× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
TCB family card in the hands of the wealthy Survey
hear-news
player
print-icon

স্বচ্ছলদের হাতে টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড: জরিপ

স্বচ্ছলদের-হাতে-টিসিবির-ফ্যামিলি-কার্ড-জরিপ
টিআইবির জরিপ বলছে, ইতোমধ্যে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তাপ্রাপ্তদের ৩৯.৫ শতাংশ ফ্যামিলি কার্ড পাননি। এর মধ্যে ৮০.৪ শতাংশ সম্ভাব্য উপকারভোগীকে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বাদ দেয়া হয়েছে।

নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য কেনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি।

সংস্থাটি বলছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সক্ষমতা যাচাই না করে, যথাযথ প্রাতিষ্ঠানিক প্রস্তুতি না নিয়ে দ্রুত এ ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এতে উপকারভোগীর তালিকা, পণ্য ক্রয়ে স্বচ্ছতার ঘাটতি এবং অনিয়ম-দুর্নীতির ফলে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী পুরোপুরি সুফল পায়নি।

‘টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করে টিআইবি। এ সময় টিসিবির ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে সুশাসনের চ্যালেঞ্জ উত্তরণে দশ দফা সুপারিশ করে সংস্থাটি।

সংস্থাটি বলছে, প্রকৃত উপকারভোগীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ফ্যামিলি কার্ড তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। বিপরীতে উপকারভোগীদের চাহিদা, পণ্য ক্রয়ের সামর্থ্য এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রবেশগম্যতা ও অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলো যথাযথভাবে বিবেচনা না করায়, এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান।

টিআইবির গবেষণা ও পলিসি বিভাগের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাহজাদা এম আকরামের তত্ত্বাবধানে গবেষণাটি তুলে ধরেন একই বিভাগের রিসার্চ ফেলো মোহাম্মদ নূরে আলম এবং রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মুহা. নূরুজ্জামান ফরহাদ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মনজুর-ই-আলম।

গবেষণায় যা বলা হয়

প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয় উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে মিশ্র পদ্ধতিতে গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত গবেষণার তথ্য সংগ্রহ এবং ১৮-২৬ এপ্রিল চালানো হয় জরিপ। এতে ৩৫ জেলার মোট এক হাজার ৪৭ জন উপকারভোগী অংশ নেন।

২০২২ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে নিম্ন আয়ের এক কোটি পরিবারকে টিসিবির ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেয়ার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ কর্মসূচি গ্রহণ করে সরকার। করোনাকালে ‘২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা’ কর্মসূচির আওতাভুক্ত ৩৮ লাখ ৫০ হাজার উপকারভোগীদের রেখে নতুন করে আরও ৬১ লাখ ৫০ হাজার জনকে যুক্ত করা হয়।

জরিপ বলছে, ইতোমধ্যে দুই হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তাপ্রাপ্তদের ৩৯.৫ শতাংশ ফ্যামিলি কার্ড পাননি। এর মধ্যে ৮০.৪ শতাংশ সম্ভাব্য উপকারভোগীকে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে বাদ দেয়া হয়। জরিপে মোট অংশগ্রহণকারী নারীর ৩৪.৪ শতাংশ এবং পুরুষের ৩১.৪ শতাংশ উপকারভোগী অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে ফ্যামিলি কার্ড পাননি বলে অভিযোগ করেন।

তারা তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও তথ্য প্রচারে ঘাটতি এবং সুপারিশ বা তদবির জোগার করতে না পারায় সরকারের এ কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

তালিকা থেকে বাদ পড়ার কারণ হিসেবে রাজনৈতিক বিবেচনায় স্বচ্ছল ব্যক্তিদের তালিকাভুক্তি, একই পরিবারে একাধিক কার্ড প্রদান, ছবি পরিবর্তন করে তালিকাভুক্তদের কার্ড অন্যদের দেয়া, ঘুষ না দেয়ার কারণে বাদ দেয়ার মতোবিষয়গুলো ওঠে আসে গবেষণায়।

‘২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা’ প্রাপ্ত উপকারভোগীর মধ্যে সাড়ে ৮ লাখ পরিবারকে কোন বিবেচনায় ও প্রক্রিয়ায় ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হয়নি, সেটা স্পষ্ট করা হয়নি বলে গবেষণায় বলা হয়।

জনপ্রতিনিধিদের যোগাযোগ কম এমন ব্যক্তিদের অনেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। জরিপে উত্তরদাতাদের ৫১.৩ শতাংশ মনে করেন, স্বচ্ছল ও রাজনৈতিক প্রভাবশালী এবং তাদের স্বজনদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, তালিকাভুক্তি ও কার্ড বিতরণের বিভিন্ন পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ৪ শতাংশ মানুষ। পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে ওজনে কম দেয়া, ফ্যামিলি কার্ড থাকা সত্ত্বেও পণ্য কিনতে না পারা, দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য না পাওয়া, নির্ধারিত স্থানের পরিবর্তে অন্য স্থানে পণ্য বিক্রয় এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন উত্তরদাতারা।

কার্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৭.৫ শতাংশ একবারও পণ্য কিনতে পারেনি এবং ৩.৭ শতাংশের একবার পণ্য কিনতে পেরেছেন।

গবেষণায় দেখা যায়, দুর্গম অঞ্চল বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম, দ্বীপ ও চরাঞ্চল এবং দুর্যোগপূর্ণ হাওর এলাকায় পণ্য সরবরাহে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয় টিসিবি।

পণ্য কেনার জন্য গড়ে দেড় ঘণ্টা থেকে সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে গবেষণায় বলা হয়েছে। এতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে উপকারভোগী দৈনিক আয় থেকে বঞ্চিত এবং দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে বয়স্ক উপকারভোগীদের কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

জরিপে অংশগ্রহণকারী ৯.২৫ শতাংশ উপকারভোগী জানিয়েছেন, নারী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থা ছিল না।

টিসিবি’র ট্রাক বা ডিলারের কাছ থেকে পণ্য কেনার সময় অনিয়ম-দুর্নীতির শিকার হয়েছেন ১৩.৭ শতাংশ। পণ্য কেনার সময় নিয়ম-বহির্ভূতভাবে প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৪০-৫০ টাকা বেশি আদায়ের অভিযোগ রয়েছে ডিলার ও বিক্রয় প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পর্যাপ্ত প্রস্তুতি এবং ব্যবস্থাপনার ঘাটতির কারণে বাস্তবে এ উদ্যোগ প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। স্বচ্ছতার অভাব, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে প্রকৃত অনেক উপকারভোগী তালিকাভুক্ত হতে পারেনি। তালিকা প্রণয়ন এবং বিতরণের ক্ষেত্রেও অনিয়ম হয়েছে। সচ্ছল ব্যক্তিদের একাংশ এমনকি রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সচ্ছল স্বজনদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ এই উদ্যোগে প্রকৃত অর্থে যাদের সুফল লাভ করার কথা, সেই অস্বচ্ছল দরিদ্র নাগরিকরাই বঞ্চিত হয়েছেন।’

টিআইবির সুপারিশ

  • উপকারভোগীদের প্রাথমিক তালিকা জনপ্রতিনিধিরা তৈরি করে দেয়ার পর ওয়ার্ড সভার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের মতামতের ভিত্তিতে তালিকা চূড়ান্ত করা।

  • নারী, প্রতিবন্ধী, দলিত, আদিবাসী, প্রান্তিক ও দুর্গম এলাকার জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা।

  • কেবল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং বিতরণের সময়, তারিখ ও স্থানের তথ্য সব পর্যায়ে প্রচারের ব্যবস্থা করা।

  • তালিকাভুক্তি ও কার্ড বিতরণে অর্থ লেনদেন না করার বিষয়ে উপকারভোগীদের সচেতন করতে মাঠ পর্যায়ে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

  • উপকারভোগীদের চাহিদা ও সামর্থ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে প্যাকেজে পণ্যের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য নির্ধারণ করা।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকদের ওপর হামলা কণ্ঠরোধের অপপ্রয়াস: টিআইবি
ইসিকে আইনি সংস্কারের প্রস্তাব দেয়ার পরামর্শ টিআইবির
পাচার অর্থ দেশে আনা বাতিলের আহ্বান টিআইবির
প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ টিআইবির
তিন বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৩৯০ কোটি টাকার দুর্নীতি: টিআইবি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Chamber representatives in Turkey to increase investment

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে
সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবে।

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে ঢাকা চেম্বারের একটি প্রতিনিধি দল দেশটিতে যাচ্ছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার ৮৬ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল তুরস্ক যাবে। দলের নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।

ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইস্তাম্বুল সফরের মূল লক্ষ্য।’

ডিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরকালে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিরা ২৮ সেপ্টম্বর বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন ‘ইস্তাম্বুল চেম্বার অফ কমার্স’ আয়োজিত ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুটি সেশন’, ২৯ সেপ্টেম্বর ফরেন ইকোনমিক রিলেশন্স বোর্ড অফ টার্কি (ডেইক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার ও বিটুবি অধিবেশনে অংশ নেবেন।

এ ছাড়া সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবেন।

বিশেষ করে সেবা, উৎপাদন এবং জেনারেল ট্রেডিং খাতে সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্ভাবনাময় খাতে জয়েন্ট ভেঞ্চার কার্যক্রম বৃদ্ধিতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিসিসিআই।

আরও পড়ুন:
ফের ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হলেন রিজওয়ান
বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের উদ্যোক্তারা
ঢাকা-হ্যানয় ফ্লাইট চায় ডিসিসিআই
অটোমোবাইলে জাপানি বিনিয়োগ চেয়েছে ‘ঢাকা চেম্বার’
ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজনে সহযোগিতা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
FBCCI president honored in USA

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা নিউ ইয়র্কে শনিবার এফবিসিসিআই সভাপতির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি মো. জসিম উদ্দিনকে এ সম্মাননা দেয়। প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে অসামান্য অবদানের জন্য এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা দিয়েছে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা নিজের দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি এফবিসিসিআই সভাপতিকে এ সম্মাননা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা পাওয়ার পর এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দুয়ার খুলবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও নিউ ইয়র্ক আদালতের বিচারক সোমা সৈয়দ।

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম কমায় চাপ কমবে: এফবিসিসিআই
ডিমের দামে কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি চায় এফবিসিসিআই
ব্যবসাবান্ধব আইন চান কুরিয়ার মালিকরা
শ্রমিক সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও
ডলার: ব্যাংকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ব্যবসায়ী নেতারা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Exim Bank Sub Branch in Nitaiganj Narayanganj

নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উপশাখা

নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উপশাখা
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অঞ্জন কুমার সাহা। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।

আধুনিক ও ইসলামিক ব্যাংকিং সেবাকে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আরও কাছে পৌঁছে দিতে নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক্সিম ব্যাংকের উপশাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার নারায়ণগঞ্জ শাখার অধীনে পরিচালিত এই উপশাখাটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য অঞ্জন কুমার সাহা। সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ ফিরোজ হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অঞ্জন কুমার সাহা বলেন, ‘দেশব্যাপি এক্সিম ব্যাংক তার সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে ব্যাংকের এই উপশাখা উদ্বোধন করা হয়েছে।’

তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণকে এক্সিম ব্যাংকের নিতাইগঞ্জ উপশাখার সাথে ব্যাংকিং করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘এক্সিম ব্যাংক তার সামগ্রিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।’

তিনি ব্যাংকের বহুমূখী আমানত ও বিনিয়োগ হিসাবসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিরা উপশাখাটি উদ্বোধন করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং নিতাইগঞ্জ উপশাখার মাধ্যমে এ এলাকার জনগণ এক্সিম ব্যাংকের আন্তরিক সেবা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন:
এক্সিম ব্যাংকের নতুন এমডি ফিরোজ হোসেন
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন রাশেদুল হাসান
এক্সিম ব্যাংকের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ
হজযাত্রীদের জন্য আশকোনায় বুথ খুলেছে এক্সিম ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশংসাপত্র পেল এক্সিম ব্যাংক

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Business growth agreement Saif Powers profit will increase by 25 crores

ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি

ব্যবসা বৃদ্ধির চুক্তি, সাইফ পাওয়ারের মুনাফা বাড়বে ২৫ কোটি সাইফ পাওয়ারটেক দুবাইয়ে সাইফ মেরিটাইম এলএলসি নামে একটি সহযোগী কোম্পানি চালু করেছে। ছবি: সংগৃহীত
চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারস ও সাইফ পাওয়ারটেক তিনটি জাহাজের মাধ্যমে ১৫ বছরের মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটে কার্গো সেবা দেবে। প্রতি বছর কার্গো মালবাহী জাহাজপ্রতি ২০০ কোটি টাকা আয় হবে। এতে নিট মুনাফা হবে ২৫ কোটি টাকা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি পোর্টস কোম্পানির সাবসিডিয়ারি সাফিন ফিডার কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাইফ পাওয়ারটেক লিমিটেড ও এর সাবসিডিয়ারি সাইফ মেরিটাইম।

এই সহযোগিতার ফলে সাইফ পাওয়ারটেকের বার্ষিক মুনাফা ২৫ কোটি টাকা বাড়বে বলে জানানো হয়েছে।

সোমবার ঢাকা ও চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাহাজ পরিচালনার জন্য রোববার এই চুক্তিটি হয়।

সাফিন ফিডার আরব আমিরাতভিত্তিক কনটেইনার ফিডার সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, যার শতভাগ মালিকানা রয়েছে এডি পোর্টস গ্রুপের।

চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারস ও সাইফ পাওয়ারটেক তিনটি জাহাজের মাধ্যমে ১৫ বছরের মেয়াদে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটে কার্গো সেবা দেবে। প্রতি বছর কার্গো মালবাহী জাহাজপ্রতি ২০০ কোটি টাকা আয় হবে। এতে নিট মুনাফা হবে ২৫ কোটি টাকা।

এই উদ্দেশ্যে সাইফ পাওয়ারটেক দুবাইয়ে সাইফ মেরিটাইম এলএলসি নামে একটি সহযোগী কোম্পানি চালু করেছে।

চুক্তির আওতায় সাফিন ফিডারসে আটটি বাল্ক ভেসেলের মাধ্যমে ফুজিয়ারা বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য আনা-নেয়া করবে সাইফ পাওয়ারটেক। এর প্রতিটির ধারণক্ষমতা ৫৫ হাজার ডিডব্লিউটি। এসব কার্গোর মাধ্যমে ফুজিয়ারা বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে ক্লিংকারসহ অন্যান্য পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হবে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৫৮ শতাংশ কনটেইনার হ্যান্ডেল করে সাইফ পাওয়ারটেক। কোম্পানিটি মোংলা ও পানগাঁও বন্দরেও কনটেইনার হ্যান্ডেল করে।

আরও পড়ুন:
সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি
পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Trading is less than half after a record four days

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে
লেনদেনের রেকর্ডের দিন যারা শেয়ার কিনেছেন, তারা বিক্রি করতে গিয়ে এখন গলদঘর্ম হচ্ছেন। কারণ ক্রেতা নেই। কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ঘিরে অস্বাভাবিক হুলুস্থুলের কারণে সূচক ও লেনদেন ক্রমাগত বাড়তে থাকার যে প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তা এরই মধ্যে গতি হারিয়েছে।

এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড গড়ার চার দিনের মাথায় পুঁজিবাজারে শেয়ার কেনাবেচার গতি অর্ধেকে নেমে এসেছে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন হয়েছিল ২ হাজার ৮৩২ কোটি ৩০ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। গত এক বছরে এর চেয়ে বেশি লেনদেন কখনও হয়নি। ২০১০ সালে মহাধসের পর এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে মোট সাত কর্মদিবসে।

চার কর্মদিবস পর রোববার এই লেনদেন দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

তবে লেনদেনের রেকর্ডের দিন যারা শেয়ার কিনেছেন, তারা বিক্রি করতে গিয়ে এখন গলদঘর্ম হচ্ছেন। কারণ ক্রেতা নেই। কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার ঘিরে অস্বাভাবিক হুলুস্থুলের কারণে সূচক ও লেনদেন ক্রমাগত বাড়তে থাকার যে প্রবণতা দেখা দিয়েছিল, তা এরই মধ্যে গতি হারিয়েছে।

বিশেষ করে ওরিয়ন গ্রুপের চারটি ও বেক্সিমকো গ্রুপের মোট ছয়টি কোম্পানির দুরন্ত গতি থেমে যাওয়ার পর এই চিত্র দাঁড়িয়েছে।

২০ সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো লিমিটেডের ৩৪২ কোটি টাকার বেশি আর ওরিয়ন ফার্মার ৩২৭ কোটি টাকার বেশি। চার কর্মদিবস পর সোমবার ওরিয়ন ফার্মায় লেনদেন হয়েছে ১১৫ কোটি টাকার কিছু বেশি আর বেক্সিমকো লিমিটেডে ১১৪ কোটি টাকার কিছু বেশি।

ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলো আগের দিনই বিনিয়োগকারীদের কাঁপন ধরিয়েছিল। সেদিন ৪৮ পয়েন্ট সূচক পতনে এই গ্রুপের ছয় কোম্পানির অবদান ছিল ৩৮ পয়েন্ট।

পরদিন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দরপতন হয়নি। বেড়েছে সামান্য।

আগের দিন দরপতনের শীর্ষে থাকা ওরিয়ন ফার্মার দর ২ টাকা ২০ পয়সা বা ১.৬৩ শতাংশ, ওরিয়ন ইনফিউশনের দর ৪ টাকা ৬০ পয়সা বা ০.৮১ শতাংশ, বিকন ফার্মার দর ২ টাকা ৪০ পয়সা বা ০.৭৬ শতাংশ বেড়েছে। তবে কোহিনূর কেমিক্যালসের দর কমেছে ৮ টাকা ৭০ পয়সা বা ১.৪৫ শতাংশ।

আগের দিন ৫ শতাংশের বেশি দর হারানো বেক্সিমকো ফার্মার দর ১ টাকা বা ০.৫৮ শতাংশ এবং বেক্সিমকো লিমিটেডের দর ১ টাকা ২০ পয়সা বা ০.৯১ শতাংশ বেড়েছে।

দিনভর উঠানামার পর বেলা শেষে সূচক কমেছে ৪ পয়েন্ট। সবচেয়ে বেশিসংখ্যক কোম্পানির দর ছিল আগের দিনের দামে, যেগুলোর প্রায় সবই আছে বেঁধে দেয়া সর্বনিম্ন দর বা ফ্লোর প্রাইসে। এই সংখ্যাটি ১৭৩। এদিন দরপতন হয়েছে ১৩৭টি কোম্পানির আর বেড়েছে ৬১টির।

রেকর্ডের চার দিনের মাথায় লেনদেন অর্ধেকের নিচে
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শেয়ার লেনদেন হয়েছে ফ্লোর প্রাইসে

গত ৩১ জুলাই থেকে সূচক ও লেনদেন বাড়তে থাকার মধ্যে প্রতিদিনই অনেক কোম্পানি দিনের দর বৃদ্ধির সর্বোচ্চ সীমায় দেখা গেলেও সেটি এখন নেমে এসেছে একটিতে।

এদিন শুধু বিডিকমের দর বেড়েছে এক দিনে যতটা বাড়া যায় ততটাই। আর জেএমআই হসপিটালের দর সেই সীমা ছুঁয়ে কয়েক পয়সা কমে লেনদেন শেষ করেছে। আর চারটি কোম্পানির দর ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

একইভাবে দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত কমেনি কোনো কোম্পানির দর। উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দেয়ার আগে ৫ কর্মদিবসে ৪৬ শতাংশ দর বেড়ে যাওয়া আজিজ পাইপের দর কমেছে ৮.৫৫ শতাংশ। ছয় বছর পর পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দেয়ার আগে লাফাতে থাকা জুট স্পিনার্সের দর কমেছে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭.১৬ শতাংশ।

আরও তিনটি কোম্পানির দর ৬ শতাংশের বেশি, আরও ৭টি কোম্পানির দর ৫ শতাংশের বেশি, আরও ৯টি কোম্পানির দর ৪ শতাংশের বেশি, আরও ৯টি কোম্পানির ৩ শতাংশের বেশি, ২২টি কোম্পানির দর ২ শতাংশের বেশি কমেছে।

ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দিনের শুরুর দিকে ট্রেন্ডি আইটেমগুলো একটু স্লো ছিল। যার প্রভাব সূচকে পড়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে কিছুটা রিকোভার করতে দেখা যায়।’

তিনি যোগ করেন, ‘গতকালের বাজারের যে আচরণ ছিল, ট্রেন্ডি আইটেমগুলোর মন্থর গতির কারণে একটু প্যানিকের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই সাইড লাইনে চলে গেছেন। পর্যবেক্ষণ করছেন। হয়তবা কাল-পরশুর মধ্যে তারা আবার ফিরবেন। তাহলে আশা করা যায় যে, লেনদেন আবারও আগের অবস্থানে চলে আসবে।’

সূচক কমাল যারা

সবচেয়ে বেশি ১ দশমিক ১ পয়েন্ট সূচক কমেছে আইসিবির দরপতনে। কোম্পানিটির দর কমেছে ২ দশমিক ০৬ শতাংশ।

আর কোনো কোম্পানির দরপতনে এক পয়েন্ট সূচক কমেনি।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শূন্য দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমেছে লাফার্জ হোলসিমের কারণে। শেয়ার প্রতি দাম কমেছে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

সি পার্লের দর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৭১ পয়েন্ট।

এ ছাড়া ইউনিক হোটেল, আইপিডিসি, ইউনিলিভার কেয়ার, ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স, ইনডেক্স অ্যাগ্রো, পেনিনসুলা ও অ্যানার্জিপ্যাক পাওয়ারের দরপতনে সূচক কমেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক কমিয়েছে ৪ দশমিক ৮২ পয়েন্ট।

বিপরীতে কোনো কোম্পানিই এককভাবে এক পয়েন্ট সূচক বাড়াতে পারেনি।

সবচেয়ে বেশি শূন্য দশমিক ৯৯ পয়েন্ট সূচক বাড়িয়েছে জেএমআই হসপিটাল। এদিন শেয়ারটির দর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের দর ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বাড়ায় সূচক বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৬ পয়েন্ট।

বেক্সিমকো লিমিটেড সূচকে যোগ করেছে শূন্য দশমিক ৭২ পয়েন্ট। কোম্পানির দর বেড়েছে শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ।

এর বাইরে শাহজিবাজার পাওয়ার, বার্জার পেইন্টস, বিকন ফার্মা, সাইফ পাওয়ার, ওরিয়ন ফার্মা, বেক্সিমকো ফার্মা ও বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল সূচকে পয়েন্ট যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে এই ১০টি কোম্পানি সূচক বাড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট।

শীর্ষ ৫ খাত যেমন

শুধুমাত্র সেবা ও আবাসন খাতে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। যদিও এ খাতের মোট কোম্পানির সংখ্যা তিন। যার মধ্যে দুটির দর বেড়েছে ও একটির কমেছে।

বাকি আর কোনো খাতেই দরবৃদ্ধি দেখা যায়নি।

লেনদেনের শীর্ষে রয়েছে বিবিধ খাত। ২৫৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বা ২১.১৪ শতাংশ লেনদেনের বিপরীতে খাতটির ৫টি করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি ও দরপতন হয়েছে। আর ৩টির লেনদেন হয়েছে আগের দরে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয়েছে ১৯৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা বা ১৬.১৭ শতাংশ। এদিন ৮টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে ১৪টির দরপতন ও ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। মোট লেনদেনের ১১.৫৭ শতাংশ বা ১৪১ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। খাতের ২৮টি কোম্পানির দরপতনের বিপরীতে বেড়েছে ৪টির দর ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টির।

চতুর্থ অবস্থানে থাকা জ্বালানি খাতে দরপতন হয়েছে ১৭টি কোম্পানির, বেড়েছে ৪টির দাম। আর আগের দিনের দামে লেনদেন হয়েছে ২টি কোম্পানির শেয়ার।

মোট লেনদেনের ৮.৩৭ শতাংশ বা ১০২ কোটি ২৮ লাখ টাকা লেনদেন হয় খাতটিতে।

আর কোনো খাতের লেনদেন এক শ কোটি স্পর্শ করেনি।

পঞ্চম অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি ৪২ লাখ। ৪টি কোম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে কমেছে ২১টির। আর দাম অপরিবর্তিত থেকে লেনদেন হয়েছে ৩৩টি কোম্পানির শেয়ার।

এ ছাড়াও ভ্রমণ, প্রযুক্তি, সেবা ও আবাসন খাতে পঞ্চাশ কোটির ওপরে লেনদেন হয়েছে।

লেনদেনে সেরা ওরিয়ন-বেক্সিমকো

আগের দিন দরপতনের পরে আজ দরবৃদ্ধির সঙ্গে লেনদেনে শীর্ষ অবস্থান ধরে ওরিয়ন ফার্মা ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

ওরিয়ন ফার্মার ৮৪ লাখ ৬৬ হাজার ৫৫৬টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে ১১৫ কোটি ১২ লাখ ১ হাজার টাকায়।

বেক্সিমকো লিমিটেডের লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৬৮ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। হাতবদল হয়েছে ৮৬ লাখ ২১ হাজার ৪টি শেয়ার।

আর কোনো কোম্পানির লেনদেন এক শ কোটি টাকা ছুঁতে পারেনি।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের। ৪২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকায়।

জেএমআই হসপিটালের লেনদেন হয়েছে ৫৭ কোটি ৬ লাখ ৭২ হাজার টাকার।

এ ছাড়া শীর্ষ দশের মধ্যে থাকা ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনিক হোটেল, শাহজিবাজার পাওয়ার, কপারটেক, শাইনপুকুর সিরামিকস ও সি পার্লের লেনদেন হয়েছে ২০ থেকে ৪০ কোটির মধ্যেই।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছে বিডিকম। ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৬৪ টাকা ৭০ পয়সায়। আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ৫৯ টাকা।

৯ দশমিক ৬১ শতাংশ দর বেড়ে জেএমআই হসপিটালের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩২ টাকা ৩০ পয়সায়, আগের দিনের সর্বশেষ দর ছিল ১২০ টাকা ৭০ পয়সা।

৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ দর বেড়ে ৬১ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা ফাইন ফুডসের শেয়ার। আগের দিন দর ছিল ৫৬ টাকা ৯০ পয়সা।
দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ দশে ছিল ইয়াকিন পলিমার, শাহজিবাজার পাওয়ার, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, এডিএন টেলিকম, এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, সাইফ পাওয়ার ও শাইনপুকুর সিরামিকস।

দর পতনের শীর্ষ ১০

পতনের তালিকার শীর্ষে ছিল আজিজ পাইপস। ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ দর কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১২৮ টাকা ৩০ পয়সায়।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে জুট স্পিনার্স। ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ২২০ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো ছিল- নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, পেনিনসুলা চিটাগং, সি পার্ল, পেপার প্রোসেসিং, মোজাফ্ফর স্পিনিং, অ্যাসোসিয়েটে অক্সিজেন, ইনডেক্স অ্যাগ্রো এবং এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিল।

আরও পড়ুন:
শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Banks have increased spending on sustainable and green financing

টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যয় বাড়িয়েছে ব্যাংক

টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যয় বাড়িয়েছে ব্যাংক টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যয় বাড়িয়েছে ব্যাংক। প্রতীকী ছবি
কার্বন নিঃসরণ কমাতে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বেড়েছে ব্যাংকগুলোর অর্থায়ন। আবার টেকসই অর্থায়নের আওতায় এমন প্রকল্প যুক্ত হচ্ছে, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। এর ফলে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পের সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন।

অনিয়ন্ত্রিত কার্বন নিঃসরণে বাড়ছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি। বাড়ছে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও পানি বৃদ্ধি এবং মাটির লবণাক্ততা। ঝুঁকিগুলোকে শনাক্ত করে তা বন্ধে শুরু হয়েছে নানামুখী কার্যক্রম। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে এসেছে বিভিন্ন ব্যাংক।

কার্বন নিঃসরণ কমাতে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে বেড়েছে ব্যাংকগুলোর অর্থায়ন। আবার টেকসই অর্থায়নের আওতায় এমন প্রকল্প যুক্ত হচ্ছে, যেখানে ব্যবহার হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। এর ফলে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই শিল্পের সংখ্যাও বাড়ছে দিন দিন।

ঝুঁকি কমাতে এই দুই খাতে অর্থায়নের লক্ষ্য বেঁধে দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এসব খাতে অর্থায়নে নজর বাড়াচ্ছে। পাশাপাশি এখন দেশের অনেক ব্যাংকের শাখা ও এটিএম বুথে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার হচ্ছে।

ব্যাংকগুলোতে বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে গুরুত্ব পাচ্ছে প্রাকৃতিক আলোর ব্যবহার। কাগজের ব্যবহার কমাতেও উদ্যোগ নিয়েছে কোনো কোনো ব্যাংক। এ খাতে ব্যাংকগুলোর অর্থায়ন বাড়ছে।

চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ৩১ হাজার ৬২২ কোটি ডলার। এর মধ্যে ব্যাংকগুলো অর্থায়ন করেছে ৩০ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

একই সময়ে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার অর্থায়ন করেছে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০৫০ সালের মধ্যে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের ৫০ শতাংশ সবুজ অর্থায়নে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। তবে এ দুটি খাতে ঋণ বাড়াতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সুদের হার কমাতে হবে।

টেকসই অর্থায়নে কত অর্থ

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফিন্যান্স পলিসি অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো সাসটেইনেবল ফিন্যান্সের ১১টি ক্যাটাগরিতে মোট ৬৮টি পণ্যের বিপরীতে ঋণ দিতে পারে। এসব পণ্যের অধিকাংশই সবুজ অর্থায়নের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ৩০ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করেছে ১ হাজার ৪৩ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

গত মার্চ পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলো টেকসই প্রকল্পে অর্থায়ন করে ২৫ হাজার ২৯০ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করে ৮৫৯ কোটি ডলার, যা মোট ঋণের ১৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

ঋণ বিতরণের এই ঊর্ধ্বমুখী হার ইঙ্গিত দিচ্ছে, সবুজ অর্থায়নের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে।

টেকসই প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে কৃষি, সিএমএসএমই, পরিবেশবান্ধব কারখানা, সামাজিকভাবে দায়িত্বশীল প্রকল্পে অর্থায়ন। যদিও মোট ঋণের ২০ শতাংশ টেকসই প্রকল্পে হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঋণের ৭৩ শতাংশ নিয়েছে পুরুষ আর ২৭ শতাংশ নারী।

সবুজ অর্থায়ন

একই সময়ে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ২ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার অর্থায়ন করেছে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করেছে ৩১০ কোটি ডলার, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদি ঋণের ৬ দশমিক ৭২ শতাংশ।

মার্চ পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ব্যাংকগুলো ১ হাজার ৬৮৯ কোটি ডলার অর্থায়ন করে, যা ব্যাংকগুলোর মোট মেয়াদি ঋণের ৩ দশমিক ১০ শতাংশ। আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থায়ন করে ৪০৯ কোটি ডলার, যা প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদি ঋণের ৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন, বর্জ্য পরিশোধনাগার বা ইটিপি নির্মাণ, পরিবেশবান্ধব ইট উৎপাদন অন্যতম। এই খাতে মোট মেয়াদি ঋণের ৫ শতাংশ ঋণ দেয়ার শর্ত রয়েছে।

টেকসই ও সবুজ অর্থায়নে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে উৎসাহিত করতে দুই বছর ধরে বিভিন্ন মানদণ্ডে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) টেকসই বা সাসটেইনেবল রেটিং বা মান প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শীর্ষ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান

চলতি জুন শেষে টেকসই অর্থায়নে বিদেশি ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া তাদের লক্ষ্যমাত্রার ৮২ দশমিক ২৯ শতাংশ অর্জন করেছে। বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা পূরণের তালিকায় দ্বিতীয় ন্যাশনাল ব্যাংক ৬৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

এরপর আছে যথাক্রমে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ৫৩ দশমিক ৭২, কৃষি ব্যাংক ৫০ দশমিক ৬৭, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ৩১ দশমিক ৪৭, ট্রাস্ট ব্যাংক ২৮ দশমিক ৫৫, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৫ দশমিক ৮১, যমুনা ২৩ দশমিক ০৯, এনআরবি কমার্শিয়াল ২২ দশমিক ৪১, ব্র্যাক ২০ দশমিক ৬৮ এবং জনতা ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ২০ দশমিক ১১ শতাংশ বিতরণ করেছে।

ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) মধ্যে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ ঋণ বিতরণ করেছে। এ ছাড়া লংকান অ্যালায়েন্স ৮৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ, হজ ফাইন্যান্স ৫৭ শতাংশ, মেরিডিয়ান ফাইন্যান্স ৪৭ দশমিক ০৯ শতাংশ ও সিভিসি ফাইন্যান্স ৪৩ দশমিক ২১ শতাংশ ঋণ দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে জোয়ার

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Justice is not a reward if there is a case

মামলা থাকলে শুদ্ধাচার পুরস্কার নয়

মামলা থাকলে শুদ্ধাচার পুরস্কার নয়
যথাসম্ভব প্রমাণের ভিত্তিতে ক্যাটাগরি অনুসারে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তকে শুদ্ধাচার পুরস্কার দিতে হবে। কোনো কর্মীর মোট প্রাপ্ত নম্বর ন্যূনতম ৮০ না হলে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না।

ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কার দেয়ার নীতিমালার পর এবার আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য নীতিমালা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তাধীন অথবা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বা দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তাকে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেয়া যাবে না।

এ ছাড়া পুরস্কার পেতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যূনতম তিন বছর সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকতে হবে।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এতে বলা হয়, শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান (সংশোধন) নীতিমালা, ২০২২ অনুযায়ী, শুদ্ধাচার পুরস্কার পেতে হলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যূনতম তিন বছর সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকতে হবে।

যথাসম্ভব প্রমাণের ভিত্তিতে ক্যাটাগরি অনুসারে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্তকে শুদ্ধাচার পুরস্কার দিতে হবে। কোনো কর্মীর মোট প্রাপ্ত নম্বর ন্যূনতম ৮০ না হলে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না।

কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ অভিযোগ তদন্তাধীন অথবা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে বা দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তিনি শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবেন না বলেও উল্লেখ করা হয়।

একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রাপ্ত নম্বর একই হলে যৌথভাবে সেরা কর্মকর্তা-কর্মচারী নির্বাচন করতে হবে এবং প্রত্যেকে পৃথকভাবে পুরস্কৃত হবেন।

কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী যেকোনো অর্থবছরে একবার শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলে বদলি বা পদোন্নতি হলেও তিনি পরবর্তী তিন অর্থবছরে পুনরায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।

বদলিযোগ্য চাকরির জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী কর্মস্থলের প্রত্যয়ন নিতে হবে।

পুরস্কার দিতে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানকে প্রধান করে বাছাই কমিটি করতে নির্দেশনাও দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননার পাশাপাশি সর্বশেষ মূল বেতনের সমপরিমাণ এক মাসের অর্থ প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুন:
গম-ভুট্টা চাষে ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক
শান্তা হোল্ডিংস ও ব্র্যাক ব্যাংক চুক্তি
কার্ডে কেনাকাটায় বাড়তি চার্জ, অস্বস্তি
দায়িত্বে ফিরছেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান
ইসলামী ব্যাংক হেড অফিস কমপ্লেক্স শাখা নতুন ঠিকানায়

মন্তব্য

p
উপরে