× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

অর্থ-বাণিজ্য
There is pressure no crisis Moodys on Bangladesh
hear-news
player
print-icon

চাপ আছে, সংকট নেই: বাংলাদেশ নিয়ে মুডিস

চাপ-আছে-সংকট-নেই-বাংলাদেশ-নিয়ে-মুডিস
করোনা পরিস্থিতির উন্নতির পর খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির দর বেড়ে যাওয়ার মধ্যে ইউক্রেনে রুশ হামলার পর বিশ্ব অর্থনীতি এখন টালমাটাল। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। পণ্য ও জ্বালানি মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ কমেছে অনেকটাই। দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো তা নেমে গেছে ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে। এ নিয়ে দেশে আতঙ্ক ছড়ালেও অভয় দিচ্ছে আন্তর্জাতিক ঋণমাণ সংস্থা মুডিস।

আন্তর্জাতিক ঋণমাণ সংস্থা মুডিস বলেছে, করোনা মহামারির পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে; তবে সংকটের ঝুঁকি কম।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশকে নিয়ে এই মন্তব্য করা হয়েছে।

মুডিস ইনভেস্টর সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ পরিশোধে খেলাপি হওয়ার ঝুঁকি কম হলেও দেশটির অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।

সিঙ্গাপুরের মুডিস-এর সার্বভৌম বিশ্লেষক ক্যামিল চৌটার্ড বাংলাদেশকে নিয়ে বলেন, ‘প্রধান বার্তাটি হলো যে যদিও দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাম্প্রতিক সময়ে কমছে। তবে এটি উচ্চস্তর থেকে এবং সার্বভৌমের বাহ্যিক দুর্বলতার সূচক কম।’

করোনা পরিস্থিতির উন্নতির পর খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির দর বেড়ে যাওয়ার মধ্যে ইউক্রেনে রুশ হামলার পর বিশ্ব অর্থনীতি এখন টালমাটাল। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। পণ্য ও জ্বালানি মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে রিজার্ভ কমেছে অনেকটাই। দুই বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো তা নেমে গেছে ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে।

কয়েক মাসের মধ্যে ডলারের দাম ৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে খোলাবাজারে দাম উঠেছে ১১২ টাকা। এমনকি ব্যাংকগুলো বিক্রি করছে ১০৫ থেকে ১০৮ টাকায়।

এই পরিস্থিতিতে অর্থনীতি নিয়ে দেশে আতঙ্ক স্পষ্ট। আর সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সরকারকে আক্রমণ করছে এই বলে যে দেশের অর্থনীতি শ্রীলঙ্কার মতো পরিণতির দিকে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্য বলেছেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো। আর রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামলেও এটি বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় মেটানোর চেয়ে বেশিই আছে। তিনি বলেছেন, তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকলেই যথেষ্ট, কিন্তু দেশের রিজার্ভ নিয়ে মেটানো যাবে ৯ মাসের আমদানি ব্যয়।

রিজার্ভে চাপ কমাতে আমদানি হ্রাসেও নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এর ফলে আমদানিতে টানও পড়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমেফের কাছ থেকে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণও চাওয়া হয়েছে।

মুডিসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের বৈদেশিক রিজার্ভ কমে গেছে। রিজার্ভ বাড়াতে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক ঝুঁকি কমাতে দেশটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ঋণ চেয়েছে।

‘সরকার ব্যয় সংকোচনের জন্য বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ নানা ধরনের পদক্ষেপ ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের ঘাটতির মধ্যে ডলার মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে।’

গত ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এক বছর আগের ৪৫ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ৩৯ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানো এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি বাংলাদেশের অর্থনীতির দুর্দশায় যুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত ৪১৬ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ছিল।

বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বুধবার বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ভবিষ্যতের যেকোনো প্রয়োজন মেটাতে আইএমএফের কাছে ঋণ চেয়েছে। কিন্তু আমরা কোনো ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন নই।’

মুডিসের চৌটার্ড বলেন, ‘কম রেমিট্যান্সের নিম্নগতি, রপ্তানি আয়ের কম চাহিদা এবং জ্বালানি ও খাদ্যদ্রব্যের চড়া মূল্যের কারণে আমরা চলতি হিসাবের ঘাটতির অবনতি আশা করেছিলাম। এই চাপগুলো বাড়ছে এবং সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বছরের শেষ দিকে ঘুরে দাঁড়াবে অর্থনীতি: সালমান এফ রহমান

মন্তব্য

আরও পড়ুন

অর্থ-বাণিজ্য
NRBC Bank gave AC bus to Dhaka University

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক এনআরবিসি ব্যাংক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এসি বাস উপহার দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণাকাজে সহায়তার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) একটি বাস উপহার দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

বুধবার সকালে ঢাবি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে বাসটি হস্তান্তর করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাস উপহার পেয়ে ব্যাংকটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণাকাজ এগিয়ে নেয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। পৃথিবীর সব দেশে শিক্ষা-গবেষণায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ রয়েছে। এনআরবিসি ব্যাংকের এই উপহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল বলেন, ‘দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহম্মদ সামাদ, ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাদ মুজিব লালন, ব্যাংকের ডিএমডি ও সিফও হারুনুর রশিদ, সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের প্রধান পারভেজ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এনআরবিসি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের শিক্ষা খাত থেকে এই উপহার দেয়। বাসটি ৪২ আসনের।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা
প্রবাসীরাই বাতিঘর, প্রতিদিন পাঠাচ্ছেন ৮০০ কোটি টাকা
তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬৬তম

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
The dollars good days are over for hoarders

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের সরবরাহ বেশ বেড়েছে। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুত করেছিলেন, তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছেন। সে কারণেই দুর্বল হচ্ছে ডলার, মান বাড়ছে টাকার।

অতি মুনাফার লোভে যারা কার্বমার্কেট বা খোলাবাজার থেকে ১২০ টাকায় ডলার কিনেছিলেন তাদের মাথায় হাত। পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটতে থাকা ডলার হোঁচট খেয়ে এখন উল্টো দিকে হাঁটছে; ১০৯ টাকায় নেমে এসেছে। শক্তিশালী হতে শুরু করেছে টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের সরবরাহ বেশ বেড়েছে। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুত করেছিলেন, তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছেন। সে কারণেই দুর্বল হচ্ছে ডলার, মান বাড়ছে টাকার। আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডলারের দর ১০৫ টাকায় নেমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।

বুধবার সকালে খোলাবাজারে প্রতি ডলারের জন্য ১১০ টাকা নিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা; বিকেলে তা ১০৯ টাকায় নেমে আসে। মঙ্গলাবার প্রতি ডলার ১১৩ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১১৩ টাকা ৩০ পয়সায় বিক্রি হয়েছিল।

সোমবার ছিল জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির দিন। তার আগের দিন রোববার প্রতি ডলারের জন্য ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা নিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা।

আমদানি কমায় ডলারের চাহিদা কমে এসেছে। সে কারণে বাজারে ডলারের সরবরাহ বাড়ায় দর কমছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকগুলোও নগদ ডলারের দাম কমাতে শুরু করেছে। বেসরকারি সিটি ব্যাংক মঙ্গলবার প্রতি ডলারের জন্য নিয়েছিল ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। বুধবার নিয়েছে ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা। তবে অন্য ব্যাংকগুলো আগের দামেই নগদ ডলার বিক্রি করছে।

খোলাবাজারে গত সপ্তাহে ডলারের দর এক লাফে ১২০ টাকায় উঠেছিল। বৃহস্পতিবার তা এক টাকা কমে বিক্রি হয় ১১৯ টাকায়। এর পর থেকে টাকার বিপরীতে প্রতিদিনই কমছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের দর।

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

নাম প্রকাশ না করার শর্তে খোলাবাজারের এক ডলার ব্যবসায়ী বুধবার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাজারে ডলারের সরবরাহ এখন প্রচুর। সবাই বিক্রি করতে আসে; কেউ কিনতে আসে না। দু-একজন আসে দাম শুনে; তবে কেনে না। সকালে ১১০ টাকায় সামান্য কিছু ডলার বিক্রি করেছি আমরা। বিকেলে ১০৯ টাকা দিয়েও কেনা পাওয়া যায়নি।’

‘এতোদিন যারা বেশি লাভের আশায় ডলার কিনে মজুদ করেছিলেন, দাম কমতে দেখে তারা সবাই এখন বিক্রি করতে আসছে। সে কারণেই সরবরাহ বেড়েছে। দাম কমছে।’

‘যারা পাগলের মতো ডলার কিনেছিলেন তারা সবাই ধরা। সবাই এখন বিক্রি করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। সরবরাহ বেড়েছে; তাই দাম কমছে। আরও কমবে বলে মনে হচ্ছে,’বলেন ওই ব্যবসায়ী।

‘আমার মনে হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে ডলারের দর ১০৫ টাকায় নেমে আসবে।’

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক গত কয়েক দিনের মতো বুধবারও ১০৪ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে। জনতা ব্যাংক থেকে কিনতে লেগেছে ১০৪ টাকা ২৫ পয়সা। বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক বিক্রি করেছে ১০৭ টাকায়। এসআইবিএল নিয়েছে ১০৫ টাকা।

গত সপ্তাহের মতো বুধবার ৯৫ টাকায় ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এটাকে আন্তব্যাংক বা ইন্টারব্যাংক রেট বলছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে এই রেট গত দুই মাসের বেশি সময় ধরে কার্যত অচল।

ব্যাংকগুলো এখনও এই দরের চেয়ে ৯ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে ডলার বিক্রি করছে। আবার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স সংগ্রহ করছে ১০৪-১০৫ টাকা দিয়ে। আমদানি ঋণপত্র খুলতে নিচ্ছে ১০৪-১০৫ টাকা।

বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে আমেরিকান মুদ্রা ডলারের দৌড় থামাতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে চলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের দেড় মাসে (১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট) প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার বিক্রি করা হয়েছে। এরপরও বাজারে ডলারের সংকট কাটছে না।

ডলারের সুদিন শেষ, মজুতকারীদের মাথায় হাত

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম আশার কথা শুনিয়ে বলেছেন, শিগগিরই ডলারের সংকট কেটে যাবে। বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ইতোমধ্যে কার্ব মার্কেটে বেশ খানিকটা কমেছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ার কারণেই বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। সেই চাহিদা পূরণের জন্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাজারে ডলার ছাড়া হচ্ছে। আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যতম প্রধান কাজ এটি। যখন বাজারে ডলারের ঘাটতি দেখা দেবে তখন ডলার বিক্রি করা হবে। আবার যখন সরবরাহ বেশি হবে তখন কেনা হবে।

‘ডলার বিক্রির ক্ষেত্রে রিজার্ভ পরিস্থিতিও সব সময় বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। ঢালাও বিক্রি করলে রিজার্ভ কমে আসবে। সেক্ষেত্রে অন্য সমস্যা হবে। সে কারণেই ভেবেচিন্তে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি বিক্রি করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘দুই বছরের বেশি সময় ধরে করোনা মহামারির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তাণ্ডবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সব দেশের মতো আমাদেরও আমদানি খরচ বেড়ে গেছে। সে কারণে রিজার্ভের ওপরও চাপ পড়েছে।

‘তবে সুখের খবর হচ্ছে, আমদানি কমতে শুরু করেছে। রপ্তানির পাশাপাশি রেমিট্যান্সও বাড়ছে। শিগগিরই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসবে।’

এর আগে মে মাসে যখন ডলারের দর ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল, তখনও সবাই অতি মুনাফার আশায় জমানো টাকা দিয়ে ডলার কিনেছিলেন। অনেকে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি করে দিয়ে, ধারদেনা করেও ডলার কিনেছিলেন। পরে অবশ্য ডলারের দাম ১০০ টাকার নিচে নেমে এসেছিল।

আরও পড়ুন:
মানি এক্সচেঞ্জ ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ দেড় টাকা লাভ করতে পারবে
ঊর্ধ্বশ্বাসে ছোটা ডলার হারাচ্ছে দম
ডলার: ব্যাংকের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ব্যবসায়ী নেতারা
এবার ডলার বিক্রিতে মুনাফার সীমা নির্ধারণ
মেঘ-বৃষ্টির দিনে তেজ কমল ডলারের

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
28 Agent Banking Outlets of SIBL

এসআইবিএলের ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট

এসআইবিএলের ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এসআইবিএলের নতুন ২৮ এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধনে কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
এসআইবিএলের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম এর উদ্বোধন করেন।

সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড বা এসআইবিএলের ২৮টি নতুন এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট উদ্বোধন করা হয়েছে।

এসআইবিএলের প্রধান কার্যালয়ে বুধবার ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে প্রধান অতিথি হিসেবে ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. মো. মাহবুব উল আলম এর উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী জাফর আলম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু রেজা মো. ইয়াহিয়া।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান কাজী ওবায়দুল আল-ফারুক, চিফ রেমিট্যান্স অফিসার মো. মোশাররফ হোসাইন, মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ডিভিশনের প্রধান মো. মনিরুজ্জামান এবং এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান মো. মশিউর রহমান।

আরও পড়ুন:
খুলনায় এসআইবিএলের কর্মকর্তা সম্মেলন
বেস্ট ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড পেল এসআইবিএল
এসআইবিএলের নতুন ৩ সঞ্চয় স্কিম
ঝিনাইদহে কৃষি ঋণ দিল এসআইবিএল-সিও
এসআইবিএলের ৩টি নতুন উপশাখা

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Along with the dollar the price of lotus gold

ডলারের পাশাপাশি কমল স্বর্ণের দামও

ডলারের পাশাপাশি কমল স্বর্ণের দামও
স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ।

টানা কয়েক দফা বেড়ে চূড়ায় ওঠার পর স্বর্ণের দাম বেশ খানিকটা কমেছে। দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের ভরি ২ হাজার ২৭৪ টাকা কমে ৮২ হাজার ৫৬ টাকায় নেমে এসেছে।

আমেরিকান মুদ্রা ডলারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পাগলা ঘোড়ার মতো ছুটছিল স্বর্ণের দাম। ডলারের দাম কমতে শুরু করায় স্বর্ণের দামও কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দশ দিন আগে গত ৭ আগস্ট অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের ভরি ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই মূল্যবান এই ধাতুটি এত দামে বিক্রি হয়নি।

বুধবার রাতে সব ধরনের স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সাধারণ স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় গত মে মাসে স্বর্ণের ভরি বাড়তে বাড়তে ৮২ হাজার ৪৬৬ টাকায় উঠেছিল। এরপর বিশ্ববাজারে দাম কমায় তা ৭৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছিল।

এর পর আন্তর্জাতিক বাজারে দরবৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণেল দাম বাড়ায় জুলাই ও আগস্ট মাসে টানা কয়েক দফা বেড়ে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের ভরি ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকায় উঠেছিল।

বৃহস্পতিবার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি স্বর্ণ কিনতে লাগবে ৮২ হাজার ৫৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকায়। দাম বেড়েছে ২ হাজার ২৭৪ টাকা।

অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও প্রায় একই হারে বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে নতুন দর কার্য‌কর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস।

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় টানা তিন দফা কমানোর পর গত ২৬ জুলাই প্রতি ভরি সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। দুই দিনের ব্যবধানে ২৮ জুলাই আরও ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়ানো হয়। ৩ আগস্ট ভরিতে আরও ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়ানো হয়। সবশেষ ৭ আগস্ট বাড়ানো হয় ১ হাজার ৯৮৩ টাকা।

ডলারের পাশাপাশি কমল স্বর্ণের দামও

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ৮ মার্চ দেশের বাজারে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৯ হাজার ৩১৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। তার চার দিন আগে ৪ মার্চ বাড়ানো হয়েছিল ভরিতে ৩ হাজার ২৬৫ টাকা।

এরপর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করায় ১৫ মার্চ দেশের বাজারে ভরিতে ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস। ২১ মার্চ কমানো হয় ভরিতে আরও ১ হাজার ৫০ টাকা।

কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় ১১ এপ্রিল সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৮৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

এরপর আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় ২৫ এপ্রিল প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানো হয়। ১০ মে একই পরিমাণ কমানো হয়েছিল।

দুই দফায় ভরিতে ২ হাজার ৩৩২ টাকা কমানোর পর ১৭ মে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বাড়ানো হয়।

চার দিনের ব্যবধানে ২১ মে সেই স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে দেয় বাজুস। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে স্বর্ণের দাম উঠে যায় ৮২ হাজার ৪৬৬ টাকায়।

বিশ্ববাজারে দাম কমায় ২৬ মে সেই স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমিয়ে ৭৯ হাজার ৫৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা হয়। প্রায় দেড় মাস পর ৬ জুলাই আরও ১ হাজার ১৬৬ টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস।

বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পেয়েছে। এ অবস্থায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বুধবার বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণসংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিশ্ববাজারে বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় প্রতি আউন্স (৩১.১০৩৪৭৬৮ গ্রাম, ২.৬৫ ভরি) স্বর্ণের দাম ছিল ১ হাজার ৭৬১ ডলার ৬৬ সেন্ট। এর আগে ৬ আগস্ট রাতে যখন স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়, তখন প্রতি আউন্সের দাম ছিল ১ হাজার ৭৭৪ ডলার ৯৬ সেন্ট।

মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম বাড়তে বাড়তে ২ হাজার ৬০ ডলারে উঠেছিল।

১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রামে এক ভরি।

বৃহস্পতিবার থেকে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৮২ হাজার ৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। বুধবার পর্যন্ত এই মানের স্বর্ণ ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকায় বিক্রি হয়েছে। কমেছে ২ হাজার ২৭৪ টাকা।

২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমে ৭৮ হাজার ৩২৪ টাকা হয়েছে। এই দশ দিন ৮০ হাজার ৪৮২ টাকায় বিক্রি হয়েছে এই মানের স্বর্ণ।

১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৬৬ টাকা কমে হয়েছে ৬৭ হাজার ১২৬ টাকা। বুধবার পর্যন্ত ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

আর সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমে হয়েছে ৫৫ হাজার ২৮৭ টাকা। এই দশ দিন এই মানের স্বর্ণ ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা ভরিতে বিক্রি হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের সকল স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত বাজুসের বেঁধে দেয়া দামে স্বর্ণ বিক্রি করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আগের দামেই বিক্রি হবে এই ধাতু।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণসহ আটক রোহিঙ্গা মা-ছেলে
স্বর্ণের ভরি আবার ৮০ হাজার টাকা ছাড়াল
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ১৩৪১ টাকা
বিমানের ময়লার ঝুড়িতে মিলল ১ কেজি স্বর্ণের বার
আমিরাতফেরত যাত্রীর ব্যাগে সোয়া কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Bangladesh Bank gave Tk 10 crore to Prime Ministers relief fund

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ১০ কোটি টাকার চেক তুলে দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার। ছবি: পিআইডি
বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ১০ কোটি টাকার চেক তু্লে দেন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ১০ কোটি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) তহবিল থেকে এ টাকা দেয়া হয়।

গণভবনে বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ১০ কোটি টাকার চেক তু্লে দেন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

আরও পড়ুন:
দুই মাসের মধ্যে কাটবে অর্থনীতির চাপ: গভর্নর
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
অনিবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রা আমানতে সুদ বাড়ল
শিল্প ও সেবা খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজারবান্ধব আরেক সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
FBCCI ILO to work jointly on labor protection

শ্রমিক সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও

শ্রমিক সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে এফবিসিসিআই-আইএলও
প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল, চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, আসবাব, প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং, স্থানীয় বাজারকেন্দ্রিক তৈরি পোশাক ও স্টিল রি-রোলিং শিল্পে কাজের নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে ১৫টি ইউনিট স্থাপন করা হবে।

অগ্রাধিকারমূলক শিল্পে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে শ্রমিকদের সুরক্ষায় যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।

বুধবার বিকেলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়।

চুক্তির আওতায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০টি শিল্প খাতের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কার্যক্রম নেয়া হবে। পেশাগত স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিধানে সাংগঠনিক পর্যায়ে (শিল্প খাতভিত্তিক মালিক সমিতি) এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে সক্ষমতা তৈরি ও প্রচারণা কার্যক্রম নেয়া হবে। এ প্রকল্পে সহায়তা দেবে আইএলওর আরএমজি প্রোগ্রাম। অর্থায়ন করবে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস সরকার।

প্রকল্পের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রিক্যাল, রাসায়নিক, প্লাস্টিক, হালকা প্রকৌশল, চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, আসবাব, প্রিন্টিং ও প্যাকেজিং, স্থানীয় বাজারকেন্দ্রিক তৈরি পোশাক ও স্টিল রি-রোলিং শিল্পে কাজের নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে ১৫টি ইউনিট স্থাপন করা হবে।

এ ছাড়া ২ হাজার ৪০০ সেফটি প্রতিনিধি ও ‌১০০ সেফটি কমিটির মাধ্যমে শিল্প মালিক ও কর্মীদের মধ্যে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও পেশাগত স্বাস্থ্যবিষয়ক সচেতনতা ও সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

অনুষ্ঠানে আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পৌটিআইনেন বলেন, ‘অগ্রাধিকারমূলক শিল্প খাতগুলোর নিরাপদ সংস্কৃতি চর্চাকে উন্নত করার প্রক্রিয়ায় এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আইএলও গর্বিত।

‘আশা করছি, আমাদের যৌথ প্রচেষ্টা এ দেশের কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা, হতাহতের ঘটনা ও রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে এবং এর ফলে অসংখ্য জীবন রক্ষা পাবে।’

বাংলাদেশের শ্রম আইনে ৫০ অথবা এর বেশি কর্মী কাজ করে এমন সব প্রতিষ্ঠানে সমানসংখ্যক মালিক ও কর্মী প্রতিনিধি নিয়ে সেফটি কমিটি গঠনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইএলও-এফবিসিসিআইয়ের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে ৯০০ সেফটি কমিটির সদস্যদের অগ্নিনিরাপত্তা, পেশাগত সেফটি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এর ফলে কমিটিগুলো তাদের কর্মক্ষেত্রের সেফটি ইস্যুগুলো আরও ভালোভাবে চিহ্নিত ও তদারক করতে পারবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। শক্তিশালী ও কার্যকর সেফটি ইউনিট, সেফটি কমিটি ও সেফটি প্রতিনিধি তৈরিতে আইএলওর কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতায় এফবিসিসিআই এই প্রকল্প নিয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে উন্নত কর্মপরিবেশ ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত হলে আমাদের কারখানা আরও নিরাপদ হবে, উৎপাদনশীলতাও বাড়বে। আর তা আমাদের জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহসভাপতি মো. আমিন হেলালী, পরিচালকবৃন্দ ও এফবিসিসিআইয়ের সেফটি কাউন্সিলের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবু নাঈম মো. শহীদুল্লাহ।

এর আগে গত মে মাসে আইএলওর আরএমজি প্রোগ্রাম ঢাকায় প্রথমবারের মতো ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি ফোরামের (আইএসএফ) আয়োজন করে। ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সব শিল্প খাতে কর্মক্ষেত্রে সেফটি ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নবিষয়ক আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ ও বিকেএমইর সহায়তার এক হাজার আরএমজি সেফটি কমিটিকে অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ (ওএসএইচ), অগ্নিনিরাপত্তা ও কোভিড-১৯ গাইডলাইন বিষয়ে সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে আইএলওর আরএমজি প্রোগ্রাম।

আরও পড়ুন:
বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে ব্রাজিলের সঙ্গে এফবিসিসিআইয়ের দুই চুক্তি
গভর্নরকে এফবিসিসিআই সভাপতি: সবাইকে সমান সুবিধা দিন
ঢাকায় ফের দূতাবাস চালুর চিন্তা আর্জেন্টিনার
বন্ড মার্কেট শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেবে এফবিসিসিআই
রাত ৮টার পরও দোকান খোলা চায় এফবিসিসিআই

মন্তব্য

অর্থ-বাণিজ্য
Money exchange can earn a maximum of one and a half rupees per dollar

মানি এক্সচেঞ্জ ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ দেড় টাকা লাভ করতে পারবে

মানি এক্সচেঞ্জ ডলারপ্রতি সর্বোচ্চ দেড় টাকা লাভ করতে পারবে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে ব্যাংকগুলো যে দরে ক্যাশ ডলার বিক্রি করবে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো তার চেয়ে এক টাকা বেশি দরে কিনতে পারবে। আর বিক্রি করতে পারবে সর্বোচ্চ দেড় টাকা বেশি দরে।’

সংকট কাটাতে ব্যাংকের মতো মানি চেঞ্জারদের ক্ষেত্রেও ডলার বেচা-কেনায় ব্যবধান (স্প্রেড) নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে ব্যাংকের সঙ্গে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবধান হবে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৫০ পয়সা। ব্যাংকের ক্ষেত্রে যেটা ১ টাকা।

খোলাবাজারে বিদেশি মুদ্রা কেনাবেচার প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখন থেকে ব্যাংক যে দরে ক্যাশ ডলার বিক্রি করবে সেই দরকে বেঞ্চ মার্ক ধরে এর চেয়ে সর্বোচ্চ দেড় টাকা বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো। এক্ষেত্রে ব্যাংকের সঙ্গে ব্যবধান হবে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৫০ পয়সা।

‘ব্যাংকগুলো যে দরে ক্যাশ ডলার বিক্রি করবে মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো তার চেয়ে এক টাকা বেশি দরে কিনতে পারবে। আর বিক্রি করতে পারবে সর্বোচ্চ দেড় টাকা বেশি দরে।’

সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘ডলারের বাজার নিয়ে এক ধরনের চ্যালেঞ্জের মধ্যে আছি। ডলার বাজারের অস্থিরতা দূর করতে এর আগে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈঠক করেছে। সেখানে তাদেরকে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলো যে দরে ডলার কিনবে, তার সঙ্গে বিক্রি মূল্যের একটি সিলিং করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যবধান হবে সর্বোচ্চ এক টাকা। সব ব্যাংক এটি ফলো করবে বলে তারা জানিয়েছেন।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা ব্যাংকগুলোতে যেমন পরিদর্শন চালিয়েছি, তেমনই খোলাবাজারও পরিদর্শন করেছি। বাজারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নেয়া ২৩৫টি বৈধ মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আমরা নিয়মিত তদারকি করছি। কোনো অনিয়ম পেলে ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে।

‘বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি না নিয়ে ৭’শর বেশি মানি চেঞ্জার বাজারে কাজ করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে আইন-শৃংখলা বাহিনী। ইতোমধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানকে তারা শাটডাউন করেছে। আরো বেশকিছু প্রতিষ্ঠান এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

আরও পড়ুন:
বিমানবন্দরে ৩২ হাজার ডলারসহ আটক ১
এক মাসে রিজার্ভ থেকে ১.১৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি
তিন মাসের রিজার্ভই যথেষ্ট: প্রধানমন্ত্রী
শুধু বাংলাদেশ নয়, সব দেশেই কমছে রিজার্ভ
রিজার্ভে চাপ কমাতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ সিদ্ধান্ত

মন্তব্য

p
উপরে