন্ত্রীসহ সেসব দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে তুলে ধরা হবে।’

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি এম এ মোমেন, সালাউদ্দিন আলমগীর, পরিচালক সৈয়দ সাদাত আলমাস কবির, আনোয়ার উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ), আবুল কাসেম খান, মহাসচিব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শীতার্ত মানুষের পাশে এফবিসিসিআই
ব্যয় বাড়ায় ব্যবসা হারাচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠান
পরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি ব্যবসায়ীদের
ব্যাংক ঋণ সহজীকরণ চান নারী উদ্যোক্তারা
কৃষিপণ্য ও মৎস্য রপ্তানি সম্ভাবনায় এফবিসিসিআই-ইউএসডিএর সমঝোতা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banks incur huge losses if an institution closes BSEC chairman

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান

কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে ব্যাংকের বিশাল ক্ষতি হয়: বিএসইসি চেয়ারম্যান ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত সিএক্সও সামিটে বক্তব্য দেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা
শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত। কারণ বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে তাদের অনেক ঋণ থাকে। তাই বন্ধ হয়ে গেলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না।

কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি বন্ধ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে ‘গুড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘একটি কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ব্যাংকিং খাত।’

শনিবার রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বাংলাদেশের একমাত্র তথ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যাটফর্ম ভেলোর অফ বাংলাদেশ আয়োজিত ‘সিএক্সও সামিট-২০২২’-এ তিনি এসব কথা বলেন।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে শিল্প প্রতিষ্ঠানের অনেক ঋণ থাকে। তাই সেটি বন্ধ হলে সেই ঋণ আর পরিশোধ করা হয় না। এতে ব্যাংকগুলো আর্থিকভাবে বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেক কর্মী বেকার হয়ে পড়েন। এতে তাদের পরিবারও ক্ষতির মুখে পড়ে৷’

সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ভেলোর অফ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আনিস খান। সামিটে অংশ নেয়ার জন্য তিনি আলোচকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সামিটে করপোরেট ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়াসির আজমান, ইউনিলিভার কনজিউমার কেয়ারের চেয়ারম্যান মাসুদ খান, ইউনিলিভার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাভেদ আকতার, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক, আকিজ গ্রুপের পরিচালক খুরশিদ আলমসহ দেশীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিরা।

সামিটের প্যানেলিস্টগণ জাতীয় অগ্রাধিকার এজেন্ডা এবং কার্যকর সমাধান ও সচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলেন। এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে আলোচনা করেন তারা।

উল্লেখ্য, ভেলোর অফ বাংলাদেশ গত আগস্টে ‘স্ট্র্যাটেজি সামিট’-এর আয়োজন করে। এতে মুদ্রাস্ফীতি ও খরচ, জ্বালানি অবকাঠামো, ফরেক্স ম্যাট্রিক্স, আরএমজি এবং ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি অর্থনীতি, ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স, ডিজিটাল অর্থনীতি বিষয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন:
আর্থিক প্রতিষ্ঠানেও খেলাপি ঋণের পাহাড়
অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
ইসলামী ব্যাংকের ‘অর্থ লোপাট’ নিয়ে রিটের পরামর্শ হাইকোর্টের
বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে
‘শক্তিশালী ব্যাংকের’ স্বীকৃতি পেল ইসলামী ব্যাংক

মন্তব্য

p
উপরে