× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
One hundred thousand crores of defaulted loans were released
hear-news
player
print-icon

সোয়া লাখ কোটি টাকা ছাড়াল খেলাপি ঋণ

সোয়া-লাখ-কোটি-টাকা-ছাড়াল-খেলাপি-ঋণ
সব মিলিয়ে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা। মার্চে তা ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজর ৮১৬ কোটি টাকা।

খেলাপি ঋণ কমানো নিয়ে নানা আলোচনার মধ্যেই গত তিন মাসে অনাদায়ী এই ঋণ বাড়ল আরও ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা।

মার্চে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। তিন মাসে তা বেড়েছে ১১ হাজর ৮১৬ কোটি টাকা।

করোনার কারণে ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে ২০২০ ও ২০২১ সাল জুড়ে কয়েক দফায় কোনো ঋণ পরিশোধ না করে কিংবা সামান্য পরিশোধ করে খেলাপিমুক্ত থাকার সুযোগ ছিল। এ ধরনের বিভিন্ন সুবিধার বেশিরভাগই শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে। এর পরপরই খেলাপি ঋণ বেড়েছে ব্যাপকভাবে।

কেবল টাকার অঙ্কে নয়, শতকরা হিসাবেও খেলাপি বেড়েছে। জুন শেষে বিতরণ করা ঋণের ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ খেলাপি হয়ে গেছে। মার্চ শেষে খেলাপি ছিল ঋণের ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

জুনে মোট ঋণ দেয়া হয়েছে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৯২ কোটি টাকা, যা মার্চে ছিল ১৩ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৬ কোটি টাকা।

২০২০ সাল থেকে দফায় দফায় খেলাপিমুক্ত থাকার সুবিধা বাড়ানো হয়। এখন অনেকের ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো গেলেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ঋণ পরিশোধ করছেন না। ব্যাংকগুলো নানামুখী চেষ্টা করেও তাদের থেকে টাকা আদায় করতে পারছে না।

২০২১ সালে ঋণের ১৫ শতাংশ পরিশোধ হলেও তা নিয়মিত দেখানো হয়। চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কেউ এ হারে টাকা দিলে আগের তারিখ দেখিয়ে নিয়মিত থাকার সুযোগ দেয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ১৮ জুলাই ঋণ পুনঃতফসিলিকরণে ব্যবসায়ীদের বড় ছাড় দিয়ে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানোসহ নগদ এককালীন জমা দেয়ার হার কমিয়ে ব্যাংকের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।

এর ১৬ দিনের মধ্যে সংশোধনী দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেয়া নতুন সার্কুলারে ঋণ খেলাপিদের আরও ছাড় দেয়া হয়। পাশাপাশি বেশ কিছু ক্ষেত্রে কড়াকড়িও করা হয়।

খেলাপির হার সবচেয়ে বেশি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে

রাষ্ট্রীয় সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট ও বেসিক- এই ছয় ব্যাংকের জুন শেষে মোট ঋণ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৫৫ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

মার্চ শেষে এই ছয় ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৪৮ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২০ দশমিক ০১ শতাংশ।

তিন মাসে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা।

টাকার অঙ্কে খেলাপি ঋণ বেশি বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে

বেসরকারি ব্যাংকগুলো জুন পর্যন্ত ঋণ দিয়েছে ১০ লাখ ৪২ হাজার ৮৬৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬২ হাজার ৬৭৭ কোটি টাকা। মোট বিতরণ করা ঋণের ৬ দশমিক ০১ শতাংশ খেলাপি হয়ে আছে।

মার্চ পর্যন্ত এসব ব্যাংকের ঋণ ছিল ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ৫৭ হাজার ৮০৩ কোটি টাকা। মোট বিতরণ করা ঋণের ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ খেলাপি হয়ে আছে।

সে হিসাবে তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৪ হাজার ৮৭৪ কোটি টাকা।

বিশেষায়িত তিন ব্যাংক

কৃষি, প্রবাসীকল্যাণ ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন- বিশেষায়িত এ তিন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ১৯৪ কোটি টাকা। এটা তাদের বিতরণ করা ঋণের ১১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তারা বিতরণ করেছে মোট ৩৫ হাজার ৪৭২৮ কোটি টাকার ঋণ।

মার্চে এ তিনটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ১৫ কোটি টাকা। এ অঙ্ক তাদের বিতরণ করা ঋণের ১২ দশমিক ০১ শতাংশ। তারা বিতরণ করে মোট ৩৩ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকার ঋণ।

এই তিন ব্যাংকে তিন মাসে খেলাপি ঋণ টাকা অংকে বাড়লেও শতকরা হিসাবে কমেছে।

বিদেশি ৯ ব্যাংক

বিদেশি মালিকানার ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলো মোট ঋণ দিয়েছে ৬৭ হাজার ২৬৮ কোটি টাকা।

মার্চে এই ৯ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ২ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪ দশমিক ৫৩ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকগুলো মোট ঋণ দিয়েছে ৬৩ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
ঋণ শোধে বিশেষ সুবিধা: দুই দিনেই পাল্টে গেল সিদ্ধান্ত
আবার এক লাখ কোটি টাকা ছাড়াল খেলাপি ঋণ
খেলাপি ঋণ আদায়ে লক্ষ্য থেকে অনেক দূরে ছয় ব্যাংক
এককালীন ঋণ পরিশোধের সময় বাড়ল ডিসেম্বর পর্যন্ত
খেলাপি ঋণ আদায়ে সহজ হলো বন্ধকি সম্পদ বিক্রি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Dhaka Chamber representatives in Turkey to increase investment

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে

বিনিয়োগ বাড়াতে ঢাকা চেম্বার প্রতিনিধিরা তুরস্কে
সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবে।

তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে ঢাকা চেম্বারের একটি প্রতিনিধি দল দেশটিতে যাচ্ছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার ৮৬ সদস্যের এই প্রতিনিধি দল তুরস্ক যাবে। দলের নেতৃত্ব দেবেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান।

ঢাকা চেম্বার সভাপতি বলেন, ‘বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইস্তাম্বুল সফরের মূল লক্ষ্য।’

ডিসিসিআইয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরকালে ঢাকা চেম্বারের প্রতিনিধিরা ২৮ সেপ্টম্বর বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন ‘ইস্তাম্বুল চেম্বার অফ কমার্স’ আয়োজিত ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুটি সেশন’, ২৯ সেপ্টেম্বর ফরেন ইকোনমিক রিলেশন্স বোর্ড অফ টার্কি (ডেইক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার ও বিটুবি অধিবেশনে অংশ নেবেন।

এ ছাড়া সফরে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। সেই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবেন।

বিশেষ করে সেবা, উৎপাদন এবং জেনারেল ট্রেডিং খাতে সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্ভাবনাময় খাতে জয়েন্ট ভেঞ্চার কার্যক্রম বৃদ্ধিতে এ সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিসিসিআই।

আরও পড়ুন:
ফের ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হলেন রিজওয়ান
বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের উদ্যোক্তারা
ঢাকা-হ্যানয় ফ্লাইট চায় ডিসিসিআই
অটোমোবাইলে জাপানি বিনিয়োগ চেয়েছে ‘ঢাকা চেম্বার’
ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজনে সহযোগিতা করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
FBCCI president honored in USA

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা

যুক্তরাষ্ট্রে এফবিসিসিআই সভাপতিকে সম্মাননা নিউ ইয়র্কে শনিবার এফবিসিসিআই সভাপতির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি মো. জসিম উদ্দিনকে এ সম্মাননা দেয়। প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সমাজে অসামান্য অবদানের জন্য এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনকে মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা দিয়েছে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি। ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা নিজের দেশ ও সমাজের উন্নয়নে অবদানের জন্য এই সম্মাননা পেলেন।

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছর উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে শনিবার আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি এফবিসিসিআই সভাপতিকে এ সম্মাননা দেয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সম্মাননা পাওয়ার পর এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দুয়ার খুলবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ধারার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের জনপ্রিয়তা বাড়াতে তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্মের বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এফবিসিসিআই সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান ও নিউ ইয়র্ক আদালতের বিচারক সোমা সৈয়দ।

আরও পড়ুন:
জ্বালানি তেলের দাম কমায় চাপ কমবে: এফবিসিসিআই
ডিমের দামে কারসাজিতে জড়িতদের শাস্তি চায় এফবিসিসিআই
ব্যবসাবান্ধব আইন চান কুরিয়ার মালিকরা
শ্রমিক সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও
ডলার: ব্যাংকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ব্যবসায়ী নেতারা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Application fee increased in government jobs

সরকারি চাকরিতে বাড়ল আবেদন ফি

সরকারি চাকরিতে বাড়ল আবেদন ফি সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে নবম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি হবে ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০০ টাকা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবার ঊর্ধ্বগতির মধ্যে বাড়ানো হয়েছে সরকারি চাকরিতে আবেদনের ফি।

এ নিয়ে রোববার পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

পরিপত্র অনুযায়ী, এখন থেকে নবম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি হবে ৬০০ টাকা, যা আগে ছিল ৫০০ টাকা।

দশম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি আগের মতো ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে।

১১ ও ১২তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ধরা হয়েছে ৩০০ টাকা। আগে গ্রেড দুটির চাকরির আবেদন ফি নির্ধারণ করা ছিল না।

১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি দ্বিগুণ বাড়িয়ে ২০০ টাকা করা হয়েছে।

অন্যদিকে ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের চাকরিপ্রত্যাশীদের আবেদন ফি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১০০ টাকা করা হয়েছে।

অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে পরিপত্রে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ভিন্ন ভিন্ন আদেশ জারি করে বিচ্ছিন্নভাবে লোক নিয়োগ করত। নতুন আদেশে এখন থেকে লোক নিয়োগ একীভূত করা হলো। অর্থাৎ অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে লোক নিয়োগাদেশ এবং ফি আদায় করা হবে।’

অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, ‘সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষার ফি পুনর্নির্ধারণ করা হলো।’

যেভাবে ফি আদায়

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, টেলিটকের মাধ্যমে অনলাইনে পরীক্ষার ফি নেয়া হবে। এর বিনিময়ে টেলিটক কমিশন পাবে। কমিশনের পরিমাণ হবে সংগৃহীত পরীক্ষার ফি আদায়ের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ।

টেলিটকের মাধ্যমে ফি বাবদ টাকা পাঠানোর তিন কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক চেকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জমা হবে। এরপর ওই প্রতিষ্ঠান দ্রুত চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করবে।

অনলাইনে ফি জমা না দিলে চালানের মাধ্যমে তা গ্রহণ করা হবে, তবে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ব্যাংক ড্রাফট, পে-অর্ডারে অর্থ নিতে পারবে।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি পাসে কার্য-সহকারী পদে চাকরি দিচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
সারা দেশ থেকে অফিসার নিচ্ছে প্রিমিয়ার ব্যাংক
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে চাকরি
স্বল্পমেয়াদি কমিশনে আর্মড ফোর্সেস নার্সিং সার্ভিসে চাকরি
৬ পদে ১০ চাকরি দিচ্ছে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh must follow Chinas growth Minister of State for Planning

চীনের প্রবৃদ্ধি অনুসরণ করতে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

চীনের প্রবৃদ্ধি অনুসরণ করতে হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক। ছবি: সংগৃহীত
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত অ্যাক্সেস উপভোগ করছে। তবে আমাদের দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং এফটিএফ প্রয়োজন। বাংলাদেশ চায় চীন থেকে আরও বেশি এফডিআই আসুক। আমরা চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য ডেডিকেটেড বিশেষ অর্থনৈতিক জোন তৈরি করেছি।’

দেশের অর্থনীতি সম্প্রসারণে চীনের প্রবৃদ্ধি অনুসরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম।

ঢাকার পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘চায়না-বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজেস কো-অপারেশন ফোরাম ২০২২’ শীর্ষক বিজনেস নেটওয়ার্কিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শনিবার তিনি এ কথা বলেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চীনের সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি বুঝতে পেরেছিলেন এবং দ্রুত বর্ধনশীল দেশের সঙ্গে ভালো বন্ধুত্ব শুরু করেছিলেন।

চীন বাংলাদেশের অবকাঠামো নির্মাণ, অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনাসহ বিভিন্নভাবে সাহায্য করছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সফর, সাংস্কৃতিক সফরসহ আরও অনেক ক্ষেত্রে সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত অ্যাক্সেস উপভোগ করছে। তবে আমাদের দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং এফটিএফ প্রয়োজন। বাংলাদেশ চায় চীন থেকে আরও বেশি এফডিআই আসুক। আমরা চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য ডেডিকেটেড বিশেষ অর্থনৈতিক জোন তৈরি করেছি।’

চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘চীন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক শক্তিশালী, পরিপূরক এবং ক্রমবর্ধমান। আমাদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বিশাল এবং মজবুত। গত শতাব্দীর সত্তরের দশকের মাঝামাঝি চীন ও বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দুই পক্ষ কৃষি, বাণিজ্য, সামুদ্রিক বিষয়, জলবায়ু পরিবর্তন, অবকাঠামো, নগর ব্যবস্থাপনা এবং দারিদ্র্যের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য ব্যাপক সাফল্য অর্জন করছে।’

তিনি বলেন, ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে চীন ১৪৯টি দেশ এবং ৩২টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে ২০০টিরও বেশি সহযোগিতার নথিতে স্বাক্ষর করেছে। এই বছরের প্রথমার্ধে বিআরআইয়ে জড়িত দেশগুলোর সঙ্গে চীনের পণ্যের বাণিজ্য মোট ১১ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন এবং এই দেশগুলোতে এর অ-আর্থিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ ১৪৯ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে।’

লি জিমিং বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সম্পদ বৃদ্ধি এবং জনগণের জীবন-জীবিকা সহজ করা বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য।

সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে চীন অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন উপায়ে বাংলাদেশকে ক্রমাগত সহযোগিতা করছে। এর মধ্যে রয়েছে রেয়াতি ঋণ, বিনিয়োগ সহযোগিতা, প্রকল্প চুক্তি এবং চীন-সহায়তা প্রকল্প।

বাংলাদেশে আরও চীনা বাজারমুখী বিনিয়োগ প্রয়োজন। রপ্তানি বাড়াতে চীনের বাজারে যা প্রয়োজন তা বাংলাদেশকে উৎপাদন করতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

প্রথম শিল্প পার্ক হিসেবে শিগগিরই চট্টগ্রামে নির্মিত হবে চীনা অর্থনৈতিক জোন, যা যুগান্তকারী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
দায়িত্বে ফিরছেন ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান
৭ দিনের বিশ্রাম শেষে বাড়ি যাবেন নারী ফুটবলাররা
জয়ে ফেরার প্রত্যাশা নিয়ে আমিরাত গেল বাংলাদেশ দল
আমিরাতের বিপক্ষে দলে নেই সাকিব-মাহেদী, অধিনায়ক সোহান
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেমিতে বাংলাদেশ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Big fall in gold prices has little effect on the world market

স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে, দেশে প্রভাব সামান্য

স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে, দেশে প্রভাব সামান্য
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। স্থানীয় বাজারে কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দর। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে কমেছে, দেশের বাজারে সেই হারে কমেনি। বরং চলতি মাসে বিশ্ববাজারে যখন স্বর্ণের দাম কমের দিকে ছিল, সে সময়ও দেশের বাজারে উল্টো বাড়ানো হয়।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছেই। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ২৯ ডলার বা ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৪৩ ডলার ৯০ সেন্টে নেমে এসেছে। এক মাসের বেশি সময় ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর টানা পড়ছে। এই দর দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ১ হাজার ৬৫০ ডলারের নিচে নেমে এসেছিল।

তবে বিশ্ববাজারে যে হারে স্বর্ণের দর কমছে, দেশের বাজারে সে হারে কমছে না। এমনকি পড়তির বাজারেও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন হলেও দেশের বাজারে কেন কমছে না- এ প্রশ্নের উত্তরে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে কি, বাজারে গোল্ডের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে গোল্ড আমদানির অনুমতি দিয়েছিল সরকার, প্রথম দিকে কয়েকজন কিছু আমদানি করলেও এখন আর কেউ করে না। কারণ শুল্ক, ভ্যাটসহ আমদানির খরচ অনেক বেড়ে যায়। সে দামে বিক্রি করলে স্বর্ণের ভরি ৯০ হাজার টাকা বেশি হবে। অন্যদিকে এখন ব্যাগেজ রুলসের আওতায়ও কম গোল্ড আসছে।’

‘সে কারণে আমাদের স্থানীয় বাজারের তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই গোল্ডের দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে বেশি কমলেও তার সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা দেশের বাজারে কমাতে পারছি না।’

‘আমরা প্রতি ভরি গোল্ড বিক্রি করে মাত্র ১ হাজার টাকা লাভ করি’ হিসাব দিয়ে তিনি বলেন, ‘তেজাবি স্বর্ণ আমদানি করা হয় না। এটি দেশেই পাওয়া যায়। এই স্বর্ণ একেবারে পিওর বা ১০০ শতাংশ খাঁটি। আমাদের তাঁতীবাজারের ব্যবসায়ীরা সারা দেশ থেকে পুরোনো স্বর্ণ কিনে সেগুলো মেশিনে মাধ্যমে খাদ বাদ দিয়ে যে স্বর্ণ আলাদা করে, সেটাকেই পিওর বা ১০০ শতাংশ খাঁটি স্বর্ণ বলে। এটাকে আমরা তেজাবি স্বর্ণ বলি। এই স্বর্ণের দামই অনেক বেড়ে গেছে। যেহেতু আমদানি নেই, ব্যাগেজ রুলসের আওতায়ও কম আসছে, সে কারণে বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা এখন আর গোল্ড বিক্রি করতে পারছি না।’

আন্তর্জাতিক বাজার পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমছে। গত ১২ আগস্ট প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৮০১ ডলার ৮২ সেন্ট। সেখান থেকে কমতে কমতে এখন ১ হাজার ৬৫০ ডলারেরর নিচে নেমে এসেছে। এ হিসাবে দেড় মাসের কম সময়ের মধ্যে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ১৫৮ ডলার।

গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৩১ ডলার ৬৬ সেন্ট। এক মাসের ব্যবধানে কমেছে ১০৮ ডলার বা ৬ দশমিক ১৫ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রভাব দেশের বাজারে পড়েছে। স্থানীয় বাজারে কিছুটা কমেছে স্বর্ণের দর। তবে বিশ্ববাজারে যে হারে কমেছে, দেশের বাজারে সেই হারে কমেনি। বরং চলতি মাসে বিশ্ববাজারে যখন স্বর্ণের দাম কমের দিকে ছিল, সে সময়ও দেশের বাজারে উল্টো বাড়ানো হয়।

এতে ১১ সেপ্টেম্বর সব রেকর্ড ভেঙে দেশের বাজারে নতুন উচ্চতায় ওঠে স্বর্ণের দাম। সে সময় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৫৬৪ টাকা করা হয়। এর আগে দেশের বাজারে স্বর্ণের এত দাম দেখা যায়নি।

অবশ্য এই রেকর্ড দাম স্পর্শ করার পর সম্প্রতি দুই দফা দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এর মধ্যে সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বর ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮৭৫ টাকা কমিয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫৮৩ টাকা কমিয়ে ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বাজারে এ দামেই বিক্রি হচ্ছে এই ধাতু।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেনে হামলার পর বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে স্বর্ণের দর। মার্চের মাঝামাঝি সময়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ২ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায়। এরপর গত কয়েক মাসে কয়েক দফা ওঠা-নামা করে। তবে আগস্টের মাঝামাঝি থেকে কমছেই।

আরও পড়ুন:
৭২ ভরি স্বর্ণ চুরি, তিন সপ্তাহে ধরে ফেলল পুলিশ
স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড, ভরি ৮৪ হাজার ৫৬৪
‘স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুব খারাপ’
ডলার শক্তিশালী হওয়ায় কমল স্বর্ণের দাম
গোলাগুলিতে পালাতে গিয়ে স্বর্ণ চোরাকারবারির মৃত্যু, আটক ২

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
New Committee of MBA Association

এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি 

এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি  বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত
নতুন নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হন সংসদ সদস্য (এমপি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাইফ আই মাহমুদ।

বাংলাদেশ এমবিএ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমবিএএ) নতুন নির্বাহী কমিটি গঠন হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) মিলনায়তনে শনিবার বিএমবিএএর দশম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ কমিটি গঠন হয়।

একই দিন দেশি প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডগুলোকে নিয়ে একটি বিজনেস কেস বুকের মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

নতুন নির্বাহী কমিটিতে সভাপতি পুনর্নির্বাচিত হন সংসদ সদস্য (এমপি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সাইফ আই মাহমুদ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পিএইচপি গ্রুপের চেয়ারম্যান সুফি মিজানুর রহমান এবং আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আলমগীর।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, দেশি ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা।

দেশে এমবিএ ডিগ্রীধারীদের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন এমবিএ অ্যাসোসিয়েশন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএর শুরুর দিককার এমবিএ ডিগ্রীধারী এবং করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ, হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল, ওয়ার্টন বিজনেস স্কুল ও স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুলের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমবিএ ডিগ্রিধারী বাংলাদেশিদের নিয়ে ১৯৮৬ সালে যাত্রা শুরু হয় এ সংগঠনের।

বর্তমানে সংগঠনটির সঙ্গে যুক্ত আছেন দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমবিএ ডিগ্রিধারীরা।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Anti dumping and taxes at source hamper the development of jute industry

পাটশিল্প বিকাশে বাধা অ্যান্টি ডাম্পিং ও উৎসে কর

পাটশিল্প বিকাশে বাধা অ্যান্টি ডাম্পিং ও উৎসে কর
বিজেএমএ চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘পাট খাতের উন্নয়নে দুটি প্রধান বাধা স্পষ্ট। তা হচ্ছে কাঁচা পাটের ওপর ২ শতাংশ উৎসে কর এবং প্রধান রপ্তানি বাজার ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি। এই বাধা দূর হলে ঘুরে দাঁড়াবে এ খাত।’

সোনালি আঁশ আর রুপালি কাঠি- দুয়ে মিলে সম্ভাবনার ফসল পাট। একসময়ের সোনালি আঁশ একপর্যায়ে হয়ে দাঁড়ায় কৃষকের গলার ফাঁস। নানামুখী উদ্যোগে সেই পাট ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা। ঘুরে দাঁড়াতে শুরুছে এই অর্থকরী ফসল। কিন্তু সেই ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামনে এসেছে দুই প্রতিবন্ধকতা- কাঁচা পাটের ওপর উৎসে কর এবং প্রধান বাজার ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপ।

সংকট সুরাহায় বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএমএ)।

সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন জানান, পাট খাতের উন্নয়নে দুটি প্রধান বাধা স্পষ্ট। তা হচ্ছে কাঁচা পাটের ওপর ২ শতাংশ উৎসে কর এবং প্রধান রপ্তানি বাজার ভারতের অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি। এই বাধা দূর হলে পাট খাতের রপ্তানি কয়েক গুণ বাড়বে। ঘুরে দাঁড়াবে এই খাত।

বিজেএমএ মহাসচিব আব্দুল বারিক খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশে উৎপাদিত কাঁচা পাট অত্যন্ত উন্নতমানের। সে সুবাদে বিশ্ববাজারে পাটের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু কাঁচা পাট রপ্তানিতে এ দুটি বাধা দূর করা জরুরি।

‘স্বাধীনতাপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে পাটই ছিল একমাত্র বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। কিন্তু পাট খাতে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে কোনো সহায়তা দেয়া হয় না। বিদেশ থেকে তুলা আমদানিতে এই তহবিলের সুবিধা মেলে। তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিকারকরা এ তহবিল থেকে বড় সহায়তা পান। অথচ স্বল্পসুদের এই তহবিল থেকে পাটশিল্প কোনো সহায়তা পায় না।’

বলা হচ্ছে, এ তিনটি সুবিধা বাস্তবায়ন করলে পাট রপ্তানি করে বর্তমানের চেয়ে পাঁচ গুণ আয় করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রে কয়েক বছরের মধ্যে ৮ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার আয় আসবে পাট রপ্তানি থেকে।

ট্যারিফ কমিশনে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘কৃষক-শ্রমিকসহ পাটশিল্প খাতের সঙ্গে পাঁচ কোটি মানুষের জীবিকা জড়িত। পাট খাতে বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি সমস্যা পাট খাতের উন্নয়ন ও সার্বিক কার্যক্রমে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমস্যা দুটি জরুরিভাবে সমাধান করা না হলে পাটশিল্প ক্রমান্বয়ে মুখ থুবড়ে পড়বে। ফলে পাটপণ্য রপ্তানি ও রপ্তানি আয় ব্যাপকভাবে কমে যাবে।’

উৎসে কর

কাঁচা পাটের ওপর ২ শতাংশ উৎসে কর দেশের কৃষক ও ফড়িয়াদের ওপর পড়ে। ফলে কৃষকরা পাট উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হবেন এবং পাট উৎপাদন কমে যাবে। তাই কৃষক ও শ্রমিক বাঁচাতে কাঁচা পাটের ওপর উৎসে কর রহিত করা প্রয়োজন।

শতভাগ দেশীয় উৎপাদিত কাঁচা পাট দিয়ে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করা হয়। ২ শতাংশ উৎসে কর থাকলে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাবে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। পাটকলগুলোও একে একে বন্ধ হয়ে যাবে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন কারণে পাটপণ্য টিকে থাকতে পারছে না। ২ শতাংশ উৎসে কর ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি

বাংলাদেশে পাটপণ্য রপ্তানির ওপর ২০১৭ সালে অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপ করায় ভারতে পাট রপ্তানি কমে গেছে। পাটের মিলগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। চালু থাকা মিলগুলোও ঋণে জর্জরিত। ভারতের আরোপ করা এই অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি রোধকল্পে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) জরুরি ভিত্তিতে আপিল করে এ শিল্পকে রক্ষা করা জরুরি।

ইতোমধ্যে ভারতের মহাপরিচালক ট্রেড রিমিডিজের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল এ বিষয়ে তদন্ত করেছে। ভারত আগামী পাঁচ বছরের জন্য পুনরায় অ্যান্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপ করতে চায়।

বাংলাদেশি পাটপণ্যের বড় বাজার ছিল ভারত। কিন্তু পাটপণ্য রপ্তানির ওপর অ্যান্টি ডাম্পিং শুল্ক আরোপ করে রাখায় দেশটিতে পাট সুতা রপ্তানি ২৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নেমে এসেছে।

চিঠিতে বিষয় দুটি জরুরি ভিত্তিতে সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়ার বিষয়ে ট্যারিফ কমিশনের কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

পাট রপ্তানি

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭ লাখ ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। তবে ওই অর্থবছরে ৬ লাখ ৮২ হাজার হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। তিন দশক আগেও দেশে ১২ লাখ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদিত হতো।

বাংলাদেশ জুট স্পিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএসএ) সূত্রে জানা যায়, বছরে দেশে ৭৫ থেকে ৮০ লাখ বেল কাঁচা পাট উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে পাটপণ্য উৎপাদনের জন্য লাগে ৬০ লাখ বেল। আর ১০ থেকে ১২ লাখ বেল কাঁচা পাট রপ্তানি করে বাংলাদেশ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ১১৬ কোটি ডলারেরও বেশি। ওই অর্থবছরে প্রায় ১৪ কোটি ডলার মূল্যের কাঁচা পাট রপ্তানি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আবার দক্ষিণে দিশা
দেশে তৈরি হচ্ছে ২৮২ ধরনের পাটজাত পণ্য
পানির অভাবে স্বপ্ন মলিন সোনালি আঁশ চাষির
ভোগান্তির পর খুশি মেহেরপুরের পাটচাষিরা
‘বড় বিপদে আছি বাপু’

মন্তব্য

p
উপরে