× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
Death of DSE director Habibullah
hear-news
player
print-icon

ডিএসইর পরিচালক হাবিবুল্লাহর মৃত্যু

ডিএসইর-পরিচালক-হাবিবুল্লাহর-মৃত্যু-
হাবিবুল্লাহ বাহার
রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর৷

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক হাবিবুল্লাহ বাহার মারা গেছেন।

রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর৷

গত ৪ আগস্ট ব্রেন স্ট্রোক হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হাবিবুল্লাহ বাহারকে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও ডিএসইর পক্ষ থেকে হাবিবুল্লাহ বাহারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত শোক বার্তায় বলা হয়, পুঁজিবাজারের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তার অবদান আমরা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

এ ছাড়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক আমিন ভূঁইয়া ডিএসইর ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

হাবিবুল্লাহ বাহার ২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন ডিএসইর এই পরিচালক।

আরও পড়ুন:
আইওএসসিও’র ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ায় বিএসইসি চেয়ারম্যানকে ডিএসই’র অভিনন্দন
নতুন গভর্নরকে ডিএসইর অভিনন্দন
ডিএসইর নতুন সিএফও সাত্বিক আহমেদ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
Saral Hirus father in laws name from Shakibs fathers place

সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম

সাকিবের বাবার জায়গা থেকে সরল হিরুর শ্বশুরের নাম পুঁজিবাজারে আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরু ও তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সঙ্গে সাকিব আল হাসান। ফাইল ছবি
এই হিরুর হাত ধরেই পুঁজিবাজারে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে ১০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানা দেয়া হিরুর সঙ্গে সাকিবের নামও ছিল। তবে তদন্তে সাকিবের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ হয়নি বলে জানাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের জন্য একটি বিড়ম্বনার অবসান হলো। পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুকে নিয়ে গড়া ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংসের নথিপত্রে তার বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম চলে আসার পর যে কটূ বাক্যবাণে জর্জর হতে হয়েছে, সেটি আর হতে হবে না।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টার বয়ের বাবার নামের ভুল সংশোধন হয়েছে।

হিরু রোববার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এর মধ্যে ভুল সংশোধন করেছি। দুই-এক দিনের মধ্যেই আমরা কাগজ হাতে পাব।’

সাকিব আল হাসানের বাবার নাম খন্দকার মাসরুর রেজা। কিন্তু মোনার্কের নথিপত্রে ছিল কাজী আব্দুল লতিফ। এই লতিফ হিরুর শ্বশুর।

এই হিরুর হাত ধরেই পুঁজিবাজারে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগে ১০ কোটি টাকারও বেশি জরিমানা দেয়া হিরুর সঙ্গে সাকিবের নামও ছিল। তবে তদন্তে সাকিবের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ হয়নি বলে জানাচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

হিরু নিউজবাংলাকে জানান, যখন জয়েন্ট স্টকে মোনার্ক হোল্ডিংয়ের নিবন্ধন করা হয়, তখন এ বিষয়টি ছিল না। এর পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আবেদনের সময় এটি ছাপার ভুল হয়েছে। তাদের প্রতিষ্ঠান মোনার্কের একজন শীর্ষ কর্মকর্তারও দাবি ছিল তাই।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই ভুলের কথা জানতে পেরে পরদিন সেটি সংশোধন করতে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসিতে কাজগপত্র পাঠানো হয়।

হিরু নিউজবাংলাকে যে নথিপত্র পাঠিয়েছেন, তাতে তার এই বক্তব্যের স্বপক্ষেই প্রমাণ দেখা যায়। মূল নথিতে সাকিবের বাবার নাম ঠিকই আছে।

২০২১ সালের ১২ অক্টোবর পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে যে আবেদন জমা দেয়া হয়, তাতেও সাকিবের বাবার নাম ঠিকই আছে। পরে জয়েন্ট স্টক অফিস থেকেই তা পরিবর্তন হয়ে যায়।

এ বিষয়ে সাকিবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মোনার্কের এক কর্মকর্তার দাবি, এটি অনিচ্ছাকৃত ভুল, যেটির দায় আসলে সাকিবের নয়।

আরও পড়ুন:
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Shakib Hirus company wants to be a market maker in the capital market

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকার হতে চায় সাকিব-হিরুর কোম্পানি পুঁজিবাজারের আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব আছে সাকিব আল হাসানের। তারা গড়ে তুলেছেন ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংস। ফাইল ছবি
সাকিবের ব্যবসায়িক অংশীদার হিরুর বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা আয়ের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। একাধিক আদেশে হিরু ও তার অংশীদারদের ১০ কোটি টাকার বেশি জরিমানাও করা হয়েছে। তার মালিকানাধীন কোম্পানি মার্কেট মেকার হওয়ার যোগ্য বলে মূল্যায়ন করেছে ডিএসই। এখন বিএসইসিতে পাঠানো হয়েছে নথিপত্র।

পুঁজিবাজারে মার্কেট মেকারের লাইসেন্স চেয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও আলোচিত বিনিয়োগকারী আবুল খায়ের হিরুর মালিকানাধীন ব্রোকারেজ হাউস মোনার্ক হোল্ডিংস।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই এই আবেদনে সম্মতি দিয়ে পরে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জে কমিশন বা বিএসইসির কাছে পাঠিয়েছে আবেদনটি।

ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুর রহমান মজুমদার গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই চিঠি পাঠান। তবে এখনও বিএসইসি থেকে কোনো জবাব আসেনি।

বিএসইসির মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কাগজপত্র সব ঠিকঠাক আছে কি না, সেটি দেখার মূল দায়িত্ব ডিএসইর। বিএসইসি মূলত সেই সিদ্ধান্ত রিভিউ করে।’

মোনার্কের মার্কেট মেকার হওয়ার যোগ্যতা আছে বলে মনে করেন কি না- এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘যেসব ক্রাইটেরিয়া তাদের থাকা উচিত, সেগুলো যদি থাকে, তাহলে তারা পাবে।’

সাকিবের ব্যবসায়িক অংশীদার হিরুর বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা আয়ের প্রমাণ পেয়েছে বিএসইসি। একাধিক আদেশে হিরু ও তার অংশীদারদের ১০ কোটি টাকার বেশি জরিমানাও করা হয়েছে।

কারসাজির অভিযোগ ছিল সাকিবের বিরুদ্ধেও। তবে সেই অভিযোগের প্রমাণ না পেয়ে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়। যদিও হিরুর সঙ্গে তার ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছে।

মোনার্কের নথিপত্রে সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুরের নাম ছাপা হওয়া নিয়েও তোলপাড় হয়েছে সম্প্রতি। তবে এটি করণিক ভুল বলে জানিয়েছে মোনার্ক।

কোম্পানিটি যখন প্রতিষ্ঠা করা হয়, তখন সাকিবের বাবার নাম খন্দকার মাসরুর রেজাই উল্লেখ করা হয়। তবে পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর আবেদনের সময় যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর বা আরজেএসসি থেকে ভুল করা হয়। তারা সাকিবের বাবার নামের জায়গায় হিরুর শ্বশুর আব্দুল লতিফের নাম বসিয়ে দেয়।

তোলপাড়ের পর সেটি সংশোধনের আবেদন করা হয়। এরই মধ্যে নামটি সংশোধন হয়ে গেছে বলে মোনার্ককে জানানো হয়েছে।

ডিএসইর মূল্যায়নে মোনার্ক যোগ্য

মোনার্ক প্রথমে ডিএসইর কাছে আবেদন করার পর তারা পুঁজিবাজারে কারসাজির এই বিষয়গুলো বিবেচনায় না এনে কেবল কাগজপত্র দেখে সিদ্ধান্তে আসে যে, প্রতিষ্ঠানটির মার্কেট মেকার হিসেবে কাজ করার যোগ্যতা আছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত এমডি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা আবেদন পেয়েছিলাম। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সব আছে। কাজ শেষ করে বিএসইসির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি।’

যে কোম্পানির মালিকের বিরুদ্ধে পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগ আছে, এমন একটি কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়া কতটা নৈতিক, সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘তাদের যে জরিমানা করা হয়েছে, সেটা তো অন্য বিষয়। এখানে আমরা তাদের কোনো সমস্যা পাইনি।’

কারসাজিতে জড়িত বলে প্রমাণ করে হিরুর মালিকানাধীন কোম্পানিকে মার্কেট মেকারের স্বীকৃতি দেয়াটা কতটা যৌক্তিক- এমন প্রশ্নে পুঁজিবাজার বিশ্লেষক আবু আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মার্কেট মেকারের লাইসেন্স নিয়ে অকাজ করলে তো হবে না। তবে বিষয়টি বিএসইসি দেখবে।’

মোনার্ক হোল্ডিংসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনেক আগে ডিএসইর মার্কেট মেকারের লাইসেন্স পেতে আবেদন করেছিলাম। তারা তাদের কাজ শেষ করেছে। এখন বিএসইসি কাগজ খতিয়ে দেখছে। তারা আমাদের কাছে কিছু কাগজ চেয়েছে। আমরা এসব কাগজ কালকে দিয়ে দেব।’

মার্কেট মেকার কারা

মার্কেট মেকার বলতে এমন একটি কোম্পানি বা ব্যক্তিকে বোঝায়, যারা একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করে। তারা কোনো একটি শেয়ারের মজুত রাখে এবং সব সময় তাদের কাছে একটি দামে শেয়ারটি কেনা যায় ও একটি দামে শেয়ারটি বিক্রি করা যায়। এর ফলে পুঁজিবাজারে তারল্য তৈরি হয়।

পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াতে মার্কেট মেকারের আইন করে বিএসইসি।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবার মার্কেট মেকার হিসেবে নিবন্ধন সনদ পায় ডিএসই ও সিএসইর (চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ হাউস বি রিচ লিমিটেড।

এরপর লাইসেন্স পায় গ্রিনডেল্টা সিকিউরিটিজ।

বাজার সৃষ্টিকারী বিধিমালায় উল্লেখ রয়েছে- কোনো মার্চেন্ট ব্যাংক, তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান, স্টক ডিলার বা স্টক ব্রোকার বিএসইসি থেকে এ সনদ পাওয়ার যোগ্য হবে।

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বাজার সৃষ্টিকারী) বিধিমালা অনুযায়ী, মার্কেট মেকার হওয়ার জন্য স্টক এক্সচেঞ্জের অনুমোদনসাপেক্ষে বিএসইসির কাছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আবেদন করবে।

একই সঙ্গে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিশোধিত মূলধন কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা থাকতে হবে। আর উল্লিখিত পরিমাণ টাকা পরিশোধিত মূলধন হিসেবে থাকলে যেকোনো মার্কেট মেকার একটি অনুমোদিত সিকিউরিটিজ পরিচালনার জন্য নিয়োজিত থাকতে পারবে।

বাংলাদেশে একজন মার্কেট মেকার সর্বোচ্চ পাঁচটি শেয়ারের বাজার তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারবে। একটি শেয়ারের বাজার তৈরি করতে ১০ কোটি টাকা পেইড-আপ লাগবে। সে হিসাবে ৫০ কোটি টাকা পেইড-আপ থাকলে পাঁচটি শেয়ারের মার্কেট তৈরি করা যাবে।

গত ১ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে মোনার্ক হোল্ডিংস। আবুল খায়ের হিরু জানিয়েছেন, তাদের পরিশোধিত মূলধন ১০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
এক দিনে লেনদেন কমল হাজার কোটির বেশি

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The auction to determine the price of shares of Asiatic Laboratories began on October 10

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু ১০ অক্টোবর

এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু ১০ অক্টোবর
গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৯৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন পায় কোম্পানিটি।

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজের শেয়ারের দাম নির্ধারণে নিলাম শুরু হবে ১০ অক্টোবর।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট বাংলাদেশের পুঁজিবাজার থেকে আইপিওর মাধ্যমে বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ৯৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন পায় কোম্পানিটি।

বুক বিল্ডিং পদ্ধতির আইপিওর নিয়ম অনুসারে, প্রথমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি করার লক্ষ্যে নিলামের আয়োজন করা হয়। যে দামে এসে তাদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি শেষ হবে, সেই দামের (কাট অফ প্রাইস) চেয়ে ৩০ শতাংশ অথবা ২০ টাকা এই দুইয়ের মধ্যে যেটি কম, সেই দামে আইপিওতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে শেয়ার বিক্রি করা হবে।

এখন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ার বিক্রি করার নিলাম হবে। নিলাম শুরু হবে ১০ অক্টোবর, শেষ হবে ১৩ অক্টোবর।

প্রত্যেক প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে ন্যূনতম ৫০ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য আবেদন করতে হবে।

প্রতিটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে তাদের আবেদন করা শেয়ারের পুরো টাকা জমা দিতে হবে। এ ছাড়া ৫ হাজার টাকা ফি জমা দিতে হবে।

১৯৭০ সালে নিবন্ধন পায় এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ। ১৯৯৮ সাল থেকে তারা কাজ শুরু করে।

কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনির আহমেদ, আর চেয়ারম্যান তাহমিনা বেগম।

কোম্পানিটি মানুষের জন্য ওষুধ তৈরি করে ও সারা দেশে বিক্রি করে।

২০১৮ সালে কোম্পানিটি মুনাফা করে ২২ কোটি ২১ লাখ। ২০১৯ সালে করেছিল ২৪ কোটি ৪০ লাখ, পরের বছর ২৪ কোটি ২৫ লাখ, ২০২১ সালে ৩২ কোটি ৫ লাখ টাকা মুনাফা করে।

২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে পুনর্মূল্যায়ন-পরবর্তী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) ছিল ৫৬ টাকা ৬১ পয়সা। আর পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া এনএভিপিএস ৩৫ টাকা ৪৮ পয়সা। পাঁচ বছরের ভারিত গড় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩ টাকা ২১ পয়সা।

আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিএসইসির দেয়া শর্ত অনুসারে, তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো ধরনের লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

কোম্পানিটির আইপিওর ইস্যু ম্যানেজার হচ্ছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট।

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Seema Steel wants to enter the capital market

পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল

পুঁজিবাজারে আসতে চায় সীমা স্টিল সীমা অটোমেটিক স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেডের কারখানা পরিদর্শন করেন আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। ছবি: নিউজবাংলা
সীমা অটোমেটিক রি-রোলিং মিলস একটি ভালো কোম্পানি। এ ধরনের কোম্পানি বাজারে আসা উচিত। আমরা তালিকাভুক্তির জন্য সব রকমের সহযোগিতা করতে আগ্রহী: আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট কর্মকর্তা

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে চায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বানুরবাজারে অবস্থিত সীমা অটোমেটিক স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেড (এসএআরএম)। এ লক্ষ্যে কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শন করেছেন আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অসীত কুমার চক্রবর্তী।

শনিবার কারখানা পরিদর্শনে গেলে তাকে স্বাগত জানান কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন উদ্দিন।

এ সময় আইসিবি ক্যাপিটালের অতিরিক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আল আমিন তালুকদার, হেড অফ ইস্যু স্বপ্না রায়, চট্টগ্রাম শাখাপ্রধান এ এস এম মনজুর মোরশেদ, কোম্পানির উপদেষ্টা সোহরাব হোসেন, আবসারুল হক ও অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সীমা স্টিল ১৯৯১ সাল থেকে জাহাজ-ভাঙা দিয়ে শুরু করে কোম্পানির ব্যবসা। ২০০৩ সাল থেকে ইস্পাতপণ্য রড উৎপাদনে যুক্ত হয় সীমা অটোমেটিক রি-রোলিং মিলস।

অসীত কুমার চক্রবর্তী বলেন, ‘সীমা অটোমেটিক রি-রোলিং মিলস একটি ভালো কোম্পানি। এ ধরনের কোম্পানি বাজারে আসা উচিত। আমরা তালিকাভুক্তির জন্য সব রকমের সহযোগিতা করতে আগ্রহী।’

কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন উদ্দিন বলেন, ‘পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভালো ব্রান্ডিং হয়। আর ব্যাংক ঋণনির্ভরতা কমে। ব্যবসা সম্প্রসারণ ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর জন্যও দরকারি পুঁজি আহরণ করা যায়।’

কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে আসতে উৎসাহী করতে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে কর ব্যবধান বাড়ানো জরুরি বলেও মনে করেন তিনি।

পুঁজিবাজারে ইস্পাত খাতের মোট সাতটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত আছে। বর্তমানে দেশে আড়াই শ ইস্পাত কারখানা থাকলেও ২০-২৫টি ইস্পাত কোম্পানি সক্রিয়।

দেশে বড় ও মাঝারি মানের বেশ কয়েকটি ভালো ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত হয়নি কিংবা অনাগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রামভিত্তিক দেশের সবচেয়ে বড় ইস্পাত উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের স্টিল। এ প্রতিষ্ঠানের বার্ষিকী উৎপাদন সক্ষমতা ১৪ লাখ মেট্রিক টন।

কবির গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের সহযোগী প্রতিষ্ঠান কেএসআরএমের বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা আট লাখ মেট্রিক টন।

তালিকায় রয়েছে বায়োজিদ স্টিল, সীমা অটোমেটিক রি-রোলিং মিলস লিমিটেড, সীমা স্টিল, গোল্ডেন ইস্পাত লিমিটেড, এইচএম স্টিল, শীতলপুর স্টিল, রহিম স্টিল, চকলাদার স্টিল, আম্বিয়া স্টিল, শাহরিয়ার স্টিল, ইসলাম স্টিলসহ আরও বেশ কয়েকটি ইস্পাত কোম্পানি।

তবে অনাগ্রহ কাটিয়ে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পথে একটু একটু করে অগ্রসর হচ্ছে সীমা অটোমেটিক স্টিল রি-রোলিং মিল লিমিটেড (এসএআরএম)।

আরও পড়ুন:
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
এক দিনে লেনদেন কমল হাজার কোটির বেশি
পুঁজিবাজারের আকার বাড়তেই থাকবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
This time Orion and Beximco group got the opposite shock

এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ

এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ
তরতর করে বাড়তে থাকা ওরিয়ন ফার্মার দর ৯.৬৯ শতাংশ কমেছে। বিকন ফার্মা দর হারিয়েছে ৬.২৩ শতাংশ। প্রায় সাড়ে ৭ শতাংশ দরপতনের সর্বোচ্চ সীমার কাছাকাছি গিয়েও ফিরে আসা ওরিয়ন ইনফিউশন দর হারিয়েছে ১.৭২ শতাংশ। বেক্সিমকো গ্রুপের বেক্সিমকো ফার্মা ৫.২৫ শতাংশ এবং বেক্সিমকো লিমিটেড দর হারিয়েছে ২.০৮ শতাংশ।

ওরিয়ন গ্রুপের তিন কোম্পানির অবিশ্বাস্য উত্থানপর্ব শেষে এখন উল্টো চিত্র। এই গ্রুপের তিনটি কোম্পানির মধ্যে একটির দর কমেছে এক দিনে যতটা কমা সম্ভব, প্রায় ততটাই। অন্য দুটির দরও পতনের সর্বনিম্ন সীমার কাছাকাছি গিয়ে ফিরে এসেছে।

রোববার সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সূচক টেনে নামাতে সবচেয়ে বেশি প্রভাবক ছিল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো কোম্পানির চার কোম্পানি।

ওরিয়ন গ্রুপের মতো অতটা না হলেও বেক্সিমকোর এই দুটি কোম্পানির দর গত এক মাসে বেড়েছিল অনেকখানিই। তবে এগুলো এই সময়ে আসলে হারিয়ে ফেলা দরের কিছুটা ফেরত পেয়েছিল মাত্র।

এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৪৮.৮৩ পয়েন্ট। এর মধ্যে দুই গ্রুপের ওরিয়ন ফার্মা, বিকন ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেড ও বেক্সিমকো ফার্মা- এই চার কোম্পানির কারণেই কমেছে ৩৫.২৬ পয়েন্ট।

বড় দরপতন, অথচ দর বৃদ্ধি আর পতন হওয়া কোম্পানির মধ্যে সংখ্যাগত পার্থক্য খুব বেশি ছিল না। আর সংখ্যায় সবাইকে ছাড়িয়ে আবারও ফ্লোর প্রাইসে থাকা কোম্পানি। দর বেড়েছে ৯৩টি কোম্পানির, কমেছে ১১৭টির আর আগের দিনের দরে লেনদেন হয়েছে ১৬০টি, যেগুলোর সিংহভাগই হাতবদল হয় ফ্লোর প্রাইসে।

অথচ গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধি পাওয়ার তুলনায় পতন হওয়া কোম্পানির সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়ার পরও সূচকের উত্থান দেখা গেছে।

ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের পাঁচটি কোম্পানির পাশাপাশি গত ৩১ জুলাই থেকে কোনো মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই অনেকখানি বেড়েছিল, এমন বেশ কিছু কোম্পানিরও বড় দরপতন হয়েছে।

এবার উল্টো কাঁপন ধরাল ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপ
রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ সূচক যতটা কমেছে, তার মধ্যে ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের চার কোম্পানি ছিল সবচেয়ে বেশি প্রভাবক

দরপতনের মধ্যেও বেড়েছে লেনদেন। হাতবদল হয়েছে ১ হাজার ৮১০ কোটি ৫২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা, যা বৃহস্পতিবার ছিল ১ হাজার ৬৬৬ কোটি ১৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

ওরিয়ন ও বেক্সিমকো গ্রুপের শেয়ারে দরপতন নিয়ে ট্রেজার সিকিউরিটিজের শীর্ষ কর্মকর্তা মোস্তফা মাহবুব উল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ট্রেন্ডি আইটেমগুলোর মধ্যে কয়েকটির বায়ারলেস হতে দেখা গেছে। যার মধ্যে দুটির বায়ার ফিরে আসলেও একটির নেই (ওরিয়ন ফার্মা)। ফলে সেটার ইম্প্যাক্ট সূচকে পড়েছে। যেটার কারণে সাইকোলজিক্যাল অ্যাটিটিউড চেঞ্জ হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে মার্কেটে যে কোনো র‌্যালি আসার পর এক সময় তা থামবেই। আগেও বলেছি যে, যেসব আইটেমে র‌্যালি হচ্ছে সেগুলো বায়ারলেস হলে একটু চিন্তা করে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

ওরিয়নের তিন কোম্পানির কী অবস্থা

পুঁজিবাজারের টাকা দরপতনের মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানো এই ৩১ জুলাই। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৩৭ কর্মদিবসে সূচক বেড়েছে ৬০০ পয়েন্টেরও বেশি, কিন্তু তা অল্প কয়েকটি কোম্পানির দর অস্বাভাবিক হারে বাড়ার কারণেই। সিংহভাগ কোম্পানি সেই ফ্লোর প্রাইসেই গড়াগড়ি খাচ্ছে।

এই সময়ের মধ্যে বিস্ময় তৈরি করে ওরিয়ন ইনফিউশনের উত্থান। গত ২৮ জুলাই কোম্পানিটির দর ছিল ১০৪ টাকা ৭০ পয়সা। ৩৬ কর্মদিবস শেষে ২১ সেপ্টেম্বর দর দাঁড়ায় ৬২৬ টাকা ৫০ পয়সা। পরের দিন দর দাঁড়ায় ৫৭৫ টাকা ৬০ পয়সা।

কোম্পানিটি রোববার একপর্যায়ে দরপতনের সর্বোচ্চ সীমা ৫৩২ টাকা ৫০ পয়সার কাছাকাছি চলে এসেছিল। তবে ৫৩৪ টাকা পর্যন্ত নামার পর আবার ঘুরে দাঁড়ায়। দিনের একেবারে শেষ দিকে হঠাৎ বেড়ে দাম দাঁড়ায় ৫৬৫ টাকা ৭০ পয়সা। কমেছে ৯ টাকা ৯০ পয়সা বা ১.৭২ শতাংশ।

এদিন দরপতনের সর্বোচ্চ সীমায় ছিল ওরিয়ন ফার্মা।

কোম্পানিটির দর গত ২৮ জুলাই ছিল ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা। ৩৭ কর্মদিবস পর ২২ সেপ্টেম্বর দাঁড়ায় ১৪৯ টাকা ৬০ পয়সা, সেদিন সর্বোচ্চ দর ছিল ১৫৬ টাকা ৫০ পয়সা।

এটির পতনের সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৯.৯৬ শতাংশ। নামতে পারত ১৩৪ টাকা ৭০ পয়সা পর্যন্ত। এই দরেই হাতবদল হয়েছে বিপুলসংখ্যক শেয়ার। পরের দিন শেষ করে ১৩৫ টাকা ১০ পয়সায়।

এই দরপতনের কারণে ডিএসইএক্স থেকে হারিয়ে গেছে ৮.০২ পয়েন্ট।

এদিন সূচক সবচেয়ে বেশি কমিয়েছে একই গ্রুপের আরেক কোম্পানি বিকন ফার্মা। কোম্পানিটির ৬.২৩ শতাংশ দরপতনে সূচক কমেছে ১১.৪২ পয়েন্ট।

গত ২৮ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ২৪০ টাকা ৬০ পয়সা। ২০ সেপ্টেম্বর উঠে যায় ৩৯৩ টাকায়। সেদিনই অবশ্য দিন শেষ করে ৩৬১ টাকায়। গত বৃহস্পতিবার দর দাঁড়ায় ৩৩৫ টাকা ৬০ পয়সায়।

এদিন দর নামতে পারত ৩০৬ টাকা ৩০ পয়সা পর্যন্ত। নেমেছিল ৩১০ টাকা পর্যন্ত। তবে দিন শেষ করে ৩১৪ টাকা ৭০ পয়সায়। পতন হয় ৬.২৩ শতাংশ।

বেক্সিমকো গ্রুপের কত পতন

এদিন সূচকের পতনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রভাবক ছিল বেক্সিমকো ফার্মা। ১০.০২ পয়েন্ট সূচক কমেছে কোম্পানিটির শেয়ারের ৫.২৫ শতাংশ দরপতনে।

কোম্পানিটির শেয়ারদর গত ২৮ জুলাই ছিল ১৪৬ টাকা। গত ১১ সেপ্টেম্বর উঠে ১৯১ টাকা ৩০ পয়সা। গত বৃহস্পতিবার সেখান থেকে কিছুটা কমে দাঁড়ায় ১৮০ টাকা ৮০ পয়সা।

রোববার দর দাঁড়ায় ১৭১ টাকা ৩০ পয়সায়। কমেছে ৯ টাকা ৫০ পয়সা।

বেক্সিমকো লিমিটেডের গত ২৮ জুলাই ছিল ১১৪ টাকা ২০ পয়সা। সম্প্রতি দর ১৪৬ টাকা ছাড়িয়ে গেলেও গত বৃহস্পতিবার স্থির হয় ১৩৪ টাকা ৫০ পয়সায়। ২ টাকা ৮০ পয়সা কমে দর দাঁড়িয়েছে ১৩১ টাকা ৭০ পয়সায়।

এই কোম্পানিটির কারণে সূচক কমেছে ৫.৮ পয়েন্ট।

অবশ্য এই দুটি কোম্পানির দর গত বছরের নভেম্বর থেকে অনেকটাই কমে গিয়েছিল। এর মধ্যে বেক্সিমকো লিমিটের ১৯০ টাকার ঘর থেকে নেমে আসে ১১০ টাকার ঘরে, আর বেক্সিমকো ফার্মার দর ২৫৫ টাকা থেকে নেমে আসে দেড় শ টাকার নিচে।

গ্রুপের আরও দুই কোম্পানি শাইনপুকুর সিরামিকস ও আইএফআইসি ব্যাংকের দর খুব একটা পাল্টায়নি এদিন।

সূচকে আরও প্রভাব যেসব কোম্পানির

ওরিয়ন ও বেক্সিমকোর চার কোম্পানির বাইরে ইউনাইটেড পাওয়ারের ২.১ শতাংশ দরপতনে সূচক কমেছে ৭.৬৮ পয়েন্ট।

এই কোম্পানিটির দর গত ২৮ জুলাই থেকে খুব একটা বেড়েছে এমন নয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত শিপিং করপোরেশনের শেয়ারদর ৬.৪৫ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে ৩.৯৩ পয়েন্ট।

গত ২৮ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়ায় ১০৫ টাকা ৭০ পয়সায়। ২২ সেপ্টেম্বর দর দাঁড়ায় ১৬৮ টাকা ৯০ পয়সা। সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ১৫৮ টাকা।

শাহজিবাজার পাওয়ারের দর ৭.৬৪ শতাংশ কমার কারণে সূচক কমেছে ৩.২৭ পয়েন্ট।

জুলাইয়ের শেষ দিন থেকে জ্বালানি খাতের এই একটি কোম্পানির দরই অনেকখানি বেড়েছে। ২৯ জুলাই দর ছিল ৬৬ টাকা ১০ পয়সা। ২২ জুলাই ছিল ১০০ টাকা ৮০ পয়সা।

সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ১০ পয়সায়।

জেএমআই হসপিটালের দর কমেছে ৮.২১ শতাংশ, যার কারণে সূচক কমেছে ৩.২ পয়েন্ট।

কোম্পানিটির শেয়ারদর গত ২৮ জুলাই ছিল ৬৮ টাকা ৪০ পয়সা। গত সপ্তাহে দাম বেড়ে হয়েছে ১৩৮ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার দর দাঁড়ায় ১৩১ টাকা ৫০ পয়সা। ১০ টাকা ৮০ পয়সা হারিয়ে এখন দর ১২০ টাকা ৭০ পয়সা।

অস্বাভাবিক হারে লাফাতে থাকা কোহিনূর কেমিক্যালসের দরপতন হয়েছে ৭.০৫ শতাংশ, যে কারণে সূচক কমেছে ২.৭৫ পয়েন্ট।

গত ২৮ জুলাই কোম্পানিটির দর ছিল ৩৭৯ টাকা ৯০ পয়সা। ২১ সেপ্টেম্বর দর উঠে ৭৫৭ টাকা ৪০ পয়সা পর্যন্ত। তবে দিন শেষ করে দর হারিয়ে। গত বৃহস্পতিবার দর ছিল ৬৪৫ টাকা ৪০ পয়সা। ৪৫ টাকা ৫০ পয়সা কমে এখন দাঁড়িয়েছে ৫৯৯ টাকা ৯০ পয়সা।

সূচক পতনে ভূমিকা রাখা দশম কোম্পানি বসুন্ধরা পেপার মিলসের দর কমেছে ৭.১২ শতাংশ, যে কারণে সূচক কমেছে ২.৬৩ পয়েন্ট।

গত ২৮ জুলাই কোম্পানিটির দর ছিল ৪৮ টাকা ৮০ পয়সা। গত বৃহস্পতিবার দাঁড়ায় ৮৯ টাকা ৯০ পয়সায়, যদিও দর উঠে ৯৩ টাকা পর্যন্ত।

একদিনে ৬ টাকা ৪০ পয়সা কমে দর দাঁড়িয়েছে ৮৩ টাকা ৫০ পয়সা।

লেনদেনে সেরা ওরিয়ন-বেক্সিমকো

দরপতন হলেও লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে ওরিয়ন ফার্মা ও বেক্সিমকো লিমিটেড।

ওরিয়ন ফার্মার এক কোটি ২৭ লাখ ১১ হাজার ৩২০টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে ১৭৯ কোটি ১৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকায়।

বেক্সিমকো লিমিটেডের লেনদেন হয়েছে ১১৪ কোটি ৫৯ লাখ ১ হাজার টাকা। হাতবদল হয়েছে এক কোটি ১৪ লাখ ৫৯ হাজার ১০টি শেয়ার।

আর কোনো কোম্পানির লেনদেন এক শ কোটি টাকা ছুঁতে পারেনি।

তৃতীয় সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের। এক কোটি ২০ লাখ ৬৩ হাজার ৫০২টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৭ কোটি ৬৫ লাখ ২১ হাজার টাকায়।

চুতুর্থ স্থানে আছে দর হারানো বিডিকম, যার লেনদেন হয়েছে ৮৪ কোটি ৪৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকার। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের লেনদেন হয়েছে ৬২ কোটি ৭ লাখ ৮ হাজার টাকার শেয়ার।

জেএমআই হসপিটালের ৫৮ কোটি ও ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ৫৭ কোটির ওপরে লেনদেন হয়েছে।

শাহজিবাজার পাওয়ার, বিবিএস ও ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিংয়ের লেনদেন হয়েছে ৩০ থেকে ৫০ কোটির মধ্যেই।

কোন খাত কেমন

ব্যাপক দরপতনের কারণে বেশিরভাগ খাতেই দরপতন হয়েছে, বিপরীতে দরবৃদ্ধি দেখা গেছে দুই-একটিতে।

কোম্পানির সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি হয়েছে প্রকৌশল খাতে। ২৬টি বা ৬১.৯০ শতাংশ কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে।

শতভাগ দরবৃদ্ধির বেশি হয়েছে ছোট খাত ভ্রমণ ও অবকাশ এবং পাটে।

২৩টি কোম্পানির দর বেড়েছে বস্ত্র খাতের। বিপরীতে ৩১টির দর অপরিবর্তিত থেকে লেনদেন হয়েছে, কমেছে ৪টির দর।

এ ছাড়াও সেবা ও আবাসন খাতে ৭৫ শতাংশ, কাগজ ও মুদ্রণ খাতে ৬৬ শতাংশ, সিরামিকস ৬০ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে ২৫ শতাংশ, জ্বালানি ও খাদ্য খাতে ২১ শতাংশ করে কোম্পানির দরবৃদ্ধি হয়েছে।

তালিকাভুক্ত ৩৭টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ৩০টির লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে একটির দরবৃদ্ধি ও সবগুলোর দরই ফ্লোর প্রাইসেই অপরিবর্তিত হয়েছে।

আগের দিনের চেয়ে লেনদেন আরও কমলেও শীর্ষে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। হাতবদল হয়েছে ৩২০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ২৩ শতাংশ।

১৯টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে। আগের দরেই লেনদেন হয়েছে ৯টির, দরবৃদ্ধি হয়েছে ২টির।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বিবিধ খাতের লেনদেন হয়েছে ২৬৬ কোটি ৯৬ লাখ। ৩টি কোম্পানির দরবৃ্দ্ধির বিপরীতে দর কমেছে ৭টির ও ৩টির অপরিবর্তিত ছিল।

তৃতীয় সর্বোচ্চ ২০৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে প্রকৌশল খাতে।

এর পরেই ১৫৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা প্রযুক্তি এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে লেনদেন হয়েছে ১৫০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

জ্বালানি খাতে ১৩৯ কোটি ৮০ লাখ ও বস্ত্র খাতে ১২৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।

বাকি খাতের লেনদেন এক শ কোটির নিচে ছিল।

এর পরে লেনদেনের ওপরের দিকে ছিল সেবা ও আবাসন, কাগজ ও মুদ্রণ, খাদ্য ইত্যাদি খাত।

দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০

শীর্ষ দশের প্রায় সবগুলো কোম্পানির দরই বেড়েছে দিনের সর্বোচ্চ সীমা ১০ শতাংশ ও এর আশেপাশে।

দরবৃদ্ধির শীর্ষে অবস্থান করছে সি পার্ল। ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ দর বেড়ে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৩৭ টাকা ৬০ পয়সায়। আগের দিনে ক্লোজিং প্রাইস ছিল ১২৫ টাকা ২০ পয়সা।

৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ দর বেড়ে মনোস্পুলের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২০৩ টাকা ৯০ পয়সায়, আগের দিনের সর্বশেষ দর ছিল ১৮৫ টাকা ৪০ পয়সা।

৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ দর বেড়ে ২১ টাকা ২০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা ফারইস্ট নিটিংয়ের শেয়ার। আগের দিন দর ছিল ১৯ টাকা ৩০ পয়সা।

এ ছাড়াও দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষ দশে রয়েছে অ্যাসোসিয়েটেড অক্সিজেন, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, অ্যাপেক্স ফুডস, নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, পেপার প্রোসেসিং, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ইন্ট্রাকো রি –ফুয়েলিং স্টেশন।

দর পতনের শীর্ষ ১০

পতনের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ওরিয়ন ফার্মা। রোববার ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ কমে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ১৩৫ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন হয়।

পতনের তালিকায় পরের স্থানে রয়েছে জেএমআই হসপিটাল। ৮ দশমিক ২১ শতাংশ দর কমে শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১২০ টাকা ৭০ পয়সায়।

তৃতীয় সর্বোচ্চ দর হারিয়েছে শাহজিবাজার পাওয়ার। ৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমে শেয়ারটি সর্বশেষ ৯৩ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়।

দর কমার শীর্ষ দশে থাকা অন্য কোম্পানিগুলো ছিল- বিডি থাইফুড, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, বসুন্ধরা পেপার, কোহিনূর কেমিক্যাল, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, মীর আকতার ও বিকন ফার্মা।

আরও পড়ুন:
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর
এক দিনে লেনদেন কমল হাজার কোটির বেশি
পুঁজিবাজারের আকার বাড়তেই থাকবে: বিএসইসি চেয়ারম্যান
দুই দশক পর পুঁজিবাজারে লভ্যাংশ পেলেন শহীদ জননী

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Chartered Life Insurances IPO application begins

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিও আবেদন শুরু
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা তুলবে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিমা খাতে তালিকাভুক্ত হতে যাওয়া চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের আইপিওর শেয়ার পেতে আবেদন শুরু হয়েছে। রোববার থেকে শুরু হওয়া এই আবেদন করা যাবে বৃহস্পতিবারের মধ্যে।

রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এই সময়ের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ও অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিক আবেদন করতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এবং অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকার শেয়ার পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন ১০ হাজার টাকার কম বা বেশি হতে পারবে না।

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, তালিকাভুক্ত শেয়ারে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে, তবেই তারা এই শেয়ারের আইপিও পেতে আবেদন করতে পারবেন।

অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকাভুক্ত শেয়ারে ন্যূনতম ১ লাখ টাকার বিনিয়োগ থাকতে হবে।

সাধারণ বিনিয়োগকারী ও অনিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের এই শেয়ারের আইপিও পেতে আবেদন করতে হবে ব্রোকারেজ হাউস বা মার্চেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে।

গত ৬ জুলাই বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে ফিক্সড প্রাইজ পদ্ধতিতে পুঁজিবাজার থেকে ১৫ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দেয়।

চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারের দাম ধরা হয়েছে ১০ টাকা। সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করে ১৫ কোটি টাকা তুলবে চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

বিমাটি ১৫ কোটি টাকার মধ্যে ৬ কোটি টাকা সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করবে, ৭ কোটি ৯০ লাখ টাকা তালিকাভুক্ত শেয়ারে বিনিয়োগ করবে, আর ১ কোটি ১০ লাখ টাকা আইপিও টাকা তোলা বাবদ খরচ করবে।

২০১৩ সালে নিবন্ধন পায় চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স।

কোম্পানির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এএএ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড, ট্র্যাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং এবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগে কোম্পানিটি কোনো প্রকার লভ্যাংশ ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না।

২০২১ সালের ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট অনুযায়ী, কোম্পানটির লাইফ ফান্ড ৩৫ কোটি ২১ লাখ ৬৮ হাজার ৭২০ টাকা। মোট উদ্বৃত্ত ৪ কোটি ৬৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের জন্য উদ্বৃত্ত রয়েছে ৪৫ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন:
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে
বে লিজিংয়ে ‘ইপিএসকাণ্ড’ তদন্তে বিএসইসির কমিটি
গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড: প্রথম দিনে ফেস ভ্যালুর নিচে লেনদেন
মিডল্যান্ড ব্যাংকের আইপিও অনুমোদন
বিএসইসির বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The much anticipated ATB is launching soon

শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি

শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি ফাইল ছবি
শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, ‘এটি চালু হলে মার্কেটের গভীরতা অনেক বাড়বে। অনেক ভালো কোম্পানি আছে যারা বিভিন্ন কারণে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে চাচ্ছে না, তারা এখানে তালিকাভুক্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা ভালো শেয়ার পাবে। এটা কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের একটা লিকুইডিটি দিবে, টাকা চাইলে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলতে পারবে। এ ছাড়া ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো এখানে একটা এক্সিট পয়েন্ট পাবে।’

ব্যবসায় মূলধন প্রাপ্তি ও শেয়ারের মালিকানা পরিবর্তন সহজ করতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শিগগিরই চালু হচ্ছে বিকল্প লেনদেন ব্যবস্থা বা অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড (এটিবি)।

ব্যবস্থাটি চালু হলে পুঁজিবাজারের বাইরে থাকা যেকোনো কোম্পানি এটিবিতে সরাসরি তালিকাভুক্ত হয়ে শেয়ার লেনদেন করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে কোম্পানিটিকে অবশ্যই প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি থেকে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তিত হতে হবে।

বর্তমানে পুঁজিবাজারের বাইরে দুই হাজারেরও বেশি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি রয়েছে। এসব কোম্পানি চাইলে সরাসরি এটিবিতে নিজেদের শেয়ার লেনদেনের সুযোগ কাজে লাগাতে পারবে।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ২৯ আগস্ট এ-সংক্রান্ত আইন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড) রেগুলেশন, ২০২২ অনুমোদন দিয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর যা গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য পাঠিয়েছে ডিএসই। এটি প্রকাশ হলেই এটিবি চালু হওয়ার পথে সব আইনি বাধা দূর হবে।

পুঁজিবাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শেয়ার লেনদেনের এ বিকল্পব্যবস্থাকে স্টক এক্সচেঞ্জে বৈপ্লবিক সংযোজন হিসেবে দেখছেন।

ডিএসই ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এটিবি চালু হলে পুঁজিবাজারের বাইরের কোম্পানির উদ্যোক্তারা খুব সহজে মালিকানা পরিবর্তন বা শেয়ার হস্তান্তর করতে পারবেন। আগে এ কাজটি করতে অনেক খরচ হতো। এখন তা কম খরচেই করা যাবে। এ ছাড়া কোম্পানিগুলো সরাসরি শেয়ার লেনদেনের সুযোগ পাওয়ায় ভেঞ্চার ক্যাপিটাল জোগানদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও তাদের মূলধন দিতে উৎসাহিত হবে। কেননা এটিবিতে ভেঞ্চার ক্যাপিটালগুলোর বিনিয়োগ করা শেয়ার হস্তান্তরের অবারিত সুযাগ তৈরি হবে।’

ভেঞ্চার ক্যাপিটাল হলো এমন ধরনের মূলধন, যা কোনো আর্থিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, যারা কিনা ভবিষ্যতে লাভজনক হতে পারে- এমন স্টার্টআপ বা ছোট কোম্পানিতে মালিকানা বা শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগ করে থাকে। সাধারণত বড় বড় বিনিয়োগকারী, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে এ ধরনের তহবিল গঠন হয়ে থাকে। বাজারে বিনিয়োগকৃত শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মুনাফা ও মূলধন ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।

দেশে এতদিন শেয়ার লেনদেনের বিষয়টি সহজ ছিল না। ফলে বেশ কয়েকটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল জোগানদাতা প্রতিষ্ঠান থাকলেও তা খুব বেশি কাজে আসছিল না।

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, ‘এটি চালু হলে মার্কেটের গভীরতা অনেক বাড়বে। অনেক ভালো কোম্পানি আছে যারা বিভিন্ন কারণে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে চাচ্ছে না, তারা এখানে তালিকাভুক্ত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীরা ভালো শেয়ার পাবে। এটা কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের একটা লিকুইডিটি দিবে, টাকা চাইলে শেয়ার বিক্রি করে টাকা তুলতে পারবে। এ ছাড়া ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানিগুলো এখানে একটা এক্সিট পয়েন্ট পাবে।’

এটিবিতে কারা লেনদেন করতে পারবে

বর্তমানে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসগুলোর নিবন্ধকের পরিদপ্তরে (আরজেএসসি) দুই লাখ ৬৩ হাজার ৮৮৮টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত আছে। এর মধ্যে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি এক লাখ ৯৫ হাজার ৪৫টি, পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি দুই হাজার ৫২৩টি আর একক মালিকানা কোম্পানি আছে ১৬৫টি।

বাকিগুলো হচ্ছে ট্রেড অর্গানাইজেশন, বিদেশি কোম্পানি, সোসাইটি আর অংশীদারি কোম্পানি। পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির মধ্যে পুঁজিবাজারে আছে ৩৫০টি কোম্পানি। সেই হিসাবে ২ হাজার ১৭৩টি কোম্পানি এখন স্টক এক্সচেঞ্জের বাইরে। এই কোম্পানিগুলো এটিবি চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের শেয়ার লেনদেনের সুযোগ নিতে পারবে। আর বাকিগুলোকে আগে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হতে হবে।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে জানান, পুঁজিবাজারে ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেট বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে তালিকাচ্যুত বা তালিকাবহির্ভূত যে সিকিউরিটিজগুলো আছে সেগুলো এটিবিতে লেনদেন করা যাবে। এ ছাড়া ডেবিট সিকিউরিটিজ ও মিউচুয়াল ফান্ডও লেনদেন হবে।

রেজাউল করিম বলেন, এটিবি চালু হলে বাজারে শেয়ারের সরবরাহ বাড়বে। সামগ্রিকভাবে যা বাজারে গভীরতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিনিয়োগের বিকল্প সুযোগ সৃষ্টি করবে।

এটিবিতে কী সুবিধা

বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাবহির্ভূত যেকোনো কোম্পানি তাদের শেয়ার হস্তান্তর করতে গেলে ট্রান্সফার ফি ও মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাটসহ বড় ধরনের খরচের বোঝা বহন করতে হয়। এ ছাড়া ১১৭ ফরম পূরণ করতে আরজেএসসিতে সশরীরে উপস্থিত থাকতে হয়। এটিবিতে এলে কোনো ধরনের ঝুটঝামেলা ছাড়াই সামান্য কমিশনেই শেয়ার হস্তান্তর করা যাবে। বাড়তি কোনো ফি দিতে হবে না। উদ্যোক্তারা তাদের কোম্পানির বাজারমূল্য সম্পর্কে ধারণা পাবে। এ ছাড়া কোম্পানির পরিচিতি, সুনাম বা ব্র্যান্ড ভেল্যুও বাড়বে।

এমনকি কোম্পানিগুলো ভবিষ্যতে এখান থেকে রাইট শেয়ার কিংবা প্রাইভেট প্লেসমেন্ট শেয়ার ছেড়ে তাদের মূলধন বাড়াতেও পারবে।
বিএসইসির মুখপাত্রের আশা, এতে অনেক কোম্পানি এখানে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত হবে। ফলে বাজার মূলধন ও লেনদেন বাড়বে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের গুরুত্বও বেড়ে যাবে।

এটিবিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মতো কর সুবিধা পায় তা নিশ্চিত করতে এনবিআরকে চিঠি দিয়েছে বিএসইসি। এনবিআরের সম্মতি পেলে সাড়ে ৭ শতাংশ কর ছাড় পাবে কোম্পানিগুলো।
পুঁজিবাজারে এলে কোম্পানি পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আগের চেয়ে বাড়ে, যা প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখে।

কীভাবে তালিকাভুক্তি

এটিবিতে তালিকাভুক্তি অনেকটা সরাসরি বা ডায়রেক্ট লিস্টিংয়ের মতো। নতুন শেয়ার না ছেড়ে উদ্যোক্তার হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির উদ্দেশ্যে তালিকাভুক্তি নেয়া যাবে। শেয়ারের মূল্যও হবে বাজারভিত্তিক।

আরও পড়ুন:
শিগগিরই চালু হচ্ছে অনেক আশার এটিবি
এসএমই বোর্ড নিয়ে আবার নীতি পরিবর্তন বিএসইসির
পুঁজিবাজার আবার বিভ্রান্তিতে

মন্তব্য

p
উপরে